গতি আর কৌশলে আফগানদের বধ করতে চান জামাল

ছবি: সংগৃহীত

গতি আর কৌশলে আফগানদের বধ করতে চান জামাল

স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবার ম্যাচে ফ্যাবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে আফগানরা। উচ্চতা ও শারীরিকভাবে তারা এগিয়ে রয়েছে। তবে তাদের শক্তিমত্তা বিবেচনায় রেখে হারানোর কৌশল বাংলাদেশের কাছে আছে বলে মনে করেন লাল-সবুজদের অধিনায়ক।

রাত পোহালেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে কাতারের মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে প্রথম লেগে আফগানদের কাছে এক গোলে হেরেছিল লাল-সবুজরা। এবার দোহায় দ্বিতীয় লেগে আফগানদের হারাতে চান জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে আফগানিস্তান বাংলাদেশ থেকে বেশ এগিয়ে আছে। বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিং ১৮৪ আর আফগানিস্তান দাঁড়িয়ে ১৪৯ এ।

স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবার ম্যাচে ফ্যাবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে আফগানরা। উচ্চতা ও শারীরিকভাবে তারা এগিয়ে রয়েছে। তবে তাদের শক্তিমত্তা বিবেচনায় রেখে হারানোর কৌশল বাংলাদেশের কাছে আছে বলে মনে করেন লাল-সবুজদের অধিনায়ক।

জামাল বলেন, ‘আফগানিস্তানের সাথে আমাদের ম্যাচটা কঠিন হবে। ওরা শারীরিকভাবে আমাদের থেকে শক্তিশালী। উচ্চতাও বেশি। টেকনিক্যালি আমরা স্ট্রং আছি। স্পিড আছে ওদের থেকে বেশি।’

দেশের মাটিতে ১২ দিনের প্রস্তুতি আর কাতারে পাঁচ দিনের অনুশীলন নিয়ে আফগানদের হারাতে প্রস্তুত ফুটবলাররা।

পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এই মিডফিল্ডার, ‘আমরা চেষ্টা করব সেরাটা দেয়ার। সবটুকু দিব। এবং আশা করছি আমরা তিন পয়েন্ট নিব।’

কাতারে শেষদিনের প্রস্তুতি সেড়েছে জাতীয় দল। সকালে জিম ও সুইমিং সেশন শেষে বিকেলে কাতার ইউনিভার্সিটি মাঠে অনুশীলন করবেন ফুটবলাররা।

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেসি না ম্যারাডোনা: সেরা কে?

মেসি না ম্যারাডোনা: সেরা কে?

ছবি: সংগৃহীত

এই প্রশ্নের সমাধানে আসা শুধু কঠিনই নয় অসম্ভবও বটে। তবে বিতর্কটি ফেলে দেয়া যায় না। আধুনিক ফুটবল কিংবদন্তির ৩৪ তম জন্মদিনে সেটারই বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা যাক।

ফুটবলের সহস্র রেকর্ডের বরপুত্র লিওনেল মেসিকে দীর্ঘদিন যাবতই তুলনা করা হয় ফুটবল ঈশ্বর ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে। নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়েছেন বলেই এলিট ক্লাবে পেলের সারিতে থাকা ম্যারাডোনার সঙ্গে উচ্চারিত হয় তার নামও। তবে যদি বলা হয় এই দুজনের মধ্যে কে সেরা?

এই প্রশ্নের সমাধানে আসা শুধু কঠিনই নয় অসম্ভবও বটে। তবে বিতর্কটি ফেলে দেয়া যায় না। আধুনিক ফুটবল কিংবদন্তির ৩৪ তম জন্মদিনে সেটারই বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা যাক।

পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?

যদি শুধু গোলের হিসেব বা ট্রফি হিসেব করা হয় তাহলে ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে যাবেন মেসি। ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে ইতোমধ্যে ৭০০-এর উপরে গোল করেছেন যেখানে ম্যারাডোনার গোলসংখ্যা ৩৪৫-এ থেমে গেছে। মেসি ১০টি লিগ শিরোপার পাশাপাশি চারবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিতেছেন। অন্যদিকে ম্যারাডোনা তিনবার লিগ টাইটেল জেতার পাশাপাশি একটি ইউয়েফা কাপ জেতেন। মেসির ঝুলিতে যেখানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ছয়টি ব্যালন ডর, সেখানে ম্যারাডোনার শূন্য। বলে রাখা ভালো, এই পুরস্কারটি ইউরোপের বাইরের ফুটবলারদের দেয়া শুরু হয় ১৯৯১ সাল থেকে।

ম্যারাডোনাকে টপকে গেছে মেসি?

এতো সহজ নয়। ফুটবলের মাহাত্ম শুধু গোলের হিসেব আর ট্রফির ধাচে পরিমাপ করা কঠিন। প্রথমত, ১৯৮০ সাল ও ৯০-এর প্রথম দিকের ফুটবলটা একেবারে ভিন্ন ছিল এখন থেকে। তখন অতি-ডিফেন্সিভ খেলা হতো প্রচুর কিন্তু এর মাঝেও মাঠে ব্রাজিলের শৈল্পিক ফুটবল দেখেছে বিশ্ব, যেখানে রক্ষণাত্মক ফুটবলের পাশাপাশি গোলের বন্যা দেখা গেছে। তখন ইতালি ফুটবলের রাজধানী ছিল বলা চলে। মিশেল প্লাতিনি, জিকো, রুড খুলিত, মার্কো ফন বাস্টেন ও ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের মতো বিশ্বসেরারা সেরি আ মাতাতেন।

ম্যারাডোনা সেই লিগে রেলিগেশন শঙ্কায় থাকা নাপোলিতে যোগ দেন ১৯৮৪ সালে। সেখানে ইতালির দলটিকে সেরাদের কাতারে নিয়েছেন নিজের দক্ষতায়। এই দলটাকে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে লিগ শিরোপা জেতান ম্যারাডোনা। আন্ডারডগ দল হিসেবে এসি মিলান ও ইউভেন্তাসের মতো বিশ্বসেরা দলের বিপক্ষে নাপোলিকে একটা কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করান।

অন্যদিকে মেসি যখন বার্সেলোনায় খেলেছেন তখন দলের পোস্টার বয় ছিলেন। তাকে একাই দলটাকে কাঁধে বইয়ে আনতে হয়নি। কার্লোস পুয়োল থেকে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, চাভি এরনান্দেস, নেইমার ও লুইস সুয়ারেসের মতো বিশ্বসেরা ফুটবলার পাশে পেয়েছেন আর্জেন্টাইন মেগাস্টার।

মেসি না ম্যারাডোনা: সেরা কে?
নাপোলির অধিনায়ক হিসেবে ইউয়েফা কাপ ট্রফি হাতে ডিয়েগো ম্যারাডোনা। ছবি: টুইটার

যখন ম্যারাডোনা খেলেছেন তখন ফুটবল এতোটাই ডিফেন্সিভ ছিল যে ফিফাকে ‘গো ফর গোলস’ নামে একটা ক্যাম্পেইন করতে হয়েছিল। সেরি আয় ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমের এক পরিসংখ্যানের মতে ম্যাচ প্রতি গোলের হার ১.৯৩। যেখানে পেপ গার্দিওলার কোচিংয়ে মেসির প্রথম মৌসুমে লা লিগায় গোলের হার ছিল ২.৯০। প্রতি ম্যাচে প্রায় তিনটি করে গোল। ইয়োহান ক্রইফের মতাদর্শে গড়া দর্শনে বার্সেলোনা ওই জেনারেশনের কিছু বিশ্বসেরা ফুটবলারদের পাশে পান মেসি।

কে বেশি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সফলতা পেয়েছেন?

ম্যারাডোনার শৈশব কেটেছে কঠিন দারিদ্রতার মধ্যে। বুয়েনোস আইরেসের উপকণ্ঠে ভিয়া ফিওরিতা বস্তিতে কঠিন বাস্তবতার মধ্যে বেড়ে ওঠেন তিনি। ১৯৭৬ সালে যখন তিনি তরুণ তখন দেশের সামরিক অভ্যুত্থান দেখেন। ১৯৭০ ও ৮০ সালের শেষদিকে দেশের ভঙ্গুর আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যে বড় হন ম্যারাডোনা। সেসময় আর্জেন্টিনার মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়িয়েছিল ২০ সেন্টে। ১৯৮২ সালের ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার লড়া মালভিনাস যুদ্ধ দাগ কেটে যায় ২২ বছরের ডিয়েগোর মনে।

অন্যদিকে অর্থকষ্টে বেড়ে উঠলেও, ১৩ বছর বয়সে নিজের পরিবেশ পালটে ফেলেন মেসি। চলে আসেন বার্সেলোনায়। এটাও ঠিক যে মেসির গ্রোথ হরমোনের জটিলতা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অর্থের কারণেই বার্সেলোনায় মেসিকে ভর্তি করায় তার পরিবার।

ফুটবলের নিয়ম কি মেসিকে বেশি সহায়তা করেছে?

মাঠের মধ্যে ম্যাচ অফিসিয়ালদের কাছে খুব কম নিরাপত্তা পেতেন ম্যারাডোনা। ক্যারিয়ারে বেশ বড় বড় ইনজুরির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। ইতালি ডিফেন্ডার ক্লদিও জেনটিলের রাগবি ট্যাকল বা ‘বিলবাওয়ের কসাই’ খ্যাত আন্দোনি গয়কোচেয়ার ট্যাকলে একেবারে ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে যেতে পারত ম্যারাডোনার।

মেসি তার সময়ে ম্যাচ অফিসিয়ালদের কাছ থেকে ম্যারাডোনার সময় থেকে অনেক বেশি সুবিধা পেয়েছেন। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ফিফা একটি নতুন নিয়ম চালু করে যেখানে বলা হয়, ‘পেছন থেকে ট্যাকেল করলে খেলোয়াড়ের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এটা বড় ফাউল হিসেবে ধরা হবে। লাল কার্ড দেয়ার নিয়ম করা হয়েছে।’ এর পরে খেলোয়াড়দের জন্য আরও কম নির্মম হয়ে ওঠে খেলাটা।

অন্যদিকে ম্যারাডোনা প্রযুক্তির যুগে খেলেননি। যে সময়ে সফটও্যয়ার ব্যবহার করে লিওনেল মেসির হাজারও টাচ ও ড্রিবল বিশ্লেষণ করে তার পরবর্তী মুভমেন্ট সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন হতে পারছে বিশ্ব। আর ফুটবলও ট্যাকটিক্যালি এতটা নিঁখুত হয়ে ওঠেনি ম্যারাডোনার সময়ে। মেসির মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবলারদের বল পায়ে দক্ষতার পাশাপাশি এখন অনেক বেশি প্রয়োজন 'গেম প্লে অ্যাওয়্যারনেস'।

মেসি না ম্যারাডোনা: সেরা কে?
বার্সার হয়ে চার বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা লিওনেল মেসি

কার প্রভাব বেশি পড়েছে বিশ্বে?

১৯৮৬ সালে মেক্সিকোতে যখন বিশ্বকাপটা হচ্ছিল তখন অনেক বিগ্রহের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের কাছে মালভিনাস যুদ্ধে হেরে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত দেশটি। এই অবস্থায় আর্জেন্টিনাকে একাই কাঁধে করে বিশ্বকাপ জেতানোর সঙ্গে বোনাস হিসেবে সেই ইংল্যান্ডকে জোড়া গোলে হারানোর প্রভাব ছিল অনেক বড়। সঙ্গে নাপোলিকে একা ঘাড়ে নিয়ে বিশ্বকাতারে তোলা, ওই শহরের মানুষদের বহিঃর্বিশ্বের সামনে তুলে ধরাও ছিল অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।

সেই হিসেবে মেসি অনেক বেশি সুসজ্জ্বিত ব্যক্তিজীবনে। বিশ্বসেরার আসনে থাকার যে ধারাবাহিকতা মেসি দেখিয়েছেন এক যুগেরও সময় বেশি ধরে। সেটাই আসলে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। সেই তুলনায় ম্যারাডোনা শিখরে ছিলেন ছিলেন ছয় কি সাত বছর। কিন্তু মেসির উজ্জল ক্যারিয়ারে ওই একটাই অধরা তাহল বিশ্বকাপ।

ম্যারাডোনা তার ক্যারিয়ারে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জেতেন। মেসিও ২০১৪ সালে তা জেতেন। কিন্তু ফাইনালে এসেই সব খেই হারিয়েছেন মেসি। যেখানে ১৪৭ ম্যাচে মেসি করেছেন ৭৩টি গোল সেখানে পজিশনের হিসেবে আরও নিচে খেলে ৯১ ম্যাচে ৩৪ গোল করেছেন ম্যারাডোনা। কিন্তু তিন বিশ্বকাপে নক আউট পর্বে কোনো গোল আদায় করতে পারেননি মেসি।

বিশ্বকাপ জেতাই কি সেরার নির্ধারক?

এ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ রয়েছে। আলফ্রেড দি স্টেফানো ও ইয়োহান ক্রইফের মতো সর্বকালের ফুটবলার কখনও বিশ্বকাপ খেলেননি কিন্তু তাতে তাদের মাহাত্ম্য কমেনি । অধিকাংশ ফুটবলার যদিও বিশ্বকাপ জেতাটাকেই সেরা মানার ক্ষেত্রে এগিয়ে রাখেন। তবে ম্যারাডোনা নিজেও মেসিকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘বিশ্বের সেরা খেলোয়ার হওয়ার জন্য মেসিকে বিশ্বকাপ জিতার প্রয়োজন নাই।’

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন

জেমির চাওয়া পূরণ করতে চায় বাফুফে

জেমির চাওয়া পূরণ করতে চায় বাফুফে

ছবি: বাফুফে

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘জেমির চাওয়া ছিল ভালো প্রস্তুতি। আমরা তিনটা যে ফিফা উইন্ডো আছে, সেটা ব্যবহার করতে চাই। খেলোয়াড়দের ম্যাচের মধ্যে রাখা। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে রাখার মাধ্যমে জাতীয় দলের প্রস্তুতির কাজটা সেরে রাখব।’

এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত বাছাইয়ে নামার আগে ভালো প্রস্তুতি নিতে চান জাতীয় দলের প্রধান কোচ জেমি ডে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত পর্ব শুরু। হাতে আছে প্রায় সাত মাস।

তার আগে আগামী তিন ফিফা উইন্ডেতে অন্তত ছয়টি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলতে চান এই ইংলিশ টেকটেশিয়ান।

জেমির পরিকল্পনা আমলে নিয়ে জাতীয় দলের প্রস্তুতির জন্য এই কোচের চাওয়া পূরণ করতে চায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘জেমির চাওয়া ছিল ভালো প্রস্তুতি। আমরা তিনটা যে ফিফা উইন্ডো আছে, সেটা ব্যবহার করতে চাই। খেলোয়াড়দের ম্যাচের মধ্যে রাখা। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে রাখার মাধ্যমে জাতীয় দলের প্রস্তুতির কাজটা সেরে রাখব।’

বার্ষিক ছুটি কাটাতে জেমি এখন ইংল্যান্ডে ফিরে গেছেন। যাওয়ার আগে বাফুফের সঙ্গে কয়েক দফার বৈঠক করে গেছেন এই কোচ। প্রতিপক্ষ হিসেবে একটা ক্যাটাগরি সেট করে গেছেন তিনি।

সোহাগ ব্যাখ্যা দেন, ‘আমাদের আশপাশে ও ১৫০ র‌্যাঙ্কিংয়ের এর আশপাশে যারা রয়েছে তাদের বিপক্ষে খেলার ইচ্ছাও জেমিরা জানিয়েছেন। আমাদের থেকে বেশি র‌্যাঙ্কে যারা আছে তাদের সঙ্গে খেলার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। এই বিষয়টা বিবেচনায় থাকছে।’

জাতীয় দলের প্রস্তুতির জন্য আগস্টের শেষ দিকে ক্যাম্প শুরু করার প্রাথমিক পরিকল্পনা করছে বাফুফে।

সোহাগ বলেন, ‘১৮ আগস্ট থেকে ২৪ আগস্ট এএফসি কাপের খেলা। তার পূর্বে ১৫ আগস্ট একটা কোয়ালিফায়ার্স খেলা আছে। এর আগে জাতীয় দলের প্রস্তুতি শুরু হতে পারে। জেমি ডে আসতে পারে। আবার সেপ্টেম্বরের ফিফা উইন্ডো কাজে লাগে আগস্টের শেষদিকে ক্যাম্প শুরুর প্রাথমিক ভাবনা রয়েছে।’

এদিকে জাতীয় দলের প্রস্তুতির জন্য সেপ্টেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের ব্যাপারে পরিকল্পনা করছে ফেডারেশন। তবে, ভেন্যু নিয়ে জটিলতা রয়েছে। ওই সময়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের আধুনিকায়নের কার্যক্রম চলবে।

বিষয়টি নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভেন্যু চূড়ান্ত করা হবে বলে জানালেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক।

সোহাগ বলেন, ‘যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও বাফুফের সঙ্গে আলোচনা করে মূল ভেন্যুর ব্যাপারে আমরা আলোচনা করব। সবাইকে জানিয়েছিল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হবে। বাট পরিস্থিতি সাপেক্ষে ভেন্যুটি আসলে অন্য কোথাও নিয়ে যাব কি না তা নিয়ে আলোচনা করব।’

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন

মেসির গেঞ্জিতে চে গুয়েভারা কীভাবে?

মেসির গেঞ্জিতে চে গুয়েভারা কীভাবে?

চে গুয়েভারার মুখায়বের গেঞ্জিসহ মেসির ছবিটি তৈরি করা হয়েছে ফটোশপের সাহায্যে। মেসির মূল ছবিটি ২০০৭ সালের ১০ মার্চ তোলা। ওই দিন ১৯ বছরের মেসি বার্সেলোনার পক্ষে প্রথম হ্যাট্রিক করেন। সেই ম্যাচে দ্বিতীয় গোল করার পর উচ্ছ্বসিত মেসির ছবিটি তোলেন এএফপির ফটো সাংবাদিক সেসার রানহেল।

আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির জার্সি উঁচিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। এতে দেখা যায় জার্সির নিচে মেসি কিউবার বিপ্লবী কমিউনিস্ট নেতা চে গুয়েভারার মুখায়ব ছাপানো একটি গেঞ্জি পরেছেন।

বাংলাদেশে মেসিভক্ত অনেকেই শেয়ার করেছেন ছবিটি। দেশের বাইরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটি শেয়ার হচ্ছে।

ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি ও কমিউনিস্ট নেতা চে গুয়েভারার জন্ম আর্জেন্টিনায়। করোনাভাইরাসের মহামারি ঠেকাতে গত বছর লকডাউনের সময়ে মেসি ঘোষণা দেন বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা ৭০ শতাংশ বেতন ছাঁটাইয়ে রাজি। বেঁচে যাওয়া এই অর্থ ক্লাব কর্মচারীদের জন্য ব্যয় হবে।

এই ঘোষণার পর ইউরোপের সংবাদ মাধ্যমে মেসিকে ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। ফরাসি সংবাদপত্র লেকিপ তাকে চে গুয়েভারার সঙ্গে তুলনা করে। এরপর ১৪ জুন চে গুয়েভারার জন্মবর্ষিকীতে আলোচিত ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

কেউ কেউ ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘মেসির বুকে বিপ্লবী চে। ছবি: কালেক্টেড।’

মেসিকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতেও অনেকে শেয়ার করেছেন ছবিটি।

মেসির গেঞ্জিতে চে গুয়েভারা কীভাবে?
মেসির এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে

তবে চে গুয়েভারার মুখায়বের গেঞ্জিসহ মেসির ছবিটি তৈরি করা হয়েছে ফটোশপের সাহায্যে। মেসির মূল ছবিটি ২০০৭ সালের ১০ মার্চ তোলা।

ওই দিন ১৯ বছরের মেসি বার্সেলোনার পক্ষে প্রথম হ্যাট্রিক করেন। সেই ম্যাচে দ্বিতীয় গোল করার পর উচ্ছ্বসিত মেসির ছবিটি তোলেন এএফপির ফটো সাংবাদিক সেসার রানহেল

ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘বার্সেলোনার লিওনেল মেসি কাম্প ন্যু স্টেডিয়ামে ১০ মার্চ ২০০৭ স্প্যানিশ লিগের ফুটবল ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোল করার পর উচ্ছ্বসিত।’

মেসির গেঞ্জিতে চে গুয়েভারা কীভাবে?
মেসির আলোচিত ছবিটি প্রকৃতপক্ষে ২০০৭ সালের ১০ মার্চ এএফপির তোলা

এফসি বার্সেলোনা তাদের ইউটিউব চ্যানেলে ওই ম্যাচের একটি ভিডিও আপলোড করে যার ক্যাপশন ছিল, ‘দ্য ফার্স্ট অফ মেনি: মেসি’স ডেব্যু হ্যাটট্রিক ফর বার্সেলোনা।’

ভিডিওটির ৯ সেকেন্ডের সময়ে গোল করার পর মেসিকে তার জার্সি তুলে উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। আর সেই সময়ে তোলা আলোকচিত্র ফটোশপে এডিট করে গেঞ্জিতে যোগ করা হয়েছে চে গুয়েভারার মুখের ছবি।

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন

এশিয়ান কাপে সাবিনা-কৃষ্ণাদের প্রতিপক্ষ জর্ডান ও ইরান

এশিয়ান কাপে সাবিনা-কৃষ্ণাদের প্রতিপক্ষ জর্ডান ও ইরান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ আয়োজক দেশ হিসেবে টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা এই বাছাইপর্ব।

এএফসির নারী এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের ড্র হয়েছে। জি গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে সাবিনা-কৃষ্ণাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী জর্ডান ও ইরান।

বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এই টুর্নামেন্টের ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

এএফসির ২৮টি দল ৮টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এই বাছাইয়ে অংশ নেবে।

বাংলাদেশ আয়োজক দেশ হিসেবে টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা এই বাছাইপর্ব।

বাছাইপর্ব থেকে শীর্ষ ৮ দল চূড়ান্তপর্বে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জাপান, রানার আপ অস্ট্রেলিয়া ও তৃতীয় চীনসহ আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত সরাসরি খেলবে চূড়ান্ত পর্বে।

বাকি আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে চূড়ান্ত পর্বে।

দুই বছরের বেশি সময় ধরে মাঠে নেই বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল। মাঝে ফিফা র‌্যাঙ্কিং থেকেই উধাও হয়ে গেছিল বাংলাদেশের নাম। পরে র‌্যাঙ্কিং পদ্ধতির নতুন নিয়মে আবারও তালিকায় ফেরে লাল-সবুজরা।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৩৭ তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ জর্ডান রয়েছে ৫৯ তম অবস্থানে ও ইরান ৭০ এ।

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন

ইউরোর সেরা ১৬: কে কার প্রতিপক্ষ

ইউরোর সেরা ১৬: কে কার প্রতিপক্ষ

ছবি: টুইটার

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে গেছে ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড, সুইডেন ও ফ্রান্স। রানার্স আপ হয়ে সেরা ১৬-তে পা রেখেছে জার্মানি, স্পেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও ওয়েলস।

বহু ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চলমান ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বের খেলা। কোনো অঘটন হয়নি ইউরোপের দ্বিতীয় সেরা টুর্নামেন্টে। নকআউট পর্বে পা রেখেছে ফেভারিটরাই।

সেরা ১৬ দল পা রেখেছে নকআউট পর্বে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে গেছে ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড, সুইডেন ও ফ্রান্স।

রানার্স আপ হয়ে সেরা ১৬-তে পা রেখেছে জার্মানি, স্পেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও ওয়েলস।

সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে গেছে চেক রিপাবলিক, সুইজারল্যান্ড, ইউক্রেন ও পর্তুগাল।

২৬ জুন থেকে শুরু হবে নকআউট পর্বের ম্যাচ। চার দিন ধরে চলবে কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য লড়াই।

সবগুলো ম্যাচই হাইভোল্টেজ হতে চলেছে। তাদের মধ্যে অন্যতম ইংল্যান্ড-জার্মানির ম্যাচ। স্পেন-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ ও বেলজিয়াম-পর্তুগাল ম্যাচেও নজর থাকবে সবার। বাকি ম্যাচে ইতালি, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস ফেভারিট হিসেবে খেলবে।

টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল হবে দুই থেকে চার জুলাই পর্যন্ত। সাত ও আট জুলাই সেমির ম্যাচ। আর ফাইনাল ১২ জুলাই।

কে কার প্রতিপক্ষ

ওয়েলস বনাম ডেনমার্ক (২৬ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা)

ইতালি বনাম অস্ট্রিয়া (২৭ জুন বাংলাদেশ সময় রাত টা।

নেদারল্যান্ডস বনাম চেক রিপাবলিক (২৭ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা)

বেলজিয়াম বনাম পর্তুগাল (২৮ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১টা)

ক্রোয়েশিয়া বনাম স্পেন (২৮ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা)

ফ্রান্স বনাম সুইজারল্যান্ড (২৯ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১টা)

ইংল্যান্ড বনাম জার্মানি (২৯ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা)

সুইডেন বনাম ইউক্রেন (৩০ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১টা)

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন

মেসির ৩৪: রেকর্ডের ভিড়ে না পাওয়ার বেদনা

মেসির ৩৪: রেকর্ডের ভিড়ে না পাওয়ার বেদনা

নিজের ছয়টি ব্যালন ডর ট্রফির সঙ্গে মেসি। ছবি: টুইটার

আর্জেন্টিনার জার্সিতে আন্তর্জাতিক ট্রফি না পাওয়ার বেদনা। যে বেদনায় পুড়েছিলেন বিশ্বকাপসহ তিন তিনটি ফাইনালে। চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি মেসি। পারেনি কেউ।

২০১৬ সালে মেসিকে নিয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা কোচ, দ্য স্পেশাল ওয়ান খ্যাত জোসে মরিনিয়োর কথাটা মনে আছে? ‘পাঁচ বছর পরে মেসি ৩৪ হবে আর আমরা কাঁদব।’ মেসির ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে আসা নিয়ে তার এই বাক্য যেন পূর্ণতা পেল আজ।

৩৪ বছর বয়সে পা রাখলেন খুদে জাদুকর লিওনেল মেসি।

মরিনিয়োর ওই কথার মর্ম হয়তো আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ফুটবল-বিশ্ব। সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসছেন মেসি।

অনেকে এ-ও বুঝতে পারছেন খুব বেশি দিন আর মাঠে থাকবেন না বিশ্বসেরা এই ফুটবলার।

অনেকের মতে, সর্বকালের সেরা ফুটবলার মেসি। আবার অনেকের কাছে মেসি একটি আবেগের নাম।

মেসি আজকের এই দিনে ১৯৮৭ সালে জন্ম নেন আর্জেন্টিনার রোসারিওতে। ছোট থাকতেই ফুটবলে নিজেকে চেনান।

তার জাদুতে মুগ্ধ হয়ে কোনো বিলম্ব না করে পেপার ন্যাপকিনেই তার সই নিয়ে চুক্তি সেরে ফেলে ইউরোপের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব বার্সেলোনা।



হরমোন সমস্যায় জর্জরিত মেসি বার্সায় এসে কী না জেতেননি। ক্লাবকে হাতভরে দিয়েছেন ট্রফির পর ট্রফি। নিজেও বিশ্বের সর্বোচ্চ ছয়বার জিতেছেন বিশ্ব সেরার খেতাব।

এত অর্জনের আলোর নিচেও যেন আছে অন্ধকার। আর্জেন্টিনার জার্সিতে আন্তর্জাতিক ট্রফি না পাওয়ার বেদনা। যে বেদনায় পুড়েছিলেন বিশ্বকাপসহ তিন তিনটি ফাইনালে। চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি মেসি। পারেনি কেউ।

আলবিসেলেস্তেদের হয়ে অলিম্পিক আর বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপ জিতলেও সিনিয়র দলের হয়ে একটা অর্জনই অধরা তার। আন্তর্জাতিক ট্রফি।

সেই আক্ষেপ মেটানোর আশা নিয়ে নিজের ৩৪তম বসন্তে ১০ম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলতে মেসি এখন ব্রাজিলে।

তার দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টারে। ব্রাজিলেই কী হবে সেই আক্ষেপ পূরণ? সেটা আপাতত নিশ্চিত করে বলা মুশকিল। তবে এতটুকু বলা যায়, মেসির ম্যাজিক দেখার সুযোগ থাকছে আর কটা বছর।

তত দিন না-হয় তার জাদুতে মোহিত হয়ে থাকাই হোক সবার চাওয়া।

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন

সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে রোনালডোর চাই এক গোল

সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে রোনালডোর চাই এক গোল

ছবি: সংগৃহীত

এই রেকর্ডটি এত দিন ছিল ইরানের স্ট্রাইকার আলী দাইয়ের দখলে। ১০৯ গোল নিয়ে জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে ছিলেন তিনি একাই। রোনালডো এসে সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোর অপর নাম যেন হয়ে উঠেছে রেকর্ড। প্রতি ম্যাচই কোনো না কোনো রেকর্ড গড়ছেন এই পর্তুগিজ ফুটবল তারকা। হাঙ্গেরির বিপক্ষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে গোল করে ভাঙেন ইউরোর সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড।

আর বুধবার রাতে এবার ফ্রান্সের বিপক্ষে দুই পেনাল্টিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।

এই রেকর্ডটি এত দিন ছিল ইরানের স্ট্রাইকার আলী দাইয়ের একার। ১০৯ গোল নিয়ে জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে ছিলেন তিনি। ১৯৯৩ থেকে ২০০৬ সাল এই ১৩ বছরে রেকর্ডটি করেন এই ইরানিয়ান।

রোনালডো এসে সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন। আলী ও রোনালডোই পৃথিবীর দুই ফুটবলার, যাদের জাতীয় দলের জার্সিতে ৯০ বা তার বেশি গোল আছে।

এ ছাড়াও কিছু রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন রোনালডো। ফ্রান্সের বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে মিরোসাভ ক্লোসার ১৯ সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও ভেঙে ফেলেছেন তিনি।

শুধু ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটা তার। এই টুর্নামেন্টে তার গোলের সংখ্যা এখন ১৩।

সব মিলিয়ে পর্তুগালের জার্সিতে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাইয়ে ৩১, বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ৩১, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ১৯, ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ১৩, বিশ্বকাপে ৭, ইউয়েফা নেশনস কাপে ৫ ও কনফেডারেশনস কাপে দুটি গোল করেছেন রোনালডো।

রোনালডোর অর্ধেক গোল এসেছে ম্যাচের শেষ ৩০ মিনিটে। ৮৯টি গোল করেছেন বক্সের ভেতর থেকে আর ২০টি বাইরে থেকে। এর মধ্যে ১৪টি গোল আসে পেনাল্টি থেকে ও নয়টি ফ্রি-কিকে।

প্রতিপক্ষ হিসেবে লিথুয়ানিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি সাতটি করে গোল করেছেন রোনালডো। এর আগে ফ্রান্সের বিপক্ষেও কোনো গোল ছিল না তার। বুডাপেস্টেই প্রথমবার ফ্রান্সের জাল খুঁজে পেলেন এই ফুটবল তারকা।

আর একটি গোলের অপেক্ষা রোনালডোর। তাহলেই সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটা একেবারে নিজের করে নেবেন পাঁচবারের ব্যালন ডর জয়ী এই পর্তুগিজ ফুটবলার।

ইউরোর শেষ ১৬ তে বেলজিয়ামের বিপক্ষেই কি এই রেকর্ডটা নিজের করে ফেলবেন রোনালডা?

আরও পড়ুন:
দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল
ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে চান জামাল
দুস্থদের ঈদ আনন্দে জামালের আনন্দ
দেশে ফিরলেন জামাল ও জীবন
জামালকে ফেরাতে সরকারের দ্বারস্থ সাইফ

শেয়ার করুন