× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল
বাদামের উপকারিতা
google_news print-icon

বাদামের উপকারিতা

বাদামের-উপকারিতা
বাদাম হজম করতে গেলে শরীরকে বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়। ফলে অতিরিক্ত ক্যালরি খরচ হয়, শরীর ফিট থাকে।

বাদাম আমাদের সবারই প্রিয় খাবার। অবসরে অথবা কাজের ফাঁকে টুকটাক বাদাম চিবুতে কে না ভালোবাসে!

এটা শুধু খেতেই ভালো নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী।

বাদামে ফ্যাট থাকে, থাকে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার। তাই বাদাম খেলে বেশ কিছুক্ষণ পেট ভরে থাকে।

এ ছাড়া বেশির ভাগ বাদামে থাকে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। আখরোটে অবশ্য পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটও থাকে।

তবে ক্ষতিকর স্যাচুরেটেড ফ্যাট তেমন থাকে না। ডায়েটারি কোলেস্টেরলও বাদামে খুঁজে পাবেন না। অর্থাৎ যারা হাই কোলেস্টেরলের রোগী, তারাও ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে পর্যাপ্ত বাদাম খেতে পারবেন।

বাদামে আছে ভিটামিন ই, বি সিক্স, ফোলেট ও নানা মিনারেলস। এসব উপাদান ভালো রাখবে আপনার ত্বক আর চুলের স্বাস্থ্য। সেই সঙ্গে বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডান্ট আপনার ওজন কমানোর ব্যাপারেও সাহায্য করবে।

বাদাম হজম করতে গেলে শরীরকে বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়। ফলে অতিরিক্ত ক্যালরি খরচ হয়, শরীর ফিট থাকে।
তবে অতিরিক্ত বাদাম খেলে চলবে না। দিনে এক মুঠের বেশি বাদাম না খাওয়াই ভালো। ভাজা অথবা লবণ মেশানো বাদাম খেলে উপকারও হবে না।

বাদাম সব সময় একটা শুকনো কৌটার মধ্যে রাখতে হবে। সরাসরি সূর্যের আলো বা পানির সংস্পর্শে যেন তা না আসে। তেমনটা হলে ছত্রাকের আক্রমণ হতে পারে।
বাদামে যাদের অ্যালার্জি আছে, তারা এটা এড়িয়ে চলবেন।

আরও পড়ুন:
নিজেই বানান ফার্স্ট এইড বক্স
পেশিতে টান লাগলে যা করবেন
ঘরোয়া প্রোটিন প্যাক বানাবেন যেভাবে
ফেসবুক পেজ থেকে পণ্য কিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ ছাড়া মাংস সংরক্ষণের উপায়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল
Effect of rain and flood on Moulvibazar tourism

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব টানা বৃষ্টি ও সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির কারণে এবার মৌলভীবাজারের পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা। ছবি: নিউজবাংলা
কমলগঞ্জ অরণ্য নিবাস রিসোর্টের পরিচালক এহসান কবির সবুজ জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এমনিতেই পর্যটন অনেক কম। আমাদের রিসোর্টসহ বেশিরভাগ রিসোর্টে প্রায় ৫০ শতাংশের কম রুম বুকিং হয়েছে। তার ওপরে ঈদের দিন থেকে বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা রিসোর্ট থেকে বের হচ্ছেন না। রিসোর্টেই সময় কাটাচ্ছেন তারা।

‘চায়ের রাজধানী’ খ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে ঈদের দিন থেকে টানা বৃষ্টি ও নদ-নদীর পানি বেড়ে সৃষ্ট বন্যার কারণে গত কয়েকদিন ধরে চা বাগানসহ পর্যটন স্থানগুলো একপ্রকার ফাঁকাই রয়েছে। প্রতিবার ঈদে পর্যটক ও স্থানীয়দের ভিড় লেগে থাকে যেসব স্থানে, সেকানে এবারের চিত্র পুরোপুরি উল্টো

টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে প্রায় ফাঁকা হয়ে রয়েছে এসব দর্শনীয় স্থানগুলো। এমনিতেই এবার পর্যটক কম এসেছে। তার ওপরে সারা দিন বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা হোটেল রিসোর্ট থেকেও বের হতে পারছেন না।

