কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ

কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ

১২ মে চট্টগ্রাম আদালতে মিতু হত্যা মামলার আসামি বাবুল আকতার। ছবি: নিউজবাংলা

আইনজীবী আরিফুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বাবুলের সুচিকিৎসার জন্য আদালতে আবেদন করেছি। আদালত কারাবিধি অনুযায়ী তাকে চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আমরা আদালতের নির্দেশ কারাগারে পৌঁছে দেব।’

মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় কারাবন্দি স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারকে কারাবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মেহনাজ রহমানের আদালত রোববার বিকেল ৪টার দিকে এই আদেশ দেন।

আইনজীবী আরিফুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বাবুলের সুচিকিৎসার জন্য আদালতে আবেদন করেছি। আদালত কারাবিধি অনুযায়ী তাকে চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আমরা আদালতের নির্দেশ কারাগারে পৌঁছে দেব।’

হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গত বৃহস্পতিবার আদালতে আবেদন করেন বাবুল। চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সরোয়ার জাহানের আদালতে এ আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী আরিফুর রহমান।

আরিফুর রহমান বলেন, ‘বাবুল নানা রোগে ভুগছেন। তার চিকিৎসা প্রয়োজন। কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসাব্যবস্থা নেই। তাই আমরা কারাগারের বাইরে অন্য যেকোনো হাসপাতালে তার চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছি।’

তিনি জানান, বাবুল আকতারের ফুসফুসে সমস্যা আছে। অনিয়মিত রক্তচাপে ভুগছেন। এ ছাড়া তার অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে।

শারীরিক সমস্যার কারণে বাবুল গত জানুয়ারি থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত রাজধানীর দুটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলেও জানান পুলিশের এই সাবেক কর্মকর্তার আইনজীবী।

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্ত্রী মিতুকে হত্যার অভিযোগে বাবুলের বিরুদ্ধে গত ১২ মে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করা হয়। মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের করা সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই দিনই বাবুলকে আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হওয়ার পর চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মিতুকে।

ঘটনার পর তৎকালীন এসপি বাবুল আকতার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

তবে বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ও শাশুড়ি সাহেদা মোশাররফ এই হত্যার জন্য বাবুলকে দায়ী করে আসছিলেন।

শুরু থেকে চট্টগ্রাম পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালত মামলাটির তদন্তের ভার পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেয়।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির বাসা থেকে জব্দ করা মদের বোতল। ছবি: নিউজবাংলা

‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে গতানুগতিক নিয়ম অনুযায়ী পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়। যা একটি লাইসেন্সে কাভার করে না। পাশাপাশি তার বাসায় লাইসেন্সের একটি কপি পেয়েছি, তবে তা আইনসিদ্ধ নয় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল।’

পরীমনির বাসায় তার একটি মদের লাইসেন্সের কপি পেয়েছে র‍্যাব। তবে সেটি আইনসিদ্ধ ছিল না বলে জানিয়েছেন এলিট বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে র‍্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে গতানুগতিক নিয়ম অনুযায়ী পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়। যা একটি লাইসেন্সে কাভার করে না। পাশাপাশি তার বাসায় লাইসেন্সের একটি কপি পেয়েছি, তবে তা আইনসিদ্ধ নয় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল।’

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এমনকি ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন তিনি। তার বাসায় একটি মিনি বারও রয়েছে। তিনি বাসায় নিয়মিত মদের পার্টি করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ পরীমনির বাসায় এসব মাদক সাপ্লাই (সরবরাহ) করতেন।’

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...
পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন

অনুমোদনহীন ডিগ্রি সরাতে রাজি ডা. জাহাঙ্গীর

অনুমোদনহীন ডিগ্রি সরাতে রাজি ডা. জাহাঙ্গীর

ডা. জাহাঙ্গীর বললেন, ‘বিএমডিসি যদি আপত্তি তোলে, তাহলে আমি প্রয়োজনে এগুলো লিখব না। এগুলো সাইনবোর্ড, প্রেসক্রিপশন বা ভিজিটিং কার্ড থেকে বাদ দিয়ে দিব।’

বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন ছাড়া চারটি ডিগ্রি এখন থেকে আর সাইনবোর্ড, প্রেসক্রিপশন বা ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করবেন না বলে জানিয়েছেন কিটো ডায়েটের পরামর্শ দিয়ে বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়া ডা. জাহাঙ্গীর কবির।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিএমডিসি চিঠি পাঠাবে এটা আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তবে বিএমডিসি যদি আপত্তি তোলে, তাহলে আমি প্রয়োজনে এগুলো লিখব না। এগুলো সাইনবোর্ড, প্রেসক্রিপশন বা ভিজিটিং কার্ড থেকে বাদ দিয়ে দেব।’

তিনি বলেন, ‘কোনো চিকিৎসক যদি ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসে, সেটা তো বিএমডিসি অনুমোদন দেবে না। কারণ বিএমডিসি সেটা গ্রহণ করবে না।’

ডা. জাহাঙ্গীর দাবি করেন, প্রেসক্রিপশনে তিনি তার ডিগ্রিকে ট্রেইনিং (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) হিসেবে উল্লেখ করতেন। তবে বিএমডিসির দাবি, তিনি তার প্রেসক্রিপশনে ডিগ্রি হিসেবেই উল্লেখ করতেন। এরকম প্রেসক্রিপশনের নমুনা তাদের কাছে আছে।

এর আগে ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে ‘অপচিকিৎসার’ অভিযোগ তোলে চিকিৎসকদের সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজ (এফডিএসআর)। এ অভিযোগের পর দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চেয়ে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে বিতর্কিত ভিডিওসহ মোট তিনটি পোস্ট সরিয়ে নেবেনে বলে জানান ডা. জাহাঙ্গীর।

তবে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া এফডিএসআর নেতারা বলছেন, ডা. জাহাঙ্গীরকে কিটো ডায়েট সংক্রান্ত সব ভিডিও সরাতে হবে। তা না হলে ‘অপচিকিৎসার’ অভিযোগে মামলা করা হবে তার বিরুদ্ধে। এসব ভিডিও সরিয়ে নিতে ডা. জাহাঙ্গীরকে সাত দিনের সময় দিয়েছে এফডিএসআর।


আরও পড়ুন: ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের ডিগ্রির ‘অনুমোদন নেই’

বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী, দেশের চিকিৎসকরা তাদের সাইনবোর্ড, প্রেসক্রিপশন বা ভিজিটিং কার্ডে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি উল্লেখ করতে গেলে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন নিতে হয়। এই আইন না মেনে দীর্ঘদিন ধরে বিএমডিসির অনুমোদন ছাড়াই চারটি ডিগ্রি ব্যবহার আসছেন ডা. জাহাঙ্গীর।

আইন অনুযায়ী, প্র্যাকটিস করা যে কোনো চিকিৎসককে তাদের অর্জিত ডিগ্রির সদনের কপি বিএমডিসিতে জমা দিয়ে তা ব্যবহারের অনুমোদন নিতে হয়। বিএমডিসি সেগুলো যাচাই করে একটি নিবন্ধন নম্বর দেয়। এরপর ডিগ্রির তথ্য বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখ করার অনুমতি মেলে।

ডা. জাহাঙ্গীর কবির তার সাইনবোর্ডে, প্রেসক্রিপশনে যেসব ডিগ্রি উল্লেখ করেছেন সেগুলোর বিষয়ে তিনি বিএমডিসিতে কোনো আবেদন করেননি।

ডা. জাহাঙ্গীর এমবিবিএস ছাড়াও যে চারটি ডিপ্লোমা ডিগ্রি ব্যবহার করছেন, সেগুলো হলো: ডিপ্লোমা মডিউল ইন ডায়াবেটিস (এডুকেশন ফর হেলথ), ডিপ্লোমা মডিউল ইন অ্যাজমা (এডুকেশন ফর হেলথ), ডিপ্লোমা মডিউল ইন সিওপিডি (এডুকেশন ফর হেলথ), স্পিরো ৩৬০ স্পাইরোমেট্রি কোর্স (ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএমডিসির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা যেহেতু অভিযোগ পেয়ে তাকে চিঠি দিয়েছি, এ বিষয়ে তিনি আমাদের কারণ ব্যাখ্যা করে জবাব দেবেন। এরপর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‘এছাড়া ডা. জাহাঙ্গীর কবির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করছেন। এই ভিডিওগুলোতে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। তিনি কেন অনুমোদন ছাড়াই ডিগ্রিগুলো ব্যবহার করছেন? এটা কী ধরনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ, সেটা আমাদের আইনে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাখ্যা দিতে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।’

