ক্রীড়াঙ্গনের ভালোবাসায় অমিতের বিদায়

ক্রীড়াঙ্গনের ভালোবাসায় অমিতের বিদায়

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় জানাজার সময়। ছবি: বাফুফে

দুপুর সাড়ে ১২টায় আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে অমিতের মরদেহর দাফন সম্পন্ন হয়।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাস ও লাল টার্ফে যার পদচারণা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। সেই চিরচেনা মাঠে শেষবারের মতো আসলেন বাফুফের হেড অফ মিডিয়া আহসান আহমেদ অমিত। এবার নিরব-নিথর দেহে। সাদা কাফনে মোড়ানো অবস্থায়।

তার চিরবিদায়ে একত্র হয়েছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা। এখানে হয় তার দ্বিতীয় জানাজা।

শোকস্তব্ধ বাবা আলতাফ আহমেদও উপস্থিত ছিলেন জানাযায়। ছেলের মৃত্যুতে শোকে কাতর বাবা বলেন, ‘সে জন্মই নিয়েছিল ক্রীড়া জগতে কাজ করার জন্য। সবাই তার আত্মার জন্য দোয়া করবেন।’

তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সহ-সভাপতি হাসান মুনির সুমন, ‘আমার অনুভূতিটা এমন ছিল যেন আমার ভাই মারা গেছে। আত্মীয় মারা গেছে।’

ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগের ভাষায় অমিতের শূন্যতা অপূরণীয়। তিনি বলেন, ‘এই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেই সারাদিন পড়ে থাকতেন অমিত। আমি সবসময় তাকে ভাই বলে সম্বন্ধ করতাম। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের অন দ্য পিচ, অফ দ্য পিচ, বাফুফে ভবন, দেশের বিভিন্ন জেলা শহরের স্টেডিয়ামগুলোতে অনেক স্মৃতি তাকে নিয়ে। তার অভাব পূরণ করা সম্ভব নয়।’

বর্ষিয়ান ফুটবল সংগঠক ফজলুর রহমান বাবুল মেনেই নিতে পারছেন না অমিতের চিরবিদায়, ‘আমার সবচেয়ে বড় দুঃখ হয় একজন তরুণ, কর্মঠ এবং আপাদমস্তক একজন সংগঠক অকালে চলে গেল। তার জন্যে আমার অন্তহীন ভালোবাসা। পরপারে যেন সে শান্তিতে থাকে।’

পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে অমিতের মরদেহর দাফন সম্পন্ন হয়।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন বাফুফের এই হেড অফ মিডিয়া। গত ২৪ জুন সফলভাবে তার অপারেশন সম্পন্ন হয়েছিল। গত ৩০ জুন সন্ধ্যায় স্ট্রোক করে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান অমিত।

আহসান অমিত ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিত সংগঠক ছিলেন। তৃণমূলে সংগঠক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি চাকুরিরত ছিলেন বাফুফের হেড অব মিডিয়া হিসেবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাতীয় দলে নতুন করে ডাক পেলেন আবাহনীর হৃদয়

জাতীয় দলে নতুন করে ডাক পেলেন আবাহনীর হৃদয়

ঢাকা আবাহনীর ফুটবলার মোহাম্মদ হৃদয়। ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণার ঘণ্টা ছয়েক পর নতুন একজনকে দলভুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা আবাহনীর মিডফিল্ডার মোহাম্মদ হৃদয় প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন অস্কার ব্রুজনের জাতীয় দলে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণার ঘণ্টা ছয়েক পর নতুন একজনকে দলভুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা আবাহনীর মিডফিল্ডার মোহাম্মদ হৃদয় প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন অস্কার ব্রুজনের জাতীয় দলে।

বুধবার রাতে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

আকাশী নীল জার্সিতে ২০১৯ সালে ঘরোয়া ফুটবলে পা রাখেন হৃদয়। প্রথম মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে একটি ম্যাচে খেলার সুযোগ পান তিনি। পরে সদ্য সমাপ্ত লিগে আবাহনীর জার্সিতে ১৫টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন ১৯ বছরের এই উদীয়মান ফুটবলার।

বয়সভিত্তিক জাতীয় দলে এর আগে খেলেছেন হৃদয়। প্রথমবারের মতো লাল-সবুজে ডাক পেলেন নারায়ণগঞ্জের এই ফুটবলার।

