মায়ের হাতের মিলানেসাই মেসির সবচেয়ে প্রিয়

মা সিসিলিয়ার সঙ্গে লিওনেল মেসি। ফাইল ছবি

মায়ের হাতের মিলানেসাই মেসির সবচেয়ে প্রিয়

মায়ের রান্নার প্রতি ভীষণ দুর্বল তিনি। মায়ের হাতের মিলানেসা (ভাজা মাংস ও আলুর তৈরি দক্ষিণ আমেরিকান খাবার) বেশি প্রিয় মেসির।

১৩ বছর বয়স থেকে লিওনেল মেসির বসবাস বার্সেলোনায়। ২০ বছর ধরে স্পেনের শহর ও ক্লাবটির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছেন এই আর্জেন্টাইন। তারপরও নিজ শহর রোসারিওর কথা সব সময় মনে পড়ে মেসির। মনে পড়ে মায়ের হাতের রান্না ও বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো সময়ের কথা।

আর্জেন্টিনার দৈনিক ওলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমনটা জানিয়েছেন মেসি নিজেই।

মেসির এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারটি আর্জেন্টাইন পাঠকদের জন্য শনিবার ছাপাবে ওলে। তার আগে মেসির সঙ্গে কথোপকথনের কিছু অংশ পাঠকদের জন্য প্রকাশ করেছে তারা।

সাক্ষাৎকারজুড়ে ফুটবল, আর্জেন্টিনা জাতীয় দল ও বার্সেলোনায় মেসির ভবিষ্যৎ সব প্রসঙ্গই এসেছে। তবে পাঠকদের জন্য টিজার হিসেবে যে অংশটুকু আগে ছেপেছে ওলে, সেটাতে মেসির একেবারে ভিন্ন দিক উঠে এসেছে।

ওলের ছাপানো অংশে মেসিকে পাওয়া গেছে আবেগী, আমুদে ও হালকা মেজাজে। মাঠে ছয়বারের ব্যলন ডর-জয়ীর দুর্বল দিক খুঁজে পেতে গলদঘর্ম হতে হয় বাঘা বাঘা কোচ ও ডিফেন্ডারদের। ওলেকে মেসি নিজেই জানালেন গোপন কথা। মায়ের রান্নার প্রতি ভীষণ দুর্বল তিনি। মায়ের হাতের মিলানেসা (ভাজা মাংস ও আলুর তৈরি দক্ষিণ আমেরিকান খাবার) বেশি প্রিয় মেসির।

‘মা একটা বিশেষ সস দেয় ওটার ওপরে। আমি প্রচুর মিলানেসা খেয়েছি। কিন্তু বাড়িতে মা বিশেষ ওই সস দিয়ে যেটা রান্না করেন, ওটার তুলনা নেই। অন্যরাও মায়ের হাতেরটা খেয়েছে আর বলেছে তারটাই সেরা।’

এক প্রশ্নের উত্তরে মেসি খোলাসা করেছেন তার দাড়ি রাখার রহস্য। ২০১৬ কোপা আমেরিকা থেকে দাড়ি রাখা শুরু করেছেন, জানালেন এমনটাই।

‘আমি সব সময় শেভ করতাম। জিলেটের (রেজার কোম্পানি) সঙ্গে যখন আমার চুক্তি ছিল তখন তারা আমাকে সব সময় শেভ করতে বলত। ওদের চুক্তি শেষ হওয়ার পরই আমি ঠিক করি যে শেভ করব না। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা, যেটা আমেরিকায় হয়েছিল তখন থেকে দাড়ি রাখা শুরু করি। ওখানে অনেককেই দাড়ি রাখতে দেখেছি।’

সর্বকালের সেরা ফুটবল খেলোয়াড় আর কোন খেলা খেলতে পছন্দ করেন? অবসর কাটান কী করে? উত্তরে মেসি জানান বাড়িতে থাকলে প্যাডেল টেনিস খেলতে ভালোবাসেন তিনি।

‘প্যাডেল আমার খুব পছন্দ। আমি পেপেকে (বন্ধু) আমার দলে নিই। ও খুব ভালো খেলে। আমি শুধু দৌড়াদৌড়ি করি। খুব বেশি একটা খেলা হয় না, কারণ আমাদের তিন দিন পরপর ম্যাচ থাকে। কিন্তু এটা খেলতে আমার দারুণ লাগে।’

ছেলেবেলার কথাও স্মরণ করেন মেসি। ওলেকে বলেন প্রতিবার রোসারিও ছেড়ে বার্সেলোনা যাওয়ার সময় মন খারাপ করতেন। যেতে চাইতেন না নিজের শহর ছেড়ে।

‘আমি কাঁদতাম। আমি যেতে চাইতাম না। একই সঙ্গে বার্সেলোনায় গিয়ে আমি যা করি (ফুটবল খেলা) তা করতে ইচ্ছা করত। আমার বন্ধুদের থেকে দূরে চলে এসেছিলাম। এখন ১৩ বছরের সবার কাছে মোবাইল ফোন আছে। তখন তেমনটা ছিল না। যখন আমাকে ফোনে কথা বলার সুযোগ দেয়া হতো, তখন দেখা যেত আমি ঘণ্টাখানেক কথা বলছি।’

লা লিগায় বার্সেলোনার হয়ে শেষ ম্যাচ খেলছেন না মেসি। এইবারের বিপক্ষে ম্যাচটি থেকে ছুটি দিয়েছে তাকে ক্লাব। এখন মেসি প্রস্তুতি নেবেন কোপা আমেরিকার। ১৩ জুন আর্জেন্টিনায় শুরু হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় এই ফুটবল টুর্নামেন্ট।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দেড় বছরে পুরো দলই বদলে গেছে বাংলাদেশের

দেড় বছরে পুরো দলই বদলে গেছে বাংলাদেশের

ডিফেন্স সামলাচ্ছেন জাতীয় ফুটবলাররা। ছবি: সংগৃহীত

দেড় বছর আগের ওমান ম্যাচে খেলেছেন সেই একাদশের শুধু মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও রিয়াদুল হাসান রাফি আছেন যিনি এ ম্যাচে সুযোগ পেতে পারেন। ওই ম্যাচের বাকি ৯ জনই নাই এবারের ম্যাচে।

আর একদিন পরই বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচটি খেলবে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ওমান। ফ্যাক্ট বলছে, দেড় বছর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বরে ওমানের সঙ্গে প্রথম লেগে বাংলাদেশের যে স্কোয়াড ছিল তার সিংহভাগ ফুটবলারই নাই মঙ্গলবারের ম্যাচে।

বলা যায়, একেবারে নতুন একাদশ নিয়ে ওমান রুখে দেয়ার মিশনে নামবে জেমি ডে’র বাহিনী।

দেড় বছর আগের ওমান ম্যাচে খেলেছেন সেই একাদশের শুধু মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও রিয়াদুল হাসান রাফি আছেন যিনি এ ম্যাচে সুযোগ পেতে পারেন। ওই ম্যাচের বাকি ৯ জনই নাই এবারের ম্যাচে।

সেবার ওমানের কাছে ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। একাদশে ছিলেন জীবন, সাদ, জামাল ভূঁইয়া, ইব্রাহিম, সোহেল, বিপলু, রহমত মিয়া, ইয়াসিন, ও রাফি ও গোলকিপার রানা।

এবার জীবন, আশরাফুল রানা, সাদ ও সোহেল রানা ইনজুরিতে ছিটকে গেছেন দল থেকে। কার্ড সমস্যায় ছিটকে গেছেন জামাল, বিপলু ও রহমত ও এবারের স্কোয়াডে জায়গা পাননি ইয়াসিন খান ও রবিউল হাসান।

