20201002104319.jpg
শুরুতেই তৃণমূলে হাত দিচ্ছে বাফুফে

শুরুতেই তৃণমূলে হাত দিচ্ছে বাফুফে

নির্বাচন যেতে না যেতেই দেশের ফুটবল উন্নয়নে উদ্যোগী হচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

প্রথম দিনই জেলা ফুটবলের উন্নয়নে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

গেল বছরগুলোতে প্রাদপ্রদীপের বাইরে থাকা জেলা ও তৃণমূল ফুটবলে নজর বাড়াচ্ছে ফেডারেশন। জেলা ও বিভাগকে বিভক্ত করে নবনির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে। নতুন ও পুরাতন প্রার্থীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘আমরা যারা আছি, সবাই যদি জেলা ও বিভাগগুলোকে ভাগ ভাগ করে দায়িত্ব নিই তাহলে তদারকি ভালো হবে। তাই আমিসহ সহসভাপতি যারা আছেন তাদের প্রত্যেককে দুটো করে বিভাগ দেয়া হলে বিভাগের আওতায় সকল জেলার লিগ আয়োজন পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেয়াসহ তাদেরকে খেলায় সম্পৃক্ত করা যাবে সহজেই। এজন্য বাফুফের নতুন ও পুরাতন কর্মকর্তা একযোগে কাজ করতে করার পরিকল্পনা নিচ্ছি।’

এবার বাফুফে নির্বাচনে নির্বাহী কমিটিতে ২১টি পদের মধ্যে ৯ জন প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছেন। সহসভাপতি দুই জন ও সদস্যপদে সাতজন। নতুনরাও তৃণমূল ফুটবলকে ছড়িয়ে দিতে এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কাজ করতে চান।

দীর্ঘদিন ধরে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করা সাবেক ফুটবলার আমের খান এবার তৃণমূলে ফুটবলকে ছড়িয়ে দিতে চান।

তিনি বলেন, ‘আমি এতদিন ক্লাবে কাজ করেছি, এখন ফেডারেশনে করতে হবে। সব পর্যায়ের খেলা নিয়মিত করতে হবে। ভালো খেলোয়াড়ের ঘাটতি আছে। আরও বেশি খেলোয়াড় যাতে বের হয়ে আসে, সেই চেষ্টা করতে হবে। এখানে জেলা ও ক্লাবের প্রতিনিধিরা আছেন। সবার সমন্বয়ে কাজ করতে পারলে ফুটবলে উন্নয়ন সম্ভব।’

পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ এমএফএস থেকে এবার সদস্যপদে নির্বাচিত হয়েছেন ইমতিয়াজ হামিদ সবুজ।

জেলার পাশাপাশি ডিভিশন ফুটবলে তদারকি করতে চান তিনি। বলেন, ‘জেলা পর্যায়ের লিগ যেন নিয়মিত হয়, পাশাপাশি ঢাকার নিচের লিগগুলোর খেলা যেন নিয়মিত হয়, সেই অনুরোধও পেয়েছিলাম। এখন এদিকে জোর দিতে হবে। এছাড়া জাতীয় দলের উন্নয়নেও আগের মতো কাজ করতে চাই।’

তৃতীয় বিভাগের ক্লাব টঙ্গী ক্রীড়া চক্রের কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম নুরু। তিনি আগের নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। এবার কাজী সালাউদ্দিনের প্যানেলে সদস্য পদে নির্বাচন করে জয়ী হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আগেরবার সভাপতি পদে মনোনয়ন কেনার বিষয়টি ভিন্ন। প্রকৃত অর্থে এবারই প্রথম নির্বাচন করেছি। প্রথম নির্বাচনেই সফল হওয়ায় সবার কাছে কৃতজ্ঞ। আমি তৃণমূল ক্লাবের সংগঠক। চেষ্টা করব তৃণমূল ক্লাব নিয়ে কাজ করতে।’

শেয়ার করুন