হৃদয়সহ জাতীয় দলের স্কোয়াডে এবার সবমিলে আবাহনীর ছয়জন জায়গা করে নিয়েছেন।

এ ছাড়া দলে প্রিমিয়ার লিগের দল বসুন্ধরা কিংসের ১০ জন ফুটবলার, সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের চার, চট্টগ্রাম আবাহনীর দুই, শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, মুক্তিযোদ্ধা এসকেসি ও উত্তর বারিধারার ক্লাবের একজন করে ফুটবলার সুযোগ পেয়েছেন।

সাফের জন্য বাংলাদেশের প্রাথমিক দল

গোলকিপার: আশরাফুল রানা, আনিসুর রহমান জিকো, শহীদুল আলম সোহেল।

ডিফেন্ডার: বিশ্বনাথ ঘোষ, তারিক কাজী, তপু বর্মন, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, ইয়াসিন আরাফাত, রেজাউল করিম, মেহেদি হাসান, আতিকুজ্জামান, টুটুল হোসেন।

মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, সাদ উদ্দিন, রাকিব হোসেন, আতিকুর রহমান ফাহাদ, মানিক মোল্লা ও মোহাম্মদ হৃদয়।

ফরোয়ার্ড: বিপলু আহমেদ, মাহবুবুর রহমান সুফিল, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সুমন রেজা, মতিন মিয়া, জুয়েল রানা ও এলিটা কিংসলে।

শেয়ার করুন

কিংসলে ভাবাচ্ছেন ব্রুজনকে

কিংসলে ভাবাচ্ছেন ব্রুজনকে

ছবি: সংগৃহীত

ফিফার ক্লিয়ারেন্স কবে আসবে তা এখনও নিশ্চিত নয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বিষয়টা ভাবাচ্ছে সদ্য জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পাওয়া অস্কার ব্রুজনকে। তবে অনুমতি না পেলেও এলিটার বিকল্প ভেবে রেখেছেন এ স্প্যানিশ কোচ।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রাথমিক দলে ডাক পেয়েছেন এলিটা কিংসলে। তবে থেকেও যেন নেই এই ফরোয়ার্ড। তার খেলা না খেলার সিদ্ধান্ত ঝুলছে এখন ফিফার আদালতে। বিশ্ব ফুটবল সংস্থার অনুমতি মিললে খেলার সুযোগ পাবেন তিনি।

ফিফার ক্লিয়ারেন্স কবে আসবে তা এখনও নিশ্চিত নয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

বিষয়টা ভাবাচ্ছে জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পাওয়া অস্কার ব্রুজনকে। গত এএফসি কাপে অনুমতিপত্র না থাকায় টুর্নামেন্টে দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছিল বসুন্ধরা কিংসের কিংসলেকে। তাকে দলে রেখেও খেলাতে পারেননি অস্কার।

এবার অনুমতি না পেলে এলিটার বিকল্প ভেবে রেখেছেন কোচ অস্কার ব্রুজন।

তিনি বলেন, ‘কিংসলে অনুমতি না পেলে আমাদের দলে আরও স্ট্রাইকার রয়েছে। কৌশল বদল হবে। বিপিএলের সেরা স্ট্রাইকাররা আছেন দলে। এলিটা না থাকলে কৌশলে পরিবর্তন আসবে। আক্রমণভাগ, মাঝমাঠ আর ডিফেন্স সাজানো হবে সেভাবে।’

সাফ ফুটবলের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে চার স্ট্রাইকারকে রেখেছেন অস্কার। তারা হলেন- মাহবুবুর রহমান সুফিল, সুমন রেজা, মতিন মিয়া ও জুয়েল রানা।

কিংসলের অনুমতিপত্র কবে নাগাদ মিলবে জানতে চাইলে জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‌‘কিংসলের জন্য আবেদন করেছি ফিফায়। তারা অনুমতি দেয়নি এখনও। এই মুহূর্ত পর্যন্ত সাফে খেলার যোগ্য নয় এলিটা, যতক্ষণ হচ্ছে না ততক্ষণ আমরা অপেক্ষায় আছি।‌’

২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুমতি পাওয়া যেতে পারে বলে জানান তিনি। সাফ খেলতে ২৮ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপ যাবে বাংলাদেশ।

১ থেকে ১৬ অক্টোবর মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশের প্রথম খেলা ১ অক্টোবর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

