ঢাকায় ফিরেই বাফুফের সঙ্গে বসবেন জেমি

ঢাকায় ফিরেই বাফুফের সঙ্গে বসবেন জেমি

ছবি: বাফুফে

জাতীয় ফুটবল দল প্লে-অফ ছাড়াই সরাসরি এশিয়ান কাপের তৃতীয় রাউন্ডে খেলবে। আরও ছয়টি ম্যাচ খেলা নিশ্চিত বাংলাদেশের। আরও কঠিন বাছাইয়ের জন্য ভালো প্রস্তুতি আশা করছেন জেমি।

কাতারে আপাতত বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের বাছাইপর্ব শেষ বাংলাদেশের। এশিয়ান কাপের তৃতীয় রাউন্ড শুরু হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। মাঝখানে এই বিরতিতে কী করবে জাতীয় দল, পরিকল্পনা কী তা নিয়ে এখন থেকেই ভাবনায় জাতীয় দলের কোচ জেমি ডে।

ঢাকায় ফিরেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে আলোচনায় বসবেন এই ইংলিশ কোচ।

দোহা থেকে নিউজবাংলাকে জেমি বলেন, ‘ঢাকায় ফিরেই বাফুফের সঙ্গে বসতে হবে। জাতীয় দল নিয়ে তাদের ভাবনা জানতে হবে। আমারও কিছু বলার আছে।’

জাতীয় ফুটবল দল প্লে-অফ ছাড়াই সরাসরি এশিয়ান কাপের তৃতীয় রাউন্ডে খেলবে। আরও ছয়টি ম্যাচ খেলা নিশ্চিত বাংলাদেশের। আরও কঠিন বাছাইয়ের জন্য ভালো প্রস্তুতি আশা করছেন জেমি।

জামালদের গুরু বলেন, ‘সামনে সাফ ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ হওয়ার কথা। এই টুর্নামেন্টগুলো হলে বেশি কিছু লাগবে না। তবে টুর্নামেন্ট না হলে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে হবে জাতীয় দলকে। এসব নিয়েই বসব।’

এদিকে তৃতীয় রাউন্ডে সরাসরি বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে খুশি জেমি বলেন, ‘আমি আনন্দিত ফুটবলার ও স্টাফদের নিয়ে। আট ম্যাচের সাতটিই আমরা অ্যাওয়ে খেলেছি। নয়জন ফুটবলার মিসিং আমাদের। প্রস্তুতিও ভালো ছিল না। এরপরেও কোয়ালিফাই করেছি।’

কাতার থেকে বুধবার রাত তিনটায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা বাংলাদেশ দলের। ঢাকায় পৌঁছে প্রটোকল অনুযায়ী তিন দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব পালন করতে হবে সবাইকে।

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এবার বহুজাতিক ও বড় মূলধনির পতনে কমল সূচক

এবার বহুজাতিক ও বড় মূলধনির পতনে কমল সূচক

আগের সপ্তাহে দরপতনের পর নতুন সপ্তাহের শুরুটিও ভালো গেল না পুঁজিবাজারে।

আগের সপ্তাহে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে সূচক কমেছিল ২ দিন আর বেড়েছিল ৩ দিন। এই তিন দিন বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকায় ছিল বহুজাতিক ও বড় মূলধনি কোম্পানি। অন্যদিকে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে সবচেয়ে বেশি সূচক পড়েছে যে ১০টি কোম্পানির কারণে, তার বেশিরভাগই গত সপ্তাহে ছিল তেজী।

আগের সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় নতুন সপ্তাহের শুরুটাও ভালো গেল না পুঁজিবাজারে। আগের সপ্তাহে সূচক বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখলেও সূচকের পতনে এবার প্রধান ভূমিকা রেখেছে বড় মূলধনি ও বহুজাতিক কোম্পানির পতন।

এমন কোনো খাত ছিল না যেগুলোর বেশিরভাগ কোম্পানি দর হারায়নি। তবে এর ভিড়েও বড় মূলধনি বহুজাতিক ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো কোম্পানি, গ্রামীণ ফোন, লাফার্জ হোলসিম সিমেন্ট, দেশি বড় মূলধনি কোম্পানি বেক্মিমকো ফার্মা, এনআরবিসি ব্যাংক, অলিম্পিক বিকন ফার্মা, সাউথ বাংলা, ডেল্টা লাইফ ও বহুজাতিক রেটিক বেনকিনজার সূচক পতনে রেখেছে বড় ভূমিকা।

এই ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দরপতনে সূচক পড়েছে ৩৩.৩২ শতাংশ। আর সার্বিকভাবে সূচক পড়েছে ৩৬ পয়েন্ট।

অন্যদিকে ওয়ালটনের দরপতন থামার পর কোম্পানিটি সূচকে যোগ করেছে ১৪ পয়েন্ট। নইলে ১০৬টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির বিপরীতে ২৪৪টি কোম্পানির পতনে সূচকে আরও বড় পতন হতে পারত।

দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির মধ্যে মতভিন্নতার খবর প্রকাশে গত সপ্তাহের পুরোটাই পুঁজিবাজারে টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে। সূচক উঠানামা করতে করতে শেষ পর্যন্ত সপ্তাহে সূচক কমে ৩০ পয়েন্ট। টানা প্রায় ১১ সপ্তাহ পর সূচকের পতন হলো।

আগের সপ্তাহে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে সূচক কমেছিল ২ দিন আর বেড়েছিল ৩ দিন। এই তিন দিন বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকায় ছিল বহুজাতিক ও বড় মূলধনি কোম্পানি।

নতুন সপ্তাহে বাজার ঘুরে দাঁড়াবে, এমন আশা নিয়ে রোববার লেনদেনের শুরুতেই সূচক বেড়ে যায় ২৮ পয়েন্ট। কিন্তু এই অগ্রগতি ধরে রাখা যায়নি ১৫ মিনিটও। তবে উঠানামা করতে করতে বেলা ১২ টা ৪৯ মিনিট পর্যন্ত সূচক ইতিবাচকই ছিল। সে সময় আগের দিনের চেয়ে ৬ পয়েন্ট বেশি সূচকে চলছিল লেনদেন। কিন্তু সেখান থেকে ৪২ পয়েন্ট হারিয়ে লেনদেন শেষ হয়।

তথ্যপ্রযুক্তি ও বিমা খাতের শেয়ারধারীরাই কিছুটা স্বস্তি ছিল পতনের এই দিনটিতে। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে মিউচ্যুয়াল ফান্ড, খাদ্য, প্রকৌশল, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত।

লেনদেনও কমে গেছে খানিকটা। বৃহস্পতিবার ২ হাজার ১৭১ কোটি ৩১ লাখ টাকা লেনদেন হলেও পরের কর্মদিবসে লেনদেন হলো ২ হাজার ৩৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

গত সপ্তাহ থেকে পুঁজিবাজার দরপতনের মধ্য দিয়ে গেলেও একে স্বাভাবিক সংশোধন হিসেবেই দেখছেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা। গত বছরের জুলাই থেকে মূল্য সূচক তিন হাজার পয়েন্টের বেশি বেড়েছে। এর মধ্যে গত ৫ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা বেড়েছে ১ হাজার ৩৯ পয়েন্ট। এরপর ছয় কর্মদিবস মিলিয়ে পড়েছে ৬৬ পয়েন্ট।

আরও আসছে…

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন

কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যানের আগাম জামিন

কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যানের আগাম জামিন

সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগের মামলায় কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠান গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেছিলেন।

সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগের মামলায় কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠানকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে তাকে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাসপোর্ট জমা রাখতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগের মামলায় কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠান হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. শফি উল্লাহ বাদী হয়ে পাঁচটি মামলা করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে আব্দুল খালেক পাঠান, তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে।

এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৮৩ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ২৬৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৯৬ কোটি ২৯ লাখ ৭২ হাজার ৭৩৯ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন

সদর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা বন্ধে সমাবেশ

সদর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা বন্ধে সমাবেশ

মাগুরা সদর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা বন্ধের দাবিতে সমাবেশ করেছে জেলা গণকমিটি। ছবি: নিউজবাংলা

গণকমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাবেব শুরু থেকে মাগুরা সদর হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ ও হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনের দাবি জানানো হয়। এই দীর্ঘ সময়ে শুধুমাত্র হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।’

মাগুরা সদর হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা বন্ধের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে সমাবেশ করেছে জেলা গণকমিটি।

সদর হাসপাতালের সামনে রোববার সকালে এ কর্মসূচি হয়।

সমাবেশে গণকমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী কোনো হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার ৫ শতাংশ আইসিইউ থাকার কথা। সে হিসেবে মাগুরা সদর হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা আড়াইশ হওয়ায় এখানে ১৩টি আইসিইউ বেড থাকার কথা। কিন্তু মাগুরা জেলা সদর হাসপাতাল কোনো আইসিইউ নেই।

‘এ ছাড়া করোনা প্রাদুর্ভাবেব শুরু থেকে জেলা গণকমিটির পক্ষ থেকে মাগুরা সদর হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ ও হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনের দাবি জানানো হয়। এই দীর্ঘ সময়ে শুধুমাত্র হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।’

এ সময় বক্তারা আরও জানান, ২০২০ সালের বাজেটে করোনা চিকিৎসা খাতে দশ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় হয়। সেখানে প্রত্যেকটি হাসপাতালে আইসিইউ নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হলেও মাগুরা সদর হাসপাতালে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

এ ছাড়া সদর হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীর অনেক সংকট রয়েছে বলেও সমাবেশে অভিযোগ করা হয়।

সমাবেশে অবিলম্বে মাগুরা সদর হাসপাতালে আইসিইউ নির্মাণ; প্রয়োজন অনুযায়ী ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও আউটসোর্সিং বন্ধ করার দাবি জানান হয়।

গণকমিটির আহ্বায়ক এটিএম মহব্বত আলীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসুর পরিচালনায় সমাবেশে শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন

ই-কমার্স গ্রাহকের লোভ কমাতে প্রচারণা চালান: হাইকোর্ট

ই-কমার্স গ্রাহকের লোভ কমাতে প্রচারণা চালান: হাইকোর্ট

প্রতীকী ছবি

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে, যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকেরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।’ জবাবে আদালত বলে, ‘…গ্রাহকদের লোভ কমাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালান।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর নানা অফারে লোভে পড়ে গ্রাহকদের প্রতারিত হওয়া ঠেকাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালাতে পরামর্শ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে রিট শুনানির একপর্যায়ে ই-কমার্স প্রসঙ্গও উঠে আসে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। একপর্যায়ে আদালত তার কাছে ই-কমার্স ব্যবসার বিষয়ে জানতে চায়।

তখন শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে, যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকেরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।’

তখন আদালত বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা তো দেখি, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি। বিমানের টিকিট কিনলে হোটেল ফ্রি। এ জন্যই গ্রাহকদের লোভ কমাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালান।’

ই-কমার্সে টাকা কীভাবে লেনদেন হয়, আদালতের এমন প্রশ্নে শিশির মনির বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমেই টাকাটা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মালিকদের কাছে যায়।’

দেশে ই-কমার্স নিয়ে একটা অস্থির সময় যাচ্ছে। গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ও ধামাকার মতো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ডে আছেন ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন।

প্রেপ্তার করা হয়েছে ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমানউল্লাহ চৌধুরী ও সাবেক সিওও নাজমুল আলম রাসেলকে।

মামলা হয়েছে ধামাকার মালিকদের বিরুদ্ধেও।

ই-কমার্স নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ই-কমার্স একটি সম্ভাবনায় খাত, গ্রাহকদের সুরক্ষায় একটি পরিপূর্ণ আইন করা দরকার। ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকেরা দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে মামলা করতে পারেন।’

ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধের নিশ্চয়তা ও ফাঁস হওয়া ঘটনাগুলোর তদন্ত চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদেশের জন্য রেখেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ঠিক করে দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধ চেয়ে গত ১০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী রিটটি করেন।

রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জুন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কোনো জবাব না পাওয়ায় রিট করা হয়।

আড়ি পাতার ঘটনা বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বহুল প্রচারিত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অথচ সর্বজনীন মানবাধিকার সনদপত্র, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব আধুনিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার স্বীকৃত ও সংরক্ষিত।

এমনকি বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ অধিকার সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে সুইজারল্যান্ডে রোড শো কাল

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে সুইজারল্যান্ডে রোড শো কাল

যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোর সান্তা ক্লারার হায়াত রিজেন্সিতে হয় ১০ দিনব্যাপী রোড শোর সমাপনী। বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এমন রোড শো হচ্ছে সুইজার‌ল্যান্ডেও। ছবি: নিউজবাংলা

অর্থনীতি ও প্রযুক্তিগত দিক বিবেচনায় ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী দেশটিতে বাংলাদেশকে তুলে ধরে বিদেশি এবং অনিবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ আকর্ষণ এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রবাসীরা যাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে সুইজারল্যান্ডে তিন দিনব্যাপী রোড শো শুরু হচ্ছে সোমবার।

এ রোড শোতে বাংলাদেশের অর্থনীতির সক্ষমতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা, পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটকে তুলে ধরা হবে।

অর্থনীতি ও প্রযুক্তিগত দিক বিবেচনায় ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী দেশটিতে বাংলাদেশকে তুলে ধরে বিদেশি এবং অনিবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ আকর্ষণ এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রবাসীরা যাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

