অ্যাজারকে অপেশাদার বললেন কোঁতোয়ার বাবা

চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল শেষে চেলসির আসপিলিকুয়েতার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন অ্যাজার (ডানে)। ছবি: এএফপি।

অ্যাজারকে অপেশাদার বললেন কোঁতোয়ার বাবা

ক্ষমা চেয়ে পার পাননি অ্যাজার। তাকে অপেশাদার বলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের গোলকিপার থিবো কোঁতোয়ার বাবা থিয়েরি কোঁতোয়া। এইচএলএনের পডকাস্টে তিনি বলেন, বোকার মতো এক কাজ করেছেন অ্যাজার।

লা লিগা শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার দশা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়া চোট। সব মিলিয়ে সময়টা ভালো যাচ্ছে না রিয়াল মাদ্রিদের।

তার মধ্যে দলের ১০০ মিলিয়ন ডলার ম্যান ইডেন অ্যাজার মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরের কাণ্ডকারখানায় মনোযোগ কুড়াচ্ছেন বেশি।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে চেলসির মাঠে হেরে বিদায় নেয়ার পর, অ্যাজারকে দেখা গেছে সাবেক ক্লাব সতীর্থদের সঙ্গে হাসিঠাট্টায় মেতে উঠতে।

চেলসি থেকে ২০১৯ সালে রিয়ালে যোগ দেয়া এই বেলজিয়ানের ওপরে এ নিয়েই চটেছেন মাদ্রিদ সমর্থকেরা। এখনও তিনি ‘চেলসির অ্যাজার’-ই রয়ে গেছেন, রিয়ালের হয়ে উঠতে পারেননি এমনটাই দাবি তাদের।

বুধবার ম্যাচ হারের পর টানা কটুকথা শুনতে হয়েছে অ্যাজারকে। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের আচরণের জন্য ক্ষমাও চান তিনি। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি।

নিজের ইন্সট্যাগ্রামে এক পোস্টে অ্যাজার বলেন, আচরণের জন্য তিনি দুঃখিত। রিয়ালে খেলা তার স্বপ্ন।

‘আমি দুঃখিত। আসলে কাউকে আঘাত করার ইচ্ছা আমার ছিল না। রিয়ালে খেলা আমার স্বপ্ন ও আমি এখানে জিততে এসেছি। মৌসুম এখনও শেষ হয়নি। এখন আমাদের লিগ শিরোপার জন্য লড়তে হবে।’

ক্ষমা চেয়ে পার পাননি অ্যাজার। তাকে অপেশাদার বলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের গোলকিপার থিবো কোঁতোয়ার বাবা থিয়েরি কোঁতোয়া। এইচএলএনের পডকাস্টে তিনি বলেন, বোকার মতো এক কাজ করেছেন অ্যাজার।

‘একেবারেই বুদ্ধিমানের মতো হয়নি কাজটা। কোনোকিছু না ভেবেই বোধহয় ও (অ্যাজার) এটা করেছে। কিন্তু ঐ দৃশ্যগুলো রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক ছিল। দল বাদ পড়ার মিনিট দুয়েক পর একজন খেলোয়াড় হাসাহাসি করছে! আমার কাছে গোটা ব্যাপারটাই অপেশাদার লেগেছে।’

চেলসির কাছে ২-০ গোলে হারের ম্যাচে কোঁতোয়াই ছিলেন রিয়ালের সেরা তারকা। এই বেলজিয়ান গোলকিপারের জন্যই ম্যাচে রিয়াল পাঁচ গোল হজম করেনি। যে কারণেই হয়তো ছেলের বন্ধুর আচরণ চোখে লেগেছে থিয়েরির।

এখন একমাত্র লা লিগা শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। সে লক্ষ্যে রোববার নিজ মাঠে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেভিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে জিনেদিন জিদানের দল।

লিগে চারটি করে খেলা বাকি। ৩৪ ম্যাচে ৭৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। দুই পয়েন্ট কম নিয়ে দুই ও তিনে আছে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা।

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

একাদশে পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে নামছে বাংলাদেশ

একাদশে পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে নামছে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

গোলকিপার পজিশনে আনিসুর রহমান জিকোর উপর আস্থা রেখেছেন। রক্ষণে তপুর সঙ্গে রাফি, তারিক কাজী, রিমন ও ইয়াসিনকে দলভুক্ত করেছেন। আর মাঝমাঠে মানিক, রাকিব, আব্দুল্লাহ, ইব্রাহিম এবং আক্রমণে মতিন মিয়াকে স্কোয়াডে নিয়েছেন জেমি।

ওমানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচের একাদশ দিয়েছে বাংলাদেশ। দলে পাঁচ ডিফেন্ডার রাখা হয়েছে। মাঝমাঠে চারজন ও আক্রমণে একজনকে রাখা হয়েছে।

ওমানকে রুখে দেয়ার অসম্ভব চ্যালেঞ্জে আর কিছুখন পরেই কাতারের জসিম বিন স্টেডিয়ামে নামবে বাংলাদেশ।

তার আগে দল সাজানো নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়তে হয়েছে জাতীয় দলের প্রধান কোচ জেমি ডেকে। কেননা, জামাল ভূঁইয়াসহ মোটে পাঁচ ফুটবলার নেই এই ম্যাচে।

তাই বেশ সাবধানী হয়ে রক্ষণে ডিফেন্ডার বাড়িয়েছেন এই ইংলিশ ট্যাকটিশিয়ান।

গোলকিপার পজিশনে আনিসুর রহমান জিকোর উপর আস্থা রেখেছেন। রক্ষণে তপুর সঙ্গে রাফি, তারিক কাজী, রিমন ও ইয়াসিনকে দলভুক্ত করেছেন। আর মাঝমাঠে মানিক, রাকিব, আব্দুল্লাহ, ইব্রাহিম ও আক্রমণে মতিন মিয়াকে স্কোয়াডে নিয়েছেন জেমি।

দেড় বছর আগে ওমানের বিপক্ষে খেলাদের মধ্যে মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও রিয়াদুল হাসান রাফি আছেন। ওই ম্যাচের বাকি ৯ জনই নেই এবারের ম্যাচে।

ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশ একাদশ
গোলকিপার: আনিসুর রহমান জিকো, ডিফেন্ডার: তপু বর্মন, রিয়াদুল হাসান রাফি, তারিক কাজী, ইয়াছিন আরাফাত, রিমন হোসেন, মিডফিল্ডার: মানিক মোল্লা, রাকিব হোসেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আবদুল্লাহ ফরোয়ার্ড: মতিন মিয়া।

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন

হাসপাতাল থেকে এরিকসেনের সেলফি

হাসপাতাল থেকে এরিকসেনের সেলফি

হাসপাতাল থেকে এরিকসেনের সেলফি। ছবি: ইনস্টাগ্র্যাম

কোপেনহেগেনের হাসপাতালে ভর্তি ইন্টার মিলান তারকা হাসপাতালের বিছানায় শোয়া অবস্থায় নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক সেলফি দিয়েছেন।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে হার্ট অ্যাটাক করে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া ডেনমার্কের মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন এখন ভালো আছেন। বর্তমানে কোপেনহেগেনের হাসপাতালে ভর্তি ইন্টার মিলান তারকা হাসপাতালের বিছানায় শোয়া অবস্থায় নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক সেলফি দিয়েছেন।

পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়া এরিকসেন মঙ্গলবার তোলা সেলফির সঙ্গে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। লেখেন, ‘হ্যালো সবাই! বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা অসাধারণ ও ভালোবাসাপূর্ণ সব শুভেচ্ছা ও বার্তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ও আমার পরিবারের জন্য এ এক অনেক বড় পাওয়া।’

নিজে সুস্থ বোধ করলেও এখনই তার হাসপাতাল ছাড়া হচ্ছে না। আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাকি আছে জানান ২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

‘চলমান পরিপ্রেক্ষিতে আমি ভালো আছি। হাসাপাতালে আমাকে এখনও বেশ কিছু পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কিন্তু আমার ভালো লাগছে এখন,’ লেখেন তিনি।

মাঠে হার্ট অ্যাটাকের পর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। রোববার রাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয় ম্যাচ। ডেনমার্ক ফিনল্যান্ডের কাছে একমাত্র গোলে হেরে গেলেও হার-জিতের চেয়ে দুই দলের কাছেই বড় ছিল এরিকসেনের সুস্থতা।

ডেনমার্কের বাকি ম্যাচে দলের পাশে একজন পাঁড় ভক্তের মতোই থাকবেন বলে জানান এরিকসেন। পরের ম্যাচগুলোতে ডেনমার্কের জয় আশা করে লেখেন, ‘আমি এখন ডেনমার্ক দলে আমাদের ছেলেদের সমর্থন করব পরের ম্যাচগুলোতে। আশা করি তারা পুরো ডেনমার্কের জন্যই খেলবে।’

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন

মৃত্যুকূপ জয়ের চ্যালেঞ্জ রোনালডোর সামনে

মৃত্যুকূপ জয়ের চ্যালেঞ্জ রোনালডোর সামনে

পর্তুগাল জাতীয় দলের অনুশীলনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। ছবি: টুইটার

টুর্নামেন্টের আগে পর্তুগালের জন্য দুঃসংবাদ ছিল ম্যানচেস্টার সিটির উইংব্যাক জোয়াও কানসেলোর কোভিড পজিটিভ হওয়া। দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটানো এই ডিফেন্ডারকে দলে না পেয়ে কিছুটা হতাশ হলেও বেশি ভাবতে চান না রোনালডো।

প্রায় দুই বছর আগে যখন ইউরো ২০২০-এর ড্র অনুষ্ঠিত হয় তখন থেকেই সবার নজর গ্রুপ এফ-এ। ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ও চারবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন জার্মানি পড়েছে একই গ্রুপে।

তিন শিরোপা প্রত্যাশী দলের সঙ্গে রয়েছে নতুন শক্তি হাঙ্গেরি। সব মিলিয়ে এফ-গ্রুপ হয়ে দাঁড়িয়েছে মৃত্যুকূপ। আর এই ডেথগ্রুপের ডেথ ম্যাচগুলো শুরু হচ্ছে পর্তুগাল-হাঙ্গেরি লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে।

বরাবরের মতো পর্তুগালের মেগাস্টার অধিনায়কের দিকেই সবার নজর। ৩৬ বছরের ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো মাঠে কী করতে পারেন, সেটা গত দেড় দশকে বহুবার দেখেছে ফুটবল বিশ্ব।

তরুণ না হলেও নিজেকে আরও পরিপক্ব ভাবছেন রোনালডো। এখনও চনমনে আছেন ১৮ বছর আগের মতোই। হাঙ্গেরির বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে রোনালডো বলেন, ‘আমি ১৮ বছর, ১০ বছর বা পাঁচ বছর আগের মতো নেই। নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। এখন আমি অনেক পরিপক্ব। দীর্ঘদিন খেলতে হলে খাপ খাইয়ে নেয়া ছাড়া উপায় নেই। ১৮ বছরে আমি খাপ খাইয়ে নিতে শিখেছি। সব সময় ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে জিতেই এসেছি।’

রাতের ম্যাচে মাঠে নামলেই পাঁচটি ইউরোতে খেলার অনন্য রেকর্ড গড়বেন রোনালডো। আর আলি দাইয়ি সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক ১০৯ গোলের রেকর্ডের চেয়ে মাত্র পাঁচ গোল পিছিয়ে আছেন সিআর সেভেন।

তবে আপাতত ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন না পর্তুগিজ অধিনায়ক। হাঙ্গেরির বিপক্ষে জিতে ডেথ গ্রুপে এগিয়ে যেতে চায় তার দল।

‘আমার মনে হয় শারীরিক ও মানসিকভাবে দল প্রস্তুত। খেলোয়াড়রা অনেকেই তরুণ। এর মানে এই না যে তারা স্বপ্ন দেখতে পারবেন না। আমি জানি, সবাই মুখিয়ে আছে মাঠে নামতে।’

মৃত্যুকূপ জয়ের চ্যালেঞ্জ রোনালডোর সামনে
বুদাপেস্টে অনুশীলনে পর্তুগাল দল। ছবি: টুইটার



একই সুর পর্তুগালের হেড কোচ ফার্নান্দো সানতোসের কণ্ঠেও। নিজেদের শিরোপার জন্য অন্যতম ফেভারিট উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এখন শিরোপা জিততে কী করা লাগবে, সেটা নিয়ে ভাবছি। প্রতিপক্ষ খুবই শক্তিশালী। টুর্নামেন্টে সাত-আটটা দল আছে, যারা শিরোপার দাবিদার। ডার্ক হর্স কয়েকটা দল আছে যাদেরও জেতার সুযোগ আছে। তাদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য একটা যে, আমরা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন।’

টুর্নামেন্টের আগে পর্তুগালের জন্য দুঃসংবাদ ছিল ম্যানচেস্টার সিটির উইংব্যাক জোয়াও কানসেলোর কোভিড পজিটিভ হওয়া। দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটানো এই ডিফেন্ডারকে দলে না পেয়ে কিছুটা হতাশ হলেও বেশি ভাবতে চান না রোনালডো।

‘কোভিড নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। বলতে বলতে আমরা ক্লান্ত। দুঃখজনক পরিস্থিতি তবে আমাদের মনোযোগ নষ্ট হয়নি। খেলায় আমাদের পুরো মনোযোগ রয়েছে,’ বলেন রোনালডো।

কোভিডের কারণে ইউরোর অনেকগুলো ভেন্যুতে দর্শকসংখ্যা সীমিত রাখা হলেও, বুদাপেস্টের ফেরেঙ্ক পুসকাস স্টেডিয়ামে থাকছে পরিপূর্ণ। ৬৮ হাজার দর্শকের নামা নিয়ে বেশ এক্সাইটেড রোনালডো। বলেন, ‘এটা পার্ফেক্ট। সবগুলো ভেন্যু ভরা থাকলে ভালো লাগত। খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য ব্যাপারটা দারুণ হতো। তবে এটা আমাদের হাতে নেই।’

হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে রাত ১০টায় স্বাগতিকদের মুখোমুখি হচ্ছে পর্তুগাল। তাদের পরই মিউনিখের আলিয়াঞ্জ আরেনায় জার্মানির মোকাবিলা করবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন

‘আমাদের মাথা ঠান্ডা ছিল না’

‘আমাদের মাথা ঠান্ডা ছিল না’

চিলির বিপক্ষে ম্যাচে গোল করার পর মেসির উচ্ছ্বাস। ছবি: টুইটার

বিশ্বকাপ বাছাই ও কোপা আমেরিকা মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে ড্র করল আর্জেন্টিনা। মার্তিনেস, দি মারিয়া, সার্হিও আগুয়েরোদের অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত ফরোয়ার্ড থাকার পরও গোলের দেখা পাচ্ছে না আলবিসেলেস্তেরা।

কোপা আমেরিকায় চিলির বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু গোলমুখে সুযোগ হাতছাড়া করার মহড়ায় ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকান জায়ান্টদের।

অধিনায়ক লিওনেল মেসির অসাধারণ ফি-কিকে লিড নেওয়ার পর সেটি ধরে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এদুয়ার্দো ভার্গাসের পেনাল্টি গোলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দুই দল।

ম্যাচ শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লিওনেল মেসি জানান, ম্যাচে শান্ত থাকতে পারেননি তারা। যার কারণে পুরো তিন পয়েন্ট পাওয়া হয়নি।

‘ম্যাচটা সহজ ছল না। আমরা মাথা ঠান্ডা রাখতে পারিনি। বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্রুত খেলতে পারিনি। পেনাল্টিটাই ম্যাচটা পালটে দেয়।’

বরাবরের মতো মেসির একমাত্র উজ্জ্বল ছিলেন ম্যাচে। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেছেন লাউতারো মার্তিনেস, নিকোলাস গনসালেসরা। চিলির বিপক্ষে ড্রয়ে মেসি তবুও হতাশ হচ্ছেন না।

পরের ম্যাচে শক্তিশালি উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়েই এখন ভাবছে পুরো স্কোয়াড এমনটাই জানালেন ছয়বারের ব্যলন ডর জয়ী।

‘আমরা জেতা শুরু করতে চেয়েছিলাম। এখন উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলা। এটাও একটা কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে। ব্যাপার না! পরের ম্যাচ নিয়েই আমরা ভাববো।’

বিশ্বকাপ বাছাই ও কোপা আমেরিকা মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে ড্র করল আর্জেন্টিনা। মার্তিনেস, দি মারিয়া, সার্হিও আগুয়েরোদের অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত ফরোয়ার্ড থাকার পরও গোলের দেখা পাচ্ছে না আলবিসেলেস্তেরা।

হেড কোচ লিওনেল স্কালোনির বিশ্বাস দল শিগগিরই জেতা শুরু করবে। শিষ্যদের সামর্থ্য নিয়ে সন্দেহ নেই তার। বলেন, ‘গোলের সুযোগ তৈরি করতে না পারলে আমি চিন্তায় পড়তাম। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা সুযোগ তৈরি করছি। বক্সে প্রচুর খেলোয়াড় আমরা রাখতে পেরেছি। আমাদের স্কোয়াড বেশ শক্তিশালী। যারা আছেন সবাই দারুণ খেলোয়াড়।’

উরুগুয়ের বিপক্ষে শনিবার ভোর ছয়টায় আর্জেন্টিনা তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামছে। তাদের পরের ম্যাচ ২২ জুন প্যারাগুয়ের বিপক্ষে। আর ২৯ জুন বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর্জেন্টিনা শেষ করবে তাদের গ্রুপ পর্ব।

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন

কোপাকে ঘিরে জমজমাট ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ট্রোলিং

কোপাকে ঘিরে জমজমাট ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ট্রোলিং

ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে কোপা আমেরিকা শুরু করার পরদিন চিলির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করায় আর্জেন্টিনার প্রতি তোপ দাগা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। আর এই অনলাইন লড়াইয়ে আপাতত এগিয়ে আছেন ব্রাজিলের সমর্থকরা।

যেকোনো টুর্নামেন্টে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার অংশগ্রহণ মানে বাংলাদেশি ফুটবলভক্তদের বাড়তি উত্তেজনা। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি ফুটবল দলের সমর্থকেরা যেকোনো উপলক্ষেই একে অপরকে খোঁচা দিতে ও ট্রোল করতে ছাড়েন না। এবারের কোপা আমেরিকাও এর ব্যতিক্রম নয়।

প্রতিপক্ষ দলকে কটাক্ষ করা, মজার ও অদ্ভুত সব নামে ডাকা থেকে শুরু করে খেলোয়াড়দের মিম বানানো সবকিছুই চলছে বেশ জোরেশোরে।

ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে কোপা আমেরিকা শুরু করার পরদিন চিলির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করায় আর্জেন্টিনার প্রতি তোপ দাগা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। আর এই অনলাইন লড়াইয়ে আপাতত এগিয়ে আছেন ব্রাজিলের ভক্তরা।

বায়েজিদ সাকিব নামের ব্রাজিলের এক ভক্ত তার ফেসবুকে আর্জেন্টিনার ফাইনাল হার নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন দলটির ভক্তদের।

তিনি লিখেন, ‘রবার্ট ব্রুস এবং মাকড়সার গল্পকে ভুল প্রমাণিত করেছে আর্জেন্টিনা! রবার্ট ব্রুস ছয়বার পরাজিত হয়ে সপ্তম বারে জয়লাভ করেন। কিন্তু আর্জেন্টিনা ছয়টা ফাইনাল হারার পর সপ্তম ফাইনালেও পরাজিত হয়!

‘রবার্ট ব্রুস যদি আজ বেঁচে থাকতেন তাহলে আর্জেন্টিনাকে দেখে লজ্জায় মরে যেতেন।’

ব্রাজিলের আরেক ভক্ত ওমর ফারুক আর্জেন্টিনার সঙ্গে তুলনা করেছেন বাংলা সিনেমার।

এক পোস্টের মন্তব্যে লিখেন, ‘বাপ্পারাজের ছবি আর আর্জেন্টিনার খেলা শেষে কষ্ট ছাড়া আর কিছুই দেয় না। আহা রে আর্জেন্টিনা!’

ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে নেইমারের পেনাল্টি কিক নেয়ার কৌশল নিয়েও ট্রোল হচ্ছে ব্যাপক। নেইমারের গুটি গুটি পায়ে পেনাল্টি নেয়ার কৌশলকে হাস্যকরভাবে ট্রোল করছেন অনেকেই।

তার জবাবে জামাল উদ্দিন মনির নামের এক ব্রাজিলভক্ত লেখেন, ‘দূর মিয়া! আজীবন নেইমার এইভাবে গোল দিয়ে আসছেন। নেইমার পেনাল্টি জোরে মারে না। তার এই কৌশলে সে সফল।’

ব্রাজিলের সুপারস্টার ফরোয়ার্ড নেইমারকে নিয়ে অসংখ্য ট্রোল পেজের একটি ‘সর্বকালের সেরা খেলোয়ার কিং নেইমার বলছি’তে ব্যঙ্গ করা হয়েছে তার পেনাল্টি কিকের কৌশল নিয়ে।

পেজটির একটি পোস্টে লেখা হয়, ‘কিং নেইমার আছেন বলেই পেনাল্টির এখনও দাম আছে। এই রকম শৈল্পিক গোল ফুটবলের রাজার পা থেকেই মানায়।

‘বি.দ্র. অন্য কেউ পেনাল্টি থেকে গোল করলে সেটা শিল্প হিসেবে ধরা হয় না। কারণ সবাই তো আর কিং নেইমার নয়!’

তবে দিনের অন্যতম জনপ্রিয় ট্রোলটি এসেছে হিউমার ওয়েবসাইট ইয়ার্কি ডটকম থেকে। অধ্যাপক কলিমুল্লাহর বিতর্কিত ক্লাসের সময়ের সঙ্গে আর্জেন্টিনার তুলনা করে তারা লিখেছে, ‘আর্জেন্টিনার ম্যাচ আর কলিমুল্লাহ স্যারের ক্লাস দুইটাই রাত তিনটায়। দুইটার মধ্যে আরেকটা মিল হলো দুইটা শেষ হওয়া মাত্রই পাবলিক গালিগালাজ শুরু করে।’

কোপা আমেরিকার খেলায় আপাতত দুই দিন বিরতি থাকলেও ভক্তদের ট্রোলিং যে অব্যাহত থাকবে, সেটা নিশ্চিত।

ব্রাজিল নিজেদের পরের ম্যাচে পেরুর মুখোমুখি হচ্ছে শুক্রবার। আর পরদিন উরুগুয়ের বিপক্ষে নামছে আর্জেন্টিনা।

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন

মেসি জাদুতেও জিতল না আর্জেন্টিনা

মেসি জাদুতেও জিতল না আর্জেন্টিনা

ফ্রি-কিকে গোল করার মুহূর্তে মেসি। ছবি: টুইটার

ব্রাজিলের রিও অলিম্পিক স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চিলির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে আর্জেন্টিনা।

দুই দুইটি কোপার ফাইনালে যাদের কাছে হেরে ট্রফি জেতা হয়নি, সেই চিলি আবার কোপা আমেরিকার শুরুতে বাধা হয়ে দাঁড়াল আর্জেন্টিনার। লিওনেল মেসির গোলে এগিয়ে গেলেও পরে ড্রয়ের দুঃখ নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসিলেস্তেরা।

ব্রাজিলের রিওর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চিলির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরু থেকে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে আক্রমণ সাজিয়ে গেছে লিওনেল স্কোলানির শিষ্যরা।

প্রথমার্ধের ১২ থেকে ১৮ মিনিটে তিন তিনটি সুযোগ হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। তার একটি ছিল লিড নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ।

লো সেলসোর ডিফেন্সচেড়া পাস থেকে চিলির গোলকিপার ক্লদিও ব্রাভোকে ওয়ান টু ওয়ানে পেয়ে যান নিকোলাস গঞ্জালেস।

ডি-বক্সের ভেতর থেকে ব্রাভোকেই বিট করতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড। আরেকবার হতাশ হয় আকাশি-নীল জার্সিধারীদের সমর্থকরা।

এর মধ্যে আর্জেন্টিনার ইন্টার মিলানের ফরোয়ার্ড লাউতুরো মারতিনেসের একটি শট দারুণভাবে থামিয়ে দেন ব্রাভো। সমতায় চলতে থাকে ম্যাচ।

ঠিক ৩৩ মিনিটে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। ডি-বক্সের ঠিক আগে। লিওনেল মেসির জন্য দলকে এগিয়ে নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ।

এবার হতাশ করেননি খুদে জাদুকর। অনেকটা চিপ শটে বলটাকে দারুণভাবে বাঁকিয়ে ডান বারের কোণ বরাবর পাঠিয়ে দেন মেসি।

অধিনায়কের গোলে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার উল্লাসে মেতে ওঠে আলবিসেলেস্তেরা।

ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত আর্জেন্টিনা। সিক্স ইয়ার্ডের সামনে থেকে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন লাউতারো মার্তিনেস।

এক গোলের স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে মেসিদের চেপে ধরে চিলি।

ম্যাচের ৫৭ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে দলকে পেনাল্টি এনে দেন আরতুরো ভিদাল। নিজেই পেনাল্টি নেন ভিদাল। তার শট প্রথমবারে থামিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ফিরতে বলে ভারগাসের হেডে সমতায় ফেরে চিলি।

চিলি ম্যাচের ৬৩ মিনিটে লিড নিয়ে ফেলতে পারত। বাম প্রান্ত থেকে আসা ক্রসে হেড করেন ভিদাল। তা সরাসরি চলে যায় গোলকিপারের গ্লাভসে।

এরপর ম্যাচ যত গড়িয়েছে গুছিয়ে উঠে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করছিল লিওনেল স্কালোনির দল। দি মারিয়া বদলি হিসেবে নামার পর খেলার গতি বাড়ে আর্জেন্টিনার।

ম্যাচের ৭১ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেয়া মেসির শট রুখে দিয়ে বিপদমুক্ত করেন ব্রাভো। পরে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।

গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আর্জেন্টিনা ও চিলি। শেষ দুবারের মুখোমুখিতে দুই দলের ম্যাচ ড্রয়ে শেষ হয়েছিল।

এবার ৩১ বছরের শিরোপা খরা মেটানোর মিশনে হোঁচট খেয়েই শুরু করতে হয়েছে মেসিদের। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী ১৯ জুন আর্জেন্টিনা খেলবে উরুগুয়ের বিপক্ষে।

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন

গোল মিসের মিছিলে সুইডেনের সঙ্গে ড্র স্পেনের

গোল মিসের মিছিলে সুইডেনের সঙ্গে ড্র স্পেনের

স্পেনের ডি-বক্সে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া সুইডেনের। ছবি: সংগৃহীত

সেভিয়ায় নিজ মাঠে গ্রুপ ‘ই’র প্রথম ম্যাচে সুইডেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে লুইস এনরিকের দল।

পুরো ম্যাচ দাপট নিয়ে খেলে সুযোগের পর সুযোগ হারিয়ে সুইডেনের কাছে পয়েন্টই খোয়াল তিনবারের ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন।

নিজ মাঠ সেভিয়ার এস্তাদিও কার্তুহায় গ্রুপ ‘ই’র প্রথম ম্যাচে সুইডেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে লুইস এনরিকের দল স্পেন।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য নিয়ে খেলে গেছে স্পেন। ৮৫ শতাংশ বল দখল রেখে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেছে দলটি।

সুইডেন যে একেবারে সুযোগ পায়নি তা নয়। মাঝেমধ্যেই কাউন্টার অ্যাটাকে ঝলক দেখিয়েছে তারা। কিছুটা দুর্ভাগ্যও ছিল তাদের কপালে।

তবে ম্যাচের লাগাম ধরে রেখে আক্রমণ সাজিয়ে যায় স্পেন। প্রথমার্ধের ৩৮ মিনিটে বড় একটি সুযোগ নষ্ট করে স্বাগতিকরা।

জর্দি আলবার ক্রস থেকে ডি-বক্সের ভেতরে গোলকিপারকে একা পেয়েও বল বারের বাইরে মেরে দেন আলভারো মোরাতা। ঠিক তিন মিনিট পর ভাগ্যের কাছেই বেঁচে যায় স্পেন।

বলা যায় দুর্ভাগ্য সুইডেনের। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিং করে বল নিয়ে সিক্স ইয়ার্ডের সামনে চলে আসেন সুইডিশ স্ট্রাইকার আলেক্সান্ডার আইসাক। স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমনকে পরাস্ত করে বল বারে যাওয়ার সময় তা ডিফেন্ডার আয়মেরিক লাপোর্তের পায়ে বাধা পেয়ে বারে লেগে ফিরে আসে। এতে হতাশ হতে হয় সুইডেন সমর্থকদের।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে স্পেন।

৬১ মিনিটে হঠাৎই ছন্দপতন এনরিকের শিষ্যদের। এবার সেই আইসাক বল নিয়ে ঢুকে পড়েন ডি-বক্সের ভেতরে।

দুই-তিনজনের জটলায় থাকা বলটা বের করে সিক্স ইয়ার্ডের সামনে থাকা সতীর্থ মার্কাস বার্গকে দিলে খালি পোস্ট পেয়েও বল অবিশ্বাস্যভাবে বারের উপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন তিনি। আরেকবার হতাশ হতে হয় সুইডেনকে।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে সবচেয়ে বড় সুযোগটা হাতছাড়া হয় স্পেনের।

বদলি হিসেবে নামা দুই খেলোয়াড় পাবলো সারাবিয়া ও জেরার্ড মরেনো এই সুযোগটা তৈরি করেন। সারাবিয়ার উড়ে আসা ক্রসে হেড করেন মরিনো। জালে ঢুকতে থাকা বলটা দারুণভাবে পা দিয়ে বিপদমুক্ত করেন সুইডেনের গোলকিপার রবিন ওলসেন।

তার এক মিনিট পর আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে স্পেন। এবার বাম প্রান্ত থেকে জর্ডি আলবার ক্রস ঠিকমতো পায়ে জমাতে পারেননি সারাবিয়া। বল পায়ে লেগে সোজা চলে যায় গোলকিপারের হাতে।

সুইডেনের সঙ্গে হোঁচট নিয়েই ইউরো মিশন শুরু করেছে স্পেন। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী ২০ জুন স্পেন লড়বে পোল্যান্ডের বিপক্ষে।

আরও পড়ুন:
অ্যাজারকে বিক্রি করে দেবে রিয়াল
চেলসির চেয়ে মাদ্রিদে ভালো আছেন কোঁতোয়া
রিয়ালের মাঠ থেকে ড্র নিয়ে ফিরল চেলসি

শেয়ার করুন