এএফসি কাপ পেছানোর অনুরোধ, আয়োজনে ‘না’ কিংসের

ছবি: সংগৃহীত

এএফসি কাপ পেছানোর অনুরোধ, আয়োজনে ‘না’ কিংসের

গত ১৪-২০ মে মালদ্বীপে এএফসি কাপের গ্রুপপর্বের বাছাইয়ের ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। কোভিড ইস্যুতে টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় সব গ্রুপের তিন দল কিংস, ভারতের এটিকে মোহনবাগান ও মালদ্বীপের মাজিয়া এফসিকে আয়োজক হওয়ার অনুরোধ জানায় এএফসি।

জুনের শেষ সপ্তাহে স্থগিত হওয়া এএফসি কাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করে বসুন্ধরা কিংসসহ গ্রুপের অন্যান্য ক্লাবগুলোকে মত জানাতে বলে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। স্বাগতিক হওয়ার এমন আবেদনে সাড়া দেয়নি দেশের লিগ চ্যাম্পিয়নরা। এরই মধ্যে টুর্নামেন্ট পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

২৮ মে ছিল টুর্নামেন্টের আয়োজক হওয়ার শেষ দিন। স্বাগতিক হওয়ার অনুরোধে এএফসিকে আগ্রহ দেখায়নি কিংস।

গত ১৪-২০ মে মালদ্বীপে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের বাছাইয়ের ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। কোভিড ইস্যুতে টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় সব গ্রুপের তিন দল কিংস, ভারতের এটিকে মোহনবাগান ও মালদ্বীপের মাজিয়া এফসিকে আয়োজক হওয়ার অনুরোধ জানায় এএফসি।

প্রাথমিকভাবে আয়োজনের সম্ভাব্য শিডিউল নির্ধারণ করা হয় আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে। স্বাগতিক হওয়ার সুযোগ ঠেলে দিয়ে সূচি পরিবর্তনের আবেদন করে চিঠি পাঠিয়েছে কিংস।

এ বিষয়ে কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান বলেন, ‘আমরা এএফসিকে এএফসি কাপের সূচি পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছি। সূচি পেছানোর অনুরোধ জানিয়ে স্বাগতিক হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করাটা যৌক্তিক হয় না।’

এএফসি সম্ভাব্য শিডিউলে অংশ নেয়ার ব্যাপারে জটিলতা সৃষ্টি হবে দেখে টুর্নামেন্ট পেছানোর দাবি করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এসময় দেশের প্রিমিয়ার লিগের শিডিউল রয়েছে। তাই লিগ শেষ করেই এএফসি কাপের টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার ইচ্ছা ক্লাবের।

সূচি পরিবর্তনের অনুরোধের জবাব এখনও দেয়নি এএফসি।

ইমরুল বলেন, ‘ফেডারেশনের মাধ্যমে আমরা চিঠি দিয়েছি এএফসিকে। আমাদের চিঠির উত্তর এখনো পাইনি।’

এর আগে একবার সিলেট ভেন্যু হিসেবে নিয়ে টুর্নামেন্টের আয়োজক হতে চেয়েছিল কিংস। সেবার ভেন্যু বদল করে মালদ্বীপকে চূড়ান্ত করে এএফসি। টুর্নামেন্ট যখন চূড়ান্ত, ব্যাগ গুছিয়ে বিমানের পথ ধরার জন্য প্রস্তুত ছিল কিংস ওই মুহূর্তে হঠাৎ স্থগিত হয়ে যায় টুর্নামেন্টটি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সতীর্থদের শুভেচ্ছা জানালেন শঙ্কামুক্ত এরিকসেন

সতীর্থদের শুভেচ্ছা জানালেন শঙ্কামুক্ত এরিকসেন

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। ছবি: এএফপি

ডেনমার্ক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আরও জানায় রোববার সকালে চিকিৎসক, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সতীর্থদের উদ্দেশে দিয়েছেন শুভেচ্ছা বার্তা।

হার্ট অ্যাটাকের পর এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন ডেনমার্কের তারকা মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। ডেনমার্কের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক বার্তায় জানায়, ২৯ বছর বয়সী এরিকসেন শঙ্কামুক্ত আছেন।

তাকে কোপেনহেগেনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ডেনমার্ক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে রোববার সকালে চিকিৎসক, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সতীর্থদের উদ্দেশে দিয়েছেন শুভেচ্ছা বার্তা।

