মোরাতার মিসে স্পেন-পর্তুগাল ম্যাচ, বড় জয় ইতালির

পর্তুগালের বিপক্ষে বল পায়ে মোরাতা। ছবি: এএফপি

মোরাতার মিসে স্পেন-পর্তুগাল ম্যাচ, বড় জয় ইতালির

পুরো ম্যাচেই একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন মোরাতা। কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহূর্তে যে সুযোগটি হারান, সেটি রীতিমতো ক্ষমার অযোগ্য।

শুক্রবার শুরু হচ্ছে ইউরো ২০২০ আয়োজন। তার আগে প্রীতি ম্যাচের মধ্য দিয়ে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছে দলগুলো। সেই ম্যাচগুলোর একটিতে মুখোমুখি হয়েছিল টুর্নামেন্টের দুই ফেভারিট স্পেন ও পর্তুগাল।

গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে নায়ক হননি কেউ, বরং খলনায়ক হিসেবে ম্যাচ শেষ করেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার আলভারো মোরাতা।

পুরো ম্যাচেই একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহূর্তে যে সুযোগটি হারান, সেটি রীতিমতো ক্ষমার অযোগ্য।

লেফট ব্যাক হোসে গায়ার পাস থেকে বল পেয়ে পর্তুগাল গোলকিপার রুই পাত্রিসিওকে একা পেয়ে যান মোরাতা। গোলকিপারকে পরাস্তও করেন। কিন্তু তার শট ফিরে আসে বারে লেগে। তাতে জয়ের আশাও মাটিতে মিশে যায় স্প্যানিশদের।

সুযোগ নষ্ট করেছে পর্তুগালও। স্পেন বক্সে খালি জায়গায় হেডের সুযোগ পেয়েও বাইরে মারেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো।

দুই দলই বারংবার গোল মিস করায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্য ড্রয়ে।

স্পেন ও পর্তুগাল ড্র করলেও বড় জয় তুলে নিয়েছে ইতালি। চেক প্রজাতন্ত্রকে তারা উড়িয়ে দিয়েছে ৪-০ গোলে।

ম্যাচের ২৩ মিনিটে ইতালিকে এগিয়ে দেন চিরো ইমমোবিলে। ৪২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মিডফিল্ডার নিকোলো বারেল্লা।

দ্বিতীয়ার্ধে ইমমোবিলের পাস থেকে গোল করে ৩-০ ব্যবধানে রবার্তো মানচিনির শিষ্যদের এগিয়ে নেন লরেঞ্জো ইনসিনিয়ে। ৭৩ মিনিতে ইনসিনিয়ের পাস থেকে চেক প্রজাতন্ত্রের জালে শেষ পেরেক ঠুকেন ডমেনিকো বেরার্দি।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১০০ মিনিটে কাসেমিরোর গোলে গ্রুপ সেরা ব্রাজিল

১০০ মিনিটে কাসেমিরোর গোলে গ্রুপ সেরা ব্রাজিল

ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ব্রাজিলের জয়সূচক গোলটি করেন কাসেমিরো। ছবি: টুইটার

কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারানোয় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউটে যাচ্ছে সেলেকাওরা। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকার পর রবার্তো ফিরমিনোর গোলে সমতা ফেরায় ব্রাজিল। আর ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ১০০ মিনিটে কাসেমিরোর গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় স্বাগতিক দল।

কোপা আমেরিকায় বি-গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারানোয় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউটে যাচ্ছে সেলেকাওরা।

৭৮ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকার পর রবার্তো ফিরমিনোর গোলে সমতা ফেরায় ব্রাজিল। আর ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে কাসেমিরোর ১০০ মিনিটের গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় স্বাগতিক দল।

আগের ম্যাচে পেরুকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করার পর কলম্বিয়ার বিপক্ষে একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন নিয়ে নামে ব্রাজিল। হেড কোচ লিওনার্দো তিতের রোটেশন পদ্ধতির কারণে একাদশের বাইরে চলে যান গোলকিপার এডারসন, ডিফেন্ডার এদার মিলিতাও, মাঝমাঠের ফাবিনিও ও এভারটন আর আক্রমণের গাব্রিয়েল বারবোসা।

