× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

ফ্যাক্ট চেক
টিএসসির গাছ কাটার ছবি পাঁচ বছরের পুরনো
hear-news
player
print-icon

টিএসসির গাছ কাটার ছবি পাঁচ বছরের পুরনো

টিএসসির-গাছ-কাটার-ছবি-পাঁচ-বছরের-পুরনো
টিএসসিতে গাছ কাটার ভাইরাল হওয়া ছবি।
টিএসসি ভবন ভেঙে ফেলার উদ্দেশ্যে আর সামনের গাছ কাটা হচ্ছে মর্মে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, টিএসসিতে সম্প্রতি কোনো গাছ কাটা হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির বাইরে গাছ কেটে ফেলার একটি ছবি কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিটি দেখার পর থেকেই আলোচনা শুরু হয় যে টিএসসি ভাঙা হবে। সেই উদ্দেশ্যেই নাকি গাছ কাটা হচ্ছে।

ঘটনাটির সত্যতা জানতে গিয়ে দেখা যায় যে, সম্প্রতি কোনো গাছ টিএসসির আশেপাশে কাটা পড়েনি। তাহলে কোথা থেকে এলো এই ছবি?

টিএসসির পরিচালক আলী আকবর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই ছবি পাঁচ বছর আগের। এখানে এক রাতে ঝড়ে একটি বড় গাছের উপরের অংশ ভেঙে পড়ে। ভাগ্য ভালো তখন সময়টা রাতের বেলা হওয়ায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

টিএসসির গাছ কাটার ছবি পাঁচ বছরের পুরনো
টিএসসিতে গাছ কাটার ছবি ভাইরাল হলেও সেখানে কোনো গাছ কাটা হয়নি। অক্ষুণ্ন টিএসসির দেয়াল। ছবি: সংগৃহীত

‘ঘটনার পরের দিন সকালে রাস্তার পাশে নিয়ে বড় অংশগুলো কেটে ছোট টুকরা করা হচ্ছিল। তখন কেউ ছবি তুলেছিল। সেই ছবি কিছু দিন আগে আবার ফেসবুকে আসে। যেটা সবার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে।’

ছবিটি ভালোভাবে লক্ষ করলে দেখা যায়, গাছের ভাঙা অংশ পড়ে টিএসসির বাইরের দিকের দেয়াল ভেঙে গেছে। কিন্তু সেখানে দেখা গেল, দেয়াল অক্ষুণ্ণ অবস্থায় রয়েছে।

টিএসসির উপদেষ্টা ড. সৌমিত্র শেখর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা টিএসসিকে আরও পরিবেশবান্ধব করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহায়তায় সাভার থেকে মাটি এনে টিএসসির সামনের অংশে দুর্বাঘাস লাগিয়েছি। বাইরের দেয়াল ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। আমি দায়িত্ব নেয়ার পরে এসেই দেয়াল সংস্কার করি।

‘আমরা পরিবেশকে ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেইখানে গাছ কেটে ফেলার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ফ্যাক্ট চেক
Opponents of Padma Bridge national resources are enemies of the nation High Court

পদ্মা সেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট

পদ্মা সেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট পদ্মা সেতুকে জাতীয় সম্পদ ও দেশের অহংকার বলে উল্লেখ করেছে হাইকোর্ট। যান চলাচলের জন্য রোববার ভোরে খুলে দেয়া হয় পদ্মা সেতু্। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।’

পদ্মা সেতুকে জাতীয় সম্পদ ও দেশের অহংকার বলে উল্লেখ করে উচ্চ আদালত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ জানিয়েছে, যারা এমন জাতীয় সম্পদের বিরোধিতা করবে তারা জাতির শত্রু।

সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।’

পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে জারি করা রুলের শুনানিকালে এ মন্তব্য করে হাইকোর্ট।

পরে আগামীকাল মঙ্গলবার এ রুলের ওপর আরও শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ঠিক করে দেয় হাইকোর্ট।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

শনিবার দুপুরে মাওয়া প্রান্তে নামফলক উম্মোচনের মাধ্যমে দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
প্রথম দিনে পদ্মা সেতুতে টোল ২ কোটি ৯ লাখ টাকা
বাইকে নিষেধাজ্ঞা: গাড়ির চাপ কম পদ্মা সেতুতে
পদ্মা সেতু পার হতে ভয় পাচ্ছেন এমপি হারুন
সাঁকোতে সেলফি তুলে ক্যাপশনে পদ্মা সেতু, দুজনকে পিটুনি
বাইজীদের বিরুদ্ধে মামলা বিশেষ ক্ষমতা আইনে, হতে পারে মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Former UP member hacked to death

সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা প্রতীকী ছবি
ওসি আনিচুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে দৌলতকে হত্যা করা হয়েছে। তার ছেলে কাশেমের সঙ্গে রুবেলের বিরোধ ছিল। রোববার রাতে নিজ এলাকায় যাওয়ার পথে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জের সদরে পূর্বশত্রুতার জেরে সাবেক এক ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে বর্তমান ইউপি সদস্য ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।

উপজেলার সৈয়দপুর এলাকায় রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার পর তার মৃত্যু হয়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান নিউজবাংলাকে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত বয়স ৪৭ বছরের দৌলত হোসেনের বাড়ি চরসৈয়দপুর এলাকায়। গোগনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও কৃষক লীগের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার রাতে অটোরিকশায় করে নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে নিজ এলাকা চরসৈয়দপুরে ফিরছিলেন দৌলত। সাড়ে ১০টার দিকে সৈয়দপুর এলাকায় এলে গোগনগর বর্তমান ইউপি সদস্য রুবেল তার লোকজন নিয়ে দৌলতের রিকশা গতিরোধ করেন। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে দৌলতের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে যান তারা।

গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন আশেপাশের লোকজন। সেখান চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২ টার পর মারা যান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য রুবেলের মোবাইলে ফোন দেয়া হলে তা বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

ওসি আনিচুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে দৌলতকে হত্যা করা হয়েছে। তার ছেলে কাশেমের সঙ্গে রুবেলের বিরোধ ছিল। রোববার রাতে নিজ এলাকায় যাওয়ার পথে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

দৌলতের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভোরে তিনজনকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হবে।’

আরও পড়ুন:
‘আধিপত্য বিস্তারের জেরে’ শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা
যুবক হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
গৃহকর্ত্রীকে কুপিয়ে ‘হত্যা’, গৃহকর্মী আটক
সালাম হত্যার বিচার চায় যুবজোট
যুবজোট নেতা হত্যায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩

মন্তব্য

প্রথম দিনে পদ্মা সেতুতে টোল ২ কোটি ৯ লাখ টাকা

প্রথম দিনে পদ্মা সেতুতে টোল ২ কোটি ৯ লাখ টাকা পদ্মা সেতু দিয়ে রোববার পারাপার হয় ৫১ হাজারের বেশি গাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা
উদ্বোধনী দিনে সেতুর দুই প্রান্ত দিয়ে পারাপার হয়েছে ৫১ হাজার ৩১৬টি গাড়ি। এসব গাড়ি থেকে টোল আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার উদ্বোধনের পর রোববার ভোরে যানবাহন চলাচল শুরু হয় পদ্মা সেতুতে।

উদ্বোধনী দিনে সেতুর দুই প্রান্ত দিয়ে পারাপার হয়েছে ৫১ হাজার ৩১৬টি গাড়ি। এসব গাড়ি থেকে টোল আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকার।

রোববার মাওয়া টোল প্লাজা দিয়ে মোটরসাইকেলসহ ২৬ হাজার ৫৮৯টি যানবাহন পারাপার হয়। এ প্রান্তে সংগ্রহ করা হয় এক কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা।

জাজিরা প্রান্তে ২৪ হাজার ৭২৭ যানবাহন পার হয়েছে। এ প্রান্তে সংগ্রহ করা হয় ১ কোটি ৪৪ হাজার ৪ টাকা।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ এসব বিষয় নিশ্চিত করেছে।

বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব টোল প্লাজায়

দিনভর বিশৃঙ্খলার মধ্যে রোববার রাতে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার।

ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টা থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে; চলছে না বাইক। ফলে সেতুর মাওয়া প্রান্তে টোল প্লাজায় যানবাহন কম দেখা গেছে।

এদিকে রোববারের দুর্ঘটনার পর থেকে সেতু কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে। টোল প্লাজা এলাকায় টহলও বেড়েছে।

বাংলাদেশ সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল থেকেই সেতুতে বাইক চলতে দেয়া হচ্ছে না। সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী টহল জোরদার করেছে। এ জন্য যানবাহন গতকালের চেয়ে কিছুটা কম পার হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
বিশৃঙ্খলার মধ্যে পদ্মা সেতুতে বাইক নিষিদ্ধ
পদ্মা সেতুতে উঠতে পারছে না সাতক্ষীরার বেশির ভাগ গাড়ি
পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনায় দুই বাইকারের মৃত্যু
পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ৮ মিনিট বন্ধ পদ্মা সেতুর টোল আদায়

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Twelve Supreme Court justices have been attacked by Corona

সুপ্রিম কোর্টের ১২ বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত

সুপ্রিম কোর্টের ১২ বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের দুই বিভাগের ১২ বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফাইল ছবি
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বিচারপতি ইকবাল কবির লিটনসহ ১২ জন বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, অনেক আইনজীবীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ তথ্য জানিয়েছেন।

সকালে আপিল বিভাগের বিচারকাজ শুরু হলে অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ করে এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।

তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলকে মামলা পরিচালনায় সহযোগিতা চেয়ে বলেন, ‘আমাদের ১২ জন বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত। দ্বৈত বেঞ্চের একজন করোনায় আক্রান্ত হলে ওই বেঞ্চের বিচারকাজ বন্ধ থাকে।

‘করোনার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বেঞ্চে বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় আপনারা যদি সহযোগিতা না করেন তাহলে আমাদের জন্য বিষয়টি কঠিন হয়ে পড়ে। আপনারা সহযোগিতা না করলে আমাদের ভার্চুয়ালি কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারপরও ধৈর্য ধরেন আমরা দেখতেছি।’

আপাতত গুরুত্বপূর্ণ মামলাকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।

এ সময় তিনি সব আইনজীবীর সহযোগিতা চান।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘মাই লর্ড আমাদের অনেক আইনজীবীও করোনায় আক্রান্ত। আমরা আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বিচারপতি ইকবাল কবির লিটনসহ ১২ জন বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
করোনায় নব্য বিলিয়নেয়ার ৫৭৩, হতদরিদ্র ২৬ কোটি
সুপ্রিম কোর্টে তথ্য কর্মকর্তা চেয়ে নোটিশ
করোনার প্রথম দুই বছরে অতিরিক্ত দেড় কোটি মৃত্যু
তুরস্ক গেলেন প্রধান বিচারপতি

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Three newborns in Pabna got Padma bridge inauguration name

যমজ ৩ পুত্রসন্তানের নাম পদ্মা সেতু উদ্বোধন

যমজ ৩ পুত্রসন্তানের নাম পদ্মা সেতু উদ্বোধন পাবনায় তিন নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে পদ্মা, সেতু, উদ্বোধন। ছবি: নিউজবাংলা
নবজাতকদের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের গর্বের, স্বপ্নের। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে মূলত এই নাম রাখা হয়েছে। কোনও পুরস্কার পাওয়ার লোভে আমার সন্তানদের নাম পদ্মা, সেতু, উদ্বোধন রাখিনি।’

এবার পাবনায় জন্ম নেয়া তিন নবজাতকের নাম দেয়া হয়েছে পদ্মা, সেতু ও উদ্বোধন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সুমী খাতুন নামে এক নারী সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শনিবার দুপুরে তিন ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। প্রাথমিকভাবে তাদের ডাক নাম রাখা হয়েছে পদ্মা, সেতু ও উদ্বোধন।

একই সময় শনিবার দুপুরে মাওয়া প্রান্তে নামফলক উম্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সুমী খাতুন পাবনার বেড়া পৌর এলাকার আমাইকোলা মহল্লার বাসিন্দা। তার স্বামী মিজানুর রহমান পেশায় রাজমিস্ত্রি।

নবজাতকদের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে পাবনার পিডিসি হাসপাতালে চিকিৎসককে দেখানোর পর তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাম করে জানান পেটের ভেতরে বাচ্চার অবস্থা একটু বেকায়দায় রয়েছে। রাজশাহী নিয়ে যেতে পরামর্শ দিয়েছিলেন ওই চিকিৎসক। এরপর সেখান থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তিন পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিন সন্তানের ডাক নাম হিসেবে পদ্মা, সেতু ও উদ্বোধন রাখা হয়েছে। পরে তাদের ভালো নাম রাখা হবে।’

এমন নাম রাখার কারণ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের গর্বের, স্বপ্নের। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে মূলত এই নাম রাখা হয়েছে। কোনও পুরস্কার পাওয়ার লোভে আমার সন্তানদের নাম পদ্মা, সেতু, উদ্বোধন রাখিনি।’

মিজানুর জানান, ২০১০ সালে সুমী খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এর আগে তাদের সংসার জীবনে তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের নাম মীম, জীম ও সীম।

মিজানুর বলেন, ‘আগের তিনটি সন্তানই মেয়ে হওয়ায় আল্লাহর কাছে ছেলে সন্তান চেয়েছিলাম। আল্লাহ আমাদের মন ভরে দিয়েছে। আমরা একসঙ্গে তিন ছেলে সন্তান পেয়ে খুব খুশি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।’

আরও পড়ুন:
নাড়ি ছিঁড়েই টয়লেটে পড়ে সেই শিশুটি
বংশী নদীর পারে নবজাতকের মরদেহ
পুকুর ধারে নবজাতকের মরদেহ
টয়‌লে‌টের পাই‌পে নবজাতক, তদন্ত ক‌মি‌টির কাজ শুরু
সদ্যোজাত শিশু টয়লেটের পাইপে কী করে গেল

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Motorcycle ban Impact on toll plazas

বাইকে নিষেধাজ্ঞা: গাড়ির চাপ কম পদ্মা সেতুতে

বাইকে নিষেধাজ্ঞা: গাড়ির চাপ কম পদ্মা সেতুতে বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব দেখা গেছে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজায়। ছবি: নিউজবাংলা
সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল থেকেই সেতুতে বাইক চলতে দেয়া হচ্ছে না। সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী টহল জোরদার করেছে। এ জন্য যানবাহন গতকালের চেয়ে কিছুটা কম পার হচ্ছে।’

দিনভর বিশৃঙ্খলার মধ্যে রোববার রাতে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার।

ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টা থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে; চলছে না বাইক। ফলে সেতুর মাওয়া প্রান্তে টোল প্লাজায় যানবাহন কম দেখা গেছে।

শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য সেতু উন্মুক্ত করে দেয়া হয় রোববার সকাল ৬টা থেকে।

সবার আগে সেতু পার হওয়ার প্রবণতায় আগের রাত থেকেই হাজার হাজার যানবাহন জড়ো হতে থাকে মাওয়া প্রান্তে। এসব গাড়ির বড় অংশ ছিল মোটরসাইকেল।

মোটরসাইকেলের চাপে সেতুর টোল প্লাজার সামনে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। সবার আগে সেতু পার হওয়ার প্রবণতায় বাইকচালকরা বিশৃৃঙ্খলা শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা তাদের সামাল দিতে হিমশিম খান।

টোল দিয়ে সেতুতে উঠে বাইকাররা যেন পাগলা ঘোড়া হয়ে যান। রোববার রাতে দুর্ঘটনাও ঘটে, যাতে প্রাণ যায় দুই বাইক আরোহীর।

এমন পরিস্থিতিতে সকালে উন্মুক্ত করে দেয়ার পর রাতে সেতুতে বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আসে সরকারের তরফ থেকে।

এ সিদ্ধান্তের ফলে রোববারের তুলনায় সোমবার সকালে যানবাহন কম দেখা গেছে। বাসের সংখ্যাও ছিল বেশ কম।

এদিকে রোববারের দুর্ঘটনার পর থেকে সেতু কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে। টোল প্লাজা এলাকায় টহলও বেড়েছে।

বাংলাদেশ সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল থেকেই সেতুতে বাইক চলতে দেয়া হচ্ছে না। সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী টহল জোরদার করেছে। এ জন্য যানবাহন গতকালের চেয়ে কিছুটা কম পার হচ্ছে।’

সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজার ব্যবস্থাপক হাসিবুল হামিদুল হক বলেন, ‘রোববার যে ব্যারিয়ারটি ভেঙে গিয়েছিল, সেটা ঠিক হয়ে গেছে। গতকালের চাইতে আজকে গাড়ির চাপ কম।

‘মোটরসাইকেল যেহেতু বন্ধ রয়েছে, তার জন্য চাপ অনেকটা কমে গেছে। আসলে আমাদের একটা আবেগের ব্যাপার, যার জন্য গতকাল এই চাপ দিচ্ছিল। আর দুর্ঘটনা ব্যাপারটা আমরা আপনাদের থেকে শুনেছি।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুতে উঠতে পারছে না সাতক্ষীরার বেশির ভাগ গাড়ি
পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনায় দুই বাইকারের মৃত্যু
পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ৮ মিনিট বন্ধ পদ্মা সেতুর টোল আদায়
পদ্মা সেতু: যাতায়াত শুরু হলেও পণ্য পরিবহনে নেই সুফল

মন্তব্য

ফ্যাক্ট চেক
Development work has stopped in half

অর্ধেকে এসে থেমে গেছে উন্নয়নকাজ

অর্ধেকে এসে থেমে গেছে উন্নয়নকাজ
সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান জানান, তার এলাকায় ২০ দিনের কাজ শেষ হয়েছে। এক কৃষক বলেন, ‘এহন কাদা তো হইছেই, সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হতি লাগে কষ্ট। এরাম কাজ করার মানে কী বুঝলাম না।’

মাগুরা সদরের আঠারখাদা ইউনিয়নের আলীধানী গ্রামের নবগঙ্গা মধ্যপাড়ার পান্নু মোল্লা মিয়ার বাড়ির সামনের রাস্তা কাঁচা। কিন্তু তাতে তার যতটা না ভোগান্তি ছিল, সেটা আরও বেড়ে গেছে রাস্তার উন্নয়নকাজের পর।

পান্নু মোল্লা বললেন, ‘বাড়ির সামনে রাস্তাডা ভালোই ছিল। বৃষ্টিতে পানি হোক, তাও একটা কায়দা করে চলতাম। মাটির রাস্তা হলিও শক্ত আছে। কাদা হতো না।

‘আর মাটি ফেলিছে দেহেন কিরাম। উঁচু ঢিবি হয়ে গেছে। কাদা যাতে না হয় সে জন্য মাটি ফেলিছে। কিন্তু মাটি সমান করে যায় নাই। ইউনিয়ন পরিষদে বললাম যে এই মাটির ঢিবিতে বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দিছে। সমান করেন। তারা বলে, আর কাজ হবে না। টাকা নেই বলে কাজ হবি না। এহন কাদা তো হইছেই, সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হতি লাগে কষ্ট। এরাম কাজ করার মানে কী বুঝলাম না।’

এক মাস ধরে এমন ভোগান্তি পান্নু মোল্লার। মাঠে কাজে যেতে কষ্ট হয়। কেউ দেখার নেই।

ইউনিয়ন পরিষদে কর্মসংস্থান কর্মসূচির ৪০ দিনের কাজের টাকা অর্ধেক সময়ে এসে ফেরত চলে যাওয়ায় মাগুরা জেলা সদরের কয়েকটি ইউনিয়নে গ্রামীণ উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজ ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।

ত্রাণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ২০২২ অর্থবছরের প্রকল্পের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দেরিতে ছাড় হওয়ায় সময়মতো কাজ শেষ হয়নি। দেশের অধিকাংশ ইউনিয়নে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ এই অর্ধেক কাজকে ভোগান্তি হিসেবে দেখছেন। মাগুরা সদরের আঠারখাদার মধ্যপাড়ায় একই এলাকার কৃষক নসিম জানান, ‘সামনে পাটের সময়। তাহলে এ রকম উল্টাপাল্টা কাজ করার দরকার কী? অর্ধেক মাটি ফেলে আমার বাড়ির সামনে উঁচু ঢিবি বানাই রাখছে। বৃষ্টির পানি গড়ায় বাড়ির ভেতরে যায়। আগে তো এটা হতো না। মাটি কোনো রকম ফেলে তারা চলে গেছে।’

একই ইউনিয়নের আনসার ভিডিপি ক্লাবসংলগ্ন মাটির রাস্তাটিও এক পাশে উঁচু তো অন্য পাশে নিচু। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে হাঁটু পর্যন্ত কাদা।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি ছিল বেলে মাটির। সেটাই ভালো ছিল। কিন্তু এখন মাটি ফেলেছে এক পাশে, সমান করেনি। তাই অর্ধশতাধিক পরিবার এই পথ দিয়ে যেতে পারে না। হাঁটু কাদা পেরিয়ে শিশুরা স্কুলে যায়। তাদের ইউনিফর্ম নষ্ট হয়ে যায়। এমন কাজ তাদের দরকার নেই বলে জানান গ্রামবাসী।

সদরের ১৩টি ইউনিয়নেই এমন কমবেশি খারাপ পরিস্থিতি। আগের বছরগুলোতে নারী কর্মী দিয়ে কাজ করা গেলেও এবার অর্ধেক কাজ হয়েছে দায়সারাভাবে। এই কর্মসূচির নিয়মিত এক নারী শ্রমিক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, তাড়াহুড়ো করে কাজ করানো হয়েছে এ বছর। কোথাও দুই দিন, কোথাওবা এক দিন মাটি ভরাট করার কাজ তারা করতে পেরেছেন। তবে ঠিকমতো টাকা পেয়েছেন বলে জানান তিনি। আর বছর শেষে কাজ শুরু হলে আবার কিছু উপার্জন করতে পারবেন।

এ বিষয়ে মাগুরা সদরের হাজরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন বলেন, ‘এলাকার রাস্তার পাশে মাটি ভরাট কাজ পুরো সম্পন্ন হয়নি। কোথাও কোথাও থেমে আছে। বলা যায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হলেও পুরো কাজ শেষ হওয়া দরকার। গত অর্থবছরের ২০ দিনের কাজ শেষে হয়েছে। এরপর আর বরাদ্দ আমরা পাইনি। বর্ষা মৌসুমে এই কাজগুলো শেষ হলে ভালো হয়। না হলে রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাট পানিতে ধুয়ে যাচ্ছে।’

জগদল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৪০ দিনের কাজ আসে বছরে দুইবার। এবার শুনেছি অর্থ বরাদ্দ ২০ দিনের হয়ে আর আসেনি। এ জন্য ২০ দিনের কাজ করা হয়েছে। তবে যেসব জায়গায় কাজ হয়েছে, সেসব স্থানে কাজ সমাপ্ত হলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে। আশা করছি জটিলতা অচিরেই ঠিক হয়ে যাবে।’

সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান জানান, তার এলাকায় ২০ দিনের কাজ শেষ হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকরা টাকা পেয়ে গেছেন। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। যতটুকু বরাদ্দ, ততটুকু উন্নয়ন হয়েছে। ৪০ দিনের কাজ ২০ দিনে হলে তো কিছু অপ্রাপ্তি থাকে এলাকাবাসীর। বিশেষ করে বর্ষায় কাঁচা রাস্তা মেরামতের কাজ খুব প্রয়োজনীয়।

মাগুরা সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা আম্বিয়া বেগম শিল্পী জানান, মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড় পাওয়া গেছে অর্ধেক কাজের। ফলে বাকি ২০ দিনের কাজের অর্থ না আসায় পরিষদের এই কাজগুলো আর এগোয়নি। তবে এই অর্থবছরে আর টাকা বরাদ্দ হবে না। ২০২৩ অর্থবছরে কাজ শুরু হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
বরাদ্দের চেয়ে কম খরচে ভবন নির্মাণ
নতুন বাজেটে থাকবে মেগা প্রকল্পে বড় বরাদ্দ
জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউএসএআইডির প্রকল্প ‘প্রতিবেশ’
উন্নয়ন মেগা প্রকল্পে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল: প্রধানমন্ত্রী
সরকারি সেবা ই-সেবায় রূপান্তরে প্রকল্প, দরপ্রস্তাব অনুমোদন

মন্তব্য

p
উপরে