সপরিবারে টিকা নিলেন এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট

করোনাভাইরাসের টিকা নিচ্ছেন এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম। ছবি: নিউজবাংলা

সপরিবারে টিকা নিলেন এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট

ফজলে ফাহিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত ও দূরদর্শী উদ্যোগের কারণে টিকা প্রাপ্তি, গ্রহণ ও সুষ্ঠু বণ্টনে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের অন্যতম একটির তালিকায় থাকতে পেরেছে বাংলাদেশ।’

সপরিবার করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম।

রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি এ টিকা নেন।

ওই সময় সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজামুদ্দিন রাজেশসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

করোনার টিকা নিয়ে ফজলে ফাহিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত ও দূরদর্শী উদ্যোগের কারণে টিকা প্রাপ্তি, গ্রহণ ও সুষ্ঠু বণ্টনে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের অন্যতম একটির তালিকায় থাকতে পেরেছে বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, ‘এ টিকা শতভাগ নিরাপদ। এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।’

নির্বিঘ্নে ও নিঃসংকোচে দেশবাসীকে করোনার টিকা নেয়ার আহ্বান জানান এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা টিকা নেয়া শুরু করেছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতাসহ ব্যবসায়ীরা টিকা নেবেন।’

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১৫ দিনে টিকা নিলেন ২৬ লাখ ৭৩ হাজার জন

১৫ দিনে টিকা নিলেন ২৬ লাখ ৭৩ হাজার জন

গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৮৫ জন, সব মিলিয়ে টিকা নিয়েছেন ২৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭১৫ জন এবং নারী ৯ লাখ ২৬ হাজার ৯০৬ জন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ জনসহ এখন পর্যন্ত যারা টিকা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৬৬৯ জনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এসব মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কারও সামান্য জ্বর হয়েছে কিংবা বমি হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গণটিকা প্রয়োগের ১৫ দিনে সারা দেশে টিকা নিয়েছেন ২৬ লাখের বেশি মানুষ। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৮৫ জন।

বুধবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৮৫ জন, সব মিলিয়ে টিকা নিয়েছেন ২৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭১৫ জন এবং নারী ৯ লাখ ২৬ হাজার ৯০৬ জন।

এ সঙ্গে যোগ হবে আরও ৫৬৭ জন, যাদের গণটিকার আগে ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ জনসহ এখন পর্যন্ত যারা টিকা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৬৬৯ জনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এসব মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কারও সামান্য জ্বর হয়েছে কিংবা বমি হয়েছে।

৭ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে টিকা দেয়া শুরু হয়। এরপর টানা চার দিন ধরে বাড়তে থাকে টিকা নেয়া মানুষের সংখ্যা। মঙ্গল ও সোমবার এই সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুববার ঢাকার ৪৬টি এবং ঢাকার বাইরে ৯৫৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চলে টিকা কার্যক্রম। ১৫ দিনে জেলাভিত্তিক সবচেয়ে বেশি টিকা দেয়া হয়েছে ঢাকায়। সবচেয়ে কম দেয়া হয়েছে রাঙ্গামাটিতে।

২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মহানগরে টিকা নিয়েছেন ২৭ হাজার ৮৫৭ জন। ঢাকা বিভাগে মোট টিকা নিয়েছেন ৬০ হাজার ৭৪০ জন। আর রাজধানীতে ২০ জনসহ ঢাকা বিভাগে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ২২ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে টিকা দেয়া হয়েছে ৩৭ হাজার ৭৪ জনকে। এই বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় চার জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার দেখা দিয়েছে।

রাজশাহী বিভাগে টিকা নিয়েছেন ১৮ হাজার ১৭৯জন। এদের মধ্যে চার জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

খুলনা বিভাগে ২৪ হাজার ৮৩৮ জনকে টিকা দেয়া হয়। এই বিভাগে তিন জনের মধ্যে দেখা দিয়েছে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

বরিশাল বিভাগে টিকা দেয়া হয়েছে ৮ হাজার ৩৯৪ জনকে। এই বিভাগে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে।

সিলেট বিভাগে টিকা দেয়া হয়েছে ৮ হাজার ২৮৮ জনকে। এদের কারও শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি।

ময়মনসিংহ বিভাগে টিকা দেয়া হয় ৭ হাজার ৮৬০ জনকে। এই বিভাগেও ছয়জনের শরীরেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খবর আসেনি।

রংপুর বিভাগে টিকা নিয়েছেন ১৬ হাজার ৬১২ জন। এই বিভাগে একজনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

কোভ্যাক্সের টিকা ঘানায়

কোভ্যাক্সের টিকা ঘানায়

ডব্লিউএইচওর কোভ্যাক্স কর্মসূচির প্রথম চালানের টিকা পৌঁছেছে ঘানায়। ছবি: ইউনিসেফ

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ১৯০টি দেশে করোনার টিকার ২০০ কোটি ডোজ সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে ডব্লিউএইচওর। তালিকার ৯৮টি উন্নত দেশের সঙ্গে ৯২টি স্বল্পোন্নত দেশও যেন একই সময়ে টিকা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে চায় সংস্থাটি।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সব দেশে টিকার সুষম বণ্টন নিশ্চিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) পরিচালিত কোভ্যাক্স কর্মসূচির ডোজের প্রথম চালান পৌঁছেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায়।

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ১৯০টি দেশে করোনার টিকার ২০০ কোটি ডোজ সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে ডব্লিউএইচওর।

তালিকার ৯৮টি উন্নত দেশের সঙ্গে ৯২টি স্বল্পোন্নত দেশও যেন একই সময়ে টিকা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে চায় সংস্থাটি।

এরই অংশ হিসেবে বুধবার অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ৬ লাখ ডোজ পৌঁছায় ঘানার রাজধানী আক্রায়।

যৌথ বিবৃতিতে মুহূর্তটিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ। এতে বলা হয়, মহামারির ইতি টানতে বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার পর্দা উঠল ঘানায় টিকা পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে। প্রথম দফায় আরও টিকা পাঠানো হবে নিম্ন ও মধ্য আয়ের বিভিন্ন দেশে।

ঘানায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৬০০ মানুষের। আক্রান্ত প্রায় ৮১ হাজার। করোনা শনাক্তকরণ ব্যবস্থায় ঘাটতির ফলে ঘানার প্রকৃত মহামারি পরিস্থিতি সামনে আসেনি বলে রয়েছে অভিযোগ।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত শতভাগ জনগোষ্ঠীর জন্য করোনার টিকা সংগ্রহ করতে পেরেছে হাতেগোনা কয়েকটি ধনী দেশ। বিপরীতে একটি ডোজও টিকা পায়নি ১৩০টির বেশি দেশ।

এ অবস্থায় টিকাবঞ্চিত হয়ে সংক্রামক ভাইরাসটি প্রতিরোধের লড়াইয়ে দরিদ্র দেশগুলো যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে মহামারির শুরু থেকেই কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এ প্রচেষ্টায় যোগ দিয়েছে টিকাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন্স (সিইপিআই)।

ধনী দেশগুলো যেন টিকা কিনতে দরিদ্র দেশগুলোকেও আর্থিক সহযোগিতা করতে সম্মত হয়, তা নিশ্চিত করাও এ কর্মসূচির লক্ষ্য।

কোভ্যাক্স কর্মসূচির জন্য এখন পর্যন্ত ৬০০ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহ করতে পেরেছে ডব্লিউএইচও। তবে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কমপক্ষে আরও ২০০ কোটি ডলার প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

করোনায় আরও ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৪২৮

করোনায় আরও ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৪২৮

গত একদিনে আরও ৪২৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৪ জন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল আট হাজার ৩৭৯ জনে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত একদিনে আরও ৪২৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৪ জন।

আরও আসছে….

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

করোনা সনদে এস্তোনিয়াকে সমর্থন দেবে বাংলাদেশ

করোনা সনদে এস্তোনিয়াকে সমর্থন দেবে বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, করোনা ইস্যুতে বাংলাদেশের সমর্থন চায় বাল্টিক সাগরের পূর্ব পারের দেশটি। এস্তোনিয়ার আহ্বানে সাড়া দিতে সময় নেয়নি বঙ্গোপসাগর পারের বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত করোনাভাইরাসের সনদের বিষয়ে উত্তর-পূর্ব ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়ার পাশে থাকবে বাংলাদেশ।

দেশটির সহায়তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ওই সূত্র জানিয়েছে, করোনা ইস্যুতে বাংলাদেশের সমর্থন চায় বাল্টিক সাগরের পূর্ব পারের দেশটি। এস্তোনিয়ার আহ্বানে সাড়া দিতে সময় নেয়নি বঙ্গোপসাগর পারের বাংলাদেশ।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৯৯১ সালের ২০ আগস্ট সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হওয়া এস্তোনিয়া করোনার কারণে সমস্যায় রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের একেকটি দেশ একেক রকম টিকা ব্যবহার করছে। কিন্তু স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিক সনদের মাধ্যমে এসব টিকার ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় এস্তোনিয়া। এ জন্য তারা ঢাকার সহায়তা চেয়েছিল। বাংলাদেশও এ ইস্যুতে তাদের সমর্থন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে এ ইস্যুতে সবগুলো দেশের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি সনদের ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থন চেয়ে চিঠি লেখেন এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী কাজা কালাস।

শেখ হাসিনাকে লেখা কূটনৈতিক চিঠিতে কাজা কালাস বলেছিলেন, ‘করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে একেক দেশ একেক রকম টিকা ব্যবহার করছে। যে দেশ যে টিকা ব্যবহার করছে, করোনা সনদে ওই টিকার বাইরে অন্য টিকার স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে না।

‘এতে অনেকে টিকা নেয়া সত্ত্বেও অন্য দেশ ভ্রমণে গেলে এবং ভ্রমণে যাওয়া দেশে ওই টিকার ব্যবহার না থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই ভ্রমণকারীকে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। এতে অনেক সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অনেক কাজে বেশি সময়ও ব্যয় হচ্ছে।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, সবাই যদি বৈশ্বিকভাবে একটি করোনা সনদ ব্যবহার করেন, যেখানে সবগুলো টিকার বিষয়ে তথ্য থাকবে এবং যে ধরনের টিকা ব্যবহার হচ্ছে তা উল্লেখ থাকে, তাহলে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, এস্তোনিয়ার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাতে চায় বাংলাদেশ। এ ইস্যুতে দেশটিকে বাংলাদেশের সমর্থন জানিয়ে দ্রুতই চিঠি দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

টিকা নিলেন শেখ রেহানা

টিকা নিলেন শেখ রেহানা

করোনার টিকা নেয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা। ছবি: নিউজবাংলা

টিকা দেশে আসার পর বিএনপি দাবি করে আসছিল এই টিকা নিরাপদ নয়। টিকা নিয়ে মানুষ মারা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ের কথা বলেন দলের মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী। টিকা নিরাপদ হলে কেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগে নেবেন না, এমন প্রশ্নই সামনে এনে সমালোচনা করতে থাকে দলটি। ২৭ জানুয়ারি টিকা কার্যক্রম উদ্বোধনের পর তিনি এর জবাব দিয়ে বলেন, ‘আগে আগে নিলে বলত নিজেই নিল অন্য কাউকে দিল না। সবাইকে দিয়ে নিই তারপরে।’

করোনার টিকা নিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস রানা নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন টিকা নেন।

গত ২৭ জানুয়ারি দেশে করোনার টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ দিন পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় গণটিকা কার্যক্রম। ১৩ দিনে প্রায় ২৫ লাখ মানুষ টিকা নিয়েছে দেশজুড়ে।

এখন পর্যন্ত টিকা নিতে নিবন্ধনের সংখ্যা ৩৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

প্রথম পর্যায়ে ৪০ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকরা নিবন্ধনের মাধ্যমে টিকা নিতে পারছেন। তবে বয়সের সময়সীমা কমতে পারে।

টিকা গ্রহীতার তালিকায় যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও। তবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শেখ রেহানাই প্রথম টিকা নিলেন।

টিকা দেশে আসার পর বিএনপি দাবি করে আসছিল এই টিকা নিরাপদ নয়। টিকা নিয়ে মানুষ মারা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ের কথা বলেন দলের মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী। টিকা নিরাপদ হলে কেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগে নেবেন না, এমন প্রশ্নই সামনে এনে সমালোচনা করতে থাকে দলটি।

২৭ জানুয়ারি টিকা কার্যক্রম উদ্বোধনের পর তিনি এর জবাব দিয়ে বলেন, ‘আগে আগে নিলে বলত নিজেই নিল অন্য কাউকে দিল না। সবাইকে দিয়ে নিই তারপরে।’

বাংলাদেশ টিকা এনেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে, যেটির উদ্ভাবক অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি।

সিরাম থেকে মোট ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা কিনেছে বাংলাদেশ। এর বাইরে ২০ লাখ টিকা ভারত সরকার দিয়েছে উপহার হিসেবে।

এখন পর্যন্ত সিরাম থেকে এসেছে বাংলাদেশের কেনা ৭০ লাখ আর ভারতের উপহারের টিকা।

বিশ্বজুড়ে টিকা বিতরণে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক জোট কোভ্যাক্স থেকেও পৌনে সাত কোটি টিকা পাওয়ার কথা আছে বাংলাদেশের। তবে সংখ্যাটি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

চীনের টিকা আনতেও আলোচনা হচ্ছে

চীনের টিকা আনতেও আলোচনা হচ্ছে

রাজধানীর একটি টিকাকেন্দ্রে টিকা নিতে আগ্রহীদের অপেক্ষা। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এখানে কিছু নতুন সাপ্লাইয়ার আবেদন করেছে। এ বিষয়েও আমরা চিন্তাভাবনা করছি। সে বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করে আমরা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের বাইরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার বিকল্প উৎস নিয়েও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ আলোচনা হচ্ছে বলে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন ‘টিকা সংগ্রহে বিকল্প ভাবনাও রয়েছে। ভারতের বায়োটেক এবং চীনের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ করছে।

‘আমাদের এখানে কিছু নতুন সাপ্লাইয়ার আবেদন করেছে। এ বিষয়েও আমরা চিন্তাভাবনা করছি। সে বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করে আমরা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

বিশ্বজুড়ে নানা ব্র্যান্ডের টিকার প্রয়োগ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার, মডার্না, রাশিয়ার স্পুৎনিক, চীনের সিনোভ্যাক। তবে বাংলাদেশে প্রয়োগ চলছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ‘কোভিশিল্ড’ টিকা।

এখন পর্যন্ত করোনা প্রতিরোধী যেসব টিকার প্রয়োগ শুরু হয়েছে এর মধ্যে কোভিশিল্ড টিকাই সংরক্ষণে সবচেয়ে সহজ; দামও কম। অন্যদিকে ফাইজার, মডার্নাসহ অন্যান্য টিকা সংরক্ষণ প্রক্রিয়া খুবই জটিল।

যেসব টিকার সংরক্ষণ প্রক্রিয়া জটিল সেসবে সরকারের খুব একটা আগ্রহ নেই বলে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

‘তাপমাত্রাজনিত কারণে যে টিকা সংরক্ষণ কঠিন, সেগুলো নিয়ে সরকারের আগ্রহ কম। যেগুলো মাইনাস টোয়েন্টি, মাইনাস সেভেন্টি সেগুলো আমাদের দেশে বর্তমানে রাখা এবং দেয়াটা একটু কষ্টকর। সে কারণে আমাদের ওই সমস্ত টিকায় অগ্রাধিকার দিতে হবে আস্ট্রাজেনেকার মতো। যেগুলো আমরা দুই থেকে আট ডিগ্রিতে রাখতে পারি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে টিকা বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা

পরের চালানে বেশি টিকা পাঠাবে সিরাম

সিরাম থেকে ৩ কোটি ডোজ কোভিশিল্ড টিকা আনতে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি করে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।

কেনা টিকা ছাড়াও গত ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাঠায় ভারত সরকার। এর পাঁচ দিন পর দেশে আসে কেনা টিকার ৫০ লাখ ডোজের প্রথম চালান।

মোট ৭০ লাখ ডোজ হাতে নিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি কয়েকজনকে প্রয়োগের মাধ্যমে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয় টিকাদান। এর ১০ দিন পর শুরু হয় গণটিকা।

সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৩ লাখের কিছু বেশি মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়। এদিন রাতে আসে কেনা টিকার ২০ লাখ ডোজের দ্বিতীয় চালান। সরকার থেকে জানানো হয়েছিল দ্বিতীয় চালানেও ৫০ লাখ টিকা আসবে। চুক্তিতেও উল্লেখ ছিল, প্রতি মাসে বাংলাদেশে ৫০ লাখ ডোজ টিকার চালান পাঠাবে সিরাম।

তাহলে দ্বিতীয় চালানে ৩০ ডোজ টিকা কম কেন, এতে দেশে টিকা দেয়ার পরিকল্পনায় সমস্যা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঘাটতি পূরণে প্রতিষ্ঠানটি আগামী মাসে বাড়তি টিকা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

‘এই মাসে আমাদের পাওয়ার কথা ছিল ৫০ লাখ। কিন্তু পেয়েছি ২০ লাখ। অর্থাৎ এখানে একটু ঘাটতি হয়ে গেল। এ বিষয়ে আমরা সিরামের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছি। এখানে যারা সাপ্লাইয়ার আছে, তাদের ওপর আমরা চাপ প্রয়োগ করেছি যে এটা যেন তারা তাড়াতাড়ি মেকআপ করেন।’

ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে সিরামের ওপর টিকার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘তারা আগামী মার্চে বাড়িয়ে দেবে বলেছে। এ মাসে যা দিয়েছে আগামী মাসে আরও বাড়িয়ে দেবে। কত বাড়িয়ে দেবে সেটা আমাদের কনফার্ম করলে আমরা আপনাদের জানিয়ে দিতে পারব।’

মন্ত্রী বলেন, ৪০ বছর বয়সীদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই হিসেবে দেশে ৪০ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি। দুই ডোজ করে সবাইকে টিকা দিতে গেলে প্রয়োজন হবে ৮ কোটি ডোজ টিকার।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘৩ কোটি ডোজের ব্যবস্থা আছে, চুক্তি করা আছে ভারতের সিরামের সঙ্গে। ২০ লাখ অতিরিক্ত পেয়েছি, ভারত সরকারের উপহার হিসেবে।’

যারা এরই মধ্যে প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, দুই মাস পর তাদের দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ টিকা। ছবি: নিউজবাংলা

দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরু ৭ এপ্রিল

প্রথম ডোজ টিকা দেয়ার আট সপ্তাহ তথা প্রায় দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী ৭ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

‘আমরা দুই মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দিতে যাচ্ছি। তখন আট সপ্তাহ হবে। কারণ হলো, আট সপ্তাহে ইমিউনিটি ভালো হয়। এটা হু (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) এর গাইডলাইন। সেই গাইডলাইন ফলো করে আমরা এপ্রিলের ৭ তারিখ থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার চিন্তাভাবনা এখন থেকে করছি।’

২৩ লাখেরও বেশি মানুষ টিকা নিয়েছেন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে প্রায় ৩৬ লাখের ওপরে। আমাদের ভ্যাকসিন দেয়ার যে রেট আছে, সেটাও বেশ ভালো। আড়াই লাখের কাছাকাছি। কখনও বেশি হয়, কখনও কম হয়। রেজিস্ট্রেশন তার থেকেও বেশি হয়।’

মন্ত্রী জানান, যে হারে রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে, যে হারে ভ্যাকসিন গ্রহণ করছে। এ হারটি বজায় থাকবে যদি কিনা আমরা সেই হারে ভ্যাকসিন পাই। যার চেষ্টা আমাদের রয়েছে। কিন্তু সেই হারে যদি কম-বেশি হয়ে যায়, তাহলে আমাদের ভ্যাকসিন দেয়ার হারে একটু কম-বেশি করতে হবে।’

দেশে পুরুষের তুলনায় নারীর টিকা নেয়ার হার অনেকটাই কম। ছবি: নিউজবাংলা

টিকা নেয়ায় পিছিয়ে নারী

দেশে সোমবার পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন ২৩ লাখ ৮ হাজার ১৫৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৫ জন; নারী ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৪৪২ জন।

নারীদের টিকা নেয়ার হার কম প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা সেভাবে গবেষণা করিনি। কিন্তু আমরা মনে করি, নারীরা যেহেতু বের হন কম এবং তারা কর্মক্ষেত্রেও কম, সে কারণে এমনটা হতে পারে।’

‘মহিলারা একটু পিছিয়ে আছে। আমরা আহ্বান করব মহিলারা আরও বেশি করে এগিয়ে আসবেন। সমানে সমানে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘বেশির ভাগ শিক্ষকের বয়স ৪০-এর বেশি। ৪০ বছরের নিচের শিক্ষকদের বিশেষ ব্যবস্থায় টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

‘১৮ বছরের নিচে হলে টিকা দেয়া হবে না। অন্যদের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করে টিকা দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

শরতের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি চায় দক্ষিণ কোরিয়া

শরতের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি চায় দক্ষিণ কোরিয়া

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় অনেকখানিই সফল দক্ষিণ কোরিয়া। ছবি: এএফপি

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী চুং সায়-কিয়ুন বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টিকা কার্যকর হলে এবং ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের মধ্য দিয়ে হার্ড ইমিউনিটি অর্জন সম্ভব হলে শরতের মধ্যে কোরিয়াবাসী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবে।’

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় শরতের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া হার্ড ইমিউনিটিতে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী চুং সায়-কিয়ুন।

মঙ্গলবার বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশার কথা জানান।

করোনার টিকাদান বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রথম ধাপে ৭০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি আমরা। এই লক্ষ্য অর্জন সহজ নয়। তবে সম্ভব বলে বিশ্বাস করি।’

টিকা নিতে জনগণ রাজি হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু মানুষ টিকা নেয়ার বিষয়ে অনীহা দেখাতে পারে। তবে সরকার টিকা নিতে জনগণকে উৎসাহ জুগিয়ে যাবে।

‘প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টিকা কার্যকর হলে এবং ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের মধ্য দিয়ে হার্ড ইমিউনিটি অর্জন সম্ভব হলে শরতের মধ্যে কোরিয়াবাসী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবে।’

গত বছরের শুরুতে যেসব দেশে করোনা আঘাত হানে, সেগুলোর অন্যতম দক্ষিণ কোরিয়া। তবে গণ আকারে পরীক্ষা ও জোরদার কনটাক্ট ট্রেসিংয়ের কারণে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় রোল মডেলে পরিণত হয় দেশটি।

তবে দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনার টিকাদান কর্মসূচি তুলনামূলকভাবে ধীর। অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত করোনার টিকা চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে দেশটির হাসপাতাল ও কেয়ার হোমের স্বাস্থ্যকর্মীদের দেয়া শুরু করবেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্য দেশে করোনার টিকা কতটুকু সফল, তা এ সময়ে পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছে দেশের কর্মকর্তারা। আপনারা জানেন, গতিতে কোরিয়ানরা অনেক দক্ষ।’

দক্ষিণ কোরিয়ায় আগামী মাসজুড়ে প্রায় আট লাখ মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার।

দক্ষিণ কোরিয়া সরকার যে পরিমাণ ডোজ অর্ডার করেছে, তা সাড়ে পাঁচ কোটি জনগণকে টিকার আওতায় আনার জন্য পর্যাপ্ত। তবে এসব টিকার বেশির ভাগ চালান জুলাইয়ের আগে দেশটিতে পৌঁছার সম্ভাবনা নেই।

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই সভাপতি পদে একক প্রার্থী জসিম উদ্দিন
এফবিসিসিআই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের শোক
পিপিপিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিনল্যান্ডের
এফবিসিসিআইয়ের নতুন সিইও, ডেপুটি সিইওর যোগদান

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg