× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

স্বাস্থ্য
শীতে এবার  সোয়েটার
hear-news
player
google_news print-icon

শীতে এবার  সোয়েটার

শীতে-এবার- সোয়েটার
ছবি:সংগৃহীত
শর্ট সোয়েটারের একঘেয়েমি কাটিয়ে বাজারে এখন লং সোয়েটারের রাজত্ব। ফ্যাশন সচেতন তরুণীরা ঝুঁকছেন ড্রেপ কার্ডিগান বা লং সোয়েটারের দিকে।

শীতকে ঘিরে সব সময় চলে ফ্যাশন বদলের রীতি। সেই বদলের ধারায় তরুণ-তরুণীদের মনে এখন বিশেষভাবে জায়গা দখল করে নিয়েছে সোয়েটার। শীতে এক সময় ভারি জ্যাকেট বা চাদর গুরুত্ব পেত বেশি। কিন্তু এখন ফ্যাশন ট্রেন্ডে সোয়েটারও পিছিয়ে নেই। তরুণদের রুচি আর ডিজাইনারদের চিন্তায় পরিবর্তন এসেছে সোয়েটারে।

স্ট্রাইপ বা প্রিন্ট-নতুন নতুন মোটিফের সংযোজনে সোয়েটার এখন বেশ জনপ্রিয়। ফেব্রিক, রং, বোতাম আর পকেটের ব্যবহারের ব্যাপারটা মাথায় রেখে তরুণরা কিনছেন পছন্দের সোয়েটার।

মেয়েদের সোয়েটারে এবার দৈর্ঘ্য একটু বেশি ও স্ট্রাইপ বেশি চলছে। শর্ট সোয়েটারের একঘেয়েমি কাটিয়ে বাজারে এখন লং সোয়েটারের রাজত্ব। ফ্যাশন সচেতন তরুণীরা ঝুঁকছেন ড্রেপ কার্ডিগান বা লং সোয়েটারের দিকে। অনেক সোয়েটারের গলায় ওভার ফ্লিপ ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

শীতের পোশাকের এখনকার ট্রেন্ড নিয়ে জেন্টল পার্কের চেয়ারম্যান ও ডিজাইন বিভাগের প্রধান শাহাদাৎ চৌধুরী বাবু বলেন, ‘অন্য পোশাকের ওপর পরার মতো সোয়েটার, শ্রাগ, পঞ্চ ইত্যাদি শীত পোশাক থাকছে এবার জেন্টল পার্কে। পশ্চিমা ট্রেন্ড অনুসরণ করে এসব শীত পোশাকের ডিজাইন করা হয়েছে। তবে কাপড়টা এ দেশের আবহাওয়া উপযোগী। মেয়েদের জন্য থাকছে রাউন্ডনেক, টার্টলনেক সোয়েটার। তরুণীদের জন্য আনা হয়েছে ক্যাজুয়াল ঘরানার নানা রকম পঞ্চ আর শ্রাগও।’

অল্প শীতে পাতলা সোয়েটার স্কিন জিন্স ছাড়াও সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে পরা যায়। কোমরে বেল্ট রয়েছে এমন শীতের পোশাক কিনছেন তরুণীরা। হালকা শীতের উপযোগী পাতলা কাপড়ের সোয়েটারও চলছে বেশ। যারা শাড়ি পরতে ভালোবাসেন তারাও ব্লাউজের বদলে বোট নেক কিংবা হাই নেকের সোয়েটারের সঙ্গে দিব্যি জড়িয়ে নিচ্ছে পছন্দের শাড়িটি।

ছেলেদের পোশাকের সঙ্গে এবার পাতলা সোয়েটার চলছে বেশ। অল্প শীতে পাতলা সোয়েটার আরামদায়ক। রাউন্ড নেক, ভি নেক, চিকন কলারের এসব সোয়েটারে থাকছে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন। সামনের দিকে চেইন বা বোতাম আছে কিছু সোয়েটারে।

শীতে এবার  সোয়েটার

স্লিভলেস সোয়েটার তো পুরুষদের অন্যতম পছন্দ। শার্টের ওপর পরার জন্য হাতাকাটা সোয়েটার মানানসই। ছেলেদের সোয়েটারের মধ্যে ফুল-স্লিভ সোয়েটার, রিব নিট কলার অ্যান্ড স্লিভ, কটন সোয়েটার, ফুল-স্লিভ সোয়েটার, কনট্রাস্ট কলার অ্যান্ড স্লিভ কটন সোয়েটার, ফুল-স্লিভ স্ট্রাইপড সোয়েটার, লং স্লিভ সোয়েটার প্রভৃতি বেশ জনপ্রিয়।

হুডি স্টাইলের সোয়েটারও তালিকার বাইরে নয়। কারণ তরুণদের অনেকে হুডি বলতে অজ্ঞান। পছন্দ অনুযায়ী তরুণরা ফুলহাতা ঢিলেঢালা সোয়েটারও পরছে, সঙ্গে মাথায় থাকছে কালারফুল টুপি, পায়ে পছন্দের কনভার্স জুতা।

ক্রসলাইন বাংলাদেশ লি. এর সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার ওয়াকিল আহমেদ সোয়েটারের উপকরণ নিয়ে বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের চাহিদাকে মাথায় রেখে সোয়েটার তৈরিতে কটন, অ্যাক্রাইলিক, উল, নাইলন, অ্যাক্রাইলিক মিলান্জ, কটন মিলান্জ, ভিসকোজ, পপকর্ন, তামু ইত্যাদি ইয়ার্নের ব্যবহারই হচ্ছে বেশি। তবে হেভি নিটের ইয়ার্ন এখনও পুরোপুরি আমদানিনির্ভর।’

সোয়েটারে এমব্রয়ডারি, প্যাচওয়ার্ক, ফ্ল্যাট লক, ফার লাইনিং, শেরপা লাইনিং, জাকার্ড মেশিন দিয়ে তৈরি ডায়মন্ড শেপ ডিজাইন বা প্রিন্ট মোটিফ ব্যবহার হচ্ছে। কালো, সাদা, চাপা সাদা, ছাই, ধূসর ছাড়াও হলদে সবুজ, লাল, গোলাপি, নীল ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের স্ট্রাইপ দেয়া সোয়েটার প্রাধান্য পেয়েছে।

দরদাম

বাজার ঘুরলে নানান দামের সোয়েটার পাবেন। শীতের এ সময়ে নিউমার্কেট, গাউসিয়া, বসুন্ধরা সিটিসহ সব শপিংমলেই পাওয়া যাবে সোয়েটার। ব্র্যান্ড ভেদে দামের তারতম্যও প্রচুর। বাজারে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকার ভেতরে ননব্র্যান্ড সোয়েটার পাওয়া যাবে। ক্যাটস আই, জেন্টল পার্ক, সারা এবং সেইলরসহ অন্যান্য ব্র্যান্ড শপগুলো থেকে কিনতে হলে এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা গুনতে হবে আপনাকে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য
He was accused of killing his stepson by pressing a pillow because he was angry with his husband

স্বামীর ওপর রাগ করে সৎ ছেলেকে বালিশচাপায় হত্যার অভিযোগ

স্বামীর ওপর রাগ করে সৎ ছেলেকে বালিশচাপায় হত্যার অভিযোগ প্রতীকী ছবি
ওসি সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাবুর মা মারা যাওয়ার পর তার বাবা মাহাবুব ইসলাম তিন মাস আগে রেশমাকে বিয়ে করে। রেশমার আগের ঘরের একটা সাড়ে তিন বছরের মেয়ে শিশু আছে। দুজনেরই এটা দ্বিতীয় বিবাহ।

রাজধানীর হাজারীবাগে স্বামীর ওপর রাগ করে সৎ সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে।

রোববার বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল হক ভূঁইয়া।

৮ বছরের সায়িম বাবু হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন রেশমা খাতুন নামের ওই গৃহবধূ।

ওসি সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাবুর মা মারা যাওয়ার পর তার বাবা মাহাবুব ইসলাম তিন মাস আগে রেশমাকে বিয়ে করে। রেশমার আগের ঘরের একটা সাড়ে তিন বছরের মেয়ে শিশু আছে। দুজনেরই এটা দ্বিতীয় বিবাহ।

তিনি বলেন, রেশমার অভিযোগ, তার স্বামী বাবুকে আদর করলেও তার আগের পক্ষের মেয়েকে আদর করে না এবং কোন কিছু কিনে দেয় না। শনিবার বাবুকে পাঞ্জাবি ও খাবার কিনে দিলেও রেশমার মেয়েকে কিছুই কিনে দেয়নি তার স্বামী।

ওসি বলেন, এ নিয়ে রেশমা বাবুকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। বাবুর মরদেহ ঢাকা মেডিক্যল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নদীতে গোসলে নেমে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু
ঢাকনাহীন সেপটিক ট্যাংকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
৯৯৯-এ ফোন, মিলল তরুণীর মরদেহ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Entire country at risk of Nipah virus IEDCR

সারা দেশই নিপাহ ভাইরাসের ঝুঁকিতে: আইইডিসিআর

সারা দেশই নিপাহ ভাইরাসের ঝুঁকিতে: আইইডিসিআর ফাইল ছবি
কয়েকটি জেলায় এখন পর্যন্ত রোগী পাওয়া গেলেও সবজেলাই ঝুঁকিপূর্ণ। চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাতজন। যা গত চার বছরে সর্বোচ্চ। আর চলতি বছর এখন পর্যন্ত নিপাহ ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন ১০ জন। যা গত আট বছরে সর্বোচ্চ।

দেশের কয়েকটি জেলায় এখন পর্যন্ত নিপাহ ভাইরাসের রোগী পাওয়া গেলেও সবকয়টি জেলাই এ ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

রোববার চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ও এতে মৃতের তথ্য জানিয়ে এ কথা বলেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন।

তিনি বলেন, কয়েকটি জেলায় এখন পর্যন্ত রোগী পাওয়া গেলেও সবজেলাই ঝুঁকিপূর্ণ। চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাতজন। যা গত চার বছরে সর্বোচ্চ। আর চলতি বছর এখন পর্যন্ত নিপাহ ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন ১০ জন। যা গত আট বছরে সর্বোচ্চ।

আইইডিসিআরের পরিচালক বলেন, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা বেঁচে থাকেন, তারা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভোগেন।

তাহমিনা শিরিন বলেন, বিভিন্ন অনলাইন শপে এখন খেঁজুরের রস বিক্রি হচ্ছে। তারা প্রচার করছে, তারা সব ধরনের সতর্কতা মেনে রস সংগ্রহ করছে। রসের হাড়ি ঢেকে সেটা করা হয়েছে। কিন্তু এটা পরিষ্কার যে, রসের হাড়ি ঢেকে সংগ্রহ করলেও সেখান থেকে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমিত হবে না-তার প্রমাণ নেই। কারণ বাদুড়ের লালা এবং প্রস্রাব থেকে ভাইরাসটি রসের মধ্যে আসে।

তিনি বলেন, খেজুরের কাঁচা রস খাওয়ার পর নিপাহতে আক্রান্তের লক্ষণ দেখা যায় সাধারণ আট থেকে নয়দিনের মধ্যে। অন্যদিকে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসাদের লক্ষণ দেখা যায় ছয় থেকে ১১ দিনের মধ্যে।

এই ভাইরাসবাহিত রোগের কোনো ওষুধ বা টিকা আবিষ্কার না হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর আশঙ্কা ৭০ থেকে ১০০ ভাগ। আর যারা বেঁচে থাকেন তাদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশের স্নায়বিক দুর্বলতায় ভোগেন।

এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে দেশের ২৮টি জেলায়। এ পরিস্থিতিতে রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে ১০ বেডের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়।

২০০১ সালে দেশে প্রথম নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়। ২০২২ সাল পর্যন্ত সরকারিভাবে ৩২৫ জনের দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৩০ জনের। গত বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজই মারা গেছেন।

সম্প্রতি সচিবালয়ে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, চলতি মৌসুমে এই ভাইরাসে মৃত্যুর হার শতকরা ৭০ শতাংশ।

১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় প্রথম নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। সংক্রমণের উৎস ছিল নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত অসুস্থ শূকর। নিপাহ ভাইরাস প্রাণী থেকে বিশেষ করে বাদুড় ও শূকর থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়ে থাকে।

আক্রান্ত বাদুড় কোনো ফল খেলে বা খেজুরের রস পান করলে এটির লালা, প্রস্রাব বা অন্যান্য বর্জ্য দিয়ে সরাসরি সেই ফল বা খেজুরের রস দূষিত হয়ে যায়। কেউ সেই ফল বা কাঁচা খেজুরের রস পান করলে তিনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। এ ছাড়া আক্রান্তের সরাসরি সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিও এতে আক্রান্ত হতে পারেন।

আরও পড়ুন:
২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাস, আইসিইউ প্রস্তুত রাখার অনুরোধ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Two young women received Jamals cornea

জামালের কর্নিয়া পেলেন দুই তরুণী  

জামালের কর্নিয়া পেলেন দুই তরুণী   জামালের কর্নিয়া পেলেন নরসিংদীর সুমি এবং পটুয়াখালীর স্মৃতি। ছবি: কোলাজ নিউজবাংলা
রোববার সকাল ১০টায় তাদের সার্জারি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ এ হাসান ও জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের কর্নিয়া ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল কাদের।

জামাল উদ্দিনের মরণোত্তর দেহদানের পর তার কর্নিয়া পেলেন নরসিংদীর ২৪ বছর বয়সী সুমি এবং পটুয়াখালীর ২১ বছর বয়সী স্মৃতি।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ৬২ বছর বয়সে প্রাণ হারানো জামালের দুটি কর্নিয়া সংগ্রহ করে।

রোববার সকাল ১০টায় তাদের সার্জারি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ এ হাসান ও জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের কর্নিয়া ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল কাদের।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিন জামাল বলেন, তার বাবা রোটারী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। ডায়াবেটিসজনিত নানা জটিল রোগে ভুগে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
সারাহ, নন্দিতার পর মরণোত্তর অঙ্গদান জামালের
সারার পর মরণোত্তর দেহদান নন্দিতার, কর্নিয়া পেল আরও দুজন
মেডিক্যালের শিক্ষার্থীদের জন্য মরণোত্তর দেহদান স্কুলশিক্ষকের

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
No cure for Nipah virus Health Minister

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

বাদুড় থেকে সংক্রমিত নিপাহ ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমনটি জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

জাহিদ মালেক জানান, চলতি শীত মৌসুমে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত আটজনের মধ্যে পাঁচজনই মারা গেছেন। এরইমধ্যে আক্রান্তদের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হাসপাতালে ২০টি এবং মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ৫টি বেড চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে ও অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন থমকে যাবে, গরীব মানুষের ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। কারন ইতিপূর্বে বিএনপির আমলে আমরা তা দেখেছি।’

বিএনপি করোনাভাইরাসের টিকাবিরোধী প্রচারণা চলিয়েছিল উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছে। কাজেই আমরা নিরাপদে আছি। বিএনপি ভ্যাকসিনকে গঙ্গার জল বলেছিল।’

অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব কুমার সাহাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যতদিন, উন্নয়নও ততদিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে শাস্তি
চলতি শীতে নিপা ভাইরাসে ৮ জনের মধ্যে ৫ জনই মারা গেছেন
হাসপাতালেই চেম্বার করতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অন্তর্দ্বন্দ্ব নির্বাচনে হারার কারণ হতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
What is cancer and how to prevent it

ক্যানসার কী, কেন হয়, প্রতিরোধ কীভাবে

ক্যানসার কী, কেন হয়, প্রতিরোধ কীভাবে মানবদেহের কোষের কিছু কিছু অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে দেহের অন্য স্থানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে যে রোগ হয়, সেটিই ক্যানসার হিসেবে পরিচিত। ছবি: হার্ভার্ড গেজেট
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় বড় কারণ ক্যানসার, যে রোগে ২০১৮ সালে ৯৬ লাখের মতো প্রাণহানি হয়। অর্থাৎ সে বছর প্রতি ছয়জনের একজনের মৃত্যু হয় ক্যানসারে।

কোটি কোটি কোষ দিয়ে গঠিত মানবদেহ। এসব কোষের কিছু কিছু অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে দেহের অন্য স্থানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে যে রোগ হয়, সেটিই ক্যানসার হিসেবে পরিচিত। এ রোগের শুরু হতে পারে দেহের প্রায় সব প্রান্তে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় বড় কারণ ক্যানসার, যে রোগে ২০১৮ সালে ৯৬ লাখের মতো প্রাণহানি হয়। অর্থাৎ সে বছর প্রতি ছয়জনের একজনের মৃত্যু হয় ক্যানসারে।

এ ব্যাধি নিয়ে সচেতনতা তৈরির অংশ হিসেবে প্রতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন দেশে পালন হয় ‘বিশ্ব ক্যানসার দিবস’। গত বছরের মতো এবারও দিবসটির প্রতিপাদ্য ধরা হয় ‘ক্লোজ দ্য গ্যাপ’, যার সম্প্রসারিত অর্থ হলো ক্যানসার চিকিৎসায় ত্রুটি রাখা যাবে না।

এ দিবস শুরুর আলোচনা হয় ফ্রান্সের প্যারিসে ২০০০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত বিশ্ব ক্যানসার সম্মেলনে। সেদিনই প্রতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারিকে বিশ্ব ক্যানসার দিবস বা বিশ্ব ক্যানসার সচেতনতা দিবস বা বিশ্ব ক্যানসার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য নিয়ে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মাহফুজুল আহমেদ রিয়াদ নিউজবাংলাকে বলেন, “এবারের প্রতিপাদ্য যে বিষয়গুলোকে নিয়ে করা হয়েছে সেগুলো হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ শনাক্ত করা, চিকিৎসা শুরুর পর কোনো ত্রুটি না রাখা এবং ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশ্বের সবার জন্য একই ধরনের ব্যবস্থাপনা রাখা। সমষ্টিগতভাবে এগুলোর মূল ভাব হলো ‘ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ’।”

ক্যানসারকে মরণব্যাধি বলা হয়। সেটি কতটুকু সত্য, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে সব রোগই মরণব্যাধি যদি না সঠিক সময়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। ক্যানসারের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আছে। সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে সঠিক সময়ে চিকিৎসা দিলে এই রোগ নিরাময় সম্ভব।

‘শুধু ব্রেইন ক্যানসারের একটি বৈশিষ্ট্য আছে যেটি হলে রোগী দুই বছরের বেশি বাঁচে না। সেটার নাম গ্লিওব্লাস্টোমা। তা ছাড়া অন্য সব সঠিক সময়ে চিকিৎসা দিলে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘লাইফস্টাইলের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক খুব। যেমন: ধূমপানে ফুসফুস ক্যানসার, কিডনি, শ্বাসনালির ক্যানসার হতে পারে। আবার স্থুলতার জন্য ব্রেস্ট ক্যানসার হয়ে থাকে।

‘বাংলাদেশে সে রকম সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও গ্লোবোক্যান বৈশ্বিক অবস্থা নিয়ে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। সেই অনুযায়ী ২০২০ সালে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৭৫ জন রোগী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। আর ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯০ জন মারা যান।

‘২০২২ সালের আরেকটি পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ১০ শতাংশের জন্য দায়ী ক্যানসার। ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি ১৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।’

ক্যানসারের কারণ

বিভিন্ন কারণে ক্যানসার হতে পারে।

১. জেনেটিক বা বংশগত কারণ।

২. ধূমপানের কারণে বিভিন্ন ধরনের ধরনের ক্যানসার হতে পারে। এর মধ্যে ফুসফুস ক্যানসার অন্যতম।

৩. তেজস্ক্রিয়তা ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। যেমন: চেরনোবিল ও জাপানের নাগাসাকির পারমাণবিক বিস্ফোরণের অনেক বছর পরও সেখানে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

৪. কিডনি, পিত্তথলির পাথর ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী হতে পারে।

৫. জরায়ুর সার্ভিক্স বা বোনের দীর্ঘ সংক্রমণ থেকে জরায়ু ও বোনের ক্যানসার হতে পারে।

৬. রাসায়নিক বা কেমিক্যাল এজেন্ট। যেমন: এনিলিন ডাই মূত্রথলির ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে।

৭. খাদ্যে ব্যবহৃত ফরমালিন পাকস্থলির ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। একইভাবে চুলের কলব ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী হতে পারে।

উপসর্গ

একেক ধরনের ক্যানসারের একেক উপসর্গ থাকে, তবে কিছু সাধারণ উপসর্গ রয়েছে।

১. দীর্ঘদিন ধরে শরীরের কোনো অংশের ছোট একটি টিউমারের হঠাৎ পরিবর্তন।

২. শরীরে কোনো চাকা হঠাৎ বড় হচ্ছে দেখলে সতর্ক হতে হবে। সেটি ক্যানসার কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।

৩. কাশি ভালো হতে না চাইলে এবং ৪ সপ্তাহের বেশি হয়ে গেলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. হঠাৎ করে খাবারে অরুচি।

৫. মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ।

৬. শরীরে ব্যথা ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়া।

৭. মলত্যাগের অভ্যাসের হঠাৎ পরিবর্তন।

৮. নারীদের মেনোপোজের পর নতুন করে রক্তক্ষরণ।

প্রতিরোধ

এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মাহফুজুল আহমেদ রিয়াদ বলেন, ‘অনেক ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধযোগ্য নয়, তবুও নিয়ন্ত্রিত জীবনধারা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। যেমন: তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার থেকে বিরত থাকা, অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকা, অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে সতর্কতা গ্রহণ (যার মধ্যে রয়েছে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এবং সুরক্ষামূলক পোশাক পরা)। নিয়মিতভাবে সুপারিশকৃত ক্যানসার শনাক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং এইচপিভির টিকা গ্রহণ।’

চিকিৎসা

মাহফুজুল আহমেদ রিয়াদের ভাষ্য, যেকোনো ধরনের টিউমার হলেই সেটি অপসারণ করতে হবে। টিউমারটি মৃদু এবং সম্পূর্ণভাবে ফেলে দেয়া হলে ভয় নেই। এ ক্ষেত্রে সেটি আবার হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না।

তিনি আরও বলেন, ‘বায়োপসিতে ক্যানসার ধরা পড়লে প্রথম কাজ রোগীর স্টেজিং করা ও সেই অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি নির্বাচন করা। অনেক ক্ষেত্রেই সার্জারি করবার আগে কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই ক্যানসার শনাক্ত হলেই সর্বপ্রথম একজন ক্যানসার বিশেষজ্ঞের স্মরণাপন্ন হোন ও সঠিক চিকিৎসা নিন। মনে রাখবেন, ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

আরও পড়ুন:
ক্যানসার চিকিৎসায় মেডিক্যাল ফিজিসিস্টদের কাজে লাগানোর আহ্বান
বিশ্ব ওভারিয়ান ক্যানসার দিবস: লজ্জা যেন না হয় ক্ষতির কারণ
ক্যানসারের ঝুঁকি থাকা ওষুধ সরাচ্ছে ফাইজার
কম বয়সী ফুসফুস ক্যানসার রোগী বাড়ছে
জেলা-উপজেলায় বিনা মূল্যে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের সুযোগ

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Request to prepare Nipah virus ICU in 28 districts

২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাস, আইসিইউ প্রস্তুত রাখার অনুরোধ

২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাস, আইসিইউ প্রস্তুত রাখার অনুরোধ প্রতীকী ছবি
সম্প্রতি সচিবালয়ে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত আটজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর হার শতকরা ৭০ শতাংশ।

নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে দেশের ২৮টি জেলায়। এ পরিস্থিতিতে রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে ১০ বেডের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শেখ দাউদ আদনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ নির্দেশ দেয়া হয়।।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের ২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়ায় ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড এবং ১০ বেডের আইসিইউ প্রস্তুত রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।

২০০১ সালে দেশে প্রথম নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়। ২০২২ সাল পর্যন্ত সরকারিভাবে ৩২৫ জনের দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৩০ জনের। গত বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজই মারা গেছেন।

সম্প্রতি সচিবালয়ে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত আটজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর হার শতকরা ৭০ শতাংশ।

১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় প্রথম নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। সংক্রমণের উৎস ছিল নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত অসুস্থ শূকর। নিপাহ ভাইরাস প্রাণী থেকে বিশেষ করে বাদুড় ও শূকর থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়ে থাকে।

আক্রান্ত বাদুড় কোনো ফল খেলে বা খেজুরের রস পান করলে এটির লালা, প্রস্রাব বা অন্যান্য বর্জ্য দিয়ে সরাসরি সেই ফল বা খেজুরের রস দূষিত হয়ে যায়। কেউ সেই ফল বা কাঁচা খেজুরের রস পান করলে তিনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। এ ছাড়া আক্রান্তের সরাসরি সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিও এতে আক্রান্ত হতে পারেন।

মন্তব্য

স্বাস্থ্য
Jamals posthumous organ donation after Sarah Nandita

সারাহ, নন্দিতার পর মরণোত্তর অঙ্গদান জামালের

সারাহ, নন্দিতার পর মরণোত্তর অঙ্গদান জামালের
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের কাছে ম্যাজাদাহোন্দায় পুয়ের্তা দি হিয়েরো ইউনিভার্সিটি হসপিটালে দাতার কাছ থেকে সংগৃহীত হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের আগে রোগীকে প্রস্তুত করছেন দুই কার্ভিওভাসকুলার সার্জন। ছবি: এএফপি
জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিন জামাল বলেন, তার বাবা রোটারী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। ডায়াবেটিসজনিত নানা জটিল রোগে ভুগে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

রাজধানীতে সারাহ ইসলাম ও নন্দিতা বড়ুয়ার মরণোত্তর দেহদান নিয়ে আলোচনার মধ্যে জামাল উদ্দিন নামের আরেকজনের অঙ্গদানের খবর পাওয়া গেল, যিনি থাকতেন মিরপুরে।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ৬২ বছর বয়সে প্রাণ হারানো জামালের দুটি কর্নিয়া সংগ্রহ করে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিন জামাল বলেন, তার বাবা রোটারী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। ডায়াবেটিসজনিত নানা জটিল রোগে ভুগে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

জাহিন আরও জানান, এক মাস আগে অসুস্থ অবস্থায় পরিবারকে মরণোত্তর দেহদানের কথা জানিয়েছিলেন তার বাবা। তার দুটি কর্নিয়া কারা পাবেন, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জামালের কর্নিয়া সংগ্রহের আগের দিন বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অ্যানাটমি বিভাগের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ ঢাকার বাসাবোর বাসিন্দা নন্দিতা বড়ুয়ার মরণোত্তর দেহ গ্রহণ করেন।

বিএসএমএমইউর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নন্দিতা বড়ুয়ার মৃত্যু হয় ৩০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত জটিল রোগে ভুগছিলেন। কিডনি রোগের পাশাপাশি এসএলই ও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত ছিলেন। মরণোত্তর দেহদানের বিষয়ে সন্তানদের বলে গিয়েছিলেন তিনি।

গত ৩১ জানুয়ারি আবদুল আজিজের চোখে বিএসএমএমইউর চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শীষ রহমান নন্দিতার একটি কর্নিয়া সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেন। একই দিনে প্রতিষ্ঠানের অপথালমোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাজশ্রী দাস আরেকটি কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করেন জান্নাতুল ফেরদৌসির চোখে।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি মরণোত্তর অঙ্গদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন ২০ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী সারাহ ইসলাম।

তার দুটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় দুই নারীর শরীরে। আর কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয় আরও দুজনের চোখে।

আরও পড়ুন:
সারার পর মরণোত্তর দেহদান নন্দিতার, কর্নিয়া পেল আরও দুজন
মেডিক্যালের শিক্ষার্থীদের জন্য মরণোত্তর দেহদান স্কুলশিক্ষকের

মন্তব্য

p
উপরে