20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
বাফুফের নেতৃত্বে সালাউদ্দিনই

বাফুফের নেতৃত্বে সালাউদ্দিনই

নির্বাচনে মোট ১৩৯ ভোটের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৯৪ ভোট। তার প্রতিপক্ষ শফিকুল ইসলাম মানিক পেয়েছেন মাত্র ১ ভোট। নির্বাচনে ‌‘না থেকেও থাকা’ বাদল রায় পেয়েছেন ৪০ ভোট।

টানা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি নির্বাচিত হলেন কাজী সালাউদ্দিন।

নির্বাচনে মোট ১৩৯ ভোটের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৯৪ ভোট। তার প্রতিপক্ষ শফিকুল ইসলাম মানিক পেয়েছেন মাত্র ১ ভোট। নির্বাচনে ‌‘না থেকেও থাকা’ বাদল রায় পেয়েছেন ৪০ ভোট।

নির্বাচনে সিনিয়র সহসভাপতি পদেও জয় পেয়েছে কাজী সালাউদ্দিনের প্যানেল। ৯০ ভোট পেয়ে টানা চতুর্থবারেরর মতো দেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে জয় পেয়েছেন আব্দুস সালাম মুর্শেদী।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ মোহাম্মদ আসলাম পেয়েছেন ৪৫ ভোট।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শনিবার দুপুর ২টা থেকে টানা চার ঘণ্টা ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় গণনা। চার বছরেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল সেখানে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ১৩৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দেননি চারজন।

ভোটের আগে সকালে হয় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)।


বাফুফে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করছেন নির্বাচন কমিশন।

সভাপতিসহ ২১ পদের বিপরীতে এবার নির্বাচন করছেন ৪৭ জন। নির্বাচনে দুটি প্যানেল ছিল। একটি কাজী সালাউদ্দিন-মুর্শেদী সম্মিলিত ফুটবল পরিষদ, অন্যটি শেখ আসলাম-মহি সমন্বিত প্যানেল পরিষদ।

স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন পদে লড়েছেন মোট ৮ জন। স্বতন্ত্রভাবে সভাপতি পদে দাঁড়িয়েছিলেন শফিকুল ইসলাম মানিক ও বাদল রায়। বাদল রায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়ালেও তার নাম ঠিকই ছিল ব্যালট পেপারে।

নির্বাচনের আগের রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আচমকা আবার নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দেন তিনি। আর মানিক শুরু থেকেই ছিলেন বিরোধী শিবিরে। তবে কেউই টলাতে পারেননি কিংবদন্তি ফুটবলার সালাউদ্দিনকে।

চার বছর পর গত মার্চে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও করোনাসহ নানা কারণে শনিবার ৩ অক্টোবর হয় এই ভোট।

ভোটকেন্দ্রে অনুপস্থিত থাকা চারজন হলেন চট্টগ্রাম আবাহনীর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তরফদার রহুল আমিন, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের পরিচালক মাকসুদুর রহমান, শেখ জামাল ক্লাবের সভাপতি সাফওয়ান সোবহান ও ফরিদপুর জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার।

চার সহসভাপতি পদেও আধিপত্য সম্মিলিত ফুটবল পরিষদের।

পরিষদের চার প্রার্থীর মধ্যে তিন প্রার্থীই সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে প্রথমবারেই বাজিমাত করেছেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান (৮৯)। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট (৮১) পেয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা আবাহনীর ডিরেক্টর ইন চার্জ কাজী নাবিল আহমেদ।

প্রথমবারেই বাজিমাত করেছেন আরেক সংগঠক তমা গ্রুপের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক (৭৫ ভোট)।

চার সহসভাপতি পদের বাকি এক পদের জন্য দুজনের মধ্যে ভোটের সমতা রয়েছে। স্বতন্ত্রভাবে সহসভাপতি পদে দাঁড়ানো তাবিথ আউয়াল ও সমন্বিত পরিষদের মহিউদ্দীন মহি দুজনই পেয়েছেন ৬৫ ভোট ।

মীমাংসা টানতে এই পদে কাউন্সিলররা পুনরায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চলতি মাসের ৩১ অক্টোবর ফেডারেশনের ভবনে এই ভোটপর্ব আয়োজন করা হবে।

নিউজবাংলা/জাহা/আজা

শেয়ার করুন