× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রেস-জেন্ডার
Afghans dont want to send girls to school Taliban minister claims
hear-news
player
google_news print-icon

মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি

মেয়েদের-স্কুলে-পাঠাতে-চায়-না-আফগানরাই-তালেবান-মন্ত্রীর-দাবি--
উরুজগান প্রদেশের বাসিন্দারা মেয়েদের স্কুলে পাঠানোতে অভ্যস্ত। ছবি: সংগৃহীত
উরুজগান প্রদেশ সফরকালে আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির দাবি করেছেন, আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষই তাদের মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না। তবে উরুজগানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা তাদের মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে অভ্যস্ত। সরকার অনুমতি দিলেই মেয়েরা স্কুলে যাবে।

আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, দেশটির মানুষ চায় না বর্তমান পরিস্থিতিতে আফগান মেয়েরা স্কুলে পড়ুক।

দেশটির উরুজগান প্রদেশ পরিদর্শনকালে এমনটাই বলেছেন তালেবান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির।

মুনিরের মতে, সাংস্কৃতিক সীমাবদ্ধতার কারণে ষষ্ঠ শ্রেণির ওপরের মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলগুলো বন্ধ রয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, আরও ভালো পরিবেশ তৈরি হলে ষষ্ঠ শ্রেণির ওপরের মেয়েরাও পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি
তালিবান সরকারের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল্লাহ মুনির

ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে এই মসজিদে কতজন লোক তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে ইচ্ছুক, তাহলে আমাকে একই প্রশ্ন (মেয়েদের শিক্ষাসংক্রান্ত) জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন হবে না। আপনি এবং আমি উভয়ই একই আফগান সমাজ ও সংস্কৃতিতে বড় হয়েছি। সবার কাছে তা পরিষ্কার।’

যদিও উরুজগানের অনেক বাসিন্দাই বলেছেন, ইসলামিক আমিরাত অনুমতি দিলে তারা তাদের মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে প্রস্তুত।

বাসিন্দারা বর্তমান সরকারকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেয়েদের স্কুলগুলো পুনরায় চালু করার অনুরোধ করেছেন।

উরুজগানের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি জাভিদ খপলওয়াক বলেন, ‘আমি মনে করি যে মন্ত্রী কাবুল থেকে এসেছেন এবং তিনি আমাদের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না, কারণ তিনি কাবুল থেকে এসেছেন। উরুজগানের মানুষ চায় তাদের মেয়েরা স্কুলে ফিরে যাক। তারা আগে স্কুলে যেত।’

রাজ্যের আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ ওয়ালি সামসোর বলেন, ‘যে স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে সেগুলো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবার চালু করা উচিত, কারণ এটা জনগণের দাবি।’

গত জুলাইয়ে ইসলামিক আমিরাত আফগানিস্তানের ধর্মীয় পণ্ডিতদের প্রধান শেখ ফকিরুল্লাহ ফাইক বলেছিলেন, ইসলামিক আমিরাতের সর্বোচ্চ নেতা মাওলাবী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা ষষ্ঠ শ্রেণির ঊর্ধ্বে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল পুনরায় খোলার বিপক্ষে নন।

মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চায় না আফগানরাই, তালেবান মন্ত্রীর দাবি
আফগানিস্তানের ধর্মীয় পণ্ডিতদের প্রধান শেখ ফকিরুল্লাহ ফাইক

ফকিরুল্লাহ ফাইক দাবি করেছিলেন, মেয়েদের স্কুলগুলো পুনরায় খোলায় দেরি হওয়ার একমাত্র কারণ হলো, তালেবান চাচ্ছে পুরুষ ও নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুম আলাদা করতে।

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘শিগগিরই মেয়েদের জন্য স্কুলগুলো আবার চালু হবে। আমাদের সব মন্ত্রী ও নেতারা এ বিষয়ে একমত।’

তালেবানের পক্ষ থেকে এর আগে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণ স্থগিত করে দেয়া হয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীদের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত পরিবেশের অভাব থাকার কারণেই এমন পদক্ষেপ বলে জানায় তালেবান।

যদিও ইসলামিক আমিরাতের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছিলেন, ধর্মীয় সমস্যার কারণে মেয়েদের স্কুল বন্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই
কাবুল বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২১
কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ, অনেক হতাহত
এশিয়া কাপে পুরো শক্তি নিয়েই যাচ্ছে আফগানিস্তান
রাশিদ খানের নৈপুণ্যে সিরিজে সমতা ফেরাল আফগানিস্তান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রেস-জেন্ডার
19 killed in an explosion at an educational center in Kabul

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯ কাবুল শহরের বিভিন্ন ভবন। ছবি: সংগৃহীত
হামলাস্থল দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। সর্বশেষ হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শুক্রবার একটি শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অনেকে।

শহরের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলার সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থলে গেছে নিরাপত্তা দল।

তিনি বলেন, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

দাশত-ই-বারচি এলাকায় বেশ কিছু হামলা হয়েছে। এসব হামলার শিকার হয়েছে স্কুল ও হাসপাতাল।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Afghan women are also on the streets to show solidarity with the Iran protests

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায় কাবুলে ইরানি দূতাবাদের সামনে বিক্ষোভ করছেন আফগান নারীরা। ছবি: সংগৃহীত
‘ইরান ঘুরে দাঁড়াল, এখন আমাদের পালা’, ‘মাহসার রক্ত ​​আমাদের পথ, আমাদের অনুপ্রেরণা’... স্লোগানে অন্তত ৩০ নারী কাবুলের ইরানি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন।

ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে চলা বিক্ষোভের ঢেউ লেগেছে আরেক রক্ষণশীল দেশ আফগানিস্তানে। তালেবানের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার কাবুলে বিক্ষোভ করেছেন নারীরা। একপর্যায়ে ফাঁকা গুলিতে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় দেশটির শাসকগোষ্ঠী তালেবান।

‘ইরান ঘুরে দাঁড়াল, এখন আমাদের পালা’, ‘মাহসার রক্ত ​​আমাদের পথ, আমাদের অনুপ্রেরণা’... স্লোগানে অন্তত ৩০ নারী ইরানি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন।

পরিচয় গোপন রাখতে সবার পরনে ছিল বোরকা, চোখে সানগ্লাস, কারও মুখে মাস্ক। তাদের হাতে ছিল ২২ বছরের কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির ছবি।

মাহসা আমিনিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তেহরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’ গ্রেপ্তার করে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তেহরানে ঘুরতে আসা মাহসাকে একটি মেট্রো স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সঠিকভাবে হিজাব করেননি।

পুলিশ হেফাজতে থাকার সময়েই মাহসা অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর তিনি কোমায় চলে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মাহসাকে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর তাকে পেটানো হয়।

ইরান বিক্ষোভে সংহতি জানাতে আফগান নারীরাও রাস্তায়
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান মাহসা আমিনি

মাহসার মৃত্যুর পর রাস্তায় বিক্ষোভের পাশাপাশি ফেসবুক ও টুইটারে #mahsaamini এবং #Mahsa_Amini হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে চলছে প্রতিবাদ। নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের মধ্যেও ইরানের অন্তত ৮০ শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিকরা ইরানি নারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

কাবুলের দূতাবাস এলাকার এক দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘নারীর স্বাধীনতা চাওয়ার পাশাপাশি ইরান সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল বিক্ষোভকারীরা। একসময় তালেবানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের সামনে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যে নারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।’

অন্যসব দিনের মতো বৃহস্পতিবারও কাবুলের ইরানি দূতাবাসের সামনে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন ছিল। এসবের মধ্যেও তালেবান সমাবেশের অনুমতি দিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, প্রতিবেশী দেশে আফগান শরণার্থীদের নিপীড়নের প্রতিবাদে সমাবেশ করতে যাচ্ছেন নারীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তালেবান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম তারা ইরানে সহিংস আচরণের শিকার আফগান অভিবাসীদের পক্ষে প্রতিবাদ করছে। হঠাৎ বুঝতে পারলাম তারা ইরানি মেয়েটির জন্য প্রতিবাদ করছে। তাই আমাদের সহকর্মীরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।’

গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে আসার পর নিজেদের অধিকারের দাবিতে বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ করেছে নারীরা। শাসকদের দমন-পীড়নের কারণে এসবের বেশির ভাগই হয়েছে ঘরোয়াভাবে।

আফগান নারীদের দাবি, তাদের কর্মক্ষেত্র এবং হাইস্কুলে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হোক। তালেবানরা মেয়েদের জন্য হাইস্কুল নিষিদ্ধ করেছে। অন্যদিকে আফগান নারীরাও তাদের পুরো শরীর ঢেকে রাখতে বাধ্য। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া কোথাও ভ্রমণ কর‍তে পারে না তারা।

এসব বিধিনিষেধের বেশির ভাগই তালেবানের প্রথম শাসনের পুনরাবৃত্তি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান শাসন করেছে তালেবান। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার শুরুর দিকে নারীর প্রতি মনোভাব বদলানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা। তবে ক্ষমতায় পোক্ত হওয়ার পর স্বরূপে ফিরতে শুরু করে তালেবান।

আরও পড়ুন:
ইরান বিক্ষোভের পরিণতি কী?
নারী কোন পোশাক পরবে, সে সিদ্ধান্ত নারীর: মালালা
ইরানে গুলির মুখেও বিক্ষোভকারীরা অটল, নিহত বেড়ে ৭৬
ইরানের নৈতিকতা পুলিশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কানাডার নিষেধাজ্ঞা
ইরানে মাহসার পর এবার বিদ্রোহের প্রতীক হাদিস নাজাফি

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Suicide attack in front of Russian embassy in Kabul kills 8

কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮

কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮ কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে হামলায় ২ রুশ নাগরিকসহ ৮ জন নিহত হন। ছবি: সংগৃহীত
কাবুলভিত্তিক সাংবাদিক নাজিব লালজয় বলেন, ‘এটি (বিস্ফোরণ) আসলে দূতাবাসের কাছে ঘটেছিল। সেখানে রাশিয়ান ভিসার আবেদন করার জন্য অনেক মানুষ জড়ো হয়েছিল।’

আফগানিস্তানের কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের দুইজন রাশিয়ার নাগরিক। কাবুলের দক্ষিণ-পশ্চিমে দারুল আমান এলাকায় সোমবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিস্ফোরণটি হয়।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে এসব জানিয়েছে। এতে বলা হয়, হামলায় কূটনৈতিক মিশনের দুই কর্মী নিহত হয়েছেন। আফগান নাগরিকরাও হামলায় শিকার হয়েছেন।

কাবুলভিত্তিক সাংবাদিক নাজিব লালজয় বলেন, ‘এটি (বিস্ফোরণ) আসলে দূতাবাসের কাছে ঘটেছিল। সেখানে রাশিয়ান ভিসার আবেদন করার জন্য অনেক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।’

হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

পুলিশ জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়েছেন।

কাবুলের পুলিশ প্রধান মাওলাভি সাবির বলেন, ‘লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই রাশিয়ান দূতাবাসের (তালেবান) রক্ষীরা আত্মঘাতীকে চিনতে পেরেছিল। তাকে থামাতে গুলি করে নিরাপত্তা বাহিনী।’

তালেবান গত বছর আফগানিস্তানের দখল নিলে, অনেক দেশ প্রতিবাদ জানিয়ে দূতাবাস বন্ধ করে দেয়। যে কয়েকটি দেশ কাবুলে দূতাবাস চালু রেখেছে তাদের মধ্যে রাশিয়া অন্যতম।

মস্কো আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবানের সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে পেট্রল এবং অন্যান্য পণ্য সরবরাহের চুক্তি নিয়ে আফগান শাসকদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে পুতিন সরকার।

জঙ্গি সংগঠন আইএস সাম্প্রতিক সময়ে কাবুলসহ আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের পাশাপাশি ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

সাংবাদিক লালজয় বলেন, ‘এটি খুবই অপ্রত্যাশিত। কারণ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, কাবুলের চারপাশে নিরাপত্তা খুবই কঠোর। দূতাবাসের মতো জায়গাগুলো ভালোভাবে সুরক্ষিত।

‘আফগানরা যেখানে জড়ো হয়েছিল সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটেছে। মনে হচ্ছে, নিরীহ মানুষকে হত্যা করাই লক্ষ্য ছিল।’

আরও পড়ুন:
কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ, অনেক হতাহত
এশিয়া কাপে পুরো শক্তি নিয়েই যাচ্ছে আফগানিস্তান
রাশিদ খানের নৈপুণ্যে সিরিজে সমতা ফেরাল আফগানিস্তান
বিক্ষোভকারী নারীদের পেটাল তালেবান
সিরিজে টিকে থাকল আফগানিস্তান

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Afghanistan started badly in the Asia Cup

এশিয়া কাপে দাপুটে শুরু আফগানিস্তানের

এশিয়া কাপে দাপুটে শুরু আফগানিস্তানের ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ছিলেন আফগান ব্যাটাররা। ছবি: সংগৃহীত
দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাটিং তোপের মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে লঙ্কান বোলাররা। জাজাই উইকেটে ধরে খেললেও মারকুটে ব্যাটিং চালিয়ে যান গুরবাজ। দুইজনের অবিচ্ছেদ্য ৮৩ রানের জুটিতে ভর করে বড় জয়ের পথে পা দিয়ে রাখে আফগানিস্তান।

সহজ জয় দিয়ে এশিয়া কাপের পঞ্চাদশ আসরে যাত্রা শুরু করল আফগানিস্তান।

নিজেদের শততম টি-টোয়েন্টিতে তারা জয় পেয়েছে ৮ উইকেটে।

শ্রীলঙ্কার দেয়া ১০৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রহমানুল্লাহ গুরবাজের ব্যাটিং তান্ডবে ৫৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানরা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ছিল আফগানিস্তান। দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাটিং তোপের মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে লঙ্কান বোলাররা।

জাজাই উইকেটে ধরে খেললেও মারকুটে ব্যাটিং চালিয়ে যান গুরবাজ। দুইজনের অবিচ্ছেদ্য ৮৩ রানের জুটিতে ভর করে বড় জয়ের পথে পা দিয়ে রাখে আফগানিস্তান।

১৮ বলে ৪০ করে ডি সিলভার শিকার হয়ে গুরবাজ বিদায় নিলে বাকি কাজটা সারেন জাজাই ও জাদরান মিলে। শেষ পর্যন্ত ৫৯ বল হাতে রেখেই জয় বাগিয়ে মাঠ ছাড়ে আফগানরা।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভার থেকেই বিপর্যয় সঙ্গী হয় লঙ্কানদের। প্রথম ওভারেই ফজল হক ফারুকির ব্যাক টু ব্যাক আঘাতে সাজঘরে ফিরতে হয় কুশল মেন্ডিস ও চারিথ আশালাঙ্কাকে। দুইজনই মাঠ ছাড়েন এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে।

ফারুকির আঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই নাভিন উল হকের বলে রহমানুল্লাহ গুরবাজের হাতে ধরা দিয়ে ৩ রানে মাঠ ছাড়তেঁ হয় ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কাকে। এতে করে স্কোরবোর্ডে ৫ রান তুলতেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কানরা।

দ্রুত ৩ উইকেট পতনের রেশ কাটাতে ব্যাট হাতে আগ্রাসী হন ভানুকা রাজপাকসে। সঙ্গে নেন দানুষ্কা গুনাথিলাকাকে। দুজনে মিলে ৪৪ রানের জুটি গড়ে সামাল দেন প্রাথমিক বিপর্যয়ের।

দলীয় ৪৯ রানে গুনাথিলাকা বিদায় নিলেও উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন রাজাপাকসে। সঙ্গী হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ও দাসুন শানাকার স্কোর বড় করতে না পারলেও উইকেট কামড়ে বসে মারকুটে ব্যাটিং করতে থাকেন ভানুকা।

কিন্তু দলীয় ৬৯ রানে তাকে মাঠ ছাড়তে হয় রান আউটের শিকার হয়ে। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ৩৮ রানের ইনিংস।

শেষদিকে চামিকা করুনারাত্নের ৩৮ বলে ৩১ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংসের সুবাদে দলীয় সংগ্রহ শতরান রান করে শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত সবগুলো উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তানের সামনে ১০৫ রানের টার্গেট দেয় লঙ্কানরা।

আরও পড়ুন:
উদ্বোধনী ম্যাচে লঙ্কাকে চেপে ধরেছে আফগানরা
এশিয়া কাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়াটা চ্যালেঞ্জিং: বাশার
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
US producer and Afghani producer captured by Taliban

তালেবানের হাতে বন্দি যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতা ও আফগানি প্রযোজক

তালেবানের হাতে বন্দি যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতা ও আফগানি প্রযোজক
নিরাপত্তারক্ষীরা আইভর ও ফয়জুল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাদের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট পরীক্ষা করেন। দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাদের বারবার যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর বলে অভিযুক্ত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এক চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং আফগানিস্তানের এক প্রযোজককে আটকে রেখেছে তালেবান সরকার।

সংবাদমাধ্যম পর্যবেক্ষক কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টের (সিপিজে) বরাতে রোববার এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি

এই দুজনসহ আফগানিস্তানে আটক সাংবাদিকদের মুক্তি চেয়েছে সিপিজে। এসব ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

গত ১৭ আগস্ট কাবুলের শেরপুরে পেশাগত কাজ করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক ও নির্মাতা আইভর শিয়ারার এবং প্রযোজক ফয়জুল্লাহ ফয়জবখশকে আটক করে তালেবান।

নিরাপত্তারক্ষীরা আইভর ও ফয়জুল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। একপর্যায়ে তাদের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট পরীক্ষা করে। দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাদের বারবার যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর বলে অভিযুক্ত করা হয়।

সিপিজের বিবৃতিতে বলা হয়, হুমকি-ধমকি না দিয়ে ওই দুজনকে মুক্তি দিতে হবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক মাসের ভিসা নিয়ে আফগানিস্তানে যান নির্মাতা আইভর। পরে এক বছরের জন্য বাড়ানো হয় তার ভিসার মেয়াদ।

তালেবান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে আফগানিস্তানের গত ৪০ বছরের ইতিহাস নিয়ে ডকুমেন্টারি বানাচ্ছিলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের ফেস্টিভ্যালে তার নির্মিত চলচ্চিত্র ও ভিডিওর প্রদর্শনী হয়েছে।

আইভরের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন প্রযোজক ফয়জুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
আফগানিস্তানে হামলায় নিহত পাকিস্তান তালেবানের জ্যেষ্ঠ নেতা
কাবুলে আমেরিকার হামলার নিন্দা তালেবানের
ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তালেবান নিহত

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Death toll rises to 21 in Kabul blast

কাবুল বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২১

কাবুল বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২১ বিস্ফোরণে নিহতদের দাফনের পর দোয়া করছেন স্বজনরা
হামলায় কারা জড়িত তা এখনও নিশ্চিত না। তবে এক সপ্তাহ আগে রাজধানীতে আত্মঘাতী বোমা হামলায় এক তালেবান নেতাকে হত্যা করে আইএস।

আফগানিস্তানের কাবুলে বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে হয়েছে ২১। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৩ জন। কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান এসব জানিয়েছেন

মাগরিবের নামাজের সময় বুধবার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে মসজিদের ইমাম আমির মুহাম্মদ কাবুলিও আছেন বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা বাহিনী এখন বিস্ফোরণের স্থানটি সিল করে দিয়েছে।

হামলায় কারা জড়িত তা এখনও নিশ্চিত না। তবে এক সপ্তাহ আগে রাজধানীতে আত্মঘাতী বোমা হামলায় এক তালেবান নেতাকে হত্যা করে আইএস।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, তারা শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। বিস্ফোরণে আশেপাশের ভবনের জানালা ভেঙে গেছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘অনেক মানুষ মারা গেছে। এমনকি অনেককে মসজিদের জানালা দিয়ে ফেলে দেয়া হয়েছে।’

শহরের প্রধান হাসপাতাল পরিচালনাকারী মেডিক্যাল চেরেটি ইমার্জেন্সির প্রধান স্টেফানো সোজা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে শিশুসহ ৩৫ জনের চিকিৎসা চলছে তাদের হাসপাতালে।

তিনি বলেন, ‘গুরুত্ব বিবেচনায় রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। আঘাতগুলো বিস্ফোরণের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই মৃতদেহের ভেতরে শেল ছিল, অনেকের শরীরে পোড়া দাগ ছিল।’

মসজিদের ভেতরে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে ধারণা স্টেফানোর। তিনি বলেন, ‘সম্ভবত নামাজের সময় কেউ বিস্ফোরক নিয়ে মসজিদে ঢুকেছিল। ভিড়ের মধ্যে হামলাকারী ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসটি সক্রিয় করে। এতে হামলাকারীর কাছাকাছি থাকা ব্যক্তিরা মারা যায়। দূরে যারা ছিলেন তারা আহত হয়েছেন।’

তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের বরাতে বার্তা সংস্থা এপির বলছে, এ ধরনের অপরাধীদের শিগগিরই বিচারের আওতায় আনা হবে, কঠিন সাজা দেয়া হবে।’

এদিকে, তালেবানকে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে ‘দৃঢ় পদক্ষেপ’ নিতে এবং দুর্বল সম্প্রদায়কে বাড়তি নিরাপত্তা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে আফগানিস্তানে জাতিসংঘের মিশন (উনামা)।

উনামা বলছে, এ হামলাটি ধারাবাহিক বোমা হামলার সবশেষ ঘটনা। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আড়াইশোর বেশি মানুষকে হতাহত করা হয়েছে বোমা হামলায়, যা গত বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ মাসিক বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা।’

আরও পড়ুন:
সিরিজ জয়ের হাতছানি আয়ারল্যান্ডের
তালেবানের শীর্ষ নেতা রহিমুল্লাহ হাক্কানি নিহত
অবশেষে জয় পেল আয়ারল্যান্ড
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আল কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরি নিহত
ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তালেবান নিহত

মন্তব্য

p
উপরে