স্টার সিনেপ্লেক্স এবার মিরপুরে

স্টার সিনেপ্লেক্স এবার মিরপুরে

মিরপুরে স্টার সিনেপ্লেক্স। ছবি: সংগৃহীত

এফ নাইন-দ্য ফাস্ট সাগা, জঙ্গল ক্রুজ ও দ্য সুইসাইড স্কোয়াড—এই তিনটি ছায়াছবি নিয়ে যাত্রা শুরু করল স্টার সিনেপ্লেক্স সনি। থ্রিডি মুভির টিকিটের দাম ধরা হয়েছে সাড়ে ৪০০ টাকা। আর সাধারণ চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে টিকিটের দাম সাড়ে ৩০০ টাকা।

ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ মিরপুরে দীর্ঘদিন ধরেই কোনো মানসম্মত প্রেক্ষাগৃহ ছিল না। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত চলচ্চিত্রের বিনোদন নিতে ছুটে যেতেন রাজধানীর অন্যান্য এলাকায়। এবার সেই ছুটাছুটি বন্ধ হলো মিরপুরবাসীর।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘ চার মাসের বিধিনিষেধ শিথিলের পর শুক্রবার মিরপুরে চালু হলো স্টার সিনেপ্লেক্সের নতুন আউটলেট। যার নাম তারা রেখেছেন স্টার সিনেপ্লেক্স সনি। এটি স্টার সিনেপ্লেক্সের চতুর্থ শাখা।

মিরপুর এক নম্বর ছাড়িয়ে যে সড়কটি চিড়িয়াখানার দিকে চলে গেল, ঠিক তার মুখেই এর অবস্থান। এর আগে এখানেই ছিল সনি সিনেমা হল। ফলে স্থানটি সনির মোড় নামেই পরিচিতি পেয়েছে মিরপুরবাসীর কাছে। আর সেই হলটি সংস্কার করেই চালু হল নতুন এই প্রেক্ষাগৃহ।

শুক্রবার দুপুরে সিনেমা হলটি ঘুরে দেখা গেছে, কাউন্টারে টিকিট বিক্রি শুরু চলছে। তবে প্রথম দিন দর্শকদের তেমন ভিড় চোখে পড়েনি। বেলা আড়াইটায় ছিল উদ্বোধনী শো।

এফ নাইন-দ্য ফাস্ট সাগা, জঙ্গল ক্রুজ ও দ্য সুইসাইড স্কোয়াড—এই তিনটি ছায়াছবি নিয়ে যাত্রা শুরু করল স্টার সিনেপ্লেক্স সনি। থ্রিডি মুভির টিকিটের দাম ধরা হয়েছে সাড়ে ৪০০ টাকা। আর সাধারণ চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে টিকিটের দাম সাড়ে ৩০০ টাকা।

প্রথম শো দেখতে আসেন মিরপুরের বাসিন্দা মারুফ উর রশিদ। তিনি বলেন, ‘নতুন সিনেমা হল চালু হওয়ায় পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে আসলাম। প্রথম দিন বলে ভিড়টা একটু কম। হলের পরিবেশ খুবই ভাল লেগেছে।’

একই কথা বললেন মারিয়া বিনতে নূর। তিনি বলেন, ‘অনেক দিন থেকেই আশায় ছিলাম এ হল উদ্বোধনের। যাক, অবশেষে আজ চালু হল সিনেমা হলটি। এখানকার পরিবেশ খুবই ভাল। পরিবার-পরিজন নিয়ে সিনেমা দেখা আনন্দদায়ক হবে বলে আশা করছি।’

স্টার সিনেপ্লেক্সের বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, ‘তিনটি স্ক্রিনে একইসঙ্গে ৭৬৯ জন দর্শক দেশি-বিদেশি সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন এই সিনেমা হলে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এখানে।’

১৯৮৬ সালের আগস্ট মাসে চালু হয় সনি সিনেমা হলটি। ভবনের পুরোটাই ছিল সিনেমা হল। টিকিটের দামের ভেদে ওপরে-নিচে বসতেন দর্শকরা। মোট এক হাজার ২০০ আসন ছিল প্রেক্ষাগৃহটিতে।

পুরোনো এই সিনেমা হলটি ভেঙে নতুন করে নির্মিত হয়েছে সনি স্কয়ার। চারতলাবিশিষ্ট এই ভবনটি পরিণত হয়েছে বিপণিবিতান ও সিনেপ্লেক্সে।

ভবনটির চতুর্থ তলায় থাকছে স্টার সিনেপ্লেক্সের তিনটি হল। বিপণিবিতানসহ এতে আরও আছে খাবার দোকান, প্লে জোন, ওয়েটিং স্পেস।

রাজধানীতে আরও তিনটি শাখা রয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্সের। পান্থপথে বসুন্ধরা সিটি, ধানমন্ডির সীমান্ত স্কয়ার এবং মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারেও রয়েছে সিনেপ্লেক্সের শাখা।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সব ক্ষেত্রে আমার চেয়ে এগিয়ে থাকো: জন্মদিনে ছেলেকে শাকিব

সব ক্ষেত্রে আমার চেয়ে এগিয়ে থাকো: জন্মদিনে ছেলেকে শাকিব

শাকিব খান ও তার ছেলে আব্রাম খান জয়। ছবি: সংগৃহীত

ছেলেকে নিজের সব স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে যাবার প্রত্যাশা জানিয়ে শাকিব লেখেন, ‘ছাড়িয়ে যাও আমার সকল স্বপ্নের সীমানা। বেঁচে থাকার পূর্ণ সার্থকতা অর্জন করো। ছাড়িয়ে যাও আমার সকল স্বপ্নের সীমানা।’

ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের সন্তান আব্রাম খান জয়। সোমবার তার জন্মদিন। ৫ পেরিয়ে ৬ বছর বয়সে পা দিল জয়।

জন্মদিনে বাবা শাকিব খান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। লিখেছেন কিছু অনুভূতির কথাও।

ছেলেকে কত ভালোবাসেন তা বোঝাতে শাকিব লেখেন, ‘পৃথিবীর প্রায় সব কিছুর শেষ আছে, কিন্তু তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার কোনো শেষ নেই। কারণ তুমি আমার কাছে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত অমূল্য উপহার। শুধু জন্মদিনে নয়, তোমার জন্য আমার কাছে প্রতিটি দিন গুরুত্বপূর্ণ।'

জয়ের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতে শাকিবের চেষ্টার কথা জানিয়ে লেখেন, ‘তোমার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য যা কিছু কল্যাণকর সব সময় পুরোটা দেয়ার চেষ্টা করেছি। তোমার সঙ্গে আমি সব সময় ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহ।’

ছেলেকে নিজের সব স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে যাবার প্রত্যাশা জানিয়ে শাকিব লেখেন, ‘ছাড়িয়ে যাও আমার সকল স্বপ্নের সীমানা। বেঁচে থাকার পূর্ণ সার্থকতা অর্জন করো। জীবনে সাফল্যের সব ক্ষেত্রে আমার চেয়ে এগিয়ে থাকো। বিশ্বাস করি, যেদিন আমি থাকব না, সেদিন তোমার মধ্যে বেঁচে থাকব আরও বহুকাল।’

ছেলেকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে শাকিব বলেন, ‘শুভ জন্মদিন আব্রাম খান জয়।’

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দম্পতির ছেলে আব্রাম খান জয়। তারকা বাবা-মার কারণে জয়ও থাকে আলোচনায়।

শাকিব-অপুর বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। ২০১৮ সালে হয় তাদের বিচ্ছেদ। জয়ের জন্ম ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর।

দীর্ঘদিন গোপন ছিল শাকিব-অপুর বিয়ের খবর। লোকচক্ষুর আড়ালেই হয় জয়ের জন্ম। ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল অপু বিশ্বাস তার বিয়ে ও সন্তানের খবর জানান।

শেয়ার করুন

অ্যানিমেশনে ‘পদ্মাপুরাণ’ সিনেমার টিজার

অ্যানিমেশনে ‘পদ্মাপুরাণ’ সিনেমার টিজার

পদ্মাপুরাণ সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার প্রকাশ।

পরিচালক বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি দর্শকদের নতুন কিছু দিতে। সিনেমা হলে গিয়ে দর্শক সিনেমা দেখবে, দেশের সিনেমা দেখবে, এটাই আমাদের আশা। পদ্মাপুরান আমাদের মাটি-জলের গল্প।’ 

রাশিদ পলাশের চলচ্চিত্র ‘পদ্মাপুরাণ’-এর অ্যানিমেশন টিজার প্রকাশ হয়েছে রোববার সন্ধ্যায়। পরিচালকের দাবি, বাংলাদেশে সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার এটাই প্রথম।

২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের টিজারটি প্রকাশ পেয়েছে লাইভ টেকনোলজির ইউটিউব চ্যানেলে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পরিচালক বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি দর্শকদের নতুন কিছু দিতে। সিনেমা হলে গিয়ে দর্শক সিনেমা দেখবে, দেশের সিনেমা দেখবে, এটাই আমাদের আশা। পদ্মাপুরান আমাদের মাটি-জলের গল্প।’

৮ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। বর্তমানে সিনেমার নির্মাতা ও কলাকুশলীরা ব্যস্ত আছেন ছবির প্রচারণার কাজে।

‘পদ্মাপুরাণ’-এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, প্রসূন আজাদ, শম্পা রেজা, জয়রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, কায়েস চৌধুরী, সূচনা শিকদার, রেশমী, হেদায়েত নান্নু, আশরাফুল আশিষ, সাদিয়া তানজিন।

নির্মাতা রাশিদ পলাশের হাতে রয়েছে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সিনেমা ‘প্রীতিলতা’। যার এখন পর্যন্ত ৩৫ ভাগ দৃশ্যধারণ শেষ। আগামী মাসের শেষের দিকে সিনেমার বাকি অংশের শুটিং হবে বলে জানান রাশিদ পলাশ।

শেয়ার করুন

তাকে চেনা যায়?

তাকে চেনা যায়?

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোট বেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নীল, সাদা স্কুলপোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন অভিনেত্রী। পাশে সাদা জামায় তার বান্ধবী। দুজনেরই সরল হাসিমুখ। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাঝেমধ্যেই শৈশবের ছবি প্রকাশ করেন বলিউড তারকারা। সেসব ছবি প্রকাশের পরপরই আলোচনা শুরু হয় ভক্ত মহলে।

এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন বলিউডের আলোচিত এক অভিনেত্রী।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নীল, সাদা স্কুলপোশাকে দাঁড়িয়ে আছেন অভিনেত্রী। পাশে সাদা জামায় তার বান্ধবী। দুজনেরই সরল হাসিমুখ।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোটবেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ছবিটির ডান পাশে যে শিশুটিকে দেখা যাচ্ছে, তিনিই বর্তমানের বলিউড ‘কুইন’ কঙ্গনা রানাউত।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ছবির ক্যাপশনে কঙ্গনা লিখেন, ‘হিল ভিউ নামে উপত্যকার ছোট্ট স্কুল...সাল ১৯৯৮। হিমাচল প্রদেশ।’

ছোটবেলার আরও একটি ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সে ছবিতে তাকে দেখা যাচ্ছে গোলাপি ও সবুজ রঙের লেহেঙ্গায়। এতেও তার সঙ্গে ছিল আরেক শিশু।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছোটবেলার ছবি (ডানে)। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

দ্বিতীয় ছবির বিষয়ে কঙ্গনা জানান, স্কুল থেকে পিকনিকে গিয়ে ছবিটি তুলেছেন।

হিমাচলের এক পাহাড়ি গ্রামেই বেড়ে ওঠা কঙ্গনার। তার পরিবার এখনও সেখানেই থাকেন। কাজের ফাঁকে সময় পেলেই নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

বলিউডে পরিচিত কেউ ছিল না কঙ্গনার। বাড়ির অমতেই অভিনয়ের জন্য মুম্বাই গিয়েছিলেন তিনি। সে অবস্থাতেই চ্যালেঞ্জিং ইন্ডাস্ট্রিতে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেন তিনি। সেসব কথা একাধিক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

তাকে চেনা যায়?
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

অনুরাগ বসুর গ্যাংস্টার দিয়েই প্রথম পরিচিতি পান কঙ্গনা। আর মাধবনের বিপরীতে তানু ওয়েডস মানু ঘুরিয়ে দিয়েছিল তার ক্যারিয়ারের গ্রাফ।

পরে কুইন সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান কঙ্গনা। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন তিনি।

শেয়ার করুন

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনেমার দৃশ্যে ক্রিস। ছবি: সংগৃহীত

এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

ওটিটি জায়ান্ট নেটফ্লিক্সের তুমুল আলোচিত কনটেন্ট এক্সট্র্যাকশন। বাংলাদেশে এই ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। কারণ রাজধানী ঢাকাকে দেখানো হয়েছিল সিনেমায়।

মুক্তির পর সবচেয়ে বেশি দেখা নেটফ্লিক্স সিনেমা হয়ে ওঠে এক্সট্র্যাকশন। মুক্তির প্রথম চার সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী ৯৯ মিলিয়ন পরিবার দেখে সিনেমাটি।

২০২০-এর এপ্রিলে মুক্তি পায় এক্সট্র্যাকশন। সিনেমার শেষে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, আসবে দ্বিতীয় কিস্তি। শনিবার নেটফ্লিক্স আনুষ্ঠানিকভাবে জানাল, শিগগিরই আসছে এক্সট্র্যাকশন-টু। প্রকাশ করেছে একটি টিজারও।

টিজারটি শুরু হয়েছে প্রথম পর্ব যেখান থেকে শুরু হয়েছে, সেখান থেকেই। গুলিবিদ্ধ হয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন ক্রিস। টিজারে নদীর তলদেশ থেকে উঠে আসতে দেখা গেছে তাকে।

এক্সট্র্যাকশন-এর মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও থাকছেন থর খ্যাত ক্রিস হেমসওয়ার্থ, পরিচালনা করবেন স্যাম হারগ্রেভের আর প্রযোজক হিসেবে থাকছেন জো এবং অ্যান্থনি রুশো।

এখন প্রশ্ন হলো, এক্সট্র্যাকশনের মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও কি বাংলাদেশকে দেখা যাবে বা বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা থাকবে?

এ বিষয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা হয় এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খানের সঙ্গে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

‘মুজিব আমার পিতা’ নিয়ে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মাণ হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর এটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নির্মাণ হয় দেশের প্রথম ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র মুজিব আমার পিতা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে এটি নির্মাণ হয়।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর চলচ্চিত্রটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

আইসিটি বিভাগের অর্থায়নে নির্মিত সিনেমাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বরে প্রিমিয়ার হবে।

ওই দিন রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে বেলা তিনটায় হবে প্রিমিয়ার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

এর আগে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির কলাকুশলী ও সাংবাদিকদের নিয়ে একটি শো হয়।

সে প্রিমিয়ার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের গল্প পৌঁছে দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আমার মনে হয় ওদের জানানোর জন্য অ্যানিমেশনের চেয়ে ভালো মাধ্যম আর হতে পারে না।

‘একইভাবে বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা সম্পর্কে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো আর কেউ বলতে পারবে না। এই দুইয়ের যুগলবন্দি করা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে।’

চলচ্চিত্রটি নির্মাণে আইসিটি বিভাগ দুই কোটি টাকা দিয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, এ অর্থের পুরোটা খরচ হয়নি।

দেশের সর্ববৃহৎ টু-ডি অ্যানিমেশন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রোলেন্সার স্টুডিও এটি নির্মাণ করেছে।

৪৭ মিনিটের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে বলে জানান পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ রানা।

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কাজ শুরু করেছিলাম, অনেকে বিশ্বাসই করতে পারেনি বাংলাদেশে বসে ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা সম্ভব, কিন্তু আমরা বিশ্বাস হারাইনি।

‘সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, এখনই হয়তো বিশ্বমানের অ্যানিমেশন বানানো সম্ভব নয়। তবে আমরা যাত্রাটা শুরু করেছি।’

