× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রেস-জেন্ডার
Bangladesh is the best in South Asia in terms of gender equality
hear-news
player
print-icon

লিঙ্গ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় সেরা বাংলাদেশ

লিঙ্গ-সমতায়-দক্ষিণ-এশিয়ায়-সেরা-বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশিয়ায় নারী সমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে ভাল। ছবি: নিউজ বাংলা
লিঙ্গ সমতায় বৈশ্বিক তালিকায় অবস্থান ৭১ হলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবার ওপরে। দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলোর মধ্যে তালিকায় নেপালের অবস্থান ৯৬তম, শ্রীলঙ্কা ১১০তম, মালদ্বীপ ১১৭তম, ভুটান ১২৬তম, ভারত ১৩৫তম, পাকিস্তান ১৪৫তম, আফগানিস্তান ১৪৬তম।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের লিঙ্গ বৈষম্য প্রতিবেদন ২০২২ অনুসারে, ১৪৬ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭১ তম।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবার ওপরে। দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলোর মধ্যে তালিকায় নেপালের অবস্থান ৯৬তম, শ্রীলঙ্কা ১১০তম, মালদ্বীপ ১১৭তম, ভুটান ১২৬তম, ভারত ১৩৫তম, পাকিস্তান ১৪৫তম, আফগানিস্তান ১৪৬তম।

প্রতিবেদন অনুসারে সবচেয়ে লিঙ্গ সমতার দেশ আইসল্যান্ড। এরপরেই রয়েছে ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন ও নিউজিল্যান্ড।

অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীদের অবদান ও সুযোগ, নারী শিক্ষার হার, নারী স্বাস্থ্য ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এই চার ক্ষেত্র বিবেচনায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এই তালিকা প্রস্তুত করেছে।

এই বার্ষিক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, লিঙ্গ বৈষম্য পুরোপুরি দূর করতে ১৩২ বছর সময় লাগবে।

আরও পড়ুন:
উবারের বিরুদ্ধে চালকদের ‘নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার’ নারীদের মামলা
ভারতবর্ষজুড়ে এত নাভিপ্রীতির কী কারণ?
নারী উদ্যোক্তাদের অনলাইন পণ্যমেলা
অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না
ডব্লিউডব্লিউই মঞ্চ কাঁপালেন আরব নারী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রেস-জেন্ডার
In the movies of the country the perno issue is the problem of womens polyurinary toilet

দেশের সিনেমায় পার্নো, বিষয় নারীর বহুমূত্র-শৌচাগার সমস্যা

দেশের সিনেমায় পার্নো, বিষয় নারীর বহুমূত্র-শৌচাগার সমস্যা ‘সুনেত্রা সুন্দরম’ সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত
গল্পের ধারণা দিয়ে সেখানে বলা হচ্ছে, গল্প আবর্তিত হয়েছে এক নারী স্কলারকে নিয়ে। তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। ফলে তার প্রস্রাবের প্রয়োজন হয় ঘন ঘন। চেষ্টা করলেও চেপে রাখতে পারেন না।

সিনেমার নাম সুনেত্রা সুন্দরম। এর পরিচালক কলকাতার শিবরাম শর্মা, প্রধান চরিত্রের অভিনেত্রী কলকাতার পার্নো মিত্র। তবে সিনেমাটি বাংলাদেশের। বিডি বক্স প্রোডাকশনের ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন মাহমুদুর রহমান।

প্রযোজক নিউজবাংলাকে জানান, সুনেত্রা সুন্দরম বাংলাদেশের সিনেমা। এর দৃশ্যধারণ এখনও শুরু হয়নি। প্রথমে বাংলাদেশে হবে সিনেমার শুটিং, এরপর কলকাতাতেও শুটিংয়ের পরিকল্পনা আছে।

সিনেমাটি বাংলাদেশের, কিন্তু নির্মাতা, প্রধান চরিত্রের অভিনয়শিল্পীরা কলকাতার কেন জানতে চাইলে প্রযোজক বলেন, ‘আমরা সিনেমাটিতে অভিনেত্রী মমকে কাস্ট করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তার শিডিউল পাওয়া যায়নি।

‘আর নির্মাতা শিবরামকে নেয়ার কারণ হলো, তার সঙ্গে আমি আমার ভাবনা শেয়ার করেছিলাম। তিনি আমাকে যে গল্প ও চিত্রনাট্য করে দিয়েছেন, তাতে আমি খুশি। তার একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা আমি দেখেছিলাম। সেটিও আমার ভালো লেগেছে।’

দেশের সিনেমায় পার্নো, বিষয় নারীর বহুমূত্র-শৌচাগার সমস্যা
সোমরাজ মাইতি ও পার্নো মিত্র। ছবি: সংগৃহীত

সুনেত্রা সুন্দরম সিনেমার দৃশ্যধারণ এখনও শুরু হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং এফডিসিতে সিনেমাটির কাজের জন্য আবেদন করা আছে বলে জানান মাহমুদুর রহমান।

সিনেমাটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বেশ কিছু সংবাদও প্রকাশ হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ২৩ মার্চে কলকাতায় শুরু হয়েছে সিনেমার শুটিং।

গল্পের ধারণা দিয়ে সেখানে বলা হচ্ছে, গল্প আবর্তিত হয়েছে এক নারী স্কলারকে নিয়ে। তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। ফলে তার প্রস্রাবের প্রয়োজন হয় ঘন ঘন। চেষ্টা করলেও চেপে রাখতে পারেন না।

সমস্যা হয় তখন, যখন অনেক জায়গায় অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায় না। এমন একটি সামাজিক অবস্থা নিয়ে এগিয়ে যায় সিনেমা।

সিনেমায় সুনেত্রা চরিত্রে অভিনয় করছেন পার্নো মিত্র। তার বিপরীতে দেখা যাবে অভিনেতা সোমরাজ মাইতিকে। আরও আছেন রূপাঞ্জনা মিত্রসহ বাংলাদেশের কয়েকজন শিল্পী।

প্রযোজকের এটিই প্রথম সিনেমা নয়। এর আগে কানামাছি নামের একটি সিনেমা তিনি প্রযোজনা করেছেন। তার পরিকল্পনা দুটি সিনেমা পরপর মুক্তি দেয়ার।

অন্যদিকে নির্মাতা শিবরাম শর্মা মূলত কোরিওগ্রাফার। দেশের সিনেমা ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণে তিনি কাজ করেছেন।

আরও পড়ুন:
হাশিম দেখলেন ‘হাওয়া’, ঘুরলেন চারুকলা
‘হাওয়া’ এক নতুন সাহস, দ্বিতীয় সিনেমায় ব্যস্ত হবেন সুমন
‘প্রত্যাশিত সেল হলে পরাণের মুনাফায় ৫টি সিনেমা নির্মাণ সম্ভব’
বিদেশেও হাউসফুল হতে শুরু করেছে ‘হাওয়া’
সিনেমা হলে ফিরছে ব্ল্যাকে টিকিটের দিন!

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Bangamata Medal in the hands of 5 women

৫ নারীর হাতে বঙ্গমাতা পদক

৫ নারীর হাতে বঙ্গমাতা পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বঙ্গমাতা পদক তুলে দেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সোমবার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক দেয়া হয়েছে পাঁচ নারীকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এ পদক তুলে দেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সোমবার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

রাজনীতিতে সৈয়দা জেবুন্নেসা হক (সিলেট), অর্থনীতিতে সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ (কুমিল্লা), শিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি নাসরীন আহমাদ, সমাজসেবায় আছিয়া আলম (কিশোরগঞ্জ) এবং স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে গোপালগঞ্জ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য (মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার) এ পদক পান।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কিছু সেনা সদস্যের নির্মম হামলায় বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে শহীদ হন তিনি। তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
কলকাতায় বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন
নগদের মাধ্যমে ২ হাজার নারীকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার
আন্দোলন-সংগ্রামের প্রেরণা বঙ্গমাতা: ঢাবি উপাচার্য
প্রাণভিক্ষা না চেয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন বঙ্গমাতা
বঙ্গমাতা পদক পেলেন ৫ নারী

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Paharis want to survive in tribal identity

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা পাহাড়িদের নাচ। ছবি: নিউজবাংলা
জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি সমুন্নত রাখা। এ দিনটি সামনে রেখে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংবিধানিক পরিচয় ‘আদিবাসী’ করার দাবি জোরালো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস সামনে রেখে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংবিধানিক পরিচয় ‘আদিবাসী’ করার দাবি জোরালো হয়েছে। তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে মঙ্গলবার উদযাপন হবে দিনটি।

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইন্টুমনি তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের আদিবাসী সম্প্রদায়। আমাদের মৌলিক অধিকার এবং সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা চাই বাংলাদেশে যে ৫৪টি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী আছে তারা যেন সাংবিধানিকভাবে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি পায়।’

সাংস্কৃতিক সংগঠন হিলর প্রডাকশনের সদস্য পিংকি চাকমা বলেন, ‘১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির শান্তিচুক্তি হয়েছিল। এরপর ২৫ বছর কেটে গেলেও আমরা সাংবিধানিকভাবে আদিবাসীর স্বীকৃতি পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব ভাষা, বর্ণমালা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ধর্ম সবকিছু রয়েছে। তার পরও সরকার আমাদের কেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কিংবা উপজাতি বলছে তা আমরা জানি না।’

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

রাঙ্গামাটি পৌরসভা মাঠে মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার। এতে থাকবে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব পোশাকের ডিসপ্লে। এরপর আলোচনা সভা ও পরে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা হবে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি সমুন্নত রাখা।

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১১টি ভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। জনসংখ্যার দিক দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের পর মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসবাস। ২০১১ সালে জনশুমারি ও গৃহগণনা তথ্যানুযায়ী পার্বত্য অঞ্চলে চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৪৪ হাজার।

২০২২ সালের সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পার্বত্য অঞ্চলে চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯ জনে। অর্থাৎ ১১ বছরে চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়েছে ৩৯ হাজার ২৯৯।

‘আদিবাসী’র স্বীকৃতি চান পাহাড়িরা

রাঙ্গামাটি বিএম ইনস্টিটিউটের প্রভাষক ও লেখক আনন্দ জ্যোতি চাকমা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, সাঁওতালসহ প্রায় ৫০টি জাতিসত্তার স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। একটি জাতির যা প্রয়োজন, তা আমাদের আছে। নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য সবকিছু আছে। এ কারণে আমরা আদিবাসী হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। সরকার আমাদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে সরকারের প্রতি বিশ্বাস আর গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।’

আরও পড়ুন:
‘অপরায়ন’ ও জাতিগত ভগ্নাংশ
কানাডায় আদিবাসী শিশু নিপীড়নের তদন্তে ১০ বছর পার
ভারতে কারান্তরীণ সমাজকর্মী স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু
কানাডার আরও ১০ গির্জায় আগুন
কানাডায় আরও ১৮২ আদিবাসী শিশুর কবর শনাক্ত, আবার গির্জায় আগুন

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Organized rape of 8 young women arrested 84

৮ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮৪

৮ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮৪ সোমবার গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে আনা হলে সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেন নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করে একটি সংগঠনের সদস্যরা। ছবি: আল জাজিরা
পুলিশ জানায়, ক্রজারেসডর্প অঞ্চলে একটি খনির কাছাকাছি বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। শুটিংয়ের জন্যে ৮ তরুণীসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিলেন সেখানে। সেট তৈরির জন্য গাড়ি থেকে মালামাল নামানোর সময় তাদের ঘিরে ফেলে সংঘবদ্ধ একটি দলের প্রায় শতাধিক সদস্য। তারা সেখানে ওই আট তরুণীকে পালা করে ধর্ষণ করে।

সাউথ আফ্রিকায় একসঙ্গে আট তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮৪ জনকে। দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দেশের মাটিতে ধর্ষকের কোনো স্থান নেই।

পুলিশ জানায়, ক্রজারেসডর্প অঞ্চলে একটি খনির কাছাকাছি বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। শুটিংয়ের জন্যে ৮ তরুণীসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিলেন সেখানে। সেট তৈরির জন্য গাড়ি থেকে মালামাল নামানোর সময় তাদের ঘিরে ফেলে সংঘবদ্ধ একটি দলের প্রায় শতাধিক সদস্য। তারা সেখানে ওই আট তরুণীকে পালা করে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় সেখানে বিভিন্ন খনিতে কাজ করা অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের দায়ী করছে পুলিশ। স্থানীয়দের কাছে এই শ্রমিকরা ‘জামা জামা’ নামে পরিচিত। সেখানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেশটির পুলিশপ্রধান ফাননি মোজেমোলা আরও বলেন, ‘অভিযানকালে তাদের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হন দুজন শ্রমিক। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন আরও একজন। তৃতীয় ওই ব্যক্তি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার গ্রেপ্তার ৮৪ জনকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ও চোরাই পণ্য সঙ্গে রাখার অপরাধে তাদের অভিযুক্ত করা হয়।

পুলিশপ্রধান আরও বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে তাদের কেউ জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেলে আরও গভীরভাবে তদন্তে নামবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। এখন পর্যন্ত তাদের কারও বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি বা ধর্ষণের মামলা করা হয়নি।’

সোমবার গ্রেপ্তারদের আদালতে আনা হলে, সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেন নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করে একটি সংগঠনের সদস্যরা।

ধর্ষকদের জামিন না দিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি জানান তারা। এ সময় তাদের হাতে প্লেকার্ডে লেখা ছিল, ‘ধর্ষকের জামিন নয়’, ‘আমি কী পরবর্তী শিকার’, ‘আমার শরীর অপরাধস্থল নয়’।

এই ঘটনায় গোটা দেশে প্রতিবাদ ও ঘৃণা ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্ষককে রাসায়নিক প্রয়োগ করে নপুংসক করা নিয়ে দেশটিতে চলা বিতর্ক আবারও জোরালো হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভেকি চেলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ঘৃণ্য এই বর্বরতা নারীর অধিকার ও স্বাধীনতার পুরোপুরি পরিপন্থি। ধর্ষকের কোনো স্থান নেই এ দেশে।’

স্থানীয় সময় সোমবার সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভেকি চেলে বলেন, ‌'ভয়ানক ঘৃণ্য নৃশংসতার এই ঘটনাটি জাতির জন্য লজ্জা।'

আরও পড়ুন:
ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন
ধর্ষণ মামলার বিচার বিলম্বে উষ্মা হাইকোর্টের
কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি কারাগারে
শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
First Hindu woman Deputy Superintendent of Police in Pakistan

পাকিস্তানে প্রথম হিন্দু নারী ডেপুটি পুলিশ সুপার

পাকিস্তানে প্রথম হিন্দু নারী ডেপুটি পুলিশ সুপার পাকিস্তানের প্রথম হিন্দু নারী ডিএসপি মনীষা রোপেতা। ছবি: টুইটার
সিন্ধুর জ্যাকবাবাদের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে মনীষা। তিনি ২০২১ সালের এপ্রিলে সিন্ধু পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ডিএসপি পদের জন্য মনোনীত হন।

পাকিস্তানের প্রথম হিন্দু নারী হিসেবে ডেপুটি পুলিশ সুপার (ডিএসপি) পদে যোগ দিয়েছেন মনীষা রোপেতা।

দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিন্ধুর জ্যাকবাবাদের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে মনীষা। তিনি ২০২১ সালের এপ্রিলে সিন্ধু পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ডিএসপি পদের জন্য মনোনীত হন।

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ওই পরীক্ষায় বসার আগে সিন্ধুর খায়েরপুরে শাহ আবদুল লতিফ ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে এম এ করেন মনীষা। তিনি জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল সেন্টার থেকে ডক্টর অফ ফিজিক্যাল থেরাপি (ডিপিটি) ডিগ্রি নেন।

মনীষা কবে ডিএসপি পদে যোগ দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে।

ডিএসপি হিসেবে যোগ দেয়ার বিষয়ে ওই নারী সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, ‘অধিকাংশ মেয়ে নিজে থেকে অথবা পারিবারিক বাধ্যবাধকতার কারণে চিকিৎসক হতে চায়। এটা তাদের জন্য চরম বাস্তবতা। আমি নারীবান্ধব পেশার এই রীতি ভাঙতে চেয়েছিলাম।’

করাচির অন্যতম প্রাচীন এলাকা লিয়ারিতে প্রশিক্ষণরত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় মনীষাকে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্যারিয়ারের প্রাথমিক দিনগুলো পার করছি। সমাজে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে আমাকে।’

এ পর্যায়ে আসার জন্য সবচেয়ে বড় কৃতিত্বটা বাবাকে দিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এ পুলিশ কর্মকর্তা। হাসিমুখে তিনি এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করতে সব সময়ের অনুপ্রেরণা তিনি (বাবা)।’

পাকিস্তানে শিক্ষা নিতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয় মেয়েদের। ক্যারিয়ারের ইচ্ছাপূরণে বড় ধরনের সুযোগ দেখে না হিন্দু মেয়েরা। এমন বাস্তবতায় পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে মনীষার নিয়োগ অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে এসেছে।

আরও পড়ুন:
গল টেস্টে পিছিয়ে পাকিস্তান
জাতীয়তাবাদই বাংলাদেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি: ডনের নিবন্ধ
শ্রীলঙ্কার মতো পাকিস্তানও কি দেউলিয়ার পথে?
বিতর্কিত পতাকা সরাল পাকিস্তান দূতাবাস, অনিচ্ছাকৃত ভাবছেন মোমেন
শেষ টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন শাহীন আফ্রিদি

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Letter written in blood asking for justice for mothers murder

মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে রক্তে লেখা চিঠি

মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে রক্তে লেখা চিঠি
ঘটনার ৬ বছর পর গত বুধবার উত্তর প্রদেশের এক আদালত মামলার রায় দেয়। দুই মেয়ের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় বিচারক তাদের বাবা মনোজকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহরে বাবা-মা আর ছোট বোনকে নিয়ে ভালোই কাটছিল লতিকা বানসালের। তবে ২০১৬ সালের ১৪ জুনের সকাল পাল্টে দেয় দুই বোনের জীবন। এদিন চোখের সামনে মা অনু বানসালকে আগুনে পুড়ে মরে যেতে দেখে তারা। নির্মম এ ঘটনা ঘটান তাদের বাবা মনোজ বানসাল।

কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেন মনোজ। যন্ত্রণায় ছটফট করা অনুর চিৎকার হয়তো পৌঁছায়নি কোথাও। চোখের সামনে মাকে পুড়তে দেখলেও কিছুই করতে পারেনি ১৫ বছরের লতিকা ও তার ১১ বছরের বোন। কারণ তাদের ঘরটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন বাবা মনোজ।

আদালতে লতিফা ও তার বোন বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৬টায় মায়ের চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায়। আমরা তাকে সাহায্য করতে পারিনি। কারণ ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালা মারা ছিল। আমরা তাকে পুড়ে মরতে দেখেছি।’

লতিকা বলেন, ‘স্থানীয় পুলিশ এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায় ফোন করলেও তারা কেউ সাড়া দেয়নি। পরে আমার মামা ও নানীকে ডেকে আনি। তাদের সাহায্যে মাকে হাসপাতালে নিই।’

চিকিৎসক ভাষ্য ছিল, অনু বানসালের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। ক’দিন পর হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ ঘটনায় মামলা হলেও বিষয়টি আলোচনায় আসে লতিকার একটি উদ্যোগে। ন্যায়বিচার চেয়ে ১৫ বছরের লতিকা নিজের রক্ত দিয়ে চিঠি লেখেন উত্তর প্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবকে। সেখানে লতিকা লেখেন, পুলিশ হত্যা মামলাটিকে আত্মহত্যায় পরিবর্তন করার চেষ্টা করছে।

সঠিক তদন্ত না করার জন্য স্থানীয় মামলার তদন্তকর্মকর্তাকে তখন বরখাস্ত করা হয়। ঊর্ধ্বতন পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মামলাটি তদারকি করার নির্দেশ দেন যাদব।

মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে রক্তে লেখা চিঠি
ছেলে সন্তান জন্ম না দিতে পারায় স্বামীর হাতে খুন হন অনু বানসাল। ছবি: সংগৃহীত

ঘটনার ৬ বছর পর গত বুধবার উত্তর প্রদেশের এক আদালত মামলার রায় দেয়। দুই মেয়ের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় বিচারক মনোজকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

মেয়েরা আদালতে জানায়, তাদের বাবা ‘ছেলে জন্ম না দেয়ার জন্য’ তাদের মাকে মারধর করতেন।

আদালতে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন মনোজ। দাবি করেছিলেন, গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যা করেন তার স্ত্রী।

দুই পক্ষের যুক্তি-তর্ক শেষে বুলন্দশহরের আদালত মনোজকে দোষী সাব্যস্ত করে। রায়ে বলা হয়, ছেলে সন্তান জন্ম না দিতে পারায় স্ত্রীকে খুন করেছেন মনোজ। তার অপরাধ প্রমাণিত।

বংশরক্ষায় ছেলে সন্তান থাকতে হবে এমন গোঁড়ামি ভারতের অন্য প্রদেশগুলোর তুলনায় উত্তর প্রদেশে বেশি।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এই বিশ্বাসের কারণে কন্যা সন্তানের প্রতি অবহেলা, দুর্ব্যবহার এবং লিঙ্গ বৈষ্যম প্রবল হয়ে ওঠে। গর্ভপাতের মাধ্যমে লাখ লাখ ভ্রূণ হত্যার পেছনে কাজ করে এই বিশ্বাস।

বিচার চলাকালীন বানসাল বোনেরা আদালতে বলেন, ‘কেবল কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ায় মাকে কটূক্তি ও লাঞ্চনার শিকার হতে হতো। আমরা এসব দেখেই বড় হয়েছি। কন্য সন্তান আসছে খবর পেলেই গর্ভপাত করানো হতো। ছয়’বার এ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে মা।’

মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে রক্তে লেখা চিঠি
আইনজীবী সঞ্জয় শর্মার পাশে লতিকা। ছবি: সংগৃহীত

বোনদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী সঞ্জয় শর্মা বলেন, ‘অবশেষে বিচার পেতে আমাদের ছয় বছর, এক মাস এবং ১৩ দিন লেগেছে।

‘নিজের বাবার বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে অবশেষে ন্যায়বিচার পাওয়ার একটি বিরল দৃষ্টান্ত এটি। গত ছয় বছরে মেয়েরা একশ বারের বেশি আদালতে হাজির হয়েছে। একটি তারিখও মিস করেনি তারা।’

এ মামলায় কোনো টাকা-পয়সা নেননি জানিয়ে আইনজীবী সঞ্জয় বলেন, ‘তারা আসলে টাকা দেয়ার মতো অবস্থায় ছিল না। আর আমি এমনিতেই এসব ইস্যুতে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

‘এটি কেবল একটি হত্যা না। এটি সমাজের বিরুদ্ধে অপরাধ। সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করা নারীর হাতে থাকে না। তাবে তাকে কেন নির্যাতন করা হবে, শাস্তি দেয়া হবে? এটা পাপ।’

আরও পড়ুন:
বিয়ের অনুষ্ঠানে কুয়ায় পড়ে ১৩ মৃত্যু
‘উত্তর প্রদেশের উন্নতি চান না যোগী’, পাল্টা জবাব বিজয়নের
উত্তর প্রদেশেও খেলা হবে: মমতা
বাসে ট্রাকের ধাক্কা, রাস্তায় ঘুমন্ত ১৮ শ্রমিক নিহত
হাথরাসকাণ্ড ভয়াবহ: ভারতের প্রধান বিচারপতি

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
3 women sentenced to death in Iran for killing their husbands

স্বামী হত্যায় ইরানে ৩ নারীর মৃত্যুদণ্ড

স্বামী হত্যায় ইরানে ৩ নারীর মৃত্যুদণ্ড ২০২০ সালে ইরানের মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদে লন্ডনে ক্যাম্পেইন। ছবি: সংগৃহীত
গত বছরের তুলনায় এই বছরই ইরানে দ্বিগুণ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এই বছরের প্রথম ৫ মাসেই ২৫০ জনের বেশি ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই ইরানি কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে অনেক অভিযুক্তের গণ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে থাকে।

ইরানে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন। তবে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ কখনোই আমলে নেয় না ইরানের বিচার বিভাগ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি স্বেচ্ছাসেবী মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, স্বামীকে হত্যার দায়ে ৩ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

ইরান হিউম্যান রাইটস গ্রুপের মতে, গত সপ্তাহেই মৃত্যুদণ্ড দেয়া ৩২ জনের মধ্যে সেই ৩ নারীও ছিলেন।

এর মধ্যে ১ জন ছিলেন সাবেক বাল্যবধূ সোহেলা আবাদি। যেই স্বামীকে হত্যার অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়, সেই স্বামীর সঙ্গে ১০ বছর আগে বিয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৫ বছর।

বাকি যেই দুজন নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেও স্বামী হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

গত বছরের তুলনায় এই বছরই ইরানে দ্বিগুণ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এই বছরের প্রথম ৫ মাসেই ২৫০ জনের বেশি ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এর বেশি শিকার হচ্ছেন দেশটির সংখ্যালঘুরাও। ইরানে সংখ্যালঘুরা দেশটির জনসংখ্যার ৫ শতাংশ হলেও মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রতি ৪ জনের ১ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

অনেক ক্ষেত্রেই ইরানি কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে অনেক অভিযুক্তের গণ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে থাকে।

যদিও ইরানের পক্ষ থেকে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে খুব একটা প্রকাশ্য ঘোষণা দেয় না। তাই মৃত্যুদণ্ডের সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া সম্ভব হয় না।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় ইরান অনেক বেশি নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এর মধ্যে বেশির ভাগই তাদের স্বামী হত্যার দায়ে অভিযুক্ত।

অথচ পারিবারিক সহিংসতার ক্ষেত্রে ইরানের আদালত খুব একটা আগ্রহ দেখায় না। নারীরা সেখানে ন্যায়বিচার পায় না।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ভুলের কঠোর জবাব: ইরান
ট্রাম্পের কারণেই ইরানে পরমাণু অস্ত্র: বাইডেন  
সামরিক ড্রোনের জন্য ‘ইরানের দ্বারস্থ রাশিয়া’
স্যাটেলাইট বহনে সক্ষম রকেটের উৎক্ষেপণ ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘প্রতিরোধে’ ইরান-ভেনেজুয়েলার ২০ বছরের চুক্তি

মন্তব্য

p
উপরে