কুমিল্লায় ফুটবল দেখতে  উপচে পড়া দর্শক

বসুন্ধরা কিংস-ব্রাদার্স ইউনিয়ন ম্যাচ দেখতে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্টেডিয়ামে দর্শকদের ভীড়

কুমিল্লায় ফুটবল দেখতে উপচে পড়া দর্শক

মুহূর্মুহূ স্লোগোন ও করতালিতে গোটা স্টেডিয়াম এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা যায়। বাঁশি ঢোল নিয়ে পুরো ৯০ মিনিট উদ্বেলিত থাকে দর্শকরা।

ম্যাচ শুরু হতে তখনও আধা ঘণ্টা বাকী। তার আগেই সামাজিক দূরত্ব মেনে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দর্শকদের ভিড়। গায়ে প্রিয় দলের জার্সি। পুরোটা সময় দর্শকদের উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ম্যাচ।

শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বসুন্ধরা কিংস-ব্রাদার্স ইউনিয়ন ম্যাচকে সামনে রেখে দর্শকে ভরে ওঠে কুমিল্লার ময়দান।

ব্রাজিলিয়ান রবসন রবিনিয়োর ম্যাজিকে ১-০ গোলে জয় পায় কিংস। লাতিন ছন্দে মেতে ওঠেন দর্শকরা।

তাদের মুহূর্মুহূ স্লোগান ও করতালিতে গোটা স্টেডিয়াম এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা যায়। বাঁশি ঢোল নিয়ে পুরো ৯০ মিনিট উদ্বেলিত থাকেন তারা।

কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসেন রাকিবুল হাসান। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

খেলা শেষে রাকিবুল হাসান বলেন, 'খেলার জন্য চমৎকার আয়োজন করা হয়েছে। কুমিল্লা স্টেডিয়ামে বসে বসুন্ধরা কিংস বনাম ব্রাদার্স এর খেলা দেখতে পারব কখনই কল্পনা করি নাই।'

খেলা দেখতে জেলার দাউদকান্দি উপজেলা থেকে এসেছেন আবু কাউছার। স্টেয়িাম থেকে দাউদকান্দির দূরত্ব প্রায় ৩৫ কি: মি।

তিনি বলেন, 'নিজ জেলার স্টেডিয়ামে বসে জাতীয় ক্লাবের খেলা দেখবো না তা কী করে হয়।'

আবু কাউছার জানান, ফুটবলের প্রতি তার ভীষণ টান। আবু কাউছার রড সিমেন্টের ব্যবসা করেন। তবে সুযোগ পেলেই ঢাকায় গিয়ে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখেন। তবে নিজ জেলায় এমন আয়োজন হওয়ায় গত পরশু থেকে আজকে পর্যন্ত কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া তিনটি খেলাই তিনি দেখেছেন।

মেসির ভক্ত আবু কাউছার টিভিতে রাত জেগে ক্লাব ফুটবল বার্সোলোনার খেলা দেখেন।

ফুটপাতে কাপড় বিক্রি করেন মোঃ কবির হোসেন। নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায় তার দোকান। তবে শনিবার দুপুরে দোকানে পলিথিন টানিয়ে চলে আসেন। তার পাশের দোকানীকে বলেন ঘণ্টা দেড়েক পরে আসবেন। বেলা আড়াইটার আগে স্টেডিয়ামে চলে আসেন। পুরো খেলাটি দেখেন।

কবির হোসেন বলেন, তিনি নিজেও ভালো ফুটবল খেলতেন। এখন বয়স হয়েছে। এছাড়াও সংসারের অন্ন সংস্থান করতে হয়। টিভিতে খেলা দেখেন নিয়মিত। তবে কখনোও স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখা হয় নি।

তবে আজ শনিবার সুযোগ পেয়ে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে চলে আসেন। বসুন্ধরা কিংস-বনাম ব্রাদার্স ইউনিয়নের খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেয়েছেন। কবির হোসেন জয়-পরাজয় নিয়ে কথা বলেননি। স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার সুযোগ পেয়েছেন এটাই তার কাছে খুব ভালো লেগেছে।

স্টেডিয়ামটি এবার হোম ভেন্যু হিসেবে নিয়েছে বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান। আজকের খেলাটি উদ্বোধনী করেন সদর আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারশেন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

এ সময় জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি আরফানুল হক রিফাত, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুর আহসান ফারুক রোমেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ইউভেন্তাসের উচিত হয়নি রোনালডোকে নেয়া ’

‘ইউভেন্তাসের উচিত হয়নি রোনালডোকে নেয়া ’

কাসানোর সমালোচনা এসেছে শনিবার রাতে ভেরোনার বিপক্ষে ইউভেন্তাস পয়েন্ট খোয়ানোর পর। ভেরোনার মাঠে ১-১ গোলে ড্র করে চ্যাম্পিয়নরা।

তিন বছর আগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো যখন মাদ্রিদ থেকে তুরিনে পা দেন তখন তার উদ্দেশ্য একটাই; ইউভেন্তাসের হয়ে ইউরোপ সেরা টুর্নামেন্ট ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা। টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা ‘মিস্টার চ্যাম্পিয়নস লিগ’ রোনালডোকে রিয়াল মাদ্রিদ থেক ১০ কোটি ইউরো দিয়ে দলে টানার পেছনে সেটাই ছিল ইতালিয়ান জায়ান্টদের স্বপ্ন।

তবে, এত অর্থ খরচ করে পর্তুগিজ মহাতারকাকে দলে টানা উচিত হয়নি ইউভের এমনটা মন্তব্য সাবেক ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড আন্তোনিও কাসানোর।

‘ইউভেন্তাস তাকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার জন্য সই করিয়েছিল। তাকে নিয়ে তারা আরও খারাপ করেছে। ওকে ছাড়াই ইউভে সেরি আ জিততো। প্রজেক্টটাই ভুল ছিল’

কাসানোর কথায় যুক্তি অবশ্য আছে। রোনালডো আসার আগে টানা সাতবার ইতালিয়ান লিগের চ্যাম্পিয়ন ছিল ইউভেন্তাস। তাকে নিয়ে লিগ জিতেছে দুইবার। তবে মূল লক্ষ্য চ্যাম্পিয়নস লিগ এখনও অধরাই তাদের। ক্রীড়া বিষয়ক ইতালিয়ান দৈনিক কোরিয়ের দেল্লো স্পোর্তকে কাসানো বলেন, রোনালডো যেখানেই যাবেন গোল করবেন কিন্তু খেলার অন্যান্য অনুষঙ্গে তার অংশগ্রহণ কম।

‘যত কিছুই হোক সে গোল করবেই। কারণ, সে জানে কীভাবে গোল করতে হয়। ও সাধারণত বক্সের বাঁ দিক থেকে ঢুকে ডান পায়ে শট নেয়। তার হেডারগুলো অসাধারণ। কিন্তু কোচ পিরলো যখন খেলা বিল্ড আপ করতে চায় বা প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায় তখন ক্রিস্টিয়ানোকে খুব একটা কাজে লাগানো যায় না।’

কাসানোর সমালোচনা এসেছে শনিবার রাতে ভেরোনার বিপক্ষে ইউভেন্তাস পয়েন্ট খোয়ানোর পর। ভেরোনার মাঠে ১-১ গোলে ড্র করে চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ৪৯ মিনিটে রোনালডোর গোলে লিড নেয়ার আধঘণ্টার মধ্যে আন্তোনিন বারাক সমতা এনে দেন ঘরের দলকে। ফলে, এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ইউভেন্তাসকে।

ড্রয়ের ফলে শীর্ষে থাকা ইন্টারনাৎসিওনালের চেয়ে সাত পয়েন্ট পিছিয়ে আছে ইউভে। ২৩ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে টেবিলের তিনে। সমান ম্যাচে ইন্টারের ঝুলিতে ৫৩ পয়েন্ট। আর দুইয়ে থাকা এসি মিলান সংগ্রহ করেছে ৪৯।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

মেসিতে ভর করে সেভিয়ার মাঠে বার্সার জয়

মেসিতে ভর করে সেভিয়ার মাঠে বার্সার জয়

উদযাপনে বার্সেলোনা। ছবি: এফসি বার্সেলোনা

অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও উসমান ডেম্বেলের গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে ঘরে ফিরছে বার্সেলোনা। এই জয় দিয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে উঠে এসেছে রোনাল্ড ক্যুমানের শিষ্যরা।

আড়াই সপ্তাহ আগে সেভিয়ার মাঠে এসে কোপা দেল রে এর ম্যাচে ২-০ গোলের হার মানতে হয় বার্সেলোনাকে। ঠিক ১৭ দিন পর লা লিগার ম্যাচের জন্য সেভিয়ার মাঠে কাতালানরা ফেরে শনিবার। এবার অবশ্য ভুল করেনি তারা।

অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও উসমান ডেম্বেলের গোলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে ঘরে ফিরছে বার্সেলোনা। এই জয় দিয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে উঠে এসেছে রোনাল্ড কুমানের শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই সেভিয়াকে চাপে রাখে বার্সেলোনা। প্রথম ২৫ মিনিটে হয়নি উল্লেখযোগ্য কিছু।

২৯তম মিনিটে গিয়ে মাঝমাঠে বল পেয়ে দারুণ এক পাসে ডেম্বেলেকে খুঁজে নেন মেসি। সেভিয়া গোলকিপার বোনোর পায়ের মাঝখান দিয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি এই ফরাসি উইঙ্গার।

ডেম্বেলের এই গোলে লা লিগায় পাঁচ ম্যাচ পরে প্রথম গোল হজম করে সেভিয়া।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও বেশ কিছু সুযোগ পায় বার্সা। কিন্তু সার্জিনিয়ো ডেস্টের শট ফিরে আসে বারে লেগে। এরপর ডেম্বেলের পাস থেকে মেসি বল মারেন বারের বেশ ওপর দিয়ে।

চাপ বাড়াতে থাকে সেভিয়াও। লিগ জয়ের দৌড়ে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয় ছাড়া কোনো উপায় ছিল না দুই দলেরই। তার উপর সপ্তাহখানেক আগেই কাদিসের সঙ্গে সুযোগ নষ্ট করে পয়েন্ট হারানো বার্সেলোনার মনে ভয় ছিল পয়েন্ট খোয়ানোর।

সেটি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করেন মেসি। ১৮ বছর বয়সী ইলাইশ মরিবার পাস থেকে বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি এই আর্জেন্টাইন। তার গোলেই নিশ্চিত হয় বার্সার জয়।

এটি ছিল মেসির লিগে ১৯তম গোল। লা লিগার গোলদাতাদের তালিকার শীর্ষে আছেন বার্সা অধিনায়ক।

সব ভালোর ম্যাচেও বিপদের শঙ্কায় বার্সেলোনা। চোট পেয়ে ৭১ মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় পেদ্রিকে। আর চোট থেকে ফেরা রোনাল্ড আরাউহো খেলতে পারেন মাত্র ১৩ মিনিট। আবারও চোটে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

এই জয়ে ২৫ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগা পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। দুই ম্যাচ কম খেলে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

এক ম্যাচ কম খেলে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আছে তিন নম্বরে। ২৪ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে আছে সেভিয়া।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

চার মৌসুমে আট কোচ সাইফের

চার মৌসুমে আট কোচ সাইফের

চলতি লিগে সাইফের ডাগ আউটে পল পুট। ছবি: সাইফ স্পোর্টিং

২০১৬ সালে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের শিরোপা ঘরে তুলে প্রিমিয়ার লিগে উঠে সাইফ। ২০১৭ সাল থেকে চলতি লিগ পর্যন্ত মোট আট কোচ সাইফের ডাগ আউটে দাঁড়ান। সবশেষ ক্লাব ইতিহাসের সবচেয়ে সফল কোচ পল পুটকে বিদায় বলেছে সাইফ।

ক্লাব ইতিহাসের সবচেয়ে সফল কোচ পল পুটকে বিদায় বলেছে প্রিমিয়ার লিগের দল সাইফ। লিগে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে এই বেলজিয়ান কোচকে সমঝোতায় অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পুটের চলে যাওয়ায় সাইফের ডাগ আউট থেকে বিদায় নেয়া কোচের তালিকাটা বড় হলো আরেকবার।

চার মৌসুমে আট কোচকে বদলিয়েছে সাইফের ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

২০১৬ সালে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের শিরোপা ঘরে তুলে প্রিমিয়ার লিগে ওঠে সাইফ। ২০১৭ সাল থেকে চলতি লিগ পর্যন্ত মোট আট কোচ সাইফের ডাগ আউটে দাঁড়ান।

প্রিমিয়ার লিগের প্রথম মৌসুমে সার্বিয়ান নিকোলা কারায়োভিচকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয় সাইফ।

নিকোলার অধীনে ১৪ ম্যাচে ছয়টিতে জেতে সাইফ। কোনো ম্যাচ না হেরে আটটিতে ড্র করে দল। ৪২ শতাংশ সফলতার হার এই সার্বিয়ানের। এরপর ব্রিটিশ কোচ ক্রিম গ্রান্ডের অধীনে ১৩ ম্যাচে ছয়টিতে জেতে দল। সঙ্গে যোগ হয় পাঁচটি ড্র ও দুই হার। সফলতার হার ৪৬ শতাংশ।

এই ব্রিটিশ কোচের বিদায়ের পর একই দেশের কোচ রায়ান নর্থমোরেকে দায়িত্ব দেয় সাইফ। রায়ানের অধীনে ১৫ ম্যাচে পাঁচটিতে জয় ছয়টিতে ড্র ও চার ম্যাচে হারে সাইফ। সফলতার হার ৩৩ শতাংশ।

তিন মাসেই তিনি বিদায় নিলে তার জায়গায় দায়িত্ব পান ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট হল। মাত্র ২ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে বিদায় নেন তিনি। দুটিতেই জয় পান। এরপরে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের জোনাথন ম্যাকেন্সট্রিকে দায়িত্ব দেয় সাইফ।

ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার অধীনে মোট ২৭টি ম্যাচ খেলে সাইফ। ১৫ জয়ের পাশাপাশি পাঁচ ম্যাচে ড্র ও সাতটিতে হারের স্বাদ পান এই কোচ। সফলতার হার ৫৫ শতাংশ।

তার বিদায়ের পর মোহাম্মেদ মিজামকে কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়। মাত্র তিন ম্যাচেই শেষ হয় তার সাইফ ক্যারিয়ার। একটি জয়, এক ড্র ও এক হারে এই অধ্যায়ের সমাপ্তি হলে ক্রোয়েশিয়ান বর্ষিয়ান কোচ দ্রাগো মামিচকে নিয়োগ দেয় সাইফ। তার অধীনে ছয় ম্যাচে তিন জয়, দুই ড্র একটি হার পায় সাইফ। সফলতার হার ৫০ শতাংশ।

ডিফেন্ডার রিয়াদুল হাসান রাফিকে অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড পরিয়ে দিচ্ছেন পল পুট

মামিচ অধ্যায়ের সমাপ্তির পর গত বছরের অক্টোবরে নিয়োগ দেয়া হয় বেলজিয়ান কোচ পল ‍পুটকে। তার অধীনে সবচেয়ে সফল সাইফ। ১৬ ম্যাচে দশটিতে জয়। একটি ড্র ও পাঁচ হারের পর তাকেও বিদায় বলা হয়।

অন্তত পাঁচ ম্যাচে ডাগ আউটে ছিলেন এমন কোচের তালিকায় সবচেয়ে সফল কোচ ছিলেন পল পুট। তার অধীনে ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবার ফেডারেশন কাপের ফাইনালে খেলে সাইফ। তার সফলতার হার হলো ৬২ শতাংশ।

তার অবর্তমানে দলের আপদকালীন প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু। আর দুই ম্যাচ পর শেষ হবে লিগের প্রথম পর্বের খেলা। এর পর দ্বিতীয় পর্বের আগে আরেকজন বিদেশি কোচ নিয়োগ দেয়ার কথা ভাবছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

সাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিরউদ্দীন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রথম লেগে আর দুই ম্যাচ রয়েছে। মধ্যবর্তী দলবদল শেষে দ্বিতীয় লেগ শুরু হতে সময় লাগবে। একটু ধীরে সুস্থেই কোচ খুঁজব।’

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ বাছাই অনিশ্চিত জীবনের

বিশ্বকাপ বাছাই অনিশ্চিত জীবনের

লিগে এক ম্যাচ খেলার পর চোটের কারণে মাঠের বাইরে নবীব নেওয়াজ জীবন। ছবি: সংগৃহিত

এই ইনজুরিতেই অনিশ্চয়তায় আরও চার মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে জীবনকে। ফলে সামনের মার্চ-জুনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে জাতীয় দলের হয়ে খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এই স্ট্রাইকারের।

গত বছর নভেম্বরে নেপালের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচে লিগামেন্টে চোট পান জাতীয় দলের স্ট্রাইকার নবীব নেওয়াজ জীবন। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ক্লাবের হয়ে ফেডারেশন কাপ খেললেও লিগে এক ম্যাচের বেশি মাঠে নামতে পারেননি ঢাকা আবাহনীর এই ফরোয়ার্ড।

পুরনো সেই ইনজুরিতে কাবু জীবন মাঠের বাইরে গত দেড় মাস মাস ধরে। চোট সারাতে অস্ত্রোপচারের দরকার হলে চার মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে যেতে হবে তাকে।

ফলে সামনের মার্চ ও জুনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে খেলা অনিশ্চিত এই স্ট্রাইকারের।

লিগে প্রথম ম্যাচে চোট পাওয়ার পর হাসপাতালে এমআরআই করান জীবন। দুই রকমের ফল আসায় ভারতে চিকিৎসা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ভারতের কলকাতায় এমআরআইয়ের ফলের উপর সিদ্ধান্ত নেবেন এই স্ট্রাইকার। অস্ত্রোপচার করাতে হলে সারতে সময় লাগবে চার মাস।

জীবন বলেন, ‘দুইবার এমআরআই করিয়েছি। দুইবারই ভিন্ন ফল এসেছে। এখন আগামী মাসে কলকাতায় যাবো। সেখানে পরীক্ষার পর যদি মনে হয় এসিএল সার্জারি করতে হবে। তাহলে করে ফেলবো।’

সেক্ষেত্রে প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় পর্ব ও বিশ্বকাপ বাছাই খেলতে পারছেন না জীবন। অস্ত্রোপচার করতে না হলে পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে মাঠে ফিরবেন তিনি। বলেন, ‘তবে অস্ত্রোপচার না করতে হলে তখন হয়তো মাঠে ফেরার সুযোগ থাকবে।’

জীবনকে ছাড়াই রোববার বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে মাঠে নামবে ঢাকা আবাহনী।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

মোহামেডানের বিরুদ্ধে বাফুফেকে চিঠি দেবে চট্টগ্রাম আবাহনী

মোহামেডানের বিরুদ্ধে বাফুফেকে চিঠি দেবে চট্টগ্রাম আবাহনী

উত্তেজনায় ভরপুট ম্যাচটা ড্রয়ে শেষ হয়।

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়েছে। ম্যাচের ফল ছাপিয়ে খেলার শিরোনাম হয় ডাগআউটে ধস্তাধস্তি নিয়ে লাল কার্ডের ঘটনা ও গ্যালারিতে দর্শককে লাঞ্ছনার ঘটনা।

প্রিমিয়ার লিগে ঘটনাবহুল ম্যাচ দেখলেন ফুটবল সমর্থকরা। আশির দশকে এমনটা হতো। সবুজ ঘাসের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ত গ্যালারি পর্যন্ত। মাঠ, ডাগআউট ও গ্যালারি জন্ম দিত শত শত আলোচনার।

তেমনই একটা ম্যাচ বলা যেতে চট্টগ্রাম আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ। শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।

ম্যাচের ফল ছাপিয়ে খেলার শিরোনাম হয় ডাগআউটে ধস্তাধস্তি নিয়ে লাল কার্ডের ঘটনা ও গ্যালারিতে দর্শককে লাঞ্ছনার ঘটনা।

দুই রাকিবের গোলে ৫৪ মিনিটের মধ্যে ম্যাচের ফল দাঁড়ায় ১-১ সমতায়। ঘটনার সূত্রপাত তার পরপরই।

৬২ মিনিটে থ্রো পায় মোহামেডান। আতিকুজ্জামান থ্রো করার প্রস্তুতি নিলে তার সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান আবাহনীর রাকিব। বলটা তার গায়ে লাগলে ডাগআউটে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এই ঘটনাকে সামনে রেখে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের কর্মকর্তারা। শেষ পর্যন্ত লাল কার্ড দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে হয় রেফারিকে। চট্টগ্রাম আবাহনীর টিম ম্যানেজার আরমান আজিজ ও মোহামেডানের টিম লিডার আবু হাসান চৌধুরী প্রিন্স লাল কার্ড দেখে ডাগআউট ত্যাগ করেন।

এ নিয়ে বাফুফে অভিযোগ করবেন বলে নিউজবাংলাকে জানালেন আবাহনীর ম্যনেজার আরমান আজিজ, ‘রাকিবের গায়ে ইচ্ছা করেই মারা হয়। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকে ধাক্কা দেন প্রিন্স ভাই। এভাবে ধাক্কা দেয়ার কোনো অর্থ হয় না। এর বিরুদ্ধে আমি চিঠি দিব বাফুফেতে।’

মোহামেডানের ম্যানেজার প্রিন্স বলেন, ‘আরমান আমাদের ডাগআউটে এসে কোচ শন লেনকে গালিগালাজ করতে থাকলে আমি ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিই। ধস্তাধস্তির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। সরিয়ে দেয়ার জন্যই ধাক্কা দিতে হয়। একটু জোরেই অবশ্য ধাক্কা হয়ে গিয়েছিল। তবে ইনটেনশন অন্য কিছু ছিল না।

‘আমি কোনো চিঠি দিব না। মাঠের মধ্যে এমন হতেই পারে। এটা মাঠের মধ্যেই শেষ। মাঠের বাইরে নেয়ার কোনো কারণ দেখি না।’

লিগ তিন জয়ের পর ড্র করেছে মোহামেডান। ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে উঠে এসেছে মোহামেডান। ছবি: বাফুফে

প্রায় পাঁচ মিনিট ম্যাচ বন্ধ থাকে এই ঘটনায়। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে গ্যালারিতে ছড়িয়ে পড়ে আরেক উত্তেজনা।

গ্যালারিতে মোহামেডানের পতাকা ছেঁড়ার ঘটনায় এক দর্শককে লাঞ্ছনা করে সাদা-কালো সমর্থকরা। ওই দর্শককে মারতে মারতে গ্যালারির নিচে আনা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ এসে সেই দর্শককে উদ্ধার করে।

ডাগআউট-গ্যালারির উত্তেজনার মতো মাঠেও উত্তাপ ছড়িয়েছে। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে উত্তেজনায় ভরপুর ম্যাচটা উপভোগ্য ছিল। শেষ পর্যন্ত ১-১ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

এ ড্রয়ে ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে উঠে এসেছে মোহামেডান। এক ম্যাচ বেশি খেলে একই পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে চট্টগ্রাম আবাহনী।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

‘মেসি একাই সব করতে পারবে না’

‘মেসি একাই সব করতে পারবে না’

অনুশীলনে মেসি। ছবি: এফসি বার্সেলোনা

২০২১ সালে মেসি করেছেন ১৩ গোল, যা এই বছরের সর্বোচ্চ। লা লিগায় সব মিলিয়ে ১৮ গোল এই আর্জেন্টাইনের, যা লিগে সর্বোচ্চ।

রোনাল্ড কুমানের অধীনে এই মৌসুমে শুরুটা ভালো হয়নি বার্সেলোনার। তবে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কাতালানরা। লা লিগায় টানা ১৪ ম্যাচ অপরাজিত ব্লুগ্রানা।

এই ঘুরে দাঁড়ানোয় দারুণ ভূমিকা রেখেছেন তাদের অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ২০২১ সালে মেসি করেছেন ১৩ গোল। যা এই বছরের সর্বোচ্চ। লা লিগায় সব মিলিয়ে ১৮ গোল এই আর্জেন্টাইনের। যা লিগে সবার চেয়ে বেশি।

লা লিগায় শনিবার সেভিয়ার মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। ম্যাচের আগে সংবাদমাধ্যমকে কুমান বলেন, শুধু মেসি নয় দায়িত্ব নিতে হবে বাকিদেরও।

‘অভিজ্ঞ খেলোয়াড়েরা সবকিছু করতে পারবেন না। মেসি একাই ১৭-১৮ গোল করেছে। যা বাকি সবার গোলের সমান। দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে’, বলেন ক্যুমান।

মেসি বাদে বার্সেলোনা দলের বাকি সবাই গোল পেতে সমস্যায় ভুগছেন। আঁতোয়ান গ্রিজমান এই মৌসুমে লা লিগায় গোল করেছেন মাত্র ছয়টি। সুযোগ নষ্ট করেছেন ১০টি।

লিগে বার্সেলোনার তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আনসু ফাতি। যিনি চোটের কারণে নভেম্বরের পরে খেলতে পারেননি।

পয়েন্ট টেবিলে বার্সেলোনা ও সেভিয়া আছে ৩ ও ৪ নম্বরে। আপাতত দুই পয়েন্টে এগিয়ে থাকলেও বার্সেলোনা সেভিয়ার চেয়ে ম্যাচ খেলেছে একটি বেশি। এই ম্যাচে জয় ছাড়া কোনো উপায় নেই বার্সেলোনার।

সেভিয়ার বিপক্ষেই কোপা দেল রে এর প্রথম লেগে ২-০ গোলে হেরেছে বার্সেলোনা। দ্বিতীয় লেগ হবে বুধবার।

দুটি ম্যাচেই জয় প্রয়োজন সেটা জানেন কুমান। তিনি বলেন, ‘সেভিয়ার সঙ্গে দুটি ম্যাচ ভিন্ন। শনিবার খেলব লা লিগার ম্যাচ। বুধবার কোপা দেল রের। আমাদেরকে দুটি ম্যাচই জিততে হবে। লিগে জয়ের ধারা বজায় রাখার আশা রাখছি।’

সেভিয়ার সঙ্গে লিগের প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে ১-১ ব্যবধানে ড্র করে বার্সেলোনা। দ্বিতীয় ম্যাচটি সেভিয়ার মাঠ রামন সানচেস পিহুয়ানে। সেই ম্যাচের আগে বার্সার জন্য সুখবর তরুণ সেন্টার ব্যাক রোনাল্ড আরাউহোর ফিরে আসা।

এই মৌসুমে বার্সেলোনার সেরা ডিফেন্ডার এই উরুগুইয়ান। তার অবর্তমানে সেভিয়ার বিপক্ষে কোপা দেল রে ও পিএসজির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ হেরেছে বার্সেলোনা।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

ইউরোপায় ইব্রা ডার্বি

ইউরোপায় ইব্রা ডার্বি

ইউনাইটেডে স্লাতান, মিলানে স্লাতান। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার ইউরোপা লিগের শেষ ১৬ এর ড্রয়ে নিশ্চিত হয়, মিলানের মুখোমুখি হচ্ছে ইউনাইটেড। প্রথম লেগ হবে ইউনাইটেডের ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে, দ্বিতীয়টি মিলানের সান সিরোতে।

স্লাতান ইব্রাহিমোভিচ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলেছেন দেড় মৌসুম। জোসে মরিনিয়োর অধীনে সেবার এই সুইডিশ স্ট্রাইকার জিতেছিলেন ইউরোপা লিগের শিরোপা।

এরপর এলএ গ্যালাক্সি ঘুরে যোগ দিয়েছেন এসি মিলানে। এবার মিলানের হয়ে ইব্রাকে মুখোমুখি হতে হচ্ছে পুরনো ক্লাব ইউনাইটেডের।

শুক্রবার ইউরোপা লিগের শেষ ১৬ এর ড্রয়ে নিশ্চিত হয়, মিলানের মুখোমুখি হচ্ছে ইউনাইটেড। প্রথম লেগ হবে ইউনাইটেডের ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। দ্বিতীয়টি মিলানের সান সিরোতে।

ইউনাইটেডকে ইউরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ইব্রা। ১১ ম্যাচে করেছিলেন পাঁচ গোল ও তিন অ্যাসিস্ট। চলতি মৌসুমে মিলানকে লিগে দ্বিতীয় স্থানে নিয়ে গেলেও ইউরোপা লিগে এখনও নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি এই সুইডিশ। চার ম্যাচ খেলে কোনো গোল পাননি, অ্যাসিস্ট করেছেন মাত্র একটি।

এর আগে ইউরোপা লিগে কখনও মুখোমুখি না হলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে সব মিলিয়ে দশ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। এর মধ্যে পাঁচটি করে জয় পেয়েছে দুই দলই।

শেষবার দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ২০১০ সালে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ১৬ এ। সেবার দুই লেগেই জয় পেয়েছিল ইউনাইটেড। মিলানের জালে তারা বল জড়িয়েছিল সাত বার। অন্যদিকে মিলান গোল করতে পেরেছিল মাত্র দুই বার।

ইউরোপা লিগের শেষ ১৬ এ আর্সেনাল মুখোমুখি হবে গ্রিম ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের। যাদের কাছে হেরে গত মৌসুমে শেষ ৩২ থেকে বাদ পড়েছিল গানার্স।

আরেক ইংলিশ দল টটেনহ্যাম হটস্পার্সের প্রতিপক্ষ ক্রোয়াট ক্লাব ডিনামো জাগরেব।

ডাচ ক্লাব আয়াক্স মুখোমুখি হবে সুইস ক্লাব ইয়াং বয়েজের। রোমার প্রতিপক্ষ শাখতার দোনেৎস্ক। স্টিভেন জেরার্ডের কোচিংয়ে থাকা রেঞ্জার্সের প্রতিপক্ষ আগের রাউন্ডে লেস্টার সিটিকে বিদায় করা চেক ক্লাব স্লাভিয়া প্রাগ।

এছাড়া ভিয়ারিয়াল মুখোমুখি হবে ডিনামো কিয়েভের। গ্রানাদার প্রতিপক্ষ মোল্ডে।

ইউরোপা লিগের শেষ ১৬ এর খেলাগুলো শুরু হবে ১১ মার্চ। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবে মিলান ও ইউনাইটেড।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের ১০ দিন পর নদীতে শিশুর মরদেহ
পারিবারিক বিরোধের জেরে মক্তবে আগুন
বিএনপি থেকে এসে আওয়ামী লীগের পদে
চান্দিনায় নৌকার সহজ বিজয়
চান্দিনায় আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg