পোলট্রি মুরগি কি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উৎস?

পোলট্রি মুরগি কি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উৎস?

পোলট্রি মুরগি থেকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ানোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের একটি টুইটে জানানো হয়, পশুপাখি থেকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ানোর কোনো প্রমাণ নেই। এ-সংক্রান্ত যে বার্তাটি ছড়ানো হচ্ছে, সেটি ভিত্তিহীন।

কোভিড-১৯ মহামারির মাঝে নতুন আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (কালো ছত্রাক) সংক্রমণ।

ভারতে বিরল এই সংক্রমণে এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেছে ভারত সরকার।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্তের ঘটনা নতুন নয়। প্রকৃতিতে থাকা এ ফাঙ্গাস আগে থেকেই মানুষের জন্য প্রাণঘাতী। তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে এগুলো কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। এটি তাদের জন্যই ভয়াবহ, যাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে একটি বার্তা ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগোযোগমাধ্যমে। ভারতে হোয়াটসঅ্যাপেও ছড়ানো হচ্ছে বার্তাটি।

এতে বলা হয়েছে, পোলট্রির মুরগি থেকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ঘটছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে ওই বার্তায়।

তবে এই দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের একটি টুইটে জানানো হয়, পশুপাখি থেকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ানোর কোনো প্রমাণ নেই। এ-সংক্রান্ত যে বার্তাটি ছড়ানো হচ্ছে, সেটি ভিত্তিহীন।

মিউকরমাইকোসিসের উৎস মিউকর নামক ছত্রাক থেকে, যা সাধারণভাবে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস হিসেবে পরিচিত।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ছত্রাক সাধারণত মানুষের নাকে বা মুখে পাওয়া যায়। এই ছত্রাক সংক্রমণের উপসর্গ মূলত দাঁতে ব্যথা, মুখ ফুলে যাওয়া, মুখ অবশ হয়ে যাওয়া, নাকে কালচে দাগ, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, মাথা ধরা, নাক দিয়ে রক্ত বা কালচে কফ বের হওয়া।

এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন:
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস: দ্রুত চিকিৎসা শুরুর পরামর্শ সরকারের
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধ মজুতের সুপারিশ
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মহামারির পেছনে জিঙ্ক?
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকিতে কারা, কীভাবে বুঝবেন আক্রান্ত
যাদের আক্রান্ত করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস

শেয়ার করুন

মন্তব্য