২০ ইঞ্চির রানিকে পাচ্ছেন কে

২০ ইঞ্চির রানিকে পাচ্ছেন কে

সাভারের খর্বাকৃতির এ গরুর উচ্চতা মাত্র ২০ ইঞ্চি। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমার কাছে সবচেয়ে পছন্দ যদি এটাকে চিড়িয়াখানায় রাখতে পারা যায়। একজন এটাকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দান করতে চেয়েছেন। এটা খুব ভালো উদ্যোগ। আমার হয়তো চিড়িয়াখানায় দান করার মতো অ্যাবিলিটি নাই। যদি উনি আমাকে সহযোগিতা করেন, তখন যদি আমার কিছু লসও হয়, তারপরও আমি দিয়ে দিব।’

শুধু দেশেই নয়, রানির নাম এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বে। গিনেস বুকে ঠাঁই পেতে যাওয়া ২০ ইঞ্চি বক্সার ভুট্টি জাতের এই গরুর দেখা মিলেছে সাভারের একটি খামারে। ২৬ কেজি ওজনের রানিকে কিনতে চান অনেক শৌখিন ক্রেতা ও খামারমালিকরা। তাই তো প্রতিদিনই ফোনে ক্রেতারা সর্বোচ্চ ১০ লাখ পর্যন্ত দাম হাঁকছেন গরুটির। কিন্তু খামার কর্তৃপক্ষ গিনেস বুকে নাম ওঠার আগে কোনোভাবেই রানিকে হাতছাড়া করতে নারাজ। এর জন্য অপেক্ষা ৯০ দিনের।

রানির বেড়ে ওঠা সাভার উপজেলার পাথালিয়া গ্রামে শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামে একটি খামারে। খামারটির স্বত্বাধিকারী কাজী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান প্রায় এক বছর আগে তার এক কর্মচারীর মাধ্যমে নওগাঁ থেকে গরুটি সংগ্রহ করেন। এরপর থেকেই রানিকে লালন-পালন করা হয়েছে তার খামারে। বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে পরিচিতি পাওয়া রানির খবর বাইরে এসেছে বেশ কিছুদিন ধরেই। তবে আজ দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে প্রচারের পর রানির চাহিদা বেড়েছে। শৌখিন ক্রেতা কিংবা বড় বড় খামারমালিক পালনের জন্যই রানিকে কিনতে চাইছেন চড়া দামেই।

শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক তানভির হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেকেই ফোন দিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। প্রতিদিন রানি রিলেটেড ৫-৬টা কল পাই। বিভিন্ন ক্যাটল ইন্ডাস্ট্রি, শৌখিন পালক এই টাইপের আরকি। কিন্তু আমারা তো গিনেসে নাম ওঠা না পর্যন্ত সেলের চিন্তা করছি না। যদি নাম না ওঠে, তারপরও আমাদের পালার ইচ্ছা আছে। আর যদি স্যার মনে করেন, সেল করবেন, তখন প্রাইসটা অফার করা হবে। তবে স্যারের শখ থেকেই রানিকে পালনের পরিকল্পনা আছে।’

রানিকে কীভাবে সংগ্রহ করলেন, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নওগাঁর খামারি আমাদের পরিচিত বাবু ভাইয়ের কাছে গরুটি ছিল। ওনার যে সোর্স ছিল তার মাধ্যমে বাবু ভাই গরুটিকে সংগ্রহ করছিল। বাবু ভাইয়ের সংগ্রহে যখন ছিল তখন মানুষজন ওখানে দেখতে যেত। বাবু ভাইয়েরও বেশ কয়েকটি খামার আছে। মূলত উনি সব সময় আনকমন ও নোভাল গরু সোর্সিং করেন। আমরা তো আসলে আগে কিনে ছয় মাস কিংবা এক বছর ধরে পালি। এই যেমন এখন গরু শেষ হয়ে যাবে। ঈদের পরে আমরা আবার একটা সোর্সিংয়ে যাব। সারা দেশেই সোর্সিং করি।’

আরও পড়ুন: খর্ব গরুর বিশ্বরেকর্ড গড়বে ‘বাংলাদেশের রানি’


‘বাবু ভাই, আমরা চেষ্টা করছিলাম এটার প্রকৃত মালিকে খুঁজে বের করতে? কিন্তু আমরা আইডেন্টিফাই করতে পারি নাই। আমরা এতটুকু শুনছি এটা পঞ্চগড়ে এক কৃষকের কাছে ছিল। কিন্তু যাদের মাধ্যমে আমরা নিয়েছি, তারা মেইন মালিককে শো করতে পারে নাই। বাবু ভাই যার কাছ থেকে নিয়েছিল, তার নামটাও মনে নাই। অনেক দিন আগে তো। ধরেন সিস্টেমটা এ রকম কেউ ভায়া হয়ে মালিককে শো করবে না। ধরেন, কেউ দুই টাকা দিয়া কিনল। আমার কাছে কিন্তু দুই টাকা বলবে না। দশ টাকা বলবে। এই ফুটআপটার জন্যই আমরা মেইন মালিককে বের করতে পারি নাই।’

বক্সার ভুট্টি জাতের গরুর আকার কী রকম হয়, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা যখন জন্মায় একেকটা বক্সার ভুট্টি ১৬-২০ ইঞ্চি হয়। এরপর আস্তে আস্তে ৫০-৬০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। আমাদের খামারে অন্য যে বক্সার ভুট্টিগুলো আছে, ওগুলো ৪০-৪৫ ইঞ্চি।’

২০ ইঞ্চির রানিকে পাচ্ছেন কে


বক্সার ভুট্টি জাত কীভাবে দেশে এসেছে, এ ব্যাপারে বলেন, ‘এটা প্রথমে নেপাল থেকে ইন্ডিয়ায় আসে। পরে একটা প্রতিবেদন দেখে একজন বাংলাদেশি শখের বশে ওইখান থেকে নিয়ে আসে। তারপর ওইটাকে বিট করা হয়। ওইখান থেকে আস্তে আস্তে সব খামারি ভুট্টি পালন শুরু করে। এখন ম্যাক্সিমাম ৪০০-৫০০ খামারি ভুট্টিটা পালে। আরও বেশি হতে পারে। সব জায়গায় এখন ভুট্টিটা পালে।’

খামারটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশের ধরেন যদি টপ ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টরাই বলি, তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করছেন। মূলত শৌখিন ব্যক্তিরাই নিতে চাচ্ছেন। আমাকে প্রাইসটা আসলে অনেক রকমই বলেছে। গতকালকে একজন সাড়ে ৫ লাখ টাকা দাম বলছে। আজকে একজন ১০ লাখ টাকা বলছে। এখন ওনাদের ধারণা হচ্ছে, আমরা হয়তো টাকার জন্য এটা বিক্রি করছি না।

‘কিন্তু আমাদের জন্য জরুরি হচ্ছে গিনেস বুকে এক্সেপ্টেন্সটা আগে চাই। এটা হইলে কেউ যদি শৌখিন নিতে চায়, সেটা ভেবে দেখব। সত্যি কথা বলতে আমি নিজেও পালতে চাই। এর আগে প্রজনন করানোর জন্য ডাক আসছিল। কিন্তু কোনো রিস্ক নিতে চাই নাই। এ জন্য আমি প্রজননও করাই নাই। আমি চাইছি গিনেস বুকে ইন্ডিয়ার জায়গায় বাংলাদেশের নাম আসুক।

‘যতজন আমাকে ফোন করছেন, কেউই কোরবানির কথা বলে নাই। তাদের সবারই চিন্তা হচ্ছে, এটা তো আসলেই ইন্টারেস্টিং একটা প্রাণী। এটাকে সংগ্রহে রাখতে চাই। এর ভিতরে একজন ভদ্রলোক বলেছেন, এই প্রাণীটাকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য উনি এটাকে কিনে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দান করতে চান।’

রানিকে নিয়ে সবশেষ সিদ্ধান্ত কী নেবেন, এমন প্রশ্নে বলেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে পছন্দ যদি এটাকে চিড়িয়াখানায় রাখতে পারা যায়। একজন এটাকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দান করতে চেয়েছেন। এটা খুব ভালো উদ্যোগ। আমার হয়েতো চিড়িয়াখানায় দান করার মতো অ্যাবিলিটি নাই। যদি উনি আমাকে সহযোগিতা করে, তখন যদি আমার কিছু লসও হয় তারপরও আমি দিয়ে দিব। কাউকে দিলে অবশ্যই চিড়িয়াখানায় দিতে চাই। এটাই আমার ফাইনাল সিদ্ধান্ত।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ছাত্রীকে ধর্ষণে মাদ্রাসাশিক্ষকের যাবজ্জীবন

ছাত্রীকে ধর্ষণে মাদ্রাসাশিক্ষকের যাবজ্জীবন

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে এই মাদ্রাসাশিক্ষককে। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে গাইড বই দেয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেন সাইফুল। মাদ্রাসার কাছেই নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান তিনি।

বরগুনায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষক সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেয়া হয়েছে মামলার আরেক আসামি সাইফুলের ভাবী রাশেদা বেগমকে।

বরগুনার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন।

সাইফুল ইসলামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা গ্রামে।

২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে গাইড বই দেয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেন সাইফুল। মাদ্রাসার কাছেই নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান তিনি।

আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়। সেখান থেকে পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

ঘটনার দিন বিকেলেই সাইফুল ও তার ভাবীর বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন ওই কিশোরীর বাবা। সে বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

শেয়ার করুন

ট্রেনে কাটা পড়ে লাইনে বসে থাকা স্কুলছাত্রী নিহত

ট্রেনে কাটা পড়ে লাইনে বসে থাকা স্কুলছাত্রী নিহত

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত স্কুলছাত্রী নুসরাত জাহান তোয়া। ছবি: নিউজবাংলা

তোয়ার মা শায়লা বেগম বলেন, ‘সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে বের হয়। আমি আর আমার ছোট মেয়ে তাকে খানিকটা এগিয়েও দিয়ে আসি। বান্ধবীর বাসা থেকে তার স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কথা। ও রেললাইনে কীভাবে গেল বুঝতে পারছি না।’

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে।

কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নুসরাত জাহান তোয়া এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে পরিবারের সঙ্গে এলেঙ্গা শামসুল হক কলেজের সামনে একটি ভাড়া বাসায় থাকত। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা স্কুলের পোশাক পরা দুটি ছেলেমেয়েকে রেললাইনে এসে বসে থাকতে দেখেন। মেয়েটি লাইনের ওপর আর ছেলেটি একটু নিচে পাথরের ওপর বসা ছিল। এ সময় উত্তরবঙ্গগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে ওই স্কুলছাত্রী কাটা পড়ে। এরপর ছেলেটি দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়।

পুলিশ তার মোবাইল চেক করে জানায়, দুর্ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে সোহাগ আল হাসান জয় নামের এক ছেলের সঙ্গে মেয়েটির মেসেঞ্জারে কথা হয়। তারা রেললাইনে দেখা করতে আসে।

তবে তোয়ার মা শায়লা বেগম বলেন, ‘সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে বের হয়। আমি আর আমার ছোট মেয়ে তাকে খানিকটা এগিয়েও দিয়ে আসি। বান্ধবীর বাসা থেকে তার স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কথা। ও রেললাইনে কীভাবে গেল বুঝতে পারছি না।’

এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম বলেন, ‘আজকে তোয়াদের গণিত পরীক্ষা ছিল। সকালে খবর পাই সে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছে।’

ঘারিন্দা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আব্দুস সবুর জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলা: তিনজনকে যাবজ্জীবন

মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলা: তিনজনকে যাবজ্জীবন

গাইবান্ধার আদালতে রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামিদের নেয়া হয় কারাগারে। ছবি: নিউজবাংলা

আইনজীবী ফারুক আহমেদ বলেন, ২০১৮ সালের ১২ মে মা-মেয়েকে অর্থ সম্পদ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে জামালপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জে ডেকে নেন আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে তারা। এ ঘটনার পরদিন ওই নারী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মা-মেয়ে ধর্ষণ মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলায় দুই আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক আবদুর রহমান মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের বেলাল হোসেন। একই গ্রামের এমদাদুল হক ও শ্যামপুর পারর্তীপুর গ্রামের খাজা মিয়া।

খালাস পাওয়া দুজন হলেন আজিজুল ইসলাম ও আসাদুল ইসলাম। আজিজুলের বাড়ি সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামে এবং আসাদুলের বাড়ি সুন্দাইল গ্রামে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ প্রিন্স।

