প্রবাসীকে মারধর

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া মারধরের ভিডিও থেকে নেয়া ছবি।

মারধরের শিকার সেই প্রবাসীর মৃত্যু

নিহতের ভাতিজা মো. জাহেদ জানান, স্থানীয়রা মঞ্জুরকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিক্যালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মারধরের শিকার সেই প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মৃত মঞ্জুর আলমের বাড়ি ঈদগাঁও কালিরছড়া গ্রামে।

গত শুক্রবার মঞ্জুরকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে মঞ্জুরের স্ত্রী রুনা আক্তারসহ আটজনকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদগাঁওয়ের কালিরছড়া গ্রামের মঞ্জুর আলম দীর্ঘদিন প্রবাসে কাটিয়েছেন। প্রবাসজীবনের আয় বাংলাদেশে অবস্থানরত তার দ্বিতীয় স্ত্রী রুনা আক্তারের নামে পাঠাতেন। স্ত্রী নিজের নামে জমি কিনে বহুতল ভবন বানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি করোনা মহামারির কারণে ছুটিতে আসার পর আর বিদেশ যাওয়া হয়নি মঞ্জুরের।

এরই মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়।

শুক্রবার বিকেলে রুনা আক্তারের মা-বাবা, ভাইবোনরা মঞ্জুর আলমকে মারধর করে।

নিহতের ভাতিজা মো. জাহেদ নিউজবাংলাকে জানান, স্থানীয়রা মঞ্জুরকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিক্যালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, মঞ্জুরের পরিবারের পক্ষ থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় নয়জনের নামে মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় আটক আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পলাতক একজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ওসি আরও জানান, মঞ্জুরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাড়িচাপায় এএসআই নিহত: ৪০ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

গাড়িচাপায় এএসআই নিহত: ৪০ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

নিহত এএসআই সালাহ উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি (তদন্ত) রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজগুলো সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছি। আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। এটা নিশ্চিত যে ওরা বাঁচার জন্যই গাড়ি দিয়ে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও কনস্টেবল মাসুমকে ধাক্কা দিয়েছিলো। তবুও আমরা প্রাসঙ্গিক সব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এগুনোর চেষ্টা করছি।’

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা এলাকায় মাইক্রোবাসের চাপায় সালাহ উদ্দিন নামের পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক নিহত হওয়ার ৪০ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

শনিবার চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি, আমাদের একাধিক টিম দোষীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে।’

শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় একটি মাইক্রোবাসের চাপায় নিহত হন এএসআই সালাহ উদ্দিন। এসময় আহত কনস্টেবল মো. মাসুম নামের। পুলিশ বলছে, মাইক্রোবাসটিতে মাদক পরিবহন করা হচ্ছিল।

চান্দগাঁও থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজগুলো সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছি। আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। এটা নিশ্চিত যে ওরা বাঁচার জন্যই গাড়ি দিয়ে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও কনস্টেবল মাসুমকে ধাক্কা দিয়েছিলো। তবুও আমরা প্রাসঙ্গিক সব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এগুনোর চেষ্টা করছি।’

চান্দগাঁও থানার ওসি মোস্তাফিজুর জানান, শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্বত্য এলাকা থেকে চোলাই মদবাহী একটি কালো মাইক্রোবাস চট্টগ্রাম শহরের দিকে আসছে বলে জানতে পারেন এসআই সালাহ উদ্দিন।

কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকার মেহেরাজখানঘাটা পেট্রোল পাম্পের সামন মাইক্রোবাসটিকে থামার সংকেত দিলে গাড়িটি গতি কমিয়ে আনে।

এ সময় গাড়িটি থেমেছে ভেবে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও চালক মাসুম মাইক্রোবাসটির কাছে গেলে গাড়িটি গতি বাড়িয়ে দুইজনকে চাপা দেয়। আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সালাহ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে ওই মোবাইল টিমের অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম ফোর্সসহ গাড়িটিকে তাড়া করেন।

নগরীর এক কিলোমিটার এলাকায় গাড়িটি থামিয়ে গাড়ির চালকসহ অন্যরা পালিয়ে যান৷ পরে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে। ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৭০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় ওইদিন বিকেলে চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন বাদী হয়ে দুটি মামলা করেন।

মামলার বিষয়ে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে এসআই আমির হোসেন একটি হত্যা ও আরেকটি মাদক মামলা করেছেন। দুই মামলাতেই অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন

‘সিরিয়াফেরত জঙ্গি’ ৩ দিনের রিমান্ডে

‘সিরিয়াফেরত জঙ্গি’ ৩ দিনের রিমান্ডে

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) রাছিব খান জানান, সাখাওয়াতের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তিনদিন দিয়েছে। তাকে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ‘সিরিয়াফেরত জঙ্গির’ তিনদিনের রিমান্ড আবেদন গ্রহণ করেছে আদালত।

চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম হোসেন মো. রেজার আদালত শনিবার বিকেল ৪টার দিকে সাখাওয়াত আলীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) রাছিব খান নিউজবাংলাকে জানান, সাখাওয়াতের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। তাকে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) আবছার উদ্দিন রুবেল জানান, ২০১২ সালে ভায়রাভাই আরিফ মামুনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামে যোগ দেন সাখাওয়াত। ওই সংগঠনের নেতা চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াসহ অন্যদের মাধ্যমে জিহাদি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

এরই অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে সাখাওয়াত তুরস্কে যান। সেখান থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গিনেতা হায়াত তাহরির আশরাকের কাছ থেকে ভারী অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। সিরিয়ার ইদলিব এলাকায় প্রায় ছয় মাস প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

পরে সিরিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় আসেন। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কা হয়ে আবার ইন্দোনেশিয়ায় যান। চলতি বছর মার্চে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

নগরীর দক্ষিণ খুলশী এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে তাকে আটক করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। এ সময় তার কাছ থেকে নিষিদ্ধঘোষিত বই ও নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়।

আটকের পর শুক্রবার রাতেই এসআই রাছিব তার বিরুদ্ধে খুলশী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।

আবছার উদ্দিন রুবেল বলেন, ‘আমরা আদালতে বলেছি, যদি তাকে রিমান্ডে নেয়া যায় তাহলে তার কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এবং এই নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের আরও সক্রিয় কর্মী যারা আছেন তাদেরকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হবে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন

কবরস্থানে গোলাগুলি, ২৪ ঘণ্টা পরও গ্রেপ্তার নেই কেউ

কবরস্থানে গোলাগুলি, ২৪ ঘণ্টা পরও গ্রেপ্তার নেই কেউ

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় কবরস্থানে সাইনবোর্ড দেয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ।

এ ঘটনায় শনিবার সকাল ১১টার দিকে বাকলিয়া থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় ২১ জনের নামসহ ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানার পূর্ব বাকলিয়ার আবদুল লতিফ হাটখোলা এলাকায় বড় মৌলভীর বাড়ি সংলগ্ন কবরস্থানের জায়গায় সাইনবোর্ড দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। এতে চারজন গুলিবিদ্ধসহ ১৩ জন আহত হন।

গুলিবিদ্ধরা হলেন মো. মাসুদ, আবদুল্লাহ কাইছার, মো. মুরাদ ও মো. ফয়সাল। তারা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শনিবার দুপুরে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংঘর্ষের পর মৌলভী বাড়ির লোকজনের পক্ষে সাইফুল্লাহ মাহমুদ নামে একজন মামলা করেন। আমরা অস্ত্রধারীসহ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছি।’

সাইফুল্লাহ মাহমুদ বলেন, ‘এটা আমাদের পূর্ব পুরুষের দেয়া নিজস্ব কবরস্থান। শুক্রবার সকালে সেখানে সাইনবোর্ড লাগাতে যাই। তখন পাশের ইয়াকুব আলীর বাড়ির লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে।’

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভূঁইয়া জানান, গুলিবিদ্ধ চারজন শঙ্কামুক্ত। অন্যরাও সুস্থ আছে। কয়েকজনকে শনিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন

ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত সেই যুবকের পাশে পুলিশ

ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত সেই যুবকের পাশে পুলিশ

ডাকাতদের হাতে সবকিছু হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়া সৌদি প্রবাসী আকরাম হোসেন শাহিনের ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবি: ফেসবুক

শাহিন বলেন, ‘সেনারগাঁও থানা পুলিশের এসআই দিলীপ স্যার আমাকে যেতে বলেছেন। পাসপোর্ট, ভিসার বিষয়ে একটা বুঝ করা যাবে বলে জানিয়েছেন। এরপরই আমি ফেনীর দাগনভূঞা থেকে সোনারগাঁও যাচ্ছি। এখন আমি কুমিল্লাতে আছি।’

