× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
করোনায় আরও ১৬ মৃত্যু
google_news print-icon

করোনায় আরও ১৬ মৃত্যু

করোনায়-আরও-১৬-মৃত্যু
গত একদিনে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৭১৮ জনের শরীরে। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ৫ লাখ ২৪ হাজার দুই জন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত হাজার ৮১৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মঙ্গলবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত একদিনে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭১৮ জনের শরীরে। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে পাঁচ লাখ ২৪ হাজার দুই জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৯৩৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন চার লাখ ৬৮ হাজার ৬৮১ জন। সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১০ ও নারী ছয় জন। বয়স বিবেচনায় পঞ্চাশোর্ধ এক, ষাটোর্ধ্ব ১৬ জন। শতাংশ হিসাবে পুরুষ ৭৫ দশমিক ২৪ শতাংশ ও নারী ২৪ দশমিক ০৭ শতাংশ।

বিভাগ অনুযায়ী, ঢাকায় ১০, চট্টগ্রামে এক, রাজশাহী এক, সিলেট দুই, মনময়নসিংহ এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৬ জনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম শনাক্তের খবর জানানো হয়। এর ১০দিনের মাথায় ১৮ মার্চ করোনায় দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে সরকার। এখন দেশে সংক্রমণের ১০ মাস চলছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১২৪ জন। মোট শনাক্ত হয়েছে নয় কোটি ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৭২৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ছয় কোটি ৫৪ লাখ ৭ হাজার ৪৬৩ জন।

জনস হপকিন্স ইউনির্ভাসিটির হিসেব অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাস শনাক্তের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ২৭তম আর মৃতের দিক থেকে ৩৭তম অবস্থানে রয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
Barisal Dhaka six lane highway three kilometers long human chain

বরিশাল-ঢাকা ছয়লেন মহাসড়কের দাবিতে তিন কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন

বরিশাল-ঢাকা ছয়লেন মহাসড়কের দাবিতে তিন কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন ছবি: নিউজবাংলা

ছয়লেন মহাসড়কের দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার ভূরঘাটা বাসটার্মিনাল থেকে ইল্লা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এসময় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিক্ষোভে এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবরোধের ফলে আটকে পরা যানবাহনের চালক, স্টাফ ও যাত্রীরাও অংশগ্রহণ করেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ জুম্মা গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে নিরাপদ সড়ক চাই, জীবন বাঁচাতে ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয়লেন মহাসড়ক চাই শ্লোগানকে সামনে রেখে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে জুম্মার নামাজের পর মহাসড়কের পাশের বিভিন্ন মসজিদের মুসুল্লীগণ স্ব-স্ব এলাকায় মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়াও কর্মসূচিতে বরিশালের গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলা এবং মাদারীপুরের কালকিনিসহ বিভিন্ন উপজেলার সচেতন জনগন স্বর্তস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এসময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছয়লেন মহাসড়কের পক্ষে বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি সম্বলিত ফেস্টুন ও প্লাকাট শোভা পায়।

প্রায় দুইঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন মহাসড়ক দিয়ে বরিশালের প্রবেশদ্বার গৌরনদীর ভূরঘাটা বাস টার্মিনালে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা গত ২৩ জুন মহাসড়কের গৌরনদীর খাঞ্জাপুরের বটতলা এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত কুয়েত প্রবাসী সোহেল ফকিরের (২৪) হত্যাকারী ঘাতক পরিবহনের চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠক কাজী সুজন তার বক্তব্যে বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের প্রধান ধমনী। পদ্মা সেতু চালুর পর এই মহাসড়কে যানবাহনের চাঁপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ফলে বর্তমানের দুই লেনের সরু এই মহাসড়কটি এখন আর পর্যাপ্ত নয়।

তিনি জনগুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি দ্রুত ছয়লেনে উন্নত করার দাবি জানিয়ে আরও বলেন, মহাসড়কের ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটি ছয়লেনে উন্নতি করা হলে তীব্র যানজট নিরসন, সময় সাশ্রয় ও দুর্ঘটনা কমে আসবে। কারণ পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ অত্যন্ত কম সময়ে তাদের গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারছেন। কিন্তু ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সরু রাস্তার কারণে ফেরিঘাটের আগের যানজট এখন মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যেমন- ভাঙ্গা, টেকেরহাট, মোস্তফাপুর, ভুরঘাটা, গৌরনদী, টরকী, বাটাজোরসহ বিভিন্নস্থানে এসে স্থানান্তরিত হয়েছে। রাস্তাটি ছয়লেনে উন্নীত হলে যানবাহনের গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে।

খাঞ্জাপুর এলাকার যুব প্রতিনিধি আতিক মৃধা বলেন, বর্তমান দুই লেনের সরু রাস্তায় ছোট-বড় সবধরনের গাড়ি একইসাথে চলাচল করছে। দূরপাল্লার দ্রুতগতির বাসের পাশাপাশি নসিমন, করিমন, ইজিবাইকের মতো ধীরগতির স্থানীয় যানবাহন একই লেনে চলাচল করায় প্রতিনিয়ত ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ বা ওভারটেকিংয়ের কারণে দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ছয়লেনের মহাসড়ক নির্মিত হলে ধীর ও দ্রুতগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেনের (সার্ভিস লেন) ব্যবস্থা থাকবে, যা সড়ক দুর্ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে।

সমাজ সেবক মো. পান্নু মৃধা বলেন, বরিশাল বিভাগে প্রচুর পরিমাণে কৃষিপণ্য, মাছ এবং পোল্ট্রি উৎপাদিত হয়। সড়ক সরু ও যানজট থাকার কারণে এই পচনশীল পণ্যগুলো সময়মতো ঢাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পরে। ছয়লেন মহাসড়ক হলে কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক মূল্য পাবেন। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন আরও দ্রুত ও সহজ হবে। তেমনি দক্ষিণাঞ্চলে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

চাকরিজীবী ফেরদাউস হোসেন সোহাগ বলেন, দেশের সর্বদক্ষিণের কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, গুঠিয়া মসজিদ, দুর্গাসাগর দীঘি বা ভাসমান পেয়ারা বাজারের মতো অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে বরিশাল অঞ্চলে। শুধুমাত্র যাতায়াত ব্যবস্থা আরামদায়ক এবং যানজটমুক্ত না হওয়ায় অনেক পর্যটকই এই অঞ্চলে ভ্রমণ করতে চায় না। যেকারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সরু মহাসড়কটি ছয়লেন হলে পর্যটনখাতে এক বিশাল বিপ্লব ঘটবে।

খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ছোটন হাওলাদার বলেন, শুধু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই নয়, বরং সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল এবং নিরাপদ করতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি চারলেনের মূল সড়ক ও দুই পাশে দুটি সার্ভিস লেনসহ মোট ছয়লেনে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি।

অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-সমাজ সেবক এমারাত সরদার, জুয়েল হাওলাদার, মাইনুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা।

বক্তারা অনতিবিলম্বে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙা থেকে সাগরকন্যা কুয়াকাটা পর্যন্ত দুইলেনের সরু মহাসড়ক ছয়লেনে উন্নতি করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অনতিবিলম্বে তাদের এ দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে বড়ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন। সবশেষে ভূরঘাটা বাসস্ট্যান্ডের মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

প্রায় আধাঘন্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয়পাশে শত শত যানবাহন আটকা পরে। এসময় বিক্ষোভে এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবরোধের ফলে আটকে পরা যানবাহনের চালক, স্টাফ ও যাত্রীরা অংশগ্রহণ করে অনতিবিলম্বে ছয়লেন মহাসড়ক নির্মানের দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
10 day storm rain forecast across the country risk of heavy rain in 4 categories

দেশজুড়ে ১০ দিন টানা ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা

দেশজুড়ে ১০ দিন টানা ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আগামী ১০ দিন ঝড় ও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই সময়ে বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতসহ মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। শুক্রবার সকালে আবহাওয়া দপ্তরের দেওয়া পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার বিশেষ পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যান্য অংশে এটি দুর্বল থেকে মাঝারি পর্যায়ে বিরাজ করছে। এর পাশাপাশি একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এমন আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে শনিবার সকালের মধ্যে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় চার বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এদিকে বৃষ্টির সম্ভাবনার মাঝেও রাজশাহী ও নীলফামারী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ আরও কিছুকাল অব্যাহত থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরবর্তী কয়েক দিনে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস-বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে অর্থাৎ সোমবার ও মঙ্গলবার থেকে রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়তে পারে এবং মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে যে, পরবর্তী বর্ধিত পাঁচ দিনেও বৃষ্টিপাতের এই ধারা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Mother and three daughters were hacked to death in Lakshmipur

লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতক নিহত

লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতক নিহত ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও তার তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন পরিবারের আরও এক সদস্য। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবককে গণপিটুনি দিলে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মা শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), মেজো মেয়ে ইকরা আক্তার (১৭) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। এ ছাড়া গণপিটুনিতে অভিযুক্ত ঘাতক অন্তর মজুমদারও মারা গেছেন।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকার কার্তিক মজুমদারের ছেলে। মরদেহ রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

