ভারতে আবারও রেকর্ড শনাক্ত, টিকার ঘাটতি

করোনার টিকা স্বল্পতায় মহারাষ্ট্র, ওড়িশায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক কেন্দ্র। ছবি: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

ভারতে আবারও রেকর্ড শনাক্ত, টিকার ঘাটতি

বিশ্বে নানা রোগের টিকা উৎপাদনে শীর্ষে থাকা ভারতে করোনাভাইরাসের টিকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত টিকার সরবরাহ না থাকায় মহারাষ্ট্রসহ বিভিন্ন রাজ্যে টিকাকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দ্রুত। ওড়িশায় এরই মধ্যে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অর্ধেকের বেশি টিকাকেন্দ্র।

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৮৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

মহামারি শুরু হওয়ার পর দেশটিতে বুধবার প্রথম সোয়া লাখের বেশি মানুষের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি পাওয়া যায়।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ২৮ হাজার। আরও ৬৮৫ জনের মৃত্যুতে মোট প্রাণহানি হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার।

করোনা শনাক্তের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় ও মৃত্যুতে চতুর্থ শীর্ষ দেশ ভারত। তালিকায় ভারতের আগে আছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও মেক্সিকো।

মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে ভারত সরকার। টানা এক সপ্তাহ ধরে দেশটিতে দৈনিক সংক্রমণ ৮০ হাজারের বেশি। রোগের বিস্তার রোধে অর্ধশত শহরে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে।

নতুন সংক্রমণের কেন্দ্রে রয়েছে করোনায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। মহামারির এ পর্যায়ে সারা ভারতে সংক্রমণের ৪৭ শতাংশই এই এক রাজ্যে।

গত বছরের দীর্ঘ লকডাউনের প্রভাবে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছিল ভারতসহ সারা বিশ্বে। এ অবস্থায় মহামারি চরম রূপ নিলেও করোনার বিস্তার রোধে দ্বিতীয়বার দেশব্যাপী লকডাউন জারি করার উপায় নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে রাজ্য পর্যায়ে স্থানীয় সরকার প্রশাসন চাইলে বিধিনিষেধ কঠোর করতে পারে বলে জানিয়েছে দিল্লি।

টিকার ঘাটতি

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই সারা বিশ্বে নানা রোগের টিকা উৎপাদনে শীর্ষে থাকা ভারতে করোনাভাইরাসের টিকার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত টিকার সরবরাহ না থাকায় মহারাষ্ট্রসহ বিভিন্ন রাজ্যে টিকাকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দ্রুত।

বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ের ২৬টি টিকাদান কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। ওড়িশায় এরই মধ্যে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অর্ধেকের বেশি কেন্দ্র।

১৩৩ কোটি মানুষের দেশটিতে টিকা কার্যক্রম শুরু জানুয়ারিতে। এ পর্যন্ত ৯ কোটি মানুষ টিকার আওতায় এসেছেন। এদের মধ্যে মাত্র ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ দুই ডোজ টিকাই নিয়েছেন।

চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের করোনার টিকাদানে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারত সরকার।

চলমান পরিস্থিতিতে ৪৫ বছরের কম বয়সীরাও করোনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে টিকার পরিধি বাড়ানোর দাবি উঠেছে সারা দেশে।

মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপের অভিযোগ, টিকা সরবরাহে পক্ষপাতিত্ব করছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশসহ বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোতে বেশি টিকা পাঠাচ্ছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্বল্পতা নেই; বরং প্রতিদিন গড়ে ৩৪ লাখ মানুষকে টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে সারা বিশ্বে দৈনিক টিকাদানের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ভারত।

নিজ জনগণের চাহিদা না মিটিয়ে কোটি কোটি ডোজ টিকা বিদেশে রপ্তানি করছে নরেন্দ্র মোদির সরকার—পার্লামেন্টে এমন অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দলগুলো।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবি প্রজ্ঞার

ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা 
চূড়ান্ত করার দাবি প্রজ্ঞার

হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্প উৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ট্রান্সফ্যাটমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে খসড়া ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণে এখন কাজ করছে।

১৭ মে, সোমবার। বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। দিবসটিকে সামনে রেখে রোববার অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি হ্রাসে খাদ্যে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে খসড়া ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ শিগগির চূড়ান্ত এবং বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে অ্যাডভোকেসি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা বা প্রগতির জন্য জ্ঞান।

জানা গেছে, হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্প উৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ট্রান্সফ্যাটমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে খসড়া ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণে এখন কাজ করছে।

উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। সর্বশেষ প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে ২০১৭-১৮-এর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি ৪ জনে ১ জন উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, হার্ট সুস্থ রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং সুস্থ জীবন-যাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে খাদ্যদ্রব্য থেকে ট্রান্সফ্যাট নামক বিষাক্ত কেমিক্যাল নির্মূল হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফঅ্যা) বা ট্রান্সফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর একটি খাদ্য উপাদান। ডালডা বা বনস্পতি ঘি এবং এটি দিয়ে তৈরি নানা মুখরোচক খাবার ও বেকারি পণ্যে ট্রান্সফ্যাট থাকে। এ ছাড়া ভাজাপোড়া খাবার তৈরিতে একই তেল বারবার ব্যবহার করলে ট্রান্সফ্যাট তৈরি হয়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

এ প্রসঙ্গে প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ‘আমাদের দেশে অসংক্রামক রোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। খাদ্যে টান্সফ্যাট নির্মূল নিঃসন্দেহ সরকারের জন্য একটি ব্যয় সাশ্রয়ী পদক্ষেপ। এটি একদিকে যেমন অসংক্রামক রোগের প্রকোপ কমাবে, অন্যদিকে সরকারের স্বাস্থ্য সেবা ব্যয় কমাতে ভূমিকা রাখবে।’

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন

মজুত শেষ, সিলেটে টিকা দেয়া বন্ধ

মজুত শেষ, সিলেটে টিকা দেয়া বন্ধ

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মজয় দত্ত বলেন, সিলেটে টিকার মজুত ফুরিয়ে গেছে। গত বুধবার থেকে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। নতুন করে টিকা এলে আবার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।

সিলেটে ফুরিয়ে গেছে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন-কোভিশিল্ডের মজুত। ঈদের দুদিন আগ থেকেই সিলেট জেলায় টিকা দেয়া বন্ধ রয়েছে। টিকাদান বন্ধ রয়েছে সুনামগঞ্জেও। তবে সিলেট বিভাগের অন্য দুই জেলা মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সামান্য পরিমাণ মজুত রয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘টিকার মজুত শেষ হয়ে আসায় ঈদের দুই দিন আগে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন এ রকম প্রতিদিন যদি ১ হাজারের বেশি মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়, তাহলে আগামী ২ দিনের মধ্যে মজুত শেষ হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, রোববার টিকা কেন্দ্রে উপস্থিত সব গ্রহীতাকে টিকা দেয়া সম্ভব হয়নি। দেশে নতুন করে টিকা না আসা পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের জন্য নিবন্ধিতদের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মজয় দত্ত বলেন, সিলেটে টিকার মজুত ফুরিয়ে গেছে। গত বুধবার থেকে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। নতুন করে টিকা এলে আবার টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।

তবে কিছু টিকা এখনও মজুত রয়েছে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে।

মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মোর্শেদ নিউজবাংলাকে বলেন, এখনও ৩৬০ ভায়াল করোনার টিকা হাতে রয়েছে, যা দিয়ে আরও ৩-৪ দিন চলবে।

হবিগঞ্জে রোববার পর্যন্ত টিকার মজুত ছিল ৬০৮ ভায়াল অর্থাৎ ৬ হাজার ৮০ ডোজ।

মজুত টিকায় আরও এক সপ্তাহ চলবে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন কেএম মুস্তাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, দ্বিতীয় দফায় হবিগঞ্জে টিকা এসেছিল ৩৬ হাজার ডোজ। এ ছাড়া সিলেট থেকে আনা হয় ৪ হাজার ডোজ।

অপরদিকে, সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন শামস উদ্দিন জানান, সুনামগঞ্জে ৫০০-৬০০ ভায়ালের মতো টিকা মজুত রয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় মজুত সামান্য হওয়ায় বর্তমানে টিকা প্রদান বন্ধ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি ভায়ালে ১০টি করে ডোজ থাকে।

করোনা টিকার সংকটের কারণে গত ২৬ এপ্রিল ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেয়া বন্ধ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাংলাদেশে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট গত মার্চে বাংলাদেশে ভ্যাকসিনটির চালান বন্ধ করে দেয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি থেকে দুই চালান ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসে।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন

টিকা উৎপাদনের অনুমতি পায়নি ইনসেপ্টা

টিকা উৎপাদনের অনুমতি পায়নি ইনসেপ্টা

করোনা প্রতিরোধী টিকা উৎপাদনে দেশের কোনো ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিকে এখনও অনুমতি দেয়া দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাইতে গঠিত কমিটির ২৫ নম্বরের মধ্যে ২১ নম্বর পেয়েছে ইনসেপ্টা। পাঁচটি পর্যায়ে এই সক্ষমতার বিচারে এই নম্বর দিয়েছে কমিটি। সোমবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করার কথা রয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের।

ওষুধ উৎপাদনকারী দেশীয় কোম্পানি ইনসেপ্টাকে চীনের সিনোফার্মের করোনা প্রতিরোধী টিকা উৎপাদনের অনুমতি দেয়ার সংবাদটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

রোববার রাত আটটার দিকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দেশের কোনো ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিকে এখনও পর্যন্ত করোনা টিকা উৎপাদনের অনুমতি দেয়া হয়নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাইতে গঠিত কমিটির ২৫ নম্বরের মধ্যে ২১ নম্বর পেয়েছে ইনসেপ্টা।

পাঁচটি পর্যায়ে এই সক্ষমতার বিচারে এই নম্বর দিয়েছে কমিটি। সোমবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করার কথা রয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের।

সেখানে চীনের সিনোফার্মের করোনা ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদনের জন্য ইনসেপ্টাকে অনুমতি দেয়ার বিষয়টি জানানো হতে পারে।

এর আগে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছিল, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে টিকা উৎপাদনে অনুমতি দেয়া যায় কিনা তার প্রাথমিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিকা সংগ্রহ ও বিতরণ বিষয়ক আন্তমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কমিটি।

এ ছাড়া, রেনেটা এবং ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস রাশিয়ার টিকা উৎপাদনের অনুমতি চেয়ে ঔষধ প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে।

গত ২ মে রাশিয়াকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছে ওরিয়ন ফার্মা। এর দুই দিন পর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সেই বিষয়টি জানায় তারা।

চীনের টিকার পাশাপাশি রাশিয়ার টিকাও উৎপাদন করতে আগ্রহী পপুলার, হেলথকেয়ার, ইনসেপটা ও রেনাটা। এ জন্য রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগও করেছে কোম্পানিগুলো।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেছিলেন, ‘আমাদের বেশ কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানির করোনা টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও সরকার বর্তমানে তিন কোম্পানির টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাই করবে। এটা আমাদের বিশেষজ্ঞ কমিটি থেকে সুপারিশ করা হয়েছে।’

করোনা প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রমের শুরু থেকেই ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত কোভিশিল্ড টিকার ওপর নির্ভর করে আসছিল বাংলাদেশ।

ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩ কোটি ডোজ টিকা আনতে গত বছরের ৫ নভেম্বর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করে ঢাকা। চুক্তি অনুষ্ঠানে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীও।

চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে ছয় ধাপে দেশে ৩ কোটি ডোজ টিকা পৌঁছানোর কথা থাকলেও সিরাম তা পারছে না। দুই ধাপে ৭০ লাখ ডোজ টিকা দিতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি। বাকি টিকা পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

সিরাম থেকে ৫০ লাখ ডোজের প্রথম চালানটি আসে গত জানুয়ারিতে। ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় চালানে টিকা আসে ২০ লাখ ডোজ। তবে কেনা টিকার বাইরে ভারত সরকার তিন ধাপে বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিয়েছে ৩৩ লাখ ডোজ টিকা। সব মিলিয়ে দেশে টিকার মজুত দাঁড়ায় ১ কোটি ৩ লাখ ডোজ।

এর মধ্যে ৭০ লাখ ডোজ টিকা মজুত নিয়ে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় করোনা প্রতিরোধী গণটিকা কার্যক্রম।

গণটিকাদান শুরুর ৭৮ দিনের মাথায় ২৫ এপ্রিল প্রথম ডোজ বন্ধ করে দেয়া হয়। তত দিনে প্রথম ডোজ প্রয়োগ করা হয় ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৬৪৬ জনকে। এদের সবার দ্বিতীয় ডোজ লাগবেই। প্রথম ডোজে যাদের সিরামের টিকা দেয়া হয়েছে, তাদের সবার টিকা নিশ্চিত করতে হলে আরও অন্তত ১৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৯২ ডোজ লাগবে। সরকারের মজুতে সে পরিমাণ টিকা নেই।

ভারত টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় টিকার সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। সংকট নিরসনে সরকার বিকল্প উৎস থেকে টিকা পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর অংশ হিসেবে গত ২৭ এপ্রিল রাশিয়ার মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি স্পুৎনিক-ভি ও ২৯ এপ্রিল চীনের সিনোফার্মের টিকাকে জরুরি প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়। এই দুটি দেশ থেকে টিকা কেনার পাশাপাশি তাদের টিকা দেশে উৎপাদনের প্রযুক্তি নিতে চায়।

সেসব দেশ থেকে টিকা কিনে আনার পাশাপাশি ফর্মুলা গোপন রাখার শর্তে চীন ও রাশিয়ার টিকা দেশেই উৎপাদন করতে চায় সরকার। সরকারের এই কাজে সহযোগিতা করবে দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এক্ষেত্রে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা আছে বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন

ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত

ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত

বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায় জানান, গত ২৬ এপ্রিল বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে দুই শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৭৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ভারতফেরত ওই তিন শিক্ষার্থীর ভ্যারিয়েন্ট পরীক্ষার জন্য তাদের নমুনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

লালমনিরহাটে ভারতফেরত তিন শিক্ষার্থীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

সম্প্রতি বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ১৬ শিক্ষার্থী বাংলাদেশে আসেন। রোববার তাদের তিনজনসহ চারজনের করোনা শনাক্ত হয়।

তারা হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে আছেন বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী প্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান।

তিনি জানান, ওই তিন শিক্ষার্থী শিলিগুড়ির স্যাক্রেড হার্ট স্কুলে পড়ালেখা করেন। তারা হলেন ঢাকার কলাবাগানের মো ইয়াসিন, ফয়সাল হোসেন ও সূত্রাপুরের জয়চন্দ্র পাল।

এ পর্যন্ত এ জেলায় ১ হাজার ৫৩ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের, সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩২ জন।

বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩৬ জন। তাদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৫, কালীগঞ্জে পাঁচজন ও পাটগ্রামে ছয়জন আছেন।

জেলা সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায় নিউজবাংলাকে জানান, গত ২৬ এপ্রিল বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে দুই শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৭৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

ভারতফেরত ওই তিন শিক্ষার্থীর ভ্যারিয়েন্ট পরীক্ষার জন্য তাদের নমুনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন

শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট এবার কমিউনিটি ক্লিনিকে

শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট এবার কমিউনিটি ক্লিনিকে

নীলফামারী সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের কানিয়াল খাতা কমিউনিটি ক্লিনিকে রোববার শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা

নীলফামারী জেলায় ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৬ লাখ ১১ হাজার ৭২ শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে ২০ মে পর্যন্ত।

গত বছর বন্ধ থাকলেও এবার বিকল্প ব্যবস্থায় ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের খাওয়ানো শুরু হয়েছে কৃমিনাশক ট্যাবলেট।

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের কানিয়াল খাতা কমিউনিটি ক্লিনিকে রোববার দুপুরে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাশেবুল হোসেন, ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রশিদ মঞ্জু।

অনুষ্ঠানে শিশুদের একটি করে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাইয়ে জাতীয় কৃমিনাশক সপ্তাহ ২০২১-এর উদ্বোধন করা হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, নীলফামারী জেলায় ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৬ লাখ ১১ হাজার ৭২ শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে ২০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন জানান, গত বছর করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো বন্ধ থাকলেও এবার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে খাওয়ানো হবে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হতো।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন

মাস্ক পরতে হবে না ওয়ালমার্ট ক্রেতাদের

মাস্ক পরতে হবে না ওয়ালমার্ট ক্রেতাদের

ওয়ালমার্টে করোনার টিকার সব ডোজ নেয়া ব্যক্তিরা এখন মাস্ক ছাড়া কেনাকাটা করতে পারবেন। ছবি: এএফপি

সিডিসির নির্দেশনার পর ট্রেডার জো’স, ওয়ালমার্ট, স্যাম’স ক্লাব, কস্টকো ও পাবলিক্স প্রথম মাস্ক ছাড়া কেনাকাটার ঘোষণা দেয়। তবে অঙ্গরাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসন মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক রাখলে সেক্ষেত্রে ক্রেতাদের মাস্ক পরতে হবে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় জারি করা নানা স্বাস্থ্যবিধির মধ্যে মাস্ক পরা অন্যতম। বৃহস্পতিবার এ নিয়মে শিথিলতা আনে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় জনস্বাস্থ্য সংস্থা সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)।

সংস্থাটির ঘোষণায় বলা হয়, করোনার টিকার সব ডোজ নেয়া যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ঘরের ভেতরে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আর মাস্ক পরা লাগবে না। ঘরের বাইরে এমনকি জনবহুল স্থানেও তাদের মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তা নেই।

এ ঘোষণার পরদিনই শুক্রবার নিজেদের মাস্ক সংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তন আনে ওয়ালমার্টসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু প্রসিদ্ধ খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনার টিকার সব ডোজ নেয়া ক্রেতাদের এখন আর দোকানে কেনাকাটার সময় মাস্ক পরা লাগবে না।

ইউএসএ টুডের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিডিসির নির্দেশনার পর ট্রেডার জো’স, ওয়ালমার্ট, স্যাম’স ক্লাব, কস্টকো ও পাবলিক্স প্রথম মাস্ক ছাড়া কেনাকাটার ঘোষণা দেয়। তবে অঙ্গরাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসন মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক রাখলে সেক্ষেত্রে ক্রেতাদের মাস্ক পরতে হবে। এ ছাড়া কয়েকটি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোর টিকা নেয়া কর্মচারীরা মাস্ক ছাড়া কাজ করতে পারবে।

অ্যাপল, টার্গেট, সিভিএস, ওয়ালগ্রিন্সের মতো বেশ কিছু খুচরা বিক্রেতা জানিয়েছে, সিডিসির নতুন নির্দেশনা তারা এখনও মূল্যায়ন করছে। তবে মাস্ক পরার ক্ষেত্রে নীতিমালা হালনাগাদ করা হতে পারে।

এ ছাড়া বহুজাতিক কফি বিক্রয় প্রতিষ্ঠান স্টারবাক্স এরই মধ্যে তাদের মাস্ক সংক্রান্ত নীতি পরিবর্তন করেছে। সোমবার থেকে করোনার টিকা নেয়া ক্রেতাদের মাস্ক পরা ঐচ্ছিক করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে স্থানীয় প্রশাসন মাস্ক পরতে বাধ্য করলে ক্রেতাদের সেক্ষেত্রে মাস্ক পরে স্টারবাক্সে যেতে হবে।

সুপারমার্কেট কোম্পানি পাবলিক্স করোনার টিকা নেয়া ক্রেতা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে মাস্কনীতি হালনাগাদ করেছে, যা শনিবার থেকে কার্যকর হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে পাবলিক্সের পক্ষ থেকে বলা হয়, সিডিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ক্রেতা করোনার টিকার সব ডোজ নেননি, তাদের পাবলিক্সের সব স্টোরে নাক ও মুখ ঢেকে রাখার মতো মাস্ক পরতে হবে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে শুক্রবার রাতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাসংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ মূল্যায়ন অব্যাহত রেখেছে অ্যাপল। মাস্ক পরাসহ করোনা সংক্রান্ত অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন

করোনায় আরও ২৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৩

করোনায় আরও ২৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৩

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ১৬৯ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ১৪৯ জনের। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬.৬৯ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ৩৬৩ জনের শরীরে।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ১৬৯ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ১৪৯ জনের।

গত একদিনে দেশের ৪৫৯টি ল্যাবে পাঁচ হাজার ৪৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬.৬৯ শতাংশ। সার্বিক শনাক্তের হার ১৩.৬৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও ৬০১ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছে ৭ লাখ ২২ হাজার ৩৬ জন। সুস্থতার হার ৯২.৫২ শতাংশ।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে ১৮ পুরুষ, সাতজন নারী। তাদের মধ্যে মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব দুই, চল্লিশোর্ধ্ব চার, পঞ্চাশোর্ধ্ব ছয় ও ষাটোর্ধ্ব ১৩ জন।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের কথা ঘোষণা করে।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত বছরের ৪ জানুয়ারি থেকেই দেশের বিমানবন্দরসহ সব স্থল ও নৌবন্দরে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু করে। ওই বছরের ৪ মার্চ সমন্বিত করোনা কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়।

আরও পড়ুন:
টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি

শেয়ার করুন