সোমবার (ঈদের দিন) সকাল থেকে বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ রিপোর্ট লেখা অবধি টানা বৃষ্টি হচ্ছে চায়ের রাজ্যে।

এদিকে, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে সিলেটের বন্যার প্রভাব পড়েছে। আগাম বুকিং দেয়া অনেকেই সিলেটের বন্যার সঙ্গে শ্রীমঙ্গলকে মিলিয়ে সেসব বুকিং বাতিল করে দিচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গলের কোথাও বন্যা নেই বলে জানিয়েছেন পর্যটন-সংশ্লিষ্টরা। তবে কমলগঞ্জে বন্যা দেখা দিলেও হোটেল-রিসোর্টে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।

চারদিকে সবুজের সমারোহে সজ্জিত সারি সারি চা বাগানের নয়নাভিরাম দৃশ্য মুগ্ধ করে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের। চা বাগান ছাড়াও বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই), টি মিউজিয়াম, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, হাইল হাওর, মৎস্য অভয়াশ্রম বাইক্কা বিল, নীলকণ্ঠ সাত রঙের চা কেবিন, বধ্যভূমি ৭১, চা-কন্যা ভাস্কর্যসহ নানা স্থান ঘুরে দেখেন দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা। শহর থেকে একটু দূরে লাল পাহাড়, শঙ্কর টিলা, গরম টিলা, ভাড়াউড়া লেক, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী পল্লী, সুদৃশ্য জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ ও হরিণছড়া গলফ মাঠ ঘুরে আনন্দ উপভোগ করেন তারা।

এ ছাড়াও কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, পদ্মা লেক, পাত্রখলা লেক, ক্যামেলীয়া লেক, বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান, মনিপুরী পল্লী, খাসিয়া পল্লী পর্যটকদের আকর্ষণ করে। প্রকৃতির টানে তাই পর্যটকরা ছুটে আসেন চায়ের রাজ্যে। তবে এবার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গলে ঘুরতে এলেও এসব পর্যটন স্থানগুলোতে যেতে পারেননি বেশিরভাগ পর্যটকরা।

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে এসেছেন আকাশ জামান। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে, একবারও থামেনি। রিসোর্ট থেকেও বের হতে পারলাম না। রিসোর্টেই কাটতে হচ্ছে সময়। বৃষ্টি উপভোগ করলেও ভালো করে ঘুরতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবার নিয়ে চলে যাব। আবার ছুটি পেলে ঘুরতে আসব।’

শারমিন আনাম তান্নী নামের এক পর্যটক বলেন, ‘বুধবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে কমলগঞ্জে এসেছি। নিজস্ব গাড়ি থাকায় ঘুরতে বেরিয়েছিলাম, কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে গাড়ি থেকেই নামতে পারিনি। গাড়ি থেকে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখলাম। প্রায় দুই ঘণ্টার মতো গাড়ি নিয়ে ঘুরে আবার রিসোর্টের দিকে এখন যাচ্ছি। এমন বৃষ্টি জানলে আসতাম না। হোটেল দুই দিন বুকিং দিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবার সকালে চলে যাব।’

কমলগঞ্জ অরণ্য নিবাস রিসোর্টের পরিচালক এহসান কবির সবুজ জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এমনিতেই পর্যটন অনেক কম। আমাদের রিসোর্টসহ বেশিরভাগ রিসোর্টে প্রায় ৫০ শতাংশের কম রুম বুকিং হয়েছে। তার ওপরে ঈদের দিন থেকে বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা রিসোর্ট থেকে বের হচ্ছেন না। রিসোর্টেই সময় কাটাচ্ছেন তারা।

শ্রীমঙ্গল শহরের গ্রীনলিফ গেস্ট হাউজের মালিক এস কে দাশ সুমন বলেন, ‌‘দিন দিন পর্যটকরা দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ট্যুর কোম্পানিগুলো ঈদ কিংবা অন্যান্য ছুটির সময় ভারত, থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে যাওয়ার অফার দেয়। এখন বেশিরভাগ পর্যটকই বিদেশমুখি হয়ে যাচ্ছেন।

‘এবার ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমরা হোটেল রিসোর্ট মালিকরা খুব কম আগাম বুকিং পাচ্ছি। মুলত যারা শ্রীমঙ্গলে রাত্রিযাপন করেন, তাদের ৮০ ভাগই আগাম বুকিং দিয়ে আসেন।’

তিনি বলেন, ‘সিলেটে বৃষ্টির কারণে এবার বন্যা হচ্ছে। অনেক পর্যটক ধারণা করছেন, শ্রীমঙ্গলেও বন্যা, কিন্তু শ্রীমঙ্গলে কখনোই বন্যা হয় না। অনেকে সিলেটের সঙ্গে সেটা গুলিয়ে ফেলছেন। এখন শ্রীমঙ্গলের প্রকৃতি অপরূপ সাজে সজ্জিত। সবুজে ভরে আছে সবকিছু।’

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম আহমেদ বলেন, ‘সাধারণত ঈদের আগের দিন থেকে সপ্তাহব্যাপী পর্যটক শ্রীমঙ্গলসহ পুরো জেলায় ঘুরে বেড়ান। তাদের জন্য প্রতিটি হোটেল-রিসোর্টকে নতুন সাজে সজ্জিত করে রাখা হয়। পর্যটকদের জায়গা দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রতিবার। বেশিরভাগ হোটেল-রিসোর্ট হাউসফুল থাকে, কিন্তু এ বছর ঈদের আগের দিন থেকে আজ অবধি খুবই কম বুকিং হয়েছে। বৃষ্টির কারণে পর্যটকরা এখানে এসেও ঘুরতে পারছেন না। এ কারণে এবার পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’

মৌলভীবাজার সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আনিসুর রহমান বলেন, ‘পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ঈদের ছুটিতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিটি পর্যটন স্পটগুলোতে আমাদের পুলিশ ছিল। পর্যটকরা যেন ঈদের ছুটি কাটিয়ে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’

আরও পড়ুন:
ঈদে আগাম বুকিং কম শ্রীমঙ্গলে, বললেন রিসোর্ট মালিকরা
পর্যটক-শূন্যতায় রুমা ও থানচির হোটেল রিসোর্ট ফাঁকা
ঈদ উপলক্ষে চাঙা সিলেটের পর্যটন খাত
ভরা মৌসুমে পর্যটকখরা শেরপুরে

মন্তব্য

ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল
Make the perfect beef steak at home

ঘরে বানিয়ে ফেলুন ‘পারফেক্ট’ বিফ স্টেক

ঘরে বানিয়ে ফেলুন ‘পারফেক্ট’ বিফ স্টেক স্টেক অ্যান্ড ফ্রাইজ। ছবি: সংগৃহীত
রাইসা বলেন, মাংস যদি ভালো মতো সিয়ার হয় তাহলে মাংসের কাঁচা কোনো গন্ধ থাকবে না। কারণ মাংস যখন সিয়ার হচ্ছে তখন মাংসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড, সুগার আর হিটের মধ্যে এক ধরনের রিঅ্যাকশন হয়। ফলে মাংসের গন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তন হয়ে অনেক মজার স্বাদ ও ঘ্রাণ তৈরি করে।

স্টেক হলো মাংসের মোটা টুকরো করে কাটা অংশ। যা গ্রিল বা ভেজে খাওয়া হয়। স্টেক সাধারণত গরুর মাংসের হাড় ছাড়া কোমল অংশকে বোঝায়।

পারফেক্ট স্টেক তৈরির জন্য সবার আগে সঠিক মাংস নির্বাচন করা জরুরি। গরুর কোন অংশের মাংস নেয়া হচ্ছে তার ওপর স্টেকের স্বাদ নির্ভর করবে অনেকটা।

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও সায়েন্টিস্ট ড. রাইসা খান তারেক জানিয়েছেন কীভাবে বাসায় সহজেই পারফেক্ট বিফ স্টেক বানানো যায়।

তিনি বলেছেন, ‘স্টেক করার জন্য গরুর দেহের এমন অংশটি প্রয়োজন যেই অংশের মাংসপেশী খুব বেশি কাজ করে না। ওই অংশটা খুব সফট আর টেন্ডার হয়। অর্থাৎ গরুর পেছনের পায়ের ওপরের অংশ থেকে সামনের পায়ের ওপরের অংশ পর্যন্ত (মেরুদণ্ডের জায়গা) স্টেকের জন্য সবচেয়ে ভালো। এ অংশের মাংসপেশী একদমই নড়াচড়া হয় না, কোনো কাজ করে না।’

প্রস্তুত প্রণালি

স্টেক বানাতে প্রয়োজন অল্প কিছু উপকরণ। মাংস সিজনিং করতে হবে শুধু লবণ আর গোলমরিচ দিয়ে। আর রান্নার সময় দিতে হবে একটু বাটার আর রসুন।

ভাবতে পারেন এত অল্প মসলায় মাংস খেতে ভালো হবে কি না, তবে বেস্ট কোয়ালিটি স্টেকের জন্য সিম্পল সিজনিং করা হয়। অতিরিক্ত মসলা স্টেকের স্বাদ নষ্ট করতে পারে।

স্টেক তৈরির জন্য প্রথমে লাগবে মোটা মেটালের পাত্র। খেয়াল রাখতে হবে গরম প্যানে মাংস দেয়ার পর যেন পাত্রের তাপমাত্রা হুট করে কমে না যায়। কারণ স্টেকটা সিয়ার করতে হবে, বয়েল বা সিদ্ধ না।

সিয়ারিং হলো উচ্চতাপে মাংসের উপরিভাগ খুব কম সময়ে সংকুচিত করে ফেলা, যাতে ভেতরের জুস বের না হয়ে আটকা পড়ে সেই ফ্লেভারফুল ক্রাস্ট তৈরি হয়।

পাত্র গরম হলে অল্প তেল দিতে হবে। এর পর স্টেকের মাংস দিতে হবে। পাত্র ভালো মতো গরম হলে মাংস দেয়ার পর ঝলসানোর মতো শব্দ হবে। মাংস সিয়ার করতে হবে ছয় থেকে আট মিনিটের মতো। প্রত্যেক মিনিটে স্টেক উল্টে দিতে হবে। তিন থেকে চার মিনিট পর দিতে হবে রসুন ও বাটার। রসুন হালকা ছেঁচে দিতে হবে। বাটার গলে গেলে একটি চামচ দিয়ে উঠিয়ে বার বার স্টেকের ওপরে দিতে হবে। বাটারের সঙ্গে হার্ব হিসেবে থাইম বা রোজমেরি দেয়া যায়।

ঘরে বানিয়ে ফেলুন ‘পারফেক্ট’ বিফ স্টেক
ছবি: সংগৃহীত

রাইসা বলেন, মাংস যদি ভালো মতো সিয়ার হয় তাহলে মাংসের কাঁচা কোনো গন্ধ থাকবে না। কারণ মাংস যখন সিয়ার হচ্ছে তখন মাংসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড, সুগার আর হিটের মধ্যে এক ধরনের রিঅ্যাকশন হয়। ফলে মাংসের গন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তন হয়ে অনেক মজার স্বাদ ও ঘ্রাণ তৈরি করে।

তাই স্টেকের স্বাদের জন্য মসলা নয়, বরং কুকিং কেমিস্ট্রিটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

স্টেক নামিয়ে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট রেস্ট করতে হবে। স্টেকের স্বাদ পুরোপুরি পেতে হলে এই রেস্টিংটা খুব জরুরি। এতে স্টেক আরও বেশি জুসি হয়।

এবার স্টেকটি পরিবেশন করতে পারেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ অথবা ম্যাশড পটেটোর সঙ্গে।

আরও পড়ুন:
শীতের সন্ধ্যায় উপভোগ করুন পালংশাকের স্যুপ
খুব সহজেই বানাতে পারেন হানি নুডলস উইথ ফ্রাইড রাইস
গরমে পান করুন ওটস ম্যাঙ্গোর মজাদার স্মুদি  
ঘরে বসে মজাদার শাহী জর্দা বানাবেন যেভাবে  
সরিষার তেলে পুরান ঢাকার বিফ তেহারি

মন্তব্য

ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল
Buy Infinix smartphone on Eid and win a bike to visit Coxs Bazar

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ ‘ঈদ বোনানজা’ নামের ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার। ছবি: ইনফিনিক্স
গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

‘ঈদ বোনানজা’ নামের এ ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার।

ইনফিনিক্সের নির্দিষ্ট কিছু স্মার্টফোন কিনে বিশেষ মূল্যছাড়সহ এসব পুরস্কার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। ক্যাম্পেইনটি চলবে ৫ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত।

ক্যাম্পেইনে ইনফিনিক্সের নোট ৩০ এবং ৪০ সিরিজ, হট ৩০ (৪+১২৮ এবং ৮+১২৮ জিবি সংস্করণ), হট ৪০ সিরিজ এবং স্মার্ট ৮ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো কিনলেই কেবল এ পুরস্কার পাওয়া যাবে।

ক্যাম্পেইন চলাকালে অফিশিয়াল স্টোর থেকে ইনফিনিক্সের এ মডেলগুলোর যেকোনো একটি কিনলে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে কক্সবাজার ভ্রমণ এবং একটি এক্সক্লুসিভ বাইক জেতার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

বিশেষ পুরস্কার ছাড়াও ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া গ্রাহকরা সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক জিতে নিতে পারবেন। আর স্মার্টফোন কিনলেই থাকছে ১০০ টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

এ ছাড়া স্টক থাকা সাপেক্ষে নিশ্চিত উপহার হিসেবে গ্রাহকরা পেতে পারেন নেক ব্যান্ড, টি-শার্ট ও ছাতা।

গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, ‘ঈদ বোনানজা’ ক্যাম্পেনইটির মূল লক্ষ্য আকর্ষণীয় সব পুরস্কার জেতার মাধ্যমে গ্রাহকদের ঈদ আনন্দ দ্বিগুণ করে তোলা।

ট্রেন্ডি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স সম্প্রতি নোট ৪০ সিরিজে প্রথমবারের মতো ওয়্যারলেস ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি চালু করেছে।

আরও পড়ুন:
পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২
সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ

মন্তব্য

ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল
Travel fees for Bangladeshi tourists are low in Bhutan

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ ফি কমাল ভুটান

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ ফি কমাল ভুটান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক এবং রানি জেৎসুন পেমা। ছবি: সংগৃহীত
নতুন ভ্রমণ নীতি অনুযায়ী, বাংলাদেশি পর্যটকদের টেকসই উন্নয়ন ফি হিসেবে ১০০ ডলারের পরিবর্তে প্রতি রাতের জন্য এখন মাত্র ১৫ ডলার দিতে হবে। এটি ভারতীয় পর্যটকদের ওপর আরোপিত ফির সমতুল্য।

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য টেকসই উন্নয়ন ফি (এসডিএফ) ১০০ ডলার থেকে কমিয়ে মাত্র ১৫ ডলার নির্ধারণ করেছে ভুটান। বোরবার থেকে এ নীতি কার্যকর হয়েছে।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে ।

নতুন ভ্রমণ নীতি অনুযায়ী, বাংলাদেশি পর্যটকদের টেকসই উন্নয়ন ফি হিসেবে ১০০ ডলারের পরিবর্তে প্রতি রাতের জন্য এখন মাত্র ১৫ ডলার দিতে হবে। এটি ভারতীয় পর্যটকদের ওপর আরোপিত ফির সমতুল্য।

নতুন নীতিমালার আওতায় বছরে ১৫ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক এ ফি দিয়ে ভুটানে ভ্রমণ করতে পারবেন।

২০২২ সালের ২০ জুন পর্যটকদের জন্য টেকসই উন্নয়ন ফি (এসডিএফ) ৬৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২০০ ডলার আরোপ করে ভুটান সরকার। গত বছরের জুনে এই ফি কমিয়ে ১০০ ডলার করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কুড়িগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চল ভীষণ পছন্দ হয়েছে ভুটানের রাজার
বিমানবন্দরে ভুটানের রাজাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা
ভুটানের রাজা ঢাকায় আসছেন সোমবার
কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে আসছে ভুটানের দল
বাংলাদেশ-ভুটান সম্পর্ক: থিম্পুতে স্থাপন হবে বিশেষ বার্ন ইউনিট

মন্তব্য

ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল
Supreme Court of Nepal asked to stop the commercialization of Everest

এভারেস্টের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধের নির্দেশ

এভারেস্টের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধের নির্দেশ আরোহণ মৌসুম শুরুর আগে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে এভারেস্টে ক্রমবর্ধমান অভিযান নিয়ন্ত্রণে আনার আদেশ দেয়। ছবি: কাঠমান্ডু পোস্ট
মৌসুমজুড়ে হোটেল থেকে এয়ারলাইনস, রেস্তোরাঁ থেকে হেলিকপ্টার কোম্পানি—সবাই ব্যবসার প্রসার দেখেছে। এভাবে এভারেস্টকেন্দ্রিক লাখ লাখ ডলারের শিল্প গড়ে উঠেছে, তবে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট মনে করছে, এমন বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ হওয়া উচিত।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের অংশ হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধের আদেশ দিয়েছে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট।

নেপালভিত্তিক সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, এবারের বসন্তকালীন আরোহণ মৌসুমে ২০০ বিদেশিসহ ৬০০ জন এভারেস্টের চূড়ায় সফলভাবে পৌঁছান। মৌসুমটি শেষ হয় বুধবার।

এভারেস্টের চূড়ায় যেতে ৬০ দেশের পর্বতারোহীরা দেড় মাসের যাত্রা শুরু করে কাঠমান্ডু থেকে। সেখান থেকে লুকলা হয়ে বেজ ক্যাম্পে যান তারা। তারপর ধীরে ধীরে পর্বতচূড়ায় ওঠেন আরোহীরা।

এ যাত্রা অনেকের জন্য হয়েছে আনন্দের উপলক্ষ। তেমনই কারও কারও জন্য যাত্রাটি হয়েছে বেদনার, যারা হারিয়েছেন তাদের স্বজন।

মৌসুমজুড়ে হোটেল থেকে এয়ারলাইনস, রেস্তোরাঁ থেকে হেলিকপ্টার কোম্পানি—সবাই ব্যবসার প্রসার দেখেছে। এভাবে এভারেস্টকেন্দ্রিক লাখ লাখ ডলারের শিল্প গড়ে উঠেছে, তবে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট মনে করছে, এমন বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ হওয়া উচিত।

কাঠমান্ডু পোস্টের খবর অনুযায়ী, আরোহণ মৌসুম শুরুর আগে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে এভারেস্টে ক্রমবর্ধমান অভিযান নিয়ন্ত্রণে আনার আদেশ দেয়।

আদেশে আরোহীর সংখ্যা নির্দিষ্ট করা এবং তাদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে পর্বতারোহণের অনুমতির কথা বলে সুপ্রিম কোর্ট।

এভারেস্টে ক্রমবর্ধমান মনুষ্যসৃষ্ট জট ও পর্বতের ঢালে মানববর্জ্যের বিষয়টি আমলে নিয়ে নেপালের সর্বোচ্চ আদালত উল্লিখিত আদেশ দিয়েছিল।

নেপালের পর্যটন বিভাগের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন আটজন, যাদের মধ্যে তিনজন নিখোঁজ ছিলেন, যারা প্রাণ হারিয়েছেন বলে ধরে নেয়া হয়েছে।

গত বছর এভারেস্ট আরোহণের সময় মৃত্যু হয়েছিল ১৭ জনের।

আরোহীদের গাইডদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের এভারেস্টযাত্রা একই সঙ্গে ছিল বিজয় ও ট্র্যাজেডির।

হিমালয়কন্যার পর্যটন বিভাগের পরিচালক রাকেশ গুরুং জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার আরোহীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নেপালে ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১২৮, আহত ১৪১
৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু উপত্যকা
এভারেস্টে রেকর্ড গড়তে চাওয়া ভারতীয় পর্বতারোহীর মৃত্যু
পেট কেটে বের করা হলো আস্ত মদের বোতল
নেপালের নতুন প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাওদেল

মন্তব্য

‘বাংলাদেশি ফুচকাই সেরা’

‘বাংলাদেশি ফুচকাই সেরা’ ফুচকার স্বাদ নিতে নিতে একসঙ্গে ডোনাল্ড লু ও পিটার হাস বলেন, ‘বাংলাদেশি ফুচকাই সেরা।’ ছবি: সংগৃহীত
ভিডিওতে ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু ও রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলছেন, ‘পূর্ব বা পশ্চিম, ফুচকাই সেরা! ভাবুন তো কী রান্না হয়েছে! আমরা ফুচকা এবং ঝাল-মুড়ির সঙ্গে স্বাদের মিশ্রণ করতে সেলিব্রিটি শেফ রহিমা সুলতানার সঙ্গে দল বেঁধেছি!’

বাংলাদেশি ফুচকার স্বাদের প্রশংসা করে একটি ছোট ভিডিও শেয়ার করেছে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

ভিডিওতে ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু এবং রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে দেখা যাচ্ছে।

ফুচকার স্বাদ নিতে নিতে একসঙ্গে তাদের বলতে শোনা যায়, ‘বাংলাদেশি ফুচকাই সেরা।’

ক্ষুদ্র ভিডিওটির সঙ্গে ট্যাগ করা একটি বার্তায় লেখা হয়েছে, ‘পূর্ব বা পশ্চিম, ফুচকাই সেরা! ভাবুন তো কী রান্না হয়েছে! আমরা ফুচকা এবং ঝাল-মুড়ির সঙ্গে স্বাদের মিশ্রণ করতে সেলিব্রিটি শেফ রহিমা সুলতানার সঙ্গে দল বেঁধেছি!

‘আপনি এই মহাকাব্যের রন্ধন সম্পর্কীয় দুঃসাহসিক কাজের জন্য প্রস্তুত? স্নিগ্ধ শিখর উপভোগ করুন এবং পুরো ভিডিওটির জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন!’

‘দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার’ করতে এবং একটি উদার, উন্মুক্ত ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রদর্শনের জন্য মঙ্গলবার সকালে ডোনাল্ড লু ঢাকায় পৌঁছেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় পৌঁছেছেন ডোনাল্ড লু
ঢাকায় হাসের উত্তরসূরি হিসেবে বাইডেনের মনোনয়ন পেলেন মিল

মন্তব্য

ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল
You can visit four places in Saudi on a short vacation

স্বল্প ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন সৌদির চার স্থানে

স্বল্প ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন সৌদির চার স্থানে সৌদির দর্শনীয় চার পর্যটন গন্তব্য। কোলাজ: নিউজবাংলা
সৌদিতে স্পা ট্রিটমেন্ট ও নানা ধরনের খাওয়া-দাওয়ার সুযোগ থেকে শুরু করে আছে চমৎকার দর্শনীয় স্থান, বুটিক ও শপিং মল। পর্যটকদের নতুন আকর্ষণীয় দেশটিতে গিয়ে চমকে যেতে পারেন আপনিও।

স্বল্প ছুটিতে অনেকেই দেশের বাইরে বিশেষ কোনো স্থানে ঘুরতে যেতে চান। সে ক্ষেত্রে গন্তব্য হিসেবে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকতে পারে সৌদি আরব। কারণ দেশটিতে আছে বেশ কিছু রোমাঞ্চকর, চমকপ্রদ ও ঐতিহাসিক স্থান।

সৌদিতে স্পা ট্রিটমেন্ট ও নানা ধরনের খাওয়া-দাওয়ার সুযোগ থেকে শুরু করে আছে চমৎকার দর্শনীয় স্থান, বুটিক ও শপিং মল। পর্যটকদের নতুন আকর্ষণীয় দেশটিতে গিয়ে চমকে যেতে পারেন আপনিও।

১. নতুন পৃথিবীর সন্ধানে: আকাশে উড়ুন আলউলায়

সৌদির প্রথম কোনো স্থান হিসেবে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে আলউলা। বালি ও পাথুরে ভূমির এই বাদামি উপত্যকায় আছে সৌদির অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগের অনন্য ব্যবস্থা। বেলুনে চড়ে আকাশে ভেসে এ উন্মুক্ত জাদুঘরের স্বাদ নেয়া যাবে হেগরা থেকে এলিফ্যান্ট রক পর্যন্ত। দেখা মিলবে ২ লাখ বছরেরও আগের ইতিহাসের।

২. দেখুন পুরোনো ইতিহাস ও ঐতিহ্য: আল বালাদের রাস্তায়

ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত আরেক শহর আল বালাদ। জায়গাটি বেশি পরিচিত ‘ঐতিহাসিক জেদ্দা’ বা ‘পুরোনো শহর’ নামে। জেদ্দার আল বালাদ জেলায় দেখা যাবে সপ্তম শতকের স্থাপত্য।

চমৎকার এসব স্থাপত্য পর্যটকদের নিয়ে যায় কয়েক হাজার বছর পেছনে। আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য এই শহরের বিভিন্ন রাস্তায় কেনাকাটার সুযোগ আছে নানা ধরনের মসলা, গয়না, টেক্সটাইল ও পারফিউমের মতো পণ্য। স্মৃতি হিসেবে নেয়ার জন্য পাওয়া যাবে হরেক রকম স্যুভেনির। রাস্তার পাশের এসব দোকান ছাড়াও বিশেষ কিছু আকর্ষণ আছে এই জায়গায়। যেমন: সুন্দর গয়নার জন্য যাওয়া যাবে আল বালাদ গোল্ড মার্কেটে। আর লেখকদের লেখা ফিকশন কিংবা ঐতিহাসিক বইয়ের জন্য যেতে পারেন আওয়ার ডেইজ অফ ব্লিস বুকশপে।

৩. লোহিত সাগরের তীরে আরামদায়ক স্পা: সিক্স সেন্সেস সাউদার্ন ডুনস

পরিপূর্ণ অবকাশ যাপনের জন্য সোজা চলে যাওয়া যায় সিক্স সেন্সেস সাউদার্ন ডুনস স্পাতে। সৌদির লোহিত সাগর উপকূলের বালিয়াড়িতে অবস্থিত এই স্পাতে আছে অসাধারণ সব অন্দরসজ্জা। সৌদির পরিবেশের প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে সেখানে। স্পাজুড়ে বিরাজ করা স্নিগ্ধ সুগন্ধ এই অঞ্চলের ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে দেবে। স্পাতে থাকা চমৎকার আয়োজন ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আরবের সুস্থতার ঐতিহ্য ফুটে ওঠে। এ ছাড়া আছে হাতে-কলমে শেখার ব্যবস্থা বা কর্মশালা। সেখানে মসলা ও সুগন্ধি থেকে স্কিন কেয়ার পণ্য তৈরি করা শেখানো হয়। শত শত বছর আগে আরবের প্রাচীন নাবাতেন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বাণিজ্যের মাধ্যমে এসব মসলা ও সুগন্ধি এই অঞ্চলে প্রবেশ করে।

৪. রিয়াদে বিলাসবহুল অভিজ্ঞতা: ভিআইএ রিয়াদে কেনাকাটা ও খাওয়াদাওয়া

বিলাসবহুল অভিজ্ঞতার সঙ্গে কেনাকাটা ও বিনোদনের জন্য চমৎকার ওয়ান-স্টপ গন্তব্য হতে পারে ভিআইএ রিয়াদ। স্থানীয় ঐতিহ্যের ছাপ রয়েছে জায়গাটিতে। বেলুচ্চি, ডলচে অ্যান্ড গ্যাবানা, টম ফোর্ড, ব্র্যান্ডন ম্যাক্সওয়েলসহ বেশ কয়েকজন বিখ্যাত ডিজাইনারের ব্র্যান্ড স্টোরও রয়েছে এখানে।

সারা দিনের কেনাকাটা শেষে মাকে নিয়ে যেতে পারবেন সুন্দর কোনো রেস্টুরেন্টে। সুস্বাদু এশিয়ান খাবার বা ফরাসি ক্যাফে— সব ধরনের এবং সবার পছন্দের খাবারই এখানে আছে। স্বাচ্ছন্দ্যময় দুর্দান্ত সব অভিজ্ঞতা নিতে যাওয়া যাবে রেনেঁসা সিনেমায়।

সৌদি সরকার দেশটিতে ভ্রমণ এখন অনেক সহজ করেছে। ভিসা প্রক্রিয়া ক্রমাগত উন্নত করা হচ্ছে। এখন বিশ্বের ৬৩টি দেশ ই-ভিসা প্রোগ্রামের আওতায় আছে, সঙ্গে আরও আছে ৯৬ ঘণ্টার ফ্রি স্টপওভার ভিসা।

আরও পড়ুন:
ঈদের বার্তায় ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা বন্ধে জোর সৌদি বাদশাহর
পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ‘চায়ের রাজধানী’
সৌদিতে এক দিনে ৭ শিরশ্ছেদ
ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন ২৯ দেশের নাগরিক
হত্যার শিকার ২ বাংলাদেশির পরিবারকে ৩০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ সৌদির

মন্তব্য

p
উপরে