এদের জায়গায় কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু করেন ওয়েভারটন, মার্কিনিয়োস, কাসেমিরো, এভারটন রিবেরো ও রিচার্সিলন।

রিওর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় ব্রাজিল। টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো গোল হজম করে তারা।

হুয়ান কোয়াদ্রাদো ডান প্রান্ত থেকে ব্রাজিলের বক্সে ক্রস করেন। উড়ন্ত বলে দুর্দান্ত ওভারহেড কিকে বল জালে জড়ান লুইস দিয়াস।

ব্রাজিলের গোলকিপার ওয়েভারটনের তাকিয়ে দেখা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। এই বছরের অন্যতম সেরা গোল করে ১০ মিনিটেই কলম্বিয়াকে এগিয়ে দেন দিয়াস।

ওই গোলের পর হতচকিত ব্রাজিল চেষ্টা করে নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিলেও ফাইনাল থার্ডে কার্যকরী ছিলেন না নেইমার-জেসুসরা।

ফলে ৬৫ শতাংশ বল পজেশনে রাখার পরও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় কলম্বিয়া।

দ্বিতীয়ার্ধেও খুব একটা পাল্টায়নি ম্যাচের দৃশ্য। ব্রাজিল বলের দখল রাখলেও ফিনিশিংয়ে ছিল দুর্বলতা। সমতা ফেরাতে বেশ খানিকটা সময় নিয়ে নেয় নয়বারের কোপাজয়ীরা।

৬৬ মিনিটে নেইমারের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হলে হতাশা আরও বাড়ে ব্রাজিলের। এর মিনিট দশেক পরই আসে স্বাগতিকদের কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত।

কলম্বিয়ার বক্সে আক্রমণের সময় বাম প্রান্ত থেকে ক্রস ছাড়েন রেনান লোদি। বক্সের ভেতরে তাতে মাথা ছুঁইয়ে স্কোরলাইন ১-১ করে দেন লিভারপুল তারকা ফিরমিনো। ম্যাচের ঘড়িতে তখন ৭৮ মিনিট।

১০০ মিনিটে কাসেমিরোর গোলে গ্রুপ সেরা ব্রাজিল
ফিরমিনোর সমতাসূচক গোলের পর ব্রাজিলের উচ্ছ্বাস। ছবি: টুইটার

বাকি সময়ে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। বাকি ১২ মিনিট ও রেফারির যোগ করা ১০ মিনিট ইনজুরি টাইমে তারা বারবার চেষ্টা করে ম্যাচজয়ী গোল করার।

একেবারে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোলটি পায় ব্রাজিল। নেইমারের কর্নার থেকে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের উৎসবে মাতান কাসেমিরো।

এই জয়ে বি-গ্রুপের শীর্ষে থেকে নকআউটে যাওয়া নিশ্চিত হলো ব্রাজিলের। সোমবার তারা নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচ খেলবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে।

কোপা আমেরিকায় রাতের প্রথম ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করে ইকুয়েডর ও পেরু।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন

দুইবার পিছিয়ে পড়েও নকআউটে জার্মানি

দুইবার পিছিয়ে পড়েও নকআউটে জার্মানি

জার্মানির দ্বিতীয় গোলটি করেন লিওন গোরেটসকা। ছবি: টুইটার

গ্রুপের রানার্স আপ হয়ে নকআউট পর্বে চলে গেল নয়্যার-মুলাররা। বুদাপেস্টে হাঙ্গেরির সঙ্গে ২-২ ব্যবধানে ড্র করেছে জার্মানি। নকআউট পর্বে গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ডকে পাচ্ছে ওয়াকিম লোভের দল।

রাশিয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল জার্মানি। এবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপেও যেন সে ভয় চেপে বসে ওয়াকিম লোভের শিষ্যদের ওপর।

গ্রুপ ‘এফ’-এ হাঙ্গেরির বিপক্ষে দুইবার পিছিয়ে পড়েও দারুণ এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ড্রয়ের স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জার্মানি।

ফলে গ্রুপের রানার্স আপ হয়ে নক আউট পর্বে চলে গেল নয়্যার-মুলাররা। বুদাপেস্টে হাঙ্গেরির সঙ্গে ২-২ ব্যবধানে ড্র করে ডাই মানশাফট।

নকআউট পর্বে গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ডকে পাচ্ছে ওয়াকিম লোভের জার্মানি। দুই দলের দেখা হচ্ছে লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে হেরে ইউরোর মিশন শুরু করে জার্মানি। পরের ম্যাচে পর্তুগালকে হারিয়ে নকআউট পর্বের আশা জিইয়ে রাখে তিনবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নরা।

শেষ ম্যাচে পর্তুগালকে হারানোর আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামে জার্মানি। আর ফ্রান্সকে রুখে দেয়ার মনোবল নিয়ে জার্মানির ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ আরেনায় লড়াই শুরু করে হাঙ্গেরি।

বায়ার্ন মিউনিখের স্টেডিয়ামে হাঙ্গেরি ম্যাচের ১১ মিনিটেই স্বপ্নের শুরু পেয়ে যায়। জার্মানিকে চমকে দিয়ে অ্যাডাম সিয়ালাইয়ের গোলে লিড নেয় সফরকারী দল।

প্রথমার্ধে আর গোল না হলে পিছিয়ে থাকার অস্বস্তি নিয়ে বিরতিতে যায় জার্মানি।

বিরতির পর এবারের ইউরোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ৪৫ মিনিটের ফুটবল উপভোগ করেন ফুটবলভক্তরা।

ম্যাচের ৬৬ মিনিটে চেলসি তারকা কাই হার্ভেটসের গোলে সমতার স্বস্তিতে ফিরে স্বাগতিক দল।

দুই মিনিট পরে আবারও হাঙ্গেরির ধামাকা। আন্ড্রেস শ্যাফারের গোলে আবারও লিড নিয়ে ফেলে মাইটি ম্যাগিয়ার্স।

এবারের টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটনের আর মাত্র মিনিট ছয়েক যখন বাকি, তখন গোরেটসকার গোলে সমতায় ফেরে জার্মানি। ম্যাচের ঘড়িতে তখন ৮৪ মিনিট।

২-২ স্কোরলাইনে ম্যাচ শেষ হলে পর্তুগালকে টপকে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে নকআউট পর্বে চলে যায় চারবারের বিশ্বকাপজয়ীরা।

পুরো টুর্নামেন্টে নজরকাড়া ফুটবল খেলা হাঙ্গেরিকে বিদায় নিতে হয় গ্রুপ অফ ডেথ থেকে।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন

বেনজেমা-রোনালডোর দিনে ‘পেনাল্টি রোমাঞ্চ’

বেনজেমা-রোনালডোর দিনে ‘পেনাল্টি রোমাঞ্চ’

ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো।। ছবি: টুইটার

২-২ গোলের ড্রয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। আর তিনে থেকে শেষ ষোলোতে পা রাখল পর্তুগাল।

চলতি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচ ছিল বুডাপেস্টে। ২০১৬ সালের সবশেষ ইউরোর দুই ফাইনালিস্ট মুখোমুখি হয় ফেরেঙ্ক পুসকাস স্টেডিয়ামে।

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়া হয়নি ফ্রান্সের। চার গোলের রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচটি শেষ হয়েছে ড্রয়ে।

তারপরও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। আর তিনে থেকে শেষ ষোলোতে পা রাখল পর্তুগাল।

নকআউট পর্বে ফ্রান্স প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে সুইজারল্যান্ডকে। অন্যদিকে পর্তুগাল প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর দল বেলজিয়ামকে।

তবে পর্তুগাল-ফ্রান্সের শেষ গ্রুপ ম্যাচে ২-২ স্কোরলাইন রং ছড়াল ‘পেনাল্টি নাটকে’। ম্যাচের চার গোলের তিনটিই আসে পেনাল্টি থেকে।

পেনাল্টি রোমাঞ্চ শুরু হয় ম্যাচের ৩১ মিনিটে। ফরাসি অধিনায়ক ও গোলকিপার উগো লরিসের ফাউল থেকে পেনাল্টি পায় পর্তুগাল।

স্পট থেকে দলকে লিড এনে দিতে ভুল করেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। চলতি ইউরোতে নিজের চতুর্থ গোলটি আদায় করে নেন এই মহাতারকা।

রোনালডোর গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে পারত পর্তুগাল। তবে প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে এবার পেনাল্টি আদায় করে নেয় ফ্রান্স।

গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কারিম বেনজেমা। চলতি ইউরোতে এটাই তার প্রথম গোল। আর ফ্রান্সের জার্সিতে ২০১৫ সালের পর প্রথম।

বিরতিতে থেকে ফিরে প্রথম দুই মিনিটের মাথায় প্রথমবারের মতো ম্যাচের লিড নিয়ে নেয় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এবার পল পগবার নিখুঁত পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে নিজের জোড়া গোল আদায় করেন বেনজেমা।

সমান তালে চলতে থাকা ম্যাচটা তৃতীয় পেনাল্টি দেখে ৬৬ মিনিটে। এবারও গোলদাতার ভূমিকায় রোনালডো। তার দ্বিতীয় গোলে সমতায় ফেরে পর্তুগাল।

আর এই গোল করে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইরানের আলি দাইয়ির ১০৯ গোলের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন পর্তুগালের অধিনায়ক।

ঠিক দুই মিনিট পর আবারও লিড হতে পারত ফ্রান্সের। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পগবার বাঁকানো শট ফিস্ট করে দারুণভাবে ফিরিয়ে দেন পর্তুগালের গোলকিপার রুই পাত্রিসিও।

ফিরতি বলে ডান প্রান্ত থেকে নেয়া আঁতোয়া গ্রিজমানের শটও রুখে দেন পর্তুগালের গোলকিপার।

এই ব্যবধানেই ম্যাচ শেষ হলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে পা রাখে ফ্রান্স। আর গ্রুপের তৃতীয় দল হিসেবে শেষ ১৬ নিশ্চিত করে পর্তুগাল।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন

বড় জয়ে নকআউটে স্পেন, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুইডেন

বড় জয়ে নকআউটে স্পেন, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুইডেন

স্পেনের চতুর্থ গোল করার পর ফেরান তোরেসের উচ্ছ্বাস। ছবি: টুইটার

স্লোভাকিয়াকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্পেন। এ জয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মোরাতা-আলবার দল। পোল্যান্ডকে শ্বাসরুদ্ধকরভাবে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে সুইডেন।

চলতি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুই ম্যাচে হোঁচট খেয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার আশা ক্ষীণ হয়ে যায় স্পেনের। শেষ ম্যাচে স্লোভাকিয়াকে হারানোর বিকল্প ছিল না লুইস এনরিকের শিষ্যদের। পেনাল্টি মিসে শুরু করে শেষটা অবশ্য রাঙিয়েছে ২০১০ বিশ্বকাপজয়ীরা।

স্লোভাকিয়াকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্পেন। এ জয়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মোরাতা-আলবার দল।

এদিকে পোল্যান্ডকে শ্বাসরুদ্ধকরভাবে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে সুইডেন।

ঘরের মাঠে আধিপত্য বিরাজ করে খেলতে থাকা স্পেন ম্যাচের ১২ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো পেনাল্টি গোলে। দলের হয়ে সবশেষ চারবারের মতো এবারও পেনাল্টি মিস করেন আলভারো মোরাতা।

তবে মার্টিন ড্রুভ্রাভকার আত্মঘাতী গোলে ম্যাচের ৩০ মিনিটে ডেডলক ভাঙে স্পেন। এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আয়মেরিক লাপোর্তের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বিরতিতে যায় স্পেন।

বড় জয়ে নকআউটে স্পেন, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুইডেন
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক আউট পর্বে সুইডেন। ছবি: টুইটার

দ্বিতীয়ার্ধে পাবলো সারাবিইয়া, ফেরান তোরেসের স্ট্রাইক ও ইউরাই কুচকার আরেকটি আত্মঘাতী গোলে ৫-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে এনরিকের শিষ্যরা প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে ক্রোয়েশিয়াকে।

আর ৩-২ গোলে রবার্ট লেওয়ানডোভস্কির দল পোল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ-ই চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ১৬-তে পা রাখে সুইডেন। নকআউট পর্বে সুইডদের লড়তে হবে ইউক্রেনের বিপক্ষে।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন

ইংল্যান্ডে বাদ পড়লে লাল-সবুজে খেলার ভাবনা হামজার

ইংল্যান্ডে বাদ পড়লে লাল-সবুজে খেলার ভাবনা হামজার

ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতা আছে হামজা চৌধুরীর। খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দুই দলেই। এখন ইংল্যান্ডের সিনিয়র দলে সুযোগের অপেক্ষায় আছেন এই ফুটবলার। ইংল্যান্ডে না হলে বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারেন হামজা।

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলার ইচ্ছার কথা আগেই বলে রেখেছেন হামজা চৌধুরী। কিন্তু ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মাতানো ফুটবলার হামজা চৌধুরীকে কি আদৌ পাবে বাংলাদেশ? আপাততদৃষ্টিতে হামজাকে ঘিরে আশার সঙ্গে মিশে আছে কিছু ‘তবে-কিন্তু’।

কী সেই ‘তবে-কিন্তু’?

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল লিস্টার সিটির হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ফুটবলার। ইতোমধ্যে ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার। খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দুই দলেই।

এখন ইংল্যান্ডের সিনিয়র দলে সুযোগের অপেক্ষায় আছেন এই ফুটবলার।

এখন তার বয়স ২৩ বছর। ইংল্যান্ডের হয়ে খেলাই সবচেয়ে বড় স্বপ্ন বলে জানিয়েছেন এই ফুটবলার। যদি ওই দলে ডাক না পান তবে বাংলাদেশ দলে খেলার ইচ্ছা আছে তার।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ড দলে ডাক মেলেনি এই ফুটবলারের। কাতার বিশ্বকাপে একবারের বিশ্বকাপজয়ীদের জার্সিতে খেলতে মুখিয়ে আছেন হামজা।

সম্প্রতি দেশের এক বেসরকারি টেলিভিশনের অনলাইন ভার্সনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন হামজা। বলেন, ‘ইনশাল্লাহ। চেষ্টা থাকবেই। সবার দোয়ায় যদি ডাক আসে, আশা করি ভালো কিছুই করতে পারব।’

ইংল্যান্ডের স্বপ্ন পূরণ না হলে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার আগ্রহ আছে মাঝমাঠের এই ফুটবলারের।

হামজা বলেন, ‘ইচ্ছা আছে। আমি জানি বাংলাদেশের মানুষ আমাকে অনেক ভালোবাসে। ইনশাল্লাহ সুযোগ পেলে খেলব।’

তবে আপাতত লিগ আর ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের সুযোগের অপেক্ষায় যে থাকছেন সেটাও মনে করিয়ে দিলেন হামজা।

‘আপাতত লেস্টারের হয়ে ভালো খেলার চেষ্টায় আছি। সেখানেই আমার মনোযোগ।’

হামজা চৌধুরীকে নিয়ে স্বপ্ন বুনছেন বাংলাদেশের সমর্থকরা। তাদের আশা, কখনও না কখনও হামজা বাংলাদেশের খেলবেন। দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া ও তারিক কাজীর মতো লাল-সবুজ জার্সিতে মাঠ মাতাবেন হামজাও।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন

রোনালডোদের বিপক্ষে প্রতিশোধের ম্যাচ ফ্রান্সের

রোনালডোদের বিপক্ষে প্রতিশোধের ম্যাচ ফ্রান্সের

পর্তুগাল দলের অনুশীলনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। ছবি: টুইটার

পাঁচ বছর পর আবারও একই সমতলে ফ্রান্স ও পর্তুগাল। ইউরোর ফাইনালের রিপিট ম্যাচে রাত ১টায় হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ও ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল।

দিদিয়ের দেশমঁ ২০১৪ বিশ্বকাপের পর নতুন একটা দল বানানোর চেষ্টায় ছিলেন, যেটি পরের পাঁচ-ছয় বছর বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখবে। পল পগবা, কিলিয়ান এমবাপে ও এনগোলো কান্তেকে ঘিরে তেমন স্কোয়াড তৈরিও করে ফেলেন ফ্রান্সের হেড কোচ।

ধীরে ধীরে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে থাকে দেশমেঁর তরুণ তুর্কিরা। তাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মঞ্চ আসে নিজ দেশের, ২০১৬ সালের ইউরোতে। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে পৌঁছায় ল্য ব্লু।

ফেভারিট হিসেবে ফাইনালে আসা ফ্রান্সের সঙ্গে শিরোপার লড়াইয়েই ঘটে অঘটন। টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিকতাহীন পর্তুগালের কাছে হেরে শিরোপা হারাতে হয় তাদের।

সেই ধাক্কা সামলাতে বেশ খানিকটা সময় লেগে যায় পগবা-এমবাপে-ডেম্বেলেদের। ইউরোর হার থেকে শিক্ষা নিয়েই দুই বছর পর রাশিয়ায় বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে ফ্রান্স।

পাঁচ বছর পর আবারও একই সমতলে ফ্রান্স ও পর্তুগাল। ইউরোর ফাইনালের রিপিট ম্যাচে রাত ১টায় হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ও ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল।

ডেথ গ্রুপ-এফের শীর্ষে আছে ফ্রান্স। বিশ্বসেরা দলের মতো জার্মানিকে হারিয়ে শুরু করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে হাঙ্গেরির বিপক্ষে পয়েন্ট খোয়ায় তারা। এই গ্রুপ থেকে নকআউট এরই মধ্যে নিশ্চিত করেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

অন্যদিকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোর ভেলকিতে হাঙ্গেরিকে হারিয়ে শুরু করলেও পরের ম্যাচে ভূপাতিত হয় পর্তুগাল। জার্মানির বিপক্ষে গুনে গুনে চার গোল হজম করে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় এখন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

ফ্রান্সের কাছে হেরে গেলে আর হাঙ্গেরি জার্মানির বিপক্ষে জিতলে বাদ পড়ে যাবে পর্তুগাল। এমন সমীকরণকে মাথায় রেখে ফেলিশ-রোনালডোরা রাতে নামছে বলে জানিয়েছেন পর্তুগালের হেড কোচ ফার্নান্দো সান্তোস।

ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে সান্তোস বলেন, ‘আমরা জানি আমাদের কার কী দায়িত্ব। শেষ ম্যাচে হারের পরদিনই অনুশীলনে খেলোয়াড়রা উজ্জীবিত ছিল। বেশ কিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে স্কোয়াডে, যারা জানেন কীভাবে কঠিন অবস্থা থেকে ফিরে আসতে হয়।’

একই সুর অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার পেপের কণ্ঠেও। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই তারকা বলেন, ‘আমরা জানি দুর্দান্ত একটা দলের বিপক্ষে নামছি। কিন্তু আমাদের নিজেদের যথেষ্ট অস্ত্র রয়েছে, যেগুলো নিয়ে আমরা আক্রমণ করব।’

ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমঁ বলছেন, পর্তুগাল কী ভাবছে সেটা নিয়ে চিন্তিত নন তিনি। নিজের শিষ্যদের পারফরম্যান্সে ফোকাস তার।

রোনালডোদের বিপক্ষে প্রতিশোধের ম্যাচ ফ্রান্সের
ফ্রান্স দলের অনুশীলনে সতীর্থদের সঙ্গে আঁতোয়া গ্রিজমান। ছবি:টুইটার



‘গ্রুপে ভালো ফল করার জন্য ম্যাচে আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে চাই। পর্তুগালের সঙ্গে কী ঘটবে সেটা আমি জানি না। আমার মনোযোগ নিজেদের দিকে। যেহেতু আমরা নকআউটে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছি, সেটা আমাদের এক ধরনের স্বস্তি দিচ্ছে। তবে ফরাসি জনগণের কাছে ভালো খেলার জন্য আমরা দায়বব্ধ।’

হাঙ্গেরির বিপক্ষে ম্যাচে আঘাত পাওয়ায় টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেছে স্ট্রাইকার উসমান ডেম্বলের। তার জায়গায় বেঞ্চে থাকছেন অলিভিয়ে জিঁরু।

পর্তুগালের হয়ে আক্রমণে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোর সঙ্গী হিসেবে ফিরছেন রেনাতো সানচেস ও জোয়াও ফেলিশ।

একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে হাঙ্গেরির বিপক্ষে মিউনিখের আলিয়াঞ্জ আরেনায় নামছে জার্মানি।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন

কলম্বিয়ার বিপক্ষে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে নামছে ব্রাজিল

কলম্বিয়ার বিপক্ষে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে নামছে ব্রাজিল

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্রাজিলের অনুশীলনে নেইমার। ছবি: টুইটার

গ্রুপে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার সকালে নামছে তারা। সকাল ৬টায় নয়বারের কোপা বিজয়ীদের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া।

কোপা আমেরিকায় ব্রাজিলের যেমন ফর্ম তাতে শেষ আটে কোয়ালিফাই করা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই তাদের। নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার সকালে নামছে তারা। সকাল ৬টায় নয়বারের কোপা বিজয়ীদের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া।

নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে ৭ গোল করা ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড লাইন আছে তুখোড় ফর্মে। নেইমারের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের বক্সে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন রিচার্লিসন, জেসুস, গাবিগোলরা। দুই ম্যাচে সাত গোল করেছেন ব্রাজিলের ছয়জন গোলস্কোরার।

আক্রমণভাগে কোনো সমস্যা নেই সেলেকাওদের সেটা নিশ্চিত। তবে থিয়াগো সিলভার অধীনে থাকা ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সকে খুব একটা পরীক্ষা দিতে হয়নি এখন পর্যন্ত। তিন ম্যাচে মাত্র দুই গোল করা কলম্বিয়ার বিপক্ষে সেই ঝুঁকি থাকছে কম।

ব্রাজিলের কোচ লিওনার্দো তিতে অবশ্য সমীহ করছেন প্রতিপক্ষকে। ম্যাচের আগে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিতে বলেন, ‘তারা একটা দারুণ দল। আমি তাদের সম্মান করি। কলম্বিয়ার সঙ্গে আমাদের ম্যাচ সবসময়ই কঠিন হয়। আমি খেলোয়াড়দের এটা মাথায় রাখতে বলেছি। ভালো একটা খেলা হবে। মাঠে আমরা জিততে চাই। কিন্তু আমাদের চাওয়াটা তাদের চেয়ে বেশি থাকতে হবে।’

প্রথম দুই ম্যাচে খেলোয়াড় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রোটেশন পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন ব্রাজিলের কোচ লিওনার্দো তিতে। কলম্বিয়ার বিপক্ষেও নিজের অব্যবহৃত খেলোয়াড়দের বেছে নিতে পারেন তিনি।

কলম্বিয়ার বিপক্ষে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে নামছে ব্রাজিল
ব্রাজিলের অনুশীলনে সতীর্থদের সঙ্গে ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা। ছবি: এএফপি


পিএসজির মার্কিনিয়োস ও রিয়াল মাদ্রিদের কাসেমিরো ফিরতে পারেন একাদশে। নেইমারের সঙ্গে ফ্রন্ট লাইনে থাকতে পারেন এভারটন ও গাব্রিয়েল জেসুস।

তাদের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া কোপা আমেরিকায় খুব একটা ভালো সময় পার করছে না। প্রথম ম্যাচে ইকুয়েডরকে হারিয়ে শুরু করলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর তৃতীয় ম্যাচে পেরুর কাছে হেরে যায় তারা।

চতুর্থ ম্যাচে শক্তিশালী ব্রাজিলের বিপক্ষে হেরে গেলে নকআউট রাউন্ডে কোয়ালিফাই করাটা কঠিন হয়ে যাবে তাদের জন্য। রিও অলিম্পিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের কাছ থেকে তাই পয়েন্ট কেড়ে নিতে চাইবে কলম্বিয়া।

গ্রুপ বি-তে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ব্রাজিল। দুইয়ে থাকা কলম্বিয়ার সংগ্রহ চার পয়েন্ট। তবে তারা খেলেছে তিন ম্যাচ। তিনে আছে পেরু। দুই ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ তিন পয়েন্ট।

মাঠে নামার আগেই পেরুর চেয়ে পিছিয়ে পড়তে পারে কলম্বিয়া। কারণ তাদের আগেই রাত ৩টায় ইকুয়েডরের বিপক্ষে মাঠে নামছে পেরু। ম্যাচে জয় পেলে কলম্বিয়াকে ছাড়িয়ে ছয় পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠে আসবে তারা।

আরও পড়ুন:
স্পেনের বিপক্ষে জার্মানির ছয় গোলের লজ্জা

শেয়ার করুন