ঈদ উদযাপন কয়েকশ গ্রামে

ঈদ উদযাপন কয়েকশ গ্রামে

মাদারীপুরের ২০ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ কোরবানির ঈদ উদযাপন করছে। ছবি: নিউজবাংলা

বরিশালের ছয়টি উপজেলার কিছু গ্রামে ঈদুল আজহা পালিত হয়েছে। এসব গ্রামে বসবাসরত চট্টগ্রামের চন্দনাইশ শাহসুফি দরবার শরিফ, সাতকানিয়া মির্জাখালী দরবার শরিফ ও আহমাদিয়া জামাত অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঘোষণা অনুযায়ী সারা দেশে কোরবানির ঈদ হবে বুধবার। কিন্তু সৌদি আরবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একদিন আগেই মঙ্গলবার দেশের বেশকিছু জেলার কয়েকশ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।

নারায়ণগঞ্জ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঈদুল আজহার নামাজ ও পশু কোরবানিসহ ঈদ উদযাপন করা হয়েছে।

সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার লামাপাড়া এলাকায় হযরত শাহ্ সুফী মমতাজিয়া এতিমখানা ও হেফজখানা মাদ্রাসায় মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করে করেন জাহাগিরিয়া তরিকার অনুসারীরা।

ঢাকার কেরাণীগঞ্জ, ডেমরা, সাভার, গাজীপুরের টঙ্গী ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা থেকে শত শত মুসল্লি ঈদ জামাতে অংশ নেন।

বৈরি আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে দূর থেকে মুসল্লিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসে পৌঁছতে না পারায় ঈদের জামাত দেরিতে শুরু হয়।

এই ঈদ জামাতে ইমাম মুফতি মাওলানা আনোয়ার হোসেন জানান, জাহাগিরিয়া তরিকার অনুসারীরা প্রতি বছর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে এই মাদ্রাসা মসজিদে দুই ঈদের নামাজ উদযাপন করে থাকেন।

বরিশাল

জেলার ছয়টি উপজেলার কিছু গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে।

এসব গ্রামে বসবাসরত চট্টগ্রামের চন্দনাইশ শাহসুফি দরবার শরিফ, সাতকানিয়া মির্জাখালী দরবার শরিফ ও আহমাদিয়া জামাত অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।

বাবুগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, মুলাদী, বাকেরগঞ্জ, সদর উপজেলা ও মহানগরীর এই অনুসারীরা প্রতি বছরের ন্যায় এবারও একদিন আগে কোরবানির ঈদ উদযাপন করছে।

বরিশালের ৬ উপজেলার ১০ হাজারের অধিক মানুষ মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ঈদের জামাতে অংশ নেয়।

নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তাজকাঠি, জিয়া সড়ক, টিয়াখালী, সিকদার বাড়ি, হরিনাফুলিয়াসহ সদর উপজেলার সাহেবের হাট এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

তাজকাঠি এলাকার হাজী বাড়ি জামে মসজিদের সভাপতি আমীর হোসেন মিঠু জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চাঁদপুর

চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।

হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফের ঈদগাঁ মাঠে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদ উদযাপন কয়েকশ গ্রামে

জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব, কচুয়া ও শাহরাস্তিসহ জেলার পাঁচ উপজেলার ৪০টি গ্রামে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ইসলামের সব ধর্মীয় রীতিনীতি পালিত হয়ে আসছে গ্রামগুলোতে। সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইছহাক এই রীতি প্রচলন করেন।

সাদ্রা দরবারের পীর শাইখ মো. আরিফ চৌধুরী বলেন, ‘সৌদিতে সোমবার হজ হয়েছে। তাই আজ আমরা ঈদ করছি। আমাদের এখানে সব মসজিদে ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। করোনা সংক্রমনরোধে স্বাস্থবিধি মেনে ঈদের নামাজ পড়া হয়েছে।’

মাদারীপুর

জেলার ২০ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ কোরবানির ঈদ উদযাপন করছে।

তবে করোনার কারণে সরকারি নির্দেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার এলাকার তিনটি বড় জামাতসহ মসজিদে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

একাধিক সুরেশ্বর ভক্তদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলাদেশে সুরেশ্বর দরবার শরীফের মুরিদানরা সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।

ঈদের বড় জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তাল্লুক বাড়ি জামে মসজিদে। সেখানে ইমামতি করেন এলাকার মুরব্বি আবুল হাসেম মাস্টার।

ঈদ উদযাপন কয়েকশ গ্রামে

সুরেশ্বর পীরের ভক্ত তাল্লুক গ্রামের আলী আহম্মদ ফকির বলেন, ‘ইসলাম ধর্মের সবকিছুই সৌদি আরবের মক্কা শরীফ হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তাই সুরেশ্বরী অনুসারীরা সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন ও ঈদ পালন করেন। সে হিসেবে ঈদ উদযাপন করছি।’

মৌলভীবাজার

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ-উল-আজহার নামায পড়েছেন জেলার শতাধিক পরিবারের মুসল্লি। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়।

শহরের সার্কিট হাউস এলাকার আহমেদ শাবিস্তা নামক বাসায় সকাল ৭টার দিকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাযে ইমামতি করেন আলহাজ্ব আব্দুল মাওফিক চৌধুরী (পীর সাহেব উজান্ডি)।

এ ছাড়া, জেলার কুলাউড়া, বড়লেখা ও শ্রীমঙ্গলেও পৃথক পৃথক ঈদের নামায হয়েছে।

সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় ৭টি স্থানে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সদর উপজেলার ভাড়ুখালী বাজারে সকাল ৮টায় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। ইমামতি করেন মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। বিশ্বের সকল মুসলমাদের সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা উচিত। আমরাও সেটা করছি।’

এ ছাড়া, সদর উপজেলার বাউখোলা, তালার ইসলামকাটি ও শ্যামনগরের কাশিমারীসহ ৭ জায়গায় কোরবানি ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রংপুর

রংপুরে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টার দিকে রংপুর মডেল মসজিদে। একই মসজিদে সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহমুদুল হাসান মৃধা।

তিনি বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭টায় কোর্ট মসজিদে, সকাল ৮টায় মাওলানা কেরামতিয়া মসজিদে ও সকাল ৯টায় একই মসজিদে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রংপুর জেলার প্রায় ছয় হাজার মসজিদে সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সুবিধামতো সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করা হবে।

ঈদ উদযাপন কয়েকশ গ্রামে

এছাড়াও জেলার ৫ হাজার ৯০টি মসজিদে পরিস্থিতি বিবেচনায় ঈদের নামাজের সময় সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

মসজিদগুলো জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা, মসজিদের সামনে মাস্ক পরিধান, কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, মসজিদের সামনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান-পানির ব্যবস্থা রাখার জন্য স্থানীয় মসজিদ কমিটিকে অনুরোধ জানানো হয়।

রংপুর নগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আলতাফ হোসেন জানান, ঈদ উপলক্ষে নগরীতে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

লক্ষ্মীপুর

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লক্ষ্মীপুরে ১১টি গ্রামে মঙ্গলবার ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে।

রামগঞ্জ উপজেলার খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া মাদ্রাসায় ও নোয়াগাঁও বাজারের দক্ষিণ-পূর্ব নোয়াগাঁও ঈদগাহ ময়দানসহ বিভিন্নস্থানে ছোট বড় ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা রুহুল আমিন।

এসব গ্রামের প্রায় শত শত মুসল্লি ঈদগাঁ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন। পরে পশু কোরবানি দেন তারা।

মাওলানা ইসহাক (রাঃ) অনুসারীরা জানান, এসব এলাকার মানুষ পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছে। এসব গ্রামের মুসল্লি গত ৪০ বছর যাবত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছে।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিমানবন্দরে তিন কেজি সোনা জব্দ

বিমানবন্দরে তিন কেজি সোনা জব্দ

বিমানবন্দরে জব্দ করা সোনার বার। ছবি: নিউজবাংলা

সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে সৌদি থেকে আসা মোহাম্মদ রিপন নামে এক যাত্রীর জ্যাকেটে ছিল ২৫টি সোনার বার।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদিফেরত এক যাত্রীর কাছ থেকে দুই কোটি টাকা মূল্যের সোনার বার উদ্ধার করেছে কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিম।

বুধবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে সৌদি থেকে আসা মোহাম্মদ রিপন নামে এক যাত্রীর কাছ থেকে ২৫টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এগুলোর ওজন ২ কেজি ৯০০ গ্রাম।

অবৈধভাবে সোনা নিয়ে আসার অভিযোগে রিপনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেনটিভ) সানোয়ারুল কবীর।

সৌদি আরব ফেরত এ যাত্রীর হাতে থাকা হুডি জ্যাকেটের ভেতরে ছিল সোনার বার। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনা আনার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রিপনকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত ১২ 

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত ১২ 

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত একজনের চিকিৎসা চলছে। ছবি: নিউজবাংলা

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আনোয়ার বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ পর্যটক রাজশাহী থেকে সাজেকে ঘুরতে এসেছিল বলে জেনেছি। অন্য আহত পুলিশ সদস্য সাজেক রুইলুই পাড়া ক্যাম্পে দায়িত্বরত।’

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ১২ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীও রয়েছেন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সাজেকের শিজকছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। অন্যরা আশঙ্কামুক্ত।

