20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
স্পার্সের কাছে বিধ্বস্ত ইউনাইটেড

স্পার্সের কাছে বিধ্বস্ত ইউনাইটেড

৬-১ গোলে হেরেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এটি সবচেয়ে বড় পরাজয়। ২০১১ সালে তারা ম্যানচেস্টার সিটির কাছে একই ব্যবধানে হেরেছিল।

নিজেদের মাঠে টটেনহ্যাম হটস্পারের কাছে ৬-১ গোলে হেরেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। স্পার্সের হয়ে জোড়া গোল করেছেন হন-মিন সন এবং হ্যারি কেইন। একটি করে গোল এসেছে টাঙ্গুই এনডোম্বেলে এবং সার্জ অরিয়েরের পা থেকে।

ইউনাইটেডের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে, খেলা শুরুর মাত্র ২৮ সেকেন্ড পর পেনাল্টি পায় ঘরের দল। নিজেদের বক্সে অ্যান্থনি মার্সিয়ালকে ফাউল করেন টটেনহ্যাম ডিফেন্ডার ডেভিনসন সানচেস। স্পট কিক থেকে দলকে এগিয়ে দেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। পুরো ম্যাচে ম্যান ইউর উদযাপনের মুহূর্ত ছিল ঐটুকুই।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

বাকি সময়ের পুরোটাতেই ছিল টটেনহ্যামের প্রাধান্য। পিছিয়ে পড়ার ছয় মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে তারা।

চার মিনিটে এরিক লামেলার অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন এনডোম্বেলে। মিনিট দুয়েক বাদেই সফরকারীদের লিড এনে দেন সন। কেইনের নেওয়া দ্রুত ফ্রি কিক থেকে পাওয়া বলে শট নিয়ে ইউনাইটেড গোলকিপার দাভিদ দে হিয়াকে পরাস্ত করেন এই দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড।

স্বাগতিকদের অবস্থা আরও বেগতিক হয় ২৮ মিনিটে। মার্সিয়াল ইচ্ছাকৃত ভাবে লামেলাকে চোয়ালে আঘাত করলে, তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ফলে, বাকি ৬০ মিনিটেরও বেশি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের।

প্রতিপক্ষের ১০ জনে পরিণত হওয়ার ফায়দা পুরোপুরি ভাবে নেয় মরিনিয়োর দল। বেসামাল হয়ে পড়া ইউনাইটেডকে আবারও পিছিয়ে দেন কেইন। ৩০ মিনিটে এরিক বেইলির ভুলে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে যান তিনি। সনের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ানের পর ম্যাচে নিজের প্রথম গোল পেয়ে যান এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।

বিরতির আগে আরও এক গোল পায় টটেনহ্যাম। এবারও ইউনাইটেড ডিফেন্সের ভুলে, বক্সে বল পেয়ে যান সন। সেখান থেকে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করতে তিনি ভুল করেননি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে একসাথে নেমানিয়া মাতিচ ও ফার্নান্দেসকে বদল করে ফ্রেড ও স্কট ম্যাকটমিনেকে নামান ইউনাইটেড ম্যানেজার ওলে গানার সোলস্কায়ার। মাঝমাঠে এই পরিবর্তন কাজে লাগেনি স্বাগতিকদের।

উলটো পাঁচ নম্বর গোল হজম করে বসে তারা ৫১ মিনিটে। পিয়েরে-এমিল হইবার্গের পাস থেকে স্কোরশিটে নাম ওঠান অরিয়ের।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ছয় নম্বর গোলের লজ্জা উপহার দেন কেইন। ৭৮ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে নিঁখুত শটে স্কোরলাইন ৬-১ করেন তিনি।

প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এটি সবচেয়ে বড় পরাজয়। ২০১১ সালে তারা ম্যানচেস্টার সিটির কাছে একই ব্যবধানে হেরেছিল।

দুই মৌসুম আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ম্যানেজারের চাকরি হারিয়েছিলেন জোসে মরিনিয়ো। নিজের পুরনো দলের বিপক্ষে এই রেকর্ড নিশ্চিত ভাবেই স্বস্তি দিবে তাকে।

চার ম্যাচ শেষে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে আছে টটেনহ্যাম। তিন ম্যাচে তিন পয়েন্ট পাওয়া ইউনাইটেড আছে ১৬ নম্বরে। চার ম্যাচে অপরাজিত থাকা এভারটন ১২ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে।

শেয়ার করুন