× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
ট্রায়ালে ৯৫ ভাগ কার্যক্ষম টিকা বাস্তবে কতটা কার্যকর
google_news print-icon

ট্রায়ালে ৯৫ ভাগ কার্যক্ষম টিকা বাস্তবে কতটা কার্যকর

ট্রায়ালে-৯৫-ভাগ-কার্যক্ষম-টিকা-বাস্তবে-কতটা-কার্যকর-
কার্যক্ষমতা আর কার্যকারিতা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে দুটি বিষয় এক নয়। এমনকি টিকা বিশেষজ্ঞরাও স্বীকার করেন দুটিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। কার্যক্ষমতা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পাওয়া একটা পরিমাপক মাত্র।

ফাইজার ও মর্ডানা দাবি করছে, তাদের করোনা টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর। অন্যদিকে, অক্সফোর্ডের টিকা ৭০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর বলা হচ্ছে।

কার্যকারিতার এই হার কী অর্থ বহন করে- সে বিষয়ে একটি বিশ্লেষণ প্রকাশিত হয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ। গত মাসে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে ফাইজার ও মডার্নার টিকার কার্যকারিতা নির্ধারণের পদ্ধতি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দুই টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর মানে এই নয় যে, বাস্তবে ১০০ জন টিকা গ্রহিতার মধ্যে ৯৫ জন করোনা থেকে সুরক্ষা পাবেন। বাস্তবে সুরক্ষা পাওয়া মানুষের হার অনেক কমও হতে পারে।

নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটি বাংলায় ভাষান্তর করেছেন মেহরিন জাহান

করোনাভাইরাসকে হারানোর দৌড়ে এগিয়ে থাকা টিকাগুলো প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করেছে। ফাইজার ও মডার্না এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, তাদের টিকা করোনা প্রতিরোধে ৯৫ শতাংশ কার্যকর। মডার্না তাদের কার্যক্ষমতার হার জানিয়েছে ৯৪.৫ শতাংশ। আর রাশিয়ার স্পুৎনিক টিকার উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের দাবি, তাদের টিকা ৯০ শতাংশেরও বেশি কার্যকর।

যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান মায়ো ক্লিনিকের টিকা গবেষক ডা. গ্রেগরি পোলান্ড যেমনটি বলছিলেন, ‘এরা সব হিসাব নিকাশই পাল্টে দিয়েছে। আমরা তো কেবল ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কার্যকারিতা আশা করেছিলাম।’

এমনকি দেশটির ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনও (এফডিএ) ঘোষণা দিয়েছিল, ৫০ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাতে পারলেই জরুরি ব্যবহারের জন্য টিকা অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

খবরের শিরোনাম দেখলে মনে হতেই পারে, এই টিকা পাওয়া প্রতি ১০০ জনের ৯৫ জনই করোনা থেকে সুরক্ষা পাবেন। তবে টিকাগুলোর ট্রায়ালের ওপর ভিত্তি করে পাওয়া ফল আর বাস্তব এক নয়। বাস্তবে এসব টিকা কেমন কাজ করবে তা নির্ভর করছে এমন অনেক বিষয়ের ওপর, যেগুলো এখনো পরিষ্কার নয়- যেমন, টিকা দেয়া ব্যক্তি উপসর্গহীন করোনায় আক্রান্ত হবেন কি না অথবা কতজন টিকা পাবেন ইত্যাদি।

এখানে এসব টিকা আসলে কতটা কার্যকর- তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর- বলতে কোম্পানিগুলো আসলে কী বোঝায়?

টিকার ট্রায়ালের মৌলিক হিসাব-নিকাশগুলো দাঁড়িয়ে আছে এক শতকের বেশি আগে পরিসংখ্যানবিদদের বের করা হিসাবের ওপর। গবেষকেরা দুটি গ্রুপকে ট্রায়ালের আওতায় নেন- যাদের এক গ্রুপকে দেয়া হয় সত্যিকারের টিকা, আরেকটি গ্রুপকে টিকাসদৃশ প্লাসেবো। এরপর তারা স্বেচ্ছাসেবীদের অসুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন এবং কোন গ্রুপ থেকে কতজন আক্রান্ত হলেন- সেটি পর্যবেক্ষণ করেন।

যেমন, ফাইজার তাদের টিকার ট্রায়ালের জন্য ৪৩ হাজার ৬৬১ জন স্বেচ্ছাসেবীকে বেছে নিয়েছিল। তাদের মধ্যে উপসর্গ নিয়ে আসা ১৭০ জনের মধ্যে পরে করোনা শনাক্ত হয়। এই ১৭০ জনের মধ্যে ১৬২ জনই ছিলেন প্লাসেবো গ্রুপের, অর্থাৎ তারা আসল টিকা পাননি। মাত্র আট জন আসল টিকা পাওয়ার পরেও আক্রান্ত বলে শনাক্ত হন।

এই সংখ্যার ভিত্তিতে ফাইজারের গবেষকেরা দুই গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবীদের অসুস্থ হওয়ার হার নির্ধারণ করেছেন। দুটি সংখ্যাই বেশ কম, তবে এর মধ্যে টিকা না পেয়ে আক্রান্ত হওয়ার হারটি টিকা পেয়ে আক্রান্তের হারের চেয়ে অনেক বেশি। এরপর গবেষকেরা দুই অংশের হারের আপেক্ষিক পার্থক্য বের করেছেন। এই পার্থক্যকে সংখ্যাগত মানে নির্ধারণ করা হয়, গবেষকেরা যাকে টিকার ‘এফিকেসি’ বা কার্যক্ষমতা বলেন। দুই গ্রুপে আক্রান্তের হার যদি একই হয়, তাহলে এফিকেসি হবে শূন্য। আবার আক্রান্ত ব্যক্তিদের কেউই যদি টিকা না পেয়ে থাকতেন, অর্থাৎ তারা সবাই যদি প্লাসেবো গ্রুপের হতেন, তাহলে টিকার এফিকেসি হতো ১০০ শতাংশ।

এভাবে ৯৫ শতাংশ কার্যক্ষম হওয়ার হিসাবটি বেশ শক্ত একটি প্রমাণ যে, টিকা ভালোভাবেই কাজ করছে। তবে এই টিকা নেয়ার পরেও অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা কতটুকু- তা কিন্তু ওই সংখ্যা দিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় না। এমনকি টিকা কোভিড-১৯ সংক্রমণ কমাতে কতটা ভালোভাবে কার্যকর হবে তাও বলা যায় না।

কার্যক্ষমতা (এফিকেসি) ও কার্যকারিতার (ইফেক্টিভনেস) ফারাক

কার্যক্ষমতা আর কার্যকারিতা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে দুটি বিষয় এক নয়। এমনকি টিকা বিশেষজ্ঞরাও স্বীকার করেন দুটিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। কার্যক্ষমতা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পাওয়া একটা পরিমাপক মাত্র। অন্যদিকে, জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের সংক্রমণ বিশেষজ্ঞ নাওয়ার বার-জিভের মতে, ‘কার্যকারিতা নির্ভর করে বাস্তব প্রয়োগে টিকা কতটা কাজ করছে তার ওপর।’

এটা হতে পারে, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের কার্যক্ষমতা টিকার বাস্তব কার্যকারিতার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাবে। তবে আগে বিভিন্ন রোগের টিকার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চেয়ে বাস্তব কার্যকারিতা বেশ কম।

ট্রায়াল আর বাস্তবের এই গড়মিলের কারণ হচ্ছে, ট্রায়ালে অংশ নেয়া স্বেচ্ছাসেবীরা বড় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন না। যেমন, বাস্তবে অনেকেরই নানা গুরুতর রোগ থাকে, যেগুলো শরীরে টিকার সুরক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সবসময়ই অনুমোদন পাওয়া টিকার কার্যকারিতার ওপর নজরদারি বজায় রাখে। সংস্থাটি সম্প্রতি জানিয়েছে, করোনার টিকাগুলোর কার্যকারিতা নিয়েও তারা গবেষণা অব্যাহত রাখবে। এর ফলে টিকা পাওয়া ও না পাওয়া মানুষের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির তুলনামূলক বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি হবে।

এই টিকাগুলো আসলে কী করতে সক্ষম?

ফাইজার ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এমনভাবে সাজিয়েছিল যেখানে দেখা হয়েছে, টিকা মানুষকে করোনা আক্রান্ত হওয়া ঠেকাতে পারে কিনা। স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে জ্বর বা কাশির মতো উপসর্গ দেখা গেলেই কেবল তাদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

কিন্তু এমন অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে, যেসব ক্ষেত্রে দেখা গেছে কোনো উপসর্গ ছাড়াই করোনা সংক্রমণ ঘটতে পারে। ফলে এটা হতেই পারে যে, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশ নেয়া আরও অনেকে টিকা পাওয়ার পরেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, কিন্তু উপসর্গ না থাকায় তা জানা যায়নি। আর এমন ঘটে থাকলে তাদের কেউ ওই ৯৫ শতাংশ কার্যক্ষমতার হিসাব নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় বিবেচিত হননি।

উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তরা অজান্তেই অন্যদের মধ্যে ভাইরাস ছড়ান। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, উপসর্গহীনদের দেহে কম সংখ্যক ভাইরাস তৈরি হয়। এ কারণে তাদের কাছ থেকে অন্যদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম, যেটা উপসর্গসহ আক্রান্তদের ক্ষেত্রে বেশি। কিন্তু টিকা নেয়ার পর নিজেকে সুরক্ষিত ভেবে মানুষ যদি মাস্ক ও অন্যান্য সুরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়ায় তাহলে উপসর্গহীনদের কাছ থেকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে।

ডা. বার জিভের আশঙ্কা, ‘এ রকম ধোয়াশাপূর্ণ অবস্থায় পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যেতে পারে।’

এই টিকা কি আসলেই করোনা মহামারিতে লাগাম পরাবে?

টিকা শুধু গ্রহিতাকেই সুরক্ষা দেয় তা নয়, এটি ভাইরাস বিস্তারের গতিও কমায়। এভাবে ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার কমিয়ে আনে ও গোটা অঞ্চলকেই এক সময়ে সুরক্ষিত করে ফেলে।

বিজ্ঞানীরা বড় পরিসরে এমন কার্যকারিতাকেই টিকার সামগ্রিক প্রভাব হিসেবে গণ্য করেন। গুটি বসন্তের টিকার ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যাপক প্রভাব দেখা গিয়েছিল, যে কারণে ১৯৭০ এর দশকে ভাইরাসটি একদম হারিয়ে যায়। তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে উচ্চ কার্যক্ষমতা দেখানো টিকাও বাস্তবে ততটা ভালো ফল দিতে নাও পারে, যদি সেটি অল্প কিছু মানুষে প্রয়োগ করা হয়।

ইয়েল স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক এ. ডেভিড পালটিয়েল যেমনটি বলছিলেন, ‘টিকা কখনও প্রাণ বাঁচায় না, প্রাণ বাঁচে টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে।’

অধ্যাপক পালটিয়েল ও তার দল হেলথ অ্যাফেয়ার্স জার্নালে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। সেখানে তারা কার্যক্ষমতার হিসাবে উচ্চ থেকে নিম্ন মাত্রার টিকাগুলোর একটি মডেল দেখিয়েছেন। পাশাপাশি তারা করোনার এই বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে কত দ্রুত ও বড় পরিসরে টিকাগুলো সরবরাহ হবে সে বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছেন।

অধ্যাপক পালটিয়েল বলছেন, তাদের গবেষণার ফল উদ্বেগজনক। তিনি এবং তার সহকর্মীরা দেখিয়েছেন, সংক্রমণ, হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু হার কমানোর ক্ষেত্রে টিকার কার্যক্ষমতা ততটুকুই হবে, যতটুকু টিকাদান কমসূচি চলবে।

অধ্যাপক পালটিয়েল সতর্ক করে বলছেন, ‘সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের জন্য টিকার চেয়ে টিকা বিতরণ ব্যবস্থাপনাই বড় ভূমিকা রাখবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
A youth was arrested with a foreign pistol in Khilgaon of the capital

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বিদেশি পিস্তলসহ এক যুবক গ্রেপ্তার

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বিদেশি পিস্তলসহ এক যুবক গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পশ্চিম নন্দিপাড়া এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ওয়াকিটকি ও অন্য সরঞ্জামসহ মো. শুক্কুর আলী (৪৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৩।

পশ্চিম নন্দিপাড়ার কেরফা গলিতে গত মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে শুক্কুর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় র‍্যাব-৩।

‎র‍্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় শুক্কুর আলীকে তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি ওয়াকিটকি সেট, একটি ব্যাটন, একটি ওয়াকিটকি চার্জার এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ‎র‍্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার শুক্কুর আলীর বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় একাধিক মাদক ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।

‎এ ঘটনায় শুক্কুর আলীর বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Our eyes were opened by DC Sarwar Alam Expatriate Welfare Minister

আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন ডিসি সারওয়ার আলম: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন ডিসি সারওয়ার আলম: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের সদ্য প্রত্যাহারকৃত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের প্রশংসা করে বলেছেন, তিনি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। এ সময় হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করবে বলে জানান মন্ত্রী।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে চার দিনের সফরে সিলেট পৌঁছালে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

সিলেট আসার পর বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক মাজার ইস্যু ও জেলা প্রশাসক প্রত্যাহার নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, উনি (সারওয়ার আলম) আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো।

মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের (মাজারের দানের টাকা প্রকাশ্যে গণনা) স্বচ্ছতার পদক্ষেপে আমাদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো এবং সবাইকে নিয়ে মাজারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবো। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমি দেশের বাইরে ছিলাম। দেশে আসার পর গতকাল সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছে। আমরা সবাই একমত। মাজার নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো। খুব তাড়াতাড়ি মাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

ডিসি সারওয়ার আলমের বদলি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বদলির বিষয়টা রুটিন ওয়ার্ক। এটা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিষয়।

সম্প্রতি কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
In principle approval of DSCCs 7 packages for canal restoration

খাল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির ৭টি প্যাকেজের নীতিগত অনুমোদন

খাল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির ৭টি প্যাকেজের নীতিগত অনুমোদন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় সাতটি কাজের প্যাকেজে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, সংশোধিত প্রকল্পের আওতায় সাতটি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়নের জন্য নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত ক্রয় কৌশল অনুযায়ী, কাজগুলো সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড-ডিপিএম) অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডকে সাতটি প্যাকেজের কাজ সম্পাদনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, বিশেষায়িত এ প্রতিষ্ঠানটির সম্পৃক্ততার ফলে খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার এবং নান্দনিক উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় কারিগরি মান, স্থায়িত্ব ও নির্মাণগত গুণগতমান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি কমিটির সভায় উপস্থাপন করে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অনুমোদনের মাধ্যমে রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলের জলাধার ও খাল পুনরুদ্ধার, জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশগত ও নান্দনিক উন্নয়নের প্রচেষ্টা আরও গতি পাবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে নগরীর খাল পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুততর হবে, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং রাজধানীবাসীর জন্য আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগর পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Government will take strict action to control tobacco Ziauddin Haider

তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে সরকার: জিয়াউদ্দিন হায়দার

তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে সরকার: জিয়াউদ্দিন হায়দার ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ছিল জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণ। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট প্রণয়নের এই সময়টি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বুধবার সকালে রাজধানীর বিএমএ ভবনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এবং ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওরের (ডব়প) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে জেবা আফরোজা বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে কর আহরণ সহজীকরণের জন্য বাজারে বিদ্যমান সিগারেটের স্তর চারটি থেকে তিনটিতে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কারণ নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম কাছাকাছি হওয়ায় একটি স্তরের দাম বৃদ্ধি পেলে ভোক্তারা সহজেই অন্য স্তরে স্থানান্তরিত হওয়ার সুযোগ পায়। তাই এই দুটি স্তর একীভূত করে ১০ শলাকার একটি প্যাকেটের মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে সব স্তরের সিগারেটের ওপর বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে বিশেষত তরুণদের কাছে তামাকপণ্য কম সহজলভ্য হতো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. শাফিউন নাহিন বলেন, ‘বাজেট প্রস্তাবে সরকার কেবল সিগারেটের যৎসামান্য মূল্য বৃদ্ধি করেছে। নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের মূল্য ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছে। অথচ বাজারে বিক্রিত প্রায় ৭৫ শতাংশ সিগারেটই এই স্তরের। ফলে ১০ শলাকার প্যাকেটে মাত্র ২ টাকা মূল্য বৃদ্ধি তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।

সভায় বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ সংশোধন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ করে আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষায় সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে নিকোটিন পাউচ, নিকোটিন গ্র্যানুলস এবং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (এইচটিপি)-এর ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। ফলে এসব নতুন নিকোটিনজাত পণ্য কার্যত বৈধতা পাচ্ছে। এতে এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য কাঠামো পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে ড্যাব।’

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Good news on Malaysias labor market may come as early as July Expatriate Welfare Minister

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে জুলাইয়ের মধ্যেই: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে জুলাইয়ের মধ্যেই: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী মাস (জুলাই) থেকে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের ফলাফল দৃশ্যমান হবে। জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে।

বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সফরটি অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনার ফলে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন এবং চলমান বিভিন্ন বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবেন।

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নে বিমানবন্দরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ চলছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা যেন বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, ‘ওসমানী বিমানবন্দর ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সুবিধা বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ এবং বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য ‘‘কিডস জোন’’ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।’

কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।’

পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সিংহ, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলাম, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
In Badda the stench is spreading from house to house garbage truck is not coming

বাড্ডায় বাড়িতে বাড়িতে ময়লার স্তূপ ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, আসছে না বর্জ্যের গাড়ি

বাড্ডায় বাড়িতে বাড়িতে ময়লার স্তূপ ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, আসছে না বর্জ্যের গাড়ি ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলির একটি রিকশা গ্যারেজ। চারজন চালক দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। পাশেই রাখা একটা ময়লা ফেলার বড় ড্রাম। গলা অবধি ময়লায় পূর্ণ। মাছি উড়ছে। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধও। আশপাশের অনেক বাড়ির সামনেও একই অবস্থা। ১৫ দিন ধরে এই এলাকায় আসছে না ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্যের গাড়ি। ফলে পূর্ব বাড্ডার প্রতিটি বাড়িই এখন বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

সিটি করপোরেশন বলছে, নতুন করে তারা টেন্ডার ডেকেছেন। এলাকাবাসী যেন নিজ দায়িত্বে ভ্যান ভাড়া করে তাদের ময়লা ভাগাড়ে ফেলে আসেন। বিষয়টি তারা এলাকাবাসীকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে?

রিকশার গ্যারেজটির ভেতরে ঢুকে কথা হলো চার চালকের সঙ্গে। তারা এখানে মাসিক চুক্তিতে খেতে আসেন। খাবারের মেসের মালিক মো. নয়ন। কেউ ময়লার গাড়ির খোঁজ নিচ্ছে শুনে নিজেই বের হলেন ঘর থেকে। জানালেন, পোস্ট অফিস গলি থেকে ময়লা নেয় না সিটি করপোরেশন। প্রথমে সপ্তাহখানেক ময়লা জমার পর নয়ন নিজ খরচে ভ্যান ভাড়া করে ময়লা ফেলে এসেছেন সিটি করপোরেশনের ভাগাড়ে।

এতে ভ্যানচালককে দিতে হয়েছে ১৫০ টাকা। উপরন্তু ময়লা ফেলার ড্রামটিও আর ফেরত পান নাই নয়ন। তার দাবি, ৮০০ টাকার ড্রাম গেল, সঙ্গে ভাড়াও গেল দেড়শ টাকা। অথচ সিটি করপোরেশনের গাড়ি বর্জ্য নিলে সেই বাবদ প্রতি মাসে নয়নকে দিতে হয় ২০০ টাকা। অন্যদিকে, নিজ খরচে ময়লা ফেলতে গিয়ে সাত দিনের বর্জ্যের পেছনেই নয়নের ১৫০ টাকা খরচ।

এই এলাকার এক বাড়িওয়ালা মো. হালিম। ২-৩ জন লোকের সঙ্গে চা খাচ্ছিলেন একটি ঘুপচি দোকানে। জানালেন, ময়লা বাণিজ্য নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্ব। এরপর থেকেই এমন অবস্থা চলছে। আগে পরপর ময়লার গাড়ি এলেও গত দুই সপ্তাহে দেখা নাই। নির্বাচনের পর থেকেই ময়লা নিয়ে এই দুর্দশা ভোগ করছেন বলে যোগ করেন তিনি।

প্রায় একই কথা বললেন আরেক বাসিন্দা হেলাল। কবরস্থান রোডের কাছাকাছি থাকেন তিনি। জানালেন, ২০০ টাকা বিল দিয়েছেন। তবুও ময়লা নেয় না।

পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলি ধরে এগিয়ে কবরস্থান রোড পর্যন্ত এই চিত্র। অন্য এলাকায় বর্জ্যের গাড়ি (ভ্যান সার্ভিস) এলেও এই এলাকায় বন্ধ। সড়কে, বাড়ির সামনে, এমনকি বেজমেন্টে বা গাড়ির গ্যারেজেও ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বর্জ্য পচে ময়লা পানি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এতে তেমন সাড়া নেই সিটি করপোরেশনের। কথা বলতে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে ফোনে না পাওয়া গেলেও উপপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ‘আমাদের নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে। আপাতত এলাকাবাসীকে নিজ খরচে ভ্যান ঠিক করে ময়লাগুলো ভাগাড়ে ফেলতে হবে।’ কবে নাগাদ সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে এই এলাকা থেকে বর্জ্য নেবে, সে বিষয়ে কোনো আলোকপাত করলেন না এই কর্মকর্তা।

এমন পরিস্থিতিতে নগর পরিকল্পনাবিদরা প্রশ্ন তুলেছেন, বর্জ্য পরিবহনের মতো একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়ের টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে? সিটি করপোরেশনের উচিত একটি টেন্ডার শেষ হওয়ার আগেই আরেকটির চূড়ান্ত করা। আর এই গড়িমসির পেছনে যদি রাজনৈতিক কোনো বিষয় থাকে, তাহলে সেটির তদন্ত করতে পরামর্শ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Hundreds of people in Jhenaidah got free health care from Walton

ওয়ালটনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল ঝিনাইদহের শতাধিক মানুষ

ওয়ালটনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল ঝিনাইদহের শতাধিক মানুষ ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের অগ্নিবীণা সড়কে অবস্থিত ওয়ালটন প্লাজায় এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পে শহরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০০ জন গ্রাহক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা দেন কালীগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আলী রেজা তপু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার রিফাত হাসান খান, চুয়াডাঙ্গা মোড় শাখার ম্যানেজার সাদিক-ই-নুর, ঝিনাইদহ প্লাজার ম্যানেজার তোতা মিয়া, হেলথ কেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস অফিসার আলী মুরাদ খান শুভ, জাকারিয়া হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষরা। তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকরা জানান, ওয়ালটন প্লাজা শুধু ব্যবসায়িক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশের মতো ঝিনাইদহেও এই বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে