এল ক্লাসিকোতে থাকছেন রামোস

এল ক্লাসিকোতে থাকছেন রামোস

মেডিকেল পরীক্ষার পর মাদ্রিদ নিশ্চিত করেছে রামোসের বড় কোনো ইনজুরি নেই।

শনিবারের এল ক্লাসিকো দিয়ে মাঠে ফিরছেন সার্হিও রামোস। হাঁটুর চোট কাটিয়ে এখন পুরো সুস্থ রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়ক। দলের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগে বুধবার শাখতার দনেৎস্কের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। চিরপ্রতীদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার বিপক্ষে এই সেন্টার ব্যাককে ম্যাচ ফিট অবস্থায় পাচ্ছে রিয়াল।

গেল শনিবার লা লিগায় নবাগত কাদিসের বিপক্ষে লা লিগায় ১-০ গোলের হারের ম্যাচে বিরতির পর বেঞ্চে চলে যান রামোস। বাম হাঁটুতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় পুরো সময় তাকে হাঁটুতে বরফ লাগাতে দেখা গেছে। মেডিকেল পরীক্ষার পর মাদ্রিদ নিশ্চিত করেছে রামোসের বড় কোনো ইনজুরি নেই।

রামোস সুস্থ হয়ে ফিরলেও, ক্লাসিকোতে রিয়াল পাচ্ছে না মার্টিন ওডেগার্ডকে। কাফ মাসলের সমস্যায় তিন সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেছেন এই নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফুটবল ক্যাম্পে করোনা, ইব্রাহিম আক্রান্ত

ফুটবল ক্যাম্পে করোনা,  ইব্রাহিম আক্রান্ত

ছবি: সংগৃহীত

১৬ মে ক্যাম্পে যোগ দিয়ে বিকেলে করোনা টেস্ট করান জাতীয় দলের ফুটবলাররা। দুইদিন পর মঙ্গলবার টেস্টের ফল আসে। ৩১ জনের ফল নেগেটিভ আসে। শুধু ইব্রাহিমের পজিটিভ ধরা পড়ে।

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব সামনে রেখে চলমান বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবলের ক্যাম্পে করোনাভাইরাস হানা দিয়েছে। জাতীয় দলের উইঙ্গার মোহাম্মদ ইব্রাহিম করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন।

১৬ মে ক্যাম্পে যোগ দিয়ে বিকেলে করোনা টেস্ট করান জাতীয় দলের ফুটবলাররা। দুইদিন পর মঙ্গলবার টেস্টের ফল আসে। ৩১ জনের ফল নেগেটিভ আসে। শুধু ইব্রাহিমের পজিটিভ ধরা পড়ে।

এই দুই দিন দলের সঙ্গে অনুশীলন, সুইমিং, টিম মিটিংসহ সবই করেছেন ইব্রাহিম। তার সংস্পর্শে এসেছেন সবাই। আজকেও দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন ইব্রাহিম। এ নিয়ে জাতীয় দলের অনুশীলন চলমান রাখা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ফল আসার পরপরই কিংসের এই ফরোয়ার্ডকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ইব্রাহিমসহ তার রুমমেট সোহেল রানার দ্বিতীয় করোনা টেস্ট করানো হবে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার ইকবাল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পে থাকা ৩২ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে কেবল ইব্রাহিমের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ওর সঙ্গে থাকা সোহেল রানারও নমুনা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।’

২২ তারিখ করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে কাতারে যাওয়ার কথা বাংলাদেশ দলের। কাতারের মাটিতে ৩ জুন বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ খেলবে আফগানিস্তানের সঙ্গে। ৭ জুন ভারতের সঙ্গে ও টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ ম্যাচে ১৫ জুন বাংলাদেশ লড়বে ওমানের বিপক্ষে।

শেয়ার করুন

ভিশন বাস্তবায়নে বাজেট খুঁজছেন সালাউদ্দিন

ভিশন বাস্তবায়নে বাজেট খুঁজছেন সালাউদ্দিন

ক্লাবদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি কাজী সালাউদ্দিন। ছবি: বাফুফে

এবার দেশের ফুটবল উন্নয়নে একটা ভিশন প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন টানা চতুর্থবারের সভাপতি। তবে তা কার্যকরে একটা বাজেট খুঁজছেন তিনি।

গত তিন মেয়াদে এমন সিরিয়াস হতে দেখা যায়নি বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনকে। গত ১২ বছরের সমালোচনাকে সঙ্গী করে চতুর্থ মেয়াদে এখন নিয়মিত সংবাদমাধ্যমের কাছে জবাবদিহি করেন। পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কিছু ক্ষেত্রে আশ্বাসের দেয়া দায়িত্ব পালন করেছেন।

এবার দেশের ফুটবল উন্নয়নে একটা ভিশন প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন টানা চতুর্থবারের সভাপতি। তবে তা কার্যকরে একটা বাজেট খুঁজছেন তিনি।

বাফুফে ভবনে সাংবাদিকদের ভিশন ও বাজেট নিয়ে নিজের মত ব্যক্ত করতে গিয়ে কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘আপনার যদি ফুটবল ডেভেলপ করতে হয় আপনার দুটো প্রধান জিনিস দরকার। প্রথমত ভিশন। একটা পূর্ণাঙ্গ ভিশন। আপনারা কী চান ও কীভাবে করবেন?

‘এই ভিশনটাকে বাস্তবায়ন করতে গেলে বাজেট দরকার। বাজেট ছাড়া ভিশন অর্থহীন। টাকাটাও অর্থহীন ভিশন ছাড়া। এটা ভিশন ও অর্থের একটি সমন্বয়।’

বাজেট পেলে ভিশন পূরণে মাঠে ‍পুরোদুস্তর লেগে পড়বেন বলে জানান তিনি। বলেন, ‘এখন আমরা টাকা খুঁজছি। যখন টাকা থাকবে তখন আমরা জানব দেশে কিছু একটা হবে। নাহলে এভাবেই ফুটবল চলবে। এভাবেই ফুটবল শেষ হয়ে যাবে।’

দেশের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই পরিকল্পনা নিয়ে বসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সালাউদ্দিন।

ভিশন বাস্তবায়নে বাজেট খুঁজছেন সালাউদ্দিন
তিন ক্লাবের সঙ্গে বৈঠক করছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন

বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি ঠিক হলে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাবনা দিব আমাদের ভিশন নিয়ে। ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের সঙ্গে বসব। যদি সেগুলো অনুমোদন পায় তাহলে আশা করি ফুটবলের ভবিষ্যত ভালো হবে। যদি না হয় তাহলে জানি না কী হবে।’

প্রিমিয়ার লিগের বিরতি চলছে। এর মাঝে দেশের ফুটবল উন্নয়নে ক্লাবগুলোর কর্মকর্তা ও কোচদের পরামর্শ শুনতে তিন ক্লাবকে ফেডারেশনে ডাকেন বাফুফে প্রধান। তিন ক্লাব হলো ঢাকা আবাহনী, বসুন্ধরা কিংস ও শেখ রাসেল। ধারাবাহিকভাবে আরও তিন ক্লাবের সঙ্গে বসার পরিকল্পনা আছে তার।

কী আলোচনা হয়েছে ক্লাবের কোচ-কর্মকর্তাদের সঙ্গে জানতে চাইলে ব্যাখ্যা করেন সালাউদ্দিন।

বলেন, ‘দুই শ থেকে আড়াই শ ফুটবলার খেলে প্রিমিয়ার লিগে। কোচরা কার্যক্রম দেখে তাদের। খেলা দেখে। যেটা হচ্ছে সেটা কি ঠিক হচ্ছে নাকি কোনো বদল দরকার।নিজে বিষয়টা বোঝার জন্য ডেকেছি।’

তাদের কাছে কী জানতে চেয়েছেন প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ‘জানতে চেয়েছিলাম, খেলোয়ড়দের কন্ডিশন কী রকম? এই জাতীয় দল নির্বাচনটা তারা কী মনে করে? আপনাদের যদি দেয়া হতো তাহলে তারা কী সিলেক্ট করতেন। যারা কোচ প্যানেল আছে তারা ভুল করেছে কি রাইট করেছে সেটা জানা আমার বিষয় নয়। আমি বুঝতে চাই যেটা হচ্ছে ঠিক হচ্ছে কি না।’

ভিশন বাস্তবায়নে বাজেট খুঁজছেন সালাউদ্দিন
নিজেদের মত ব্যক্ত করছেন ক্লাবের কর্মকর্তা-কোচরা

ক্লাবদের চোখে লিগের অবস্থান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতেই এমন উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আর তিন-চারটি ক্লাবের সঙ্গে বসব। টপ সিক্স ক্লাবকে ডাকব। যেখান থেকে জাতীয় দলের প্লেয়ারগুলো চান্স পায়। তারপরে আমি সিদ্ধান্তে আসব যে কী পরিস্থিতি।’

গত ১২ বছরের সমালোচনা ঘারে নিয়ে সম্প্রতি দেশের ফুটবল উন্নয়নে বেশ তৎপর দেখা যাচ্ছে বর্তমান নির্বাহী কমিটিকে। বিষয়টি যেন নিজের মুখেই একটি ইংরেজি প্রবাদের মধ্য দিয়ে জানালেন সালাউদ্দিন, ‘ইংরেজিতে একটা কথা আছে না? ডেসপারেট টাইম নিডস ডেসপারেট মেজার্স।’

শেয়ার করুন

চোট পাওয়া রানার জায়গায় দলে লিটন

চোট পাওয়া রানার জায়গায় দলে লিটন

ছবির বামে রাসেল মাহমুদ লিটন, ডানে আশরাফুল রানা। ছবি: সংগৃহীত

রানার বদলে ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন প্রিমিয়ার লিগের দল রহমতগঞ্জের অধিনায়ক গোলকিপার রাসেল মাহমুদ লিটন। প্রায় পাঁচ বছর পর ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন এই গোলকিপার।

ইনজুরিতে জুনের বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ প্রিলিমিনারি রাউন্ডে খেলা হচ্ছে না জাতীয় দলের নিয়মিত গোলকিপার আশরাফুল রানার। ক্যাম্প থেকেই বিদায় নিতে হচ্ছে তাকে। তার বদলে দলে ডাকা হয়েছে রহমতগঞ্জের অধিনায়ক ও গোলকিপার রাসেল মাহমুদ লিটনকে।

মঙ্গলবার বিকেলে এক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

আশরাফুল রানা সোশ্যাল মিডিয়ায় তার অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘ইনজুরিতে পড়ে থাকা হচ্ছে না। ইনজুরির রিপোর্ট জাতীয় দলের ক্যাম্পে জানানো হয়েছে। কোচ, চিকিৎসক বিশ্রাম নিতে বলেছেন। ক্যাম্প ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে। আমার জন্য দোয়া করবেন।’

রানার বদলে ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন প্রিমিয়ার লিগের দল রহমতগঞ্জের রাসেল মাহমুদ লিটন। প্রায় পাঁচ বছর পর ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন এই গোলকিপার।

লিটন ২০১৩–১৪ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের দল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের হয়ে খেলার মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ লিগে নিজের খেলোয়াড়ি জীবন শুরু করেন। এক মৌসুম পর শেখ রাসেলে যোগ দেন। এখানেও এক মৌসুম অতিবাহিত করে ঢাকা মোহামেডানে যোগ দেন। পরে মোহামেডান ছেড়ে চট্টগ্রাম আবাহনীতে যোগ দেন।

২০১৯–২০ মৌসুমে তিনি চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে রহমতগঞ্জে যান। গত দুই মৌসুম এই ক্লাবেই খেলেছেন।

মুক্তিযোদ্ধায় খেলার সময়ই জাতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ দলে ডাক পান লিটন। ওই বছর বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ক্রুইফের দলে অভিষেক হয় তার। জাতীয় দলে সবমিলিয়ে ছয় ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে ২৬ বছর বয়সী এই গোলকিপারের।

শেয়ার করুন

দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল

দলের কাছে গোল চান অধিনায়ক জামাল

দ্বিতীয় দিনের অনুশীলন শেষে জামাল ভূঁইয়া। ছবি: বাফুফে

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সবমিলে বাংলাদেশ গোলের দেখা পেয়েছে মাত্র দুটি। একটি ভারতের মাটিতে। আরেকটি ওমানের বিপক্ষে। পাঁচ ম্যাচে গোল হজম করেছে ১৩টি। গোল করার ক্ষমতা নিয়ে বারবার প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে জাতীয় দলের ফরোয়ার্ডরা। দুটি গোল এসেছে উইঙ্গার ও মিডফিল্ডার থেকে।

সামনে কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ বাছাই। তিনটি ম্যাচ সামনে রেখে মাঠের অনুশীলনে নেমেছেন জাতীয় ফুটবলাররা। দলের চাওয়া অন্তত দুই ম্যাচে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়বে বাংলাদেশ। এই প্রত্যাশা পূরণে দলের কাছ থেকে গোল চান অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।

দ্বিতীয় দিনের অনুশীলন শেষে মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে এমনটাই জানালেন তিনি।

জামাল বলেন, ‘জিততে হলে গোল করতে হবে। গোল না করলে আমরা পয়েন্ট পাব না।’

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সবমিলে বাংলাদেশ গোলের দেখা পেয়েছে মাত্র দুটি। একটি ভারতের মাটিতে। আরেকটি ওমানের বিপক্ষে। পাঁচ ম্যাচে গোল হজম করেছে ১৩টি।

গোল করার ক্ষমতা নিয়ে বারবার প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে জাতীয় দলের ফরোয়ার্ডরা। দুটি গোল এসেছে উইঙ্গার ও মিডফিল্ডার থেকে।

ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে চান অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। অতীতের ভুল শুধরে এবার দলের কাছে গোলের প্রত্যাশা করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের সবার কাছ থেকে শতভাগ চান তিনি।

এবার কোনো ছাড় দিতে নারাজ তিনি। বলেন, ‘একজন ফিফটি পার্সেন্ট দিলে তো হবে না। সবাইকে হান্ড্রেড পার্সেন্ট দিতে হবে। ভারতের বিপক্ষে তো এমনিতেই উৎসাহ আসবে। সবাই ভারতের সঙ্গে ভালো পারফর্ম করেছে। ওদের সঙ্গে ইতিহাস আছে। তাই ওদের সঙ্গে সবাই জিততে চাই।’

কাতারের মাটিতে ৩ জুন বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ খেলবে আফগানিস্তানের সঙ্গে। ৭ জুন ভারতের সঙ্গে ও টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ ম্যাচে ১৫ জুন বাংলাদেশ লড়বে ওমানের বিপক্ষে।

শেয়ার করুন

কোপা আয়োজন নিয়ে শঙ্কা নেই, জানাল আর্জেন্টিনা

কোপা আয়োজন নিয়ে শঙ্কা নেই, জানাল আর্জেন্টিনা

করোনায় দেশটিতে ৭০ হাজারেরও বেশী মানুষের মৃত্যু হলেও কোপা আমেরিকায় তার কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে না বলেই বিশ্বাস করেন দেশটির রাষ্ট্রপতি আলবার্তো ফার্নান্দেস।

করোনা মহামারির মধ্যেও কোপা আমেরিকা আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আর্জেন্টিনা। এমন দাবি করেছেন দক্ষিণ আমেরিকান দেশটির রাষ্ট্রপতি আলবার্তো ফার্নান্দেস। করোনায় দেশটিতে ৭০ হাজারেরও বেশী মানুষের মৃত্যু হলেও কোপা আমেরিকায় তার কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে না বলেই বিশ্বাস করেন তিনি।

পুরো দক্ষিণ আমেরিকায় করোনা মহামারি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। কলম্বিয়ার সাথে যৌথভাবে আয়োজিত এবারের আসর ১৩ জুন থেকে মাঠে গড়াচ্ছে। এক বিবৃতিতে স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে ফার্নান্দেস বলেন, ‘পুরো পরিস্থিতি মাথায় রেখে আমরা
ইতিমধ্যেই সকলের সঙ্গে আলোচনা করে কোপা আমেরিকা চালিয়ে নেবার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এবারের কোপা আমেরিকা হচ্ছে টেলিভিশন দর্শকদের জন্য। সরকারের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও নিরাপত্তার প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেই এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হচ্ছে। বাকিটা টুর্নামেন্ট শুরু হলে বোঝা যাবে। একই সঙ্গে কলম্বিয়ায় কী হয় সেটা দেখাটাও জরুরী।’

মহামারি শুরু হবার পর এই মুহূর্তে আর্জেন্টিনা সবচেয়ে বাজে সময় অতিবাহিত করছে। চলতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ ছাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৭০ হাজার ৫৫২ জনের।

ফার্নান্দেস বলেন, ‘কনমেবলের সঙ্গে একমত হয়েই আমরা কোপা আমেরিকা অনুষ্ঠানে সম্মত হয়েছি। বিশেষ কিছু বিধিনিষেধের মধ্যেই আমরা এটা আয়োজন করব।’

দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন-কনমেবল এরই মধ্যেই কোপা আমেরিকায় অংশগ্রহণকারী ফুটবলারদেরকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে। এজন্য তারা চীনা কোম্পানি সিনোভাককে ৫০ হাজার ভ্যাকসিন উপহারের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছে।

আর্জেন্টিনার ম্যাচগুলো করদোবা, সান্তিয়াগো দেল এসতেরো, মেনদোসা ও বুয়েনোস আইরেসে হবে। কলম্বিয়ার ম্যাচগুলো হবে বারানকিয়া, মেদেয়িন, কালি ও বোগোতাতে।

১৩ জুন বুয়েনোস আইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও চিলি। কলম্বিয়ার বারানকিয়া মেট্রোপলিটান স্টেডিয়ামে ১০ জুলাই ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন

প্রথম ভার্চুয়াল ফুটবলার কিয়ান প্রিন্স

প্রথম ভার্চুয়াল ফুটবলার কিয়ান প্রিন্স

কিয়ান মারা যাওয়ার ১৫ বছর পর, তার উদ্দেশে বিশেষ এক শ্রদ্ধা জানাল কিউপিআর। বিখ্যাত ফুটবল ভিডিও গেইম ইএ স্পোর্টস ফিফার সবশেষ সংস্করণ ফিফা টোয়েন্টি ওয়ানে কিয়ানকে তারা অন্তর্ভুক্ত করেছে ভার্চুয়াল একজন ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে।

লন্ডনের বারনেট এলাকায় বেড়ে ওঠা কিশোর কিয়ান প্রিন্সের স্বপ্ন ছিল ফুটবলার হওয়ার। সেই লক্ষ্যে ২০০৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে তার এলাকার অন্যতম বিখ্যাত ক্লাব কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের (কিউপিআর) অ্যাকাডেমিতে যোগ দিয়ে অনুশীলন করাও শুরু করে সে পুরোদমে।

অ্যাকাডেমি দলের হয়ে খেলে ফেলে বেশ কয়েকটি ম্যাচ। তার প্রতিভায় মুগ্ধ ক্লাব ম্যানেজমেন্টের আশা ছিল খুব শিগগির সে সিনিয়র দলের হয়ে খেলতে পারবে। তবে কিয়ানের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন চিরতরে শেষ হয়ে যায় ২০০৬ সালের ১৮ মে।

সেদিন লন্ডনের এজওয়ারে তার স্কুলের সামনে বাকবিতণ্ডার সময় ছুরিকাঘাতে নিহত হয় কিয়ান প্রিন্স। পুরো ইংল্যান্ডে সাড়া ফেলে এই হত্যাকান্ড। তার বাবা গঠন করেন কিয়ান প্রিন্স ফাউন্ডেশন। যারা ছুরিকাঘাত জনিত হামলার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে। নতুন আইন করে ছুরি বহন করার ন্যুনতম বয়স ১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৮ করা হয় ওই বছর।

কিয়ানের স্মৃতিতে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স তাদের স্টেডিয়ামের নাম বদলে রাখে কিয়ান প্রিন্স ফাউন্ডেশন স্টেডিয়াম। ক্লাবের পক্ষে বর্ষসেরা গোলের জন্য প্রবর্তন করে ‘কিয়ান প্রিন্স গোল অফ দ্য সিজন’ পুরষ্কার।

কিয়ান মারা যাওয়ার ১৫ বছর পর, তার উদ্দেশে বিশেষ এক শ্রদ্ধা জানাল কিউপিআর। বিখ্যাত ফুটবল ভিডিও গেইম ইএ স্পোর্টস ফিফার সবশেষ সংস্করণ ফিফা টোয়েন্টি ওয়ানে কিয়ানকে তারা অন্তর্ভুক্ত করেছে ভার্চুয়াল একজন ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে।

কিউপিআরের আশা সিনিয়র দলের খেলার যে স্বপ্ন পূরণ হয়নি কিয়ানের সেটা ভার্চুয়াল কিয়ান পূরণ করবে। গেমাররা চাইলে কিয়ানকে নিজেদের দলে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। কিয়ানের ৩০ বছর বয়সী অবতারকে দেখা যাবে গেইমটিতে।

অত্যাধুনিক ডিপ ফেইক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ও বৈজ্ঞানিকদের সহায়তায় সৃষ্টি করা হয়েছে কিয়ানের ৩০ বছর বয়সী চরিত্রটিকে।কিয়ানের মৃত্যুর দিনে অর্থাৎ ১৮ মে গেইমটির নির্মাতা ইলেকট্রনিক আর্টস মুক্তি দেয় নতুন চরিত্রটির ফার্স্ট লুক।

কিয়ানের বাবা মার্ক প্রিন্স বিশেষ এই উপলক্ষে আশা করছেন নতুন এই ভিডিও গেইম চরিত্রটি অন্য সব কিশোরদের নিজের স্বপ্ন পূরণে ভবিষ্যতে ভরসা দেবে।

শেয়ার করুন

টটেনহ্যাম ছাড়তে চান কেইন

টটেনহ্যাম ছাড়তে চান কেইন

টটেনহ্যামের হয়ে ১২ মৌসুমে ৩৩৪ ম্যাচে ২২০ গোল করেছেন কেইন। এই ১২ বছরে কোনো বড় ট্রফি জেতেনি স্পার্স। ২০০৮ সালে লিগ কাপ শিরোপাই তাদের জেতা সর্বশেষ টুর্নামেন্ট।

১২ বছর পর টটেনহ্যাম হটস্পার ছাড়তে চান হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক এরই মধ্যে ক্লাবকে তার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্কাই স্পোর্টস।

স্পার্সের হয়ে ১২ বছর খেললেও বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেননি কেইন। চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলেছেন নিয়মিত। কিন্তু চলতি মৌসুমে স্পার্সের বাজে ফর্মের কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সেটিও।

টটেনহ্যাম হটস্পার এই মৌসুমে আছে টেবিলের ছয় নম্বরে। চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলতে হলে তাদের লিগের শেষ দুই ম্যাচ জিতলেই হবে না। আশায় থাকতে হবে প্রতিপক্ষের পয়েন্ট খোয়ানোর।

দলীয় শিরোপা জিততে চান কেইন। যার কারণে এমন সিদ্ধান্ত। নিজের লক্ষ্যটাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

‘ব্যক্তিগত পুরষ্কার পাওয়াটা দারুণ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। ক্যারিয়ার শেষে যখন আমি ফিরে তাকাব তখন হয়তো আমি আরেকটু বেশি চাইব। এই মুহূর্তে আমার লক্ষ্য হচ্ছে দলীয় শিরোপা জেতা।’

এই কারণেই ইংলিশ এই স্ট্রাইকার ক্লাবকে জানিয়েছেন ২০২০ ইউরো শুরুর আগেই তিনি তার ভাগ্য নির্ধারণ করতে চান। ২০২০ সালের ইউরো কোভিড মহামারির কারণে এক বছর পিছিয়ে যাওয়ার পর, এই বছরের ১১ জুন শুরু হচ্ছে।

টটেনহ্যামের সঙ্গে কেইনের চুক্তি শেষ হতে এখনও তিন বছর বাকি। যে কারণে এই মৌসুমে ক্লাব ছাড়াটা মুশকিল হতে পারে ২৭ বছর বয়সী এই তারকার।

কেইনকে দলে টানার মতো ক্লাবের অভাব নেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে। গত কয়েক মৌসুম যাবৎ ইংল্যান্ডের সেরা স্ট্রাইকারকে দলে ভেড়াতে মরিয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কেইনকে পেতে তারা যেকোনো মূল্য পরিশোধ করতে রাজি।

কেইনকে নেয়ার তালিকায় আরও আছে ম্যানচেস্টার সিটি ও চেলসি। সিটির ইতিহাসের সেরা গোলদাতা ও এক দশকের মূল স্ট্রাইকার সার্হিও আগুয়েরো মৌসুমে শেষে ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন। ফলে, নাম্বার নাইন পজিশনে নতুন কাউকে চাই সিটিজেনদের।

চেলসিরও রয়েছে একজন পূর্ণাঙ্গ নাম্বার নাইনের অভাব। তাই কেইনের ঘোষণার পর তাকে নিয়ে ত্রিমুখী লড়াই শুরু হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।

ইংল্যান্ডের বাইরে কেইনের দিকে তাকিয়ে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রান্সের প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। কারিম বেনজেমার উত্তরসূরি খুঁজছে রিয়াল মাদ্রিদ। আর পিএসজির দায়িত্বে আছেন সাবে টটেনহ্যাম ম্যানেজার মরিসিও পচেত্তিনো। যার সঙ্গে কেইনের সম্পর্কটা দারুণ।

টটেনহ্যামের হয়ে ১২ মৌসুমে ৩৩৪ ম্যাচে ২২০ গোল করেছেন কেইন। এই ১২ বছরে কোনো বড় ট্রফি জেতেনি স্পার্স। ২০০৮ সালে লিগ কাপ শিরোপাই তাদের জেতা সর্বশেষ টুর্নামেন্ট।

এই মৌসুমে বাজে পারফরম্যান্সের পর ক্লাবটি বরখাস্ত করে ম্যানেজার জোসে মরিনিওকে। তারপর দায়িত্ব নেন কেয়ারটেকার ম্যানেজার রায়ান মেসন। সব মিলিয়ে ক্লাব খুব একটা স্থিতিশীল অবস্থায় নেই। যার কারণে ক্লাব ছাড়তে চাচ্ছেন কেইন।

শেয়ার করুন