× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
করোনায় নারী বিশ্বনেতারা কোমল পুরুষ রুক্ষ
google_news print-icon

করোনায় নারী বিশ্বনেতারা কোমল, পুরুষ রুক্ষ

করোনায়-নারী-বিশ্বনেতারা-কোমল-পুরুষ-রুক্ষ
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় সব নেতাই তাদের বক্তব্যে অর্থনীতির ওপর করোনার প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন। তবে নারী নেতাদের মনোযোগ ছিল ব্যক্তি পর্যায়ের অর্থনীতি ও ছোট ব্যবসা ক্ষেত্রের দিকে। আর পুরুষ নেতৃত্ব জোর দিয়েছে বড় ব্যবসা ও করপোরেট অর্থনীতির দিকে।

করোনাভারাসের মহামারিতে সংকট মোকাবিলায় বিশ্বনেতাদের পদক্ষেপ নিয়ে চলছে চুলচেরা নানান বিশ্লেষণ। কারা কীভাবে এই সংকট মোকাবিলা করছেন, কে কতটা সফল- সেই পর্যালোচনাও চলছে বিশ্বব্যাপী।

এর মধ্যে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, করোনা মহামারি নিয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় সহানুভূতি ও সামাজিক ঐক্যের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন নারী নেতারা। বিপরীতে পুরুষ নেতারা ভয় ছড়ানো অথবা অন্যের ওপর দায় চাপানোর দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন।

চারজন গবেষকের এই গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রি-প্রিন্ট প্ল্যাটফর্ম মেডআর্কাইভে। বিভিন্ন ধরনের গবেষণা আন্তর্জাতিক কোনো জার্নালে প্রকাশের আগে ত্রুটি-বিচ্যুতি যাচাইয়ে প্রি-প্রিন্ট প্ল্যাটফর্ম প্রকাশ হয়ে থাকে।

গবেষণার জন্য ২০টি দেশ বেছে নেয়া হয়েছে, যার ১০টিতে রাষ্ট্র অথবা সরকারপ্রধান হিসেবে আছেন নারীরা। দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, বেলজিয়াম, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ডমিনিকান রিপাবলিক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, নিউজিল্যান্ড, নাইজার, নরওয়ে, রাশিয়া, সাউথ আফ্রিকা, স্কটল্যান্ড, সিন্ট মার্টিন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান।

২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ এপ্রিলের মধ্যে এই ২০ দেশের শীর্ষ নেতদের দেয়া মোট ১২২টি বক্তব্য ও বিবৃতি বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকেরা। এর মধ্যে ৬১টি বক্তব্য-বিবৃতি নারী নেতাদের। এর মধ্যে যাদের ক্ষেত্রে দুটির কম বক্তব্য পাওয়া গেছে সেখানে সরকারি ভাষ্যগুলোও বিচার করেছেন গবেষকেরা।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে যে ভাষণটি দিয়েছিলেন, সেটি বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই গবেষণায়।

অনুসন্ধানে পাঁচটি বিষয়ের দিকে নজর দিয়েছে গবেষক দল। এগুলো হলো- অর্থনীতি ও আর্থিক ত্রাণ, সমাজকল্যাণ ও অসহায় জনগোষ্ঠী, জাতীয়তাবোধ, দায়িত্ব ও পিতৃতন্ত্র এবং আবেগীয় আহ্বান।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় সব নেতাই তাদের বক্তব্যে অর্থনীতির ওপর করোনার প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন। তবে নারী নেতাদের মনোযোগ ছিল ব্যক্তি পর্যায়ের অর্থনীতি ও ছোট ব্যবসা ক্ষেত্রের দিকে। আর পুরুষ নেতৃত্ব জোর দিয়েছে বড় ব্যবসা ও করপোরেট অর্থনীতির দিকে।

মহামারি স্থানীয় বা ব্যক্তিপর্যায়ে কীভাবে জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করছে এবং সামাজিক সুরক্ষার আওতা কী করে বাড়ানো যায়- সে বিষয়টি বারবার সামনে এনেছেন নারী নেতারা। গুরুত্ব পেয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য ও পারিবারিক সহিংসতার মতো বিষয়গুলোও।

গবেষণাপত্রে উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২৫ মার্চের ভাষণ থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টিতে জোর দিয়েছেন। ওই ভাষণে শেখ হাসিনা বলেন, “করোনাভাইরাসের কারণে অনেক মানুষ কাজ হারিয়েছেন। আমাদের তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। নিম্ন আয়ের ব্যক্তিদের ‘ঘরে ফেরা’ কর্মসূচির আওতায় নিজ নিজ গ্রামে সহায়তা প্রদান করা হবে। গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বিনামূল্যে ঘর, ৬ মাসের খাদ্য এবং নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে।”

গবেষণায় দেখা গেছে, একমাত্র নারী নেতারাই মহামারি অভিবাসী ও উদ্বাস্তুদের নিয়ে কথা বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের পরিচর্যার পাশাপাশি পারিবারিক যত্নের দায়বদ্ধতাও তারা মনে করিয়ে দিয়েছেন।

স্কটল্যান্ডের নারী ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজন যেখানে কথা বলেছেন শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ডনাল্ড ট্রাম্প ও ফ্রান্সের ইমানুয়েল মাখোঁর বেশিরভাগ কথাই ছিল বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও তাদের সিইওদের নিয়ে।

করোনা মোকাবিলার বিষয়টি সামনে আনতে বিশ্বনেতাদের প্রায় সবাই যুদ্ধসম্পর্কিত রূপক শব্দ ব্যবহার করেছেন। গবেষণার জন্য বেছে নেয়া ২০ নেতার মধ্যে ১৭ জনই ব্যবহার করেছেন এ ধরনের শব্দ। তবে পুরুষ নেতাদের বক্তব্যে এসব শব্দের ছড়াছড়ি যেভাবে দেখা গেছে, নারীরা সে তুলনায় ছিলেন অনেক সংযত।

নারীরা অনেক বেশি ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা সহানুভূতিশীল ভাষা ব্যবহার করেছেন, যার লক্ষ্য ছিল আক্রান্তের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ ও সামাজিক ঐক্য সৃষ্টি।

গবেষক দলটি বলছে, করোনাভাইরাস সংকটে নারী ও পুরুষ নেতৃত্ব কতটা ভালো সাড়া দিয়েছে সেটি যাচাই করা তাদের লক্ষ্য ছিল না। গবেষণার সীমাবদ্ধতার দিকগুলো স্বীকার করে তারা বলছে, জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি দেশের বাস্তবতা আলাদা। আর এই বাস্তবতাই নেতাদের প্রতিক্রিয়া ও বক্তব্যের কৌশলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

গবেষণাপত্রের সহ লেখক বেসরকারি সংস্থা উইমেন ইন গ্লোবাল হেলথের গবেষণা সহযোগী সারা ডাডা গবেষণার ফলাফলে নিজেই বিস্মিত। তিনি বলছেন, ‘পুরুষ নেতারা তাদের বক্তব্যে ভয়-ভীতি দেখানো অথবা অন্যের ওপর দায় চাপানোর দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে, নারীরা ব্যক্তিগত উদাহরণ ও সহানুভূতিকে সামনে এনে সামাজিক ঐক্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন।’

আরেক সহ লেখক ফ্লোরিডা কলেজ অফ পাবলিক হেলথ ইউনিভার্সিটির উইমেন ইন গ্লোবাল হেলথের অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড চেয়ারম্যান ড. মারলিন জোয়ানি বেওয়া বলেন, ‘এটা খুব পরিষ্কার, এই মহামারিতে নারীরা সাম্যের দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা পদ্ধতিতে যোগাযোগ-কৌশল গ্রহণ করেছেন। তাদের কৌশলের মধ্যে সমন্বিত নীতিগত সাড়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কিন্তু সামাজিক পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত ছিল।’

নারী ও পুরুষ নেতাদের বক্তব্যের ধরনে পার্থক্য কেন- তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন লস অ্যাঞ্জেলেসের অকসিডেন্টাল কলেজের রাজনীতির সহযোগী অধ্যাপক জেনিফার এম পিসকোপো।

তিনি বলছেন, ‘পুরুষ নেতাদের চেয়ে নারীদের বক্তব্য আলাদা হওয়ার কারণ শুধু স্বভাবজাত নয়, ভোটাররাও নারীদের কাছ থেকে নমনীয় বক্তব্যই প্রত্যাশা করে এবং সেটা পাওয়া না গেলে ভোটাররা মনক্ষুণ্নও হয়।

‘এখানে নেতাদের রাজনৈতিক নেতাদের মতাদর্শের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। যেসব নেতার বক্তব্যে জাতীয়তাবাদ ও যুদ্ধসম্পর্কিত শব্দের প্রাধান্য দেখা গেছে তারা সাধারণত ডানঘেঁষা রাজনৈতিক দল থেকে এসেছেন।’

আরও পড়ুন:
৪৫ মিনিটে জানা যাবে করোনার ফলাফল
দরপত্র ছাড়াই করোনা টিকা কিনবে সরকার
করোনায় আরও ৩৮ মৃত্যু
করোনায় ফুসফুসের ক্ষতি ‘শনাক্ত’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
I will fight anti national forces with my life Nashim

জীবন দিয়ে দেশবিরোধী অপশক্তি মোকাবেলা করব: নাছিম

জীবন দিয়ে দেশবিরোধী অপশক্তি মোকাবেলা করব: নাছিম আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে শনিবার রাজধানীতে শোভাযাত্রা বের করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ছবি: নিউজবাংলা
আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি বলেন, ‘বিদেশি প্রভুদের কাছে যারা নালিশ করে এবং ধরনা দিয়ে গণতন্ত্র নষ্ট করে ক্ষমতায় যেতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে।’

দেশবিরোধী অপশক্তি, সাম্প্রদায়িক শক্তি, স্বৈরাচারী শক্তি, বিরাজনীতিকরণের শক্তিকে জীবন দিয়ে হলেও প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে শনিবার স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

নাছিম বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে চাই। বিদেশি প্রভুদের কাছে যারা নালিশ করে এবং ধরনা দিয়ে গণতন্ত্র নষ্ট করে ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে।’

শোভাযাত্রাটি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে শুরু হয়ে ঐতিহাসিক ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু ভবন পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়।

আনন্দ শোভাযাত্রায় সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু। সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিট থেকে আগত নেতা-কর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকা-৮ আসনে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় বাহাউদ্দিন নাছিমের
স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি এখনও ষড়যন্ত্র করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম
ইফতারের নামে দামি হোটেলে বসে ষড়যন্ত্র করে বিএনপি: বাহাউদ্দিন নাছিম
সাশ্রয়ী হতে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
বিএনপি-জামায়াত শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চায়: নাছিম

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Law and order forces are entering the field in 157 upazilas on Sunday
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন

১৫৭ উপজেলায় রোববার মাঠে নামছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী

১৫৭ উপজেলায় রোববার মাঠে নামছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ফাইল ছবি।
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২১ মে। রোববার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে এই ধাপের প্রচারণা। একই সময় থেকে নির্বাচনি এলাকায় সীমিত করা হবে যানবাহন চলাচল।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২১ মে। রোববার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে এই ধাপের প্রচারণা। আর সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে ১৫৭ উপজেলায় একই দিন মাঠে নামছে বিজিবি, র‌্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোটের আগে-পরে মোট পাঁচদিনের জন্য তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান শনিবার জানিয়েছেন, বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা পাঁচদিনের জন্য মাঠে নিয়োজিত থাকবেন। এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরিপত্র জারি করেছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, সমতলে সাধারণ ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে পুলিশ, আনসার ও গ্রামপুলিশের ১৭ জন করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৯ জনের ফোর্স মোতায়েন থাকবে। দুর্গম ও পার্বত্য এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৯ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২১ জনের ফোর্স মোতায়েন থাকবে।

নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রতিপালনে প্রতি ইউনিয়নে থাকবেন একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়াও মোবাইল/স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে বিশেষ করে বিজিবির প্রতিটি মোবাইল টিমের সঙ্গে একজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন।

এদিকে নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিয়ে বিচার করার জন্য উপজেলায় থাকবেন একজন করে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।

সরকারি জরুরি সেবা ৯৯৯-এ থাকবে বিশেষ টিম। ওই টিম নির্বাচন সংক্রান্ত প্রাপ্ত অভিযোগ/তথ্যের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরাসরি এলাকাভিত্তিক আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে।

রোববার রাতে ভোটের প্রচার বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচনি এলাকায় সীমিত করা হবে যানবাহন চলাচল।

আরও পড়ুন:
সামনের নির্বাচনগুলো আরও স্বচ্ছ হবে: ইসি
৬১৫ কেন্দ্রে ব্যালট যাবে আগের দিন, বাকিগুলোতে ভোটের সকালে
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা ভোটের মাঠে ১৫৭ ম্যাজিস্ট্রেট
প্রার্থিতা বাতিল বহাল, সেলিম প্রধানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
কুমিল্লা ও কুড়িগ্রামে বিএনপির ৮ নেতা বহিষ্কার

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Mayor Tapas Mangara spoke about dengue Saeed Khokon

ডেঙ্গু নিয়ে মেয়র তাপস মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন: সাঈদ খোকন

ডেঙ্গু নিয়ে মেয়র তাপস মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন: সাঈদ খোকন শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মিট দ্য প্রেসে বক্তব্য দেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। ছবি: সংগৃহীত
ডিএসসিসি মেয়রকে ইঙ্গিত করে সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ‘দক্ষিণ সিটি কর্তৃপক্ষের এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি বলেছেন যে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ঢাকা শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজার কম ছিল। প্রকৃতপক্ষে ঢাকা সিটিতে গত বছর ঢাকায় ৫৯ হাজার ১৯৮ জন বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।’

রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে মিট দ্য প্রেসে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

‘এগিয়ে ছিল দক্ষিণ ঢাকা, স্মৃতির পাতায় ফিরে দেখা’ শীর্ষক এই মিট দ্য প্রেসের আয়োজন করে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন।

এর আগে বুধবার (১৫ মে) এক অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘২০১৯-এর তুলনায় ২০২৩ সালে ঢাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪২ হাজার কম ছিল।’

সাঈদ খোকন এমপি বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। এর মধ্যে ঢাকা শহরে রোগীর সংখ্যা ছিল ৫১ হাজার ৮১০।

‘অন্যদিকে গত বছর (২০২৩) দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। কেবল ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে যত মৃত্যু হয়, তা আগের ২২ বছরে হয়নি।’

খোকন বলেন, ‘গত বছর (২০২৩) দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে আক্রান্ত হন এক লাখ ১০ হাজার আটজন। সে হিসাবে গত বছর ঢাকায় ৫৯ হাজার ১৯৮ জন বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।

‘এ ছাড়া গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ঢাকাতেই ৯৮০ জন মারা যান। এই হিসাবে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ৫৮ হাজার ১৯৮ জন রোগী বেশি ছিল। তার (তাপস) এমন তথ্য নাগরিকদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।’

ডিএসসিসি মেয়রকে ইঙ্গিত করে সাঈদ খোকন বলেন, ‘দুঃখজনক বিষয় হলো দক্ষিণ সিটি কর্তৃপক্ষের এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি কয়েকদিন আগে ডেঙ্গু আক্রান্তের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন। তিনি (মেয়র তাপস) বলেছেন, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ঢাকা শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজার কম ছিল। তার বক্তব্য যে ভুল ছিল তা নিয়ে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।’

সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমি দক্ষিণ সিটির মেয়র থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে ঢাকা শহরে ব্যাপক হারে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। তখন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। চেষ্টায় কোনো ত্রুটি রাখিনি। ডেঙ্গু আক্রান্ত নগরবাসীকে রেখে পরিবার নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করিনি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি মেয়র থাকার সময়ে হয়তো আহামরি ট্যাক্স-ভ্যাট আদায় করতে পারিনি। কিন্তু নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে চেষ্টা করেছি। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জনদুর্ভোগ কমানো ছিল আমার মূল দায়িত্ব। কিন্তু এখন নগর কর্তৃপক্ষ রাজস্ব আদায় বা সিটি টোলের নামে রিকশা, সিএনজি ও সবজি বহনকারী ট্রাক-লরি থেকে চাঁদাবাজি করছে। আমার সময়ে এমনটা ছিল না।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোধে ডাবের খোসা-চিপসের প্যাকেট কিনে নেবে ডিএনসিসি
২৩ বছরে মোট রোগীর চেয়ে ২০২৩ সালে ডেঙ্গু রোগী বেশি ছিল

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Naib of Awami League who won unopposed in Jhenaidah 1 by election

ঝিনাইদহ-১ উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আওয়ামী লীগের নায়েব

ঝিনাইদহ-১ উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আওয়ামী লীগের নায়েব ঝিনাইদহ-১ আসনের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী মো. নায়েব আলী জোয়ার্দ্দার। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলাল ও খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলিম নিজামী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এরপর নৌকার প্রার্থীকে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয় বলে জানান ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মখলেসুর রহমান।

ঝিনাইদহ-১ আসনের উপনির্বাচনে দুই প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় আওয়ামী লীগের মো. নায়েব আলী জোয়ার্দ্দার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।

শনিবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলাল ও খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলিম নিজামী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এরপর নৌকার প্রার্থীকে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয় বলে জানান ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মখলেসুর রহমান।

উল্লেখ্য, এ বছরের ১৬ মার্চ ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এরপর উপনির্বাচনের চন্য ওই আসনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। গত ১০ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। আওয়ামী লীগের নায়েব আলি জোয়ার্দ্দার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলিম নিজামী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম ও মুনিয়া আরেফিন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে মুনিয়া আরফিনের মনোনয়ন বাতিল হলে ভোটের মাঠে ছিলেন তিনজন প্রার্থী। আগামী ৫ জুন ভোট গ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন অপর দুই প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলে আওয়ামী লীগের নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয় বলে জানান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মখলেসুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে গেজেট প্রকাশের জন্য কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে।’

এর আগে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলার দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা হয়।

সভায় ঝিনাইদহের তিন আসনের সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যসহ ঝিনাইদহ-১ আসনের উপনির্বাচনের দুই প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘যেহেতু নৌকা প্রতীকে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে এবং দলেরই অপর এক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, সেজন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম দুলালকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছিলাম। তিনি সাড়া দিয়ে তা গ্রহণ করেছেন।’

মনোনয়ন প্রত্যাহার করা স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলাল বলেন, ‘কোনো চাপের কারণে মনোনয়ন প্রত্যাহার করিনি। দল নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারকে মনোনয়ন দিয়েছে। দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে এসেছি।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন নজরুল ইসলাম দুলাল।

আরও পড়ুন:
ঝিনাইদহ-১ উপনির্বাচনে নৌকা পেলেন নায়েব আলী
ঝিনাইদহ-১ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ১৭ জন
ঝিনাইদহ-১ আসনে উপনির্বাচন ৫ জুন

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Why should journalists enter Bangladesh Bank?

সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকবেন কেন, প্রশ্ন কাদেরের

সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকবেন কেন, প্রশ্ন কাদেরের ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পৃথিবীর কোন দেশে সেন্ট্রাল ব্যাংকে ঢুকতে পারছে অবাধে? ভারতের ফেডারেল ব্যাংকে কি অবাধে ঢুকতে পারছে কেউ? কেন ঢুকবে? সব ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয়, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?’

সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে ঢুকবেন কেন- এ প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন।

সাংবাদিকদের বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করতে না দেয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পৃথিবীর কোন দেশে সেন্ট্রাল ব্যাংকে ঢুকতে পারছে অবাধে? কোন দেশে? ভারতের ফেডারেল ব্যাংকে কি অবাধে ঢুকতে পারছে কেউ? কেন ঢুকবে? সব ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয়, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?’

ওবায়দুল কাদের তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা একটা কথা কেউ বলি না, আজকের বাংলাদেশের এতো উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কেন হয়েছে? সরকারের ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের কারণে। এ কারণেই বাংলাদেশের এতো উন্নয়ন ও অর্জন সম্ভব হয়েছে। এজন্যই বিশ্বের বিস্ময়ে রূপান্তরিত হতে পেরেছে দেশ।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অতি আপনজন এই দেশের জনগণ। হতাশাকবলিত বাংলাদেশে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর কাছে আবেদন করে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি এবং মির্জা ফখরুল বাকশালকে গালিতে পরিণত করতে চান।

‘গণমাধ্যমও লিখছে যে বিএনপি ভারত বিরোধিতার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। বিএনপি এখন ভারত প্রশ্নে মধ্যপন্থা নিতে চায়।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্রের কোনো ঘাটতি নেই, সংসদের মতো সংসদের বাইরেও সরকারের বিরোধিতা জারি আছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন করছে না সরকার। গণতন্ত্রের বিচারে বিশ্বের বহু দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।’

রিজার্ভ কমে ১৩ বিলিয়নে নেমে আসায় অর্থনীতিবিদদের অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কয় বিলিয়ন ডলার নিয়ে আমরা স্বাধীনতার পর যাত্রা শুরু করেছিলাম? ডলার ছিল আমাদের? বিএনপি কয় বিলিয়ন ডলার রেখে গেছে? তিন বিলিয়ন প্লাস। তাহলে এখন ১৯-২০ বিলিয়ন ডলার আছে, এটা কম নাকি? এখন আমাদের রপ্তানি আয় বাড়ছে, রেমিট্যান্সও বাড়ছে, এই মুহূর্তের যে প্রবণতা। এগুলো বাড়লে রিজার্ভও বাড়বে।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সরকারের ধারাবাহিকতায় এত উন্নয়ন: কাদের
শেখ হাসিনা বদলে যাওয়া বাংলাদেশের রূপকার: ওবায়দুল কাদের
যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানে আছে, ফখরুল কী করে জানলেন: কাদের
নো হেলমেট, নো ফুয়েল: কাদের
যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশন-ভিসানীতি সরকার কেয়ার করে না: কাদের

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Seasonal journalists are not allowed to enter polling stations
ঝালকাঠিতে ইসি আহসান হাবিব

মৌসুমী সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের পাস নয়

মৌসুমী সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের পাস নয় শনিবার ঝালকাঠিতে তিন জেলার প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন ইসি আহসান হাবিব খান। ছবি: নিউজবাংলা
ইসি আহসান হাবিব খান বলেন, ‘কোনো ভোট কেন্দ্রে অসংগতির ছবি ও ভিডিও করে প্রমাণ দেখাতে পারলে দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে। অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিময় নির্বাচন করার জন্য প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত।’

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান বলেছেন, উপজেলা নির্বাচনে ভুঁইফোড় মিডিয়া এবং মৌসুমী সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য পাস দেয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে পাস ইস্যু করবে।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে শনিবার ঝালকাঠি শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে তিন জেলার প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

আহসান হাবিব খান বলেন, ‘কোনো ভোট কেন্দ্রে অসংগতির ছবি ও ভিডিও করে প্রমাণ দেখাতে পারলে দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে। অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিময় নির্বাচন করার জন্য প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। সংবিধান সুরক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ভোটার উপস্থিত করানো প্রার্থীর দায়িত্ব। তবে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে যদি কেউ বাধা দেয় তার জন্য দুই থেকে সাত বছর কারাদণ্ডের আইন করা হয়েছে। সেভাবেই আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি। নির্বাচনকালীন ডিসি-এসপিরা স্বাধীনভাবে কাজ করবেন।

আরও পড়ুন:
মৃত বাবাকে দেখতে এক ঘণ্টা সময় পেলেন মেয়ে
সামনের নির্বাচনগুলো আরও স্বচ্ছ হবে: ইসি
প্রকাশ্যে ভোট: ক্ষমা চাওয়ায় এমপি হাফিজকে দায়মুক্তি ইসির
প্রবাসীদের এনআইডি কার্যক্রম দেখতে যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন ইসি আলমগীর
প্রকাশ্যে ভোট, বরিশালের এমপি হাফিজ মল্লিককে ইসিতে তলব

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
So much development in continuity of government who

সরকারের ধারাবাহিকতায় এত উন্নয়ন: কাদের

সরকারের ধারাবাহিকতায় এত উন্নয়ন: কাদের সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
কাদের বলেন, ‘আমরা একটা কথা কেউ বলি না। আজকের বাংলাদেশের এত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ কেন হয়েছে? সরকারের ধারাবাহিকতায় এবং স্থায়িত্বতার কারণে।’

সরকারের ধারাবাহিকতা ও স্থায়িত্বের কারণে দেশে এত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের বলেন, ‘আমরা একটা কথা কেউ বলি না। আজকের বাংলাদেশের এত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ কেন হয়েছে? সরকারের ধারাবাহিকতায় এবং স্থায়িত্বতার কারণে।

‘এর কারণেই বাংলাদেশের এত উন্নয়ন ও অর্জন সম্ভব হয়েছে। এই কারণে বিশ্বের বিস্ময়ে রূপান্তরিত হতে পেরেছে বাংলাদেশ।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অতি আপনজন এই দেশের জনগণ। হতাশা কবলিত বাংলাদেশে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।’

ওই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
ডোনাল্ড লুর বাংলাদেশ সফর, যা বললেন ওবায়দুল কাদের
তিস্তা সেচ প্রকল্প উন্নয়নের নামে গাছ না কাটার আহ্বান জিএম কাদেরের
বিএনপি আমলে ভারতের সঙ্গে অবিশ্বাসের সম্পর্ক ছিল: কাদের
সরকার দৈত্য হয়ে জনগণের কাঁধে চেপে বসেছে: জিএম কাদের
আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলে বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাবে: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে