অটোরিকশার চার্জার বিস্ফোরণ: স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

অটোরিকশার চার্জার বিস্ফোরণ: স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মৃত দুইজনের মরদেহ শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মর্গে রাখা হয়েছে। তাদের সন্তানরাও বাঁচবে মনে মনে হচ্ছে না। তাদের অবস্থাও ভালো না।’

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি বাসায় অটোরিকশার চার্জার বিস্ফোরণে একই পরিবারের দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন আব্দুল মতিন ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার ময়না।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন পার্থ শংকর পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আজ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে আব্দুল মতিন ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার মারা যান গত রাতে। তাদের দুই সন্তান ও ময়নার ভাগনে আবুল খায়েরের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মৃত দুইজনের মরদেহ শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মর্গে রাখা হয়েছে। তাদের সন্তানরাও বাঁচবে বলে মনে হচ্ছে না। তাদের অবস্থাও ভালো না।’

কামরাঙ্গীরচরের আহসানবাগ এলাকায় শুক্রবার ভোররাত ৪টার দিকে অটোরিকশার চার্জার বিস্ফোরণে আহত হন ইজিবাইকচালক মতিন, তার স্ত্রী ইয়াসমিন, দুই মেয়ে আয়শা ও মায়শা এবং ময়নার ভাগনে আবুল খায়ের রায়হান।

তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে। পাঁচজনকেই শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

ওই ঘটনায় মতিনের শরীরের ৯২, ময়নার ৯৫, আয়শার ৪৬, মায়শার ৪২ ও রায়হানের শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ হয়।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজন ঢাকায়
অটোরিকশার চার্জার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬
মগবাজার বিস্ফোরণ: আরেকজনের মৃত্যু
মগবাজার বিস্ফোরণ গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে?

শেয়ার করুন

মন্তব্য