ডেনিস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তার অবস্থা স্থিতিশীল। তাকে আরও পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আমরা সকালে ক্রিস্টিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। সে সতীর্থদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে।’

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের বি-গ্রুপের ডেনমার্ক-ফিনল্যান্ডের ম্যাচে ডেনমার্ক ও টটেনহ্যাম হটস্পারের তারকা মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে যান।

পরে ধরা পড়ে তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। তাকে মাাঠের বাইরে নেয়ার পর ম্যাচ স্থগিত করা হয়। আর এরিকসেনকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নেয়া হয়।

ইউরোপ সেরার টুর্নামেন্টে শনিবার রাতে কোপেনহেগেনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে খেলতে নামে ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড। ইতিহাসে প্রথমবার কোনো বড় টুর্নামেন্টে খেলছিল ফিনল্যান্ড।

ম্যাচ গোলশূন্য নিয়ে চলছে প্রথমার্ধে। ৪০ মিনিটের মাথায় থ্রো পায় ডেনমার্ক। লাইনের কাছাকাছি ছিলেন এরিকসেন। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

পরে সতীর্থরা তাকে ঘিরে ধরেন। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকরা এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

প্রায় ১৩ মিনিট পর চোখ খুলতে দেখা যায় টটেনহ্যামের এই ফুটবলারকে। হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তাকে সিপিআর দেয়া হয় মাঠের মধ্যেই।

এরপর দ্রুত তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ডেনমার্ক দলের ডাক্তার মার্টিন বোয়েসেন বিবিসিকে জানান, ‘আমরা যখন মাঠে তার কাছে যাই সে শ্বাস নিচ্ছিল। আমি পালস পেয়েছি তার। কিন্তু হঠাৎ পরিস্থিতি পালটে যায় যার কারণে আমাদের সিপিআর দিতে হয়েছে। মেডিক্যাল টিমের কাছ থেকে খুব দ্রুত সাহায্য পেয়েছি। সবার সাহায্যেই ক্রিস্টিয়ানকে ফিরে পেয়েছি আমরা।’

ডেনমার্ক ম্যাচে ফিনল্যান্ডের কাছে একমাত্র গোলে হেরে গেলেও হার-জিতের চেয়ে দুই দলের কাছেই বড় ছিল এরিকসেনের সুস্থতা।

ম্যাচে গোল করার পর ফিনল্যান্ডের ফরোয়ার্ড জোয়েল পোহানপেলো গোল করার পর এরিকসেনের সম্মানে উদযাপন করা থেকে বিরত থাকেন।

রাতের আরেক ম্যাচে রাশিয়ার বিপক্ষে গোলের পর এরিকসেনকে গোল উৎসর্গ করেন বেলজিয়াম তারকা ও এরিকসনের ক্লাব সতীর্থ রোমেলু লুকাকু। গোল করার পর ক্যামেরার সামনে গিয়ে বন্ধুর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য বলেন, ‘ক্রিস, ক্রিস ভালোবাসি তোমায়’।

শেয়ার করুন

ফো-মুয়াম্বার স্মৃতি মনে করালেন এরিকসেন

ফো-মুয়াম্বার স্মৃতি মনে করালেন এরিকসেন

ফ্যাব্রিস মুয়াম্বাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছে মেডিক্যাল টিম। ফাইল ছবি

ফুটবল মাঠে হার্ট অ্যাটাক থেকে শুরু করে প্রাণ হারানোর ঘটনা নতুন নয়। এমন কিছু ঘটনা তুলে ধরা হলো নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর মাঠেই পড়ে যান ডেনমার্কের সুপারস্টার মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। হাসপাতালে নেয়ার পর তার অবস্থা স্থিতিশীল হয়।

টিভিতে এরিকসেনের হার্ট অ্যাটাকে মাঠে পড়ে যাওয়ার দৃশ্যে হতবাক হয়ে পড়েন বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক। সঙ্গে সঙ্গে তাদের অনেকের মাথায় আসে ফ্যাব্রিস মুয়াম্বা ও মার্ক-ভিভিয়েন ফোর স্মৃতি।

ফুটবল মাঠে হার্ট অ্যাটাক থেকে শুরু করে প্রাণ হারানোর ঘটনা নতুন নয়। এমন কিছু ঘটনা তুলে ধরা হলো নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য।

ফ্যাব্রিস মুয়াম্বা

২০১২ সালের মার্চে ইংল্যান্ডের এফএ কাপে টটেনহ্যাম হটস্পার-বোল্টন ওয়ান্ডারার্স ম্যাচ চলার সময় মাঠের মধ্যে পড়ে যান বোল্টনের মিডফিল্ডার ফ্যাব্রিস মুয়াম্বা। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকেরা ছুটে যান মাঠে।

হাসপাতালে নেয়ার সময়ও হার্ট চালু হয়নি তার। ৭৮ মিনিট বন্ধ থাকার পর তার হার্টকে সচল করতে সক্ষম হন চিকিৎসকেরা।

ত্রুটিপূর্ণ হার্ট নিয়েই জন্মেছিলেন কঙ্গোর বংশোদ্ভূত মুয়াম্বা। হার্ট অ্যাটাকের পর সুস্থ হয়ে আর মাঠে ফেরেননি তিনি। চিকিৎসকেরা তাকে জানান, মাঠে নামলে এমনটা আবারও হতে পারে। ওই বছরের আগস্টে ২৪ বছর বয়সী মুয়াম্বা অবসর নেন পেশাদার ফুটবল থেকে।

এরিকসেনের হার্ট অ্যাটাকের দৃশ্য টিভিতে দেখছিলেন লন্ডনের নাগরিক মুয়াম্বা। সঙ্গে সঙ্গে টুইটে প্রার্থনা বার্তা পাঠান তিনি। লেখেন, ‘ঈশ্বর সহায় হোন।’

মার্ক-ভিভিয়েন ফো

মুয়াম্বার মতো ভাগ্যবান ছিলেন না মার্ক-ভিভিয়েন ফো। ক্যামেরুনের এই মিডফিল্ডার জাতীয় দল ও ম্যানচেস্টার সিটির অন্যতম সেরা তারকা ছিলেন।

২০০৩ সালের কনফেডারেশনস কাপের ম্যাচে কলম্বিয়ার মুখোমুখি হয় ক্যামেরুন। নিজের সাবেক ক্লাব লিওঁর মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৭২ মিনিটে মাঠেই পড়ে যান ফো।

ফো-মুয়াম্বার স্মৃতি মনে করালেন এরিকসেন
হার্ট অ্যাটাকের পর মার্ক-ভিভিয়েন ফোকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত



চিকিৎসকদের শত চেষ্টাতেও আর জ্ঞান ফেরেনি তার। ৪৫ মিনিট ধরে তার হার্টকে ফের সচল করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয় চিকিৎসক দল। না ফেরার দেশে চলে যান ২৮ বছরের ফো।

তার মৃত্যুর পর চিকিৎসকেরা জানান, জন্মগত হাইপারট্রিফিক কার্ডিওমাইয়োপ্যাথিতে আক্রান্ত ছিলেন ফো। এই রোগে হার্টের দেয়ালের পেশি পুরু হয়ে যায়। ফলে খেলাধুলা বা হার্টে চাপ পড়ে এমন কোনো কাজ করা হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

আন্তোনিও পুয়ের্তা

একইভাবে মাঠের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাক করেন সেভিয়ার স্প্যানিশ উইঙ্গার আন্তোনিও পুয়ের্তা। ২০০৭ সালের ২৫ আগস্ট লা লিগার ম্যাচে হেতাফের বিপক্ষে হার্ট অ্যাটাক হয় তার।

ফো-মুয়াম্বার স্মৃতি মনে করালেন এরিকসেন
সেভিয়ার অধিনায়ক আন্তোনিও পুয়ের্তা। ফাইল ছবি

সে সময় চিকিৎসকদের শুশ্রূষার পর হেঁটে মাঠ ছাড়লেও হার্ট অ্যাটাকজনিত সমস্যায় তিন দিন পর মারা যান ২২ বছর বয়সী পুয়ের্তা। হার্টে জন্মগত সমস্যা ছিল তারও।

চেইক তিয়োতে

হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর পরের নামটি আইভরি কোস্টের মিডফিল্ডার চেইক তিয়োতের। ২০১৭ সালের ৫ জুন নিউকাসল ইউনাইটেডের সাবেক এই তারকা চায়নিজ সুপার লিগের দল বেইজিং এন্টারপ্রাইজেসের হয়ে অনুশীলনের সময় হার্ট অ্যাটাক করেন।

ফো-মুয়াম্বার স্মৃতি মনে করালেন এরিকসেন
কোত দে ভোয়ার মিডফিল্ডার চেইক তিওতে। ফাইল ছবি



তাকে ফেরানো যায়নি। হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩০ বছর বয়সী এই আইভোরিয়ান।

ইকার কাসিয়াস

অনুশীলনে হার্ট অ্যাটাক করেন স্পেনের কিংবদন্তি গোলকিপার ইকার কাসিয়াসও। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে পর্তুগালের ক্লাব পোর্তোর হয়ে অনুশীলনের সময় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। তবে সুস্থ হয়ে আবারও মাঠে ফেরেন পরের মৌসুমে।

ফো-মুয়াম্বার স্মৃতি মনে করালেন এরিকসেন
পোর্তোর জার্সিতে ইকার কাসিয়াস। ফাইল ছবি

ফুটবলারদের ওপর থেকে চাপ কমানোর জন্য বেশ কয়েক বছর ধরে সোচ্চার লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোর মতো বিশ্বসেরা তারকা এবং পেপ গার্দিওলা, জোসে মরিনিয়োর মতো কোচরা।

ঘরোয়া লিগ, কাপ, মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট, আন্তর্জাতিক কাপ ও লিগ মিলিয়ে মৌসুমে ৫০ থেকে ৬০টি ম্যাচ খেলতে হয় একজন সর্বোচ্চ পর্যায়ের পেশাদার ফুটবলারকে। অনুশীলনে ব্যস্ত থাকতে হয় বছরে ২৫০ থেকে ৩০০ দিন।

এই চাপ অনেক ক্ষেত্রেই যে তাদের হার্ট নিতে পারে না, তার প্রমাণ ফো-মুয়াম্বারা। ফিফা, ইউয়েফার মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাছে খেলার সংখ্যা কমানোর আবেদন করেন গার্দিওলা, মেসিরা।

শেয়ার করুন

সাম্বা ঝড় তুলতে প্রস্তুত ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ শঙ্কায়

সাম্বা ঝড় তুলতে প্রস্তুত ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ শঙ্কায়

ব্রাজিলের অনুশীলনে অধিনায়ক নেইমার। ফাইল ছবি

তাদের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ ভেনেজুয়েলা আছে বিপর্যয়ে। ম্যাচের একদিন আগে তাদের দলে ১১ জনের করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। এদের মধ্যে আটজন খেলোয়াড়ও রয়েছেন।

সোমবার ভোরে নিজ মাঠে কোপা আমেরিকা মিশন শুরু করছে ব্রাজিল। বহু জল ঘোলা হওয়ার পর তারাই দায়িত্ব পেয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের।

তারকাখচিত স্কোয়াড ঘোষণা করে লিওনার্দো তিতে জানান দিয়েছেন, টানা দ্বিতীয় ও নিজেদের দশম শিরোপা জিততে মুখিয়ে আছে সেলেকাওরা।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যা হয়েছে ভুলে যেতে চান তিতে। এখন তার ফোকাস শুধুই খেলার মাঠে। ব্রাজিল-ভেনেজুয়েলা উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিতে বলেন, ‘কোপা আমেরিকা শুরুর আগে আমরা ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে কথা বলেছি। কোপা আমেরিকা আমরা খেলতে চাই ও দলের প্রতি সবাই অনুগত। আমরা গর্বিত যে ব্রাজিলের হয়ে খেলছি। তবে আমরা চাইনি এখানে টুর্নামেন্ট হোক। দায় কনমেবোল ও ব্রাজিলের ফুটবল ফেডারেশনের। আমরা খেলব। আমরা গর্বিত যে টুর্নামেন্টে খেলতে পারছি।’

তাদের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ ভেনেজুয়েলা আছে বিপর্যয়ে। ম্যাচের একদিন আগে তাদের দলে ১১ জনের করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। এদের মধ্যে আটজন খেলোয়াড়ও রয়েছেন।

আক্রান্তদের নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়নি ভেনেজুয়েলা। আইসোলেশনে পাঠানোর পরপরই নতুন করে দেশ থেকে খেলোয়াড় আনিয়েছে তারা। তবে ঘরোয়া লিগ থেকে আনা অনভিজ্ঞ ও আনকোরা খেলোয়াড় স্কোয়াডের সঙ্গে যোগ দেয়ায় খর্বশক্তির দল নিয়েই ফেভারিট ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের।

নিজ মাটিতে কোপা আমেরিকায় টানা ২০ ম্যাচে অপরাজিত ব্রাজিল। ১২টি ম্যাচে জিতেছে তারা। ড্র করেছে আট ম্যাচ।

১৯৭৫ সালে পেরুর কাছে স্বাগতিক হিসেবে সবশেষ হেরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এর আগে পাঁচবার টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে ব্রাজিল। পাঁচবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা।

এবারের টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন সুপারস্টার নেইমার। তার কাঁধেই দলের শিরোপা রক্ষার দায়িত্ব।

কোপা আমেরিকায় নিজের নামের পাশে আরও গোল যোগ করার জন্য নেইমার গ্রুপ পর্যায়ে পাচ্ছেন চারটি ম্যাচ। পিএসজির সঙ্গে চুক্তি তিন বছরের জন্য নবায়ন করা এই সুপারস্টার ফরোয়ার্ডের চাওয়া কোপা আমেরিকার মতো বিশ্ব আসরে নিজেকে মেসি-রোনালডোর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

কোপা আমেরিকার চূড়ান্ত ব্রাজিল দল থেকে চোটের কারণে বাদ পড়েছেন ফ্লামেঙ্গোর ডিফেন্ডার রদ্রিগো কাইয়ো। তার জায়গায় দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন চেলসির অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা।

নেইমারের সাবেক বার্সেলোনা ও পিএসজি সতীর্থ দানি আলভেস প্রাথমিক দলে ডাক পেলেও চূড়ান্ত দল থেকে বাদ পড়েছেন চোটের কারণে। একই কারণে দলে নেই সার্জারি থেকে সেরে উঠতে থাকা বার্সেলোনা তারকা ফিলিপে কোতিনিয়ো।

কোপা আমেরিকার আগে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে আছে ব্রাজিল।

ইকুয়েডর ও প্যারাগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রস্তুতি সেরেছেন নেইমার-জেসুসরা। সোমবার ভোর ৩টায় ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিল শুরু করছে তাদের কোপা আমেরিকার চ্যালেঞ্জ।

শেয়ার করুন

এরিকসেনের পাশে রোনালডো-লুকাকুরা

এরিকসেনের পাশে রোনালডো-লুকাকুরা

মাঠে এরিকসেনের শূশ্রূষা করছেন তার জাতীয় দলের সতীর্থরা। ছবি: এএফপি

রাশিয়ার বিপক্ষে গোলের পর এরিকসেনকে গোল উৎসর্গ করেন বেলজিয়াম তারকা ও এরিকসেনের ক্লাব সতীর্থ রোমেলু লুকাকু। গোল করার পর ক্যামেরার সামনে গিয়ে বন্ধুর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য বলেন, ‘ক্রিস, ক্রিস ভালোবাসি তোমায়’।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে হার্ট অ্যাটাক করেন ডেনমার্কের তারকা মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আবারও শুরু হয় ম্যাচ। ডেনমার্ক ফিনল্যান্ডের কাছে একমাত্র গোলে হেরে গেলেও হার-জিতের চেয়ে দুই দলের কাছেই বড় ছিল এরিকসেনের সুস্থতা।

ম্যাচে গোল করার পর ফিনল্যান্ডের ফরোয়ার্ড জোয়েল পোহানপেলো গোল করার পর এরিকসেনের সম্মানে উদযাপন করা থেকে বিরত থাকেন।

রাতের আরেক ম্যাচে রাশিয়ার বিপক্ষে গোলের পর এরিকসেনকে গোল উৎসর্গ করেন বেলজিয়াম তারকা ও এরিকসনের ক্লাব সতীর্থ রোমেলু লুকাকু। গোল করার পর ক্যামেরার সামনে গিয়ে বন্ধুর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য বলেন, ‘ক্রিস, ক্রিস ভালোবাসি তোমায়’।

এরিকসেনের ঘটনা লুকাকু ও পোহানপেলোর মতো একসঙ্গে করেছে পুরো ফুটবল বিশ্বকেই।

ইউরোর সবচেয়ে বড় তারকা ও পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোও বিশেষ বার্তা দিয়েছেন এরিকসেনের উদ্দেশে। নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সিআর সেভেন লেখেন, ‘আমরা সবাই ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন ও তার পরিবারের পাশে আছি ও প্রার্থনা করছি। সুখবরের প্রত্যাশায় ফুটবলবিশ্ব একসঙ্গে অপেক্ষা করছে। ক্রিস আমি আশা করছি আপনি খুব দ্রত মাঠে ফিরবেন।’

ইংল্যান্ডের তারকা স্ট্রাইকার ও এরিকসেনের টটেনহ্যাম হটস্পার সতীর্থ হ্যারি কেইন এই টুইটে লিখেছেন, ‘ক্রিস তোমার ও তোমার পরিবারের প্রতি আমার ভালোবাসা। লড়ে যাও বন্ধু।’

এরিকসেনের মতোই মাঠে হার্ট অ্যাটাক করা ইংলিশ মিডফিল্ডার ফ্যাব্রিস মুয়াম্বাও টুইট করেছেন। সাবেক বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের তারকা লেখেন, ‘ঈশ্বর দয়া করুন।’

এ ছাড়া এফসি বার্সেলোনা, ইন্টারনাৎসিওনাল, আয়াক্স আমস্টাডার্মের মতো ক্লাবগুলো টুইট করে এরিকসেনের সুস্থতা কামনা করেছে। তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, চেক রিপাবলিক ও ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের পক্ষ থেকেও এরিকসেনের জন্য শুভকামনা করা হয়।

ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ৪০ মিনিটের সময় থ্রো পায় ডেনমার্ক। লাইনের কাছাকাছি ছিলেন এরিকসেন। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

পরে সতীর্থরা তাকে ঘিরে ধরেন। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকরা এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

প্রায় ১৩ মিনিট পর চোখ খুলতে দেখা যায় টটেনহ্যামের এই ফুটবলারকে। হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তাকে সিপিআর দেয়া হয় মাঠের মধ্যেই।

এরপর দ্রুত তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ডেনিশ ফুটবল জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে এরিকসেনের। অন্যান্য টেস্টের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে তাকে।

বিবিসি স্পোর্ট জানিয়েছে, এরিকসেন এখন সুস্থ আছেন। ভিডিও কলে সতীর্থদের সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি।

ইউয়েফার জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রায় ঘণ্টা খানেক পর বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টায় আবারও শুরু হয় ম্যাচ। ৪১ মিনিট থেকে ম্যাচ শুরু হয়। বাকি সময়ে একমাত্র গোলে ম্যাচ জিতে নেয় ফিনল্যান্ড।

শেয়ার করুন

রাশিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইউরো শুরু বেলজিয়ামের

রাশিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইউরো শুরু বেলজিয়ামের

রাশিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোলের পর বেলজিয়ামের স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকুর উদযাপন। ছবি: টুইটার

ইন্টার মিলানের সুপারস্টার রোমেলু লুকাকুর জোড়া গোলে ৩-০ ব্যবধানে রাশিয়াকে হারিয়ে ইউরো মিশনে শুভ সূচনা করেছে বেলজিয়াম।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ১৯৮০ সালে সবশেষ ফাইনালে খেলে বেলজিয়াম। তারপর থেকে একরকম শূন্যই তাদের আন্তর্জাতিক অর্জন।

গত বিশ্বকাপে বেলজিয়াম সেমিফাইনাল খেলায় প্রত্যাশা বাড়ে দলকে ঘিরে। দুর্দান্ত ফুটবল নৈপুণ্য দেখান লুকাকু-ডি ব্রুইনারা। সোনালী প্রজন্মের সেরা সময় কাটাচ্ছে বেলজিয়ান ফুটবল।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থেকে প্রথম বড় কোনো টুর্নামেন্টে শিরোপার প্রত্যাশা নিয়ে ইউরোতে বেলজিয়ানদের শুরুটা হয়েছে দুর্দান্তভাবে।

ইন্টার মিলানের সুপারস্টার রোমেলু লুকাকুর জোড়া গোলে ৩-০ ব্যবধানে রাশিয়াকে হারিয়ে ইউরো মিশনে শুভ সূচনা করেছে বেলজিয়াম।

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবুর্গ স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের ভেতর থেকে মাটি কাঁপানো শটে বল জালে জড়িয়ে বেলজিয়ামকে লিড এনে দেন এই স্ট্রাইকার।

গোলের উদযাপনে হাসপাতালের শয্যায় বন্ধু ও ক্লাব সতীর্থ ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনকে স্মরণ করতে ভুললেন না তিনি।

ক্যামেরার সামনে গিয়ে বন্ধুর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য ‘ক্রিস, ক্রিস ভালোবাসি তোমায়’ বলে জানালেন ফুটবল খেলার থেকেও বেশি কিছু।

এমন দিনে কি তাকে থামিয়ে রাখা সম্ভব?

ম্যাচের শেষ দিকে আরেকটি গোলে নিজেকে রাঙানোর পাশাপাশি দলকেও বড় জয় উপহার দিলেন লুকাকু। এ নিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে সবশেষ ১৫ ম্যাচে ১৯ বার লক্ষ্যভেদ করেছেন ইন্টার মিলানের এই স্ট্রাইকার।

তার আগে প্রথমার্ধে বেলজিয়ামের বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডের রাইটব্যাক থমাস মুনিয়ের একটি গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

পুরো ম্যাচে স্বাগতিক রাশিয়া প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণে বেলজিয়ামের কোনো ক্ষতি করতে না পারায় পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে লুকাকুরা।

এ জয়ে ফিনল্যান্ডকে হটিয়ে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে উঠে যায় বেলজিয়াম। ১৭ জুন ডেনমার্কের বিপক্ষে গ্রুপ বি-এর দ্বিতীয় ম্যাচটি খেলবে রবার্তো মার্তিনেজের শিষ্যরা।

শেয়ার করুন

মাঠে হার্ট অ্যাটাকের পর স্থিতিশীল এরিকসেন

মাঠে হার্ট অ্যাটাকের পর স্থিতিশীল এরিকসেন

এরিকসেনকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: টুইটার

৪০ মিনিটের মাথায় থ্রো পায় ডেনমার্ক। লাইনের কাছাকাছি ছিলেন এরিকসেন। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে সতীর্থরা ঘিরে ধরেন। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকরা এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ‘বি’ গ্রুপের ডেনমার্ক-ফিনল্যান্ডের ম্যাচে ডেনমার্ক ও টটেনহ্যাম হটস্পারের তারকা মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে যান।

পরে ধরা পড়ে তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। তাকে মাাঠের বাইরে নেয়ার পর ম্যাচ স্থগিত করা হয়।

আর এরিকসেনকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নেয়া হয়। আপাতত স্থিতিশীল আছেন এই ডেনিশ ফুটবলার।

ইউরোপ সেরার টুর্নামেন্টে কোপেনহেগেনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে খেলতে নামে ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড। ইতিহাসে প্রথমবার কোনো বড় টুর্নামেন্টে খেলছিল ফিনল্যান্ড।

ম্যাচ গোলশূন্য নিয়ে চলছে প্রথমার্ধে। ৪০ মিনিটের মাথায় থ্রো পায় ডেনমার্ক। লাইনের কাছাকাছি ছিলেন এরিকসেন। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

পরে সতীর্থরা তাকে ঘিরে ধরেন। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকরা এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

প্রায় ১৩ মিনিট পর চোখ খুলতে দেখা যায় টটেনহ্যামের এই ফুটবলারকে। হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তাকে সিপিআর দেয়া হয় মাঠের মধ্যেই।

এরপর দ্রুত তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ডেনিশ ফুটবল জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে এরিকসেনের। অন্যান্য টেস্টের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে তাকে।

এরিকসেনের ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সুস্থতা চেয়ে পোস্ট করছেন ক্লাবের সতীর্থ, সাবেক ও বর্তমান ফুটবলাররা।

বিবিসি স্পোর্ট জানিয়েছে, এরিকসন এখন সুস্থ আছেন। ভিডিও কলে সতীর্থদের সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি।

ইউয়েফার জরুরী বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রায় ঘণ্টাখানেক পর বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টায় আবারও শুরু হয় ম্যাচ।

৪১ মিনিট থেকে ম্যাচ শুরু হয়। বাকি সময়ে একমাত্র গোলে ম্যাচ জিতে নেয় ফিনল্যান্ড।

৫৯ মিনিটে জোয়েল পোহানপেলোর স্ট্রাইকে জয় নিশ্চিত হয় ফিনল্যান্ডের।

তবে, ম্যাচে হার-জিত ছাপিয়ে মূল বিষয় ছিল এরিকসনের সুস্থতা।

পোহানপেলো গোলের পরও এরিকসেনের সম্মানে গোল উদযাপন করা থেকে বিরত থাকেন।

রাতের আরেক ম্যাচে রাশিয়ার বিপক্ষে গোলের পর এরিকসেনকে গোল উৎসর্গ করেন বেলজিয়াম তারকা ও এরিকসনের ক্লাব সতীর্থ রোমেলু লুকাকু।

শেয়ার করুন

রকস্টার লিওনেল মেসি

রকস্টার লিওনেল মেসি

হার্ড রক ক্যাফের বিজ্ঞাপণে লিওনেল মেসি। ছবি: টুইটার

বিশ্বখ্যাত রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে চেইন হার্ড রক ক্যাফে মেসিকে নিজেদের শুভেচ্ছাদূত করেছে শনিবার। তাই রেস্তোরাঁর থিমের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে মেসির এমন লুক।

সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবেই তাকে চেনেন সবাই। ছয়টি ব্যলন ডরের পাশাপাশি অসংখ্য ট্রফি জিতেছেন বার্সেলোনার হয়ে। চিরপরিচিত ফুটবলার বেশে নয় আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসিকে এবারে দেখা গেল একেবারে অন্য অবতারে।

রকস্টারদের মতো লুকে গিটার নিয়ে ব্ল্যাক লেদার জ্যাকেট ও ডেনিমে হাজির হলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দল ও বার্সেলোনা অধিনায়ক। মাঠ ছেড়ে এবারে কি কনসার্ট মাতাতে যাচ্ছেন এই ক্ষুদে যাদুকর?

না, তেমন কিছুই না। বিশ্বখ্যাত রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে চেইন হার্ড রক ক্যাফে মেসিকে নিজেদের শুভেচ্ছাদূত করেছে শনিবার। তাই রেস্তোরাঁর থিমের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে মেসির এমন লুক।

হার্ড রক ক্যাফের বিজ্ঞাপণে দেখা যায়, গিটারের কেইসে বল নিয়ে ক্যাফেতে প্রবেশ করছেন মেসি। তার সাজ রকস্টারদের মতো। গায়ে কালো জ্যাকেট ও জিন্স।

বিখ্যাত রেস্তোরাঁটি তাদের সূবর্ণজয়ন্তী পালন করছে এই বছর। বিশেষ এই সময়ে বিখ্যাত রকস্টারদের পাশে ফুটবল মাঠের ‘রকস্টার’ মেসিকে রেখেছে তারা।

‘এমন একটা ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারাটা সম্মানের ব্যাপার। বিশেষ করে এতোজন রকস্টারদের সঙ্গে তাদের ৫০ বছর পূর্তীর অংশ হতে পারাটা আসলেই স্পেশাল,’ সাংবাদিকদের বলেন মেসি।

বিশেষ এই উপলক্ষে মেসি তার ব্যলন ডরের একটি রেপ্লিকাতে সই করে দিয়েছেন হার্ড রক ক্যাফেকে। আর ক্যাফের প্রেসিডেন্ট জিম অ্যালেন মেসিকে উপহার দিয়েছেন তার জন্য বানানো বিশেষ একটি ইলেক্ট্রিক গিটার।

হার্ডরক ক্যাফের অন্যতম জনপ্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে তাদের সিগনেচার বার্গারগুলো। মেসির কাছে তার প্রিয় বার্গারে কী কী থাকবে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ‘গরুর মাংস, টোমাটো, চিজ, মেয়োনেজ ও ডিম।’

মেসি সদলবলে আছেন ব্রাজিলে। সেখানে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে কোপা আমেরিকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মঙ্গলবার রাতে চিলির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনার কোপা আমেরিকা।

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের আগে প্রস্তুতিটা সুখের হয়নি মেসিদের জন্য। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে প্রথম চিলি ও পরের ম্যাচে কলম্বিয়ার সঙ্গে ড্র করে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

গতবারের কোপা আমেরিকায় সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল মেসির দলকে।

শেয়ার করুন