পুরো কর্মসূচির নাম দেয়া হয়েছে ‘রেইজ অব বেঙ্গল টাইগার’। স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় জুরিখের ডোলডার গ্র্যান্ড হোটেলে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। আর ২২ সেপ্টেম্বর জেনেভার হোটেল প্রেসিডেন্ট উইলসনে সমাপনী অনুষ্ঠানে থাকবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক ড. টেডরোস আধানম গেবরিয়েসুস।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ রোড শোর আয়োজন করেছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানের চুক্তি হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স ডিভিশনের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম পিএ, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. আলমগীর হোসেন এবং বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দীন আহমেদ এতে উপস্থিত থাকবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, ‘গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ঈর্ষণীয় অগ্রগতি হয়েছে। অর্থনীতির সবগুলো সূচকে আমরা এগিয়েছি। সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করলে আগামীতে বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনা বিশাল। কিন্তু আমাদের অর্থনীতির যে অর্জন ও সম্ভাবনা রয়েছে, উন্নত দেশগুলোর বিনিয়োগকারীদের কাছে তা তুলে ধরা হয়নি, যে কারণে আমাদের ওইভাবে বিদেশি বিনিয়োগ আসেনি।

‘এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগ আর্কষণের জন্য আমরা এ ধরনের রোড শোর উদ্যোগ নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে আমরা দুবাই এবং যুক্তরাষ্ট্রের চার শহরে রোড শো করেছি। সেখানে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। আগামী ৩১ অক্টোবর ইংল্যান্ডে রোড শো শুরু হবে। পর্যায়েক্রমেই সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন দেশে এই ধরনের আরও আয়োজন থাকবে।’

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালে বিশ্বের ২৩তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হলো বাংলাদেশ।

একই পূর্বাভাস দিয়েছে আরেক আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠান হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি)।

গত ১০ বছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ। আর মোট জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩১ শতাংশ। প্রবৃদ্ধিকে সাপোর্ট দিতে ২০২০ সালে বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে।

২০১১ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৮৬০ ডলার। বর্তমানে তা ২ হাজার ২২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এ ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

করোনার মধ্যেও ২০২০ সালে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছিল। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুসারে, করোনার মধ্যে ২৩ দেশ অর্থনৈতিকভাবে ইতিবাচক অবস্থানে থাকবে। সংস্থাটি বলছে, এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তি ৭ কোটি। এর মধ্যে সাড়ে ৫ কোটিই বয়সে তরুণ।

রোড শোতে উল্লিখিত বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। এর বিভিন্ন সেশনে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বিনিয়োগকারী সম্মেলন, হোল্ডার্স মিটিং বা অংশীজন বৈঠক এবং প্রযুক্তি ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা, বেসরকারি উদ্যোক্তা, অনিবাসী বাংলাদেশি এবং বিদেশি উদ্যোক্তারা অংশ নেবেন।

আয়োজকরা ধারণা করছেন, রোড শোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি নতুন করে পরিচিতি পাবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ন কুমার ঘোষ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মফিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন, বিএসইসির সাবেক কমিশনার আরিফ খান, সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ নকিব উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক সাদ ওমর ফাহিম, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছায়েদুর রহমানসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে স্পন্সর হিসেবে রয়েছে সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশ চেম্বার ও ওয়ালটন।

ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ সুইজারল্যান্ড। পৃথিবীর অধিকাংশের কাছে এটি স্বপ্নের দেশ। প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর এই দেশকে অত্যাধুনিক শিল্পের দক্ষতায় সাজানো হয়েছে।

বিশ্বে উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষে রয়েছে এই দেশ। সাড়ে ১৫ হাজার বর্গমাইলের এই দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি। আর মাথাপিছু আয় ৭০ হাজার ডলারের বেশি, যা বাংলাদেশের ৩৫ গুণ।

ঘড়ি, চকলেট ও ট্রেনের জন্য বিখ্যাত এই দেশ। অর্থপাচারকারীদের নিরাপদ স্থান হিসেবে দেশটির ব্যাংকগুলো ব্যাপক পরিচিত।

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন

সবাই নৌকায় উঠতে চায়: হাছান মাহ্‌মুদ

সবাই নৌকায় উঠতে চায়: হাছান মাহ্‌মুদ

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসীসহ অপকর্মে জড়িত যারা, তাদের কোনো স্থান নেই আওয়ামী লীগে। দলের ত্যাগী, পরিশ্রমী ও দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের মূল্য়ায়ন করা হবে। তবে যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাসহ সজাগ থাকতে হবে দলের নেতা-কর্মীদেরই।

সবাই এখন আওয়ামী লীগের নৌকায় উঠতে চায় মন্তব্য করে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, গত ১৩ বছরে অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন, কিন্তু দলের দুঃসময়ে তাদের দেখা যায়নি। এই অতিথি পাখিদের যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে।

গাইবান্ধায় জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগ দেয়ার আগে রোববার দুপুর ১২টার দিকে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসীসহ অপকর্মে জড়িত যারা, তাদের কোনো স্থান নেই আওয়ামী লীগে। দলের ত‌্যাগী, পরিশ্রমী ও দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের মূল‌্যায়ন করা হবে। তবে যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব‌্যবস্থাসহ সজাগ থাকতে হবে দলের নেতা-কর্মীদেরই।

সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন খালি পায়ে কেউ হাঁটেন না; না খেয়েও কেউ থাকেন না। দেশের সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা অনেক উন্নত হয়েছে। এ ছাড়া দেশের উন্নয়ন ও অবকাঠামোর ব‌্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। এর সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের গুণে।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, জাতীয় সংসদের হুইপ ও গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান রিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ শামছুল আলম হিরু ও সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক।

এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে মধ‌্যহ্নভোজের পর হাছান মাহ্‌মুদ গাইবান্ধার রাধাকৃষ্ণপুরে এসকেএস ইন রিসোর্টে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব‌্য দেবেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সড়কপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে এসে পৌঁছান তিনি।

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ ৬ মাস বাড়ল

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ ৬ মাস বাড়ল

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিতের পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার ছোট ভাই শর্ত সাপেক্ষে মুক্তির সময় বৃদ্ধির একটি আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা সেটি অনুমোদন দিয়েছি। শর্তগুলো সব আগের মতোই থাকবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধি করল সরকার।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার ছোট ভাই শর্ত সাপেক্ষে মুক্তির সময় বৃদ্ধির একটি আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা সেটি অনুমোদন দিয়েছি। শর্তগুলো সব আগের মতোই থাকবে।’

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিন দফায় ছয় মাস করে ১৮ মাস মুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আগে খালেদাকে স্থায়ীভাবে মুক্ত করে দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল। তবে আইন মন্ত্রণালয় বলেছে, স্থায়ীভাবে মুক্ত করার এখতিয়ার আদালতের।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গত ৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আবেদনের বিষয়ে মতামত দেন। তাতে খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর সুপারিশ করেন মন্ত্রী।

আগের তিন দফার মতো এবারও বিদেশে না যাওয়া এবং বাড়িতে চিকিৎসার শর্তে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় খালেদা জিয়ার। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করলে সাজা বেড়ে হয় দ্বিগুণ।

উচ্চ আদালতের আদেশের পর দিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায় হয় বিচারিক আদালতে। এ মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড পান বিএনপি নেত্রী। ফলে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর।

দুই মামলায় খালেদার জামিন নিশ্চিত করতে বিএনপির আইনজীবীদের চেষ্টা ব্যর্থ হলে তার স্বজনরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন নিয়ে যান।

সরকার প্রধানের নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত হলে সাবেক সরকার প্রধানকে দুই শর্তে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মুক্তি দেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে বিএনপি নেত্রী ফেরেন তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায়।

খালেদার সাময়িক মুক্তি পাওয়ার শর্ত দুটি হলো: বিএনপি নেত্রী দেশেই চিকিৎসা নেবেন এবং তিনি বিদেশে যাবেন না।

গত এপ্রিলে খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলে বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়ার অনুরোধ করা হয়। তবে সরকার সে দাবি নাকচ করে। জানানো হয়, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে আর তিনি তা গ্রহণ করলেই কেবল বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আছে।

দ্বিতীয় আরেকটি পথ হলো আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে আসা। কিন্তু জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আপিল বিভাগে আর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগে শুনানিতে বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা কোনো আগ্রহই দেখাচ্ছেন না।

খালেদা জিয়া বন্দিত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে বাসায় ফেরার পর তার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ পরে ছয় মাস করে দুই দফায় বাড়ানো হয়।

তৃতীয় দফায় দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। এবার চতুর্থ দফায় মুক্তির মেয়াদ বাড়নোয় তার আরও ছয় মাস কারাগারে যেতে হবে না।

বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে এই দুটি মামলা ছাড়াও আরও অন্তত ৩০টি মামলা আছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলা অভিযোগ গঠনের অপেক্ষায় আছে।

আরও পড়ুন:
‘বাছাইপর্বের প্রস্তুতির’ জন্য সৌদি আরব যাচ্ছে বাংলাদেশ
কাতারেই জেমির অগ্নিপরীক্ষা
ঢাকায় ফিরলেন জেমির ‘ডান হাত’
ঈদের ছুটিতে জাতীয় ফুটবলাররা
করোনায় অনিশ্চিত কিংসের এএফসি কাপ

শেয়ার করুন