× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

ফলোআপ
6 more Rohingyas killed in boat sinking buried in Bhasanchar
hear-news
player
print-icon

নৌকাডুবিতে মৃত আরও ৭ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে দাফন

নৌকাডুবিতে-মৃত-আরও-৭-রোহিঙ্গাকে-ভাসানচরে-দাফন
ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতে ঝড়ের কারণে দাফন হয়নি। পরে বুধবার সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের দাফন করা হয়েছে।

ভাসানচর থেকে পালানোর সময় বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত আরও সাত রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে দাফন করা হয়েছে।

ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কবরস্থানে বুধবার সকাল ৯টার দিকে তাদের দাফন করা হয়।

মৃতরা হলেন ক্যাম্পের ৫৪ নম্বর ক্লাস্টারের ২৭ বছর বয়সী মো. রফিক, রফিকের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে রাজুমা; ৫৩ নম্বর ক্লাস্টারের রশিদ আহম্মদের আট বছর বয়সী ছেলে আবুল বশর, দুই বছর বয়সী মেয়ে নূর কলিমা ও ছয় বছর বয়সী মেয়ে তছলিমা; ৫ নম্বর ক্লাস্টারের দুই বছর বয়সী নূর আইশা এবং ৫০ নম্বর ক্লাস্টারের তিন মাস বয়সী নূর আয়েশা।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহগুলো ভাসানচর আনা হয়। জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাতে ঝড়ের কারণে মরদেহ দাফন হয়নি। পরে বুধবার সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের দাফন করা হয়েছে।

ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ক্যাম্প ইনচার্জ সহকারী কমিশনার শামীমা আক্তার জাহান জানান, ভাসানচর থেকে পালানোর সময় শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে বঙ্গোপসাগরে নৌকা ডুবে অন্তত ২৬ রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়। ভাসানচর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে ভাসানচর ও চট্টগ্রামের মাঝামাঝি সাগরে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় ১২ জন সাঁতরে কাছাকাছি থাকা মাছ ধরার নৌকায় উঠে ভাসানচরে ফিরেছে।

এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবি ও সোমবার চারজনের মরদেহ ভাসানচর ক্যাম্পে হস্তান্তর করা হয়। এখনও ১৫ রোহিঙ্গা নিখোঁজ।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবি: ৪ দিনে ভাসল ৭ রোহিঙ্গার মরদেহ
বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবি: আরও ৪ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার
পালানোর সময় সাগরে নৌকাডুবি, রোহিঙ্গা শিশুর মরদেহ উদ্ধার
পালানোর সময় বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ২৬ রোহিঙ্গা
৩৪ ক্যাম্পে টিকা পাবে ৪৮ হাজার রোহিঙ্গা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ফলোআপ
5 killed including four teachers 25 thousand rupees assistance

প্রশিক্ষণ নেয়া হলো না ৪ শিক্ষকের, আর্থিক সহায়তার ঘোষণা

প্রশিক্ষণ নেয়া হলো না ৪ শিক্ষকের, আর্থিক সহায়তার ঘোষণা
ওসি নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘মরদেহগুলো থানায় নেয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের হস্তান্তর করা হবে। ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।’

মান উন্নয়নের প্রশিক্ষণ নিতে অটোরিকশায় করে যাচ্ছিলেন শিক্ষকরা। কিন্তু পথেই শেষ হলো তাদের যাত্রা। ট্রাকচাপায় চারজন প্রাণ হারানোর পাশাপাশি আহত হয়েছেন এক শিক্ষক। দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে অটোরিকশা চালকেরও।

নওগাঁর সদরে শুক্রবার সকালের এ ঘটনায় নিহত পাঁচজনের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মির্জা ইমাম উদ্দিন বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রত্যেক পরিবারকে সহায়তা করা হবে।’

নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের বাবলাতলী মোড় এলাকায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।আহত এক স্কুলশিক্ষককে গুরুতর অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার নেহেন্দা গ্রামের ও পানিহারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন, বিজলী গ্রামের বেলকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুকবুল হোসেন, ভাদুরন্দ গ্রামের গোলাম নবীর স্ত্রী গুটিসর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জান্নাতুন খাতুন, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দুলালপুর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ও আমকুড়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক লেলিন সরদার ও সদরডাঙ্গা গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশার চালক সেলিম হোসেন।

এ ছাড়া আহত হয়েছেন নিয়ামতপুর উপজেলার কুড়িদহ গ্রামের আব্দুল গফুরের মেয়ে ও কুড়িদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূরজাহান বেগম।

স্থানীয়দের বরাতে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল নিউজবাংলাকে জানান, সকালে নিয়ামতপুর উপজেলা থেকে যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা নওগাঁর দিকে যাচ্ছিল। নওগাঁ শহর থেকে মাছের ফিডবোঝাই একটি ট্রাক যাচ্ছিল রাজশাহীর দিকে।

পথে বাবলাতলী মোড়ে মাটিবোঝাই একটি ট্রাক্টরকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় ট্রাকটি। অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে এটি সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান চার শিক্ষকসহ অটোর চালক। গুরুতর আহন হন আরেক শিক্ষক।

তারা সবাই নওগাঁ পিটিআই ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছিলেন বলে জানান ওসি।

প্রশিক্ষণ নেয়া হলো না ৪ শিক্ষকের, আর্থিক সহায়তার ঘোষণা

থানায় স্বজনদের আহাজারি

দুর্ঘটনার পর সদর থানার সামনে আহাজারি করতে দেখা গেছে স্বজনদের।

নিহত স্কুলশিক্ষক জান্নাতুন খাতুনের স্বামী গোলাম নবী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রশিক্ষণ নিতে নওগাঁ শহরে আসতেছিলেন আমার স্ত্রী। সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় শেষ বারের মতো কথা হয় তার সঙ্গে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পাই। নিজেকে কীভাবে স্থির রাখব? এমন করে আমার স্ত্রীকে হারাতে হবে, তা কখনোই ভাবিনাই।’

অটোরিকশার চালক সেলিম হোসেনের বাবা সিরাজ উদ্দিন বলেন, ‘আমার ছেলে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অটোরিকশা নিয়ে শিক্ষকদের নওগাঁ পৌঁছে দিতে বের হয়। সকাল ৯টার দিকে জানতে পারি আমার ছেলেটা আর বেঁচে নেই। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছিল ছেলেটা। যে ট্রাক চালক আমার ছেলেসহ ৫জনকে চাপা দিয়ে মারল, তার শাস্তি চাই।’

নওগাঁ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ট্রাকের চাপায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে পানির নিচে ডুবে ছিল। অটোরিকশটি কেটে ভেতর থেকে একে একে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ট্রাকটি উদ্ধার করে থানা পুলিশের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পিটিআই ট্রেনিং সেন্টারে নিহত শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ নিতে আসছিলেন। চারজন শিক্ষক ও অটোরিকশার চালক মারা গেছেন ট্রাকের চাপায়; খুবই দুঃখজনক ঘটনা। পরিবারের কাছে নিহতের মরদেহ হস্তান্তর ও তাদের কীভাবে সহায়তা করা যায়, বিষয়গুলো আমরা তদারকি করছি।’

ওসি নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘মরদেহগুলো থানায় নেয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের হস্তান্তর করা হবে। ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।’

এ ঘটনায় বিকেল পর্যন্ত নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা করেনি বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
মহাসড়কের পাশে ঘুমন্ত নারীকে পিষে দিল ট্রাক
দুই ট্রাকের চাপায় নিহত আরেক ট্রাকের চালক
ট্রাকচাপায় নারী নিহত
সেই পিকআপ ভ্যানচালক রিমান্ডে
ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

মন্তব্য

ফলোআপ
Case in the name of lover in the death of Promise

প্রমিজের মৃত্যুতে ‘প্রেমিকার’ নামে মামলা

প্রমিজের মৃত্যুতে ‘প্রেমিকার’ নামে মামলা মৃত প্রমিজ নাগ। ছবি: সংগৃহীত
কেএমপি সোনাডাঙ্গার সহকারী পুলিশ কমিশনার আতিক বলেন, ‘আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

খুলনার নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির ছাত্র প্রমিজ নাগের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি করা হয়েছে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সুরাইয়া ইসলাম মিমকে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সোনাডাঙ্গা থানায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে প্রমিজের চাচাতো ভাই প্রীতিশ কুমার নাগ আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় প্রমিজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাহিদ হাসান মৃধা।

এজাহারে বলা হয়েছে, একই বিশ্ববিদ্যলায়ের লেখাপড়ার সুবাদে প্রমিজ নাগ ও সুরাইয়া ইসলামের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুরাইয়া প্রায়ই প্রমিজের বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। একপর্যায়ে বিয়ে করার জন্য সুরাইয়া প্রমিজের ওপর চাপ দেয়া শুরু করেন। কিন্তু দুজন ভিন্ন ধর্মের হওয়ায় প্রমিজ তাকে বিয়ে করতে রাজি হননি।

গত ২০ জুন সুরাইয়া আবারও প্রমিজের বাসায় এসে বিয়ের বিষয়ে কথাবার্তা শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রমিজের মাথায় ল্যাপটপ দিয়ে আঘাত করে নানা হুমকি দিয়ে চলে যান।

২২ জুন বুধবার সুরাইয়া আবারও প্রমিজের বাসায় এসে দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে পাশের মেসের ছেলেদের নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা প্রমিজকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনার পর সুরাইয়া পালিয়ে যান। পরে প্রমিজকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এজাহারে বলা হয়, সুরাইয়া ইসলামের নির্যাতন ও প্ররোচনা সহ্য করতে না পেরে প্রমিজ নাগ আত্মহত্যা করেছেন।

কেএমপি সোনাডাঙ্গার সহকারী পুলিশ কমিশনার আতিক বলেন, ‘প্রমিজের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও শরীরে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার ঘরে বেশ কিছু স্থানে রক্তের দাগ রয়েছে ও সিসিটিভির ফুটেজে মরদেহ উদ্ধারের আগে ওই ঘর থেকে তার এক বান্ধবীকে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে দেখা গেছে।’

পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে প্রমিজের বাবা-মাকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছে, কেউ একজন তার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করছিলেন। তাকে ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা লেখা আছে। তাই পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করে আমরা এটি শুধুমাত্র আত্মহত্যা হিসেবে নিতে পারছি না।’

কেএমপি কর্মকর্তা বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে যে মেয়েটিকে প্রমিজের ঘর থেকে বের হতে দেখা গেছে তিনিও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। প্রমিজের সহপাঠীদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

প্রমিজের বন্ধু আজগর রাজ বলেন, ‘সুরাইয়ার সঙ্গে প্রমিজের সম্পর্কের বিষয়টি আমাদের বিভাগের সবাই জানত। কিছুদিন আগে ক্যাম্পাসে কথা-কাটাকাটির পর তিনি প্রমিজকে মারধরও করেছিলেন।’

একই কথা জানিয়েছেন প্রমিজের চাচাতো ভাই দীপংকর নাগও। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে ওই তরুণী প্রমিজকে উপহারও পাঠিয়েছেন। সেগুলোর মূল্য ফেরত চাচ্ছিলেন প্রমিজের কাছ থেকে। প্রমিজ বাড়িতে এসব কথা শেয়ার করে টাকাও চেয়েছিলেন।’

প্রমিজ নাগ খুলনার নর্দান ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সাচিয়া গ্রামে।

তবে তিনি খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গার গোবরচাকা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। সেখান থেকেই বুধবার সন্ধ্যায় তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।

সুরাইয়া ইসলাম একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। তার বাড়ি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বাবুপুর গ্রামে।

আরও পড়ুন:
স্ত্রী সৌদিতে, ঘরে স্বামীর মরদেহ
গোল্ডকাপের খেলায় সংঘর্ষ, স্কুলের ১৫ শিক্ষার্থী আহত
পলিটেকনিকের ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
চাইনিজ কুড়াল, চাকু নিয়ে ক্লাসে দুই কিশোর
ফ্যানে ঝুলছিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী

মন্তব্য

ফলোআপ
Three people were hacked to death in a tree all night

তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করে সারা রাত গাছে

তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করে সারা রাত গাছে
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস নিউজবাংলাকে জানান, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে শ্বশুর বাড়ি পুটল গ্র‍াম থেকে শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে মিন্টুকে আটক করে পুলিশ। সারা রাত ওই বাড়ির একটি আম গাছে লুকিয়ে থাকেন তিনি।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে স্ত্রী ও শাশুড়িসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার পর আটক নিহতের স্বামীকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খোশালপুর পুটল গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী মনিরা বেগম, শাশুড়ি শেফালী বেগম ও জ্যাঠা শ্বশুর মাহমুদ গাজীকে কুপিয়ে হত্যা করেন মিন্টু মিয়া।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস নিউজবাংলাকে জানান, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে শ্বশুর বাড়ি পুটল গ্র‍াম থেকে শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে মিন্টুকে আটক করে পুলিশ। সারা রাত ওই বাড়ির একটি আম গাছে লুকিয়ে থাকেন তিনি।

শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে নিহত মনিরার ছোট বোন মিনারা বেগমের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার বাড়ি একই উপজেলার তাঁতীহাটি ইউনিয়নের গ্যাড়ামারা গ্রামে।

ওসি জানান, পারিবারিক কলহের জেরে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বোরকা পরে দা নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে হামলা চালান মিন্টু। এসময় দা দিয়ে সবাইকে কোপাতে থাকে। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে পালিয়ে যান তিনি।

এতে ঘটনাস্থলেই স্ত্রী মনিরা বেগমের মৃত্যু হয়। হতাহত অন্যদের বকশীগঞ্জ হাসপাতালে নিলে মারা যান মনিরার শেফালী ও মাহমুদ। পরে আহত বাচ্চুনি বেগম, মনু মিয়া ও শাহাদাত হোসেনকে পাঠানো হয় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

এ ঘটনায় পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ওসি বলেন, ‘অভিযান চালিয়ে ভোরে পুটল গ্রামে শ্বশুর বাড়ির একটি আম গাছ থেকে মিন্টুকে আটক করা হয়েছে। হত্যায় ব্যবহৃত একটি দা ও একটি চাকু জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

তিনজনের মধ্যে একজনের মরদেহ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে এবং অপর দুই মরদেহ জামালপুর জেলা হাসপাতালে রয়েছে বলেও জানান ওসি।

ঘাতক তার শ্বশুরবাড়িতেই একটি গাছের উপর উঠে লুকিয়ে ছিল বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
মা-মেয়েসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা

মন্তব্য

ফলোআপ
Back from the shelter homeless again

আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে আশ্রয়হীন

আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে আশ্রয়হীন সিলেটের বেশিরভাগ এলাকা এখনও জলমগ্ন।
জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘এখনও বেশির ভাগ জায়গায় পানি রয়ে গেছে। এখন আমরা ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছি। পানি পুরো নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হবে।’

সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাও ইউনিয়নের জইকার কান্দিগ্রামের আক্কাস আলীর ঘর চুরমার করে দিয়েছে বানের পানি। ঘরের ভিটে ছাড়া আর কিছুরই অস্তিত্ব নেই। পানি কমায় বৃহস্পতিবার আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে এই অবস্থা দেখে ভেঙে পড়েন আক্কাস।

ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ঘরের চালের টিন কুড়াতে কুড়াতে তিনি বলেন, ‘পানি তো নামছে। কিন্তু আমাদের সব নিয়া গেছে পানি। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নাই। মানুষের দেয়া সহায়তায় কোনো রকমে খেয়ে বেঁচে আছি। কিন্তু এখন ঘর মেরামত করব কী করে? আসবাবপত্র কেনারই বা টাকা পাব কোথায়?’

ঘর ভেঙে যাওয়ায় পরিবারের অন্য সদস্যদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে আনতে পারছেন না বলে জানান তিনি।

আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে আশ্রয়হীন

একই দিন ঘরে ফিরেছেন গোয়াইনঘাটের নলজুড়ি এলাকার পাথরশ্রমিক রাসেল মিয়া। তার ঘরও ক্ষতিগ্রস্ত পানিতে। বলেন, ‘পানিতে ঘর তছনছ হয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে হাঁটু সমান কাদা। এই ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকব কী করে?

‘পানির কারণে আয়-রোজগার বন্ধ। ভাত খাওয়ারই পয়সা নাই। ঘর মেরামত করব কী করে?’

বন্যার পানি কমায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন বন্যার্তরা। আক্কাস ও রাসেলের মতো অনেকেরই ঘরবাড়ি বানের পানিতে ভেঙে গেছে; নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র। নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন।

গত ১৫ জুন থেকে চলতি বছরে তৃতীয় দফায় বন্যা দেখেছে সিলেট। স্মরণকালের ভয়াবহ এ বন্যায় তলিয়েছে সিলেটের প্রায় ৮০ শতাংশ। এখনও বেশির ভাগ এলাকা জলমগ্ন।

জেলা প্রশাসনের হিসাবে, চলমান বন্যায় জেলায় ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪৪ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। আর ১৭ হাজার ৯১৫টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ তারিখ পর্যন্ত সিলেট জেলার ১৩ উপজেলা ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ৬১৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৮ জন আশ্রয় নেন। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন ৯১ হাজার ৬২৩ জন।

সে হিসেবে, প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে চলে গেছেন।

সিলেট সদর উপজেলার মইয়ারচর এলাকার তাহেরা বেগমও বৃহস্পতিবার আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ দিন বাদাঘাট উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলাম। বাড়ি ফিরে দেখি পানিতে বাথরুম ভেঙে গেছে। সব আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। এইগুলা এখন মেরামত করাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।‘

বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন সিলেটের নাট্যকর্মী রুবেল আহমদ কুয়াশা। তিনি বলেন, ‘আপাতত শুকনো খাবার বিতরণের চাইতে বন্যার্তদের পুনর্বাসনের জন্য ফান্ড গঠন করা দরকার।

আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে আশ্রয়হীন

‘মানুষ তার আপৎকালীন সঞ্চয় আর ত্রাণ দিয়ে বন্যা চলাকালীন সংকট পার করে দিতে পারবে। কিন্তু তার মূল বিপদ পানি নামার পরেই দেখা দেবে। কারণ টিনের চাল, ঘরের বেড়া পানিতে তলিয়ে গেছে। ঘরের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাঁস-মুরগি ভেসে গেছে। পানি নামার পর এগুলো মেরামতে বিপদে পড়বে তারা।’

কুয়াশার আশঙ্কা, এই মানুষগুলো ঘর ও আসবাবপত্র মেরামতে মহাজন বা বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান থেকে হয়তো ঋণ নেবে। তখন তারা আরও বিপদে পড়বে।

ঘরহারা কিছু মানুষের ঘর নির্মাণে সহায়তার জন্য তহবিল গঠনের চেষ্টা করছেন জানিয়ে আরেক স্বেচ্ছাসেবী দেবজ্যোতি দাস বলেন, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করছি। খুব বেশি না পারলেও কিছু মানুষকে আমরা ঘর নির্মাণ করে দিতে চাই।’

জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘এখনও বেশির ভাগ জায়গায় পানি রয়ে গেছে। এখন আমরা ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছি। পানি পুরো নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বন্যাদুর্গতদের পাশে ‘আলোর অনির্বাণ’
বৃষ্টি কমতে পারে সিলেটে
৬ দিন পর সচল ওসমানী বিমানবন্দর
বন্যার্তদের জন্য ট্রফি নিলামে তুলছেন কিশোরী ফুটবলার
সুনামগঞ্জে যাচ্ছেন তিন বাহিনীর প্রধান

মন্তব্য

ফলোআপ
Notes next to the marks of injury on Promises body Police

প্রমিজের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন, পাশে চিরকুট: পুলিশ

প্রমিজের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন, পাশে চিরকুট: পুলিশ মৃত প্রমিজ নাগ। ছবি: সংগৃহীত
কেএমপি সোনাডাঙ্গার সহকারী পুলিশ কমিশনার আতিক বলেন, ‘প্রমিজের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও শরীরে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার ঘরে বেশ কিছু স্থানে রক্তের দাগ ও সিসিটিভির ফুটেজে মরদেহ উদ্ধারের আগে ওই ঘর থেকে তার এক বান্ধবীকে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে দেখা গেছে।’

খুলনার নর্দান ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির ছাত্র প্রমিজ নাগের মৃত্যুতে রহস্য দেখছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে আত্মহত্যার চিরকুট থাকলেও মরদেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়ায় এই রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর কিছু সময় আগে প্রমিজের ফ্ল্যাট থেকে তার বান্ধবীকে বের হয়ে যেতে দেখা গেছে সিসিটিভি ফুটেজে। ঘটনা তদন্তে ওই তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সোনাডাঙ্গা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আতিক আহমেদ চৌধুরী নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

প্রমিজ খুলনার নর্দান ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সাচিয়া গ্রামে।

খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গার গোবরচাকা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। সেখানেই বুধবার সন্ধ্যায় তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।

কেএমপি সোনাডাঙ্গার সহকারী পুলিশ কমিশনার আতিক বলেন, ‘প্রমিজের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও শরীরে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার ঘরে বেশ কিছু স্থানে রক্তের দাগ ও সিসিটিভির ফুটেজে মরদেহ উদ্ধারের আগে ওই ঘর থেকে তার এক বান্ধবীকে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে দেখা গেছে।

‘এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে তার বাবা-মাকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছে যে কেউ একজন তার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করছিলেন। তাকে ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা লেখা আছে। গোটা বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করে আমরা শুধুমাত্র আত্মহত্যা হিসেবে নিতে পারছি না।’

কেএমপি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে যে মেয়েটিকে প্রমিজের ঘর থেকে বের হতে দেখা গেছে, তিনিও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। প্রমিজের সহপাঠীদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এখন সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না।

‘ছাত্রীটি বিত্তবান পরিবারের হওয়ায় প্রমিজকে বিভিন্ন সময় অর্থ সহায়তা এবং ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছিলেন। বুধবার দুপুর থেকে মেয়েটি প্রমিজের ফ্ল্যাটেই ছিলেন। প্রমিজের বন্ধুরা জানান সন্ধ্যায় প্রমিজের সঙ্গে মেয়েটির কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর প্রমিজকে তিনি মারধর করে ঘর থেকে বেরিয়ে যান।’

প্রমিজের বন্ধু আজগর রাজ বলেন, ‘ওই তরুণীর সঙ্গে প্রমিজের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, এটা আমাদের বিভাগের সবাই জানত। কিছুদিন আগে ক্যাম্পাসে কথা-কাটাকাটির পর তিনি প্রমিজকে মারধর করেছিলেন।’

একই কথা জানিয়েছেন প্রমিজের চাচাতো ভাই দীপংকর নাগও। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে ওই তরুণী প্রমিজকে কিছু উপহার দিয়েছিলেন। সেগুলোর মূল্য এখন ফেরত চাচ্ছিলেন। প্রমিজ বাড়িতে এসব কথা শেয়ার করে টাকাও চেয়েছিলেন।’

কেএমপি কর্মকর্তা আতিক জানান, ওই তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ। প্রমিজের বাবা এ ঘটনায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
গোল্ডকাপের খেলায় সংঘর্ষ, স্কুলের ১৫ শিক্ষার্থী আহত
পলিটেকনিকের ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
চাইনিজ কুড়াল, চাকু নিয়ে ক্লাসে দুই কিশোর
ফ্যানে ঝুলছিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী
‘পারিবারিক কলহের জেরে’ গৃহবধূর গায়ে আগুন

মন্তব্য

ফলোআপ
Jump into the river Mothers body recovered mother missing

নদীতে ঝাঁপ: মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, মা নিখোঁজ

নদীতে ঝাঁপ: মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, মা নিখোঁজ
নরসিংদীর বঙ্গারচর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘সন্ধ্যায় নিজামুদ্দিন ঘাটে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। প্রাথমিকভাবে মরদেহটি কাপাসিয়ায় শীতলক্ষ্যায় ঝাঁপ দেয়া মেয়ের বলে ধারণা করি। এরপর স্বজনদের ছবি পাঠাই। তারা মরদেহ শনাক্ত করলে আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হয়।’

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মা-মেয়ে নিখোঁজের তিন দিন পর মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।

নরসিংদীর পলাশ থানার নিজামুদ্দিন ঘাট এলাকা থেকে বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সাত বছর বয়সী মুর্শিদা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাতেই স্বজনরা নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

নরসিংদীর বঙ্গারচর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আমিরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যায় নিজামুদ্দিন ঘাটে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। প্রাথমিকভাবে মরদেহটি কাপাসিয়ায় শীতলক্ষ্যায় ঝাঁপ দেয়া মেয়ের বলে ধারণা করি। এরপর স্বজনদের ছবি পাঠাই। তারা মরদেহ শনাক্ত করলে আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হয়।’

মুর্শিদার মামা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এক আত্মীয় ফেসবুকে ছবি দেখে প্রথমে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানান। এরপর বঙ্গারচর নৌ ফাঁড়িতে যোগাযোগ করলে ছবি এবং পোশাক দেখে নিশ্চিত হই। রাতেই মরদেহ কাপাসিয়ায় নিয়ে আসি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।’

দুই মেয়েকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে এক নারী ঝাঁপ দেয়ার খবরে রোববার থেকেই উদ্ধারকাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। বাহিনীর ডুবুরিদল যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা ৯ বছরের শিশু তাহমিদা আক্তারকে নদী থেকে জীবিত উদ্ধার করে।

এই শিশুটিই তার মা আরিফা আক্তার ও ছোট বোন মুর্শিদা আক্তারের নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তাদের বাড়ি কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের বিবাদিয়া গ্রামে। তাদের বাবা আব্দুল মালেক বেঁচে নেই।

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানোর পর অভিযান সমাপ্ত করার ঘোষণা দেয় ফায়ার সার্ভিস।

কাপাসিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সাবেদ আলী খান জানান, সিংহশ্রীতে নিখোঁজের জায়গা ছাড়াও আশপাশের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে খুঁজেও তারা মা-মেয়েকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় পাননি।

আরও পড়ুন:
তিস্তার ক্যানেলে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
পুকুরে ডুবে কিশোরীর মৃত্যু
লেকে নেমে দুই কিশোরের মৃত্যু
পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

মন্তব্য

ফলোআপ
Sylhet City Corporation paid half of the outstanding bill

বকেয়া বিলের অর্ধেক শোধ করল সিলেট সিটি করপোরেশন

বকেয়া বিলের অর্ধেক শোধ করল সিলেট সিটি করপোরেশন
সিটি করপোরেশনের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গত ১৫ জুন নিউজবাংলায় ‘সিলেটে সিটি করপোরেশনই শীর্ষ বিলখেলাপি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের বিল বকেয়া পড়ে আছে ৮৬ কোটি টাকা। বেশির ভাগ বকেয়াই সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকার বকেয়া নিয়ে এগিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশন।

সিলেট সিটি করপোরেশনের কাছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পাওনা প্রায় ২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৯ কোটি টাকা বুধবার পরিশোধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

নগর ভবনে বুধবার দুপুরে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের কাছে চেক হস্তান্তর করেন।

সিটি করপোরেশনের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গত ১৫ জুন নিউজবাংলায় ‘সিলেটে সিটি করপোরেশনই শীর্ষ বিলখেলাপি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

তাতে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের বিল বকেয়া পড়ে আছে ৮৬ কোটি টাকা। বেশির ভাগ বকেয়াই সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকা বকেয়া নিয়ে এগিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশন।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিল পরিশোধের উদ্যোগ নেয় সিটি করপোরেশন।

বুধবার চেক হস্তান্তরের সময় মেয়রের পাশাপাশি ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান খান, পিডিবির ডিভিশন-১ নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুল করীম, পিডিবির ডিভিশন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী শামস আরেফিনসহ অন্য কর্মকর্তারা।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল কাদির এর আগে নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বকেয়া বিল উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার পর থেকে আমরা জোরেশোরে অভিযানে নেমেছি। ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৩ থেকে ১৪টি অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

সিটি করপোরেশনের বকেয়া প্রসঙ্গে তিনি গত বুধবার বলেছিলেন, ‘আগে তাদের কাছে বকেয়া ছিলে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে দুই দফায় ১০ কোটি টাকা দিয়েছে। আরও ২০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে।’

তবে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী গত বুধবার দাবি করেছিলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে উল্টো টাকা পায় সিটি করপোরেশন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেনাপাওনা উভয় পক্ষেই আছে। বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের জন্য তারা আমাদের সড়ক ব্যবহার করে। অনেক সময় এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণও আমাদের করতে হয়। এ ছাড়া মাটির নিচ দিয়ে বিদ্যুতের তার নিতে অনেক সড়ক তারা খোঁড়াখুঁড়ি করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ আমরা পাইনি। সব মিলিয়ে তাদের কাছে আমরা প্রায় ৪০ কোটি টাকার মতো পাই।’

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে