× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রেস-জেন্ডার
Spanish women get three days off a month due to period complications
google_news print-icon

পিরিয়ড জটিলতায় মাসে তিন দিন ছুটি পাচ্ছেন স্পেনের নারীরা

পিরিয়ড
পিরিয়ডের সময় শারীরিক জটিলতায় ভোগা নারীদের জন্য তিন দিনের ছুটির প্রস্তাব করা হয়েছে স্পেনে। ছবি: সংগৃহীত
প্রস্তাবের খসড়াটি মঙ্গলবার স্পেনের মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন পেতে পারে। এতে ছুটির বিষয়টি ছাড়াও ঋতুস্রাবকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপে জোর দেয়া হচ্ছে।

পিরিয়ডের সময় তীব্র ব্যথায় ভোগা নারীদের সর্বোচ্চ তিন দিন কাজ থেকে ছুটি দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করতে যাচ্ছে স্পেন সরকার।

আগামী সপ্তাহেই প্রস্তাবের খসড়াটি অনুমোদন পেতে পারে। এটি কার্যকর হলে প্রথম পশ্চিমা দেশের নাগরিক হিসেবে ঋতুস্রাবের সময় ছুটির অধিকার ভোগ করবেন স্পেনের নাগরিকরা।

বর্তমানে শুধু জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়ার মতো এশিয়ার কয়েকটি দেশ ও জাম্বিয়ায় নারীর ঋতুস্রাবকালীন ছুটির অনুমোদন আছে।

স্প্যানিশ গাইনোকোলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিক্স সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, পিরিয়ডের সময় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী গুরুতর ব্যথায় ভোগেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ডিসমেনোরিয়া। পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগে থেকেই ব্যথায় ভোগা নারীদের বিবেচনায় নিলে সংখ্যা আরও অনেক বেশি। ডিসমেনোরিয়ার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা, ডায়রিয়া ও জ্বর।

স্পেনের সমতাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রদ্রিগেজ এল পেরিওডিকো সংবাদপত্রকে বলেন, ‘এসব লক্ষণ কারও মধ্যে দেখা গেলে সাময়িক শারীরিক জটিলতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কাজেই পিরিয়ডের সময়কার এসব জটিলতাকেও আমাদের স্বীকার করা প্রয়োজন। এ সময়টি অত্যন্ত কষ্টকর, তাই এতে আক্রান্ত নারীদের বাড়িতে বিশ্রামের সুযোগ দেয়া উচিত।’

প্রস্তাবের খসড়াটি মঙ্গলবার স্পেনের মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন পেতে পারে। এতে ছুটির বিষয়টি ছাড়াও ঋতুস্রাবকালীন স্বাস্থ্যসুরক্ষার বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপে জোর দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে স্কুলগুলোতে স্যানিটারি প্যাড সরবরাহ, প্রান্তিক এলাকার নারীদের স্যানিটারি প্যাড ও ট্যাম্পন বিনা মূল্যে প্রদান এবং সুপার মার্কেটে এসব পণ্যের ওপর থেকে ভ্যাট বাতিল।

খসড়া প্রস্তাবে ১৬ এবং ১৭ বছর বয়সী কিশোরীদের অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই সরকারি হাসপাতালে গর্ভপাতের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদকে ঝোঁক বাড়ছে নারীর, বেশি ঝুঁকি সচ্ছল পরিবারে
নারী ডেটে ডাকলে যৌনতার সম্ভাবনা বেশি
লবণাক্ততা: পিল খেয়ে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখছে কিশোরীরা
ময়মনসিংহ থেকে রোনালডোর দেশে যাচ্ছেন তিন নারী ফুটবলার
মাসিক নিয়ে ভ্রান্তি ও অধিকারহীনতার শৃঙ্খলে নারী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রেস-জেন্ডার
Abducted girl escapes from OCC in Barisal

বরিশালে ওসিসি থেকে পালাল অপহৃত কিশোরী

বরিশালে ওসিসি থেকে পালাল অপহৃত কিশোরী বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার থেকে পালায় কিশোরী। ছবি: সংগৃহীত
গৌরনদী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা ভিকটিমকে উদ্ধার করে নিয়ম অনুযায়ী ওসিসিতে দিয়েছি।’

ফরেনসিক প্রতিবেদনের জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো কিশোরী পালিয়ে গেছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল জলিল হাওলাদার জানান, বুধবার সকালে ওই কিশোরী ওসিসি থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল জলিল হাওলাদার বলেন, ‘গৌরনদী মডেল থানার একটি অপহরণ মামলার অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। তার ফরেনসিক প্রতিবেদনের জন্য ২৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ তাকে ওসিসিতে দেয়।

‘পরে সকালে ফরেনসিক পরীক্ষায় নেয়ার জন্য অনেক খোঁজার পরও তাকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিশোরী প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করেছে। সে খুব চালাক। তাকে ওসিসিতে দেয়ার সময় তার সঙ্গে অভিভাবক দেয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা না দিয়ে শুধু কিশোরীকে দিয়ে গেছে। ওই কিশোরী সুযোগ পেয়ে পালিয়েছে।’

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, ওসিসি থেকে এক কিশোরী পালিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, যতটুকু তথ্য রয়েছে, কিশোরী তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তাকে উদ্ধার ও প্রেমিককে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াধীন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা ভিকটিমকে উদ্ধার করে নিয়ম অনুযায়ী ওসিসিতে দিয়েছি। সেখান থেকে পালিয়ে গেলে দোষ তো আমাদের নয়।’

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
The police claim that there is evidence of student harassment against teacher Murad

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মুরাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। তার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।’

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তির ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করে কিছু অডিও-ভিডিও ক্লিপ পাওয়া যায়। ডিভাইস দুটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

‘ওই শিক্ষক আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। আমরা অনেক তথ্য পাচ্ছি। আসামি এসব অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।’

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘স্কুলের পাশে কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।

‘একাধিক ছাত্রীর বেশকিছু অডিও রেকর্ডিং ও কথোপকথনে এর প্রমাণ মিলেছে। তিনি পড়ানোর সময় শিক্ষার্থীদের কুরুচিপূর্ণ কৌতুক শোনাতেন বলেও জানা গেছে।’

মুরাদকে রিমান্ডে নিয়ে কী তথ্য পাওয়া গেছে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘যে অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশ হেফাজতে দুদিন জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তার সত্যতা পাওয়া গেছে।

‘গত বছরের নভেম্বরে ওই শিক্ষার্থী যে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়, তার প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছে পুলিশ। তবে ওই ঘটনা জানাজানি হলে মা-বাবার সম্মানহানি হবে এবং স্কুল থেকে তাকে বের করে দেয়া হবে এমন আশঙ্কায় নির্যাতিত ছাত্রী কাউকে কিছু জানায়নি।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘২৬ ফেব্রুয়ারি এক শিক্ষার্থীর মা লালবাগ থানায় এসে অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত, তখন সে ওই শিক্ষকের কোচিংয়ে পড়তে যেত। মেয়েটিকে গত বছরের ১০ মার্চসহ বিভিন্ন সময় নানাভাবে যৌন নিপীড়ন করেছেন শিক্ষক মুরাদ।’

তিনি বলেন, ‘এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও এমন অভিযোগ এসেছে। এ নিয়ে কিছু অভিভাবক ও তাদের সন্তানদের বক্তব্য শোনেন কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ ঘটনায় স্কুলে মানববন্ধনও হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলা হওয়ার পর ওই রাতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফৌজদারি অপরাধ কখনও তামাদি হয়ে যায় না। আর শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রমাণের জন্য মেডিক্যাল প্রতিবেদন জরুরি নয়। অভিযোগ প্রমাণের জন্য আরও অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে।

‘আমরা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকারের বিষয়ে সংবেদনশীল। যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অপরাধ কত দিন, কত জায়গায়, কতবার হয়েছে, সবই তদন্তের আওতায় আনা হবে।’

অভিযুক্ত মুরাদ হোসেন সরকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের দিবা শাখার গণিতের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। ২০১০ সাল থেকে তিনি বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি আজিমপুর এলাকার একটি ফ্ল্যাটে কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রীদের পড়াতেন।

শিক্ষক মুরাদ কারাগারে

যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের গণিতের শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

দুদিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম।

একইসঙ্গে আসামি পক্ষের আইনজীবী চিকিৎসার আবেদন করলে কারাবিধি মোতাবেক তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় আদালত।

সোমবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর কলাবাগানের বাসা থেকে মুরাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই রাতেই ভিকারুননিসা স্কুলের গভর্নিং বডির জরুরি সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে অধ্যক্ষ বরাবর অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের একাংশ ও তাদের অভিভাবকদের আন্দোলনের মুখে শনিবার স্কুল কর্তৃপক্ষ এই শিক্ষককে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করে।

পরদিন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্কুল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ রিমান্ডে
যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
The language of womens protest is the curved tip selfie

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি ফেসবুকজুড়ে কপালের টিপ সরিয়ে হচ্ছে প্রতিবাদ। ছবি: সংগৃহীত
অপি করিম বলেন, ‘পরিবারে নারীর প্রতি সহিংসতা যেমন বাড়ছে তেমনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনে এই হয়রানির মাত্রা বেড়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নারীদের কপালের বাঁকা টিপের সেলফি। না, এটি কোনো ট্রেন্ড নয়। চলছে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ‘অড ডট সেলফি’।

বাঙালি নারীর সাজসজ্জায় টিপের ব্যবহার কারও অজানা নয়। নারীর চিরাচরিত এই টিপই এবার হয়ে উঠেছে নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা। ‘আমার প্রতিবাদের ভাষা #odddotselfie’ স্লোগানে রেডিও স্বাধীনের উদ্যোগে চলছে এই অভিনব প্রতিবাদ, যাতে সাড়া দিয়েছেন দেশখ্যাত অভিনয় শিল্পী ও ইনফ্লুয়েন্সাররা।

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি

মঙ্গলবার ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে সেলফি পোস্ট করে এই প্রতিবাদ শুরু করেন তারা। কপালের মাঝখান থেকে টিপ একটু সরিয়ে সেলফি তুলে হ্যাশট্যাগ odddotselfie দিয়ে পোস্ট করেন নিজ নিজ প্রোফাইলে। তারা নারীদের আহ্বান জানান সেলফি ও হ্যাশট্যাগসহ প্রতিবাদে যোগ দিতে। এরপর এটি ছড়িয়ে যেতে থাকে সাধারণ মানুষের মাঝেও।

ইনফ্লুয়েন্সাররা বলেন, আমরা নারীরা মন ভালো থাকলে টিপ পরি। এটি আমাদের কালচার। কপালের সেই টিপ সরিয়ে দিয়ে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমরা এবার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী সারা যাকের বলেন, ‘আমাদের দেশের নারীরা প্রতিদিন ঘরে বাইরে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে এটা নিয়ে কোনো প্রতিবাদই হচ্ছে না। সবাই মিলে সোচ্চার হওয়ার এখনই সময়। শুধু নিজের জন্য নয়, আশেপাশে কোনো নারীকে নির্যাতিত হতে দেখা মাত্র প্রতিবাদ করা উচিত।’

অপি করিম বলেন, ‘পরিবারে নারীর প্রতি সহিংসতা যেমন বাড়ছে তেমনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনে এই হয়রানির মাত্রা বেড়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।’

যেকোনো নির্যাতনের শিকার হলে নারীরা বেশিরভাগ সময় তা মুখ বুজে সহ্য করে নেন। কিন্তু নারীর প্রতি সহিংসতা নারীরা মুখ খুললেই বন্ধ হবে। সেই লক্ষ্যেই ‘আমার প্রতিবাদের ভাষা #odddotselfie’ স্লোগানে চলছে এই প্রতিবাদ।

আরও পড়ুন:
সংরক্ষিত নারী আসনে সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
জামানত হারানো প্রার্থীকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন জাপার
সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
অভিনেত্রীদের ফরম কেনা নিয়ে আওয়ামী লীগে ক্ষোভ
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ১৫৪৯ নারী

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Stay at the engineers house to get wifes rights

স্ত্রীর অধিকার পেতে প্রকৌশলীর বাড়িতে অবস্থান

স্ত্রীর অধিকার পেতে প্রকৌশলীর বাড়িতে অবস্থান স্ত্রীর অধিকার দাবিতে কোটালীপাড়ায় এক প্রকৌশলীর বাড়িতে এক নারীর অবস্থান। ছবি: নিউজবাংলা
ওই নারী বলেন, ‘২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর আমার সঙ্গে প্রকৌশলী আহাদ মোল্লার বিয়ে হয়। বিয়ের পর আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঢাকায় বসবাস করতে থাকি। এ খবর দুই পরিবারে জানাজানি হলে ২০২২ সালের ৯ ডিসেম্বর পুনরায় সামাজিকভাবে আমাদের বিয়ে হয়। কিন্তু সে এখন কোনো যোগাযোগ রাখছে না। এজন্য স্ত্রীর অধিকার পেতে এখানে এসেছি।’

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় স্ত্রীর দাবি নিয়ে আহাদ মোল্লা নামে এক প্রকৌশলীর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী। স্ত্রীর স্বীকৃতি না দিলে এখানেই আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি।

অভিযুক্ত আহাদ মোল্লা কোটালীপাড়া উপজেলার সিতাইকুন্ড গ্রামের মোস্তফা মোল্লার ছেলে। তিনি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের প্রকৌশলী বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে ওই নারী প্রকৌশলী আহাদ মোল্লার বাড়ির উঠোনে একটি গাছের নিচে অবস্থান নিয়েছেন।

ওই নারী বলেন, ‘দীর্ঘদিন প্রেম করার পর ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর আমার সঙ্গে প্রকৌশলী আহাদ মোল্লার বিয়ে হয়। বিয়ের পর আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঢাকায় বসবাস করতে থাকি। এ খবর দুই পরিবারে জানাজানি হলে ২০২২ সালের ৯ ডিসেম্বর পুনরায় সামাজিকভাবে আমাদের বিয়ে হয়।

‘কিন্তু দ্বিতীয়বার বিয়ের কিছুদিন পর হঠাৎ করে আহাদ আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে সে কোনো যোগাযোগ করছে না। নিরুপায় হয়ে স্ত্রীর দাবি নিয়ে আহাদের বাড়িতে এসে উঠেছি। সে আমাকে স্ত্রীর মর্যাদা না দিলে এ বাড়িতেই আত্মহত্যা করব।’

এদিকে ওই নারী বাড়িতে এসে ওঠার খবর পেয়ে প্রকৌশলী আহাদ মোল্লা ও তার পরিবারের লোকজন অন্যত্র চলে যান।

প্রতিবেশী নেয়ামুল ফকির ও খলিল শেখ বলেন, ‘আহাদ মোল্লার সঙ্গে ওই নারীর সামাজিকভাবে যে বিয়ে হয়েছে তা আমরা সবাই জানি। বিয়ের পর আহাদ মোল্লা তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করত। এখন তাদের মাঝে কী হয়েছে তা আমাদের জানা নেই।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য আহাদ মোল্লার বাড়িতে গিয়ে তাদের পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। আর আহাদ মোল্লা ঢাকায় থাকায় তার সঙ্গে একাধিক বার মোবাইল ফোনে যোগযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Rape victim abducted from Khumek hospital rescued in Jessore

খুমেক হাসপাতাল থেকে অপহৃত ‘ধর্ষণের শিকার’ তরুণী যশোরে উদ্ধার

খুমেক হাসপাতাল থেকে অপহৃত ‘ধর্ষণের শিকার’ তরুণী যশোরে উদ্ধার
ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা ওই তরুণীকে রোববার বিকেলে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে অপহরণ করা হয়। তাকে যশোরের কেশবপুর থেকে উদ্ধারের পর রাত ১১টায় খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় নিয়ে আসা হয়। এর আগে এজাজ আহমেদের ভাইকে আটক করে পুলিশ।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল থেকে অপহরণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় নিয়ে আসা হয়। এর আগে তাকে যশোরের কেশবপুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘ওই তরুণীকে থানায় নিয়ে এসে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

ভুক্তভোগী তরুণী হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি ছিলেন। রোববার বিকেল ৫টার দিকে হাসপাতালের ওসিসি থেকে ছাড়পত্র দেয়ার পর তাকে অপহরণ করা হয়েছিল।

ওই তরুণী ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন।

ওই তরুণীকে উদ্ধারের আগে অপহরণ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রুদাঘরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুজ্জামানকে পুলিশ আটক করে। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদের চাচাতো ভাই।

তরুণীকে অপহরণের সময় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল।

সংস্থাটির খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ওসিসির সামনে আগে থেকে একটি মাইক্রোবাস নিয়ে ১০ থেকে ১২ ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ওই তরুণী ছাড়পত্র নিয়ে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসটিতে তুলে নেয়া হয়।

‘ওই সময়ে আমাদের দলের সদস্যদের মারধর করা হয়। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে রুদাঘরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুজ্জামান তাদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ওই তরুণী আইনি সহায়তার জন্য থানায় যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করা হয়।’

মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে যদি একজন ভিকটিম এসে নিরাপত্তা না পায়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? একজন প্রভাবশালী ধর্ষণ করবে, আর ভিকটিমকে থানা পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। এভাবে অপহরণ করে নেয়া হল, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ কী?’

ওই তরুণীকে শনিবার রাত সোয়া ১১টায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছিল। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ডুমুরিয়ার শাহপুরে উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

ওই তরুণীর ভাই বলেন, ‘শনিবার রাত ৮টার দিকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আমার বোনকে ধর্ষণ করেছে উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ। তখন আমার বোন বিয়ের দাবি করলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আমার বোনকে সে তাড়িয়ে দেয়।’

তিনি বলেন, ‘মধুগ্রাম কলেজ ও উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয় পাশাপাশি অবস্থিত। আমার বোন কলেজের ছাত্রী হওয়ায় চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কয়েক বছর ধরে আমার বোনকে ধর্ষণ করে আসছে।

‘বোন ৬ মাস আগে আমাকে ঘটনা খুলে বলে। তবে আমরা সম্মানের ভয়ে কাউকে বলিনি। এখন চেয়ারম্যান বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। আমার বোনও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা এখন আইনি ব্যবস্থা নিতে চাই।’

আরও পড়ুন:
৮ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৫৮ বছরের প্রৌঢ় আটক
ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কিশোরীকে শ্বাসরোধে হত্যা: পুলিশ
তরুণী অন্তঃসত্ত্বা, দুই লাখে প্রেমিককে রেহাই দিলেন ইউপি সদস্য
শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আটক
প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করানোর নামে ভাগ্নিকে ধর্ষণ, মামা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Two mothers die every hour in Gaza UN

গাজায় প্রতি ঘণ্টায় দুজন মায়ের প্রাণহানি: জাতিসংঘ

গাজায় প্রতি ঘণ্টায় দুজন মায়ের প্রাণহানি: জাতিসংঘ গাজার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য সংগ্রহ করছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা। ছবি: ইউএনআরডব্লিউএ
ইউএন উইমেনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয় ২৪ হাজার ৬২০ ফিলিস্তিনি, যাদের ৭০ শতাংশই নারী কিংবা শিশু।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে প্রত্যেক ঘণ্টায় দুজন করে মা প্রাণ হারাচ্ছেন বলে ইউএন উইমেনের শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করে জাতিসংঘের আওতাধীন ইউএন উইমেন।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয় ২৪ হাজার ৬২০ ফিলিস্তিনি, যাদের ৭০ শতাংশই নারী কিংবা শিশু।

এতে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে গাজার মোট জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ তথা ১৯ লাখ মানুষ। ইউএন উইমেনের হিসাব অনুযায়ী, তাদের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ নারী ও মেয়ে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজার মোট জনসংখ্যা ২২ লাখের মতো, যারা তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছেন।

গাজায় প্রাণহানির ব্যাপকতা তুলে ধরতে গিয়ে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সিমা বাহুস বলেন, ‘এরা মানুষ, সংখ্যা নয় এবং আমরা তাদের রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছি।’

ইউএন উইমেন গাজার নারীদের ওপর যৌন সহিংসতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, জড়িতদের দায়ী করার পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার ও সহায়তা দিতে হবে।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র চান না নেতানিয়াহু
গাজা ছাড়লেন আল জাজিরার ব্যুরো চিফ
ইসরায়েলি বন্দিদের ভিডিও প্রচার করে হামাস বলল, পরিণতিও জানানো হবে
গাজা যুদ্ধের ১০০ দিন: দেশে দেশে বিক্ষোভ
গাজায় ইসরায়েলের হামলা ৪ ঘণ্টা স্থগিত

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
UP chairman who won the boat symbol says women leadership is forbidden

‘নারী নেতৃত্ব হারাম’ বললেন নৌকা প্রতীকে বিজয়ী ইউপি চেয়ারম্যান

‘নারী নেতৃত্ব হারাম’ বললেন নৌকা প্রতীকে বিজয়ী ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনী প্রচারে নারী বিদ্বেষী কথা বলে আলোচনায় মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ একরাম ইজারাদার। কোলাজ: নিউজবাংলা
ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান একরাম বলছেন, ‘আমরা গজবের ভিতর নিয়োজিত আছি এতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। জনগণের কোনো শান্তি নেই, সুখ নেই; কারণ নারী নেতৃত্ব হারাম। আমরা নারী নেতৃত্বের অধীনে এখানে রয়েছি।’

বাগেরহাটের মোংলায় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়ে নারী নেতৃত্বকে হারাম বলে আলোচনায় এসেছেন উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ একরাম ইজারাদার।

সম্প্রতি একটি নির্বাচনি জনসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

বক্তব্যটির সত্যতা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৪১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান একরাম বলছেন, ‘আমরা গজবের ভিতর নিয়োজিত আছি এতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। জনগণের কোনো শান্তি নেই, সুখ নেই; কারণ নারী নেতৃত্ব হারাম। আমরা নারী নেতৃত্বের অধীনে এখানে রয়েছি।

‘আমাদের ভোটটা হাবিবুন নাহারকে দিয়ে আমরা দুইবার তাকে প্রতিষ্ঠিত করছি। তাই আমাদের এখানে কোনো সুখ-শান্তি অবস্থান করে নাই। যেটা সত্য কথা, সেটা আপনাদের এখানে আমি বলে গেলাম। উনি একজন নারী; রাজনীতি, সমাজনীতির তিনি বোঝেন কী?’

মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা বক্তব্যটি শুনেছি। বক্তব্যটি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

বিতর্কিত বক্তব্য দেয়া চেয়ারম্যান একরাম ইজারাদার বলেন, ‘মূলত আওয়ামী লীগ বা নৌকা প্রতীককে উদ্দেশ্য করে আমি এসব কথা বলিনি। জামায়াতের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দিতে গিয়ে আমি এসব কথা বলেছি।

‘এ ছাড়া উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বিভিন্ন সময় তার বরাদ্দ থেকে আমাদের বঞ্চিত করেছেন। যার কারণে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারাদারের নির্বাচন করছি।’

উল্লেখ্য, মোংলা-রামপাল নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-৩ আসনে এবার সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নৌকার প্রার্থী হাবিবুন নাহারের সঙ্গে নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারাদারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মামাত-ফুফাত ভাই-বোনের মনোনয়ন লড়াই শেষ, এবার ভোটের লড়াই
৬২ জেলায় প্রস্তুত সেনা, প্রয়োজনে উড়বে বিমানও
ভোটের মাঠ থেকে ছিটকে পড়লেন কাউন্সিলর মানিক
নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেয়া যাবে না: ইসি আনিছুর
ঈগলকে কাউয়া বলে কটাক্ষ, ক্ষমা চাইলেন নৌকার প্রার্থী দারা

মন্তব্য

p
উপরে