শেয়ার করুন

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচ গোল হজম সাবিনাদের

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচ গোল হজম সাবিনাদের

ছবি: বাফুফে

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় উজবেকিস্তানের বুনিয়দকর স্টেডিয়ামে ইরানে কাছে ৫-০ গোলে হেরেছে জাতীয় নারী ফুটবল দল।

তরুণ তোপের উপর ভরসা রেখে আড়াই বছর পর আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে পা রেখে বাস্তবতা দেখল বাংলাদেশ। এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে জর্ডানের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে ইরানের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে সাবিনা-কৃষ্ণারা।

অনেকটা অনভিজ্ঞ দল নিয়ে উজবেকিস্তানে যায় বাংলাদেশ। দলের অধিকাংশ ফুটবলারের বয়স ১৯-২০ বছরের নিচে। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে জর্ডান ও ইরানকে হারানোর অভিজ্ঞতা থাকা এই দলটা একেবারে তরুণ।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় উজবেকিস্তানের বুনিয়দকর স্টেডিয়ামে ইরানে কাছে ৫-০ গোলে হেরেছে জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একই ব্যবধানে প্রথম ম্যাচটাও হারের স্বাদ পেয়েছিল গোলাম রাব্বানী ছোটনের বাহিনী। দুই ম্যাচে হারের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গী করে দেশে ফিরছে মেয়েরা।

ইরান ম্যাচে প্রথমার্ধে তিন গোল হজম করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল খেয়ে বড় হারের তেতো অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে সাবিনা-কৃষ্ণারা।

শেয়ার করুন

‘বার্সেলোনার ক্ষত ঢেকে দিতেন মেসি’

‘বার্সেলোনার ক্ষত ঢেকে দিতেন মেসি’

বার্সেলোনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ। ফাইল ছবি

মেসির কারণে এতদিন বার্সেলোনার দূর্বলতা প্রকাশ পায়নি বলে জানান কুমান।নেদারল্যান্ডসের ক্রীড়া পত্রিকা ফুটবলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মেসি এতটাই দুর্দান্ত ছিলেন যে সবকিছু তার আড়ালে থাকত।

লিওনেল মেসির সঙ্গে বার্সেলোনার সম্পর্ক এখন ইতিহাস। ২১ বছর ক্লাবে থাকার পর সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের একজন পাড়ি দিয়েছেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি)। মেসিকে ছাড়া নতুন জীবন শুরু করেছে বার্সেলোনা।

ক্লাব আইকন চলে যাওয়ার পর সময়টা ভালো যাচ্ছে না কাতালানদের। লা লিগায় আট নম্বরে আছে তারা। চার ম্যাচে দুই জয় ও দুই ড্রয় পেয়েছে রোনাল্ড কুমানের দল। চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হজম করেছে ৩-০ গোলের হার।

খারাপ পারফরম্যান্সের পর মেসির জন্য সমর্থকদের হাহাকার বাড়ার সঙ্গে ক্ষোভ জমা হচ্ছে হেড কোচ কুমানের জন্যও। দলের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা ব্যবহার করছেন না এই ডাচ ট্যাকটিশিয়ান এমনটা অভিযোগ ভক্তদের।

তবে কুমান চাপে নতি স্বীকার করছেন না। মেসির কারণেই এতদিন বার্সেলোনার দূর্বলতা প্রকাশ পায়নি বলে জানান তিনি।

নেদারল্যান্ডসের ক্রীড়া পত্রিকা ফুটবলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মেসি এতটাই দুর্দান্ত ছিলেন যে সবকিছু তার আড়ালে থাকত।

কুমান বলেন, ‘মেসি সব ক্ষত ঢেকে দিতেন। উনি প্রতি ম্যাচে মূল পার্থক্য গড়ে দিতেন। তার আশেপাশে খেলোয়াড় যারা ছিলেন মেসির কারণে তাদেরকে আরও ভালো মনে হতো। এটা কোনো সমালোচনা নয়, এটা আমার পর্যবেক্ষণ।’

মেসি-সুয়ারেস-গ্রিজমান চলে যাওয়ার পর বার্সেলোনার দায়িত্বভার সামলাতে হচ্ছে মেম্ফিস ডিপায়, লুক ডি ইয়ং ও ফ্র্যাংকি ডি ইয়ংদের। ভবিষ্যতের জন্য আনসু ফাতি, গাভি ও ইউসুফ দেমিরের মতো আনকোরাদের ওপর ভরসা রাখা ছাড়া উপায় নেই কুমানের।

স্পেনে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার তিনি বলেন, ‘দলটা পুনর্গঠনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এটাতে সময় লাগবে। তরুণ যারা আছে তাদের তারকা হতে বছর দুয়েক সময় লাগবে। চাভি ও ইনিয়েস্তার যেমনটা লেগেছিল।’

সব মিলিয়ে ভক্ত-সমর্থকদের কাছে আরও সময় চেয়েছেন কুমান। আরেকটু ধৈর্য্য ধরতে বলছেন সবাইকে।

তিনি যোগ করেন, ‘দলটাকে আমাদের আবার তৈরি করতে হবে বড় ধরনের কোনো আর্থিক সহায়তা ছাড়াই। তরুণরা তাদের সুযোগ পাবেন। কিন্তু ধৈর্য্য ধরতে হবে সবাইকে।’

বছর দুয়েকের কথা বললেও এতটা সময় হয়তো পাবেন না কুমান। বিশ্লেষকদের ধারণা আগামী ১০ দিন হতে যাচ্ছে এই ডাচ কোচের জন্য পরীক্ষার সময়।

বৃহস্পতিবার লা লিগায় কাদিসের মাঠে নামছে বার্সেলোনা। দুই দিন বিরতির পর নিজেদের মাঠে তারা মোকাবিলা করবে লেভান্তের। ২৯ সেপ্টেম্বর ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলতে বেনফিকার মাঠে যাচ্ছে বার্সেলোনা।

এরপর ৩ অক্টোবর লা লিগা চ্যাম্পিয়ন আতলেতিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হচ্ছে কুমানের দল।

শেয়ার করুন

সাফ ফাইনাল খেলার অঙ্গীকার ব্রুজনের

সাফ ফাইনাল খেলার অঙ্গীকার ব্রুজনের

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন অস্কার ব্রুজন। ছবি: বাফুফে

সাফে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দলকে ফাইনালে নেয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অস্কার।

বুধবার সকালে ইংল্যান্ড ফিরে গেছেন জেমি ডে। জেমি অধ্যায় শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন অস্কার ব্রুজন। সাফ ফুটবল সামনে রেখে ২৬ সদস্যের স্কোয়াড দিয়েছেন। একই সঙ্গে সাফে বাংলাদেশকে ফাইনালে নেয়ার অঙ্গীকার করেছেন এই স্প্যানিশ কোচ।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সাফের লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন অস্কার ব্রুজন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সুযোগ রয়েছে। বাস্তবতা বলছে সাফের নিচ থেকে সাফের দ্বিতীয় দল বাংলাদেশ। তবে আমাদের খেলোয়াড়দের সেই শক্তি আছে। আমি এখানে এসেছি ফাইনাল খেলতে।’

গত সপ্তাহে অনেক কিছু দেখেছে দেশের ফুটবল। জাতীয় দলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে জেমিকে। তার জায়গায় এসেছেন বসুন্ধরা কিংসের প্রধান কোচ অস্কার ব্রুজন। শুধু সাফের জন্য তাকে চ্যালেঞ্জ নিতে হচ্ছে।

অস্কারের পছন্দের দল ঘোষণা করা হয়েছে। যে দলে জেমির অধীনে খেলা ২৫ সদস্য জায়গা পেয়েছেন। নতুন করে দলে ফিরেছেন ঢাকা আবাহনীর জুয়েল রানা। ডাকা হয়েছে এলিটা কিংসলেকে।

সাফের স্কোয়াড নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে অস্কার বলেন, ‘পেশাদারভাবে এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। জেমির পরিস্থিতিটা বুঝতে পেরেছি। এই অবস্থায় এক সপ্তাহ সময় আছে হাতে। এখানে যাচাই-বাছাই করার সময় নেই। তাই ২৬ সদস্যের দল দেয়া হয়েছে। এখান থেকে চূড়ান্ত ২৩ জন সাফে যাবে।’

যাদের ডাকা হয়েছে তারা সবাই ঘরোয়া ফুটবলের সেরা মুখ। অভিজ্ঞতা ও সাফল্যে ক্ষুধা দেখেই দল বাছাই করা হয়েছে জানালেন ব্রুজন।

তিনি বলেন, ‘এই দলে বিপিএলের সেরা ফুটবলাররা জায়গা পেয়েছে। তারা সেরা ক্লাবের সেরা প্লেয়ার। তারা জেতার জন্যই খেলে। ভিন্ন ধাঁচে খেলবে কিন্তু জিততে চাইবে।’

