বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নিউজবাংলার

player
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নিউজবাংলার

নিউজবাংলার শনিবার সন্ধ্যার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

এই আনন্দ আয়োজনে শনিবার রাজধানীর বীর উত্তম রফিকুল ইসলাম অ্যাভেনিউয়ে নিউজবাংলা কার্যালয়ে এসেছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পাদক, প্রতিবেদক, সিনিয়র সাংবাদিকসহ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখ।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছে জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এই আনন্দ আয়োজনে শনিবার রাজধানীর বীর উত্তম রফিকুল ইসলাম অ্যাভেনিউয়ে নিউজবাংলা কার্যালয়ে এসেছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পাদক, প্রতিবেদক, সিনিয়র সাংবাদিকসহ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখ।

তাদের উপস্থিতিতে নিউজবাংলার বার্তা কক্ষ পায় ভিন্ন মাত্রা। সন্ধ্যার পর থেকে অতিথি আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনন্দনে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে নিউজবাংলা।

এ দিনের সান্ধ্য আয়োজনে যোগ দেন টিভি টুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টের সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার, দৈনিক আজকের পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সেলিম খান, একুশে টেলিভিশনের পরিকল্পনা সম্পাদক সাইফ ইসলাম দিলাল, রাজনীতি বিশ্লেষক মোহাম্মদ এ আরাফাত।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নিউজবাংলার
আনন্দ আয়োজনে নিউজবাংলার কর্মীরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক আশীষ সৈকত, বাংলাভিশনের বার্তা সম্পাদক ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি শারমিন রিনভী, ডিবিসি টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক মাসুদ কার্জন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শুক্কুর আলী শুভ এবং যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মোহসীন-উল-হাকিম ও আলমগীর স্বপন, কান্ট্রি এডিটর আসিফ আহসানুল।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নিউজবাংলার
নিউজবাংলার শনিবার সন্ধ্যার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান নিউজবাংলার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, প্রকাশক শাহনুল হাসান খান ও সম্পাদক স্বদেশ রায়।

ব্যস্ততার মধ্যেও যারা নিউজবাংলার এই আনন্দ আয়োজনে যোগ দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে নিউজবাংলা কর্তৃপক্ষ।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নিউজবাংলার

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় টিএইচ খানকে বিদায়

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় টিএইচ খানকে বিদায়

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে টি এইচ খানের জানাজা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে সোমবার বেলা পৌনে ১২টায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে তার জানাজা হয়। এতে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, আপিল বিভাগের বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্যসহ অনেক আইনজীবী।

সুপ্রিম কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব বিচারপতি মোহাম্মদ তাফাজ্জাল হোসেন খানের (টি এইচ খান) জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে সোমবার বেলা পৌনে ১২টায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে তার জানাজা হয়। এতে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, আপিল বিভাগের বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্যসহ অনেক আইনজীবী।

জানাজা শেষে টি এইচ খানের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতি, আইনজীবীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। মঙ্গলবার তার গ্রামের বাড়িতে জানাজ শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ছেলে আফজাল এইচ খান।

বর্ষীয়ান এই আইনজীবীর মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী টি এইচ খান রোববার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ১০২ বছর।

তার মৃত্যুতে শোক জানান প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, ল রিপোর্টার্স ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন।

সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই আইনবিদ ১৯২০ সালের ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলাধীন ঔটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। তিনি দেশের প্রবীণতম আইনজীবী ছিলেন।

বিচারপতি টি এইচ খানের প্রকৃত নাম মো. তাফাজ্জাল হোসেন খান। তিনি ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

১৯৭৩ সালের জুলাই থেকে আবার আইন ব্যবসায় ফিরে আসেন টি এইচ খান। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর আইন, শিক্ষা, ধর্ম, ভূমি ও রাজস্ব এবং ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন সামরিক আইন জারি করা হয়। তখন তিনি আবার আইন পেশায় ফিরে যান। ১৯৮৬ সালে এরশাদের নির্বাচনে বিরোধিতা করার জন্য গ্রেপ্তার হন।

বিচারপতি টি এইচ খান ১৯৯২ সালে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন; এ পদে ২০১১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান।

১৯৯২ সালে টি এইচ খান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কমিশনের মেম্বার এবং একই বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৫ সালে বিচারপতি টি এইচ খান এশিয়া জোন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৯ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে বিচারকার্য পরিচালনা করেন।

১৯৪০ সালে বিচারপতি টি এইচ খান ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন এবং ১৯৪২ সালে তৎকালীন কলকাতা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ অনার্সে ভর্তি হন।

১৯৪৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স এবং ১৯৪৬ সালে এমএ পাস করেন। ১৯৫১ সালের ১৪ মার্চ তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হন।

আইন পেশা ছাড়াও বিচারপতি টি এইচ খান প্রথম জীবনে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ, ঢাকার জগন্নাথ কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন ও আইন বিষয়ে অধ্যাপনা করেন।

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জে আ.লীগের ১৪, বিএনপির ৯ কাউন্সিলর

নারায়ণগঞ্জে আ.লীগের ১৪, বিএনপির ৯ কাউন্সিলর

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে রোববার। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

রোববার দিনভর ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়। রাতে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে জয়ী ২৭ জন সাধারণ ও ৯ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের নাম ঘোষণা করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৭টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ১৪ প্রার্থী জয় পেয়েছেন।

বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন না দিলেও সিটি করপোরেশনটির ৯ ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন দলটির নেতা-সমর্থকরা।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির (জাপা) দুজন, বাসদের একজন ও স্বতন্ত্র একজন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন নিয়ে কোনো পক্ষেরই তেমন কোনো অভিযোগ ছিল না। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী মেয়র পদে জয় পেয়েছেন বিপুল ব্যবধানে। বিএনপি থেকে অব্যাহতি পাওয়া তৈমূর আলম খন্দকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আইভীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

২০১৬ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ১১ এবং বিএনপির ১২ জন প্রার্থী সিটি করপোরেশনটিতে কাউন্সিলর পদে জয় পেয়েছিলেন।

এবারের নির্বাচনে বিজয়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে ১২ জনই নতুন মুখ।

জয়ীদের তালিকায় রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের ভাই ও ভাতিজা।

রোববার দিনভর ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়। রাতে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে জয়ী ২৭ জন সাধারণ ও ৯ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের নাম ঘোষণা করা হয়।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের নয়টি পদের মধ্যে আটটিতেই বর্তমান কাউন্সিলররা জয়ী হয়েছেন। একটিতে এসেছে নতুন মুখ।

যারা কাউন্সিলর হয়েছেন

নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনোয়ার হোসেন, ২ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন, ৩ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের শাহজালাল বাদল নির্বাচিত হয়েছেন। শাহজালাল বাদল বহুল আলোচিত সাত খুন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের ভাতিজা।

৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন নূর হোসেনের ভাই আওয়ামী লীগ নেতা নূর উদ্দিন। তিনি এবার ওয়ার্ডটিতে কাউন্সিলর হিসেবে নতুন মুখ।

৫ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপির সাবেক সাংসদ জি এম গিয়াস উদ্দিনের ছেলে গোলাম মুহাম্মদ সাদরিল ও ৬ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের মতিউর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মিজানুর রহমান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের রুহুল আমিন মোল্লা, ৯ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়া ইস্রাফিল প্রধান, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের ইফতেখার আলম, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থক অহিদুল ইসলাম, ১২ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি নেতা শওকত হাসেম, ১৩ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ নির্বাচিত হয়েছেন। খোরশেদ নির্বাচনে পরাজিত তৈমুর আলম খন্দকারের ছোট ভাই।

১৪ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান, ১৫ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বাসদ নেতা অসিত বরণ বিশ্বাস, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের রিয়াদ হাসান বিজয়ী হয়েছেন।

১৭ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের মো. আবদুল করিম, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিকলীগ নেতা কামরুল হাসান, ১৯ নম্বরে জাপার মোখলেছুর রহমান চৌধুরী, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির মোহাম্মদ শাহেনশাহ, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র শাহিন মিয়া, ২২ নম্বরে বিএনপির সুলতান আহমেদ, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাউসার বিজয়ী হয়েছেন। আবুল কাউসার নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ আবুল কালামের ছেলে।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর জাপার আফজাল হোসেন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির এনায়েত হোসেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির মো. সামসুজ্জোহা, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সিরাজুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।

সংরক্ষিত ওয়ার্ডে জয়ী যারা

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মাকসুদা মোজাফফর, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মনোয়ারা বেগম, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোসাম্মৎ আয়শা আক্তার জয়ী হয়েছেন।

