20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
১৯ নভেম্বর পুরুষের দিন

১৯ নভেম্বর পুরুষের দিন

দেশ ও পরিবারিক পাঁচ ক্ষেত্রে পুরুষের দায়িত্বের স্বীকৃতি জানানো হয় এই দিনে। ক্ষেত্রগুলো হলো জাতি, সমাজ, গোষ্ঠী, পরিবার, বৈবাহিক জীবন ও সন্তানের যত্ন।

বিশ্বে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো দিবস উদযাপন করা হয়। ১৯ নভেম্বরের দিনটি হচ্ছে পুরুষের। অর্থাৎ ওই দিন ‘আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস’।

প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর বিশ্বে দিনটি পালিত হয়। পরিবার,সমাজ তথা পুরো পৃথিবীর প্রতি পুরুষের ইতিবাচক আচরণকে সম্মান জানাতে এবং পুরুষদের কল্যাণ ও জেন্ডার সমতা প্রচার করার জন্য এই দিনটি পালন করা হয়।

এই বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বেটার হেলথ ফর ম্যান অ্যান্ড বয়েস’। অর্থাৎ ‘পুরুষ ও ছেলেদের জন্য সুস্বাস্থ্য’।

রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও পিতৃতন্ত্র ও সামাজিক রীতিনীতির কারণে নানা নেতিবাচক পরিস্থিতির শিকার হয়। তাদেরও মানসিক সংকট দেখা দেয় এবং তারাও আত্মহত্যার মতো বিধ্বংসী পথ বেছে নেয়। তাই দেশ ও পরিবারিক পাঁচ ক্ষেত্রে পুরুষের দায়িত্বের স্বীকৃতি জানানো হয় এই দিনে। ক্ষেত্রগুলো হলো জাতি, সমাজ, গোষ্ঠী, পরিবার, বৈবাহিক জীবন ও সন্তানের যত্ন।

পুরুষ দিবসের ছয়টি লক্ষ্য রয়েছে যার মধ্যে - পুরুষদের ইতিবাচক ভূমিকা প্রচার, পুরুষের অবদান উদযাপন, তাদের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণের বিষয়ে মনোযোগ দেয়া, পুরুষ ও ছেলেদের প্রতি বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরা, জেন্ডার সম্পর্কের উন্নতি ও জেন্ডার সমতা প্রচার এবং সবার জন্য একটি নিরাপদ বিশ্ব তৈরি করা।

ইন্টারন্যাশনাল মেন’স ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, ১৯৬০ সাল থেকে এই দিনটি উদযাপনের দাবি উঠলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ১৯৯৯ সালে ড. জেরম তিলক সিংয়ের হাত ধরে।

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসটি মূলত ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করেছিলেন টমাস অস্টার। পুরুষদের অধিকার নিয়ে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিক সমাজের নানা ক্ষেত্রে পুরুষের অবদানকে উদযাপনের জন্য এই উদ্যোগ নেন। অস্টারের পাশাপাশি আরও অনেকে এমন উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সেভাবে সাড়া মেলেনি।

১৯৯৯ সালের ১৯ নভেম্বরের আগ পর্যন্ত এই দিনটি আলোর মুখ দেখেনি। ড. জেরম তিলক সিংয়ের উদ্যোগে পুনরায় দিনটি পালিত হয়। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) দিনটিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়।

তখন এটা ক্যারিবীয় দেশগুলোর ব্যাপক সমর্থন পায়। এর পরের দিনই আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নজরে পরে বিষয়টি।

এখন ক্যারিবীয় দেশগুলো ছাড়াও সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র,দক্ষিণ আফ্রিকা, হাইতি, জ্যামাইকা, হাঙ্গেরি, মাল্টা, ঘানা, মলদোভা, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশ দিনটি ঘটা করে উদযাপন করে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য