আর্জেন্টিনার কোপা আমেরিকা হবে ব্রাজিলে

কোপা আমেরিকা শিরোপা। ছবি: এএফপি

আর্জেন্টিনার কোপা আমেরিকা হবে ব্রাজিলে

১৩ জুন থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে কোপা আমেরিকা। কোপা আমেরিকা আয়োজনের জন্য তাই ১৩ দিন সময় পাচ্ছে ব্রাজিল।

দুই বছরের ব্যবধানে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ফুটবলের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকা আয়োজন করতে যাচ্ছে ব্রাজিল।

২০২০ সালের আসর যৌথভাবে আয়োজনের কথা ছিল আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার। করোনার কারণে আসরটি পিছিয়ে চলতি বছরে নিয়ে আসা হয়েছে।

কলম্বিয়ায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভের কারণে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল ফেডারেশন (কনমেবোল) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেবল আর্জেন্টিনায় এবারের কোপা আমেরিকা আয়োজনের।

সেটিও বদলে যায় সোমবার। কনমেবোল জানায়, আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না এবারের কোপা আমেরিকা। যদিও তারা তখন নিশ্চিত করেনি, কোথায় হবে এবারের আসর।

কয়েক ঘণ্টা পরই প্রকাশ করা হলো কোপা আমেরিকা আসন্ন আসরের স্বাগতিক দেশের নাম। কনমেবোল জানিয়েছে, এবারের কোপা আমেরিকাও হতে যাচ্ছে ব্রাজিলে। সবশেষ ২০১৯ সালে কোপা আমেরিকার ৪৬তম আসর আয়োজন করে দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশটি। চ্যাম্পিয়নও হয় তারা।

টুইটারে কনমেবোল জানায়, ‘কোপা আমেরিকা ২০২১ ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্ট শুরু ও শেষ হওয়ার তারিখ অপরিবর্তিত থাকবে। আগামী কয়েক ঘণ্টায় কনমেবোল টুর্নামেন্টের ভেন্যু ও সূচি জানাবে।’

অর্থাৎ, ১৩ জুন থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে কোপা আমেরিকা। কোপা আমেরিকা আয়োজনের জন্য তাই ১৩ দিন সময় পাচ্ছে ব্রাজিল।

আর্জেন্টিনায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে করোনাভাইরাস মহামারি। প্রতিদিন ৩৫ হাজারেরও বেশি লোক আক্রান্ত হচ্ছেন। মারা যাচ্ছে প্রায় ৫০০। এমন অবস্থায় খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা ভেবে কনমেবোল দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টটি আর্জেন্টিনা থেকে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টুইট বার্তায় কনমেবোল জানায়, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনায় কোপা আমেরিকা আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কনমেবোল। মহাদেশীয় টুর্নামেন্টটির আয়োজক হতে আগ্রহ প্রকাশ করা অন্য দেশগুলোর প্রস্তাব আমরা পর্যালোচনা করব। দ্রুতই নতুন আয়োজক সম্পর্কে আমরা সবাইকে জানাব।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেসির ঝলকে স্বস্তির জয় আর্জেন্টিনার

মেসির ঝলকে স্বস্তির জয় আর্জেন্টিনার

উরুগুয়ের ডিফেন্ডার মাতিয়াস ভিনিয়ার সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে লিওনেল মেসি। ছবি: টুইটার

আর্জেন্টিনার হয়ে জয়সূচক গোল আসে গিদো রদ্রিগেসের পা থেকে। গোলের কারিগর ছিলেন মেসি। গোল না পেলেও পুরো ম্যাচেই নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

টানা তিন ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ানোর পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখল আর্জেন্টিনা। কোপা আমেরিকায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারায় লিওনেল মেসির দল।

‘বি’ গ্রুপের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে জয়সূচক গোল আসে গিদো রদ্রিগেসের পা থেকে। গোলের কারিগর ছিলেন মেসি। গোল না পেলেও পুরো ম্যাচেই নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিকার উদ্বোধনী ম্যাচ মিলিয়ে টানা তিনি ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি আর্জেন্টিনা। বরাবরের মতো মেসির দিকেই তাক করা হচ্ছিল আঙুল। সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিলেন ছয়বারের ব্যালন ডরজয়ী তারকা।

তবে জবাব দিতে দক্ষিণ আমেরিকান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদেরই বেছে নিলেন মেসি। তার জ্বলে ওঠার দিনে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের দেখা পেল আর্জেন্টিনা। আর উদ্বোধনী ম্যাচেই হারতে হলো উরুগুয়েকে।

ব্রাসিলিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ইতালিয়ান সেরি আর বর্ষসেরা ডিফেন্ডারের পুরস্কার পাওয়া ক্রিস্টিয়ান রোমেরো চোট কাটিয়ে ফেরায় তাদের ডিফেন্স শুরু থেকেই ছিল মজবুত।

প্রথম মিনিট থেকেই উরুগুইয়ান ডিফেন্সের ওপর চড়াও হন মেসি। তাকে আটকাতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল হিমেনেস ও গদিনের মতো অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারদের।

অষ্টম মিনিটে নিজের ঝলক দেখান মেসি। বক্সের ভেতর থেকে তার নেওয়া জোরালো শট ঠেকিয়ে দলকে নিরাপদে রাখেন উরুগুয়ে গোলকিপার ফার্নান্দো মুসলেরা।

মিনিট পাঁচেক পর আবারও মেসির জাদু। এবার তার ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে দলকে লিড এনে দেন গিদো রদ্রিগেস।

মেসির ঝলকে স্বস্তির জয় আর্জেন্টিনার
ম্যাচের একমাত্র গোল করার পর উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনার গিদো রদ্রিগেস। ছবি: টুইটার

১৩ মিনিটে পাওয়া গোলের লিড পুরো ম্যাচেই ধরে রাখে আর্জেন্টিনা। মেসি একের পর এক বলের জোগান দিতে থাকে রদ্রিগো দে পল, লাউতারো মার্তিনেসদের।

বিরতির পরও পাল্টায়নি চিত্র। মেসিকে কেন্দ্র করে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা বারবার গড়ে তোলে আক্রমণ। অন্যদিকে উরুগুয়ের দুই সেরা তারকা এদিনসন কাভানি ও লুইস সুয়ারেস ছিলেন নিষ্প্রভ।

পুরো ম্যাচে একটিও শট অন টার্গেট ছিল না উরুগুয়ের। আর্জেন্টিনা গোলে শট নিয়েছে ছয়টি।

ম্যাচে সমতা ফেরানোর চেয়ে সেলেস্তেরা ব্যস্ত ছিল মেসিকে ঠেকাতে। দ্বিতীয়ার্ধেও একের পর এক ড্রিবল ও ডিফেন্স চেরা পাসে প্রতিপক্ষকে আতঙ্কে রাখেন মেসি।

শেষ পর্যন্ত তিন ম্যাচ পর জয়ের স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে তার দল।

এই জয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দুই ম্যাচ ও কোপা আমেরিকার এক ম্যাচে টানা ড্রয়ের পর জয় পেল আলবিসেলেস্তেরা। আর কোপা আমেরিকায় নিজেদের প্রথম ম্যাচেই হারের স্বাদ নিতে হলো টুর্নামেন্টে ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে।

নিজেদের পরের ম্যাচ মঙ্গলবার ভোর ৩টায় চিলির বিপক্ষে খেলবে উরুগুয়ে। আর একই দিন সকাল ৬টায় আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন

হাসপাতাল ছাড়লেন এরিকসেন

হাসপাতাল ছাড়লেন এরিকসেন

ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। ফাইল ছবি

নিবার রাতে হার্ট অ্যাটাকের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এরিকসেনকে। তারপর তার সফল অস্ত্রোপচার শেষে শুক্রবার তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করা করা হয়।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ডেনমার্কের তারকা ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। ডেনিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার রাতে হার্ট অ্যাটাকের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এরিকসেনকে। তারপর তার সফল অস্ত্রোপচার শেষে শুক্রবার তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করা করা হয়।

ডেনিশ অ্যাসোসিয়েশন আরও জানায়, হেলসিঙ্গারে অনুশীলনরত ডেনিশ জাতীয় দলের সতীর্থদের সঙ্গে দেখা করেন এরিকসন। ক্যাম্প থেকে কোপেনহেগেনে নিজের বাড়িতে ফিরছেন তিনি। পুনর্বাসনের সময়টা কাটাবেন পরিবারের সঙ্গে।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে শনিবার রাতে মাঠেই হার্ট অ্যাটাক করেন ২৯ বছর বয়সী এরিকসেন।

পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়া এই ঘটনার পর গত মঙ্গলবার এরিকসেন হাসপাতাল থেকে তোলা সেলফি ইনস্টাগ্র্যামে পোস্ট করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। লেখেন, ‘হ্যালো সবাই! বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা অসাধারণ ও ভালোবাসাপূর্ণ সব শুভেচ্ছা ও বার্তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ও আমার পরিবারের জন্য এ এক অনেক বড় পাওয়া।’

মাঠে হার্ট অ্যাটাকের পর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। রোববার রাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয় ম্যাচ। ডেনমার্ক ফিনল্যান্ডের কাছে একমাত্র গোলে হেরে গেলেও হার-জিতের চেয়ে দুই দলের কাছেই বড় ছিল এরিকসেনের সুস্থতা।

এরিকসেনকে ছাড়া নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় ডেনমার্ক। বি-গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে যাওয়ার গাণিতিক সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে হলে মঙ্গলবার রাশিয়ার বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচ জিততেই হবে ডেনমার্ককে।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারাল ক্রোয়েশিয়া

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারাল ক্রোয়েশিয়া

ক্রোয়েশিয়ার সমতাসূচক গোলটি আসে ইভান পেরিসিচের পা থেকে। ছবি: টুইটার

চেক রিপাবলিকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে লুকা মডরিচের দল। চেকদের পক্ষে গোল করেন প্যাটট্রিক শিক। ক্রোয়াটদের সমতায় ফেরান ইভান পেরিসিচ।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয়হীন থাকল বিশ্বকাপ রানার্স আপ ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপ ডি-এর ম্যাচে চেক রিপাবলিকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে লুকা মডরিচের দল।

স্কটল্যান্ডের হ্যাম্পডেন পার্কে অনন্য এক রেকর্ড নিয়ে মাঠে নামে ক্রোয়েশিয়া। সবশেষ দশটি মেজর টুর্নামেন্টে তারা কখনও নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ হারেনি। ২০১৬ ইউরোতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে চেক রিপাবলিকের সঙ্গেই ২-২ গোলে ড্র করে তারা।

একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এবারের টুর্নামেন্টে শুরুটা ভালো হয়নি ক্রোয়াটদের। দ্বিতীয় মিনিটে ইয়াঙ্কটোর ক্রস নিজেদের বক্স থেকে পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার সিমে ভারসালিকো।

ছুটে যাওয়া বলে হেড করেন ভ্লাদিমির কুফাল। কাছ থেকে দারুণ ব্লক করে ক্রোয়াটদের সুরক্ষিত রাখেন অভিজ্ঞ ডোমাগোই ভিডা।

চেক রিপাবলিক গোল করতে না পারলেও হতাশ হয়নি। বারবার চেষ্টা করে গেছে ক্রোয়াটদের বক্সে। এর ফল পায় তারা বিরতির আগে।

৩৫ মিনিটে নিজেদের বক্সে প্যাটট্রিক শিককে ফাউল করেন ক্রোয়েশিয়ার ডেয়ান লভরেন। ভিডিও অ্যাসিস্টেন্টের সাহায্য নিয়ে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন।

পেনাল্টি স্পট থেকে ঠাণ্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করেন শিক। টুর্নামেন্টে এটি তার দ্বিতীয় গোল। ওই এক গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে চেকরা।

বিরতির পরপরই সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। আন্দ্রেই ক্রামারিকের ফ্রি-কিক থেকে বল পেয়ে যান ইভান পেরিসিচ। কুফালকে ডজ দিয়ে দারুণ শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ইন্টার মিলান উইঙ্গার।

কামব্যাক করে উজ্জ্বীবিত হয়ে খেলা শুরু করে বিশ্বকাপ ফাইনালিস্টরা। তবে কাছ থেকে শট বারে রাখতে ব্যর্থ হন নিকোলা ভ্লাসিচ।

আর শেষ মুহূর্তে ব্রুনো পেটকোভিচের শট ঠেকিয়ে দেন চেক রিপাবলিকের ডিফেন্ডার টমাস কালাস।

ফলে ১-১ সমতাতেই শেষ হয় ম্যাচ। ড্রয়ের পরও দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে আছে চেক রিপাবলিক।

আর টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় বঞ্চিত থাকায় তারা আছে গ্রুপের তিনে। বুধবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে চেক রিপাবলিক আর ক্রোয়েশিয়া খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন

পেনাল্টি গোলের জয়ে গ্রুপের শীর্ষে সুইডেন

পেনাল্টি গোলের জয়ে গ্রুপের শীর্ষে সুইডেন

সতীর্থ রবিন কোয়াসনের সঙ্গে গোল উদযাপন করছেন গোলদাতা এমিল ফর্সবার্গ। ছবি: টুইটার

স্লোভাকিয়াকে একমাত্র গোলে হারায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশটি। পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেন এমিল ফর্সবার্গ।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেয়েছে সুইডেন। দিনের প্রথম ম্যাচে স্লোভাকিয়াকে একমাত্র গোলে হারায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশটি। পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেন এমিল ফর্সবার্গ।

সেইন্ট পিটার্সবুর্গে দেখেশুনে ম্যাচ শুরু করে সুইডেন ও স্লোভাকিয়া। প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ পায় দুই দলই। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি তারা।

পাঁচ মিনিটের সময় স্লোভাকিয়ার মারেক হামসিকের শট চলে যায় বারের উপর দিয়ে। মিনিট দশেক পর সুইডেনের মিকায়েল লুসটিগের শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিরতির ঠিক আগে আবারও শট বারের উপর দিয়ে মারেন হামসিক।

দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা প্রাণ ফেরে ম্যাচে। এই অর্ধের শুরুতে টানা দুটি সুযোগ পায় সুইডেন। তা কাজে লাগাতে পারেননি সুইডিশ ফরোয়ার্ড আলেক্সান্ডার আইসাক ও ফর্সবার্গ।

৫৮ মিনিটে হামসিকের শট ব্লক করেন সুইডিশ গোলকিপার রবিন ওলসেন। পরের মিনিটে অগুস্টিনসনের শট ঠেকিয়ে ম্যাচকে গোলশূন্য রাখেন স্লোভাকিয়ার কিপার
মারটিন ডুব্রাভকা।

তবে ডুব্রাভকার ভুলেই পেনাল্টি পায় সুইডেন। নিজেদের বক্সে প্রতিপক্ষের রবিন কোয়াইসনকে ফাউল করেন স্লোভাক কিপার।

রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট থেকে লক্ষ্যভেদ করতে ভুল করেননি ফর্সবার্গ। ডেডলক ভাঙ্গে ৭৭ মিনিটে। টানা দশ ম্যাচে সুইডেনের হয়ে গোল করলেন বুনডেসলিগার দল লাইপজিগের এই মিডফিল্ডার।

বাকি সময়ে ম্যাচে সমতা ফেরাতে পারেনি স্লোভাকিয়া। এক গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সুইডেন।

এই জয়ে গ্রুপ ই-এর শীর্ষে পৌঁছে গেছে সুইডেন। বুধবার তারা নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচ খেলবে পোল্যান্ডের বিপক্ষে।

একই দিন স্লোভাকিয়া মুখোমুখি হবে গ্রুপ ফেভারিট স্পেনের।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন

কোপায় আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ উরুগুয়ে

কোপায় আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ উরুগুয়ে

চিলির বিপক্ষে গোল করার পর উচ্ছ্বসিত লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

ব্রাসিলিয়ার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায়। মেসিদের টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় ম্যাচ হলেও, উরুগুয়ের প্রথম ম্যাচ এটি।

কোপা আমেরিকায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার উরুগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। ব্রাসিলিয়ার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায়। মেসিদের টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় ম্যাচ হলেও, উরুগুয়ের প্রথম ম্যাচ এটি।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে চিলির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের জন্য মুখিয়ে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে লিওনেল স্কালোনির জন্য সুখবর, চোট থেকে সেরে উঠেছেন ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।

মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস খেলছেন না ম্যাচে। তার জায়গায় ম্যাচ শুরু করতে পারেন গিদো রদ্রিগেস।

এছাড়া প্রথম ম্যাচে জ্বলে উঠতে না পারা নিকোলাস গনসালেসের জায়গায় আক্রমণভাগে দেখা যেতে পারে অভিজ্ঞ আনহেল দি মারিয়াকে। লিওনেল মেসির স্ট্রাইক পার্টনার হিসেবে ম্যাচ শুরু করতে পারেন ইন্টার মিলানের তারকা লাউতারো মার্তিনেস।

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ওপেন প্লে-থেকে প্রায় দেড় বছর গোল নেই মেসির। উরুগুয়ের বিপক্ষে সেই বৃত্ত ভাঙ্গার চেষ্টা করবেন মেসি।

উরুগুয়ের হয়ে ম্যাচ শুরু করবেন তাদের সেরা দুই তারকা লুইস সুয়ারেস ও এদিনসন কাভানি। মেসিকে আটকাতে বাড়তি একজন মিডফিল্ডার খেলানোর কথা ভাবছেন উরুগুয়ে কোচ অস্কার তাবারেস। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিফেন্ডার জোভানি গনসালেসকে মাঝমাঠে খেলবেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে।

তবে মেসিকে ম্যান মার্কিং করে আটকানোর বিপদ জানেন তাবারেস। ম্যাচের আগে সংবাদমাধ্যমকে এই মাস্টার ট্যাকটিশিয়ান বলেন, ‘মেসি কোন ম্যাচে কেমন খেলে সেটা আমরা মাথায় রাখছি। আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার হয়ে মেসির অসংখ্য ম্যাচ আমি দেখেছি। নিজের প্রতিভা দিয়ে প্রতিপক্ষকে সবসময়ই সে চমকে দেয়। ওকে একা ডিফেন্ড করা যাবে না। অনেক দলই সেটা চেষ্টা করে দেখেছে।’

কোপায় আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ উরুগুয়ে
উরুগুয়ের অনুশীলনে সতীর্থদের সঙ্গে লুইস সুয়ারেস। ছবি: টুইটার



মেসির বার্সেলোনা সতীর্থ হিসেবে সুয়ারেস কাম্প ন্যুয়ে খেলেছেন পাঁচ মৌসুম। ছয়বারের ব্যলন ডরজয়ী তারকার কৌশল ও খেলার ধরন সম্বন্ধে পরিষ্কার ধারণা আছে গত মৌসুমে আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে লিগ শিরোপা জেতা সুয়ারেসের। ৩৪ বছর বয়সী সুয়ারেস আগেই ঘোষণা দিয়েছেন যে এটিই তার শেষ কোপা আমেরিকা হতে যাচ্ছে।

দুই দলই সবচেয়ে বেশিবার করে জিতেছে দক্ষিণ আমেরিকার এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। সবচেয়ে বেশি জিতেছে উরুগুয়ে- ১৫ বার। আর্জেন্টিনা জিতেছে ১৪ বার।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৯৪ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে। যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৮৯ ম্যাচ, উরুগুয়ে জিতেছে ৫৯টি। ড্র হয়েছে ৪৬ ম্যাচ।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন

মেসি-সুয়ারেস বন্ধুত্বে ইতিহাসের দেয়াল

মেসি-সুয়ারেস বন্ধুত্বে ইতিহাসের দেয়াল

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে ম্যাচে লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেস। ছবি: এএফপি

উরুগুয়ের বিপক্ষে ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরছেন ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। তাকে জায়গা দিতে সরে যেতে হবে মার্তিনেস কারতাকে। আর আক্রমণভাগে নিকোলাস গনসালেস চোটে পড়ায় একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন অভিজ্ঞ আনহেল দি মারিয়া।

লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেসের সখ্য পুরনো। ২০১৪ সালে বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার পর থেকে মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে সুয়ারেসের। তখন থেকে একেবারে মানিকজোড় হিসেবে তারা বার্সেলোনায় খেলেছেন পাঁচ মৌসুম।

মাঠের বাইরেও একসঙ্গে দেখা যেত মেসি ও সুয়ারেসকে। দুই পরিবার একসঙ্গে ছুটি কাটাতে যেতেন। একসঙ্গে শপিংয়ে যেতেন তাদের স্ত্রীরা।

ক্লাবে মেসির প্রাধান্য ভাঙতেই সুয়ারেসকে ২০২০-২১ মৌসুম শুরুর আগে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে বিক্রি করে দেন বার্সেলোনার সাবেক সভাপতি হোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ। তবে ফাটল ধরেনি দুইজনের বন্ধুত্বে।

আতলেতিকোর হয়ে বার্সেলোনার বিপক্ষে লিগে দুই ম্যাচে স্বভাবসুলভ আগ্রাসীভাবে খেললেও বন্ধু মেসিকে কোনো কড়া ট্যাকল বা ফাউল করেননি সুয়ারেস।

এল ক্লাসিকোর আগে প্রিয় বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উরুগুয়ের তারকা। আর আতলেতিকো লিগ শিরোপা জেতার পর সুয়ারেসকে অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি মেসি। মৌসুম শেষে ছুটি কাটাতেও একসঙ্গে ছিলেন দুই বন্ধু ও তাদের পরিবার।

তবে কোপা আমেরিকায় এলে বন্ধুত্ব কিছুটা দূরে সরিয়ে রাখতে হয় বৈকি! বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে পুরনো দ্বৈরথ মেসির আর্জেন্টিনা ও সুয়ারেসের উরুগুয়ের।

মেসি-সুয়ারেস বন্ধুত্বে ইতিহাসের দেয়াল
মাঠের বাইরেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত থাকেন মেসি ও সুয়ারেস। ছবি: এএফপি



দুই দলই সবচেয়ে বেশিবার করে জিতেছে দক্ষিণ আমেরিকার এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। সবচেয়ে বেশি জিতেছে উরুগুয়ে- ১৫ বার। আর্জেন্টিনা জিতেছে ১৪ বার।

১৯১৬ ও ১৯১৭ সালে কোপার প্রথম দুই আসরের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে উরুগুয়ে। আর্জেন্টিনা চার বছর পর শিরোপা জিতে প্রতিশোধ নিলেও, উরুগুয়ে তাদের বড় ধাক্কা দেয় ১৯৩০ বিশ্বকাপে। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েই শিরোপা জিতে নেয় সেলেস্তেরা।

তখন থেকেই ফুটবল মাঠে আর্জেন্টিনার চরম শত্রু উরুগুয়ে। সবশেষ ২০১১ সালে আর্জেন্টিনার মাটি থেকে কোপা আমেরিকা জিতে নেয় উরুগুয়ে। সেই ক্ষত এখনও ভোলেননি আর্জেন্টাইনরা।

কোপা আমেরিকায় আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। ব্রাসিলিয়ায় দুই দল শনিবার সকাল ৬টায় নামছে মাঠে।

বন্ধুত্ব ভুলে মেসি-সুয়ারেসকে লড়তে হবে একে অপরের বিপক্ষে। আর্জেন্টিনা এক ম্যাচ খেললেও উরুগুয়ে শনিবারের ম্যাচ দিয়েই টুর্নামেন্ট শুরু করতে যাচ্ছে।

প্রথম ম্যাচে চিলির বিপক্ষে মেসির দারুণ ফ্রি-কিক গোলের পরও ম্যাচ ড্র করে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ের বিপক্ষে ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরছেন ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। তাকে জায়গা দিতে সরে যেতে হবে মার্তিনেস কারতাকে। আর আক্রমণভাগে নিকোলাস গনসালেস চোটে পড়ায় একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন অভিজ্ঞ আনহেল দি মারিয়া।

অন্যদিকে উরুগুয়ের দুই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সুয়ারেস ও কাভানি শুরু করছেন ম্যাচ তা নিশ্চিত। কোচ অস্কার তাবারেস নিজের মাঝমাঠ নিয়ে এখনও নিশ্চিত নন। তাবারেস চান মেসিকে নিষ্ক্রিয় রাখতে পেনিয়ারোলের ডিফেন্ডার জোভানি গনসালেসকে মাঝমাঠে খেলাতে। সঙ্গে রাখতে চান লুকাস তোরেইরা, রদ্রিগো বেন্তাকুর ও ফেদেরিকো ভালভের্দেকে।

দুই দল নিজেদের ইতিহাসে ১৯৪ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৮৯ ম্যাচ, উরুগুয়ে জিতেছে ৫৯টি। ড্র হয়েছে ৪৬ ম্যাচ।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন

ব্রাজিল ঝড়ে উড়ে গেল পেরু

ব্রাজিল ঝড়ে উড়ে গেল পেরু

ব্রাজিলের দ্বিতীয় গোল করার পর নেইমারের উদযাপন। ছবি: টুইটার

গ্রুপ এ-র ম্যাচে পেরুকে ৪-০ গোলে হারায় ব্রাজিল। এ নিয়ে বিশ্বকাপ বাছাই ও কোপা আমেরিকা মিলে টানা আট ম্যাচ জিতেছে সেলেকাওরা। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন সান্দ্রো, নেইমার, এভারটন ও রিচার্লিসন।

কোপা আমেরিকায় অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল। দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টে নিজেদের টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক দল। রিওতে গ্রুপ এ-র ম্যাচে পেরুকে ৪-০ গোলে হারায় ব্রাজিল। এ নিয়ে বিশ্বকাপ বাছাই ও কোপা আমেরিকা মিলে টানা আট ম্যাচ জিতেছে সেলেকাওরা। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন সান্দ্রো, নেইমার, এভারটন ও রিচার্লিসন।

অলিম্পিক স্টেডিয়ামে বৃষ্টির কারণে ভিজে থাকা মাঠে শুরু থেকে কিছুটা সমস্যায় পরে ব্রাজিল। নিজেদের স্বাভাবিক পাসিং ফুটবল খেলতে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয় তাদের।

তারপরও গোলের দেখা পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। ম্যাচের ১২ মিনিটের সময় বক্সে এভারটনের ক্রসকে বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হয় পেরুর ডিফেন্স।

ফিরতি বল পেয়ে যান গাব্রিয়েল জেসুস। তার বাড়ানো বলে দারুণ ভলি করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন আলেক্স সান্দ্রো।

শুরুতেই গোল পেয়ে পেরুর ওপর চড়াও হয় ব্রাজিল। যদিও পিচ্ছিল মাঠের কারণে নিজেদের স্বাভাবিক গতিতে খেলতে পারছিলেন না নেইমার-দানিলো-মিলিতাওরা।

প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ফাবিনিও ও সান্দ্রো। দুইজনই কাছ থেকে সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন। এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।

দ্বিতীয়ার্ধে জ্বলে ওঠেন নেইমার। ব্রাজিল অধিনায়ককে থামাতে গিয়ে ৬৩ মিনিটে নিজেদের বক্সে তাকে ফেলে দেয় পেরুর ডিফেন্স। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্টেন্টের সাহায্য নিয়ে রেফারি পেনাল্টি দেননি।

এর মিনিট পাঁচেক পরই লিড দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। মাঝমাঠ থেকে ফ্রেডের বাড়ানো পাস বক্সের বাইরে খুঁজে পায় নেইমারকে। পেরুর ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে দারুণ শটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে বল জালে জড়ান এই সুপারস্টার।

দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও পেরুকে ছাড় দেয়নি লিওনার্দো তিতের দল। শেষ পাঁচ মিনিটে আরও দুইবার স্কোর করে পেরুকে বিধ্বস্ত করে কোপার নয়বারের চ্যাম্পিয়নরা।

৮৯ মিনিটে রিচার্লিসনের ক্রস থেকে গোল করেন এভারটন। আক্রমণের উৎস ছিলেন নেইমার।

আর ইনজুরি টাইমে নিজেই স্কোরশিটে নাম ওঠান রিচার্লিসন। বক্সে জটলার মধ্যে থেকে বল পেয়ে ব্রাজিলের চার নম্বর গোল করেন এই ফরোয়ার্ড।

বড় জয়ে গ্রুপের শীর্ষেই থাকল কোপার ফেভারিট ব্রাজিল। ২৪ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেলে, ২৮ জুন ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করবে স্বাগতিক দল।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনায় হচ্ছে না কোপা আমেরিকা
কোপা আমেরিকায় খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও কাতার

শেয়ার করুন