এ ছাড়া ১০, ১১, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে মিনোয়ারা বেগম, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শারমীন হাবিব, ১৬, ১৬ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে আফসানা আফরোজ, ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে শিউলি নওশাদ, ২২, ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে শাওন অংকন এবং ২৫, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে সানিয়া আক্তার বিজয়ী হয়েছেন।

এবার সানিয়া আক্তার নারী কাউন্সিলর হিসেবে সেখানে নতুন মুখ।

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন

পৌর ভোট: আদালতের রায়ে ফল স্থগিত

পৌর ভোট: আদালতের রায়ে ফল স্থগিত

ঝিকরগাছায় ২১ বছর পর ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটাররা। ছবি: নিউজবাংলা

যশোরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, ফলাফল ঘোষণা ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিতের আদেশ দিয়ে উচ্চ আদালত। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়। সোমবার এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।

২১ বছর পর যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভায় নির্বাচন হলেও মেয়র পদে চূড়ান্ত ফলাফল এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

উচ্চ আদালতের রায়ে একটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, ফলাফল ঘোষণা ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিতের আদেশ দিয়ে আদালত। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়। সোমবার এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে। তবে অন্যান্য ওয়ার্ড কাউন্সিলদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, ঝিকরগাছা পৌরসভা নির্বাচনে ১৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র মোস্তফা আনোয়ার পাশা জামাল নৌকা প্রতীকে ৬ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমরান হাসান সামাদ নিপুণ কম্পিউটার প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৭১২ ভোট। ফলাফলে মোস্তফা আনোয়ার পাশা জামাল ১২০১ ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। স্থগিত খাদিমুল ইনসান দাতব্য চিকিৎসালয় কেন্দ্রে মোট ভোট এক হাজার ৪শ ৫৯টি।

যশোর জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, স্থগিত কেন্দ্রসহ ১৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে মেয়র আনোয়ার পাশার মোট ভোট ৭ হাজার ৩৭৫। স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমরান হাসান পেয়েছেন ৬ হাজার ১২৬ ভোট। কিন্তু ফলাফল প্রস্তুত করার মুহূর্তে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ওই কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্র পরিবর্তন করে খাদিমুল ইনসান দাতব্য চিকিৎসালয়কে ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করে।

কেন্দ্রটি কাউন্সিলর প্রার্থী একরামুল হক খোকনের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান। তাই সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার পরেও ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ করায় উচ্চ আদালতে রিট করায় ফলাফল ঘোষণা নিয়ে এ জটিলতার সৃষ্টি হয়।

এর আগে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা যায়। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

দীর্ঘসময় পর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে দেখা যায় উৎসবের আমেজ। অনেক কেন্দ্রে ভোটাররা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ভোট দেন।

কেন্দ্রগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট, স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ বিপুল সংখ্যক বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঝিকরগাছার নির্বাচনি ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন ঘটনা।

নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, ৯ টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৬৬ জন এবং তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন

বন্দরে ট্রাকের ভেতর ভারতীয় নাগরিকের মরদহে

বন্দরে ট্রাকের ভেতর ভারতীয় নাগরিকের মরদহে

ওসি মামুন খান বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

বেনাপোল বন্দরে একটি ট্রাকের ভেতরে এক ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ মিলেছে।

সোমবার সকালে তাকে গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় দেখা যায়।

মৃত ওই ব্যক্তির নাম লিনগালা নারসিমহোলা। তিনি ট্রাকের হেলপার।

এ ঘটনায় গাড়ির চালক গুরুগু পোচায়াকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির তরফদার নিউজবাংলাকে জানান,ভারত থেকে ১১টি ট্রাকে করে গত ১৫ জানুয়ারি বিস্ফোরক আমদানি করা হয়। বিস্ফোরকবাহী ট্রাকের একজন সহকারী লিনগালা। তার বাড়ি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মরদহে ৩১ নম্বর সেড ট্রাকের ভেতরেই আছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এএসপি জুয়েল ইমরান, বন্দরের উপপরিচালক আব্দুল জলিল ও বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান।

ওসি মামুন খান বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন

ভোটযুদ্ধ শেষে আগের রূপে নারায়ণগঞ্জ

ভোটযুদ্ধ শেষে আগের রূপে নারায়ণগঞ্জ

ভোটের পর দিনই নারায়ণগঞ্জের অলিগলিতে ফিরেছে চিরচেনা রূপ। কোথাও নেই নির্বাচনের রেশ। ছবিটি নগরীর চাষাঢ়া এলাকা থেকে তোলা। নিউজবাংলা

রিকশাচালক ইউসুফ আলী বলেন, ‘আমি এই শহরের ’১১ ও ’১৬ সালের নির্বাচনে ভোট দিছি, কিন্তু এবারের ভোটের মতো ভালো লাগে নাই। দেখেন না, ভোটের এক দিন পরই আগের নারায়ণগঞ্জ হইয়া গেছে।’

শেষ হলো উত্তেজনাপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন। টানা ১৯ দিনের নির্বাচনি উত্তেজনা শেষে আবার চিরচেনা রূপে ফিরেছে ঢাকার নিকটতম এই বন্দরনগরী। নির্বাচনি উত্তেজনা থেকে যেন হাফ ছেড়ে বাঁচছে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য খ্যাত শহরটি।

ভোটযুদ্ধে আগের দুই বারের মতো এবারও আওয়ামী লীগের সেলিনা হায়াৎ আইভীকে মেয়র হিসেবে বেছে নিয়েছেন নারায়ণগঞ্জবাসী।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ১৯২টি কেন্দ্রে আইভীর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৭। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৬৬ ভোট।

নারায়ণগঞ্জের এবারের নির্বাচনকে পরিচ্ছন্ন ও সুষ্ঠু বলে উল্লেখ করেছেন সবাই। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বিদায়লগ্নে এমন একটি ভোটের পরিবেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মাহবুব তালুকদার। তার দৃষ্টিতে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের পর এটি ‘সর্বোত্তম’।

প্রচারণা ও ভোটের দিন নারায়ণগঞ্জে ঘটেনি কোনো সহিংসতা। ভোটের পরের দিন নগরীর পরিবেশ যেন আরও শান্ত। নির্বাচন-ভোট নিয়ে কোনো হাঁকডাক নেই, যে যার কর্ম নিয়ে ব্যস্ত।

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ভবানী শংকর রায় বলেন, ‘নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের মানুষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে বিশ্বাস করে। নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের প্রচারণায় পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে মিছিল-স্লোগানে উল্লাস ছিল। গতকাল নির্বাচন হয়ে গেছে। নারায়ণগঞ্জও আগের জায়গায় ফিরে যাচ্ছে।’

তার মতে, নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দাদের সুষ্ঠু মানসিকতা ও তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে পারায় পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। সকাল থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খুলেছে। যারা বাইরে থেকে এসে চাকরি করেন, তারা তাদের কাজে যোগদান করেছেন।

ভোটযুদ্ধ শেষে আগের রূপে নারায়ণগঞ্জ

১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী নজরুল মিয়া বলেন, ‘প্রথমে ভাবছিলাম ভোটের দিন জামেলা অইব, কিন্তু আমি এর আগে কখনও এত সুন্দর একটি ভোট দেখিনি। অনেক ভালোভাবে ভোট হইছে, কোনো সমস্যা হয় নাই। সকাল থেকে দোকান খুলছি।’

সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন মেহরুন নেছা। তিনি বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে রেলযোগে নারায়ণগঞ্জে নেমে দেখি পরিবেশটা ঠিক আগের মতোই। সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে। এক দিনের মধ্যে ঠিক আগের সেই নারায়ণগঞ্জ দেখতে পেলাম। ভোট সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে, এ কারণেই পরিবেশটা ভালো আছে।’

১৮ নম্বর ওয়ার্ডের রিকশাচালক ইউসুফ আলী বলেন, ‘ভোট শেষ হইয়া গেছে। তাই সকাল থ্যাইকা গাড়ি নিয়া বের হইছি। শহরে এখনও পোস্টার, ফেস্টুন আছে, কিন্তু পরিবেশটা আগের মতো।

‘আমি এই শহরের '১১ ও '১৬ সালের নির্বাচনে ভোট দিছি, কিন্তু এবারের ভোটের মতো ভালো লাগে নাই। দেখেন না, ভোটের এক দিন পরই আগের নারায়ণগঞ্জ হইয়া গেছে।’

ভোটযুদ্ধ শেষে আগের রূপে নারায়ণগঞ্জ

পোশাক কারখানার শ্রমিক রোকসানা বলেন, ‘গার্মেন্টসে কাজে যাইতাছি ভাই। ভোটের জন্য গতকাল কারখানা বন্ধ ছিল, আজকে থেকে সব কিছু আগের মতো হয়ে গেসে। গত কিছুদিন ঘুম ভাঙত মিছিল আর নির্বাচনের গান শুইন্না। ভোট শেষ, আজ সকালে আগের মতো ঘুম ভাঙছে।’

সারা দেশে ইউপি নির্বাচনের পর বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা হলেও নারায়ণগঞ্জে ছিল শান্তির পরিবেশ। প্রার্থী যে যার মতো তাদের পরাজয় মেনে নিয়েছেন। এতে স্বস্তি পাচ্ছেন ভোটার ও নাগরিকরা। এরপরও কিছু কিছু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান দেখা গেছে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তির ভোট শেষ হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তাই নারায়ণগঞ্জ এখন শান্তি বইছে।’

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন

মাইক্রোর ধাক্কায় পথচারী নিহত

মাইক্রোর ধাক্কায় পথচারী নিহত

প্রতীকী ছবি

ওসি জানান, গাছবাড়িয়া খানহাট এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি রিয়াজকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রিয়াজকে মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী মাইক্রোবাসের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া খানহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. রিয়াজ কক্সবাজারের মীর আহমদের ছেলে।

সোমবার সকালে এ তথ্য জানান দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, মাইক্রোবাসটি আটক করা হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে। রাত দেড়টার দিকে নিহত রিয়াজের মরদেহ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ওসি জানান, গাছবাড়িয়া খানহাট এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি রিয়াজকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রিয়াজকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক মানিক দেবনাথ জানান, প্রচুর রক্তক্ষরণে রিয়াজের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন

তৈমূরের ভাই সেই খোরশেদ আবার কাউন্সিলর

তৈমূরের ভাই সেই খোরশেদ আবার কাউন্সিলর

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জয় পাওয়া মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। ছবি: সংগৃহীত

কাউন্সিলর পদে খোরশেদ জয়ী হলেও মেয়র পদে হেরেছেন তার বড় ভাই বিএনপির উপদেষ্টা পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া তৈমূর আলম খন্দকার। প্রায় ৭৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে মেয়র হয়েছেন আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার পরাজিত হলেও কাউন্সিলর পদে বিপুল ব্যবধানে জিতেছেন তার ছোট ভাই মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।

খোরশেদ কাউন্সিলর নামেই এলাকায় এমনকি দেশেও সমধিক পরিচিতি পান মাকসুদুল আলম।

মূলত করোনাভাইরাস মহামারির সময় নারায়ণগঞ্জে ভাইরাসটিতে মৃত ব্যক্তিদের দাফন-সৎকারে একটি দল গড়ে তোলেন খোরশেদ।

তার নেতৃত্বে দলটি করোনায় মৃতদের দাফন-সৎকার করে দেশজুড়ে সাড়া ফেলে দেন। তার জনপ্রিয়তাও বাড়তে শুরু করে তখন থেকেই।

রোববারের নির্বাচনে নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে খোরশেদ আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর থেকে ১২ হাজার ৭৭০ ভোট বেশি পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। তার ভোটসংখ্যা ১৩ হাজার ৭৯২।

খোরশেদ এর আগেও দুইবার একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক।

ঠেলাগাড়ি প্রতীকে খোরশেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন যুবলীগ নেতা শাহ ফয়েজ উল্লাহর সঙ্গে। ফয়েজ উল্লাহ পেয়েছেন ১ হাজার ২২ ভোট।

কাউন্সিলর পদে খোরশেদ জয়ী হলেও মেয়র পদে হেরেছেন তার বড় ভাই বিএনপির উপদেষ্টা পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া তৈমূর আলম খন্দকার। প্রায় ৭৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে মেয়র হয়েছেন আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

তৈমূর ২০১১ সালের নির্বাচনে ভোটের আগের রাতে ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে এবার তিনি নির্বাচন শেষে ছোটোখাটো অভিযোগ দিলেও পরাজয় মেনে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথের সঙ্গী নিউজবাংলা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ দেবেন মিতি-মেহেরবা
‘সাইবার হয়রানি’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে আইনি পরামর্শ শনিবার নিউজবাংলায়
এবার ‘পারিবারিক সহিংসতা’ নিয়ে পরামর্শ দেবেন তারানা-মিতি

শেয়ার করুন