ক্রীড়াঙ্গনের ভালোবাসায় অমিতের বিদায়

ক্রীড়াঙ্গনের ভালোবাসায় অমিতের বিদায়

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় জানাজার সময়। ছবি: বাফুফে

দুপুর সাড়ে ১২টায় আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে অমিতের মরদেহর দাফন সম্পন্ন হয়।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাস ও লাল টার্ফে যার পদচারণা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। সেই চিরচেনা মাঠে শেষবারের মতো আসলেন বাফুফের হেড অফ মিডিয়া আহসান আহমেদ অমিত। এবার নিরব-নিথর দেহে। সাদা কাফনে মোড়ানো অবস্থায়।

তার চিরবিদায়ে একত্র হয়েছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা। এখানে হয় তার দ্বিতীয় জানাজা।

শোকস্তব্ধ বাবা আলতাফ আহমেদও উপস্থিত ছিলেন জানাযায়। ছেলের মৃত্যুতে শোকে কাতর বাবা বলেন, ‘সে জন্মই নিয়েছিল ক্রীড়া জগতে কাজ করার জন্য। সবাই তার আত্মার জন্য দোয়া করবেন।’

তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সহ-সভাপতি হাসান মুনির সুমন, ‘আমার অনুভূতিটা এমন ছিল যেন আমার ভাই মারা গেছে। আত্মীয় মারা গেছে।’

ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগের ভাষায় অমিতের শূন্যতা অপূরণীয়। তিনি বলেন, ‘এই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেই সারাদিন পড়ে থাকতেন অমিত। আমি সবসময় তাকে ভাই বলে সম্বন্ধ করতাম। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের অন দ্য পিচ, অফ দ্য পিচ, বাফুফে ভবন, দেশের বিভিন্ন জেলা শহরের স্টেডিয়ামগুলোতে অনেক স্মৃতি তাকে নিয়ে। তার অভাব পূরণ করা সম্ভব নয়।’

বর্ষিয়ান ফুটবল সংগঠক ফজলুর রহমান বাবুল মেনেই নিতে পারছেন না অমিতের চিরবিদায়, ‘আমার সবচেয়ে বড় দুঃখ হয় একজন তরুণ, কর্মঠ এবং আপাদমস্তক একজন সংগঠক অকালে চলে গেল। তার জন্যে আমার অন্তহীন ভালোবাসা। পরপারে যেন সে শান্তিতে থাকে।’

পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে অমিতের মরদেহর দাফন সম্পন্ন হয়।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন বাফুফের এই হেড অফ মিডিয়া। গত ২৪ জুন সফলভাবে তার অপারেশন সম্পন্ন হয়েছিল। গত ৩০ জুন সন্ধ্যায় স্ট্রোক করে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান অমিত।

আহসান অমিত ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিত সংগঠক ছিলেন। তৃণমূলে সংগঠক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি চাকুরিরত ছিলেন বাফুফের হেড অব মিডিয়া হিসেবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য