দুর্ঘটনার পরপরই বাঘাইহাট সেনা জোনের একটি দল আহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, গুরুতর আহত তিনজন হলেন পুলিশ সদস্য রাইসুল ইসলাম, মোছা. দুলালী ও অন্তঃসত্ত্বা নারী খাদিজা বেগম।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আনোয়ার বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ পর্যটক রাজশাহী থেকে সাজেকে ঘুরতে এসেছিল বলে জেনেছি। অন্য আহত পুলিশ সদস্য সাজেক রুইলুই পাড়া ক্যাম্পে দায়িত্বরত। তিনি গাড়িটি স্কটের দায়িত্বে ছিলেন।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

বরগুনা-২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের মিটিয়েছেন।’

সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরকে সাইড না দেয়ার অজুহাতে বরগুনা-২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে নজরুল ইসলাম নামের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের স্টেডিয়াম মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নজরুল ইসলাম পাথরঘাটা পৌর ছাত্রলীগের ৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বিএফডিসি মৎস্য পাইকার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক।

নজরুল বলেন, ‘পাথরঘাটা স্টেডিয়াম মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছিল। বিকেল চারটার দিকে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনসহ উপজেলা ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী মোটরসাইকেল যোগে মাঠে খেলা দেখতে যাচ্ছিলেন। মাঠের কাছাকাছি পৌঁছাতেই খেলোয়ারবাহী একটি মাইক্রোবাস সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরের সামনে পড়ে। মাইক্রোবাসটিতে আমিও ছিলাম।

‘এসময় মাইক্রোবাসটিকে সরে যেতে সাংসদকে বহনকারি মোটরসাইকেল থেকে হর্ন বাজানো হয়। কিন্ত সড়ক সরু হওয়ায় মাইক্রোবাসটির চালক জায়গা পাচ্ছিলেন না। এতেই বিরক্ত ও ক্ষিপ্ত হন সাংসদ। পরে কিছুটা সামনে গিয়ে জায়গা পেয়ে মোটরসাইকেল বহরকে সাইড দেয় খেলোয়ারবাহী মাইক্রোবাসের চালক। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত সাংসদ রিমন মঞ্চে বসে আমাকে ডেকে পাঠান। সাংসদের সামনে আসতেই পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মধু আমাকে এমপির পা ধরে মাফ চাইতে বলেন। সামনে এগিয়ে যেতেই এমপি রিমন মাঠভর্তি দর্শক, খেলোয়ার ও অতিথিদের সামনেই আমাকে চড়-থাপ্পর দিতে শুরু করেন।’

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত, আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের মিটিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনকে একাধিকবার কল এবং পরে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রীর করা মামলায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুর ২টার দিকে মামলাটি করেন ওই কিশোরীর মা।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চাঁদ মিয়া।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

এরপর চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর ওই গৃহবধূ ফের বাবার বাড়িতে গেলে রাতে মেয়ের ঘরে ঢুকে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন স্বামী। মেয়ে টের পেয়ে চিৎকার করলে তিনি ঘর থেকে পালিয়ে যান।

পর দিন বাবার বাড়ি থেকে ফিরে আসলে মেয়ে তাকে সব খুলে জানায়। পরে স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলাটি করেন কিশোরীর মা।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, মামলা হওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হবে।

কিশোরীর মামা জানান, তার বোনের প্রথম দুই মেয়ের জন্ম হওয়ার পর তাকে তাড়িয়ে দিয়ে পাঁচ বছর আগে আরেকটি বিয়ে করেন তার স্বামী। ওই স্ত্রীর সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে পরে তার বোনকে ফিরিয়ে নেন আসামি৷

তিনি আসামির উপযুক্ত শাস্তির দাবিও জানান।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন

করোনা টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

করোনা টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলনে ধারণ করা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে করোনা প্রতিরোধী টিকা কর্মসূচি পরিচালনার অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ টিকাকে বৈশ্বিক জনপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা দরকার। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত।’

বিশ্বে সবার জন্য করোনা প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করতে কোভিড-১৯ টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউসে বুধবার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ‘হোয়াইট হাউস কোভিড-১৯ সামিট: অ্যান্ডিং দ্য প্যানডেমিক অ্যান্ড বিল্ডিং ব্যাক বেটার হেলথ সিকিউরিটি টু প্রিপেয়ার ফর দ্য নেক্সট’ শীর্ষক শীর্ষ সম্মেলনে ধারণ করা বক্তব্যে বিশ্বনেতাদের প্রতি এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ভার্চুয়াল এ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে করোনা প্রতিরোধী টিকা কর্মসূচি পরিচালনার অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ টিকাকে বৈশ্বিক জনপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা দরকার। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত।’

হোয়াইট হাউস আমন্ত্রিতদের জানিয়েছে, এ বছরের শেষের দিকে এবং ২০২২ সালের শুরুতে ফলো-আপ ইভেন্টগুলো অংশগ্রহণকারীদেরকে তাদের প্রতিশ্রুতির জন্য দায়বদ্ধ রাখার উদ্দেশে আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তার ধারণ করা বক্তব্যে বলেছেন, ‘করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়তে তিন পন্থা অবলম্বন করেছে বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘জীবন বাঁচাতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, মেডিক্যাল সরঞ্জাম, জীবন রক্ষাকারী ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

দেশের মানুষের জন্য, বিশেষ করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় সহায়তা দেয়া এবং যত দ্রুত সম্ভব অর্থনৈতিক চাকা সচল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান।

আগামী দিনগুলোকে নিরাপদ করার জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেয়ার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

প্রথমত, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এবং সামাজিক সুরক্ষা বলয় কর্মসূচির ওপর জোর দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নীতির দিকে মনোনিবেশ করা।

দ্বিতীয়ত, উদ্ভাবন, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে যাতে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হয়।

তৃতীয়ত, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং কার্বণ নিঃসরণ হার কমানোর দিকে দিকে মনোনিবেশ করা।

বক্তব্যে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপগুলোও বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ১৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ বরাদ্দ দিয়েছি। দরিদ্র, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীরাসহ ৪৪ লাখ সুবিধাভোগীদের মাঝে ১৬৬ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করা হয়েছে।’

১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি ডোজ করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়া হয়েছে বলেও সম্মেলনে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘২০২২-এর আগস্ট মাসের মধ্যে মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ লোককে টিকার আওতায় আনা হবে। আর সেটা নিশ্চিত করার জন্য প্রতি মাসে ২ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

এসময়, কোভিড-১৯ মহামারি অবসানে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার জন্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে জার্মান চ্যান্সলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো, আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসা এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসও বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

কক্সবাজার সেন্টমার্টিন এলাকায় এক সঙ্গে জালে ধরা পড়েছে ১৭৮টি লাল কোরাল। এসব মাছের ওজন প্রায় ৬০০ কেজি। প্রতিটি মাছের ওজন গড়ে ৩-৪ কেজি।

শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় জাল ফেললে মঙ্গলবার রাতে কোরালের ঝাঁকটি ধরা পড়ে। পরে মাছগুলো প্রতি মণ ২০ হাজার টাকা হিসাবে কিনে নেন ওই এলাকার ব্যবসায়ী হামিদ হোসেন ও ছাব্বির আহমদ।

স্থানীয়রা জানান, আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

ট্রলার মালিক আইয়ুব জানান, মাঝি সৈয়দের নেতৃত্বে জেলেরা মঙ্গলবার রাতে জাল তুলে লাল কোরালগুলো পান। প্রায় ১৫ মণ মাছগুলো বিক্রি হয়েছে তিন লাখ টাকায়।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, সেন্টমার্টিনে সম্প্রতি ভালোই মাছ পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক মাস আগেও এক জেলের বড়শিতে ৬০ কেজি ওজনের বোল মাছ ধরা পড়ে। মঙ্গলবার রাতে এক জেলের জালে ১৫ মণ লাল কোরাল ধরা পড়ার খবর পেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

অভিযোগ, স্ত্রী তিথিকে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

যৌতুক চেয়ে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এক উপপরিদর্শককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ বুধবার আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে বিচারক দিলরুবা আক্তার তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামি সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন রায়ের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া থানা এলাকার বান্দার গ্রামে। তিনি রাজধানীর মালিবাগ সিআইডির সাইবার জোনে রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, খুলনার বটিয়াঘাটা দেবীতলা গ্রামের তিথী বিশ্বাসের সঙ্গে ২০১৫ সালে পরিচয় হয় মিঠুনের। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে ২০১৯ সালে তারা গোপনে বিয়ে করেন। এরপর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসা থেকেছেন তারা। সম্প্রতি স্ত্রী হিসেবে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

নির্যাতনের অভিযোগে খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ মিঠুনের বিরুদ্ধে পরে মামলাটি করেন তিথি। সেই মামলায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মিঠুন।

মিঠুনের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার, বাদির পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো এবং সামাজিকভাবে পরিবারটিকে একঘরে করে রাখার অভিযোগও উঠেছে।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ পালনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ফেরিঘাটে জনস্রোত, পারাপারের অপেক্ষায় হাজারো যান
কোরবানিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশ
দুই মহাসড়কে মানুষের ঢল
একদিকে গাড়ির সারি, আরেক দিকে ফাঁকা

শেয়ার করুন