সাফে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দলকে ফাইনালে নেয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অস্কার।

তিনি বলেন, ‘র‌্যাঙ্কিংয়ের হিসেবে পিছিয়ে আছি। লক্ষ্য থাকবে গোল না খাওয়া। এটা পরিবর্তন করতে চাই। আমি আত্মবিশ্বাসী ও কোনো চাপে নেই। টেকনিক্যালি ও ট্যাকটিক্যালি কিছু পরিবর্তন আসবে দলে।’

জেমির স্টাইলে তিন বছরে খেলা ফুটবলারদের মধ্যে নতুন করে এই কয়দিনে নিজের স্টাইল খাপ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ কঠিন কিনা এমন প্রশ্নে অস্কার বলেন, ‘আমার সুবিধা রয়েছে একদিক থেকে যে, বসুন্ধরা কিংসের ১০ জন ফুটবলার রয়েছেন দলে যারা আমার স্টাইল ও লক্ষ্য বোঝে। বাকিদের জন্য আমার কোচিং স্টাফ থাকছে দলে। পরীক্ষা করার সময় নেই এখন। আমাদের ঝাপিয়ে পড়তে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী নেমে যেতে হবে।’

ফুটবলারদের মধ্যে জেতার মানসিকতা ও আত্মবিশ্বাস চান এই স্প্যানিশ কোচ। বলেন ‘চাইব সাফের টাইটেল জিততে। ফেডারেশন সবকিছু দেয়ার চেষ্টা করবে। তাদের লক্ষ্য আছে। আমি দেশের ফুটবলারদের উপর ভরসা রাখি। পজেশন থেকে শুরু করে আমাদের মডেলে খেলতে পারি তাহলে সম্ভব। আমার যে আত্মবিশ্বাস আছে তা খেলোয়াড়দের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হবে দায়িত্ব।’

দলে ডাক পাওয়া ২৬ জন সাফের অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দল অনুশীলন শুরু করবে বলে জানিয়েছে বাফুফে।

শেয়ার করুন

এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল

এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল

দলে ডাক পেয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নেয়া কিংসলে এলিটা। ছবি: বাফুফে

এলিটা কিংসলেকে দলে নিলেও তার মাঠে নামার জন্য প্রয়োজনীয় ফিফা ও এএফসির অনুমোদন এখনও হাতে পায়নি বাফুফে। তবে সাফের আগের সবকিছু চলে আসবে ফেডারেশনের হাতে এমনটা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

দুই দিনের নাটক শেষে আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ২৬ জনের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

দলে ডাক পেয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নেয়া কিংসলে এলিটা। এ ছাড়া, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জাতীয় দলের প্রধান কোচ অস্কার ব্রুজনের দলে রয়েছেন আশরাফুল রানা, মানিক মোল্লা।

বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে অস্কার ব্রুজনকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। দল নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই স্প্যানিশ কোচ।

গত সপ্তাহজুড়ে জাতীয় দলের কোচ বদল নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। দফায় দফায় বৈঠক শেষে অবশেষে শুধু সাফের জন্য অস্কারকে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিযুক্ত করে বাফুফে।

অব্যাহতি পাওয়ার আগে জেমির ডের প্রাথমিক ৩৪ জনের যে স্কোয়াড ছিল তা ছোট করে ২৬ জনে করা হয়েছে।

এই দলে প্রিমিয়ার লিগের দল বসুন্ধরা কিংসের ১০জন ফুটবলার, ঢাকা আবাহনীর পাঁচ জন, সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের চার, চট্টগ্রাম আবাহনীর দুই, শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, মুক্তিযোদ্ধা এসকেসি ও উত্তর বারিধারার ক্লাবের একজন করে ফুটবলার সুযোগ পেয়েছেন।

মোটা দাগে জেমির সবশেষ স্কোয়াডের খুব বেশি পরিবর্তন দেখা যায়নি। ২৬ সদস্যের ২৫ সদস্য জেমির অধীনে খেলেছেন। শুধু বহুদিন পর সুযোগ করে নিয়েছেন ঢাকা আবাহনীর ফরোয়ার্ড জুয়েল রানা।

এলিটা কিংসলেকে দলে নিলেও তার মাঠে নামার জন্য প্রয়োজনীয় ফিফা ও এএফসির অনুমোদন এখনও হাতে পায়নি বাফুফে। তবে সাফের আগের সবকিছু চলে আসবে ফেডারেশনের হাতে এমনটা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

জেমি ডের কিরগিজস্তান সফরের দল থেকে বাদ পড়েছেন দুই প্রবাসী ফুটবলার কানাডার রাহবার খান ও ফ্রান্সের তাহমিদ ইসলাম। জেমির ২৩ জনের দল থেকে আরও বাদ পড়েছেন তরুণ গোলকিপার মিতুল মারমা।

যে ছয় জন যোগ করেছেন ব্রুজন তারা হলেন গোলকিপার আশরাফুল রানা, ডিফেন্ডার টুটুল হোসেন, মাঝমাঠের দুই খেলোয়াড় আতিকুর রহমান ও মানিক মোল্লা আর ফরোয়ার্ড লাইনে জুয়েল রানা ও কিংসলে।

সাফের জন্য বাংলাদেশ দল

গোলকিপার: আশরাফুল রানা, আনিসুর রহমান জিকো, শহীদুল আলম সোহেল।

ডিফেন্ডার: বিশ্বনাথ ঘোষ, তারিক কাজী, তপু বর্মন, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, ইয়াসিন আরাফাত, রেজাউল করিম, মেহেদি হাসান, আতিকুজ্জামান, টুটুল হোসেন।

মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, সাদ উদ্দিন, রাকিব হোসেন, আতিকুর রহমান ফাহাদ ও মানিক মোল্লা।

ফরোয়ার্ড: বিপলু আহমেদ, মাহবুবুর রহমান সুফিল, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সুমন রেজা, মতিন মিয়া, জুয়েল রানা ও এলিটা কিংসলে।

শেয়ার করুন

পিছিয়ে পড়েও বড় জয় সিটিজেনদের

পিছিয়ে পড়েও বড় জয় সিটিজেনদের

ওয়াইকম্বের বিপক্ষে ম্যান সিটির গোল উদযাপন। ছবি: এএফপি

শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও সেই ধাক্কা কাটিয়ে প্রতিপক্ষের জালে ৬টি গোল পুরে দিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলা শীষ্যরা।

লিগ কাপের তৃতীয় ম্যাচে তৃতীয় বিভাগের ক্লাব ওয়াইকম্ব ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও সেই ধাক্কা কাটিয়ে প্রতিপক্ষের জালে ৬টি গোল পুরে দিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলা শীষ্যরা।

ঘরের মাঠে ম্যাচের ২২ মিনিটের মাথায় পিছিয়ে পরে সিটিজেনরা। ব্রেন্ডন হানলান দুর্দান্ত এক গোলে লিড এনে দেন সফরকারীদের।

কিন্তু এরপর সিটির সামনে আর দাঁড়াতেই পারেনি ওয়াইকম্ব। ২৯ মিনিটেই দলকে সমতায় ফেরান কেভিন ডি ব্রুইনি। আর এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় সিটিজেনদের গোল উৎসব।

ম্যাচের ৪৩ তম মিনিটে দলকে লিড এনে দেন রিয়াদ মাহরেজ। প্রথমার্ধের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে ব্যবধানটা ৩-১ হয় ফিল ফোডেনের কল্যাণে।

দ্বিতীয়ার্ধে এসে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় ওয়াইকম্ব। কিন্তু স্বাগতিকদের আক্রমণের তোপে ব্যর্থ হয় তাদের সেই প্রচেষ্টা। ৭১ মিনিটের সময় ফেরান টরেস গোল ব্যবধান বাড়িয়ে করেন ৪-১।

ম্যাচের ৮৩ মিনিটে ওয়াইকম্বের জালের ঠিকানা ফের খুঁজে নেন রিয়াদ। সবশেষ ৮৮ মিনিটে সফরকারীদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন কোল পালমার। আর সেই সুবাদে ৬-১ এর বড় ব্যবধানে জয় পায় সিটিজেনরা।

পুরো ম্যাচজুড়ে ওয়াইকম্বের পোস্টে ২৬টি আক্রমণ চালায় ম্যান সিটি। যেখানে ১৪টি শট ছিল অন টার্গেটে। অপরদিকে ১২ বার আক্রমণ চালিয়ে মাত্র ৪ বার পোস্টে বল নিতে সক্ষম হন সফরকারী দলের ফুটবলাররা।

এদিকে দিনের আরেক ম্যাচে নরউইক সিটিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। অলরেডদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন তাকুমি মিনামিনো, বাকি গোলটি আসে ডিভক অরিগির কল্যাণে।

শেয়ার করুন