শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসকের শ্রদ্ধা

শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসকের শ্রদ্ধা

শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে জেলা যুব উন্নয়ন অফিসের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা।

গোপালগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে।

শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা।

এরপর জেলা যুব উন্নয়ন অফিসের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইলিয়াছুর রহমান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় আলোচনা সভা হবে।

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সদর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা বন্ধে সমাবেশ

সদর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা বন্ধে সমাবেশ

মাগুরা সদর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা বন্ধের দাবিতে সমাবেশ করেছে জেলা গণকমিটি। ছবি: নিউজবাংলা

গণকমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাবেব শুরু থেকে মাগুরা সদর হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ ও হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনের দাবি জানানো হয়। এই দীর্ঘ সময়ে শুধুমাত্র হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।’

মাগুরা সদর হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা বন্ধের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে সমাবেশ করেছে জেলা গণকমিটি।

সদর হাসপাতালের সামনে রোববার সকালে এ কর্মসূচি হয়।

সমাবেশে গণকমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী কোনো হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার ৫ শতাংশ আইসিইউ থাকার কথা। সে হিসেবে মাগুরা সদর হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা আড়াইশ হওয়ায় এখানে ১৩টি আইসিইউ বেড থাকার কথা। কিন্তু মাগুরা জেলা সদর হাসপাতাল কোনো আইসিইউ নেই।

‘এ ছাড়া করোনা প্রাদুর্ভাবেব শুরু থেকে জেলা গণকমিটির পক্ষ থেকে মাগুরা সদর হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ ও হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনের দাবি জানানো হয়। এই দীর্ঘ সময়ে শুধুমাত্র হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।’

এ সময় বক্তারা আরও জানান, ২০২০ সালের বাজেটে করোনা চিকিৎসা খাতে দশ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় হয়। সেখানে প্রত্যেকটি হাসপাতালে আইসিইউ নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হলেও মাগুরা সদর হাসপাতালে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

এ ছাড়া সদর হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীর অনেক সংকট রয়েছে বলেও সমাবেশে অভিযোগ করা হয়।

সমাবেশে অবিলম্বে মাগুরা সদর হাসপাতালে আইসিইউ নির্মাণ; প্রয়োজন অনুযায়ী ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও আউটসোর্সিং বন্ধ করার দাবি জানান হয়।

গণকমিটির আহ্বায়ক এটিএম মহব্বত আলীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসুর পরিচালনায় সমাবেশে শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন

সবাই নৌকায় উঠতে চায়: হাছান মাহমুদ

সবাই নৌকায় উঠতে চায়: হাছান মাহমুদ

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীসহ অপকর্মে জড়িত যারা, তাদের কোনো স্থান নেই আওয়ামী লীগে। দলের ত্যাগী, পরিশ্রমী ও দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের মূল্য়ায়ন করা হবে। তবে যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাসহ সজাগ থাকতে হবে দলের নেতা-কর্মীদেরই।

সবাই এখন আওয়ামী লীগের নৌকায় উঠতে চায় মন্তব্য করে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গত ১৩ বছরে অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন কিন্তু দলের দুঃসময়ে তাদের দেখা যায়নি। এই অতিথি পাখিদের যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে।

গাইবান্ধায় জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগ দেয়ার আগে রোববার দুপুর ১২টার দিকে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীসহ অপকর্মে জড়িত যারা, তাদের কোনো স্থান নেই আওয়ামী লীগে। দলের ত‌্যাগী, পরিশ্রমী ও দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের মূল‌্যায়ন করা হবে। তবে যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব‌্যবস্থাসহ সজাগ থাকতে হবে দলের নেতা-কর্মীদেরই।

সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন খালি পায়ে কেউ হাঁটেন না; না খেয়েও কেউ থাকেন না। দেশের সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা অনেক উন্নত হয়েছে। এ ছাড়া দেশের উন্নয়ন ও অবকাঠামোর ব‌্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। এর সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের গুণে।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, জাতীয় সংসদের হুইপ ও গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান রিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ শামছুল আলম হিরু ও সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক।

এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে মধ‌্যহ্নভোজের পর হাছান মাহমুদ গাইবান্ধার রাধাকৃষ্ণপুরে এসকেএস ইন রিসোর্টে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব‌্য রাখবেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সড়কপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে এসে পৌঁছান তিনি।

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন

জমি নিয়ে বিরোধ: নারীকে কুপিয়েছে প্রতিপক্ষ

জমি নিয়ে বিরোধ: নারীকে কুপিয়েছে প্রতিপক্ষ

ময়মনসিংহের সদরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক ফারুক হোসেন জানান, আহত সুমাইয়া খাতুনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তিনি ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমে কর্মরত।

ময়মনসিংহের সদরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক নারীকে দা দিয়ে কোপানো হয়েছে।

পুলিশ বলছে, সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়নের চর ভবানীপুর গ্রামে শনিবার সন্ধ্যায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত সুমাইয়া খাতুনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তিনি ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমে কর্মরত। মাতৃত্বকালীন ছুটিতে বাবার বাড়ি চর ভবানীপুর গ্রামে এসেছিলেন সুমাইয়া।

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ২৩ বছর ধরে জমিজমা নিয়ে একই গ্রামের আলী আকবর এবং আজিজুল হকের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ ঘটনায় একাধিক মামলাও রয়েছে।

বিষয়টি মীমাংসা জন্য শনিবার বিকেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে ওই দুই পরিবারের বসার কথা থাকলেও আজিজুল হক ও তার লোকজন রাস্তায় গাছ ফেলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

একপর্যায়ে আজিজুল ও তার লোকজন সন্ধ্যার আগে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলী আকবরের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন রামদা দিয়ে আলী আকবরের বোন সুমাইয়া মাথায় আঘাত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘আহত পুলিশ সদস্য সুমাইয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় মামলা হবে।’

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন

বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন

বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন

বরিশালে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম এ জলিল বলেন, ‘বর্তমানে ইমারত নির্মাণশ্রমিকরা কেউ অনাহারে কেউবা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই ধার-দেনা করে সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসেছেন। তাই সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেদন, ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের বাঁচতে দিন, বাঁচিয়ে রাখুন।’

সামাজিক নিরাপত্তা, সারা বছর কাজের দাবিসহ ৮ দফা দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইমারত নির্মাণশ্রমিক ইউনিয়ন।

নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে রোববার সকালে জেলা ইমারত নির্মাণশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে এম এ জলিল বলেন, ‘করোনার কারণে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন থমকে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকরা চরম কষ্টে আছেন। এই সময়ে সরকারি খাদ্যসহায়তা ও প্রণোদনা যা দেয়া হয়েছে তা অপ্রতুল।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে ইমারত নির্মাণশ্রমিকরা কেউ অনাহারে কেউবা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই ধার-দেনা করে সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসেছেন। তাই সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেদন, ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের বাঁচতে দিন, বাঁচিয়ে রাখুন।’

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন বরিশাল জেলা শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ ও ইমারত নির্মাণ কারিগরি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যাওয়া আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা জানি না এই ধর্মঘটের কথা। রাতে হাওরে ছিলাম। সকালে যখন কাউন্টারে আসলাম দেখি তালা দেয়া। এখন আমরা সিলেট যাব। তারপর সেখান থেকে ঢাকা।’

সড়কে বাস থামিয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে চলছে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট। সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকাসহ আট জেলার রুটে রোববার সকাল ৬টা থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার কোনো বাস। তবে আন্তজেলা বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে।

অনির্দিষ্টকালের এই ধর্মঘট করছে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রীরা। এর মধ্যে বেশিরভাগই পর্যটক, যারা ছুটির দিনে হাওরে ঘুরতে এসেছিলেন। ছোট যানে চড়ে ভেঙে ভেঙে জেলা থেকে বের হচ্ছেন তারা।

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

ঢাকা থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যাওয়া আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা জানি না এই ধর্মঘটের কথা। রাতে হাওরে ছিলাম। সকালে যখন কাউন্টারে আসলাম দেখি তালা দেয়া।

‘পরে এখানে একজনকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি বাস ধর্মঘট। তাই এখন আমরা সিলেট যাব। তারপর সেখান থেকে ঢাকা।’

আরেক পর্যটক শাকিল আহমেদ বলেন, ‘বাস বন্ধ করে যাত্রীদের দুর্ভোগ দিয়ে লাভ কী? আমরা এখানে ঘুরতে এসেছি, এখন আমাদের ভেঙে ভেঙে যেতে হচ্ছে। সময় আর টাকা দুটোই ব্যয় হল।’

বাস ধর্মঘটে সুনামগঞ্জে পর্যটকদের ভোগান্তি

সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক বলেন, ‘এই বাইপাস সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমাদের ধর্মঘট চলবে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসবেন।’

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘আমরা দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।’

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন

টয়লেটে ছাত্রীর আটকে থাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু

টয়লেটে ছাত্রীর আটকে থাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু

হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন ইউএনও, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রী, তার বাবা, স্থানীয় মানুষ, অভিযুক্ত কর্মচারী ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়নি। আমার প্রতিবেদনে তা তুলে ধরা হবে।’

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে স্কুলের টয়লেটে বাকশক্তিহীন ছাত্রীর আটকে পড়ার ঘটনা খতিয়ে দেখতে কাজ শুরু করেছে তদন্ত কমিটির সদস্যরা।

কমিটির প্রধান তাহমিনা বেগম রোববার দুপুর ১টার দিকে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্লাস শেষ করে আমরা আবারও সবার সঙ্গে কথা বলব। আশা করছি খুব শিগগিরই এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।’

এর আগে এই ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে আয়া শাহানারা বেগমকে। তবে তিনি আগের মতোই স্কুলের কাজে নিয়োজিত আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিন সদস্যের কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন স্কুলের সহকারী শিক্ষক উম্মে কুলসুম ও আবু হানিফ ভূইয়া।

টামটা উত্তর ইউনিয়নের হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় শনিবার পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিরীন আক্তার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গিয়াস উদ্দিন পাটোয়ারী ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আহসান উল্যাহ চৌধুরী।

টয়লেটে ছাত্রীর আটকে থাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু

বরখাস্ত আয়া স্কুলে কীভাবে কাজ করেন এই প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন বলেন, ‘আমাদের স্কুলে একজন দপ্তরি ও একজন আয়া। এখন তারা না থাকলে বিদ্যালয়ের যে কাজকর্ম রয়েছে তা কীভাবে হবে? আয়া তার কাজ করলেও হাজিরা খাতায় তার সই দেয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।’

ইউএনও শিরীন আক্তার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রী, তার বাবা, স্থানীয় মানুষ, অভিযুক্ত কর্মচারী ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়নি। আমার প্রতিবেদনে তা তুলে ধরা হবে।’

শাহরাস্তি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘স্কুলের টয়লেটে ছাত্রী থাকাবস্থায় তালাবন্ধ করা, স্থানীয় লোকজন তালা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের সময় স্কুল কর্তৃপক্ষের ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত থাকা, ঘটনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করা ও বাকশক্তিহীন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করে তার বিশেষ যত্নের ব্যবস্থা না করায় প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তিন কার্য দিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব জমা দিতে হবে।’

এসএসসি পরীক্ষার্থী বাকশক্তিহীন ওই ছাত্রী বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর টয়লেটে গেলে তালাবন্ধ করে চলে যান বিদ্যালয়ের আয়া শাহানারা আক্তার। ১১ ঘণ্টা আটকে থাকার পর রাত ১০টার দিকে টয়লেটের তালা ভেঙে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খোলার দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীরা জানান, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে লাগাতার আন্দোলন চলবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দেয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করাসহ তিন দফা দাবি তুলেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সব সড়ক ঘুরে কাজী নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে তা শেষ হয়। পরে সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সমাবেশ করেন তারা।

তাদের তিন দফা দাবিগুলো হলো, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়া, ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং তাদের সহযোগিতার জন্য সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনগুলোকে হেল্প ডেস্ক বসানোর অনুমতি দেয়া।

তারা জানান, গত ২৭ আগস্ট প্রশাসনের নির্দেশে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেয়ার তারিখ ঘোষণা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ। পরীক্ষায় অংশ নিতে রাজশাহী এসে শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকটে পড়ছেন।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রিদম শাহরিয়ার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল বন্ধ রেখে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা দেয়। এ কারণে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী আসতে শুরু করেছে। মেস নিয়ে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। দুজনের রুমে ৪ জন থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ নিয়ে কোনো চিন্তাই করছে না।

‘সামনে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। হল খোলা না হলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া নিয়ে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হবে।’

তিনি জানান, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে লাগাতার আন্দোলন চলবে।

সমাবেশে অংশ নেন বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৫৫ শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা তারেক নূর বলেন, ‘আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে হল ও ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে আশা করছি আমরা শিগগিরই শিক্ষার্থীদের হল খুলে দিতে পারব।’

আরও পড়ুন:
শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার
বন্ধু-সহপাঠীদের চোখে যেমন ছিলেন শেখ কামাল
আরশাদ আলী: যার হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামাল

শেয়ার করুন