ইন্দোনেশীয় ভাষায় রুমির নারী-জেন্ডার সমতা নিয়ে ভাবনা

ইন্দোনেশীয় ভাষায় রুমির নারী-জেন্ডার সমতা নিয়ে ভাবনা

আফিফাহ আহমাদ ইন্দোনেশিয়ার হাতে গোনা কয়েকজন নারী লেখকদের মধ্যে একজন, যিনি ইন্দোনেশীয় ভাষায় রুমিকে যথাযথ ও মনোমুগ্ধকরভাবে উপস্থাপন করে থাকেন।

পারস্যের কিংবদন্তি সুফি কবি মাওলানা জালাল উদ্দিন মুহাম্মাদ রুমিকে নিয়ে বই লিখেছেন ইন্দোনেশিয়ার নারী লেখক আফিফাহ আহমাদ। বইটি প্রকাশ করেছে ইন্দোনেশিয়ার ইসলামিক স্টাডিজবিষয়ক সাময়িকী আফকারুনা

দেশটির রাজধানী জাকার্তায় ইরানিয়ান কালচারাল অফিস স্থানীয় সময় শনিবার বিষয়টি জানায় বলে তেহরান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রুমি’জ বুক অফ লাভ অ্যান্ড সুফিস্টিক ভারসেস নামের বইটি নিয়ে প্রকাশক বলেন, ‘এতে রুমির আধ্যাত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে।’

আফিফাহ আহমাদ ইন্দোনেশিয়ার হাতে গোনা কয়েকজন নারী লেখকদের মধ্যে একজন, যিনি ইন্দোনেশীয় ভাষায় রুমিকে যথাযথ ও মনোমুগ্ধকরভাবে উপস্থাপন করে থাকেন।

রুমিকে নিয়ে আফিফাহর নতুন এ বইতে ভালোবাসা ও মানবতার জয়গান গাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নারী ও জেন্ডার সমতা নিয়ে রুমির চিন্তা-ভাবনারও প্রতিফলন ঘটেছে।

পারস্যের আধ্যাত্মিক কবির বহুল আলোচিত গ্রন্থ মাসনাভি-ইয়ে-মানাভি পড়তেও পাঠকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রকাশক।

রুমি’জ বুক অফ লাভ অ্যান্ড সুফিস্টিক ভারসেস গ্রন্থে রুমির চিন্তা ও রচনার গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন আফিফাহ। বইটি লেখার সময় পারস্যের অন্য জ্ঞানী ব্যক্তিদেরও সহায়তা নেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, ইন্দোনেশীয় ভাষায় লেখা রুমি’জ বুক অফ লাভ অ্যান্ড সুফিস্টিক ভারসেস পারস্য সুফি কবির কর্মযজ্ঞ নিয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য রচনা।

বইটির ভূমিকায় আফিফাহ বলেন, ‘রুমিকে নিয়ে কথা হচ্ছে, অথচ সেখানে ভালোবাসার প্রসঙ্গ থাকবে না, এ অসম্ভব; ঠিক যেমন বাতাস ও পানি ছাড়া জীবন নিয়ে কথা বলা অর্থহীন।’

তিনি বলেন, ‘মানুষের কাজই হচ্ছে জগতের জন্য হিতকর প্রিয় মানুষ হতে শেখা। অনবরত এ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা তাদের প্রিয়জনের সন্ধান পাচ্ছেন।’

আরও পড়ুন:
জেন্ডার রিভিল পার্টির বিস্ফোরণে কাঁপল নিউ হ্যাম্পশায়ার
দুই বেলা ভাত দেন, আর কিছু চাই না
তরুণী আকাঙ্ক্ষাই কি জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব
ফেসবুকের বিজ্ঞাপনেও জেন্ডার পক্ষপাত

শেয়ার করুন

মন্তব্য