তিনি জানান, ২০১৮ সালের ১২ মে মা-মেয়েকে অর্থ-সম্পদ দেয়ার কথা বলে জামালপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জে ডেকে নেন আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে তারা।

এ ঘটনার পরদিন ওই নারী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে গোবিন্দঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। পরে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতা: ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় মামলা

নির্বাচনি সহিংসতা: ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় মামলা

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতায় নিহত লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ইছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

রামগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, ইছাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে সদ্য জয়ী আমিরকে প্রধান আসামি করে সজিবের বোন ২১ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ইছাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও এর বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।

নিহত সজিব হোসেনের বোন মঙ্গলবার সকালে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে প্রধান আসামি করে রামগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ২৮ তারিখের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আমির হোসেন খাঁন। তিনি এই নির্বাচনে জয় পান।

আমিরকে প্রধান আসামি করে সজিবের বোন ২১ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এর আগে রোববার ওসি জানান, রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে নৌকা ও এর বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে এটি সংঘর্ষ পর্যন্ত গড়ায়। সে সময় মাথায় আঘাত পান সজিব হোসেন।

তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে চাঁদপুরের হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন

শফি-বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন জিহাদী

শফি-বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন জিহাদী

শফি-বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন নুরুল ইসলাম জিহাদী। সংগৃহীত ছবি

হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটির নায়েবে আমির সালাউদ্দিন নানুপুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতে ঢাকায় জানাজা শেষে মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হয় হুজুরের মরদেহ। শফি সাহেব ও বাবুনগরী সাহেবের কবরের পাশে তার জন্য কবর তৈরি করা হয়েছিল। মরদেহ মাদ্রাসায় আনার পর ফজরের আজানের আগে দাফন করা হয়েছে।’

আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী।

মঙ্গলবার ফজরের আজানের আগে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় সংলগ্ন বায়তুন নূর মসজিদের পেছনে তাকে দাফন করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটির নায়েবে আমির সালাউদ্দিন নানুপুরী।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতে ঢাকায় জানাজা শেষে মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হয় হুজুরের মরদেহ। শফি সাহেব ও বাবুনগরী সাহেবের কবরের পাশে তার জন্য কবর প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। মরদেহ মাদ্রাসায় আনার পর ফজরের আজানের আগে দাফন করা হয়েছে।’

এর আগে সোমবার সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের চিকিৎসধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। শনিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় ল্যাবএইডে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে।

শেয়ার করুন

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন

কোনাবাড়িতে পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ছয়টি ইউনিট। ছবি: নিউজবাংলা

জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন বলেন, প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর থেকে আরও তিনটি ইউনিট যোগ দেয়। ভবনের নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত। আশাকরি দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে একটি পোশাক কারখানায় আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

জরুন এলাকার রিপন গার্মেন্টসে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে আগুন লাগে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন।

তিনি বলেন, প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর ও উত্তরা থেকে আরও পাঁচটি ইউনিট যোগ দেয়। ভবনের নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত। আশাকরি দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।


গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন


কারখানার নিরাপত্তাকর্মী কাজল কুমার ও বিপ্লব বলেন, দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে হঠাৎ নিচতলার গোডাউনে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।

শ্রমিক হাবিব বলেন, ‘কারখানায় প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ নিচতলায় আগুন লাগলে আমরা সবাই নিরাপদে বের হয়ে যাই। এখন আগুন আরও বেড়েছে।’

আরও আসছে...

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় তরুণ নিহত

চট্টগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় তরুণ নিহত

ফাইল ছবি

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চৌধুরী রেজাউল করিম জানান, ভোরে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ওই তরুণ আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালিতে ট্রাকের ধাক্কায় এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

কোতোয়ালি থানার নিউমার্কেট এলাকায় মোটেল সৈকতের সামনে মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চৌধুরী রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের নাম জগদীশ দাশ। তিনি চকবাজারের জয়নগর এলাকার নির্মল কান্তি দাশের ছেলে।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চৌধুরী রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে জানান, ভোরে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ওই তরুণ আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন