× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

ফ্যাক্ট চেক
Forced to write down sisters land or something else
hear-news
player
print-icon

জোর করে বোনের জমি লিখে নেয়া, নাকি অন্য কিছু

জোর-করে-বোনের-জমি-লিখে-নেয়া-নাকি-অন্য-কিছু
ছবিটি ভাইরাল ভিডিও থেকে নেয়া।
একটি দলিলে অসুস্থ এক নারীর টিপসই নিচ্ছেন এক ব্যক্তি। কিন্তু টিপসই নেয়ার মুহূর্তে চিৎকার করছেন ওই নারী। স্থানীয় এক ব্যক্তির ধারণ করা ভিডিওটি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং বলা হয়- জোর করে টিপসই নিয়ে বোনের জমি দখল করে নিচ্ছেন তার ভাই। এ অবস্থায় টিপসই নেয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তোলেন অনেকেই। যদিও বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে নিউজবাংলার সামনে এসেছে ভিন্ন আরেকটি বিষয়।

জোর করে টিপসই নেয়া হচ্ছে। আর টিপসই দিতে না চেয়ে চিৎকার করছেন এক অসুস্থ ও বয়স্ক নারী। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

ভিডিওটির বরাতে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে খবরও প্রকাশিত হয়েছে। এসব খবরে বলা হয়েছে, জোর করে দলিলে টিপসই নিয়ে বোনের জমি দখল করে নিচ্ছেন তার ভাই রইস উদ্দিন।

ভিডিওতে দেখা যায়, ষাটোর্ধ্ব ও অসুস্থ ওই নারী শুয়ে আছেন একটি ভ্যানে। টিপসই নেয়া রইস উদ্দিনের পাশে ছিলেন স্থানীয় দলিল লেখক ও আরও কয়েক ব্যক্তি।

টিপসই নিতে ওই নারীর বৃদ্ধাঙ্গুলি ধরে এগিয়ে নিতেই তিনি চিৎকার করছেন। এ সময় তাকে ‘না’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায়। ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হলে অনেকেই এই অমানবিক ঘটনার বিচার দাবি করেন। নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও।

এদিকে নিউজবাংলার অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার কোনো মিল নেই, বরং উল্টো। জমি লিখে নেয়ার বিষয় থাকলেও আসলে তা ছিল দুই পরিবার এবং ভাইবোনের সমঝোতা ও দেনা-পাওনার ভিত্তিতেই। নারীটি চিৎকার করছিলেন মূলত তার অসুস্থতাজনিত কারণে।

৬৫ বছর বয়সী ওই নারীর নাম জাহানারা খাতুন। তিনি কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার গঙ্গাবরকান্দি গ্রামের ওয়ারেশ আলীর স্ত্রী।

বিষয়টি নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা দলিল লেখক, ওই নারী, তার স্বামী, সন্তান, স্বজন, সাব-রেজিস্ট্রারসহ প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন এই প্রতিবেদক।

প্রত্যেকেই জানান, তাদের দাবি মহিলাটি পক্ষাঘাতগ্রস্ত। তার ইচ্ছায়ই জমি বিক্রি করছিল পরিবারের সদস্যরা।

জাহানার ভাই রইস উদ্দিন বলেন, ‘আমার বোন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। সে ওয়ারিশ সূত্রে ২৯ শতাংশ জমি পাবে। অসুস্থ থাকায় সেই জমির মধ্যে ২৬ শতক জমি তার স্বামী ও সন্তান ২ লাখ ৫০ হাজার মূল্যে আমাদের দুই ভাইয়ের কাছে জমি বিক্রি করার কথা বলেন। এ জন্য তারা আমার বোনকে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে আসেন। কিন্তু সে অসুস্থ থাকায় টিপসইয়ের সময় চিৎকার করে। জোর করে লিখে নেয়ার কথা সঠিক নয়।’

স্বামী ওয়ারেশ আলী, সন্তান ফিরোজসহ স্বজনরা জানান- জাহানারা প্রায় আড়াই বছর আগে স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে যান। তার চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ খরচ হয়েছে। এবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই জমি বিক্রির কথা বলা হলে জাহানারার ইচ্ছায়ই তার দুই ভাইয়ের নামে তা রেজিস্ট্রি করার কথা ছিল।

মূলত প্যারালাইজড হওয়ার কারণে দুই হাত নাড়াতে পারেন না জাহানারা। তাই বাম হাতের টিপসই নেয়ার সময় ব্যথা পেয়ে চিৎকার করছিলেন তিনি।

শুক্রবার সকালে জাহানারার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বিছানায় শুয়ে আছেন তিনি। চলাফেরা, এমনকি নড়াচড়াও করতে পারেন না। শরীরের বাম পাশ পুরো অচল হয়ে গেছে। ঠিকমতো কথাও বলতে পারেন না। কেউ কিছু জানতে চাইলে শুধু হ্যাঁ বা না বলে জবাব দেন।

ভাইদের কাছে নিজের ইচ্ছায় জমি দিচ্ছেন কি না, কয়েকবার এমন প্রশ্নের উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলে সম্মতির কথা জানান তিনি।

এটি রেজিস্ট্রি করার কথা ছিল গত মঙ্গলবার। সেদিন রেজিস্ট্রি করতে এসে অসুস্থতার কারণে তিনি চিৎকার করছিলেন।

বিষয়টি নিয়ে হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর ওই নারীর স্বামী-সন্তান, ভাইসহ অনেকের সঙ্গেই কথা বলেছি। আসলে জোর করে নয়, ওই নারীর ইচ্ছায়ই দলিলে টিপসই নেয়া হয়েছিল।’

স্থানীয় দলিল লেখক নওশের আলী জানান, ওই নারীর ভাই একটি হেবা দলিল (দানপত্র) করার জন্য তার কাছে আসেন। সেই অনুযায়ী, ২৬ শতাংশ জমির একটি দলিল লেখা হয়। পরে গত মঙ্গলবার দলিলে টিপসই নিতে গেলে জাহানারা চিৎকার করার কারণে সেদিন দলিলটি রেজিস্ট্রি না করিয়ে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী আল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানতাম না। আপনাদের কাছ থেকেই জেনেছি। এমন দলিল রেজিস্ট্রির কোনো সুযোগ নেই। কারণ রেজিস্ট্রির সময় দাতাকে কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়। সেগুলোর সন্তোষজনক জবাব না পেলে জমি রেজিস্ট্রি করা হয় না।’

আরও পড়ুন:
জমির বিরোধে সংঘর্ষ থামল পুলিশের লাঠিচার্জে
২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির কর মওকুফ হচ্ছে
জমির বিরোধে ভাতিজার কোপে মৃত্যু
‌জমির সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রাণহানি
‘জমির বিরোধে’ ভাইকে হত্যা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ফ্যাক্ট চেক
Body of missing Tiktkar found in Dhaleswari

ধলেশ্বরীতে নিখোঁজ ‘টিকটকারের’ মরদেহ উদ্ধার

ধলেশ্বরীতে নিখোঁজ ‘টিকটকারের’ মরদেহ উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল হাকিম স্থানীয়দের বরাতে জানান, তিন কিশোর শনিবার দুপুরে টিকটক ভিডিও করার জন্য মুক্তারপুর সেতুতে যায়। এর মধ্যে দুজন ভিডিওর জন্য নদীতে ঝাঁপ দেয়। তাদের একজন হামিম সাঁতরে তীরে উঠলেও রাসেলকে পাওয়া যায়নি।

মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে নিখোঁজ কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জেলার মুক্তারপুর সেতুর পশ্চিম প্রান্তে মালিপাথর এলাকায় নদীর অংশ থেকে সোমবার রাত ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত মো. রাসেলের বাড়ি বরিশালের হিজলা উপজেলায়। পরিবারসহ তিনি মুন্সীগঞ্জ সদরের দশকানি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মুক্তারপর নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লুৎফর রহমান এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাই ওই কিশোরের মরদেহ নদীতে ভেসে উঠেছে। মুক্তারপুর সেতুর পশ্চিম পাশে ১০০ মিটার দূর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহ নৌপুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল হাকিম স্থানীয়দের বরাতে জানান, তিন কিশোর শনিবার দুপুরে টিকটক ভিডিও করার জন্য মুক্তারপুর সেতুতে যায়। এর মধ্যে দুজন ভিডিওর জন্য নদীতে ঝাঁপ দেয়। তাদের একজন হামিম সাঁতরে তীরে উঠলেও রাসেলকে পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত খুঁজেও রাসেলকে পাওয়া যায়নি। রোববার রাতে মরদেহ ভেসে উঠলে উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
বন্ধুর ডাকে বেরিয়ে নিখোঁজ, গুমাই নদীতে মরদেহ
শিক্ষক খাইরুনের মৃত্যুতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
রাজধানীতে দেবরের বাসায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
‘ভাইরাল হওয়ার পর মানসিক চাপে পড়েন শিক্ষক খাইরুন’
বাঁশঝাড়ে স্কুলছাত্রের মরদেহ

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
The body of the student was found after flogging in the madrasa

মাদ্রাসায় বেত্রাঘাতের পর মিলল ছাত্রের মরদেহ

মাদ্রাসায় বেত্রাঘাতের পর মিলল ছাত্রের মরদেহ
অভিযুক্ত শিক্ষক হোসাইন বলেন, ‘পড়া দিতে না পারায় তার হাতে ও ঊরুতে দুইবার বেত্রাঘাত করি। পরে দুপুরে নামাজ শেষে সে বাথরুমে যায়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বাথরুম থেকে বের না হলে দেয়ালের ফাঁক দিয়ে অন্য এক ছাত্র উঁকি দিয়ে দেখে সে গলায় ফাঁস দিয়ে পড়ে আছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে মাদ্রাসাশিক্ষকের পিটুনিতে ১২ বছর বয়সী ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

জেলা শহরের কাউতলীর ইব্রাহিমীয়া হাফিজিয়া কোরআন মাদ্রাসা থেকে রোববার দুপুরে মোহাম্মদ আলী নামে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আলীর বাড়ি কাউতলীতেই। তার বাবা কাউসার মিয়া জানান, আড়াই বছর আগে এই মাদ্রাসায় তাকে ভর্তি করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি ঘটনার সততা নিশ্চিত করেন।

তিনি স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, রোববার সকালে আলীকে মাদ্রাসায় দিয়ে যান তার বাবা। দুপুরে ছেলের জন্য খাবার নিয়ে এলে তার মরদেহ দেখতে পান মেঝেতে। বাবার চিৎকারে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশে খবর দেন।

মোহাম্মদ আলীর চাচা মোস্তাক অভিযোগ করেন, শিক্ষক হোসাইন আহমেদের পিটুনির কারণে তার ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আলী হেফজখানায় পড়ছিল। কোরআন শরিফের অর্ধেক সে মুখস্থ করে ফেলেছিল। প্রতিদিনকার মতো আজও আলীর বাবা তাকে সকালে মাদ্রাসায় দিয়ে যায়। পড়া না পারায় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে হত্যা করে বাথরুমে আটকে রাখে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আলী কোরআন শরিফের ২৬ পাড়া মুখস্থ করে ফেলেছিল...। কিছুদিন ধরে সে আধা পৃষ্ঠা পড়াও ঠিকভাবে দিতে পারছিল না। আজ সকালেও ঠিক এমনই হয়েছে।

‘পড়া দিতে না পারায় তার হাতে ও পায়ের ঊরুতে দুইবার বেত্রাঘাত করি। পরে দুপুরে নামাজ শেষে সে বাথরুমে যায়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বাথরুম থেকে বের না হলে দেয়ালের ফাঁক দিয়ে অন্য এক ছাত্র উঁকি দিয়ে দেখে সে গলায় ফাঁস দিয়ে পড়ে আছে। তাকে বাথরুম থেকে বের করি। এরই মধ্যে তার বাবা মাদ্রাসায় এসে ছেলের লাশ দেখতে পায়।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক হোসাইন আহমেদ বেত্রাঘাতের কথা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিক অবস্থায় এটি আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পর আসল কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
বলাৎকারের মামলায় সহকারী শিক্ষক গ্রেপ্তার
সহকারীর জ্বালায় প্রধান শিক্ষক আসে আর যায়
শ্লীলতাহানির মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ কর্মচারীর
‘শিক্ষকের বেত্রাঘাতে’ মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Missing Gumai found dead in the river after being called by a friend

বন্ধুর ডাকে বেরিয়ে নিখোঁজ, গুমাই নদীতে মরদেহ

বন্ধুর ডাকে বেরিয়ে নিখোঁজ, গুমাই নদীতে মরদেহ
সাগরের বাবা শাহর আলী জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক বন্ধুর মোবাইল কল পেয়ে সাগর বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে না ফেরায় তারা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। এ সময়ে সাগরের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর গুমাই নদী থেকে সাগর মিয়া নামের কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার রাজনগর গ্রামে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

সাগর মিয়া কলমাকান্দার পোগলা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের শাহর আলীর ছেলে। সে হাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ত।

কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান এসব তথ্য জানান।

সাগরের বাবা শাহর আলী জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক বন্ধুর মোবাইল কল পেয়ে সাগর বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে না ফেরায় তারা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। এ সময়ে সাগরের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

দুপুর ২টার দিকে রাজনগর গ্রামে গুমাই নদীতে সাগরের মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী থানায় জানান। পুলিশ গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে নেয়।

ওসি জানান, সাগরের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক খাইরুনের মৃত্যুতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
রাজধানীতে দেবরের বাসায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
‘ভাইরাল হওয়ার পর মানসিক চাপে পড়েন শিক্ষক খাইরুন’
বাঁশঝাড়ে স্কুলছাত্রের মরদেহ
শিক্ষক খাইরুনের মৃত্যু: স্বামী মামুন পুলিশ হেফাজতে

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Video of patient assault goes viral

রোগীকে লাঞ্ছনার ভিডিও ভাইরাল

রোগীকে লাঞ্ছনার ভিডিও ভাইরাল ভাইরাল ভিডিও থেকে নেয়া ছবি।
২ মিনিট ৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালে নিজ চেম্বারে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন চিকিৎসক আকরাম। এর মধ্যে একজন তার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বসেন। আকরাম তার পিঠে কিল দেন ও লাথি মারেন। 

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে রোগীর লাঞ্ছিত হওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনাটি গত শনিবারের। ভিডিওতে লাঞ্ছিত করার দৃশ্য দেখা গেলেও ওই চিকিৎসক এটিকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

চিকিৎসক আকরাম এলাহী সদর হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন।

২ মিনিট ৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালে নিজ চেম্বারে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন আকরাম। এর মধ্যে একজন তার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বসেন। আকরাম তার পিঠে কিল দেন ও লাথি মারেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে চিকিৎসক আকরাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি কোনো রোগীর গায়ে হাত তুলিনি। ঘটনার দিন রোগীর অনেক চাপ ছিল। ওই সময় ওই রোগী জোর করে আমার চেম্বারে ঢোকার চেষ্টা করলে আমার সহকারী তাকে বাধা দেয়। বাধা দিলে সে ওই সহকারীর গায়ে হাত তোলে।

‘আমার সহকারী এমনিতেই অসুস্থ, হার্টের রোগী। পরে সে আমার চেম্বারে ঢুকে আমাকে কামড় দিতে গেলে আমি দূরে সরে আসি।’

রোগীকে লাঞ্ছনার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোনো রোগীকে থাপ্পর বা লাথি মারিনি। আমি আমি নিজেকে বাঁচাতে সরে এসেছি। আর যেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে এগুলো মিথ্যে। আমি কোনো রোগীকে মেরেছি এমন কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি।’

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আবদুল্লাহ আল মুরাদ এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে অবগত নন জানিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ভিডিওর ওই রোগীর পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি চিকিৎসক আকরাম বা হাসপাতালের কেউ। এ কারণে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
নারী চিকিৎসক হত্যায় রেজার স্বীকারোক্তি
‘ফেসবুকে পরিচয়ে বিয়ে, হত্যার নেপথ্যে রেজাউলের একাধিক সম্পর্ক’
‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’
নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক
শহীদ মিনারে মারধর: কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্নরা

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Mason arrested while robbing

ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ‘রাজমিস্ত্রি’

ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ‘রাজমিস্ত্রি’ সাধারণ মানুষ ধাওয়া করে ছিনতাইকারীকে আটক করে। ছবি: নিউজবাংলা
ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল বাসির জানান, তিনি একটি কাপড়ের ব্যাগে কিছু টাকা নিয়ে বাতেন খাঁ মোড়ে ডাব কিনে খান। এ সময়ই তার হাতে থাকা ব্যাগটি নিয়ে দৌড় দেয় ছিনতাইকারী।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিনদুপুরে ব্যস্ততম সড়কে ছিনতাই করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের হাতে আটক হয়েছেন এক ব্যক্তি। পরে ছিনতাইয়ের কারণ হিসেবে নিজের বেকারত্বের কথা জানান তিনি।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের বাতেন খাঁ মোড় এলাকায় এক ব্যক্তির টাকা ছিনতাই করে পালানোর সময় আশপাশের মানুষ ধাওয়া করে ধরে ফেলে তাকে। পরে মারধর করে ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এর আগে ওই ছিনতাইকারী জানান, তার নাম মাসুদ রানা। বয়স ৩২ বছর। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বিদিরপুর মহল্লায় বসবাস করেন তিনি। রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালান। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে কোনো কাজ না থাকায় ছিনতাইয়ের পথ বেছে নিয়েছেন।

ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল বাসির জানান, তিনি একটি কাপড়ের ব্যাগে কিছু টাকা নিয়ে বাতেন খাঁ মোড়ে ডাব কিনে খান। এ সময়ই তার হাতে থাকা ব্যাগটি নিয়ে দৌড় দেয় ছিনতাইকারী। পরে তার চিকৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ধাওয়া করে ছিনতাইকারীকে ধরে টাকা উদ্ধার করে দেয়।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, ৯৯৯-তে কলের মাধ্যমে ছিনতাইয়ের ঘটনা জানতে পেরে বাতেন খাঁ মোড় থেকে আটক ছিনতাইকারীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ইউ‌পি সদস্যের নেতৃত্বে ৬৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
ছিনতাইকারীকে ধরা জবি শিক্ষার্থী ফোন ফিরে পাননি
রিমান্ড শেষে কারাগারে স্বর্ণ ছিনতাইয়ে অভিযুক্ত এএসআই
ওষুধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই
ছিনতাই মামলায় এএসআই কারাগারে

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
After 12 days on the Mymensingh Sylhet route the wheels of the bus turned

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ১২ দিন পর ঘুরল বাসের চাকা

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ১২ দিন পর ঘুরল বাসের চাকা
ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘সিলেট মালিক সমিতি চেয়েছিল তাদের নতুন দুটি বাস সিলেট-নেত্রকোণার কলমাকান্দা রুটে চলুক। আজকেও নেত্রকোণা মালিক সমিতি এটি মেনে নেয়নি। তবে তারা সিলেট-নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটে বাস চলাচল করতে দিতে রাজি হয়েছে।’

ঘোষণা ছাড়াই বন্ধ হওয়ার ১২ দিন পর ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে শুরু হয়েছে বাস চলাচল।

পরিবহন মালিক শ্রমিক নেতাদের বৈঠক শেষে বাস ফের চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নিউজবাংলাকে রোববার রাত সাড়ে ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবর রহমান।

তিনি বলেন, ‘বিকেলে হবিগঞ্জের একটি হোটেলে সিলেট, নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ মোটর মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে তারা বিকেল ৫টা থেকেই ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। সন্ধ্যার পর ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে কয়েকটি বাস চলাচল শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে এ রুটে পুরোদমে বাস চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিলেট মালিক সমিতি চেয়েছিল তাদের নতুন দুটি বাস সিলেট-নেত্রকোণার কলমাকান্দা রুটে চলুক। আজকেও নেত্রকোণা মালিক সমিতি এটি মেনে নেয়নি। তবে তারা সিলেট-নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটে বাস চলাচল করতে দিতে রাজি হয়েছে।

‘কিন্তু সিলেট মালিক সমিতির নেতারা আগামী তিন দিনের মধ্যে নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটে বাস চালাবে কি না আমাদের জানাবেন। যদি তারা চায়, নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটেই বাস চলবে। নয়তো আমাদের নেতারা নেত্রকোণা মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিলেট-নেত্রকোণার কলমাকান্দা রুটেই বাস চলাচলের ব্যবস্থা করবে।’

আরও পড়ুন:
তেলের দাম সমান হলেও কলকাতায় বাস ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু
যাত্রী ঠকছে বিআরটিসির বাসেও
সর্বনিম্ন ভাড়া ১০, তবে প্রজাপতি ও পরিস্থানে ২৫
ওয়েবিল থাকবে না ঘোষণা দিয়ে কয়েক মাস সময় দাবি

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Rohingya detained with foreign pistol

বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা আটক

বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা আটক ২৮ বছর বয়সী আটক রোহিঙ্গা যুবকের নাম মোহাম্মদ হারুন। ছবি: নিউজবাংলা
আটক হারুনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান ১৬ এপিবিএন কর্মকর্তা হাসান বারী নূর।

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্প থেকে বিদেশি পিস্তলসহ এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ১৬ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

রোববার রাত ৮টার দিকে নয়াপাড়া ক্যাম্পের সি-ব্লক থেকে ওই রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ১৬ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) হাসান বারী নূর।

তিনি জানান, ২৮ বছর বয়সী আটক রোহিঙ্গা যুবকের নাম মোহাম্মদ হারুন। নয়াপাড়া ক্যাম্পের সি-ব্লকের ৮০২ নং শেডের ফজল আহমদের ছেলে তিনি।

হাসান বারী নুর বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে সি-ব্লকের একটি এলাকায় অবস্থানকালে হারুনের দেহ তল্লাশি করে বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগজিন পাওয়া যায়। পরে তাকে আটক করা হয়।’

আটক হারুনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান ১৬ এপিবিএন কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতাসহ নিহত ২
ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ৭ রোহিঙ্গা আটক
‘আধিপত্য বিস্তারের জেরে’ রোহিঙ্গা যুবক খুন
রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশ ভিকটিম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘রোহিঙ্গা ইস্যু ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় দরকার আঞ্চলিক পরিকল্পনা’

মন্তব্য

p
উপরে