সৌদি আরব থেকে দেশে পা রাখতেই ডাকাতের কবলে পড়া আকরাম হোসেন শাহিনের পাশে দাঁড়িয়েছে পুলিশ। লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারের আশ্বাস দিয়ে তাকে ডেকে পাঠিয়েছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানা পুলিশ।

পুলিশের আশ্বাস পেয়ে শাহিন ফেনীর দাগনভূঞা থেকে সোনারগাঁও থানায় যাচ্ছেন। শনিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি নিজেই বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

শাহিন বলেন, ‘সোনারগাঁও থানা পুলিশের এসআই দিলীপ স্যার আমাকে যেতে বলেছেন। পাসপোর্ট, ভিসার বিষয়ে একটা বুঝ করা যাবে বলে জানিয়েছেন। এরপরই আমি ফেনীর দাগনভূঞা থেকে সোনারগাঁও যাচ্ছি। এখন আমি কুমিল্লাতে আছি।’

শাহিনের বাবার নাম লোকমান হোসেন; পেশায় অটোরিকশাচালক। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে শাহিন ছোট। শাহিনের জন্য বিয়ের পাত্রী ঠিক করা হয়েছিল। সেই বিয়ে উপলক্ষে হবু স্ত্রীর জন্য গয়না, নতুন জামাকাপড় নিয়ে এসেছিলেন। এ ছাড়া তার একাধিক লাগেজ ও নগদ টাকা ছিল। সঙ্গে পাসপোর্টসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র।

বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে গাড়ি ভাড়া করে বাড়ি ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জের মোগড়াপাড়া হাইওয়েতে ডাকাতদের হাতে সবকিছুই খুইয়ে শাহিন এখন নিঃস্ব।

ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত সেই যুবকের পাশে পুলিশ
আকরাম হোসেন শাহিন

গত শুক্রবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাস্তায় বসে শাহিনের আহাজারির ছবি ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিউজবাংলার পক্ষ থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে জানানো হয়। এরপর পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা ছবির ভিকটিম ও ঘটনাস্থল শনাক্তের নির্দেশনা পাঠান বিভিন্ন থানায়। অল্প সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থল ও শাহিনের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

শনিবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শাহিনকে অভিযোগ দায়ের করার জন্য ডেকে পাঠিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।’

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, ‘নিউজবাংলার মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমি নিজেই নজরদারি করছি। আশা করছি, কালপ্রিটরা ধরা পড়বে।’

শাহিনের কান্নার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেই ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে, সেই ‘দাগনভূঞা রেমিট্যান্স যোদ্ধা কল্যাণ পরিষদ’-এর অ্যাডমিন নবিউল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শাহিন আমাদের পরিচিত। সে যাতে পুনরায় বিদেশ যেতে পারে, তার পাসপোর্ট ফিরে পায় সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন

ঝোপে ৬ লাখ টাকা

ঝোপে ৬ লাখ টাকা

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফরিদগঞ্জ সার্কেল) সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘ধারণা করছি, পুলিশের তৎপরতা দেখে চোর কৌশলে টাকা গর্তে লুকিয়ে রেখে গেছে। আমরা ব্যাংকের চুরি হওয়া সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা থেকে চুরি যাওয়া টাকা দুই দিন পর ব্যাংকের পাশের ঝোপ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ফকিরের বাজার এলাকায় শুক্রবার মধ্যরাতে ব্যাংকের পাশের ঝোপঝাড়ে গর্ত থেকে চুরি যাওয়া ৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফরিদগঞ্জ সার্কেল) সোহেল মাহমুদ নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টাকা উদ্ধারে অভিযানের জন্য মধ্যরাতে ব্যাংকের পাশের ঝোপঝাড়ে তল্লাশি চালানো হয়। সে সময় একটি গর্তে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৬ লাখ টাকা পাওয়া যায়।

সোহেল বলেন, ‘ধারণা করছি, পুলিশের তৎপরতা দেখে চোর কৌশলে টাকা গর্তে লুকিয়ে রেখে গেছে। আমরা ব্যাংকের চুরি হওয়া সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সেটা উদ্ধার করা গেলেই চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার পরিবেশক এস এম জাহিদ বলেন, ‘বুধবার (৯ জুন) রাতে কাজ শেষ করে ক্যাশে থাকা ১৫ লাখ টাকা থেকে ৯ লাখ টাকা বাসায় নিয়ে যাই। বৃহস্পতিবার সকালে চুরির খবর পেয়ে পুলিশকে জানাই। অফিসে এসে দেখি ব্যাংকের ভল্ট ভাঙা, সেখানে রাখা ৬ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্কও নিয়ে গেছে চোর।’

ঝোপে ৬ লাখ টাকা

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) শহীদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ব্যাংকের টয়লেটের ভ্যান্টিলেটরের গ্রিল ভেঙে চোর রুমে ঢোকে। ব্যাংকের ভল্টে রাখা ৬ লাখ টাকা ও রুমের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে গেছে চোর। আমরা আশপাশে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখছি।’

এ ঘটনায় পরে ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের চাঁদপুর জেলার ম্যানেজার আব্দুর রহমান ফরিদগঞ্জ থানায় চুরির মামলা করেন।

এর আগে সোমবার (৭ জুন) মধ্যরাতে কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ডুমুরিয়া ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় চুরি হয়। এ সময় ভল্ট ভেঙে নগদ ৮ লাখ ১৬ হাজার ৪২২ টাকা চুরি করা হয়।

পরে বুধবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ৭ লাখ টাকাসহ ব্যাংকের ম্যানেজার মামুন খান, ক্যাশিয়ার মাহাবুব আলম ও মামুনের বোন সুলতানা রাজিয়াকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন

এটা কি তবে ‘নিখুঁত খুন’

এটা কি তবে ‘নিখুঁত খুন’

চিকিৎসক সাবিরা রহমান লিপি

আপনারা কাকে সন্দেহ করছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এটা বলার সুযোগ নাই। সবাইকেই আমরা সন্দেহ করছি। কিন্তু আমাদের এভিডেন্স তো মিলাতে হবে। তবে এখন পর্যন্ত ক্লু লেস।’

ঘরের ভেতর খুন। ছুরিকাঘাত করে মরদেহে আগুন। কিন্তু অস্ত্র মেলেনি, খুনির আঙুলের ছাপ নেই কোথাও। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, যিনি সন্দেহজনক কাউকে ভবনে ঢুকতে বা বের হতে দেখেছেন। সেই ভবনে নেই কোনো সিসিটিভি ক্যামেরাও।

রাজধানীর কলাবাগানে নিজ ঘরে খুন হওয়া চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান হত্যার তদন্তে নেমে হয়রান পুলিশ। এমন কোনো একটি পথ খুঁজে পাচ্ছে না তারা, যে পথ ধরে এগোলে হত্যা রহস্যের কূলকিনারা করা যাবে।

এটি আত্মহত্যা নয়, এটা নিশ্চিত। পরিবারের পক্ষ থেকে কাউকে সন্দেহ করা হচ্ছে না। সেই চিকিৎসকের সঙ্গে কারও বিরোধ ছিল, এমন তথ্যও মেলেনি। তাহলে কে বা কারা খুন করবে, এমন প্রশ্নের কোনো জবাবও মিলছে না।

তবে বাসার সিঁড়িতে দুটি সিগারেটের ফিল্টার পাওয়া গেছে। সেটি পরীক্ষা করে যদি কিছু পাওয়া যায়, তাহলে পুলিশ কিছুটা আগাতে পারবে বলে আশা করছে।

তবে কি সোহাগী জাহান তনু, সাগর-রুনিদের হত্যার মতো ডা. সাবিরা হত্যারও কোনো ক্লু মিলবে না?

এই পরিস্থিতিতে পথ খুঁজে না পেয়ে নিহত চিকিৎসকের সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের ঢালাও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

সাবিরা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, তার পাশের কক্ষে সাবলেটে থাকা নারী, যিনি ঈদের আগে বাড়িতে গিয়ে ঢাকায় আসেননি, তাকেও ঢাকায় আনা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

তাতেও এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি যা তদন্ত কর্মকর্তাকে আশান্বিত করতে পারে।

গত ৩১ মে রাজধানীর কলাবাগানের প্রথম লেনের ৫০/১ পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে চিকিৎসক সাবিরার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৪৭ বছর বয়সী সাবিরা গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ছিলেন।

এটা কি তবে ‘নিখুঁত খুন’
গত ৩১ মে এই রুমটি থেকে চিকিৎসক সাবিরার মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: নিউজবাংলা

সাবিরা খুনের খবর পেয়ে প্রথমে বাসায় যায় কলাবাগান থানা-পুলিশ। পরে তারা খবর দেয় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে। পরে ঘটনাস্থলে আসেন ডিবি, র‌্যাব, তদন্ত সংস্থা পিবিআইয়ের সদস্যরা।

খুনের ৩৬ ঘণ্টা পর তার মামাতো ভাই রেজাউল হাসান মজুমদার জুয়েল কলাবাগান থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন।

তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা জানান, সাবিরা রহমান খুন হওয়ার পর কলাবাগান থানা-পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও র‍্যাব ছায়া তদন্ত করছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শরীফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাবিরা রহমানের কলিগ, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এই ঢালাও জিজ্ঞাসাবাদে কেউ বাদ যাচ্ছে না। সাবিরার বাসায় সাবলেটে থাকা আরেক নারী নূরজাহানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নূরজাহানকে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

সাবিরার বাসার সিঁড়িতে দুটি সিগারেটের ফিল্টার পাওয়া গিয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওই বাসার সিঁড়িতে দুইটা সিগারেটের ফিল্টার পাওয়া গিয়েছিল। ফিল্টার দুটি ডিএনএ স্যাম্পলিংয়ের জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। যদি কিছু পাওয়া যায়, আলহামদুলিল্লাহ্। তবে এই রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায় নাই।’

আপনারা কাকে সন্দেহ করছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এটা বলার সুযোগ নাই। সবাইকেই আমরা সন্দেহ করছি। কিন্তু আমাদের এভিডেন্স তো মিলাতে হবে। তবে এখন পর্যন্ত ক্লু লেস।’

বাংলাদেশে বেশ কিছু আলোচিত হত্যা রহস্যের কূলকিনারা করতে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়েছে পুলিশ।

এটা কি তবে ‘নিখুঁত খুন’
সাবিরা রহমানের কলিগ, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে

ক্লুহীন আরও কিছু ঘটনা

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার পাঁচ বছর পূর্ণ হলো গত ২০ মার্চ। কিন্তু এমন একটি ক্লুও খুঁজে পাওয়া যায়নি, যে পথ ধরে আগানো যাবে।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে তনুর মরদেহ কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরদিন বিকেলে তনুর বাবা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

শুরুতে পুলিশ, ডিবি ও পরে সিআইডি মামলা তদন্ত করেও কোনো কূলকিনারা পায়নি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার নথি পিবিআই-ঢাকা কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

এর চেয়ে বেশি আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা। এই দম্পতি ২০১২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। সাগর ছিলেন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ও রুনি ছিলেন এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক।

এটা কি তবে ‘নিখুঁত খুন’
৯ বছর পার হলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার কোনো কূলকিনারা করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ঘটনাস্থলে গিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হবে। ২০১২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই মহীউদ্দীন খান আলমগীর ১০ অক্টোবরের মধ্যে সাগর-রুনি হত্যারহস্য উদঘাটন হবে বলে আশা করেছিলেন। এরপর ৯ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে একজনকে ধরতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন। পরে সেই ব্যক্তিকে ধরা হয়, কিন্তু ঘটনার রহস্য আর উন্মোচিত হয়নি।

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ ও পরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই মামলার তদন্তভার পায়। দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালত র‍্যাবকে মামলার তদন্তের নির্দেশ দেন। সেই থেকে র‍্যাব মামলাটি তদন্ত করছে। তবে এখনও তারা কোন কূলকিনারা পায়নি।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন

শিশু উদ্ধার করতে গিয়ে আহত: ৪ আসামি গ্রেপ্তার

শিশু উদ্ধার করতে গিয়ে আহত: ৪ আসামি গ্রেপ্তার

ওসি বলেন, আসামিরা খুবই চতুর প্রকৃতির। বিভিন্ন সময়ে স্থান পরিবর্তনের ফলে তাদের গ্রেপ্তার করতে দেরি হয়েছে।

পাবনা সুজানগরে গত ২ জুন শিশু উদ্ধার করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার মামলার ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুস ও এস আই মাসুম বিল্লাহসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে সুজানগর থানার দুলাই গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- দুলাই গ্রামের আল আমিন ও জয়নাল শেখ, খয়রান গ্রামের আলমগীর ও একই গ্রামের আনিসের স্ত্রী ওজিফা খাতুন ওরফে কাকলী।

সুজানগর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, শিশু উদ্ধার করতে গিয়ে থানার পুলিশ সদস্য ছুরিকাঘাতে আহত হন। এই মামলায় ৪ আসামি গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার দিন তাৎক্ষণিকভাবে আরও দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি বলেন, আসামিরা খুবই চতুর প্রকৃতির। বিভিন্ন সময়ে স্থান পরিবর্তনের ফলে তাদের গ্রেপ্তার করতে দেরি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগে স্ত্রীসহ আটক ৮

শেয়ার করুন