ওই ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সিতে একমাত্র গোলটি এসেছিল বিপলু আহমেদের পা থেকে। কার্ড সমস্যায় তিনিও থাকছেন না মঙ্গলবারের ম্যাচে।

এমন স্কোয়াড নিয়েই শক্তিশালী ওমানের বিপক্ষে জসিম বিন হামাদ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সাড়ে ১১ টা ১০ এ মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন

অভিশাপ মোচনের আরেকটি সুযোগ মেসির

অভিশাপ মোচনের আরেকটি সুযোগ মেসির

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অনুশীলনে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

কোপা আমেরিকায় গ্রুপ বি-র ম্যাচে চিলির মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। রিওর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু মঙ্গলবার ভোর ৩টায়।

ফুটবলে ব্যক্তিগত অর্জন ও রেকর্ড যা আছে সবই তার নামে। সেরা গোলদাতা, সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন অসংখ্য। ক্লাব ফুটবলের সম্ভাব্য সবগুলো শিরোপাই জিতেছেন একাধিকবার। সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের তর্কে তার নাম থাকে পেলে-ম্যারাডোনার সঙ্গেই।

তারপরও লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে রয়েছে বড় এক শূন্যতা। সর্বজয়ী এই কিংবদন্তি আর্জেন্টিনার জার্সিতে এখনও জেতেননি বড় কোনো শিরোপা। ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিক স্বর্ণই আকাশি-সাদা জার্সিতে তার সবচেয়ে বড় অর্জন।

চূড়ান্ত সাফল্যের একেবারে কাছে চলে গিয়েছিলেন ২০১৪ সালে। ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে অন্তিম মুহূর্তের গোলে হেরে যেতে হয় মেসি ও আর্জেন্টিনাকে। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হলেও দলীয় শিরোপার আক্ষেপ থেকেই যায় তার।

পরের দুই বছর আসে আরও দুটি ব্যর্থতা। ২০১৫ ও ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ছয়বারের ব্যলন ডর জয়ীকে।

পরের বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনাকে ফাইনালেও নিয়ে জেতে পারেননি মেসি। ফুটবল দলীয় খেলা হলেও, সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের ওপরই দলের ব্যর্থতার দায় চেপেছে বারবার।

খেলোয়াড় মেসির তুলনায় কিছুটা ব্যর্থ অধিনায়ক মেসি এমন সমালোচনাও হয়েছে। প্রায় একার চেষ্টাতেই বারবার দলকে ফাইনালে তোলার পরও ট্রফি না জেতার বাঁকা কথা শুনতে হচ্ছে তাকে।

৩৩ বছর বয়সী মেসি পৌঁছে গেছেন ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে। হতে পারে এটাই তার শেষ কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট। নিজের সম্ভাব্য শেষ মহাদেশীয় টুর্নামেন্টকে স্মরণীয় করে রাখতেই চাইবেন মেসি।

আর্জেন্টিনার হয়ে একটি শিরোপা জয় যে তার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন মেসি।

চিলির বিপক্ষে ম্যাচের আগে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘আমি জাতীয় দলের জন্য সব সময়ই প্রস্তুত। আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন জাতীয় দলের জার্সিতে একটা শিরোপা জেতা। খুব কাছে গিয়েছি কয়েকবার। জিততে পারিনি। কিন্তু আমি চেষ্টা চালিয়ে যাব। স্বপ্ন সত্যি করার জন্য লড়াই করে যাব।’

অভিশাপ মোচনের আরেকটি সুযোগ মেসির
কোপা আমেরিকায় নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে অনুশীলনে ব্যস্ত আর্জেন্টিনা দল। ছবি: এএফপি



সেই লক্ষ্যে সদলবলে লিওনেল মেসি মাঠে নামছেন আরও একবার। চিলির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে কোপা আমেরিকা অভিযান শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনার।

বরাবরের মতো আক্রমণভাগ নিয়ে কোনো চিন্তা নেই আলবিসেলেস্তেদের। বিশ্বসেরা মেসির সঙ্গে রয়েছেন লাউতারো মার্তিনেস, আনহেল কোরেয়া ও আনহেল দি মারিয়ার মতো ইউরোপের সেরা লিগের সেরা সব তারকা। সঙ্গে যোগ দিয়েছে একঝাঁক নতুন প্রতিভা। দলের কম্বিনেশন ভালো মানছেন মেসি।

তিনি বলেন, ‘নতুন খেলোয়াড় এলেও দল কীভাবে খেলে সে সম্পর্কে সবারই ধারণা হয়ে গেছে। সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত করার এটাই সময়। তেমনটা করতে পারলে কাপ জয়ের জোরালো সম্ভাবনা আছে আমাদের।’

ডিফেন্স নিয়েই যত মাথাব্যাথা হেড কোচ লিওনেল স্কালোনির। নিকোলাস ওটামেন্ডি ও হারমান পাসেজার মতো অভিজ্ঞরা থাকার পরও নিরেট নয় আর্জেন্টিনার রক্ষণ। সেরি আর সেরা ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরোই একমাত্র উজ্জ্বল ছিলেন বাছাইপর্বের শেষ দুই ম্যাচে।

চিলি ও কলম্বিয়ার সঙ্গে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচ ড্র করে আর্জেন্টিনা। চিলির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর কলম্বিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে লিড হারায় দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শেষ মুহূর্তে ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়ায় হতাশ হয়েছে পুরো দল জানান মেসি।

যোগ করেন, ‘কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ যেভাবে শেষ হয়েছে তাতে সবাই খুব অসন্তুষ্ট ছিলাম। ওই অংশটুকু বাদ দিলে ম্যাচের বাকি সময় আমরা ভালোই খেলেছি। কিছু বিষয় শুধরাতে হবে। আমরা নিজেদের আরও উন্নতি করতে চাই।’

মেসির ইতিহাস গড়তে হলে সবচেয়ে বেশি সহায়তা লাগবে ডিফেন্স লাইনের তা নিয়ে সন্দেহ নেই। না হলে রূপকথার অভিশপ্ত রাজপুত্রের মতো আরও একবার খালি হাতেই ফিরতে হবে নাম্বার টেনকে।

কোপা আমেরিকায় চিলির বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নিজেদের ত্রুটি শুধরে নিতে চাইবে আর্জেন্টিনা। জয় দিয়ে শুরু করতে মুখিয়ে আছেন মেসি।

‘আমরা ভালো খেলছি কিন্তু একটা জয় দরকার। তিন পয়েন্ট পেয়ে শুরু করাটা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটা দলকে নির্ভার রাখে। আমরা জানি, বিষয়টা কঠিন কিন্তু আশা করছি আমরা তা অর্জন করতে পারব,’ বলেন তিনি।

রিওর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর ৩টায়।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন

নেইমার ম্যাজিকে বড় জয়ে শুরু ব্রাজিলের

নেইমার ম্যাজিকে বড় জয়ে শুরু ব্রাজিলের

ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে বড় জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ব্রাজিলের তিন তারকা জেসুস, নেইমার ও রিবেইরো। ছবি: টুইটার

গ্রুপ ‌‌‌‘এ‌’র প্রথম ম্যাচে ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিক দল। ব্রাজিলের হয়ে স্কোর করেছেন মার্কিনিয়োস, নেইমার ও গাব্রিয়েল বারবোসা। এক গোল করার পাশাপাশি অন্য দুই গোলের পেছনেও সরাসরি ভূমিকা ছিল নেইমারের।

নিজ মাটিতে কোপা আমেরিকার শিরোপা ধরে রাখার মিশন দারুণভাবে শুরু করেছে ব্রাজিল। গ্রুপ ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‘এ’র প্রথম ম্যাচে ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিক দল।

ব্রাজিলের হয়ে স্কোর করেছেন মার্কিনিয়োস, নেইমার ও গ্যাব্রিয়েল বারবোসা। এক গোল করার পাশাপাশি অন্য দুই গোলের পেছনেও সরাসরি ভূমিকা ছিল নেইমারের।

নিজেদের দশম কোপা শিরোপা জয়ের মিশনে নামা ব্রাজিলের সামনে ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে নামে খর্বশক্তির এক ভেনেজুয়েলা দল।

ম্যাচের দুই দিন আগে তাদের দলে ১১ জনের করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এদের মধ্যে আটজন খেলোয়াড়ও ছিলেন।

আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়নি ভেনেজুয়েলা। আইসোলেশনে পাঠানোর পরপরই নতুন করে দেশ থেকে খেলোয়াড় আনিয়েছে তারা।

তবে ঘরোয়া লিগ থেকে আনা অনভিজ্ঞ ও আনকোরা খেলোয়াড় স্কোয়াডের সঙ্গে যোগ দেয়ায় খর্বশক্তির দল নিয়েই ফেভারিট ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে হয় তাদের।

ফলে শুরু থেকেই ম্যাচে বল দখলের লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকে ভেনেজুয়েলা। দারুণ ছন্দে ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে রাখেন নেইমার-কাসেমিরো-জেসুসরা।

প্রথম গোল আসে ২৩ মিনিটে। নেইমারের নেয়া কর্নার কিক বল পৌঁছে দেয় রিচার্লিসনের পায়ে। এভারটনের এই ফরোয়ার্ড নিয়ার পোস্টে খুঁজে পান মার্কিনিয়োসকে। কাছ থেকে স্বাগতিকদের এগিয়ে দিতে কোনো ভুল করেননি পিএসজি তারকা।

প্রথমার্ধ শেষে ওই এক গোলে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। বিরতির পরও খুব একটা পাল্টায়নি ম্যাচের চিত্র। বলের পজিশনে প্রাধান্য রেখে ব্রাজিলই নিয়ন্ত্রণ করে ম্যাচ।

সেলেকাওদের সামনে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ আসে ম্যাচের ৬৩ মিনিটে। দানিলোকে নিজেদের বক্সে ফাউল করেন ভেনেজুয়েলার ডিফেন্ডার ইয়োহান কুমানা।

রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দিলে স্পট থেকে দলের ব্যবধান বাড়াতে কোনো ভুল করেননি তারকা ফরোয়ার্ড ও দলের অধিনায়ক নেইমার।

নিজেদের শেষ গোলের সঙ্গেও নিজের নাম জড়িয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার। ম্যাচের শেষ বাঁশির মিনিটখানেক আগে নেইমারের বাড়ানো বলেই স্কোরলাইন ৩-০ করে দেন গ্যাব্রিয়েল বারবোসা।

নিজেদের কোপা আমেরিকা শিরোপা রক্ষায় দারুণ শুরু ও প্রতিপক্ষকে সতর্কবার্তা জানিয়ে রাখল ব্রাজিল প্রথম ম্যাচেই।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শুক্রবার পেরুর মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। আর ২৪ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেলে ২৮ জুন ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করবে টুর্নামেন্টের ৯ বারের শিরোপাজয়ীরা।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন

পাঁচ গোলের রোমাঞ্চ জিতে নিল ডাচরা

পাঁচ গোলের রোমাঞ্চ জিতে নিল ডাচরা

জয়সূচক গোলের পর উদযাপনে নেদারল্যান্ডসের ফুটবলাররা। ছবি: টুইটার

ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ডেনজেল ডামফ্রাইসের গোলে ইউক্রেনের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয় তুলে নেয় নেদারল্যান্ডস।

নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে রোমাঞ্চে ভরা এক ম্যাচ উপভোগ করলেন ফুটবলভক্তরা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের ম্যাচে গোলের উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে এক থ্রিলার।

ইউক্রেনকে হারের স্বাদ দিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত শুরু করল ডাচরা।

জমজমাট ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ডেনজেল ডামফ্রাইসের গোলে ইউক্রেনের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয় তুলে নেয় নেদারল্যান্ডস।

৩৩ বছরের ইউরো না জেতার আক্ষেপ নিয়ে মাঠে নেমে দাপটের সঙ্গে ইউক্রেনের রক্ষণে চাপ অব্যাহত রাখে ফ্রাঙ্ক ডি বোয়েরের নেদারল্যান্ডস।

ম্যাচের প্রথমার্ধ পর্যন্ত স্বাগতিকদের গোল করতে দেয়নি ইউক্রেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে ম্যাচে ব্যবধান গড়ে ডাচরা। জর্জিনিয়ো ওয়াইনালডামের গোলে লিড নেন ওরানিয়ে।

ঠিক সাত মিনিট পরে ভাউট ভেগহর্স্টের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেদারল্যান্ডস। এরপরই যেন সব নাটক হাজির আমস্টারডাম মঞ্চে।

ম্যাচের ৭৫ মিনিটে আন্দ্রি ইয়ামারলেঙ্কোর গোলে ব্যবধান কমিয়ে ফেলে ইউক্রেন। এর চার মিনিট পর ডাচদের জালে আরেকবার বল পাঠিয়ে স্বাগতিকদের স্তব্ধ করে দেয় শেভচেঙ্কোর শিষ্যরা। এবার রোমান ইয়ারমোলেঙ্কোর গোলে সমতা।

ম্যাচের শেষ ১২ মিনিটে রুদ্ধশ্বাস অবস্থা দুই দলের। এমন অবস্থায় ম্যাচের ৮৮ মিনিটে স্বাগতিকদের মুখে হাসি ফোটান ডেনজেল ডামফ্রাইস।

ক্যারিয়ারের প্রথম গোলে রোমাঞ্চকর ম্যাচে ১৯৮৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নদের জয় উপহার দেন তিনি।

এ জয়ে ইউরো মিশনটা দারুণভাবে শুরু করল ডাচরা। ১৮ জুন নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলবে নেদারল্যান্ডস।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন

‘লজ্জায়’ তারিকের সঙ্গে সারাদিন কথা বলেননি জামাল!

‘লজ্জায়’ তারিকের সঙ্গে সারাদিন কথা বলেননি জামাল!

বামে জামাল ভূঁইয়া ও ডানে তারিক কাজী। ছবি: বাফুফে

ম্যাচটা টিম হোটেলে ভিন্ন ভিন্ন রুমে দেখেছেন ডেনমার্ক প্রবাসী জামাল ও ফিনল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার তারিক কাজী। ম্যাচ চলাকালীন দুই জনের মধ্যে বার্তা বিনিময় হয়েছে। ডেনমার্ক গোল খাওয়ার পর জামালকে খোঁচা দিতেও নাকি ছাড়েননি তারিক।

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাই খেলতে জাতীয় ফুটবল দল এখন কাতারে। ওমান ম্যাচকে সামনে রেখে ঘাম ঝড়াচ্ছেন ফুটবলাররা। টিম হোটেলে না হলেও একইসঙ্গে সবাই অনুশীলন মাঠ আর জিমনেসিয়ামে সময় কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন খেলোয়াড়রা। তবুও রোববার সারাদিন সতীর্থ তারিক কাজীর সঙ্গে কথা বলেননি জামাল ভূঁইয়া।

কিন্তু কেন?

হঠাৎ ছোট ভাই তারিকের উপরে জামালের ক্ষেপে যাওয়ার কারণ কি?

না। ঠিক রাগ, ক্ষোভ বা অভিমানে নয়। বরং ‘লজ্জায়’ তারিকের সঙ্গে কথা বলছেন না জাতীয় দলের এই অধিনায়ক।

কারণটা চলমান ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ। জামাল ভূঁইয়ার পছন্দের দল ডেনমার্ক যেখানে তিনি ফুটবল খেলে বড় হয়েছেন সেই দল হেরেছে তারিক কাজীর বেড়ে ওঠার দেশ ফিনল্যান্ডের কাছে।

ম্যাচটা টিম হোটেলে ভিন্ন ভিন্ন রুমে দেখেছেন ডেনমার্ক প্রবাসী জামাল ও ফিনল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার তারিক কাজী। ম্যাচ চলাকালীন দুই জনের মধ্যে বার্তা বিনিময় হয়েছে। ডেনমার্ক গোল খাওয়ার পর জামালকে খোঁচা দিতেও নাকি ছাড়েননি তারিক।

নিজের মুখেই রোববার এই খুনশুটির গল্প শোনালেন জামাল ভূঁইয়া, ‘ম্যাচের আগে তারিক আমাকে জিজ্ঞেস করেছে ম্যাচ দেখবে কী না। এরপরে ম্যাচ যখন শুরু হয়েছে, ম্যাচের মাঝে মেসেজ চালাচালি হয়েছে আমাদের।

‘লজ্জায়’ তারিকের সঙ্গে সারাদিন কথা বলেননি জামাল!
ম্যাচের শুরুতে দলের সঙ্গে তারিক কাজী ও জামাল ভূঁইয়া

ডেনমার্ক যখন হেরেছে তারপর থেকেই সারাদিন তারিকের সঙ্গে কথা বলেননি বলে জানালেন জাতীয় দলের অধিনায়ক, ‘ফিনল্যান্ড যখন লিড নিল তখন সে আবারও আমারে মেসেজ দিছে। আজকে কিচ্ছু বলব না ওর সাথে। ওরা জিতছে।’

জামাল ভূঁইয়ার পর দ্বিতীয় প্রবাসী ফুটবলার হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে অভিষেক হয় তারিক কাজীর।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন

স্টার্লিংয়ের গোলে ইংল্যান্ডের স্বপ্নের শুরু

স্টার্লিংয়ের গোলে ইংল্যান্ডের স্বপ্নের শুরু

গোলের পর ইংল্যান্ডের উদযাপন। ছবি: টুইটার

লন্ডনের ওয়েম্বলিতে ক্রোয়েশিয়াকে একমাত্র গোলে হারিয়েছে কেইন-ফোডেন-স্টার্লিংরা। জয়সূচক গোলটি এসেছে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড রাহিম স্টার্লিংয়ের পা থেকে।

একবার বিশ্বকাপ জিতলেও কখনও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা হয়নি ইংল্যান্ডের। এবার সেই সম্ভাবনাটা আরও বেড়ে গেছে ফোডেন-মাউন্টদের মতো উদীয়মান কিছু তারকা ফুটবলারকে পেয়ে। বলা যায় স্বপ্নের মতো ইউরো শুরু করেছে গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা।

টুর্নামেন্টে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতে মিশন শুরু করল ইংল্যান্ড।

লন্ডনের ওয়েম্বলিতে ক্রোয়েশিয়াকে একমাত্র গোলে হারিয়েছে কেইন-ফোডেন-স্টার্লিংরা। জয়সূচক গোলটি এসেছে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড রাহিম স্টার্লিংয়ের পা থেকে।

ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য নিয়ে খেলেছে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধ ক্রোয়েশিয়া আতোকে রাখে স্বাগতিকদের। বল দখলেও বেশ এগিয়ে ছিল সাউথগেট বাহিনী।

প্রথমার্ধেই ম্যাচের লিড নিতে পারত ইংল্যান্ড। ফিল ফোডেনের শট বারে লেগে ফিরে না আসলে আগেই হোঁচট খেত লুকা মডরিচের ক্রোয়েশিয়া। গোলশূন্য স্কোর নিয়ে বিরতিতে যায় ম্যাচ।

দ্বিতীয়ার্ধে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। কেলভিন ফিলিপসের পা থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের ভেতর থেকে ক্রোয়েশিয়ার গোলকিপার ডমিনিক লিভাকোভিচের দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে জালে পাঠিয়ে দিয়ে স্বাগতিকদের উল্লাসে মাতান স্টার্লিং।

এই এক গোলেই ম্যাচের জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। পিছিয়ে পড়ে সেভাবে পাল্টা জবাব দিতে পারেনি বিশ্বকাপ ক্রোয়েশিয়া। হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে গত ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালিস্টরা।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন

‘বাল্যবন্ধু’ এরিকসেনের গল্প শোনালেন জামাল

‘বাল্যবন্ধু’ এরিকসেনের গল্প শোনালেন জামাল

ছবির বামে ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন ও ডানে জামাল ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

ছোটবেলায় এরিকসেনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিলেন জামাল ভূঁইয়া। সেসময়ই জাতীয় দলের এই অধিনায়ক জানতেন, এরিকসেন ভবিষ্যতে সুপারস্টার হবেন।

হার্ট অ্যাটাক করে ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের মাঠে লুটিয়ে পড়ার ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো ফুটবল বিশ্ব। ডেনমার্কের এই ফুটবলার যখন হাসপাতালে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার লড়াই করছেন তখন প্রার্থনায় বসেছিলেন সাবেক ও বর্তমান ফুটবলাররা।

তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনায় বসেছিলেন ডেনমার্ক প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার জামাল ভূঁইয়াও। সেই কথা জানিয়ে দিয়েছেন নতুন তথ্যও।

তিনি জানান, ছোটবেলায় এরিকসেনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিলেন। সেসময়ই জাতীয় দলের এই অধিনায়ক জানতেন, এরিকসেন ভবিষ্যতে সুপারস্টার হবেন।

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলতে বর্তমানে কাতারের দোহায় অবস্থান করছেন জামাল ভূঁইয়া।

বন্ধু এরিকসেনের হৃদয়বিদারক এই খবরে ভেঙে পড়েছিলেন জামাল। বলেন, ‘যখন মাঠে সে হার্ট অ্যাটাক করেছে তখন জানতাম না। যখন জানতে পারলাম, তখন খুবই খারাপ লেগেছে। শুধু এরিকসন নয় ওই দলের ফুটবলারদের জন্যও খারাপ লেগেছে। ও এবং ওর পরিবারের জন্য সবাই দোয়া করছে।’

জামাল যখন ডেনমার্কের এফসি কোপেনহেগেনের যুবদলের হয়ে খেলতেন তখন এরিকসেন খেলতেন উদিনস বোল্ডক্লাবের যুবদলে। ওই সময় দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষ হিসেবে এরিকসেনকে পেয়েছিলেন জামাল।

সেই ফুটবল দ্বৈরথের গল্প শোনালেন জামাল, ‘যখন আমাদের ১৫-১৬ বছর বয়স ছিল, তাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দুইবার পেয়েছি। এরিকসেনের আয়াক্সে যোগ দেয়ার আগের ঘটনা। আমাদের কোচ বলতো ওদের একটা ওয়ান্ডার কিড আছে। আমি ওয়ান্ডার কিডকে মাইরা ফেলমু (হাসতে হাসতে)।

‘প্রথম ম্যাচে ও জোড়া গোল করেছিল। আমরা ম্যাচটা জিতেছিলাম অবশ্য। পরের ম্যাচে সে আবারও জোড়া গোল করেছিল। আমি জানতাম ও ভবিষ্যতে অনেক ভালো করবে। চার মাস পর আয়াক্স ওকে নিয়ে ফেলে।’

এরিকসেন যাতে দ্রুত আরোগ্য লাভ করে আবারও ফুটবলে ফেরেন এই কামনা করেন জামাল।

আরও পড়ুন:
বার্সায় শেষ ম্যাচ কি খেলে ফেলেছেন মেসি?
সমুদ্র বাঁচানোর আহ্বান মেসির
মেসিকে বার্সা ছাড়ার পরামর্শ কেম্পেসের

শেয়ার করুন