পরিচালক আরও বলেন, “শত সীমাবদ্ধতার মধ্যে সেরা কাজ করার চেষ্টা করেছি। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা ওয়ার্কশপ করে অ্যানিমেটর তৈরি করেছি। আমি বিশ্বাস করি সামনে এরাই দেশের অ্যানিমেশন শিল্পের দৃশ্যপট বদলে দেবে এবং এই নতুন দিনের সূচনাটা হচ্ছে ‘মুজিব আমার পিতা’ বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার মধ্যে দিয়ে।”

সংবাদ সম্মেলনে স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল ঘোষণা করেন, তাদের সব শাখায় টিকিটের দাম অর্ধেক রাখা হবে।

শেয়ার করুন

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

গায়ক কবীর সুমন। ফাইল ছবি

ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না। বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ।’

মরণোত্তর দেহদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। গত বুধবার ৭২ বছর বয়সি এ শিল্পী দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করেন। বৃহস্পতিবার সেই অঙ্গীকারপত্রের ছবি নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি।

খবরটি দুই বাংলার সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশ পায়। সুমনের দাবি, সে সংবাদে বাংলাদেশের সংবাদকর্মীরা তাকে ‘জীবনমুখী গানের শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শিল্পী শনিবার তার ফেসবুকে করা পোস্টে এমন দাবি করেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না।

‘বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ। তারা প্রায় সব সময় আমার নামের আগে এই কথা প্রয়োগ করে থাকেন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মহান শিল্পী শ্রীযুক্ত নচিকেতা চক্রবর্তীর গানের ক্যাসেটে ওই কথাটি ছিল, থাকত: জীবনমুখী বাংলা গান বা গান। আমার গানের কোনো অ্যালবামে ওই কথাটি ছিল না; থাকে না। দয়া করে আমার নামের আগে ওই কথাগুলি লিখবেন না। দয়া করে।’

ভিডিওতে সুমন জানান, তিনি সব সময় আধুনিক বাংলা গান নিয়ে কাজ করে এসেছেন। আর এখন বাংলা খেয়াল নিয়ে কাজ করছেন।

শেয়ার করুন

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

নির্মাতা এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম। ফাইল ছবি

‘গলুই’ ও ‘গুনিন’ এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন কাজ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছেন সরকারি অনুদান। অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’ সিনেমা। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন তারা।

দেশের দুই খ্যাতিমান নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং এস এ হক অলিক। দুজনই তাদের নতুন সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নতুন সিনেমা গলুই-এর দৃশ্যধারণ করতে অলিক এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদারবাড়িতে।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন সেলিম ১০ অক্টোবর থেকে দৃশ্যধারণে যাবেন। তিনি গুনিন নামে একটি ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করবেন।

গলুইগুনিন অলিক ও সেলিমের নতুন কাজ। অথচ দুজনের কাছেই পুরনো কাজ জমা পড়ে আছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছিলেন সরকারি অনুদান।

সরকারি অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন ওই দুই পরিচালক। কিন্তু কেন?

দুজন পরিচালকই নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, তাদের কাজ শুরু করার প্রধান অন্তরায় ছিল করোনা পরিস্থিতি।

অলিক বলেন, ‘যোদ্ধা সিনেমার দৃশ্যধারণ শীতে করতে হবে। গত শীতে করোনার কারণে করা সম্ভব হয়নি। আগামী শীতে করতে পারব আশা করি। গলুই-এর পরেই যোদ্ধার কাজ ধরার ইচ্ছা আছে।’

সেলিম বলেন, ‘প্রথমত, সিনেমাটি করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছি। দ্বিতীয়ত, কাজলরেখা বড় বাজেটের সিনেমা। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সিনেমা নির্মাণের জন্য টাকা পাওয়া কঠিন। তাই কাজটি ধরা হয়নি।’

অলিকের মতো সেলিমও জানান, গুনিন-এর কাজ শেষ করেই কাজলরেখার কাজ শুরু করবেন।

সিনেমা নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ‘শ্যামা কাব্য’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি। এটিও ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া।

শেয়ার করুন