চট্টগ্রামে অতিভারী বর্ষণ, জলাবদ্ধতা শহরে

চট্টগ্রামে অতিভারী বর্ষণ, জলাবদ্ধতা শহরে

আবহাওয়াবিদ শেখ হারুনর রশীদ বলেন, ‘চট্টগ্রামে আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও অতিভারী বৃষ্টিপাত থাকতে পারে। এ কারণে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি উচ্চাতার হওয়ায় শহরে পানি আসছে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।’

চট্টগ্রামে টানা চারদিনের বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এখনও রয়ে গেছে নগরের বেশ কিছু এলাকায়।

নগরের চান্দগাও আবাসিক, সিডিএ, কর্ণফুলী, হালিশহর, আগ্রাবাদসহ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে বৃহস্পতিবার হাটু থেকে কোমর পানি দেখা গেছে। এতে এসব এলাকায় জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন৷

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫০ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারি আবহাওয়াবিদ শেখ হারুনর রশীদ।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৫০ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আমরা সাধারণত ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে ভারী বর্ষণ বলি, ৮০ বেশি হলে অতিভারী। সেই হিসেবে চট্টগ্রামে অতিভারী বর্ষণ হচ্ছে এখন। আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও অতিভারী বৃষ্টিপাত থাকতে পারে। অতিভারী বর্ষণের কারণে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি উচ্চাতার হওয়ায় শহরে পানি আসছে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।’

নগরীর চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা মইনুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আসলে অল্প বৃষ্টিপাতেই এখানে পানি জমে যায়। এখন তো ভারী বৃষ্টি হচ্ছে তাই পানি হবেই। তা ছাড়া পাশের খালে সিডিএর বাঁধ থাকায় আরও সমস্যা হচ্ছে।’

বৃষ্টিতে পানি জমেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের নিচ তলাতেও। বুধবার বিকেল থেকে হাসপাতালের আশেপাশের এলাকাসহ নিচতলায় পানি জমতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার সকালে পানি একটি কমলেও দুপুরের দিকের বৃষ্টিতে ফের আগের অবস্থা হয়ে গেছে বলে জানান হাসপাতালের পরিচালক নুরুল হক।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ একটু বেশি বৃষ্টি হলে আগ্রাবাদ এলাকায় পানি আসে। হাসপাতালও যেহেতু এই এলাকায়, তাই হাসপাতালেও নিয়ম মেনে পানি আসে। তবে আমরা বৃষ্টির শুরুর পর পানি আসার আগেই নিচতলায় জরুরি বিভাগ, শিশু বিভাগসহ যেসব সেবা ছিল সেসব উপরে সরিয়ে নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাড়িতে বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা দেন ডিআইজি মিজান

গাড়িতে বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা দেন ডিআইজি মিজান

বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। ছবি: সংগৃহীত

সাক্ষ্যতে কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন জানায়, ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি মিজান স্যার ওই লোককে (দুদক কর্মকর্তা বাছির) বলেন, ব্যাগে ২৫ লাখ ঠিক আছে। পরে ওই লোকটাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের গলিতে নামিয়ে দেয়া হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি মিজান স্যারের বাসা থেকে একটি শপিং ব্যাগ ও একটি হ্যান্ডব্যাগ গাড়িতে তুলে দেই আমি। ব্যাগে টাকা ছিল। মিজান স্যার জানান, ব্যাগে ১৫ লাখ টাকা আছে। তারা সেদিনও রমনা পার্কের সামনে আসেন। গাড়িতে বসে এনামুল বাছিরের সঙ্গে কথা বলেন মিজান স্যার।

৪০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের মামলায় বরখাস্ত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আরও দুই জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

২৬ সেপ্টেম্বর রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীরা হলেন ডিআইজি মিজানের অর্ডারলি কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন এবং ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর মালিকানাধীন দোকান কর্মচারী রফিকুল ইসলাম। তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আগামি ১২ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ঠিক করেন।

জবানবন্দিতে কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি ডিআইজি মিজানের উত্তরার বাসা থেকে আমি দুইটি ব্যাগ সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে গাড়িতে তুলে দেই। ব্যাগে ২৫ লাখ টাকা ও কিছু বই ছিল। পরে আমাকে রাজারবাগ নামিয়ে দেয়ার জন্য গাড়িতে তোলেন ডিআইজি মিজান। কিন্তু ডিআইজি মিজান আমাকে রমনা পার্কের সামনে নিয়ে আসেন এবং বলেন, তার সঙ্গে কথা বলার জন্য একজন লোক আসবে। তার সঙ্গে কথা শেষে আমাকে যাওয়ার অনুমতি দেন ডিআইজি মিজান।

কিছুক্ষণ পরে লোকটি পার্কে আসেন। তারা দুজন পার্কে গিয়ে কথা বলেন। এরপর তারা গাড়িতে ওঠেন। ডিআইজি মিজান চালককে ওই ব্যক্তিকে রাজারবাগ মোড়ের সামনে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের গলিতে নামিয়ে দিতে বলেন। যাতায়াতের মধ্যবর্তী সময়ে তারা অনেক কথা বলেন। মিজান স্যার ওই লোককে বলেন, ব্যাগে ২৫ লাখ ঠিক আছে। তখন ওই লোক প্রশ্ন করেন যে সব ঠিক আছে ভাই?

‘মিজান স্যার বলেন, সব ঠিক আছে। পরে ওই লোকটাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের গলিতে নামিয়ে দেয়া হয়। লোকটি যাওয়ার পর আমি মিজান স্যারকে জিজ্ঞাসা করি, সে কে? তখন স্যার আমাকে বলেন, লোকটি দুদক কর্মকর্তা এনামুল বাছির। পরে আমি রাজারবাগ ব্যারাকে চলে যাই।’

সাক্ষ্যতে সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি মিজান স্যারের বাসা থেকে একটি শপিং ব্যাগ ও একটি হ্যান্ডব্যাগ গাড়িতে তুলে দেই আমি। ব্যাগে টাকা ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে মিজান স্যার জানান, ব্যাগে ১৫ লাখ টাকা আছে। তারা সেদিনও রমনা পার্কের সামনে আসেন। গাড়িতে বসে এনামুল বাছিরের সঙ্গে কথা বলেন মিজান স্যার। তাকে রমনা পার্কের সামনে আসতে বলেন। এনামুল বাছির পার্কের সামনে এলে তারা দুই জন ভিতরে যান। কথা শেষে তারা আবার গাড়িতে ওঠেন। এনামুল বাছিরকে শান্তিনগর মোড়ে নামিয়ে দিতে বলেন মিজান স্যার।’

সেদিনও গাড়িতে কথা বলেন তারা। এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানকে বলেন, ‘আপনার মামলায় কিছু নেই। আপনার কিছু হবে না।’ পরে তাকে শান্তিনগর মোড়ে নামিয়ে দেন ডিআইজি মিজান। এনামুল বাছির টাকাসহ ব্যাগটি নিয়ে চলে যান।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৩০ মে গুলশান পুলিশ প্লাজায় ডিআইজি মিজান যান। এনামুল বাছির সেখানে আসেন। তারা সেখানে কথা বলেন। এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানকে বলেন, আপনার মামলায় কোনো কাগজপত্র নেই। আপনার কিছু হবে না।’

অপর সাক্ষী দোকানকর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০১৯ সালে গুলশান পুলিশ প্লাজায় আসেন এনামুল বাছির। তখন ডিআইজি মিজান বলেন, ‘টাকা দিলাম, তারপরও আমার নামে কেস হলো।’ এই কথোপকথনের পর তারা বের হয়ে যান।

এনিয়ে মামলাটিতে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

এদিন কারাগারে থাকা মিজানুর রহমান ও এনামুল বাছিরকে আদালতে হাজির করা হয়।

সাক্ষীদেরকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজি।

তিনি নিউজবাংলাকে দুইজনের সাক্ষীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন। গত ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন শেখ মো. ফানাফিল্লাহ।

৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। এরপর আদালত চার্জ গঠনের তারিখ ঠিক করে মামলা ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ বদলির আদেশ দেন। গত ১৮ মার্চ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন

সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তারে অনুমতি কেন সংবিধানবিরোধী নয়: হাইকোর্ট

সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তারে অনুমতি কেন সংবিধানবিরোধী নয়: হাইকোর্ট

সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৪১ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সাথে সম্পর্কিত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণের আগে তাকে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিতে হবে।

অভিযোগপত্রের আগে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারের আগে নিয়োগকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়ার বিধান সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

পাশাপাশি ফৌজদারি মামলার আসামি কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা. সুলতানা পারভীন, সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিনকে পদায়ন করা থেকে বিরত থাকতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে এনডিসি এস এম রাহাতুল ইসলামকে বরিশালে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

হাইকোর্টে এসব বিষয়ে নিয়ে রিটটি দায়ের করেন কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগ্যান। আদালতে তার আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু ও ইশরাত হাসান।

সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৪১ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সাথে সম্পর্কিত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণের আগে তাকে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিতে হবে।

আইনে আরও বলা হয়েছে, যদি বিচারকারী আদালতের গোচরীভূত হয় বিচারাধীন কোনো ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন সরকারি কর্মচারী, তাহলে আদালত অনতিবিলম্বে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে।

রিটকারির আইনজীবী ইশরাত হাসান জানান, সংবাদ প্রকাশের জেরে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগানকে হেনস্থা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে বাড়ি থেকে তাকে মারধর করে তুলে নিয়ে যান জেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা।

পরে সাংবাদিক আরিফুলের কাছে আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে মধ্যরাতেই কারাগারে পাঠানো হয়। জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করেন। কিন্তু আসামিদের এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি। এমনকি একজনকে বরিশালে পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বলা হয়, এসব কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের আগে অনুমতি লাগবে।

এসব বিষয়ে দেখে সরকারি চাকরি আইনের ৪১ (১) ও (৩) এর বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন

জাপানি গাড়িসহ নিলাম হবে ৭৫ লট পণ্যের

জাপানি গাড়িসহ নিলাম হবে ৭৫ লট পণ্যের

চট্টগ্রাম বন্দরের একাংশ

২৯ সেপ্টেম্বর বেলা আড়াইটায় ৭৫ লট পণ্য নিলামে তোলা হবে। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ৯৩ লট পণ্য নিলামে তোলা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা বিভিন্ন মডেলের তিনটি জাপানি গাড়ি, সাড়ে ১৫ হাজার কেজি ড্রাগন ফলসহ ৭৫ লট পণ্য নিলামে তুলছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমদানিকারকরা পণ্যগুলো খালাস না করায় ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই নিলাম।

নিলামের জন্য অপেক্ষারত জাপানি গাড়ি তিনটি যথাক্রমে টয়োটা মাইক্রোবাস, নিশান মাইক্রোবাস, টয়োটা কেআর-৪২ মডেলের।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের তথ্যমতে, এবারের নিলামে গাড়ি ছাড়াও রয়েছে ১৫২ কেজি সালফিউরিক এসিড, ১ ব্যাগ টেক্সটাইল কেমিক্যাল, ১৫ হাজার ৫০০ কেজি ড্রাগন ফল, ১ হাজার ৩১৩ রোল ফেব্রিক্স পণ্য, ৬২ কার্টন প্লাস্টিক হ্যাঙ্গার, ২৪ লাখ ৬০৯ টাকা মূল্যের থান কাপড়, ২০ ব্যাগ জিংক অক্সাইড, ২ হাজার ৫৩০ কার্টন আউটডোর ওয়াল টাইলস, ৩১ হাজার ২০৫ টাকা মূল্যের রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস পণ্য, ১৯৫ কার্টন জেন্টস আন্ডারওয়্যার, ৭ কার্টন পেপার ট্যাগ, ১৩৩ কেজি প্লাস্টিক ফিতা, ২১ কার্টন ওয়েস্ট বেল্ট, ৫০ কেজি পেইন্টিং পণ্য, ৫৯ কার্টন ফ্লাড লাইট, ২২ পিস ল্যাবরেটরি সাপ্লাইজ, ৭৪ কার্টন হ্যান্ড গ্লোভস, ৫৭০ রোল ফ্লোর ম্যাট, ৭৬২ ব্যাগ এলুমিনিয়াম পাউডার, ৩ কার্টন কটন ড্রকর্ড, ৫৩ হাজার কেজি ওজনের এমপিইটি ফিল্ম, ৫১ কার্টন ইলেকট্রিক এয়ার পাম্প, ১৫ হাজার ৭০০ কেজি ওজনের ব্র্যান্ড ফেজার লিফট, ১৫০ কেজি ওজনের পুস্তক নিলামে তোলা হচ্ছে।

এ ছাড়াও ২ হাজার ৬৭০ পিস মোটরসাইকেল টায়ার, ৯৫ হাজার ৮৭৯ টাকা মূল্যের কসমেটিক্স, ৫ হাজার ৩৬৭ টাকার ডিপ লাইনার, ২ হাজার ২৪১ টাকার আই লাইনার, ১৩ লাখ ১২ হাজার ৩৪১ টাকার ক্যাপিটাল মেশিনারি, ৯৮ হাজার ৪২৫ টাকার মেশিনারি পণ্য, ১ লাখ ৯ হাজার ৩৬১ টাকার পিভিসি মেশিন, ১ ইউনিট ডায়নামিক ব্যালেন্সিং মেশিন, ৯১ পিস খালি ড্রাম, ২৭ হাজার ১৫০ কেজি ওয়্যার রোপ, ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯৬ কেজি ওজনের চেইন ক্যাবল, ৩০ পিস ইলেকট্রিক স্ট্যান্ড ফ্যান, ৬ কোটি ১২ লাখ ৪২ হাজার টাকার বয়লার পণ্য, ৪ হাজার ৭৭৪ কেজি ওজনের শার্ট ফেব্রিক্স, ৬২ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮৭ কেজি ওজনের উল ফেব্রিক্স, ১ হাজার ৪৩০ কেজি ওজনের আমব্রেলা ফেব্রিক্স, ১৮ পিস ওয়াল ফ্যান, ৫ লাখ ৭৭ হাজার ২০৯ টাকার ব্লক ও ব্লেড পণ্য, ৪৬ রোল কম্বল, ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ২৯২ টাকার জিংক শিট পণ্য উঠছে নিলামে।

সরকারি নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স কে এম করপোরেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ মোরশেদ বলেন, বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে নিলামের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। নিলামে অংশ নিতে হলে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অফিস চলাকালীন ২০০ টাকা দরে ক্যাটালগ ও ১০০ টাকা দরে দরপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

আগামী ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা (প্রশাসন) ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে টেন্ডার বক্সে দরপত্র জমা দিতে হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার (নিলাম শাখা) মো. আল আমিন জানান, বন্দরে আমদানি করা পণ্য যথাসময়ে খালাস না করলে তা নির্দিষ্ট সময় পর নিলামে তোলা হয়। কারণ খালাস না করা পণ্য বন্দরের ইয়ার্ডগুলো দখল করে রাখে। এতে কনটেইনার জটের সম্ভাবনা থাকে। তাই বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনটি নিলাম ডাকার চেষ্টা করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

২৯ সেপ্টেম্বর বেলা আড়াইটায় ৭৫ লট পণ্য নিলামে তোলা হবে। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ৯৩ লট পণ্য নিলামে তোলা হয়েছিল।

বিদেশ থেকে আনা বিভিন্ন পণ্য অনেক সময় খালাস করেন না আমদানিকারকরা। পাশাপাশি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনতে গিয়ে কায়িক পরীক্ষায় আটক হয় এসব পণ্যের বড় একটা অংশ। নিয়মনুযায়ী আমদানিকারকদের ৩০ দিনের মধ্যে তাদের পণ্য খালাসের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু যথাসময়ে পণ্য খালাস না করলে এগুলোকে নিলামে তোলে কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন

লিবিয়া থেকে ফিরেই গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি

লিবিয়া থেকে ফিরেই গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ওই মামলায় কালুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত। এরপরই সেই পরোয়ানা বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয় তার সন্ধানে। ঘটনার ৫ বছর পর কালু দেশে ফিরতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। এখন বাকি আইনি কার্যক্রম আদালতের নির্দেশে পরিচালিত হবে।

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন এক আসামি।

গ্রেপ্তার আজাদ হোসেন কালুকে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শনিবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজাদ হোসেন কালুর বাড়ি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ধানডোবা গ্রামে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার এসআই কেএম আব্দুল হক জানান, ২০১৬ সালে স্কুলছাত্রী কবিতা হত্যার পর লিবিয়ায় পালিয়ে যান আসামি আজাদ হোসেন কালু। শনিবার সকালে লিবিয়া থেকে দেশে ফেরেন তিনি। হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কালুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলার বিষয়টি জানতে পারেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। ইমিগ্রেশন থেকে গৌরনদী মডেল থানায় যোগাযোগ করা হলে কালুকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ওই মামলায় কালুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত। এরপরই সেই পরোয়ানা বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয় তার সন্ধানে। ঘটনার ৫ বছর পর কালু দেশে ফিরতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। এখন বাকি আইনি কার্যক্রম আদালতের নির্দেশে পরিচালিত হবে।

২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সকালে গৌরনদীর সুন্দরদী এলাকার আয়নাল হকের মেয়ে কবিতা আক্তারের হাত-পা বাধা মরদেহ স্থানীয় একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। টরকী বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী কবিতা আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার ধানডোবা গ্রামের আজাদ হোসেন কালুর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই কবিতাকে তার প্রেমিক কালু হত্যা করেছে বলে অভিযোগ তোলেন স্বজনরা এবং মেয়েটির বাবা আইনুল হক বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এসব ঘটনার পর থেকেই কালুর কোনো সন্ধান মিলছিল না।

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন

২৬ দিনে ডেঙ্গুতে ১৫ মৃত্যু

২৬ দিনে ডেঙ্গুতে ১৫ মৃত্যু

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে এক শিশু। ফাইল ছবি

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্টে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়। চলতি মাসের ২৬ দিনে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে চলতি মাসের ২৬ দিনে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে রোববার বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ে শুধু ঢাকা বিভাগের হাসপাতালগুলোতেই ভর্তি হয়েছে ১৮৫ জন। অন্য বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ৫৭ জন।

চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৭ হাজার ৩৫৭ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৬ হাজার ২৫৩ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ৪৩ জন। এদের মধ্যে ঢাকার ৪১টি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৮১৪ রোগী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্টে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়। চলতি মাসের ২৬ দিনে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২১ বছর ধরে দেশে ডেঙ্গুর সার্বিক বিষয় নিয়ে তথ্য জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। সেই বছর এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। মারা যায় ১৪৮ জন। ডেঙ্গুতে এত মৃত্যু আর কখনও দেখেনি দেশ।

এর আগে ডেঙ্গুতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয় ২০০২ সালে, সেবার ৫৮ জনের মৃত্যু সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া ২০০১ সালে ৪৪ জন মারা যায়। ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলেও করোনা মহামারির মধ্যে ২০২০ সালে ডেঙ্গু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে এবার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী ও মৃত্যুর হার।

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন

চিকিৎসা শেষে ফেরার পথে শিশুর প্রাণ গেল দুর্ঘটনায়

চিকিৎসা শেষে ফেরার পথে শিশুর প্রাণ গেল দুর্ঘটনায়

আদুরি খাতুন জানান, মেয়ের ঠাণ্ডা-জ্বর হওয়ায় তাকে নিয়ে সদর হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে আলমসাধুতে বাড়ি ফিরছিলেন। হাকিমপুরে ভাঙাচোরা রাস্তায় ঝাঁকি লেগে তিনি মেয়েসহ আলমসাধু থেকে পড়ে যান।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার সময় আলমসাধু থেকে পড়ে সাত মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে শিশুটির মা।

আলমডাঙ্গা উপজেলার হাকিমপুর গ্রামে রোববার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত আনিকা খাতুন আলমডাঙ্গা উপজেলার তিয়রবিলা গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম ও আদুরি খাতুনের ছোট মেয়ে। তাদের পাঁচ বছরের একটি ছেলে আছে।

আদুরি খাতুন নিউজবাংলাকে জানান, মেয়ের ঠাণ্ডা-জ্বর হওয়ায় তাকে নিয়ে সদর হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে আলমসাধুতে বাড়ি ফিরছিলেন। হাকিমপুরে ভাঙাচোরা রাস্তায় ঝাঁকি লেগে তিনি মেয়েসহ আলমসাধু থেকে পড়ে যান।

স্থানীয়রা তাদের সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই শিশুটি মারা গেছে। তার মাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত বা মামলার বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন

রেইনট্রি ধর্ষণ মামলায় পেছাল যুক্তিতর্ক

রেইনট্রি ধর্ষণ মামলায় পেছাল যুক্তিতর্ক

বনানীর রেইনট্রি হোটেল। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ প্রতিবেদনে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। অপর আসামি সাদমান সাকিফ, রহমত আলী ও বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়।

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ ৫ আসামির যুক্তিতর্কের তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহার অসুস্থ থাকায় রোববারের নির্ধারিত যুক্তিতর্ক হয়নি। এদিন যুক্তিতর্কের তারিখ পরিবর্তন করে ৩ অক্টোবর ধার্য করা হয়েছে বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইশতিয়ার আলম জনি।

২০১৭ সালের ২৮ মার্চ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে অস্ত্রের মুখে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়।

পুলিশ প্রতিবেদনে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। অপর আসামি সাদমান সাকিফ, রহমত আলী ও বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৭ জুন অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালত সে বছর ১৩ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। এরপর গত ২২ আগস্ট মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। অভিযোগপত্রে ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।

গত ২৯ আগস্ট আত্মপক্ষ শুনানিতে সাফাতসহ ৫ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। আসামিরা সকলেই জামিনে রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
পাহাড় কাটার কারণেই ধস
পাহাড়ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৯২ পরিবার
পাহাড়ধসে ১ দিনে ১২ মৃত্যু, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

শেয়ার করুন