ইসরায়েলে খেলছে না বার্সেলোনা

player
ইসরায়েলে খেলছে না বার্সেলোনা

ফাইল ছবি

৪ আগস্ট ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল পশ্চিম জেরুজালেমের টেডি স্টেডিয়ামে। তবে শুরু থেকেই ফিলিস্তিনিরা সেখানে ম্যাচের বিষয়ে আপত্তি জানায়।

ইসরায়েলি ক্লাব বেইতার জেরুজালেমের বিপক্ষে নিজেদের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করেছে এফসি বার্সেলোনা।

বেইতার জেরুজালেমের মালিক তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে ম্যাচ বাতিল হওয়ার খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

৪ আগস্ট ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল পশ্চিম জেরুজালেমের টেডি স্টেডিয়ামে। তবে শুরু থেকেই ফিলিস্তিনিরা সেখানে ম্যাচের বিষয়ে আপত্তি জানায়।

কট্টর ইহুদি সমর্থকদের জন্য বিতর্কিত বেইতার জেরুজালেম। তারা প্রায়ই আরব খেলোয়াড় ও মুসলিমদের উদ্দেশে দুয়োধ্বনির পাশাপাশি মহানবী হজরত মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করে।

বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে বেইতারের মালিক মোশে হোজেজ লেখেন, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বার্সেলোনা ম্যাচটি খেলতে অস্বীকৃত জানায়। এ কারণে ম্যাচ বাতিল হয়েছে।

তিনি লেখেন, ‘বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচটি আমাকে বাধ্য হয়েই বাতিল করতে হলো।’

হোজেজ জানান, বার্সেলোনা শুধু তেল আবিবে খেলতে চেয়েছে।

তবে বার্সেলোনা ক্লাবের পক্ষ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলা হয়, তারা প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির জন্য বেশ কিছু ভেন্যুতে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করলেও বেইতার জেরুজালেমের বিপক্ষে ম্যাচ চূড়ান্ত করেনি। ফলে আলোচনা বাতিল করা পর্যন্ত গড়াবে না।

বার্সেলোনা নিজেদের প্রাক মৌসুম ক্যাম্প শুরু করেছে গত সোমবার। ক্যাম্পে এখনও যোগ দেননি দলের অধিনায়ক ও আইকন লিওনেল মেসি।

মৌখিকভাবে বার্সেলোনার সঙ্গে নতুন চুক্তিতে রাজি হলেও এখনও কাগজে-কলমে তা নিশ্চিত করেননি মেসি।

আর্জেন্টিনার সঙ্গে কোপা আমেরিকা শিরোপা জয়ের পর রোসারিওতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে আছেন মেসি। সেখানে সপ্তাহ তিনেক ছুটিতে থাকবেন। এরপর ফিরবেন বার্সেলোনায়। বেইতারের বিপক্ষে ম্যাচে তার খেলার কোনো সম্ভাবনা ছিল না।

বেইতারের বিপক্ষে বার্সেলোনার ম্যাচের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর ফিলিস্তিন ফুটবল ফেডারেশন ফিক্সচারটির নিন্দা জানিয়েছে বলে সংবাদ ছাপায় স্থানীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াফা।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে জেরুজালেমকে অবিচ্ছিন্ন রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের পর পূর্ব জেরুজালেম দখল করে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে নেয় ইসরায়েল। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে একে কখনো স্বীকৃতি দেয়া হয়নি।

শহরটিকে ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী মনে করে।

বেইতার জেরুজালেম শহরের অন্যতম জনপ্রিয় ইহুদি ক্লাব যারা শুধু ইহুদি খেলোয়াড় দলে রাখতে আগ্রহী। ২০১৭ সালে তারা নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে বর্ণবিদ্বেষ ও ধর্মবিদ্বেষের বিপক্ষে বিশেষ পদক্ষেপ নেয়। এতে প্রেসিডেন্ট রয়ভেন রেভলিনের কাছ থেকে পুরস্কারও পায় তারা।

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হাওরের আলোকিত নারী দীপালী সরকারের জীবনাবসান

হাওরের আলোকিত নারী দীপালী সরকারের জীবনাবসান

দীপালী সরকার। ছবি: সংগৃহীত

অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে ‘সফল জননী নারী’ হিসাবে দীপালী সরকারকে জয়ীতা পদক ও সম্বর্ধনা প্রদান করে।

হাওরের আলোকিত মানুষ ও রত্নগর্ভা জননী দীপালী সরকার ১৯ জানুয়ারি দিবাগত রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

দিপালী সরকারের জন্ম ১৯৪৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সরাইল সদর ইউনিয়নের নাথহাটি গ্রামে। দীপাবলী বা দীপান্বিতা তিথিতে জন্ম বলে নাম রাখা হয় দীপালি।

দিপালী সরকারের পিতা মহাপ্রভু দেবনাথ এবং মা বিমলা দেবী। দীপালীর শৈশব ও কৈশোর কাটে ঐতিহ্যবাহী জনপদ সরাইল ও কালিকচ্ছে। ১৯৬১ সালের ৫ মার্চ তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া নিবাসী ডা. রমেন্দ্র নারায়ণ সরকারের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বামীর চাকুরিসূত্রে তিনি বসবাস করেন রংপুর, গাইবান্ধা, গাজীপুরের কালিয়াকৈর, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি, করগাঁও ইত্যাদি অঞ্চলে। আশির দশক থেকে তিনি বসবাস করতেন অষ্টগ্রামের বাঙ্গালপাড়ার নাথপাড়ার বাড়িতে।

কৈশোর থেকে দিপালী সরকারের বই পড়ার প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। গাইবান্ধা থাকা অবস্থায় তিনি নিজের বাসায় গড়ে তোলেন একটি গ্রন্থাগার। তার গ্রন্থাগার থেকে তৈরি হয়েছে অনেক পাঠক। পাঠাভ্যাস তিনি সঞ্চারিত করেছেন স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কটিয়াদির বাসা থেকে তার গ্রন্থাগারটি লুট হয়ে যায়। এরপর আবার গড়ে তুলেছিলেন পাঠাগার।

হাওরের আলোকিত নারী দীপালী সরকারের জীবনাবসান

দীপালী সরকারের স্বামী ও হাওরের বিনা পয়সার চিকিৎসক বলে পরিচিত ডা. রমেন্দ্র নারায়ণ সরকার স্মরণে তার পৃষ্ঠপোষকতায় অষ্টগ্রাম উপজেলায় প্রথম চিত্রাঙ্কন কর্মশালা ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রশাসন ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে ‘সফল জননী নারী’ হিসাবে দীপালী সরকারকে জয়ীতা পদক ও সম্বর্ধনা প্রদান করে।

দিপালী সরকারের সন্তানদের মধ্যে পুত্র তাপস সরকার অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, তপন সরকার শিক্ষক, তরুণ সরকার সাংবাদিক ও তুষার সরকার পুলিশ কর্মকর্তা এবং অপর্ণা সরকার গৃহিনী।

গত ১৭ জানুয়ারি সকালে দীপালী সরকার ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং এরপর তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২০ জানুয়ারি সকালে দীপালী সরকারকে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার বাঙ্গালপাড়া শ্মশানে দাহ করা হয়। দীপালী সরকারের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান আগামী ২৯ জানুয়ারি ২০২২ শনিবার অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া উপজেলার নাথপাড়ায় তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে দীপালী সরকারের আত্মীয়-স্বজন, অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত হতে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন

শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শাবি উপাচার্যকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে।

জাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শাবি উপাচার্যকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের হল সারারাত খোলা রাখার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে দেশের অপর একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন শাবি উপাচার্য। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিও ক্লিপ থেকে এসব জানা যায়। শাবি উপাচার্য বলেছেন তার ওই বক্তব্যে বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের কেউ সহজে বউ হিসেবে নিতে চায় না। কারণ সারারাত এরা ঘুরাফিরা করে।’

আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই জ্ঞানপাপী অশোভন আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ভিসি তো দূরের কথা, শিক্ষক পদে থাকার যোগ্যতাও হারিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন

মোমেনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা বাইডেনের

মোমেনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা বাইডেনের

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ও তার স্ত্রী সেলিনা মোমেনকে পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনকে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউস থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ও তার স্ত্রী সেলিনা মোমেনকে পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রীকে শুভেচ্ছাপত্র পাঠান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন

ইউনিক আইডি নিয়ে ৪ নির্দেশনা

ইউনিক আইডি নিয়ে ৪ নির্দেশনা

ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ফাইল ছবি

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি নিয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি ‘ইউনিক আইডি’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি। যা চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি নিয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

নির্দেশনাগুলো হলো

১. ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের তথ্য ফরম পূরণ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

২. মুদ্রিত শিক্ষার্থী তথ্যছকে শিক্ষার্থীর শ্রেণি অনুযায়ী Data Entry করতে হবে। অর্থাৎ ফরমে শিক্ষার্থীদের যে শ্রেণি উল্লেখ রয়েছে সেই শ্রেণি হিসেবেই Data Entry দিতে হবে। অর্থাৎ সকল শিক্ষার্থীর তথ্য ২০২১ সাল বিবেচনা করে Entry করতে হবে।

৩. শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা/অভিভাবকের জন্মনিবন্ধন থাকলে অবশ্যই ১৭ ডিজিটে দিতে হবে। অর্থাৎ ১৩ ডিজিটের নম্বরের শুরুতে জন্মসাল দিতে হবে।

৪. শিক্ষার্থীর BRN এবং জন্মতারিখ এন্টির পর শিক্ষার্থীর নাম প্রদর্শিত না হলে অন্যান্য তথ্য Entry দেয়া যাবে না। এবং প্রথম Page Save হবে না।

ইউনিক আইডি কেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। আর প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের আওতায় তার জন্মনিবন্ধন হয়। আর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সবার জন্য আছে জাতীয় পরিচয়পত্র। কিন্তু যারা প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮-এর নিচে তারা এই সিস্টেমের বাইরে। এ জন্য তাদের সিস্টেমের মধ্যে আনতেই ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

ফরমে যেসব তথ্য দিতে হয়

স্ট্যাবলিশমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতা (ডিজ-অ্যাবিলিটি), রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্যের ঘর রয়েছে।

বৈবাহিক অবস্থার অপশন হিসেবে অবিবাহিত, বিবাহিত, বিধবা, বিপত্নীক ছাড়াও স্বামী-স্ত্রী পৃথক বসবাস, তালাকপ্রাপ্ত, বিয়েবিচ্ছেদের ঘরও রয়েছে ফরমে।

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন

রাজধানীতে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় আবার মৃত্যু

রাজধানীতে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় আবার মৃত্যু

দুর্ঘটনায় পড়া বাসটিকে রেকারে করে সরিয়ে নিচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুটি বাসই পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল। সিগন্যাল ছাড়ার পর বাস দুটো সামনে এগিয়ে যেতে টান দেয়। তখনই রাকিব নিচে পড়ে।’

রাজধানীর মগবাজারে আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় এক বাসের চাপায় এক কিশোরের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর বাস ফেলে পালিয়ে গেছেন দুই চালক ও তাদের সহকারীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে মৌচাক থেকে মগবাজার আসার পথে ঘরোয়া হোটেলের পাশে প্রিমিয়ার ব্যাংকের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর সদরঘাট থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা রুটে যাত্রী বহন করা বাস দুটি মৌচাক থেকে মগবাজারের দিকে আসছিল।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুটি বাসই পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল। সিগন্যাল ছাড়ার পর বাস দুটো সামনে এগিয়ে যেতে টান দেয়। তখনই রাকিব নিচে পড়ে।’

রাজধানীতে একই রুটে চলা দুই বাসের যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় মৃত্যু এর আগেও ঘটেছে নানা সময়। পুলিশ ও পরিবহনমালিকরা এই সমস্যার সমাধানে দৃশ্যত কিছুই করতে পারছে না।

রাকিবকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা এক মুদি দোকানদার মো. হারুন ঢাকা মেডিক্যালে বলেন, এই শিশু রাস্তায় মাস্ক, চিপস বিক্রি করে। আজমেরী পরিবহনের দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় রাকিব। পরে আমি তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মগবাজারে নিহত কিশোর রাকিব বাসে বাসে নানা পণ্য বিক্রি করত। সে আজমেরীর একটি বাসে উঠেছিল। সেই বাস থেকে নেমে অন্য বাসে ওঠার চেষ্টায় ছিল। এ সময় যাত্রী তোলার চেষ্টায় পেছনে থাকা একই পরিবহনের আরেকটি বাসের ধাক্কায় আহত হয়।

দুর্ঘটনার পর দুটি বাস রমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্রাফিক রমনা জোনের সহকারী কমিশনার রেফাতুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাকিব ওই এলাকায় ফেরি করত। আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের একটি বাসের পেছনের চাকায় আঘাত পায়। আশপাশের লোকজন আদদ্বীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।’

রাকিবকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা এক মুদি দোকানদার মো. হারুন ঢাকা মেডিক্যালে বলেন, ‘এই শিশু রাস্তায় মাস্ক, চিপস বিক্রি করে। আজমেরী পরিবহনের দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় রাকিব। পরে আমি তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

নিহতের মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, ‘মগবাজার থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় এক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়েছিল। আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন

‘মাসুদ রানা’ উপন্যাসের বাকি অংশ শেষ করবেন কাজীদার ছেলে

‘মাসুদ রানা’ উপন্যাসের বাকি অংশ শেষ করবেন কাজীদার ছেলে

তুমুল পাঠকপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ মাসুদ রানা চরিত্র নিয়ে চলছে উপন্যাস লেখার কাজ।

মাসুদ রানা চরিত্রটির কী হবে? বুধবার কাজী আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর এ প্রশ্ন এখন অনেকের। প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তার বড় ছেলে।

তুমুল পাঠকপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ মাসুদ রানা চরিত্র নিয়ে উপন্যাস লেখার কাজ শুরু হয়েছে; এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেন। তবে কাজটি শেষ করে যেতে পারলেন না তিনি।

মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের স্রষ্টা এবং সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার কাজী আনোয়ার হোসেনের এই উপন্যাসের বাকি অংশ শেষ করবেন তার ছোট ছেলে কাজী মায়মুর হোসেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে বনানী কবরস্তানে কাজী আনোয়ার হোসেনের দাফন শেষে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান তার বড় ছেলে কাজী শাহনূর হোসেন।

শাহনূর বলেন, ‘মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে একটি উপন্যাস লেখার কাজ চলছে। এ উপন্যাস লেখায় বাবা যুক্ত ছিলেন। এখন এটা আমার ছোট ভাই কাজী মায়মুর হোসেন শেষ করবেন।’

মাসুদ রানা চরিত্রটির কী হবে? বুধবার কাজী আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর এ প্রশ্ন এখন অনেকের।

এ ব্যাপারে কাজী আনোয়ার হোসেনের চাচাতো ভাই কাজী রওনাক হোসেন, ছেলে শাহনূর হোসেন এবং পুত্রবধূ মাসুমা মায়মুর হাসান নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন যে, মাসুদ রানা চরিত্রটির ‘ট্রেড মার্ক’ করা আছে।

কাজী রওনাক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চরিত্রটির ট্রেডমার্ক করা আছে। তাই চাইলেই চরিত্রটি নিয়ে কাজী আনোয়ার হোসেনের দুই ছেলে ছাড়া অন্য কারও লেখার সুযোগ নেই।

‘হ্যাঁ, অন্য কেউ মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে লিখতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে নিতে হবে পরিবারের অনুমতি। একই সঙ্গে কেউ যদি মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে সিনেমা বানাতে চান, অনুমতি লাগবে সেক্ষেত্রেও।’

কাজী রওনাক হোসেন বলেন, ‘অনুমতি নেয়ার বিষয়টি তো এতদিন প্রয়োজন হয়নি। যদি কেউ আবেদন করেন, সেক্ষেত্রে পরিবার বিষয়টি ভেবে দেখবে।’

এদিকে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের কপিরাইট অফিসার জাফর রাজা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসুদ রানা চরিত্রটির কপিরাইট করা নেই। মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে ১১টি পর্ব কাজী আনোয়ার হোসেনের লেখা। সেক্ষেত্রে তিনি চরিত্রটির স্রষ্টা, তিনি যেহেতু আবেদন করেননি, এখন চাইলে তার ছেলেরা সেটা করতে পারবেন।’

জাফর রাজা চৌধুরী জানান, চরিত্রটির ‘ট্রেড মার্ক’ করা থাকতে পারে। তবে মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের উপন্যাস নিয়ে কপিরাইট ইস্যু নিয়ে যে ঝামেলা তৈরি হয়েছিল, সে সময় কাজী আনোয়ার হোসেন বিষয়টি উল্লেখ করেননি।

কাজী আনোয়ার হোসেন প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন। বুধবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে বারডেম হাসপাতালে মারা যান তিনি।

সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসেবে কাজী আনোয়ার হোসেন ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামের স্পাই চরিত্র সৃষ্টি করেন। মাসুদ রানার চরিত্রটি মূলত ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্ট জেমস বন্ড চরিত্রের বাঙালি সংস্করণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মাসুদ রানা সৃষ্টির কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নেয়। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র ও শামসুদ্দীন নওয়াব নাম দুটি ব্যবহার করতেন। তবে সেবা প্রকাশনীর ভক্ত পাঠকের কাছে তিনি কাজীদা নামেই বেশি পরিচিতি পান।

কাজী আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৯ জুলাই ঢাকায়। পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম ‘নবাব’। তার বাবা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মা সাজেদা খাতুন।

বেশ কয়েক বছর রেডিওতে নিয়মিত গান গাইতেন কাজী আনোয়ার হোসেন। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বেতারের সংগীতশিল্পী ছিলেন। ১৯৬২ সালে বিয়ে করেন কণ্ঠশিল্পী ফরিদা ইয়াসমিনকে।

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন

আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসার জন্য হাসান আরিফকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানান গোলাম কুদ্দুছ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক ও আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফ। গত ৮ জানুয়ারি লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।

রাজধানীর স্পেশালাইজড হসপিটালে প্রায় দুই মাস ধরে ভর্তি আছেন হাসান আরিফ।

হাসান আরিফের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আর্থিক সহায়তার চেক হাসান আরিফের বোন তুলির হাতে তুলে দেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, নাট্যজন নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, আবৃত্তিকার আহকাম উল্লাহ ও সাদিকুর রহমান পরাগ।

ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সকলের প্রিয় হাসান আরিফ শিগগিরই সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’

হাসান আরিফের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাসান আরিফ এখনও লাইফ সাপোর্টে আছেন। অক্সিজেনের ওপর নির্ভরশীলতা অনেকটা কমে এসেছে। চিকিৎসকরা চেষ্টা করছেন এটা আরও কমিয়ে এনে লাইফ সাপোর্ট থেকে তাকে বের করে আনতে।’

চিকিৎসার জন্য হাসান আরিফকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানান গোলাম কুদ্দুছ।

হাসান আরিফ বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
অর্ধেক বেতনে আরও ৫ বছর বার্সেলোনায় মেসি
কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে নেই দি মারিয়া
আলোচনায় ‘ম্যারাডোনা কাপ’

শেয়ার করুন