20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
১৯ ডিসেম্বর শুরু ফুটবলের নতুন মৌসুম

১৯ ডিসেম্বর শুরু ফুটবলের নতুন মৌসুম

১৯ ডিসেম্বর ফেডারেশন কাপ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে ফুটবল। ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে দলবল চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। করোনাভাইরাসের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের জন্য ঢাকার আশেপাশে ছয়টি ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে।

অবশেষে শুরু হচ্ছে নতুন ফুটবল মৌসুম। ১৯ ডিসেম্বর ফেডারেশন কাপ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে ফুটবল। ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে দলবল চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। করোনাভাইরাসের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের জন্য ঢাকার আশেপাশে ছয়টি ভেন্যু ঠিক করা হয়েছে। মাঠ পর্যবেক্ষণ করে ভেন্যু চূড়ান্ত করা হবে।

ফুটবলারদের বকেয়া বেতন আর সামনের মৌসুমের পারিশ্রমিক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও জানিয়ে দিয়েছে পেশাদার লিগ কমিটি। বাতিল মৌসুমের পুরো বকেয়ার পাশাপাশি নতুন মৌসুমের জন্য চুক্তির ৩৫ শতাংশ পারিশ্রমিক পাবেন ফুটবলাররা।

বসুন্ধরা কিংস

বৃহস্পতিবার বাফুফে ভবনে পেশাদার লিগ কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত এসেছে। এসময় ১৩ ক্লাবের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের আগে থেকে ফুটবলারদের পারিশ্রমিক নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কের মীমাংসা টানতে বসেছিল পেশাদার লিগ কমিটি। ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনায় গত মঙ্গলবার বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন আশ্বস্ত করেছিলেন, নতুন মৌসুমে ৪০ শতাংশ পারিশ্রমিক পাবেন ফুটবলাররা।

পেশাদার লিগ কমিটির সভায় ৫ শতাংশ কমিয়ে ৩৫ শতাংশ পারিশ্রমিক নির্ধারণ করেছে ফেডারেশন। নির্বাচনের আগে কমিটির শেষ বৈঠকে ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বকেয়া বেতন ও নতুন মৌসুমের পারিশ্রমিক বিষয়ে পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফুটবলাররা সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আমরা বাস্তবসম্মতভাবে সবকিছু বিবেচনা করে প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে ২৫ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করেছি। বাতিল লিগের যত বকেয়া ছিল তা পুরো দিয়ে নতুন মৌসুমে চুক্তির ৩৫ শতাংশ দিতে হবে ক্লাবদের। তারা সবাই এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছে।’

৪০ শতাংশ পারিশ্রমিক দিতে চেয়েছিলেন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। লিগ কমিটির নেওয়া সিদ্ধান্ত সভাপতির পরামর্শের বিপক্ষে গেল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘অন্তত ৩৫ শতাংশ চূড়ান্ত করেছি। ক্লাব চাইলে বেশিও দিতে পারে।’

আব্দুস সালাম মুর্শেদী

বৈঠকে বিদেশি খেলোয়াড় নিয়েও সিদ্ধান্ত এসেছে। চারজন বিদেশি খেলতে পারবেন যে কোন দলে। একজন এশিয়ান কোটায়।

ঢাকার আশেপাশে মোট ছয়টি ভেন্যু প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের জন্য বিবেচনায় আনা হয়েছে। এতে বাদ পড়েছে নীলফামারি স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও ময়মনসিংহের জেলা স্টেডিয়াম।

এই প্রসঙ্গে আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘খেলতে গেলে সবচেয়ে বেশি দরকার মাঠ। আমরা মনে করছি করোনায় হতাহত কম। তবে সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়েছে ওয়েস্টার্নে। সবকিছু বিবেচনায় রেখে আমরা আলোচনা করে গাজীপুর, কুমিল্লা, আর্মি স্টেডিয়াম, নরসিংদী, বিকেএসপি, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ঠিক করেছি। রাতে থাকতে হবে এমন কোনো ভেন্যুতে যাব না।’

যেসব ফুটবলারকে ক্লাবগুলো রাখতে চায় না তাদের একটি তালিকা ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ফেডারেশনের কাছে জমা দিতে হবে। তালিকার ফুটবলারদের সঙ্গে যদি নতুন কোনো ক্লাব চুক্তি না করে তাহলে পুরনো ক্লাবে ফেরত যেতে হবে তাদের।

শেয়ার করুন

মন্তব্য