× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

ফ্যাক্ট চেক
The picture of going to the BNP rally by carrying the roof of the train is old
hear-news
player
google_news print-icon

ট্রেনের ছাদবোঝাই করে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার ছবিটি পুরোনো

ট্রেনের-ছাদবোঝাই-করে-বিএনপির-সমাবেশে-যাওয়ার-ছবিটি-পুরোনো
মিথ্যা দাবির পোস্টটি ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর ফেসবুকে শেয়ার হয়। এটির ক্যাপশনে লেখা- ‘শত বাধা এবং হামলা উপেক্ষা করে খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশে বিএনপি'র নেতা-কর্মীরা ট্রেনযোগে যোগদান!!’

উপচে পড়া যাত্রীবোঝাই ট্রেনের দুটি ছবি এবং একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই পোস্টে দাবি করা হয়, ২২ অক্টোবর দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খুলনায় বিরোধীদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছেন লাখ লাখ মানুষ।

আসলে ছবি ও ভিডিওর দাবিগুলো মিথ্যা। খুলনায় এই বছর বিএনপির একটি বিশাল সমাবেশ হলেও, ছবিগুলো ২০২০ এবং ২০১১ সালের। আর ভিডিওটি চলতি বছরের মে মাসের।

মিথ্যা দাবির পোস্টটি ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর ফেসবুকে শেয়ার হয়। এটির ক্যাপশনে লেখা- ‘শত বাধা এবং হামলা উপেক্ষা করে খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশে বিএনপি'র নেতা-কর্মীরা ট্রেনযোগে যোগদান!!’

পরিবহন ধর্মঘটকে উপেক্ষা করে চলতি বছরের অক্টোবরে খুলনায় বিএনপির সরকারবিরোধী সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। সম্প্রতিক মাসগুলোয় বিএনপির ৫ কর্মীকে হত্যা এবং দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্র্যাকডাউনের প্রতিবাদে সেদিন সমাবেশ করেছিল বিএনপি।

একই দাবির ছবি এবং ভিডিও ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপেও পোস্ট হয়। তবে ভিজ্যুয়াল শেয়ার হয়েছে মিথ্যা প্রসঙ্গে।

স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিনের ছবি

গুগলে একটি বিপরীত চিত্র অনুসন্ধানে দেখা যায়, স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিনের বার্ষিক ছবি প্রতিযোগিতার ওয়েবসাইটে প্রথম ছবিটি প্রকাশিত হয়েছিল। বর্ণনায় লেখা- ‘একটি লোকাল ট্রেনে ব্যাপক ভিড়।’

ওয়েবসাইটটি অনুসারে, ছবিটি ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার রায়হান আহমেদ তুলেছিলেন।

আহমেদ জানান, ভুয়া পোস্টে তার ছবি বারবার শেয়ার হচ্ছে।

‘এই ছবিটি ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার সময় তুলেছিলাম।'

নীচে ভুয়া পোস্টে (বামে) ছবির একটি স্ক্রিনশট এবং স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন (ডানে) প্রকাশিত ছবি:

ট্রেনের ছাদবোঝাই করে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার ছবিটি পুরোনো

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ছবি

গুগলে একটি বিপরীত চিত্র অনুসন্ধানে দ্বিতীয় ছবিটির খোঁজ পাওয়া গেছে। উপচে পড়া যাত্রী বহন করা ট্রেনের ছবিটি ২০১১ সালের ২৩ জানুয়ারি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ফটোগ্রাফার পাভেল রহমান তুলেছিলেন। এটিও বিশ্ব ইজতেমার সময় তোলা হয়েছিল।

ছবির ক্যাপশনে ইংরেজিতে লেখা- ‘টঙ্গীতে তুরাগ নদীর তীরে তিন দিনের ইসলামিক ধর্মসভায় যোগদানের পর লাখ লাখ বাংলাদেশি মুসলমান ভিড়ে ঠাসাঠাসি একটি ট্রেনে চেপেছেন; রোববার, ২৩ জানুয়ারি ২০১১।

নীচে ভুয়া পোস্টে (বামে) ছবির একটি স্ক্রিনশট এবং অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ফটো (ডানে):

ট্রেনের ছাদবোঝাই করে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার ছবিটি পুরোনো

ট্রেনস্পটিং ভিডিও

বিডি ট্রেন এক্সপ্রেস নামে একটি চ্যানেলে ২০২২ সালের ১ মে প্রকাশিত একটি ইউটিউব ক্লিপের ৩১ সেকেন্ডের সঙ্গে মিলে যায় ভিডিওটি। এই চ্যানেলটি নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের ট্রেনের ভিডিও পোস্ট করে।

ভিডিওটির বর্ণনায় লেখা: ‘দুই বছরে (মহামারি চলাকালীন) এমন দৃশ্য দেখা যায়নি; কারণ এই ধরনের ট্রেনগুলোতে গণপরিবহন নিষিদ্ধ ছিল।

‘মানুষকে এভাবে বাড়ি ফিরতে দেখেই বোঝা যায় ঈদ চলে এসেছে।’

ঈদ ঘিরে বাংলাদেশিরা নিজ নিজ শহর কিংবা গ্রামে ফিরে যায়। চলতি বছরের ৩ মে দেশে ঈদ উদযাপিত হয়।

নীচে একটি মিথ্যা পোস্ট (বামে) এবং বিডি ট্রেন এক্সপ্রেস ইউটিউব ক্লিপ (ডানদিকে) ভিডিওটির একটি স্ক্রিনশট তুলনা করা হল:

ট্রেনের ছাদবোঝাই করে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার ছবিটি পুরোনো

বিডি ট্রেন এক্সপ্রেস ইউটিউব ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়, ক্লিপটি বালাশপুর ওভারপাস, ময়মনসিংহ’- থেকে ধারণ করা হয়েছে।

ক্লিপটিতে দেখানো অবস্থানটি ঢাকার উত্তরে অবস্থিত একটি শহর যেটি ময়মনসিংহের রেলওয়ে ট্র্যাকের গুগল স্ট্রিট ভিউ চিত্রের সঙ্গে মিলে যায়

নীচের তুলনাটি বিডি ট্রেন এক্সপ্রেস (বামে) এবং গুগল স্ট্রিট ভিউ (ডানে) থেকে ময়মনসিংহের ভিডিওটিকে ভূ-অবস্থান করে পোস্ট করা ভিডিওর মধ্যে মিল তুলে ধরে।

ট্রেনের ছাদবোঝাই করে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার ছবিটি পুরোনো

আরও পড়ুন:
রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে ন্যাটো!  
মদে লবণ মেশালে কি সিরকা হয়?
টুথপেস্টের টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড কি ক্যানসারের কারণ?
জ্বালানি নিয়ে বিক্ষোভে সহিংসতার ভিডিওটি ভুয়া!   
রাশিয়ার সঙ্গে রেলপথ কি তুলে ফেলেছে লিথুয়ানিয়া

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ফ্যাক্ট চেক
Monks arrested for dope test temple empty

ডোপ টেস্টে ধরা ভিক্ষুরা, মন্দির খালি

ডোপ টেস্টে ধরা ভিক্ষুরা, মন্দির খালি  প্রতীকী ছবি
বুনলার্ট থিন্তাপথাই নামে এক কর্মকর্তা জানান, উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফেচাবুনের বাং স্যাম ফান জেলার একটি ছোট বৌদ্ধ মন্দিরে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় প্রধান ভিক্ষুসহ চারজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই চারজনই মেথামফেটিন মাদক নিয়েছেন।

ডোপ টেস্ট উৎরাতে না পারায় বরখাস্ত হলেন একটি বৌদ্ধ মন্দিরের সব ভিক্ষু। আর এতে খালি হয়ে পড়েছে মন্দিরটি। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে।

বুনলার্ট থিন্তাপথাই নামে এক কর্মকর্তা জানান, উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফেচাবুনের বাং স্যাম ফান জেলার একটি ছোট বৌদ্ধ মন্দিরে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় প্রধান ভিক্ষুসহ চারজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই চারজনই মেথামফেটিন মাদক নিয়েছেন। মেথামফেটিন একটি স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজক ওষুধ; অনেক সময় যা আনন্দদায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার পর চার ভিক্ষুকে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। থাইল্যান্ডজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, সোমবার ভিক্ষুদের প্রস্রাব পরীক্ষার পর তাদের বরখাস্ত করা হয়। তবে কী কারণে মন্দিরের ভিক্ষুদের ডোপ টেস্ট করানো হয়েছিল, তা নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

থিন্তাপথাই বলেন, ‘মন্দিরটি এখন ভিক্ষুশূন্য। আর এ কারণে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড না করতে পারার শঙ্কায় আছেন আশপাশের গ্রামের মানুষ।

‘স্থানীয় ভিক্ষু প্রধানের কাছে এ বিষয়ে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। তিনি মন্দিরে কিছু ভিক্ষু দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন।’

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক অফিস জানায়, গত বছর থাইল্যান্ডে এ যাবতকালের সবচেয়ে বেশি মেথামফেটামিন মাদক জব্দ করা হয়।

মেথামফেটামিন পাচারের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্ট থাইল্যান্ড। মিয়ানমার হয়ে প্রচুর মেথামফেটামিন ঢোকে দেশটিতে।

থাইল্যান্ডের একটি চাইল্ড কেয়ার সেন্টারে গত মাসে সাবেক এক পুলিশ সদস্যের গুলিতে ৩৭ জন নিহত হয়। মেথামফেটামিন রাখার দায়ে ওই পুলিশ অফিসার পরে বরখাস্ত হন। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযানের নির্দেশ দেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চ্যান-ওচা ।

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Sword attack on police van carrying Aftab
শ্রদ্ধা হত্যা

আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা

আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা আফতাব পুনাওয়ালাকে বহনকারী পুলিশভ্যানে হামলা ঠেকাচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
দিল্লির রোহিনির ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পলিগ্রাফ টেস্ট শেষে আফতাবকে জেলে নেয়ার সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫ জন হামলাকারী তরবারি হাতে এ হামলা চালায়। এ সময় কয়েকজন হামলাকারী আহত হয়েছেন। তবে নিরাপদে আছেন আফতাব। 

ভারতের শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যা মামলার অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালাকে বহনকারী পুলিশভ্যানে তরবারি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। সোমবার দিল্লিতে এ হামলা হয়।

সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানায়, দিল্লির রোহিনির ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পলিগ্রাফ টেস্ট শেষে আফতাবকে জেলে নেয়ার সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫ জন হামলাকারী তরবারি হাতে এ হামলা চালায়। এ সময় কয়েকজন হামলাকারী আহত হয়েছেন। তবে নিরাপদে আছেন আফতাব।

এদিকে শ্রদ্ধা ওয়াকারের মরদেহ টুকরো টুকরো করায় ব্যবহৃত অস্ত্রের একটি উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে পুলিশ আফতাবের দেয়া তথ্যে আরও পাঁচটি ছুরি উদ্ধার হয়। তবে শ্রদ্ধার খুলি ও মরদেহের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি।

সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানায় , শ্রদ্ধাকে হত্যার পর তার কানের দুল এক নারী চিকিৎসককে দিয়েছিলেন আফতাব। ওই নারী চিকিৎসকের সঙ্গে শ্রদ্ধাকে হত্যার পর ডেটিং করেন আফতাব পুনাওয়ালা।

মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক আফতাব পুনাওয়ালা তার লিভ ইন পার্টনার ২৬ বছরের শ্রদ্ধা ওয়াকারের সঙ্গে দিল্লির ছাতারপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। চলতি বছরের ১৮ মে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সেদিন শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আফতাব।

পরে মরদেহ ৩৫ টুকরা করে ৩০০ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজে প্রায় তিন সপ্তাহ রাখেন। ফ্রিজ থেকে টুকরাগুলো কয়েক দিন ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলেন তিনি। ৮ নভেম্বর শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়াকার মেয়ের খোঁজে মেহরাউলি পুলিশের কাছে অপহরণের অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে ১২ নভেম্বর আফতাবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Winter mood in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ

পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী চার-পাঁচ দিন জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি নিচে থাকবে। তবে তীব্র শীত নামতে কিছুদিন লাগবে।

পশ্চিমবঙ্গে জেঁকে বসছে শীত। গত শুক্রবার থেকে টানা তিনদিন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে কলকাতায়। সোমবার ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে তা হয়েছে ১৭।

আবহাওয়া অফিস বলছে, সামনের কয়েকদিন কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার সামান্য ওঠানামা করলেও, শীতের আমেজ বজায় থাকবে। সোমবার কলকাতার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে অবশ্য উত্তরের শুষ্ক হাওয়ার দাপটে ভালোই ঠান্ডা পড়েছে। কোথাও কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী চার-পাঁচ দিন জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি নিচে থাকবে। তবে তীব্র শীত নামতে কিছুদিন লাগবে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বীরভূম শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রোববার ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস; পুরুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস; মুর্শিদাবাদে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার ব্যারাকপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামী ৪-৫ দিন রাজ্যে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। বাধাহীনভাবে রাজ্যে প্রবেশ করছে শুষ্ক হওয়া। কমছে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। ফলে জাঁকিয়ে শীত পড়ার আগে, আগামী কয়েক দিন এই আমেজ বজায় থাকবে।

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Cut the husband into 10 pieces in the fridge with the child

সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে

সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে মায়ের সঙ্গে অঞ্জন দাসের মরদেহের খণ্ডিত অংশ নিয়ে যান দীপক। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুলিশকে জানান, জুনে তারা অঞ্জনকে হত্যা করেন। পানীয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে অঞ্জনকে অজ্ঞান করে হত্যা করে তার মরদেহ ১০ টুকরা করা হয়। পরে সেগুলো ফ্রিজে রাখা হয়।

শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের মতো আরেকটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে। এবার সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন এক নারী।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, আগের ঘরের সন্তানকে নিয়ে স্বামী অঞ্জন দাসকে ১০ টুকরা করেন পুনম নামের ওই নারী। তাকে দিল্লির পাণ্ডবনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তার সন্তানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। দুজনই হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

অভিযুক্ত নারী জানান, জুয়েলারি বিক্রি করে বিহারে থাকা প্রথম স্ত্রীকে টাকা পাঠানোয় স্বামীর ওপর ক্ষুব্ধ হন তিনি। এরপরই পুনম তার আগের ঘরের সন্তান দীপককে নিয়ে বর্তমান স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পুনমের আগের স্বামী ২০১৭ সালে ক্যানসারে মারা যান। এরপর তিনি অঞ্জনকে বিয়ে করেন।

পুনমের ছেলে দীপক জানান, তার মাকে প্রতিনিয়ত অত্যাচার করায় তিনি হত্যায় অংশ নেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুলিশকে জানায়, জুনে তারা অঞ্জনকে হত্যা করেন। পানীয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে অঞ্জনকে অজ্ঞান করে। তারপর তাকে খুন করে মরদেহ ১০ টুকরা করা হয়। পরে সেগুলো ফ্রিজে রেখে দেন তারা।

পুলিশ জানায়, এ পর্যন্ত দেহের ছয় টুকরা উদ্ধার করতে পেরেছে তারা।

পুলিশ আরও জানায়, জুনেই পাণ্ডবনগর থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। পরে একটি হত্যা মামলা করে তারা। মরদেহের অংশগুলো পচে যাওয়ায় পুলিশ তদন্ত করতে হিমশিম খায়। শ্রদ্ধা ওয়াকারের ঘটনা সামনে এলে পুলিশ ধারণা করতে থাকে এই মরদেহ শ্রদ্ধার হতে পারে। পরে পুলিশ জানতে পারে যে মরদেহটি পুরুষের।

তদন্তের সময় দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ যেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয় সেখানকের সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, পুনম এবং দীপক ওই স্থানে কয়েকবার গিয়েছিলেন। এ সময় দীপকের হাতে একটি ব্যাগ ছিল।

পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, অঞ্জন দাস নামের এক ব্যক্তি ছয় মাস ধরে নিখোঁজ। তবে এ নিয়ে তার পরিবার পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ জানায়নি। এরপর পুলিশ পুনম ও দীপককে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। একপর্যায়ে তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

এই ঘটনার সঙ্গে শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের অনেক মিল রয়েছে। মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক আফতাব পুনাওয়ালা তার লিভ ইন পার্টনার ২৬ বছরের শ্রদ্ধা ওয়াকারের সঙ্গে দিল্লির ছাতারপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। চলতি বছরের ১৮ মে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সেদিন শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আফতাব।

পরে মরদেহ ৩৫ টুকরা করে ৩০০ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজে প্রায় তিন সপ্তাহ রাখেন। ফ্রিজ থেকে টুকরাগুলো কয়েক দিন ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলেন তিনি। ৮ নভেম্বর শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়াকার মেয়ের খোঁজে মেহরাউলি পুলিশের কাছে অপহরণের অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে ১২ নভেম্বর আফতাবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Suicide to protest the imposition of Hindi

হিন্দি চাপিয়ে দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যা

হিন্দি চাপিয়ে দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যা হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে দক্ষিণ ভারতে আত্মহত্যা করেছেন এক বৃদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে মাতৃভাষা সবার জন্য খুব সংবেদনশীল একটি বিষয়। দেশটিতে শত শত ভাষা এবং উপভাষা রয়েছে। আর তাই ভারতের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তবে আঞ্চলিক সরকারগুলো তাদের নিজেদের ভাষাই ব্যবহার করে।

ভারতের স্থানীয় ভাষার পরিবর্তে হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তামিলনাড়ু রাজ্যের এক কৃষক। স্থানীয় পুলিশের বরাতে রোববার এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।

বৃদ্ধের নাম এম ভি থাংগাভেল। তার বয়স ৮৫ বছর।

আত্মহত্যার আগে কৃষক থাংগাভেলের হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ছিল। সেখানে তামিল ভাষায় লেখা, ‘মোদি সরকার হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা বন্ধ করো। কেন আমরা আমাদের সমৃদ্ধ তামিল ভাষার পরিবর্তে হিন্দি ভাষা ব্যবহার করব? এতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

সেনথিল নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘কৃষক থাংগাভেল আত্মহত্যা করেছেন।’

ভারতে মাতৃভাষা খুব সংবেদনশীল বিষয়। প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে রয়েছে শত শত ভাষা-উপভাষা। এ কারণে ভারতের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। যদিও আঞ্চলিক সরকারগুলো তাদের নিজেদের ভাষাই ব্যবহার করে।

২০১১ সালের এক আদমশুমারি অনুযায়ী, ভারতের ৪৪ শতাংশ মানুষ হিন্দিতে কথা বলে। গত মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে একদল আইনপ্রণেতা হিন্দিকে জাতীয় ভাষা করার সুপারিশ করেন। এমনকি মেডিসিন ও প্রকৌশলের মতো কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমও হিন্দিতে করার আহ্বান জানান তারা।

সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির ব্যবহারকে ‘দাসত্বের মানসিকতা’ বলে সমালোচনা করে থাকেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর বদলে ভারতীয় ভাষার ব্যবহারে জোর দিয়ে থাকেন তিনি।

তবে বিরোধীদের অভিযোগ, মোদির সরকার হিন্দি চাপিয়ে দিয়ে ভারতকে বিশেষত দক্ষিণাঞ্চলকে খেপিয়ে তুলছে। দক্ষিণের মানুষ প্রধানত দ্রাবিড় জাতিগোষ্ঠীর ভাষায় কথা বলে। ইন্দো-ইউরোপীয় জাতিগোষ্ঠীর ভাষাগুলোর চেয়ে সে ভাষা একেবারে আলাদা।

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Women look beautiful in nothing

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব বাবা রামদেব। ছবি: সংগৃহীত
রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

বিতর্কিত মন্তব্যে ফের আলোচনায় ভারতের যোগগুরু স্বামী রামদেব। এবার নারীর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ৫৭ বছরের এই সেলিব্রেটি।

ভক্তদের কাছে এই যোগগুরু বাবা রামদেব নামে পরিচিত। মহারাষ্ট্রের থানেতে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

রামদেবের এমন মন্তব্য ফুঁসে উঠেছে ভারতের নারীবাদীরা। নিন্দা জানিয়ে রামদেবকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল। রামদেবের ওই ভিডিও টুইট করেছেন তিনি।

এতে রামদেবকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের ভাগ্য ভালো। আমাদের সামনে যারা অবস্থান করছেন তারা শাড়ি পরার সুযোগ পেয়েছেন। পেছনেররা হয়তো সুযোগ পায়নি; সম্ভবত ওনারা বাসা থেকে শাড়িগুলো প্যাক করে এনেছে, তবে বদল করার সময় পাননি।

'আপনাদের শাড়িতে দারুণ লাগে, সালোয়ারেও তাই। কিছুই না পরলেও ভালো লাগে।’

রামদেব নারীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘সামাজিক নিয়মের জন্য পোশাক পরেন। শিশুরা কোনো কিছুই পরে না। আমরা ৮ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কিছুই পরিনি।’

দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল ভিডিওটি পোস্ট করে টুইটে বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর সামনে নারীদের নিয়ে স্বামী রামদেবের করা মন্তব্য অশালীন এবং নিন্দনীয়৷ এই বক্তব্যে নারীরা হতাশ হয়েছেন। বাবা রামদেবের ক্ষমা চাওয়া উচিত৷’

এ নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার প্রতিক্রিয়া জানায়নি। রামদেব বা তার প্রতিষ্ঠান পতঞ্জলির পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য আসেনি।

রামদেবের এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্র।

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরের ঘনিষ্ঠরাও এমন মন্তব্যকে ভালো চোখে দেখছেন না। উদ্ধব-ঘনিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় রাউত জানান, এই বাজে মন্তব্যের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর।

‘এই সরকার অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানে না।’

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
3 criminals are waiting to kill me Imran Khan

আমাকে হত্যার অপেক্ষায় ওই তিনজন: ইমরান

আমাকে হত্যার অপেক্ষায় ওই তিনজন: ইমরান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে ইমরান খান বলেন, ‘দেশের ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে ইমরান শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেছেন, তাকে হত্যাচেষ্টায় অভিযুক্ত তিনজন আবারও তার ওপর হামলার অপেক্ষায় রয়েছে।

শনিবার রাওয়ালপিন্ডিতে এক সমাবেশে ইমরান এমনটি জানান। লং মার্চে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের এটি প্রথম সমাবেশে ভাষণ। পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগাম নির্বাচনের দাবিতে চলতি মাসের শুরুতে পাঞ্জাব প্রদেশের ওয়াজিরাবাদে আয়োজিত ইসলামাবাদ অভিমুখী লং মার্চে ইমরান খানের ওপর বন্দুক হামলা চালানো হয়। তার পায়ে গুলি লাগে। এই হামলার জন্য তিনজনকে দায়ী করেন ইমরান খান। তারা হলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ ও সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ফয়সাল।

রাওয়ালপিন্ডিতে দেয়া ভাষণে ইমরান খান জানান, তিনি মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। হামলার সময় তার মাথার ওপর দিয়ে বুলেট চলে যায় বলেও জানান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরান বলেন, ‘যখন আমি পড়ে গেলাম, তখনই বুঝতে পেরেছি আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়েছেন।’



সমাবেশে ভাষণে দলের কর্মীদের মৃত্যুভয় কাটানোর আহ্বান জানান পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের প্রধান ইমরান খান।

তিনি বলেন, ‘ভয় পুরো জাতিকে দাস বানিয়ে রাখে।’

কারবালায় হযরত ইমাম হাসান (রা.) শহীদ হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে ইমরান বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের প্রতিশোধের ভয়ে সেদিন কুফাবাসী তার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।’

পাকিস্তানের কোনো সংসদেই পিটিআইর আর কোনো সদস্য থাকবে না বলেও জানান ইমরান । তিনি বলেন, ‘আমরা এই ব্যবস্থার অংশ হব না। আমরা সবাই এসব দুর্নীতিগ্রস্ত সংসদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

পাকিস্তানের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অতীত থেকে শিক্ষা নেয় না বলেও মন্তব্য করেন ইমরান খান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন বর্তমান সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। তবে জনগণ দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা পিটিআইয়ের সঙ্গে আছে।

আরও পড়ুন: শেখ মুজিবের মতো লড়ছি: ইমরান খান

ইমরান খান বলেন, ‘আমার মনে আছে পূর্ব পাকিস্তানে কী ঘটেছিল…আমরা তাদের সঙ্গে বা পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ন্যায়বিচার করিনি এবং আমরা অতীত থেকেও শিক্ষা নেইনি।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সম্পদের অভাব নয়, বরং শুরু থেকেই আইনের শাসন না থাকার কারণে তার দেশে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

শরিফ ও জারদারি পরিবার জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে নিজেদের স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ইমরান।

ভাষণে করোনা মহামারিতে নিজ দলের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, ‘ওই সময় লকডাউন দেয়ার জন্য বিরোধীরা অনবরত বলে আসছিল। তবে দিনমজুর এবং শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে তা দেয়া হয়নি।’

পাকিস্তানের ক্ষমতাশালীদের আইনের আওতায় আনতে না পারাকে নিজের ব্যর্থতা বলেও জানান পিটিআই প্রধান। তিনি বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের আইনের আওতায় আনতে পারত, তারা তা করেনি। বরং তারা অপরাধীদের সঙ্গে চুক্তি করছে।’

ভাষণে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে ইমরান বলেন, ‘দেশের ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে, ইমরান শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
ইমরানের ওপর হামলার নিন্দা ক্রিকেটারদের
গুলিবিদ্ধ ইমরান, পাকিস্তানজুড়ে প্রবল বিক্ষোভ
রাতেও কেন ইমরান খানের চোখে সানগ্লাস
ইমরানের লং মার্চে লাইভ দিতে গিয়ে নারী সাংবাদিক নিহত
গ্রেপ্তারের ভয় ‘আপাতত কাটল’ ইমরানের

মন্তব্য

p
উপরে