ঘটনার পর উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ইটপাটকেলের আঘাতে পুলিশের অন্তত ছয় থেকে সাতজন সদস্য আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহীনুর বেগমের মূল বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে রায়পুরের ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘাতক যুবক আচমকা ঘরে ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই মা শাহিনুর ও ছোট মেয়ে শিফা মারা যান। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর বড় মেয়ে সায়মাকেও মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ঘাতক যুবক অন্তর মজুমদারকে ধরে গণপিটুনি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, ‘হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। পরে সেও মারা যায়। এ ছাড়া অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। সদর হাসপাতালে সেও মারা গেছে।’

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আবু তারেক বলেন, ‘মা-মেয়েসহ চারজন নিহত হয়েছে। ঘটনার মূল কারণ এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না তা উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
3409 old cases settled in High Court in one day

হাইকোর্টে একদিনে ৩৪০৯ পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি

হাইকোর্টে একদিনে ৩৪০৯ পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি ছবি: সংগৃহীত

মামলাজট কমিয়ে বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চলমান বিশেষ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে একদিনে ৩ হাজার ৪০৯টি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলোতে ৩ হাজার ৯টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে ৪০০টি পুরোনো রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির বিশেষ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত পাঁচ কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ১৮ হাজার ১৮১টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং ৫ হাজার ৯৬৮টি পুরোনো রিট মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগে মোট ২৪ হাজার ১৪৯টি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ ও রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, মামলা জট কমানো এবং বিচার ব্যবস্থার গতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ মে থেকে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন ও রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে পুরোনো মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্ধারিত দিনে বিশেষ কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
At the beginning of the monsoon dengue infection is increasing and death is increasing

বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গু সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, বাড়ছে মৃত্যু

বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গু সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, বাড়ছে মৃত্যু ফাইল ছবি

দেশে বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও মৃত্যু ঊর্ধ্বমুখী। রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসে মৃত্যুসংখ্যা দাঁড়াল ৮ জনে। এর মধ্যে চলতি সপ্তাহেই মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এর আগে গত মে মাসে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল একজনের। আর জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে মারা গেছেন ১৩ জন। এ ছাড়া নতুন করে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ১৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫ হাজার ৫১৫ জনে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় (২৪ জুন সকাল আটটা থেকে ২৫ জুন সকাল আটটা) নতুন করে আক্রান্ত ১৯৮ জনের মধ্যে ১২৬ জন পুরুষ এবং ৭২ জন নারী। এর মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায়, যার সংখ্যা ৩১ জন। এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ২৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৮ জন এবং বরিশাল বিভাগে ৩১ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে যে একজনের মৃত্যু হয়েছে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা এবং ৩১ থেকে ৩৫ বছর বয়সি একজন পুরুষ ছিলেন।

চলতি বছরের এক জানুয়ারি থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত দেশের হাসপাতালগুলোতে সর্বমোট পাঁচ হাজার ৫১৫ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৪২৯ জন (৬২.২ শতাংশ) এবং নারী রোগী দুই হাজার ৮৫ জন (৩৭.৮ শতাংশ)।

বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৮৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন বরিশাল বিভাগে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এক হাজার ৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মিলে মোট এক হাজার ৩৮৮ জন (ডিএনসিসি ৪৬৮ জন ও ডিএসসিসি ৭৭৭ জন) এবং ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৯৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছরে এ পর্যন্ত মৃত ১৩ জনের মধ্যে আটজন পুরুষ এবং পাঁচজন নারী। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বরিশাল বিভাগে; উভয় অঞ্চলেই তিনজন করে মোট ছয়জন মারা গেছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও খুলনায় দুইজন করে এবং ঢাকা (সিটি করপোরেশনের বাইরে), ডিএনসিসি ও ময়মনসিংহে একজন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ইকবাল বলছেন, ‘বর্ষা মৌসুমে মশার প্রজনন বেশি থাকে। পাশাপাশি বর্ষাকাল প্রলম্বিত হলে বেড়ে যায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি। এ বছর বৃষ্টি বেশি হচ্ছে, ডেঙ্গুর ঝুঁকিও বেশি থাকবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি, সামাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে বাড়বে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।’

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবজাতক বিভাগের অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার দে বলেছেন, ‘রোগের ধরন পাল্টাচ্ছে। নানা রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে। আগে জ্বর এলে তিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত সাধারণ জ্বরের চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ ছিল। এখন এই অবস্থা নেই। অনেক রোগীকে লক্ষণ দেখে প্রথম দিনেই ডেঙ্গুর পরীক্ষা করাতে দিতে হয়। এখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।’

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে সরকার অনুমোদিত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে। কোনোভাবেই নিজে নিজে বা দালালদের মাধ্যমে নিবন্ধনহীন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া যাবে না।’

তবে আতঙ্কিত না হয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করার কথা জানালেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ইকবাল। তিনি বলেছেন, ‘প্রথমত, মশা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। প্রত্যেকের বাসায় যত ধরনের পানির পাত্র আছে, তা পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে অথবা অন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকারকে মশা ও লার্ভা ধ্বংস করতে কার্যকর রাসায়নিক নিয়মিতভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। তৃতীয়ত, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে সরকার অনুমোদিত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে। কোনোভাবেই নিজে নিজে বা দালালদের মাধ্যমে নিবন্ধনহীন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া যাবে না।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
21 thousand 988 illegal river occupiers identified in the country Shipping Minister in Parliament

দেশে ২১ হাজার ৯৮৮ জন অবৈধ নদী দখলকারী চিহ্নিত: সংসদে নৌপরিবহনমন্ত্রী

দেশে ২১ হাজার ৯৮৮ জন অবৈধ নদী দখলকারী চিহ্নিত: সংসদে নৌপরিবহনমন্ত্রী নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে মোট ১ হাজার ৪১৫টি নদী রয়েছে এবং সারা দেশে ২১ হাজার ৯৮৮ জন অবৈধ নদী দখলকারী চিহ্নিত হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ময়মনসিংহ-৬ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য কামরুল হাসানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তার প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন এবং নদীকর্মীদের সহায়তায় প্রণীত তালিকা অনুযায়ী দেশে ১ হাজার ৪১৫টি নদী রয়েছে।’

তিনি জানান, নদীর এই তালিকা ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সক্ষমতা বাড়াতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন, ২০১৩ সংশোধনের কাজ চলছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে নদী দখল ও দূষণকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা, পৃথক নদী আদালত গঠন, দখলসংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত, দূষণের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ ও আদায় এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তদারকির বিধান রাখা হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ–১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ২১ হাজার ৯৮৮ জন অবৈধ নদী দখলকারী চিহ্নিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের তালিকা যাচাই করে উচ্ছেদ পরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়েছে। পরিকল্পনা পাওয়ার পর পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

জামালপুর-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘নাব্যতা সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে দেশের নাব্য নৌপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ হাজার ২০০ কিলোমিটার, যা বর্ষা মৌসুমে বেড়ে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটারে পৌঁছে।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Organized workshop on social boycott of corrupt people in Madaripur

মাদারীপুরে দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশল (টিআইবি) ও সচেতন নাগরিক কমটি (সনাক)-এর উদ্যোগে মাদারীপুরে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট ও প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ‘টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের করণীয় শীর্ষক’ কর্মশালায় দর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন নিশ্চিতকল্পে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় মাদারীপুরে কর্মরত ২০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অর্ধশত তরুণ সংগঠকরা উক্ত কর্মশালায় অংশ নেন।

টিআইবির ‘সিভিক এনগেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট’-এর কো-অর্ডিনেটর মো. আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় দুর্নীতি প্রতিরোধ, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও এর উপাদান, সুশাসনের ঘাটতি ও এর প্রভাব, টেকসই উন্নয়ন, শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান, তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগ কৌশলসহ অন্যান্য জনসম্পৃক্ত বিষয়ে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ‘দর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হলে সর্বক্ষেত্রে সুশাসনের চর্চা করা, আলোকিত মানুষ হিসেবে তরুণ-যুবকসহ সবাইকে গড়ে তোলা, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সবার ঐক্যবদ্ধ অংশ গ্রহণ করার কোনো বিকল্প নেই।’

এ সময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সনাক) এর জেলা শাখার সভাপতি এনায়েত নান্নু, সহসভাপতি প্রফেসর (অব.) মো. মকবুল হোসেন, টিআইবির ঢাকা ক্লাষ্টারের কো-অর্ডিনের মাহান-উল-হক, ইয়েস গ্রুপের আহ্বায়ক সাংবাদিক আঞ্জুমান আরা জুলিয়া, দলনেতা মো. ইব্রাহিবসহ সামাজিক সংগঠনের উদ্যোক্তা, এনজিও ব্যক্তিরা ও তরুণ সামাজিক সংগঠনের সংগঠকরা। সভায় সমাপনী বক্তব্য রাখেন, টিআইবি মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি খান মো. শহীদ।

মন্তব্য

p
উপরে