× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রেস-জেন্ডার
Voting at 18 is discriminatory New Zealand court
google_news print-icon

১৮-তে ভোট দেয়া ‘বৈষম্যমূলক’: নিউজিল্যান্ডের আদালত

নিউজিল্যান্ড
ভোট দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের ভোটাররা। ছবি: সংগৃহীত
নিউজিল্যান্ড আদালতের এ রুলের পর এখন ইস্যুটি আলোচনার জন্য পার্লামেন্টে উত্থাপিত হবে। সেখানে পার্লামেন্ট সিলেক্ট কমিটি দ্বারা বিষয়টি পর্যালোচিত হতে হবে। কিন্তু এই রুল নিউজিল্যান্ডের সর্বনিম্ন ভোটের বয়স পাল্টাতে বাধ্য করতে পারবে না।

১৮ বছর হলে একজন ভোটার ভোট দিতে পারেন... বিষয়টিকে ‘বৈষম্যমূলক’ বলছে নিউজিল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট আদালত। সোমবার এ রুল দেয়া হয়।

‘মেক ইট সিক্সটিন’ নামের একটি সংগঠন ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের ভোটের অধিকার দেয়ার দাবিতে ২০২০ সালে একটি মামলাটি করেছিল।

রুলের পর মেক ইট সিক্সটিন-এর সহকারী পরিচালক ক্যাডেন টিপলার বলেন, এটি ইতিহাস সৃষ্টিকারী ঘটনা।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো যেসব বিষয় তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলে সেসব বিষয়ে তাদের ভোট দিতে পারা উচিত।

আদালতের এ রুলের পর ইস্যুটি এখন আলোচনার জন্য পার্লামেন্টে উত্থাপিত হবে। পার্লামেন্ট সিলেক্ট কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করবে এখন। যদিও এই রুল নিউজিল্যান্ডের সর্বনিম্ন ভোটের বয়স পাল্টাতে বাধ্য করতে পারবে না।

আদালতের রুলের পর বয়স কমানোর বিষয়টি আইনসভায় তুলতে দ্রুত একটি খসড়া প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন।

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ভোটারদের বয়স কমানোর পক্ষে। আমার সরকারের জন্য এটা কোনো বিষয়ই না। যেকোনো ইলেক্টোরাল আইন অনুমোদন করাতে হলে ৭৫ শতাংশ সংসদ সদস্যের সমর্থন থাকা দরকার।’

নিউজিল্যান্ডের সবগুলো রাজনৈতিক দল ভোটারদের সর্বনিম্ন বয়স কমানোর পক্ষে না। নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম বিরোধীদল ন্যাশনাল পার্টিও এই দাবিকে সমর্থন করে না।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রেস-জেন্ডার
Indian technical team is coming to Dhaka to discuss Teesta

তিস্তা নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় আসছে ভারতের কারিগরি দল

তিস্তা নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় আসছে ভারতের কারিগরি দল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে শনিবার নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
মোদি বলেন, “দুই দেশে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। বন্যা ব্যবস্থাপনা, আগাম সতর্কীকরণ, সুপেয় পানি প্রকল্পে আমরা সহযোগিতা করে আসছি। ১৯৯৬ সালের ‘গঙ্গা পানি চুক্তি’ নবায়নের জন্য কারিগরি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

তিস্তা নদী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আলোচনা করতে ভারতের একটি কারিগরি দল শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক এবং দ্বিপক্ষীয় প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবি

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘সবুজ অংশীদারত্ব, ডিজিটাল অংশীদারত্ব, সুনীল অর্থনীতি এবং মহাকাশের মতো অনেক ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে সম্পাদিত চুক্তির ফলে উভয় দেশই উপকৃত হবে। আমরা যোগাযোগ, বাণিজ্য ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।’

তিনি বলেন, “দুই দেশে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। বন্যা ব্যবস্থাপনা, আগাম সতর্কীকরণ, সুপেয় পানি প্রকল্পে আমরা সহযোগিতা করে আসছি। ১৯৯৬ সালের ‘গঙ্গা পানি চুক্তি’ নবায়নের জন্য কারিগরি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন থেকে শুরু করে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণসহ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে বিশদ আলোচনা হয়েছে।

সন্ত্রাস দমন, উগ্রবাদ হ্রাস ও সীমান্তের শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

মোদি বলেন, ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার বাংলাদেশ এবং তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।

এসময় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

মোদি বলেন, ‘সোনার বাংলায় নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাই।’

তিনি বলেন, নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ভারত একটি ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি প্রস্তুত করেছে।

আরও পড়ুন:
পারস্পরিক সহযোগিতায় ঢাকা-দিল্লির মধ্যে ১০ চুক্তি সই
বাংলাদেশিদের জন্য ই-মেডিক্যাল ভিসা চালু করবে ভারত: মোদি
উভয় দেশের কল্যাণে সহযোগিতার বিষয়ে একমত ঢাকা-দিল্লি: শেখ হাসিনা
বৈঠকে হাসিনা-মোদি
মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Russia willing to talk with US over security concerns Kremlin

নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় রাজি রাশিয়া: ক্রেমলিন

নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় রাজি রাশিয়া: ক্রেমলিন ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। ছবি: সংগৃহীত
পেসকভ বলেন, এই ধরণের সংলাপ ব্যাপক ও বিস্তৃত পরিসরে হওয়া বাঞ্ছনীয়। এছাড়া বর্তমান ইউক্রেন সংকট এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার মতো যাবতীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।

বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বসতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া।

শুক্রবার ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ একথা জানান।

তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে (এ বিষয়ে) সংলাপের জন্য প্রস্তুত। তবে তিনি শুধু ইতিবাচক সংলাপ করতে চান।’

‘সমস্যাগুলো আস্তে আস্তে বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা স্থাপনের স্বার্থে এই ধরনের আলোচনা প্রয়োজন।’

পেসকভ বলেন, এই ধরণের সংলাপ ব্যাপক ও বিস্তৃত পরিসরে হওয়া বাঞ্ছনীয়। এছাড়া বর্তমান ইউক্রেন সংকট এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার মতো যাবতীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।

চীনের সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাত দিয়ে ইউএনবি জানিয়েছে, এই ধরনের আলোচনা তৃতীয় কোনো দেশের জন্য হুমকিস্বরূপ নয় বলেও উল্লেখ করেছেন পেসকভ।

তিনি বলেছেন, শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই আলোচনায় বসতে চায় রাশিয়া।

আরও পড়ুন:
কী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে
প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করতে উত্তর কোরিয়ায় পুতিন
লাখ লাখ অভিবাসী স্বামী-স্ত্রীকে বৈধতা দিতে বাইডেনের আদেশ
যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তার ফল ভোগ করতে হবে চীনকে: নেটো প্রধান

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
10 agreements signed between Dhaka Delhi on mutual cooperation

পারস্পরিক সহযোগিতায় ঢাকা-দিল্লির মধ্যে ১০ চুক্তি সই

পারস্পরিক সহযোগিতায় ঢাকা-দিল্লির মধ্যে ১০ চুক্তি সই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শনিবার নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১০টি সমঝোতা স্মারক ও নথি স্বাক্ষরিত হয়। ছবি: ফোকাস বাংলা
নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে দুটি অভিন্ন অংশিদারত্ববিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গিসহ পাঁচটি নতুন সমঝোতা স্মারক সই এবং তিনটি পুরোনো সমঝোতা স্মারক নবায়ন করা হয়েছে।

বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে তিনটি সমঝোতা স্মারক নবায়নসহ ১০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করেছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি। এর মধ্যে রয়েছে- ব্লু ইকোনমি, সমুদ্রবিজ্ঞান গবেষণা, মৎস্য, দুর্যোগ ও স্বাস্থ্য, মহাকাশ ও সামরিক শিক্ষা।

নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে দুটি অভিন্ন অংশিদারত্ববিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গিসহ পাঁচটি নতুন সমঝোতা স্মারক সই এবং তিনটি পুরোনো সমঝোতা স্মারক নবায়ন করা হয়েছে। খবর ইউএনবি

নতুন সাতটি চুক্তির মধ্যে দুটি হলো- ভারত-বাংলাদেশ ডিজিটাল অংশীদারত্বের দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় এবং টেকসই ভবিষ্যতের জন্য ভারত-বাংলাদেশ সবুজ অংশীদারত্বের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।

অন্য পাঁচটি নতুন চুক্তি হচ্ছে- বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ব্লু ইকোনমি এবং মেরিটাইম কো-অপারেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও ভারত সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক; ভারত মহাসাগরের সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ে যৌথ গবেষণার জন্য বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ওআরআই) এবং ভারতের কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের (সিএসআইআর) মধ্যে সমঝোতা স্মারক; ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক; যৌথ উদ্যোগে ক্ষুদ্র উপগ্রহ প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য ভারতের ন্যাশনাল স্পেস প্রমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার (ইন-স্পেস) ও বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক এবং প্রতিরক্ষা স্টাফ কলেজগুলোর মধ্যে অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা সম্পর্কিত সমঝোতাপত্র।

তিনটি নবায়ন করা স্মারক হচ্ছে- মৎস্য খাতে সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সমঝোতা স্মারক এবং স্বাস্থ্য ও ওষুধ ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য সমঝোতাপত্র।

অভিন্ন অংশিদারত্ববিষয়ক সামুদ্রিক সহযোগিতা ও ব্লু ইকোনমি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক, স্বাস্থ্য ও ওষুধ বিষয়ে নতুন সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা।

যৌথ কৃত্রিম উপগ্রহ প্রকল্প বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইও ড. শাহজাহান মাহমুদ এবং ভারতের মহাকাশ বিভাগের সচিব এস সোমনাথ।

এছাড়া, রেলওয়ে কানেক্টিভিটি বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশের রেলওয়ে সচিব ড. হুমায়ুন কবির এবং ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারপারসন জয়া সিনহা।

সমুদ্র বিজ্ঞান খাতে সহযোগিতার জন্য দুটি সমঝোতা স্মারক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মৎস্য খাতে সহযোগিতার জন্য দুটি নতুন এমওইউ বিনিময় করেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

কৌশলগত ও অপারেশনাল স্টাডিজের ক্ষেত্রে সামরিক শিক্ষা বিষয়ে সহযোগিতার জন্য ডিএসএসসি, ওয়েলিংটন ও ডিএসসিএসসি মিরপুরের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশিদের জন্য ই-মেডিক্যাল ভিসা চালু করবে ভারত: মোদি
উভয় দেশের কল্যাণে সহযোগিতার বিষয়ে একমত ঢাকা-দিল্লি: শেখ হাসিনা
মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা
ভারতে রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
22 killed in attack near Gaza office of Red Cross

রেডক্রসের গাজা অফিসের কাছে হামলায় নিহত ২২

রেডক্রসের গাজা অফিসের কাছে হামলায় নিহত ২২
কারা এই শক্তিশালী রকেট হামলা চালিয়েছে আইসিআরসি তা জানায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এক্স-এ একটি বিবৃতিতে বলেছে, শেলগুলো ‘আইসিআরসি অফিসের কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে’।

রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি (আইসিআরসি) বলেছে, তাদের গাজা অফিসের পাশে রকেট হামলায় শুক্রবার ২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে গাজা অফিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অফিস ঘিরে তাঁবুতে বসবাসকারী শত শত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছেন।

কারা এই শক্তিশালী রকেট হামলা চালিয়েছে আইসিআরসি তা জানায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এক্স-এ একটি বিবৃতিতে বলেছে, শেলগুলো ‘আইসিআরসি অফিসের কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে’।

এতে বলা হয়েছে, হামলার পর ২২ জনের মরদেহ এবং আহত ৪৫ জনকে কাছাকাছি একটি রেডক্রস ফিল্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে ‘আরও হতাহতের খবর’ রযেছে।

হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গোলাবর্ষণে ২৫ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছে। তারা ইসরায়েলকে এই হামলার জন্য দায়ী করেছে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, আইসিআরসি ঘাঁটির আশেপাশে অবস্থিত ‘আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের তাঁবু লক্ষ্য করে ইসরায়েল এই হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন মুখপাত্র এই ঘটনায় কোনো ভূমিকা স্বীকার করেন নি তবে বলেছেন যে এটি ‘পর্যালোচনাধীন’।

মুখপাত্র এএফপিকে বলেছেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আল-মাওয়াসির মানবিক এলাকায় আইডিএফ-এর হামলা চালানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। ঘটনাটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’

আইসিআরসি বলেছে’ ‘শুক্রবার বিকেলে রেডক্রসের ইন্টারন্যাশনাল কমিটির অফিস ও বাসভবনের কয়েক মিটারের মধ্যে ভারী-ক্যালিবার প্রজেক্টাইল অবতরণ করেছে।’

সংস্থাটি বলেছে, ‘মানবিক কাঠামোর কাছাকাছি এত বিপজ্জনকভাবে হামলা চালানো হয়,যা বেসামরিক নাগরিক এবং রেডক্রস কর্মীদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, আইসিআরসি অবস্থান সম্পর্কে সংঘাতের পক্ষগুলো সচেতন এবং যেগুলো রেড ক্রসের প্রতীক দিয়ে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’ সূত্র: বাসস

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
What is going on between the US and Israel?

কী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে

কী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে
ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এই মন্তব্যগুলো গভীরভাবে হতাশাজনক এবং অবশ্যই আমাদের জন্য বিরক্তিকর। আমাদের যে পরিমাণ সমর্থন রয়েছে এবং প্রদান করা অব্যাহত থাকবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন এবং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

হোয়াইট হাউস বৃহস্পতিবার এই পরিস্থিতিকে ‘উদ্বেগজনক’ এবং ‘হতাশাজনক’ বলে বর্ণনা করেছে।

এ ইস্যুটি শুরু হয়েছিল যখন নেতানিয়াহু এই সপ্তাহের শুরুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দাবি করেন, ইসরায়েলের প্রধান সামরিক সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তার দেশ থেকে ‘অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ আটকে রেখেছে।’ এর পরই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এই মন্তব্যগুলো গভীরভাবে হতাশাজনক এবং অবশ্যই আমাদের জন্য বিরক্তিকর। আমাদের যে পরিমাণ সমর্থন রয়েছে এবং প্রদান করা অব্যাহত থাকবে।’

কিরবি বলেন, ‘হামাসের হুমকির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আত্মরক্ষায় খুব স্পষ্টভাবে বলতে গেলে এই অঞ্চলে দেশটি যে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে সে ক্ষেত্রে অন্য কোনো দেশ সাহায্য করছে না।’

আগের দিন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জেন-পিয়েরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা সত্যিকার অর্থে জানি না তিনি কী বিষয়ে কথা বলছেন।’

‘একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রশস্ত্রের চালান’ বাদ দিয়ে জেন-পিয়ের বলেন, ‘এখানে অন্য কোনো অস্ত্র সরবরাহের বিরতি নেই। কোনোটিই নয়।’

২ হাজার পাউন্ড বোমার একটি চালানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগের কারণ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার পরে দ্বিগুণ ক্ষোভ প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হওয়ার জন্য প্রস্তুত। যদিও ইসরায়েল আমেরিকার কাছ থেকে তার অস্তিত্বের জন্য যুদ্ধের প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ পায়।

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি সরকার প্রধান এবং বাইডেনের প্রশাসনের মধ্যে এই বিরোধ প্রথম নয়। বাইডেন এর আগে দক্ষিণ গাজার রাফাহতে একটি বড় ইসরায়েলি অভিযানের কঠোর বিরোধিতা করেছিলেন। সেখানে এক মিলিয়নেরও বেশি বেসামরিক লোক ছিল এবং তার সতর্কতা না মানলে কিছু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার হুমকি দিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন লেবাননে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছেন। হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে কয়েক ডজন রকেট নিক্ষেপের সাথে একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে বলেছে, ওয়াশিংটনে শীর্ষস্থানীয় ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকের সময় ব্লিঙ্কেন ‘লেবাননে আরও উত্তেজনা এড়াতে এবং একটি কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। যাতে ইসরায়েলি ও লেবাননের পরিবারগুলোকে তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারে।’

হামাস শাসিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গাজায় ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক আক্রমণে কমপক্ষে ৩৭ হাজার ৪৩১ জন নিহত হয়েছে। এদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
9 deaths due to floods in China warning issued

চীনে বন্যায় ৯ মৃত্যু, সতর্কতা জারি

চীনে বন্যায় ৯ মৃত্যু, সতর্কতা জারি
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য চীনের হেনান ও আনহুই প্রদেশের পাশাপাশি উপকূলের জিয়াংসু প্রদেশ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় গুইঝৌ প্রদেশে শিলাবৃষ্টি ও শক্তিশালী বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডং প্রদেশের গ্রামীণ এলাকায় বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট স্মরণকালের বন্যায় ৯ জন মারা গেছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৬ জন।

বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় শুক্রবার সকালে অন্যান্য স্থানেও সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার রাতে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, গুয়াংডংয়ের মেইঝৌ শহরের মেক্সিয়ান জেলায় ৪ জন নিহত ও ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। মেইঝৌ প্রদেশের জিয়াওলিং কাউন্টিতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

সিসিটিভি জানিয়েছে, রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সবচেয়ে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে দেশটিতে। এতে গাছ উপড়ে পড়াসহ ভেঙে পড়েছে বাড়িঘর। ভারী বৃষ্টিপাতের সময় মেক্সিয়ান জেলার একটি প্রধান সংযোগ সড়ক পুরোপুরি ধসে পড়েছে। মেইঝৌয়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সোংইয়ুয়ান নদীতে সবচেয়ে বড় মাত্রার বন্যা দেখা গেছে বলে টেলিভিশন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এই বন্যার ফলে জিয়াওলিং কাউন্টিতে আনুমানিক ৩ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ইউয়ান (৫০২ মিলিয়ন ডলার) এবং মেক্সিয়ান জেলায় ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ইউয়ান (১৪৬ মিলিয়ন ডলার) সরাসরি অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র(এনএমসি) দক্ষিণের বেশ কয়েকটি প্রদেশ এবং উত্তরের কয়েকটি পৃথক জায়গায় সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য অংশেও আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাত এবং চরম আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হবে বলেও উল্লেখ করেছে এনএমসি।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মধ্য চীনের হেনান ও আনহুই প্রদেশের পাশাপাশি উপকূলের জিয়াংসু প্রদেশ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় গুইঝৌ প্রদেশে শিলাবৃষ্টি ও শক্তিশালী বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, হেনান, আনহুই ও হুবেই প্রদেশে একদিনে ৫০ মিলিমিটার থেকে ৮০ মিলিমিটার (১ দশমিক ৯ থেকে ৩ দশমিক ১৪ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

গত সপ্তাহে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফুজিয়ান ও গুয়াংজি প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে ভূমিধস ও বন্যা দেখা দেয়। গুয়াংজিতে বৃষ্টিতে ভরে ওঠা নদীতে পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সূত্র: ইউএনবি

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
The number of pilgrims who have died in Saudi has exceeded a thousand

সৌদিতে মারা যাওয়া হজযাত্রীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

সৌদিতে মারা যাওয়া হজযাত্রীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে ছবি: সংগৃহীত
মারা যাওয়া হজযাত্রীদের বড় অংশই অনিবন্ধিত। তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষায় সৌদি সরকারের দেয়া সুবিধা থেকে অনিবন্ধিতরা বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া পবিত্র হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। তাই মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের সময় তীব্র তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে হজযাত্রী মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। মারা যাওয়া এসব হজযাত্রীর অর্ধেকেরও বেশি অনিবন্ধিত ছিলেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে।

সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যাগত ওই টালি করেছে বার্তা সংস্থাটি। সেই টালির স্শেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, হজ পালনের সময় মৃতদের তালিকায় বৃহস্পতিবার নতুন করে মিসরের আরও ৫৮ হজযাত্রীর নাম যুক্ত হয়েছে।

আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন কূটনীতিক এএফপিকে বলেছেন, হজ পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো সহস্রাধিক হজযাত্রীর মধ্যে কেবল মিসরেরই নাগরিক আছেন ৬৫৮ জন।

সৌদিতে মারা যাওয়া মিসরীয়দের প্রায় ৬৩০ জনই অবৈধভাবে হজ করতে গিয়েছিলেন। যে কারণে তারা প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদি সরকার, সেসব থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা হজযাত্রীরা এবার থাকা-খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধা পাননি।

চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে ১৪ জুন। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। বুধবারও মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি আরবে গেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তা ছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

এ ছাড়া পবিত্র হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন- এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজের সময় পদদলন, তাঁবুতে অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় গত ৩০ বছরে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যে কারণে হজের আনুষ্ঠানিকতা নিরাপদে সম্পন্ন ও হজযাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে নতুন অবকাঠামো তৈরি করতে বাধ্য হয়েছে সৌদি সরকার।

তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চরম তাপদাহ থেকে হজযাত্রীদের রক্ষা করতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

ট্রাভেল অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালের চলতি বছরের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা তাপ প্রশমনের প্রচলিত কৌশলগুলোকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্সের ২০১৯ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৌদি আরবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় হজযাত্রীরা ভবিষ্যতে ‌‌‘চরম বিপদের’ সম্মুখীন হবেন।

সৌদির এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দেশটিতে প্রত্যেক দশকে আঞ্চলিক তাপমাত্রা গড়ে শূন্য দশমিক ৪ সেন্টিগ্রেড হারে বাড়ছে এবং প্রশমন ব্যবস্থা নেয়ার পরও তাপদাহ পরিস্থিতি ক্রমাগতভাবে খারাপ আকার ধারণ করছে।

আরও পড়ুন:
সৌদিতে মারা যাওয়া বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ১১৭

মন্তব্য

p
উপরে