× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রেস-জেন্ডার
বঙ্গমাতার জন্মদিনে টাকা সেলাই মেশিন পাবেন দুস্থ নারীরা
hear-news
player
google_news print-icon

বঙ্গমাতার জন্মদিনে টাকা, সেলাই মেশিন পাবেন দুস্থ নারীরা

বঙ্গমাতার-জন্মদিনে-টাকা-সেলাই-মেশিন-পাবেন-দুস্থ-নারীরা
দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশে ২ হাজার দুস্থ ও অসহায় নারীকে ২ হাজার টাকা করে ৪০ লাখ টাকা এবং ৪ হাজার সেলাই মেশিন বিতরণ করা হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের (বঙ্গমাতা) জন্মবার্ষিকী ৮ আগস্টে দুস্থ ও অসহায় নারীদের মধ্যে ৪০ লাখ টাকা ও ৪ হাজার সেলাই মেশিন বিতরণ করবে সরকার।

জাতীয় বঙ্গমাতা দিবস উদযাপন ও পদক প্রদান যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে বুধবার অনলাইনে আয়োজিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশে ২ হাজার দুস্থ ও অসহায় নারীকে ২ হাজার টাকা করে ৪০ লাখ টাকা এবং ৪ হাজার সেলাই মেশিন বিতরণ করা হবে।

এদিন সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো সজ্জিত করা, বিলবোর্ড স্থাপন, স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ, বাংলা ও ইংরেজিতে পোস্টার তৈরি ও বিতরণ, বঙ্গমাতার জীবন ঘিরে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, ডিজিটাল শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ এবং মোবাইলে এসএমএস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকীতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রথমবারের মতো ৮ আগস্টকে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হবে।

এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘বঙ্গমাতা সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী’।

সভায় প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, “সরকার ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের জন্মদিবসকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া বঙ্গমাতার অবদান চিরস্মরণীয় করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব পদক নারীদের জন্য ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত সর্বোচ্চ জাতীয় পদক প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”

এদিন আটটি ক্ষেত্রে নারীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সর্বোচ্চ ৫ জন বাংলাদেশি নারীকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব পদক দেয়া হবে।

পদকপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ৪০ গ্রাম সোনা দিয়ে নির্মিত পদক, পদকের রেপ্লিকা, চার লাখ টাকা এবং সম্মাননাপত্র দেয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। গণভবন, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় গোপালগঞ্জ প্রান্তে সরাসরি সংযুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানটি উদযাপন হবে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিদেশি মিশন ও দূতাবাসগুলোও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি নিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব সায়েদুল ইসলামের সঞ্চালনায় আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সংযুক্ত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন, আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের একাধিক প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা।

আরও পড়ুন:
নীলফামারীতে শুরু বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
বঙ্গমাতার নামে পদক দেবে সরকার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রেস-জেন্ডার
Sarah Cook is the new UK High Commissioner to Bangladesh

সারাহ কুক বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের নতুন হাইকমিশনার

সারাহ কুক বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের নতুন হাইকমিশনার সারাহ কুক
রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসনের স্থলাভিষিক্ত হবেন সারাহ। এর আগে তিনি ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ডিএফআইডি) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিলেন।

সারাহ কুক বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তর বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসনের স্থলাভিষিক্ত হবেন সারাহ। এর আগে তিনি ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ডিএফআইডি) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিলেন।

২০২০ সাল পর্যন্ত সারাহ তাঞ্জানিয়ায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার ছিলেন। সেই দায়িত্ব শেষে তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তরে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মন্তব্য

শপথ নিলেন ৬ এমপি

শপথ নিলেন ৬ এমপি
বিএনপির দলীয় এমপিদের পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়ায় ৬টি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১ ফেব্রুয়ারি। তাদেরকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ীরা শপথ নিয়েছেন। বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

বিএনপির দলীয় এমপিদের পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়ায় ৬টি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১ ফেব্রুয়ারি।

শপথ নেয়া ছয় সংসদ সদস্যরা হলেন: ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ (জাতীয় পার্টি), বগুড়া-৪ এর এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (জাসদ), বগুড়া-৬ এর রাগেবুল আহসান রিপু (আওয়ামী লীগ), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ এর মু. জিয়াউর রহমান (আওয়ামী লীগ), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ এর মো. আব্দুল ওদুদ (আওয়ামী লীগ) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এর উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র)।

সংসদ ভবন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ আতিউর রহমান আতিক, মো. মুজিবুল হক চুন্নু, শিরীন আখতার, ফখরুল ইমাম, সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, ফেরদৌসী ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Irfan Selims trial begins arrest warrant issued

ইরফান সেলিমের বিচার শুরু, গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

ইরফান সেলিমের বিচার শুরু, গ্রেপ্তারে পরোয়ানা ফাইল ছবি
২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এর মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য শুরু হলো।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এদিন ইরফান সেলিম আদালতে হাজির না হওয়ায় তার আইনজীবী সময় আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ মার্চ দিন ঠিক করেন বিচারক।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন ইরফান সেলিমের দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা, গাড়িচালক মিজানুর রহমান, মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এ বি সিদ্দিক দীপু ও সহযোগী কাজী রিপন।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে চান।

তখন গাড়ি থেকে ইরফানের সঙ্গে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন। তার স্ত্রীকে গালিগালাজ করেন।

এ ঘটনার পরদিন ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদুল মোল্লা, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
হাজী সেলিমপুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
আদেশ পৌঁছালেই কারাগার ছাড়বেন ইরফান সেলিম
ইরফানের জামিন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের শুনানি ১৯ এপ্রিল

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
LOCAL ELECTIONS A League calls for collection of nomination forms

স্থানীয় নির্বাচন: আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফরম সংগ্রহের আহ্বান

স্থানীয় নির্বাচন: আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফরম সংগ্রহের আহ্বান
১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির কার্যালয়ে ফরম পাওয়া যাবে।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত দেশের ৬টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা ও ৬২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের আহবান জানিয়েছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দলের সভাপতির কার্যালয়ে ফরম পাওয়া যাবে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে ফরম সংগ্রহ করে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে একই সময়ের মধ্যে তা জমা দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে এবং অতিরিক্ত লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে।

আরও পড়ুন:
৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ৫৩ নেতা
বাংলাদেশে আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না: তোফায়েল 
সিলেটে প্রস্তুত হচ্ছে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মঞ্চ
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Hero Alams gift car fitness tax remaining 45 lakhs

হিরো আলমের উপহারের গাড়ির ফিটনেস-ট্যাক্সে বাকি সাড়ে ৪ লাখ টাকা

হিরো আলমের উপহারের গাড়ির ফিটনেস-ট্যাক্সে বাকি সাড়ে ৪ লাখ টাকা উপহার পাওয়া গাড়ির সঙ্গে হিরো আলম। ছবি: সংগৃহীত
টয়োটা নোয়া ১৯৯৮ মডেলের পুরনো এই গাড়িটির ফিটনেস শেষ হয়েছে এক দশক আগে। একই সময় মেয়াদউত্তীর্ণ হয়েছে ট্যাক্স টোকেনেরও। সব মিলিয়ে গাড়িটি রাস্তায় নামাতে হলে সরকারকে হিরো আলমের পরিশোধ করতে হবে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা।

উপহারের গাড়ি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। এই গাড়ির নেই ফিটনেসের মেয়াদ, পরিশোধ করা নেই ট্যাক্সও।

সোমবার হবিগেঞ্জর চুনারুঘাট উপজেলার শিক্ষক এম মুখলিছুর রহমান তাকে এই গাড়ি উপহার দিয়েছেন। তবে ওই ফি জমা না দিয়ে গাড়ি রাস্তায় বের করতে পারবেন না হিরো আলম।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য বলছে, টয়োটা নোয়া ১৯৯৮ মডেলের পুরনো এই গাড়িটির ফিটনেস শেষ হয়েছে এক দশক আগে। একই সময় মেয়াদউত্তীর্ণ হয়েছে ট্যাক্স টোকেনেরও। সব মিলিয়ে গাড়িটি রাস্তায় নামাতে হলে সরকারকে হিরো আলমের পরিশোধ করতে হবে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার দুটি আসন থেকে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হিরো আলমকে গত ৩০ জানুয়ারি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের প্রিন্সিপাল এম মুখলেছুর রহমান তার ব্যবহৃত গাড়িটি উপহার দেয়ার ঘোষণা দেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ঘোষণার পর হিরো আলম গাড়িটি নিতে চাইলে মুখলেছুর রহমান গড়িমসি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচিত হন ওই শিক্ষক।

আলোচনা-সামলোচনার পর মঙ্গলবার চুনারুঘাটের নিজ বাড়িতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হিরো আলমের হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেন মুখলিছুর রহমান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি ওয়াদা করেছিলাম নির্বাচনে হিরো আলম জয়ী হোন বা না হোন পরের দিন আমার বাড়িতে আসলে আমি গাড়িটি তার হাতে তুলে দেব।

‘কিন্তু কিছু লোক বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার সমালোচনা করেছেন। এতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। আমি সিলেটবাসীর সম্মান ক্ষুন্ন করতে দেব না। সম্মানের সঙ্গে আমি হিরো আলমকে গাড়িটি তুলে দিতে পেরে খুশি।’

গাড়ি উপহার পাওয়ার পর হিরো আলম বলেন, ‘আমার ভাই ভালোবেসে আমাকে গাড়িটি উপহার দিয়েছেন। আমি এই গাড়ি গ্রহণ করলাম। তবে এই গাড়িটি আমি নিজে ব্যবহার করব না। সাধারণ মানুষের কল্যাণে অ্যাম্বুলেন্স বানানোর জন্য গাড়িটি দান করে দেব।’

হিরো আলমের হাতে তুলে দেয়ার পর পুরনো এই গাড়িটির ফিটনেস নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।

বিআরটিএর তথ্য বলছে, টয়োটা নোয়া মডেলের ১৮০০ সিসি পুরনো এই গাড়িটির ফিটনেসের মেয়াদউত্তীর্ণ হয়েছে ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই। একই বছরের ১৫ মার্চ টেক্স টোকেনের মেয়াদও শেষ হয়েছে।

রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ও ভ্যাট-টেক্সসহ সব মিলিয়ে এই গাড়িটি রাস্তায় নামাতে হলে সরকারকে পরিশোধ করতে হবে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ বিআরটিএর সহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘২০১৩ সাল থেকে ওই গাড়ির ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেস সনদ নবায়ন নেই। এছাড়া আরও বিভিন্ন বিষয় মিলিয়ে গাড়িটি রাস্তায় নামাতে হলে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা পরিশোধ করতে হবে।’

এ ব্যাপারে এম মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘২০১৮ সালে গাড়িটি ৬ লাখ টাকায় আমি এফিডেভিটের মাধ্যমে কিনেছিলাম। আমি যখন গাড়িটি কিনি তখনই এটার ফিটনেস সনদের মেয়াদউত্তীর্ণ ছিল। এছাড়া সর্বশেষ ট্যাক্সও পরিশোধ করা হয় ২০১৩ সালেই।’

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে হিরো আলম বলেন, ‘গাড়িটি নেয়ার আগে ফিটনেস ও ট্যাক্সের বিষয়টি জানতাম না। পরে জানতে পেরে কাগজপত্র যাচাই বাচাই করে বিষয়টি বুঝতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি বিআরটিএর সঙ্গে কথা বলব। যেহেতু আমি গাড়িটি মানবসেবার জন্য দান করেছি। সেহেতু মানবিক দিক বিবেচনা করে কিছু কম-বেশি করে গাড়িটি রাস্তায় নামানো যায় কি না সেটার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
উপহারের গাড়ি অ্যাম্বুলেন্সের জন্য দান করলেন হিরো আলম
উপহারের গাড়ি নিতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন হিরো আলম
হিরো আলমকে তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য শিষ্টাচারবহির্ভূত: টিআইবি

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
Tiger hunting by mixing poison in goat meat

ছাগলের মাংসে বিষ মিশিয়ে বাঘ শিকার

ছাগলের মাংসে বিষ মিশিয়ে বাঘ শিকার সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে দুজনকে আটকের পর উদ্ধার করা বাঘের চামড়া। ছবি: নিউজবাংলা
সুন্দরবনে বাঘের বিচরণ এলাকায় রেখে আসা হয় বিষমিশ্রিত মাংস। বাঘ ওই মাংস খেয়ে মারা যাওয়ার পর সেটির চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে আসা হয়। পরে এক শ্রেণির সৌখিন মানুষের কাছে তা বিক্রি করা হয় প্রায় কোটি টাকা দামে।

ছাগলের মাংসের মধ্যে কীটনাশক (বিষ) মিশিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সুন্দরবনে। বাঘের বিচরণ এলাকার আশপাশে রেখে আসা হয় সেই মাংস। এক পর্যায়ে বাঘ ওই মাংস খেয়ে মারা গেলে সেটির চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে আসা হয়। পরে এক শ্রেণির সৌখিন মানুষের কাছে তা বিক্রি করা হয় প্রায় কোটি টাকা দামে।

বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার এভাবেই সুন্দরবন থেকে শিকার করে আসছিল একটি চক্র। এদের মধ্যে দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার বিকেলে আটক করা ওই দুজন হলেন মো. হাফিজুর শেখ ও মো. ইসমাইল শেখ। তাদের বাড়ি সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ধলপাড়া গ্রামে।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘প্রথমে আমারা গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে এই বাঘ শিখার চক্রটি সম্পর্কে তথ্য পাই। পরে বাঘের চামড়া ও অঙ্গ-প্রত্যক্ষের ক্রেতা সেজে তাদেরকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বাঘের চামড়া লবণ মাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।’

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২৭ জানুয়ারি ওরা শ্যামনগর উপজেলা সংলগ্ন সুন্দরবন থেকে বাঘটি শিকার করেছিলেন। পরে সৌখিন মানুষদের খুঁজছিলেন, যারা প্রায় কোটি টাকা মূল্য দিয়ে একেকটি বাঘের চামড়া কিনে থাকে।

‘যারা এসব বাঘের চামড়া কেনে তারাও আমাদের নজরদারিতে আছে। গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকারিরা জানিয়েছেন, তারা মাছ ও গোলপাতা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সুন্দরবনে প্রবেশ করে বাঘ শিকার করতেন। সুযোগ বুঝে বনের অন্যান্য প্রাণিও শিকার করতেন তারা।

অধিনায়ক বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। একইসঙ্গে এই মামলার তদন্তভার আমাদের দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। তাহলে এই সিন্ডেকেটে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

আরও পড়ুন:
সুন্দরবনের ‘বাঘ হাবিব’ কারাগারে

মন্তব্য

রেস-জেন্ডার
There is no alternative to knowing when writing a column

‘কলাম লিখতে হলে জানার বিকল্প নেই’

‘কলাম লিখতে হলে জানার বিকল্প নেই’
সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডমীজানুর রহমান বলেন, কলাম লেখার প্রথম কথা হলো, আপনাকে পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনা না করলে, কলাম লেখা যাবে না। আপনি যে বিষয়ে কলাম লিখবেন, সে বিষয়ে প্রথমে আপনাকে জেনে নিতে হবে।

কলাম লিখতে হলে প্রথমে নিজেকে তথ্য জানতে হবে। কলাম লিখতে হলে জানার বিকল্প নেই। একটি বিষয় নিয়ে লিখার পূর্বে বিষয়টি সম্পর্কে সত্য মিথ্যা জানতে হবে।

বুধবার বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘কলাম লেখার রীতি-নীতি, কৌশল শিখন ও অনুশীলন ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপে এসব কথা বলেন বক্তারা।

বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন ফোরামের এর সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান, সংগঠনটির সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি শ্যামল দত্ত, বাংলা একাডেমির উপ পরিচালক ড. তপন বাগচী।

সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডমীজানুর রহমান বলেন, কলাম লেখার প্রথম কথা হলো, আপনাকে পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনা না করলে, কলাম লেখা যাবে না। আপনি যে বিষয়ে কলাম লিখবেন, সে বিষয়ে প্রথমে আপনাকে জেনে নিতে হবে।

অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে সামনে রেখে আমাদরেকে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে। আগামীর বিশ্ব বাজার দখল করবে তথ্য। এই তথ্য বা ইনফরমেশন যারা ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবে, যারা প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রান্স এন্ড টুইস বুঝে চলতে পারবে, তারাই টিকে যাবে।

প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি শ্যামল দত্ত শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, কলাম লেখা, রীতি-নীতি, কৌশল শিখন বিষয়ক অনুশীলন কার্যক্রমটি একটি ভালো উদ্যোগ। আপনাদেরকে এ আয়োজন করার জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি।

মন্তব্য

p
উপরে