× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রেস-জেন্ডার
Joyful procession in Chapainawabganj as Draupadi became the President of India
hear-news
player
print-icon

দ্রৌপদী মুর্মুর সাফল্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শোভাযাত্রা

দ্রৌপদী-মুর্মুর-সাফল্যে-চাঁপাইনবাবগঞ্জে-ক্ষুদ্র-জনগোষ্ঠীর-শোভাযাত্রা
আদিবাসী নারী রাষ্টপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অভিনন্দন জানিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সমাবেশে বক্তারা আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, সমতলের আদিবাসীদের জন্য আলাদা ভূমি কমিশন গঠন, বিশেষ ব্যবস্থায় সংসদে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা করাসহ সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের দাবি জানান।

ভারতের প্রথম আদিবাসী নারী রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অভিনন্দন জানিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর লোকজন।

উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম, সাঁওতাল লেখক ফোরাম, সাঁওতাল সমন্বয় পরিষদসহ বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাঁওতালসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারী ও পুরুষরা মঙ্গলবার সকালে শহরের ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকায় জড়ো হন।

বেলা ১১টার দিকে সেখান থেকে শুরু হয় আনন্দ শোভাযাত্রা। এ সময় ঢোল, মাদল বাজিয়ে ও সাঁওতালি গান গেয়ে ভারতের ১৫তম রাষ্টপতিকে অভিনন্দন জানান তারা।

শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বঙ্গবন্ধু মঞ্চে সমাবেশে বক্তব্য দেন উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি কর্ণেলিউশ মুর্মু, সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী প্রভাত টুডু, আদিবাসী নেত্রী ইস্টেফেন টুডু, লুইস টুডু ও কুটিলা রাজায়োর।

দ্রৌপদী মুর্মুর সাফল্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শোভাযাত্রা

সমাবেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভারতের নতুন এ রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো, সাঁওতালসহ অন্যান্য জাতিসত্তার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতের দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, সমতলের আদিবাসীদের জন্য আলাদা ভূমি কমিশন গঠন, বিশেষ ব্যবস্থায় সংসদে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা করাসহ সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়।

১৯৫৮ সালের ২০ জুন ভারতের ওডিশা রাজ্যের ময়ূরভঞ্জের উপেরবেদা গ্রামে এক সাঁওতালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন দ্রৌপদী মুর্মু। দেশটির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত প্রথম আদিবাসী নারী হলেন তিনি। তিনি দেশটির দ্বিতীয় নারী রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া স্বাধীন ভারতে জন্ম নেয়া প্রথম রাষ্ট্রপতি হলেন দ্রৌপদী। ভারতের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম রাষ্ট্রপতিও হলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: এগিয়ে দ্রৌপদী
‘…আপন পাপের বাটখারা দিয়ে; অন্যের পাপ মাপি’
অপেক্ষা মঙ্গল শোভাযাত্রার
রঙেঢঙে বর্ষবরণে প্রস্তুত চবির চারুকলা
মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্যে করোনামুক্তির বার্তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রেস-জেন্ডার
Paharis want to survive in tribal identity

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা পাহাড়িদের নাচ। ছবি: নিউজবাংলা
জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি সমুন্নত রাখা। এ দিনটি সামনে রেখে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংবিধানিক পরিচয় ‘আদিবাসী’ করার দাবি জোরালো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস সামনে রেখে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংবিধানিক পরিচয় ‘আদিবাসী’ করার দাবি জোরালো হয়েছে। তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে মঙ্গলবার উদযাপন হবে দিনটি।

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইন্টুমনি তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের আদিবাসী সম্প্রদায়। আমাদের মৌলিক অধিকার এবং সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা চাই বাংলাদেশে যে ৫৪টি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী আছে তারা যেন সাংবিধানিকভাবে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি পায়।’

সাংস্কৃতিক সংগঠন হিলর প্রডাকশনের সদস্য পিংকি চাকমা বলেন, ‘১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির শান্তিচুক্তি হয়েছিল। এরপর ২৫ বছর কেটে গেলেও আমরা সাংবিধানিকভাবে আদিবাসীর স্বীকৃতি পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব ভাষা, বর্ণমালা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ধর্ম সবকিছু রয়েছে। তার পরও সরকার আমাদের কেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কিংবা উপজাতি বলছে তা আমরা জানি না।’

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

রাঙ্গামাটি পৌরসভা মাঠে মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার। এতে থাকবে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব পোশাকের ডিসপ্লে। এরপর আলোচনা সভা ও পরে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা হবে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি সমুন্নত রাখা।

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১১টি ভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। জনসংখ্যার দিক দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের পর মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসবাস। ২০১১ সালে জনশুমারি ও গৃহগণনা তথ্যানুযায়ী পার্বত্য অঞ্চলে চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৪৪ হাজার।

২০২২ সালের সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পার্বত্য অঞ্চলে চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯ জনে। অর্থাৎ ১১ বছরে চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়েছে ৩৯ হাজার ২৯৯।

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

রাঙ্গামাটি বিএম ইনস্টিটিউটের প্রভাষক ও লেখক আনন্দ জ্যোতি চাকমা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, সাঁওতালসহ প্রায় ৫০টি জাতিসত্তার স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। একটি জাতির যা প্রয়োজন, তা আমাদের আছে। নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য সবকিছু আছে। এ কারণে আমরা আদিবাসী হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। সরকার আমাদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে সরকারের প্রতি বিশ্বাস আর গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।’

আরও পড়ুন:
‘অপরায়ন’ ও জাতিগত ভগ্নাংশ
কানাডায় আদিবাসী শিশু নিপীড়নের তদন্তে ১০ বছর পার
ভারতে কারান্তরীণ সমাজকর্মী স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু
কানাডার আরও ১০ গির্জায় আগুন
কানাডায় আরও ১৮২ আদিবাসী শিশুর কবর শনাক্ত, আবার গির্জায় আগুন

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Chakma is the most minority ethnic group and least Vil population

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীতে চাকমা বেশি, সবচেয়ে কম ভিল জনগোষ্ঠী

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীতে চাকমা বেশি, সবচেয়ে কম ভিল জনগোষ্ঠী
বিবিএস প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে এখন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যা ভিল জনগোষ্ঠীর।

জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা দেশে বর্তমানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।

এর মধ্যে নারীর সংখ্যা কিছুটা বেশি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮, আর পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে এখন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যা ভিল জনগোষ্ঠীর।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার জনশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস বেশি

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ বসবাস করছে চট্টগ্রাম বিভাগে, ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০ জন। আর সবচেয়ে কম রয়েছে বরিশাল বিভাগে, ৪ হাজার ১৮১ জন।

এছাড়া ঢাকা বিভাগে ৮২ হাজার ৩১১, খুলনায় ৩৮ হাজার ৯৯২, ময়মনসিংহে ৬১ হাজার ৫৫৯, রাজশাহীতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯২ ও রংপুরে ৯১ হাজার ৭০ জন বসবাস করছে।

জেলার বিবেচনায় রাঙ্গামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ জেলায় এই জনগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪। এরপরেই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। সেখানে সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

সবচেয়ে বেশি চাকমা, কম ভিল

জনশুমারিতে দেশে ৫০টি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের সংখ্যা ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে শতকরা হিসাবে যা ২৯.২৯ শতাংশ।

সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২ বা ১৩.৫৯ শতাংশ, আর ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮ বা ৯.৪৯ শতাংশ।

সংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা সমতলের সাঁওতালদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন। শতাংশের হিসাবে, যা ৭.৮২

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে। এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে। আর হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।

আরও পড়ুন:
ঢাকা শহরের জনসংখ্যা কোটির বেশি
দেশে পুরুষ কম, নারী বেশি
৫৬ শতাংশ শিশু-কিশোরের হাতে মোবাইল
সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%, এগিয়ে পুরুষ
দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি সাড়ে ৫১ লাখ

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Gopalganj has the largest number of Muslim Hindus in Jamalpur

জামালপুরে সবচেয়ে বেশি মুসলিম, হিন্দু গোপালগঞ্জে

জামালপুরে সবচেয়ে বেশি মুসলিম, হিন্দু গোপালগঞ্জে
দেশে মুসলিম জনগোষ্ঠী এখন ৯১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ২০১১ সালের জনশুমারিতে মোট জনসংখ্যার ৯০ দশমিক ৩৯ শতাংশ ছিল মুসলমান। আগেরবারের তুলনায় এবারের জনশুমারিতে হিন্দু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধদের আনুপাতিক সংখ্যাও কমছে।

বাংলাদেশে আনুপাতিক হারে বাড়ছে মুসলিম জনগোষ্ঠী। বিপরীতে হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ও অন্য ধর্মের অনুসারী জনগোষ্ঠী কমছে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রথম ডিজিটাল ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে।

জনশুমারি অনুযায়ী, দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬।

এর মধ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠী ৯১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এর আগে ২০১১ সালের জনশুমারিতে মোট জনসংখ্যার ৯০ দশমিক ৩৯ শতাংশ ছিল মুসলমান।

আগেরবারের তুলনায় এবারের জনশুমারিতে হিন্দু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। দেশে এখন সনাতন ধর্মাবলম্বী রয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ২০১১ সালের জনশুমারিতে তা ছিল ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীও কমেছে। বর্তমানে দেশে বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ। আগের শুমারিতে এটি ছিল শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীর অনুপাত ২০১১ সালের শূন্য দশমিক ৩১ শতাংশ থেকে কমে শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এ ছাড়া অন্য জনগোষ্ঠী এখন মোট জনসংখ্যার শূন্য দশমিক ১২ শতাংশ, যা ২০১১ সালে ছিল শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।

সবচেয়ে বেশি মুসলিম ময়মনসিংহ বিভাগে

বিভাগওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, মুসলিম জনগোষ্ঠীর অনুপাত সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহ বিভাগে। সেখানে মোট জনগোষ্ঠীর ৯৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ মুসলমান। আর সবচেয়ে কম ৮৬ দশমিক ১৭ শতাংশ রয়েছে সিলেট বিভাগে।

রাজশাহী বিভাগে মুসলিম জনগোষ্ঠী ৯৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ঢাকায় ৯৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ, বরিশালে ৯১ দশমিক ৫২ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৯০ দশমিক ১১ শতাংশ, খুলনায় ৮৮ দশমিক ১৮ শতাংশ ও রংপুরে ৮৬ দশমিক ৪১ শতাংশ।

জেলার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ৯৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ মুসলিম বসবাস করছে জামালপুরে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মেহেরপুর। সেখানে মুসলিম জনগোষ্ঠী ৯৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এরপরই কুষ্টিয়া জেলার অবস্থান। জেলাটিতে বসবাস করছে ৯৭ দশমিক ২৩ শতাংশ মুসলিম।

হিন্দু জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে

জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভাগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ হিন্দুর বসবাস সিলেট বিভাগে। সবচেয়ে কম ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ ময়মনসিংহে।

রংপুর বিভাগে ১২ দশমিক ৯৮ শতাংশ, খুলনায় ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ, বরিশালে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ, ঢাকায় ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং রাজশাহী বিভাগে ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী বসবাস করছে।

জেলার দিক থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবচেয়ে বেশি ২৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ রয়েছে গোপালগঞ্জে। এর পরই আছে মৌলভীবাজার। সেখানে হিন্দু জনগোষ্ঠী ২৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। তৃতীয় সর্বোচ্চ জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বী রয়েছে ২২ দশমিক ১১ শতাংশ।

বৌদ্ধ বেশি চট্টগ্রাম বিভাগে, খ্রিষ্টান ময়মনসিংহে

বিভাগের হিসাবে বৌদ্ধদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বিভাগে। আর জেলার হিসাবে রাঙ্গামাটিতে সবচেয়ে বেশি ৫৭ দশমিক ২৫ শতাংশ বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। এরপর খাগড়াছড়িতে আছে ৩৫ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং বান্দরবানে ২৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহ বিভাগে। শতাংশের হিসাবে এটি শূন্য দশমিক ৪৬।

জেলার হিসাবে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা সবচেয়ে বেশি ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ রয়েছে বান্দরবানে। এরপর দিনাজপুরে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও রাঙ্গামাটিতে ১ দশমিক ৩২ শতাংশ খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী মানুষ বসবাস করছে।

আরও পড়ুন:
দেশে পুরুষ কম, নারী বেশি
৫৬ শতাংশ শিশু-কিশোরের হাতে মোবাইল
সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%, এগিয়ে পুরুষ
দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি সাড়ে ৫১ লাখ
জনশুমারি থেকে যেন কেউ বাদ না পড়ে: রাষ্ট্রপতি

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Scotland Cricket Board resigns over racism allegations

বর্ণবাদ বিতর্কে পদত্যাগ স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের

বর্ণবাদ বিতর্কে পদত্যাগ স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের স্কটল্যান্ড দলের ক্রিকেটাররা। ফাইল ছবি
‘প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বর্ণবাদী’ বলে অভিযুক্ত স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সব পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। ক্রিকেটার মজিদ হক ও কাসিম শেখের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত ও পর্যালোচনা প্রতিবেদন প্রকাশের ঠিক আগে বোর্ডের ছয় কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। সোমবার প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে।

স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সব পরিচালক একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

বর্ণবাদের অভিযোগ নিয়ে পর্যালোচনা রিপোর্ট প্রকাশের ঠিক এক দিন আগে তারা পদত্যাগ করেন, যা অভিযোগের সত্যতাকে সমর্থন করছে বলে মনে করেন ক্রিকেটসংশ্লিষ্টরা।

সোমবার এ পর্যালোচনা প্রতিবেদন প্রকাশের কথা। এর আগেই ক্রিকেট বোর্ডের ছয় কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। বোর্ডের পরিচালকরা রোববার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন বলে জানা যায়।

বর্ণবাদের কারণে বৈষম্যের শিকার ব্যক্তিদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিবৃতিও দিয়েছে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

ঘটনার শুরু স্কটল্যান্ডের সর্বকালের সেরা উইকেট শিকারি মজিদ হকের অভিযোগ নিয়ে। তিনি ক্রিকেট স্কটল্যান্ডকে ‘প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বর্ণবাদী’ বলে অভিযোগ করেন। এরপর শুরু হয় তদন্ত ও পর্যালোচনা।

স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ক্রিকেট স্কটল্যান্ড সামনের দিনগুলোতে খেলাধুলার জন্য যথাযথ শাসন, নেতৃত্ব এবং সমর্থন দেবে। এ জন্য খুব দ্রুতই স্পোর্টস স্কটল্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বে কাজ শুরু হবে।

‘বর্ণবাদের প্রতিবেদন প্রকাশের পর এসব বিষয়ে আবারও পর্যালোচনা হবে। সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা আসবে।’

২০২১ সালের নভেম্বরে স্কটিশ অফস্পিনার মজিদ হক অভিযোগ তোলেন বর্ণবাদ নিয়ে। ক্যারিয়ারজুড়ে তিনি বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।

মজিদের সতীর্থ কাসিম শেখও দাবি করেন, গায়ের রঙের কারণে তিনিও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

মজিদ অভিযোগ তোলেন দলের কোচ, খেলোয়াড়সহ অনেকের বিরুদ্ধে। যা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে স্কটিশ ক্রিকেটকে। সেখানকার ক্রিকেট বোর্ড তাৎক্ষণিক বিষয়টি নাকচ করতে পারেনি।

বর্ণবাদ নিয়ে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত বিভাগ সোমবার ফলাফল জানাবে।

ক্রিকেট বোর্ডের অনেকেই ধরে নিয়েছেন পর্যালোচনা প্রতিবেদন তাদের পক্ষে যাবে না। এ অবস্থায় আগাম সরে গেছেন বোর্ডের সব পরিচালক।

বোর্ডের সব কর্মকর্তা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেয়ায় নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছে সে দেশের ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের বিপক্ষেই ম্যাথিউসের শততম টেস্ট

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Black Walker has 46 bullet or wound marks

কৃষ্ণাঙ্গ ওয়াকারের গায়ে ‘৪৬টি গুলি অথবা ক্ষতচিহ্ন’

কৃষ্ণাঙ্গ ওয়াকারের গায়ে ‘৪৬টি গুলি অথবা ক্ষতচিহ্ন’ যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে পুলিশের গুলিতে নিহত কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জেল্যান্ড ওয়াকার। ছবি: পারিবারিক অ্যালবাম
পুলিশ প্রকাশিত ঘটনার দিনের বডি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, মাস্ক পরা জেল্যান্ড ওয়াকার চলন্ত গাড়ির যাত্রীদের অংশ থেকে লাফ দিচ্ছেন। তাকে দৌড়ে পার্কিং লটের দিকে যেতে দেখা যায়। ওই সময় বিভিন্ন দিক থেকে ওয়াকারকে গুলি করতে থাকেন পুলিশ সদস্যরা।

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের অ্যাক্রনে গত মাসে নিহত ২৫ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জেল্যান্ড ওয়াকারের গায়ে ৪৬টি গুলির আঘাত অথবা ক্ষতচিহ্ন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, কোন গুলিতে ওয়াকার নিহত হয়েছেন কিংবা তাকে লক্ষ্য করে মোট কতটি গুলি ছোড়া হয়েছে, তা জানা সম্ভব ছিল না।

অ্যাক্রন শহরে শত শত মানুষের শোক আয়োজনের দুই দিন পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ হলো। ওয়াকার হত্যার ঘটনায় শহরটিতে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে সেখানে কারফিউ জারি করা হয়।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানান, গত ২৭ জুন অ্যাক্রনে গুলিবিদ্ধ হয়ে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও ধমনিতে মারাত্মক আঘাত পান ওয়াকার।

পুলিশ প্রকাশিত ঘটনার দিনের বডি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, মাস্ক পরা ওয়াকার চলন্ত গাড়ির যাত্রীদের অংশ থেকে লাফ দিচ্ছেন। তাকে দৌড়ে পার্কিং লটের দিকে যেতে দেখা যায়। ওই সময় বিভিন্ন দিক থেকে ওয়াকারকে গুলি করতে থাকেন পুলিশ সদস্যরা।

পুলিশের দাবি, ওয়াকারের অঙ্গভঙ্গি হুমকিমূলক ছিল। যদিও প্রকাশিত আবছা ফুটেজ দেখে সেটা নির্ণয় করা কঠিন।

ঘটনার সময় নিরস্ত্র ছিলেন ওয়াকার। আইনজীবীর মাধ্যমে তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, তাকে হত্যার কোনো দরকার ছিল না।

ওয়াকারের গাড়ির চালকের আসনে গুলিবিহীন একটি হ্যান্ডগান, এক ক্লিপ গুলি ও একটি ওয়েডিং ব্যান্ড পাওয়া গেছে।

ওহাইওর সামিট কাউন্টির ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক লিসা কোহলার বলেন, একটি গুলি বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।

ওয়াকারকে গুলির ঘটনায় জড়িত ছিলেন আট পুলিশ কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে সাত শ্বেতাঙ্গ ও একজন কৃষ্ণাঙ্গ। তাদের বৈতনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সমর্থকদের হাতে অস্ত্র থাকার কথা জানতেন ট্রাম্প
বাবার বন্দুক নিয়ে খেলা, গুলিতে শিশুর মৃত্যু
বাবার টাকায় যৌনকর্মীর বিল মেটাতেন বাইডেনপুত্র
যুক্তরাষ্ট্রে লরিতে ৪৬ অভিবাসীর মরদেহ
যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা হারাতে যাচ্ছেন গর্ভপাতের অধিকার

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Colombias president is a former leftist guerrilla

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা কলম্বিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক গেরিলা ও বামপন্থি নেতা গুস্তাভো পেত্রো (ডানে) ও তার রানিংমেট ফ্রান্সিয়া মার্কেজ হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট। ছবি: এপি
কলম্বিয়ার ইতিহাসে প্রথম বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো নির্বাচিত হয়ে বলেন, ‘এই বিজয় স্রষ্টার জন্য, এই বিজয় জনগণের জন্য।’

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন সাবেক গেরিলা ও বামপন্থি নেতা গুস্তাভো পেত্রো।

৬২ বছর বয়সী এই সিনেটর ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবাসন ব্যবসায়ী ধনকুবের রোদোলফো হার্নান্দেজের চেয়ে ৭ লাখ ভোট বেশি পেয়েছেন রাজধানী বাগোতার সাবেক এই মেয়র।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলম্বিয়ার ইতিহাসে প্রথম বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো নির্বাচিত হয়ে বলেন, ‘এই বিজয় স্রষ্টার জন্য, এই বিজয় জনগণের জন্য।’

পেত্রো টুইটারে লিখেছেন, ‘আজ যে আনন্দের ধারা দেশবাসীর হৃদয়কে প্লাবিত করেছে, তা দিয়ে সহজে দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে যাবে। আজ সড়ক ও চত্বরে সময় কাটানোর দিন।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় পরাজয় মেনে নিয়েছেন রোদোলফো হার্নান্দেজ।

হার্নান্দেজ বলেন, ‘কলম্বিয়ার নাগরিকরা আমাকে ছাড়া অন্য একজনকে বেছে নিয়েছেন, তবুও আমি ফল মেনে নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, গুস্তাভো পেত্রো ভালো জানেন কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার আপসহীন সংগ্রাম সম্পর্কে আমার বিশ্বাস রয়েছে।’

তৃতীয় দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি দেশটির প্রেসিডেন্ট ইভান ডুক। পেত্রোকে অভিনন্দন জানিয়ে ডুক বলেন, ‘সংহতি ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সমাজ গড়ায় পেত্রোর চেষ্টার সঙ্গে থাকব আমিও।’

পেত্রোর রানিংমেট ফ্রান্সিয়া মার্কেজ যিনি একজন ‘সিঙ্গেল’ মা এবং সাবেক গৃহকর্মী, তিনি হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট।

গত ১৯ জুন ভোটের দ্বিতীয় রাউন্ডে ধনকুবের রোদোলফো হার্নান্দেজের মুখোমুখি হন পেত্রো।

অবশ্য প্রথম রাউন্ডের আগে জরিপগুলোতে বলা হয়েছিল, পেত্রোর চেয়ে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে থাকবেন রোদোলফো। যদিও ফলে ব্যবধানটা চোখে পড়ার মতো।

রাজধানী বোগোতার সাবেক মেয়র পেত্রো জনমত জরিপগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে ছিলেন। পেনশন সুবিধা ফিরিয়ে আনা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে শিক্ষার সুযোগসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ওঠেন তিনি।

প্রথম রাউন্ডের ফল প্রকাশের পর বোগোতার প্রাণকেন্দ্রে উচ্ছ্বসিত সমর্থকদের উদ্দেশে পেত্রো বলেন, ‘এ সময়ে এসে পরিবর্তনের বিষয়ে আর সন্দেহ নেই।’

জয়ী হলে কলম্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফার্কের সঙ্গে ২০১৬ সালে তৎকালীন সরকারের করা চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন পেত্রো। সক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইএলএনের সঙ্গে শান্তি আলোচনার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

মন্তব্য

p
উপরে