× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

ফুটবল
The instability of Salauddin Chunnu in Malaysia at that time with the coup in Bangladesh
hear-news
player
google_news print-icon

বঙ্গবন্ধু হত্যার দিন মালয়েশিয়ায় অস্থির ছিলেন সালাউদ্দিন-চুন্নুরা

বঙ্গবন্ধু-হত্যার-দিন-মালয়েশিয়ায়-অস্থির-ছিলেন-সালাউদ্দিন-চুন্নুরা
মারদেকা প্রতিযোগিতায় যাওয়ার আগে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জাতীয় দলের ছবি। ছবি: সংগৃহীত
এই খবর শুনে বড় ধাক্কা খেলেন ফুটবলাররা। যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না তাদের। সেদিনকার ম্যাচটাও বাতিল করতে চেয়েছিল দল। পরে ফিফা আয়োজিত টুর্নামেন্ট বলে ম্যাচ খেললেন। তবে কালো ব্যাজের পাশাপাশি লাল-সবুজ পতাকা অর্ধনমিত রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সবাই।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে যখন হত্যা করা হয়, তখন মারদেকা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিল জাতীয় ফুটবল দল।

ঢাকার পরিস্থিতি নিয়ে তখন কুয়ালালামপুরে অস্থিরতা বিরাজ করছিল সালাউদ্দিন-চুন্নুদের ফুটবল শিবিরে।

বিকেলে ম্যাচ থাকায় সেদিন সকালে নাশতা করছিলেন সালাউদ্দিনরা। দলের অধিনায়ক তিনি। এমন সময় এক ভারতীয়ের কাছে অভ্যুত্থানের ঘটনা শোনেন। তখনও বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কিছু জানতেন না জাতীয় ফুটবলাররা।

সেই স্মৃতি মনে করে কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘১৫ আগস্টে কুয়ালালামপুরে আমাদের ম্যাচ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে। খেলা আমাদের বিকেলে। ব্রেকফাস্ট করছিলাম ৯-১০টার দিকে। তখন আমার ও কামালের বন্ধু তান্না আসে হংকং থেকে খেলা দেখার জন্য। ও জানত কামাল এসেছে আমাদের সাথে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আসা হয় নাই কামালের সেটা জানত না।

‘ওই সময়ে একজন শিখ ভদ্রলোক আমাদের সামনে আসলেন। বললেন যে, আমাদের দেশে ক্যু হয়েছে। উনি আর আমাদের বিস্তারিত দিতে পারেননি। তখন তো মোবাইল-টেলিভিশন ছিল না এভাবে। টেলেক্স মেশিনে একটা বার্তা দেখে আমাদের তথ্যটা দিয়েছে।’

এই খবর শুনেই হন্তদন্ত হয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যান সালাউদ্দিনরা।

বাফুফের বর্তমান সভাপতি বিস্তারিত বলেন পুরো ঘটনা।

‘ট্র্যাকস্যুট পরা অবস্থায় আমি আর তান্না ট্যাক্সি নিয়ে চলে গেলাম বাংলাদেশ অ্যাম্বাসিতে। সেখানে গিয়ে মনে হলো শ্মশানঘাট। শুধু একজন রিসেপশনে বসা। পরে তাকে জিজ্ঞেস করলাম অ্যাম্বাসেডর আছে? পরে অ্যাম্বাসেডরের সঙ্গে দেখা করে জিজ্ঞেস করলাম যে ঘটনা কী? তিনিও ডিটেইলস বলতে পারলেন না।’

পরে দুপুর গড়াতে না গড়াতেই পুরো ঘটনা জানতে পারে জাতীয় দল। এই খবর শুনে বড় ধাক্কা খেলেন ফুটবলাররা। যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না তাদের। সেদিনকার ম্যাচটাও বাতিল করতে চেয়েছিল দল। পরে ফিফা আয়োজিত টুর্নামেন্ট বলে ম্যাচ খেললেন। তবে কালো ব্যাজের পাশাপাশি লাল-সবুজ পতাকা অর্ধনমিত রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সবাই।

সেই ম্যাচে খেলা তারকা ফুটবলার ও বর্তমানে আবাহনী লিমিটেডের পরিচালক আশরাফ উদ্দিন চুন্নু বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই ম্যাচটি খেলতে চাইনি। দেশে এত বড় ঘটনা ঘটে গেছে। এরপর কীভাবে খেলি। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে খেলতে হয়েছে।

‘তবে আমরা আয়োজকদের রাজি করিয়েছি কালো ব্যাজ পরে খেলব। খেলার সময় মাঠের বাইরে আমাদের লাল-সবুজ পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। ওরাও সহমর্মিতা জানিয়ে সব দাবি মেনে নিয়েছে। ম্যাচটি কোনোমতে খেলে চার গোলে হেরে যাই।’

মারদেকা টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার আগে একটি অনুষ্ঠানে শেষবার বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় জাতীয় ফুটবল দলের। সেই স্মৃতি মনে করতে গিয়ে ভেঙে পড়েন কাজী সালাউদ্দিন। বলেন, ‘আগস্ট মাসে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার দেখা হয়। ৭ই আগস্ট। বঙ্গবন্ধু কর্নারে দেখবেন জাতীয় দলের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর একটা ছবি আছে। সেটাই তার সঙ্গে আমাদের শেষ স্মৃতি।’

বন্ধু শেখ কামালেরও যাওয়ার কথা ছিল মালয়েশিয়ায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে বঙ্গবন্ধুর আসার কথা থাকায় জাতীয় দলের সঙ্গে যাওয়া হয়নি কামালের। ভারাক্রান্ত মনে সালাউদ্দিন সেই স্মৃতি টেনে আনলেন।

তিনি বলেন, ‘কামালের সঙ্গে আমার দেখা হয় ৮ই আগস্টে। মালয়েশিয়ায় মারদেকা টুর্নামেন্ট খেলতে যায় জাতীয় দল। ওই সময় দলের অধিনায়ক ছিলাম। এয়ারপোর্টেও অনেক কথা হয় কামালের সঙ্গে। ইউনিভার্সিটির একটা প্রোগ্রামের জন্য ও যেতে পারে নাই। বলল-তোরা যা। আমি আর পরান পরে যাব তোদের সঙ্গে। আর এশিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাব আমাদের ফুটবল টিম নিয়ে।’

বঙ্গবন্ধু হত্যার কষ্ট আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন সালাউদ্দিন। বলেন, ‘১৫ আগস্টের মতো কালো দিন বাংলাদেশে আর আসবে না। প্রচণ্ড কষ্ট হয় মনে করে যে, এই দেশে এমন ঘটনা ঘটেছে। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক। ওনার ডাকেই আজকে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আজকে আমি এখানে বসে কথা বলতে পারছি স্বাধীন বাঙালি হিসেবে।’

আরও পড়ুন:
জাতীয় শোক দিবস: মাস্ক ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রবেশ নিষেধ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ফুটবল
Neymar supports Bolsonaro in the Brazilian elections

ব্রাজিলের নির্বাচনে বলসোনারোকে নেইমারের সমর্থন

ব্রাজিলের নির্বাচনে বলসোনারোকে নেইমারের সমর্থন
ভিডিওতে দেখা যায়, নেইমার বলসোনারোর নির্বাচনি প্রার্থিতা নম্বর ২২ নিজের আঙুলে বসিয়ে জিঙ্গেল নাচে মেতে ওঠেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইজ লুলা ডি সিলভার বিপক্ষে নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে তার এই শোডাউন।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচনে ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে সমর্থন জানিয়েছেন দেশটির ফুটবল সুপারস্টার নেইমার। বলসোনারোর নির্বাচনি প্রচারণার গানের সঙ্গে নেচে একটি টিকটক ভিডিও পোস্ট করেছেন নেইমার।

ভিডিওতে দেখা যায়, নেইমার বলসোনারোর নির্বাচনি প্রার্থিতা নম্বর ২২ নিজের আঙুলে বসিয়ে জিঙ্গেল নাচে মেতে ওঠেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইজ লুলা ডি সিলভার বিপক্ষে নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে তার এই শোডাউন।

নেইমারের এই স্বীকৃতি পুনরায় টুইট করতে এক মুহূর্তও সময় নেননি বলসোনারো।

গত রোববার এক জনমত জরিপে বলসোনারোর চেয়ে এগিয়ে ছিলেন লুলা।

গত বুধবার প্রেসিডেন্ট ফুটবলারদের চ্যারিটেবল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করে আসার পর বলসোনারোর সমর্থনে এই ভিডিওবার্তা পাঠান নেইমার।

২০১৪ সালে নেইমার জুনিয়রের প্রতিষ্ঠিত অলাভজনক এই ইনস্টিটিউটটি বলসোনারো পরিদর্শন করে আসার পর নিজের ইনস্টাগ্রামে নেইমার লেখেন, ‘হ্যালো প্রেসিডেন্ট বলসোনারো, আপনার দারুণ এই সফরের জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জনাচ্ছি।’

ইনস্টিটিউটটিতে তিন হাজার সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি দেয়া হয় সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াবিষয়ক শিক্ষা।

আরও পড়ুন:
জয় অব্যাহত রেখে শীর্ষে মেসি-নেইমারদের পিএসজি
নেইমারের গোলে মান রক্ষা পিএসজির
নেইমারের জোড়া গোলে পিএসজির বড় জয়
ব্যালন ডরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নেই মেসি, নেইমার
মেসি-নেইমারের সামনে দাঁড়াতেই পারল না ক্লেমোঁ

মন্তব্য

ফুটবল
Having female referees at the World Cup in Qatar is a tough message

কাতার বিশ্বকাপে নারী রেফারি থাকা ‘কঠিন বার্তা’

কাতার বিশ্বকাপে নারী রেফারি থাকা ‘কঠিন বার্তা’ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইউভেন্তাস ও ডিনামো কিয়েভের ম্যাচ পরিচালনা করছেন স্টেফানি ফ্রাপার্ট। ছবি: ইউয়েফা
বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার জন্য যে ৩৬ জন রেফারি নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৮ বছর বয়সী ফ্রাপার্টও আছেন।

কাতার বিশ্বকাপে নারী রেফারির অন্তর্ভুক্তিকে এক ‘কঠিন বার্তা’ বলে উল্লেখ করেছেন ফরাসি নারী রেফারি স্টেফানি ফ্রাপার্ট। ফ্রাপার্টের সঙ্গে আরও দুই নারী রেফারিকে এবারের প্যানেলে যুক্ত করেছে ফিফা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ২০ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার জন্য যে ৩৬ জন রেফারি নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৮ বছর বয়সী ফ্রাপার্টও আছেন।

তালিকাভুক্ত বাকি দুই নারী রেফারি হলেন রুয়ান্ডার সালিমা মুকানসাঙ্গা ও জাপানের ইয়োশিমি ইয়ামাশিতা।

স্টেফানি ফ্র্যাপার্ট সংবাদমাধ্যমকে বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ‘আমি কোনো নারীবাদী মুখপাত্র নই। তবে ওই দেশে একজন নারী রেফারি থাকাটা ফিফার কাছ থেকে একটি শক্তিশালী বার্তা।’

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সমাজে নারী প্রতিনিধিত্বের সমালোচক হওয়ার পরও কাতারকে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নির্বাচন করা নিয়ে অবশ্য ফ্রাপার কোনো ব্যক্তিগত মত নেই।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ আয়োজন বিষয়ে আমি কোনো নীতিনির্ধারক নই। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই সব দেশে একজন নারীকে বাড়তি সচেতন থাকতে হয়। তিন থেকে চার সপ্তাহ আগে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আমাকে সাদরে গ্রহণ করা হয়েছে।’

ফ্রাপার্ট তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য মাইলফলক স্থাপন করেছেন। প্রথম নারী রেফারি হিসেবে তিনি ২০১৯ সালের আগস্টে ইউয়েফা সুপার কাপ, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ২০২২ সালের মে মাসে ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করেছেন।

আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন বুমরাহ
টফিতে দেখুন ফুটবল বিশ্বকাপ
বোল্ট-নিশ্যামকে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

মন্তব্য

ফুটবল
Sabina went to play in the Maldives league

মালদ্বীপের লিগে খেলতে গেলেন সাবিনা

মালদ্বীপের লিগে খেলতে গেলেন সাবিনা বিমানবন্দরে সাবিনা খাতুন। ছবি: সংগৃহীত
মালদ্বীপের ডিফেন্স ফোর্সের দল দিবেহি সিফাইং ক্লাবের হয়ে খেলবেন তিনি। এর আগে আরও তিনবার এই ক্লাবের হয়ে খেলেছেন সাবিনা।

পঞ্চমবারের মতো মালদ্বীপের ঘরোয়া লিগে খেলতে দেশ ছাড়লেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। সাফজয়ী এই নারী ফুটবলার শুক্রবার দেশ ছেড়েছেন।

মালদ্বীপের ডিফেন্স ফোর্সের দল দিবেহি সিফাইং ক্লাবের হয়ে খেলবেন তিনি। এর আগে আরও তিনবার এই ক্লাবের হয়ে খেলেছেন সাবিনা।

মাত্র শেষ হওয়া সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে সেরা ফুটবলারের পুরস্কার পান সাবিনা। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে করেছেন ৮ গোল।

২০১৫ সালে প্রথম মালদ্বীপের ঘরোয়া ফুটবলে অংশ নিয়েছিলেন টাইগ্রেস দলপতি। সেবার মালদ্বীপের ডিফেন্স ফোর্সের হয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল তার।

পরের বছর তিনি খেলেন দিবেহি সিফাইং ক্লাবে। চার ম্যাচে ৩১ গোল করে সেবার সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সাবিনা।

মালদ্বীপ ছাড়াও জাতীয় দলের এই ফুটবলার খেলেছেন ভারতের ঘরোয়া ফুটবলে। ২০১৮ সালে সেথু এফসিতে খেলে সাত ম্যাচে ৬ গোল করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
খোলা বাসের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে সানজিদার
‘সেরা দলের প্রমাণ রেখেছে বাংলাদেশ’
সাবিনা-কৃষ্ণার জয়ে মুশফিকের ‘আলহামদুলিল্লাহ’
সাফ শিরোপা: ছেলেদের থেকে এগিয়ে মেয়েরা
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন

মন্তব্য

ফুটবল
Messi rested without PSG training

পিএসজির অনুশীলন নেই মেসি

পিএসজির অনুশীলন নেই মেসি পিএসজির অনুশীলনে লিওনেল মেসি। ফাইল ছবি
ম্যাচের প্রস্তুতি হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে অনুশীলন শুরু করে পিএসজি। নেইমার-এমবাপেরা অনুশীলনে হাজির থাকলেও দলের আরেক তারকা মেসি অনুপস্থিত ছিলেন।

এক সপ্তাহে দুটো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে প্যারিসে ফিরেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক ক্লাবে ফিরে অনুশীলনে যোগ দেননি। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর (পিএসজি) কোচ ক্রিস্টফ গলতিয়ে জানিয়েছেন, মেসিকে বিশ্রামে রেখেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি শেষে ইউরোপিয়ান ফুটবল লিগ মাঠে গড়াচ্ছে আজ থেকে। পিএসজি মাঠে নামছে রোববার রাতে। নিজ মাঠে নিসের বিপক্ষে খেলবে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের প্রস্তুতি হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে অনুশীলন শুরু করে পিএসজি। নেইমার-এমবাপেরা অনুশীলনে হাজির থাকলেও দলের আরেক তারকা মেসি অনুপস্থিত ছিলেন।

মেসিভক্তরা প্রিয় তারকাকে দেখতে না পেয়ে কিছুটা শঙ্কায় ছিলেন। আর্জেন্টিনার হয়ে দ্বিতীয় ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচেও শুরুর একাদশে ছিলেন ৭ বারের ব্যলন ডরজয়ী। ঠান্ডা-জ্বর আক্রান্ত হওয়ার কারণে ম্যাচের আগের রাতে সেরে ওঠায় তাকে বেঞ্চে রাখেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

জ্যামাইকার বিপক্ষে ম্যাচটির দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য নেমেছিলেন মেসি। জোড়া গোলও করেন তিনি।

তবে গলতিয়ে জানিয়েছেন অসুস্থতা নয়। দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে প্যারিসে ফেরায় মেসিকে রিকভারির জন্য ৪৮ ঘণ্টা ছুটি দিয়েছেন তিনি। শনিবার থেকে অনুশীলনে যোগ দেবেন আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে গলতিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেলে এসেছে মেসি। যে কারণে ক্লান্তি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমি ওকে ৪৮ ঘণ্টার বিশ্রাম দিয়েছি। কাল সে দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরবে।’

হন্ডুরাস ও জ্যামাইকার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা প্রীতি ম্যাচ খেলেছে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি ও নিউ জার্সিতে। নেইমার ব্রাজিলের হয়ে ঘানা ও তিউনিশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেললেও ম্যাচ দুটি খেলেছেন ফ্রান্সের প্যারিস ও ল্য আভতে।

আরও পড়ুন:
পরের বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি
মেসির জোড়া গোলে জ্যামাইকার বিপক্ষে বড় জয় আর্জেন্টিনার
জ্যামাইকার বিপক্ষে নাও খেলতে পারেন মেসি

মন্তব্য

ফুটবল
Chelsea has the most injuries in Europe

ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ইনজুরি চেলসিতে

ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ইনজুরি চেলসিতে চোটের কারণে এক মাস মাঠের বাইরে আছেন চেলসির মিডফিল্ডার এনগলো কান্তে। ছবি: টুইটার
প্রিমিয়ার লিগে সব মিলিয়ে ২০২১-২২ মৌসুমে ১ হাজার ২৩১ খেলোয়াড় ইনজুড়িতে পড়েন। যার মধ্যে চেলসিতে রয়েছে সর্বোচ্চ ৯৭টি ইনজুরি।

ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগে ইনজুরি গত মৌসুমে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে এক ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষায় জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রয়েছে সবচেয়ে বেশি ইনজুরি।

প্রিমিয়ার লিগে সব মিলিয়ে ২০২১-২২ মৌসুমে ১ হাজার ২৩১ খেলোয়াড় ইনজুড়িতে পড়েন। যার মধ্যে চেলসিতে রয়েছে সর্বোচ্চ ৯৭টি ইনজুরি। ইন্স্যুরেন্স ব্রোকার হাউডেনস পরিচালিত এই সমীক্ষায় এমনটা বলা হয়েছে।

ইনজুরির কারণে ইংলিশ ক্লাবগুলোই ইউরোপের অন্যান্য ক্লাবের তুলনায় আর্থিকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত মৌসুমে এই ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১৮ কোটি ৪৫ লাখ পাউন্ড (২ হাজার কোটি টাকা প্রায়)।

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে গত মৌসুমে সর্বমোট ৪ হাজার ৮১০ খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়েছেন, ২০২০-২১ মৌসুমের তুলনায় যা ২০ শতাংশ বেশি। চোটের কারণে ইউরোপে ক্লাবগুলো মোট ৫১ কোটি ৩২ লাখ পাউন্ড (সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা) ক্ষতির মুখে পড়েছে, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ২৯ শতাংশ বেশি।

হাউডেনেসের সমীক্ষামতে, ২০২১-২২ মৌসুমে প্রথমবারের মতো ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, বুন্ডেসলিগা, লিগ ওয়ান ও সেরি আয় ইনজুরির কারণে ক্লাবগুলোর ব্যয়ের মাত্রা ৫০ কোটি পাউন্ড ছাড়িয়েছে।

প্রিমিয়ার লিগে চেলসির পর সবচেয়ে বেশি ইনজুরি হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (৮১) ও লিভারপুলের (৮০)। চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিতে হয়েছে ৬৭টি। গড়ে প্রতি ম্যাচে ইনজুরির কারণে তিনজন খেলোয়াড় অনুপস্থিত ছিলেন।

ইনজুরির পেছনে বিভিন্ন লিগে ব্যস্ত সূচিকেই বেশি দায়ী করা হয়েছে। ইউরোপের ক্লাবগুলোর জন্য ইনজুরির বিষয়টি এখন বড় দুঃশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেশাদার খেলোয়াড়দের ইউনিয়ন সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, ব্যস্ত সূচিতে একজন খেলোয়াড়ের প্রয়োজনীয় রিকভারি হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
ইপিএলে লিভারপুল, চেলসি ও ইউনাইটেডের ম্যাচ স্থগিত
উলভসের হয়ে আবারও প্রিমিয়ার লিগে কস্তা
প্রিমিয়ার লিগের এ সপ্তাহের ম্যাচ স্থগিত

মন্তব্য

ফুটবল
Sanjida Rupana returned home with blossoming love

ফুলেল ভালোবাসায় বাড়ি ফিরলেন সানজিদা-রূপনারা

ফুলেল ভালোবাসায় বাড়ি ফিরলেন সানজিদা-রূপনারা
সাফ জয়ী নারী ফুটবল দলের সদস্যরা বৃহস্পতিবার নিজ নিজ জেলায় ফিরেছেন। তাদের ফুলেল সংবর্ধনা জানানো হয় ময়মনসিংহ, রাঙ্গামাটি, রংপুর ও মাগুরায়।

‘আগেও ফুটবলে অনেক জয় পেয়েছি। কিন্তু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জয়লাভ করে মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছি তা এর আগে কখনও পাইনি। মানুষের এই ভালোবাসাকে পুঁজি করে সামনের দিনে আরও ভালো কিছু করার দায়িত্ব বেড়ে গেছে। দেশবাসী যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন, আমরা সামনের দিনে আরও বড় জয় এনে দিতে পারবো।’

নিজ জেলা ময়মনসিংহে ফিরে বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী নারী ফুটবল দলের মিডফিল্ডার সানজিদা আক্তার।

ওই দলে সানজিদাসহ আট ফুটবলারের বাড়ি ময়মনসিংহের কলসিন্দুরে। তারা হলেন, সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দা, শিউলি আজিম, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, শামসুন্নাহার জুনিয়র, সাজেদা খাতুন ও মার্জিয়া আক্তার।

তাদের বরণ করে নিতে বৃহস্পতিবার এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের চুরখাই এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালেই পৌঁছান আট ফটবলাররা। তাদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল আলম।

সেখান থেকে সজ্জিত পিকআপে ময়মনসিংহ শহরের দিকে যাত্রা করেন তারা। রাস্তার দুই পাশে শত শত মানুষ তাদের স্বাগত জানায়। ময়মনসিংহ শহর ঘুরিয়ে তাদের নেয়া হয় সার্কিট হাউসে।

ফুলেল ভালোবাসায় বাড়ি ফিরলেন সানজিদা-রূপনারা

সেখানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, আমাদেরকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। বঙ্গবন্ধুর সেই বক্তব্য আবারও প্রমাণ করেছে এই ফুটবলাররা। তাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারেনি। তারা দক্ষিণ এশিয়ায় সাফ গেমসের ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ছিনিয়ে এনেছে। এই ফুটবলাররাই একদিন বিশ্বকাপ জয় করে আনবে।’

একই দিন নিজ নিজ জেলায় ফিরে জাঁকজমক সংবর্ধনা পান দলটির রংপুর, মাগুরা ও রাঙ্গামাটির ফুটবলাররাও।

রংপুরে ফিরে ফুলেল সংবর্ধনা পান সাফ জয়ী দলের সিরাত জাহান স্বপ্না, স্বপ্না রানী ও সোহাগী কিসকু।

এদের মধ্যে সিরাতের বাড়ি রংপুরে আর স্বপ্না ও সোহাগীর বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে।

তারা তিনজন বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা থেকে বিমানে করে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে তাদের বরণ করেন বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা গাড়িতে করে তাদের রংপুর নগরী প্রদক্ষিণ করানো হয়।

ফুলেল ভালোবাসায় বাড়ি ফিরলেন সানজিদা-রূপনারা

এ সময় সিরাত জাহান স্বপ্না বলেন, ‘আমি এই রংপুরের মেয়ে। আমার আজকে সবচেয়ে আনন্দের দিন। আমার জন্য এত মানুষ অপেক্ষা করছে। আমি গর্বিত।

‘আমি সামনে আরও এগিয়ে যেতে চাই। বিশ্বকাপ আমরা জয় করতে চাই।’

বিদেশি ক্লাবেও খেলতে চান জানিয়ে সিরাত বলেন, ‘বিদেশি ক্লাবে খেলার জন্য মৌখিকভাবে ৭ জনকে নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে আমার নামও রয়েছে। আমিও বিদেশি ক্লাবে খেলব, এটা জেনে আমার খুব ভালো লাগছে।’

নানা বাধা ডিঙিয়ে পাওয়া এই সাফল্য ধরে রাখতে চান সিরাত।

তিনি বলেন, ‘যখন আমি প্রথম ফুটবল খেলা শুরু করেছিলাম, তখন এলাকার অনেকে বাধা সৃষ্টি করেছিল। আমাদের সমাজের পুরুষেরা চায় মেয়েরা একটু পিছিয়ে থাক। পরিবর্তন শুরু হয়েছে। সামনে আমাদের আরও ভালো করতে হবে।’

সাফ জয়ী স্বপ্না রানী রায় বলেন, ‘দেশের সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আরও ভালো কিছু করতে সবার সাপোর্ট চাই।

‘হাফ প্যান্ট পরে মেয়েরা ফুটবল খেলছে বলে গ্রামের মানুষেরা কটূক্তি করেছে। এতেও আমরা থেমে থাকিনি। স্কুল পর্যায়ে খেলার সময় স্যারেরা অনেক সাপোর্ট করেছেন। এখন সবাই উৎসাহ দিচ্ছে।’

ফুটবলার সোহাগী কিসকু বলেন, ‘আমরা চাই গ্রামের নারী ফুটবলাররা যেন গ্রামে খেলার সুযোগ পায়।’

বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি ফিরে দিনভর সংবর্ধনা কুড়িয়েছেন সাফ জয়ী দলের রূপনা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, আনাই মগিনী, আনুচিং মগিনী ও মনিকা চাকমা।

তাদের মধ্যে আনাই, আনুচিং ও মনিকার বাড়ি খাগড়াছড়িতে, রূপনা ও ঋতুপর্ণার বাড়ি রাঙ্গামাটিতে। তারা পাঁচজনই পড়াশোনা করেছেন ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে।

বৃহস্পতিবার সকালে তারা নিজেদের স্কুলে যান। যাওয়ার পথেই ঘাগড়া-চট্টগ্রাম প্রধান সড়কে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আতশবাজি জ্বালিয়ে তাদের বরণ করে নেয় শিক্ষার্থীরা।

ফুলেল ভালোবাসায় বাড়ি ফিরলেন সানজিদা-রূপনারা

স্কুলে পৌঁছালে ফুটবলাদের নিয়ে কেট কাটেন প্রধান শিক্ষক চন্দ্রা দেওয়ান। তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত খেলোয়ারদের পাশে জেলা প্রশাসনকে পেয়েছি। তবে এখনও পর্যন্ত ফুটবল ফেডারেশন থেকে সে ধরনের কোনো সহযোগিতা পাইনি।

‘সহযোগিতা না পেলেও শান্তি মনি চাকমা ও বীরসেন চাকমাসহ আমরা সবাই তাদের প্রতিভাকে হারিয়ে যেতে দেইনি। শুধু বীরসেন চাকমা ও শান্তি মনি চাকমা নন, এই পাঁচ তারকাদের গড়ে তোলার পেছনে অনেকের অবদান রয়েছে।’

স্কুল থেকে জেলা প্রশাসন ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে রাঙ্গামাটি মারী স্টেডিয়ামের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যান ফুটবলাররা।

সেখানে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কারণে আজ আমি বাংলাদেশের মহিলা ফুটবল দলের একজন হয়ে খেলছি। ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় যদি আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা না করত, তাহলে আমরা বঙ্গমাতা ফুটবল খেলার পরে হারিয়ে যেতাম।

‘২০১১ বঙ্গমাতা চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিলাম। সেই ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় এখনও জাতীয়করণ হয়নি। তাই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এ ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়টি যেন জাতীয়করণ করে দেন।’

এই অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পাঁচজনকে ২ লাখ টাকা করে এবং তাদের দুই কোচ বীরসেন চাকমা ও শান্তি মনি চাকমাকে ৫০ হাজার টাকা করে পুরষ্কৃত করা হয়। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা ফুটবলারদের ৫০ হাজার টাকা ও দুই কোচকে ২৫ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেন।

এর আগে বুধবার রাতে এই ফুটবলারদের মশাল জ্বালিয়ে বরণ করে নেয় ঋতুপূর্ণার গ্রামের বাড়ি কাউখালী উপজেলার মগাছড়ির বাসিন্দারা।

এদিন সাফ জয়ী সাথী বিশ্বাস ও ইতি রানীও ফিরেছেন নিজ জেলা মাগুরায়। সেখানে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। তাদের দুজনকে প্রাইভেটকারে করে নেয়া হয় নিজ নিজ গ্রামে।

দুই ফুটবলারকে অভিনন্দন জানাতে রাস্তার দুপাশে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ভিড় জমায় স্থানীয়রা।

ফুলেল ভালোবাসায় বাড়ি ফিরলেন সানজিদা-রূপনারা

এ সময় সাথী আক্তার বলেন, ‘বাংলাদেশে আসার পর থেকে আমাদের সব মেয়েরাই অভিভূত। এমন সংবর্ধনা আর ভালোবাসা পাব তা ভাবতেও পারিনি।

‘দেশে আসার পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় সংবর্ধনায় কয়েকদিন কেটে গেল। তবে আমার মন পড়ে ছিল আমার বাড়ি শ্রীপুরের গোয়ালদহে। আজ আসতে পেরে শান্তি লাগছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার জন্য এত মানুষ রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেছে। এটা সত্যি খুব আনন্দের যে আমরা মেয়েরা কিছু একটা করেছি যা সবাইকে গর্বিত করেছে।’

ফুটবলার ইতি বলেন, ‘আমি এসএসসি পরীক্ষা না দিয়ে খেলায় অংশ নিয়েছি। তার ফল এত দারুণ। এত মানুষ আমাদের সম্মাননা দিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

আরও পড়ুন:
সাফজয়ীদের সংবর্ধনা, কোটি টাকা দেবে সেনাবাহিনী
ট্রফি উঁচিয়ে নিজ শহরে সাবিনা
খেলোয়াড়দের বাড়ির ছাদ তৈরির আহ্বান শিরিনের
সাফজয়ী আঁখির বাড়িতে পুলিশ: এসআই-কনস্টেবল প্রত্যাহার
বেতন বাড়ছে সাবিনা-কৃষ্ণাদের

মন্তব্য

ফুটবল
Scaloni is the coach of Argentina in the next World Cup

পরের বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি

পরের বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি আর্জেন্টিনার অনুশীলনে লিওনেল মেসির সঙ্গে হেড কোচ লিওনেল স্কালোনি। ছবি: টুইটার
২০১৮ সাল থেকে জাতীয় দলের দায়িত্ব থাকা স্কালোনির মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাড়িয়েছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

২০২৬ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের সাথে চুক্তি নবায়ন করেছেন লিওনেল স্কালোনি। এ কারনে আরো ৪ বছর আলবিসেলেস্তেদের ডাগ আউট দেখা যাবে তাকে। ২০১৮ সালের আগস্ট থেকে ৪৪ বছর বয়সী স্কালোনি মেসিদের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি চিকি তাপিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার চুক্তি নবায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে লিওনেল স্কালোনি ২০২৬ সালের কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে যৌথভাবে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।’

এ সময় তাপিয়া স্কালোনির সাথে নিজের একটি ছবিও পোস্ট করেছেন। ছবিটি চুক্তি নবায়নের পর তোলা।

নভেম্বরে কাতারে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের চ্যালেঞ্জ এখন স্কালোনির সামনে। দায়িত্ব নেয়ার পর আর্জেন্টিনা দলের পারফরম্যান্সে উন্নতি এনেছেন তিনি।

টানা ৩৫ ম্যাচ অপরাজিত তার দল। গত ৪ বছরে স্কালোনির অধীনে মেসিরা জিতেছেন কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসিমা ট্রফি।

আরও পড়ুন:
মেসির জোড়া গোলে জ্যামাইকার বিপক্ষে বড় জয় আর্জেন্টিনার
জ্যামাইকার বিপক্ষে নাও খেলতে পারেন মেসি
এমবাপেকে ভবিষ্যতের সেরা বললেন মেসি

মন্তব্য

p
উপরে