বিএমডিসির পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাইলে মো. লিয়াকত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১৫ দিনে জবাব না এলে ধারাবাহিকভাবে তিনটা চিঠি তার কাছে পাঠানো হবে। এরপরেও জবাব না দিলে ডিগ্রিগুলো নকল ধরে নিয়ে র‌্যাবের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। আমাদের সংস্থার কর্মকর্তারা সেই অভিযানে থাকবেন।’

চিকিৎসকদের সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজের (এফডিএসআর) মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের ব্যবহার করা ডিগ্রিগুলোর অনুমোদন বিএমডিসি দেয়নি। এগুলো আসলে মানুষকে প্রলুব্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটা এক ধরনের প্রতারণার শামিল এবং অবশ্যই নিয়ম লঙ্ঘন।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন

আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও

আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও

আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কালীরহাট আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা।

ইউএনও মনসুর বলেন, ‘নিউজ করতে গেলে দুটি কমিউনিটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে। আপনারা যদি এ পর্যন্ত অফ যান, তাহলে দুটি কমিউনিটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের থাপ্পড় দিয়ে ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া লালমনিরহাটের সেই ইউএনও এ বিষয়টি নিয়ে আর কোনো সংবাদ প্রচার করতে মানা করেছেন।

আদিতমারীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনসুর উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছেন, এসব খবর প্রচার হলে ওই সম্প্রদায়ের ক্ষতি হতে পারে।

এর আগে তাকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য করে রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে সেটি বুধবার সংবাদকর্মীদের হাতে আসে।

গত ১৭ জুলাই আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কালীরহাট আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এ বৃষ্টির পানি জমে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ইউএনও মনসুর ওই দিন সেখানে গিয়ে করুণা কান্ত রায় নামের এক ব্যক্তির জমির মাঝ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা তৈরির কাজ শুরু করেন।

এতে করুণা বাধা দিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন সরকারি খাস জমি থাকলেও জোর করে তার জমি নেয়া হচ্ছে।

করুণা বলেন, ‘আমার জমির মাঝ বরাবর দিয়ে ড্রেন না করে জমির এক পাশ দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করেন। তাতে আমার জমিটা ভালো থাকবে।’

করুণা জানান, এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই ইউএনও উত্তেজিত হয়ে করুণা ও তার দুই ভাই অমূল্য কুমার ও সুনীল কুমারকে গালাগাল করে বলেন, ‘আমি এই উপজেলার মালিক, আমি ইউএনও মনসুর উদ্দিন বলছি। আমি যে সিদ্ধান্ত দেব, সেটাই সবাইকে মেনে নিতে হবে।

‘একেবারে থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফালায় দেব। এর পরেও যদি এখানে কেউ কথা বলার সাহস দেখায় তাহলে তাদের জমি খাস করে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ভারতে পাঠিয়ে দেব এবং দরকার হলে ফেনসিডিল দিয়ে চালান দেব।‘

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে ইউএনও মনসুরকে বদলি করা হয়। তার বক্তব্যের জন্য গেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, ‘নিউজ করতে গেলে দুটি কমিউনিটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে। আপনারা যদি এ পর্যন্ত অফ যান, তাহলে দুটি কমিউনিটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। ডিসি স্যারকে বলেন। ডিসি স্যার বুজবে। ডিসি স্যারের কাছে স্টেটমেন্ট নেন।’

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) রাশেদুল হক প্রধান নিউজবাংলাকে জানান, বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ এসেছে। আগামী সপ্তাহে তদন্তের কাজে ঘটনাস্থলে যাবেন।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন

পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করতে তৈরি নাসির

পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করতে তৈরি নাসির

নাসির উদ্দিন মাহমুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমাকে জনসমক্ষে সে (পরীমনি) হেয় করেছে। আমি অবশ্যই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, মামলা করব।’

র‍্যাবের অভিযানে আটক আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদ।

পরীমনির বাসায় র‍্যাবের অভিযানের মধ্যে বুধবার বিকেলে তিনি নিউজবাংলাকে এ কথা জানান।

পরীমনি গত ৯ জুন রাতে ঢাকা বোট ক্লাবে যাওয়ার পর ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে সারা দেশে তোলপাড় ফেলেন।

এরপর ১৪ জুন তিনি সাভার থানায় নাসির উদ্দিন ও অমির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন নাসির।

১ জুলাই জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান নাসির উদ্দিন মাহমুদ। শুরু থেকেই তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

পরীমনির বাসায় বুধবার র‌্যাবের অভিযানের সময় নাসির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার সম্পর্কে সে (পরীমনি) মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিল, যা সত্য নয় তা বলেছিল। ভিডিও ফুটেজ এবং তার কথাবার্তা সবকিছুতেই অসংগতি ছিল। বাস্তবে এর কোনো মিল ছিল না।

‘এই মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমাকে জনসমক্ষে সে হেয় করেছে। আমি অবশ্যই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, মামলা করব।’

তিনি বলেন, ‘আমার মানহানি হয়েছে, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা ছড়িয়েছে, ফেসবুকে মিথ্যাচার করেছে, বোট ক্লাবে ড্রিংক নিয়ে জোরাজুরি করেছে। আমি মামলা তো করবই। তাকে তো ছাড় দেয়া যায় না। আমি আমার মতো করে লিখে রেখেছি, যেকোনো সময় বিমানবন্দর থানায় পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করব।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জের সেই হাসপাতালে ঢুকতে সংবাদকর্মীর বাধা নেই

মানিকগঞ্জের সেই হাসপাতালে ঢুকতে সংবাদকর্মীর বাধা নেই

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, সংবাদ কর্মীরা হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবে না জানিয়ে মঙ্গলবার যে চিঠি দেয়া হয়েছিল সেখানে ভাষাগত ত্রুটি হয়েছে। ওই চিঠি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এক দিনের ব্যবধানে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল। চিঠি দিয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জানিয়েছেন, সংবাদ কর্মীরা আগের মতোই হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবেন।

এর আগে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কথা জানিয়ে হাসপাতালে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক।

চিঠিতে বলা হয়, সংবাদ কর্মীরা হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবে না জানিয়ে মঙ্গলবার যে চিঠি দেয়া হয়েছিল সেখানে ভাষাগত ত্রুটি হয়েছে। ওই চিঠি প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংবাদকর্মীরা আগের মতোই সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবেন।

মঙ্গলবার পাঠানো চিঠিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, মানিকগঞ্জের সাত উপজেলায় করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালকে সম্পূর্ণভাবে কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ও ফ্লোরেও রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে সংবাদকর্মী ও চিকিৎসাধীন করোনা রোগীদের সুরক্ষায় হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ থেকে বিরতি থাকার অনুরোধ করা হলো। তবে আগের মতো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেয়া যাবে।

এর প্রতিক্রিয়ায় মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অতীন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীরা সব সময় সচেতন ও সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে রোগীদের চিকিৎসা, অনিয়ম, অবহেলা ও অব্যবস্থাপনা হলে তো সংবাদকর্মীদের হাসপাতালে গিয়ে কাজ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন

দরজি মনির ৪ দিনের রিমান্ডে

দরজি মনির ৪ দিনের রিমান্ডে

ঢাকার মুখ্যমহানগর আদালতে (সিএমএম) দর্জি মনির। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপির সঙ্গে নিজের ছবি এডিট করে বসিয়ে নিজেকে বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দাবি করতেন দরজি মনির।

আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে ‘বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ’ নামে একটি ভুঁইফোঁড় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনির খান ওরফে দরজি মনিরকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা এক মামলায় চার দিনের রিমান্ডে পেয়েছে ডিবি পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতে (সিএমএম) ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

দরজি মনিরের পক্ষে আইনজীবী আমানুল করিম লিটন রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল এর বিরোধীতা করেন।

শুনানি শেষে সিএমএম হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডল ৪ দিনের রিমান্ড আদেশ দেন বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন আদালতে কামরাঙ্গীরচর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আলমগীর।

মঙ্গলবার দরজি মনিরের বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলাটি করেন ঈসমাইল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। গত রোববার রাতে আটক মনিরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, একটি ছোট দরজির দোকানে চাকরি করতেন মনির। হঠাৎ করে নিজেকে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার বন্ধু হন। একেক সময় একেক রাজনৈতিক পদবি, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এমডি হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপির সঙ্গে নিজের ছবি এডিট করে বসিয়ে নিজেকে বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দাবি করতেন দরজি মনির।

দরজি মনির ৪ দিনের রিমান্ডে
ফটোশপ করে প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে ছবি বসিয়ে নিজেকে বড় মাপের নেতা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে দরজি মনিরের বিরুদ্ধে। ফাইল ছবি

দরজি মনির ও তার সহযোগীরা ঢাকা মহানগরী এবং বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কমিটি দেয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ঈসমাইল হোসেন বলেন, গত ৩০ জুলাই বেলা আড়াইটার দিকে কামরাঙ্গীরচর থানার মাদবর বাজার ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে মনির তার সংগঠনের পদ প্রদান এবং বড় বড় নেতার সঙ্গে সুসম্পর্ক করিয়ে দেয়ার নাম করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে ছবি এডিট করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে নিজের ছবি বসিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবি প্রচার করে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে আসছেন। এভাবে নিজেকে বড় মাপের নেতা হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করতেন।

তিনি জানান, মনির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজেকে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে প্রচার করে এলাকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সৃষ্টি করেন। ফলে সাধারণ জনগণের মধ্যে চরম উত্তেজনা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন

২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে রূপগঞ্জের কারখানার আগুন

২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে রূপগঞ্জের কারখানার আগুন

রূপগঞ্জের একটি লেদার কারখানার গুদামঘরে আগুন লাগে। ছবি: নিউজবাংলা

ঘটনাস্থলে প্রত্যক্ষদর্শী ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই কারখানায় চার শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। লকডাউনের কারণে এটি বন্ধ ছিল। কারখানার কিছু দূরে অবস্থিত এর গুদামঘর। সেখানে দুপুরে আগুন দেখে আশপাশের অন্য ভবনের শ্রমিকরা ছোটাছুটি করতে থাকেন।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ইউনাইটেড লেদার কারখানার গুদামে লাগা আগুন ২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

উপজেলার তারাব পৌরসভার মৈকুলী এলাকার এম হোসেন কটন অ্যান্ড স্পিনিং মিলের ওই কারখানার গুদামে আগুন লাগে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক দিনোমনি শর্মা।

ঘটনাস্থলে প্রত্যক্ষদর্শী ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই কারখানায় চার শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। লকডাউনের কারণে এটি বন্ধ ছিল।

কারখানার কিছু দূরে অবস্থিত এর গুদামঘর। সেখানে দুপুরে আগুন দেখে আশপাশের অন্য ভবনের শ্রমিকরা ছোটাছুটি করতে থাকেন।

খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা, ডেমরা, আড়াইহাজার, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ ও কাঞ্চন ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট সেখানে গিয়ে দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক দিনোমনি শর্মা জানান, কারখানায় রাসায়নিক মজুত থাকায় আগুনের তীব্রতা বেশি ছিল। তবে সেটি বন্ধ থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল
মুসাকে নিয়ে পুলিশ লুকোচুরি করছে: দাবি স্ত্রীর
মিতু হত্যা: কারাবন্দি শাহজাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
মিতু হত্যা: আটকে গেল বাবুলের করা মামলার শুনানি
ডিভিশন পাননি বাবুল, থাকছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে

শেয়ার করুন