20201002104319.jpg
কার হাতে বাফুফের নেতৃত্ব

কার হাতে বাফুফের নেতৃত্ব

চার বছর পর গত মার্চে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও করোনাসহ নানা কারণে ৩ অক্টোবর হচ্ছে এই ভোট। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী চার বছরে কারা বাফুফের নেতৃত্বে থাকবেন তা নির্ধারিত হতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আলোচিত নির্বাচন ও বার্ষিক সাধারণ সভা আজ। সকালে এজিএম আর দুপুরে শুরু ভোট। সভাপতিসহ ২১ পদে লড়ছেন ৪৭ জন। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নিয়েছে কমিশন।

চার বছর পর গত মার্চে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও করোনাসহ নানা কারণে ৩ অক্টোবর হচ্ছে এই ভোট। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী চার বছরে কারা বাফুফের নেতৃত্বে থাকবেন তা নির্ধারিত হতে যাচ্ছে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সকাল ১১টায় শুরু এজিএম। দুপুর ২টায় শুরু হবে ভোট, চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

দেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার এজিএম গত চার বছরে হয়েছে মাত্র একবার। 

সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেজবাহ উদ্দীন। শুক্রবার মিট দ্য প্রেসে তিনি বলেন, ‘আমরা গতকাল ও আজ বাফুফে ভবন ও নির্বাচনের ভেন্যু সোনারগাঁও হোটেল পর্যবেক্ষণ করেছি। যেখানে প্রয়োজন পরামর্শ দিয়েছি।' 

ভোট ৬টায় শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, 'আশা করি কংগ্রেস যেভাবে হয় সেভাবেই হবে। পুরো সময়ে ডেলিগটরা নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন। ভোট দেবেন, ফলাফল দেখবেন।’

৪৭ জন প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করবেন ১৩৯ ভোটার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, করোনাভাইরাসের কথা বিবেচনা করে আটটি বুথে চলবে ভোট।

তিনি বলেন ‘কোভিড সংক্রান্ত বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। লাইন ধরার সময় আলাদা চিহ্ন থাকবে। থাকবে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাও। এই হচ্ছে আয়োজন।’

ভোট কেন্দ্রে নেয়া যাবে না মোবাইল ফোন। মেজবাহ বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে চাই, ভোটিং কংগ্রেস হলের ভেতর কর্তৃপক্ষ ছাড়া কারও কাছে কোনও মোবাইল ফোন থাকবে না।’ 

এবার নির্বাচনে দুটি প্যানেল অংশ নিচ্ছে। একদিকে কাজী সালাউদ্দিন-মুর্শেদীর নেতৃত্বে সম্মিলিত ফুটবল পরিষদ, অন্যদিকে সভাপতি পদ ছেড়ে প্যানেল ঘোষণা করেছে আসলাম-মহি সমন্বয় পরিষদ। স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন পদে লড়ছেন পাঁচজন। স্বতন্ত্রভাবে সভাপতি পদে দাঁড়িয়েছেন শফিকুল ইসলাম মানিক। 

ব্যালট পেপারে নাম থাকার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বাদল রায়। শুক্রবার রাতে আকস্মিকভাবে তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দেন তিনি। যদিও আসলাম-মহি সমন্বয় পরিষদ জানিয়েছে সভাপতি পদে তাদের পক্ষ থেকে কেউ লড়ছেন না।

কমিশনার হিসেবে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন মাহফুজুর রহমান সিদ্দিকী ও মোতাহার হোসেইন সাজু ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ।

নিউজবাংলা/জাহা/আজা

শেয়ার করুন