তালেবানের সঙ্গে হিন্দুত্ব সন্ত্রাসের তুলনা, স্বরার নামে অভিযোগ

তালেবানের সঙ্গে হিন্দুত্ব সন্ত্রাসের তুলনা, স্বরার নামে অভিযোগ

বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। ছবি: সংগৃহীত

টুইটে স্বরা লেখেন, ‘আমরা হিন্দুত্ব সন্ত্রাস মেনে নিয়ে তালেবান সন্ত্রাস নিয়ে ভেঙে পড়তে পারি না। আবার তালেবান আতঙ্ক নিয়ে স্বস্তিতে থেকে হিন্দুত্ব সন্ত্রাস নিয়ে ক্ষুব্ধ হতে পারি না।’

তালেবান ও হিন্দুত্ব সন্ত্রাস নিয়ে মন্তব্য করায় বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্করের নামে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ করা হয়েছে।

গত ১৭ আগস্ট অভিনেত্রীর করা একটি টুইটের জেরে বৃহস্পতিবার এ অভিযোগ করেন রাজ চৌধুরী নামের এক যুবক।

সেই টুইটে স্বরা লেখেন, ‘আমরা হিন্দুত্ব সন্ত্রাস মেনে নিয়ে তালেবান সন্ত্রাস নিয়ে ভেঙে পড়তে পারি না। আবার তালেবান আতঙ্ক নিয়ে স্বস্তিতে থেকে হিন্দুত্ব সন্ত্রাস নিয়ে ক্ষুব্ধ হতে পারি না।

‘আমাদের মানবতা ও নৈতিকতা অত্যাচারী বা অত্যাচারিতের পরিচয়ের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।’

স্বরার এ টুইট হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে উল্লেখ করে অভিযোগ করেছেন ওই যুবক।

অভিযোগে ওই যুবক জানান, হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন স্বরা ভাস্কর। ভারতীয় ও হিন্দু হিসেবে তিনি আঘাত পেয়েছেন। তাই স্বরা ভাস্করের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চান।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ওই যুবক কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখার ডিসির কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগের অনুলিপি পাঠিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও।

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখলের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। এর পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আলোচিত ব্যক্তিরা এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। বলিউডের বেশ কয়েকজন অভিনেতা এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কর্ণফুলীতে জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো মরদেহ 

কর্ণফুলীতে জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো মরদেহ 

সদরঘাট নৌ থানার ওসি মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকায় একটি মরদেহ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে-এমন তথ্য পেয়ে তাদের একটি দল সেখানে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নগরীর সদর ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকা থেকে রোববার বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকায় একটি মরদেহ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে-এমন তথ্য পেয়ে তাদের একটি দল সেখানে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, মরদেহটি আনুমানিক ৩৫ বছরের যুবকের। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রথমেই ঢাকা ও ফরিদপুরের নেতাদের সঙ্গে বসবে বিএনপি

প্রথমেই ঢাকা ও ফরিদপুরের নেতাদের সঙ্গে বসবে বিএনপি

এর আগে গত ১৪, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক, সহ-সম্পাদক, দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফা মতবিনিময় শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি। এ দফার প্রথম দিনেই ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বসতে দলটির হাইকমান্ড।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিভাগের ১০৮ জন, ফরিদপুর বিভাগের ১৪ জন এবং জেলা সভাপতি (জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নয়) ৪ জনসহ মোট ১২৬ জনের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় দিন বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) ১২৯ জনের সঙ্গে বসবেন নেতারা। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের ৩৭ জন, কুমিল্লার ২৩ জন, ময়মনসিংহের ১৮ জন, সিলেটের ১৪ জন, রংপুরের ১৭ জনসহ জেলা সভাপতি (জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নয়) ২০ জন উপস্থিত থাকবেন।

তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ১০৮ জনের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। এর মধ্যে থাকবেন খুলনা বিভাগের ৩২ জন, রাজশাহীর ৩৫ জন, বরিশালের ২৭ জনসহ জেলা সভাপতি (জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নয়) ১৪ জন।

এর আগে গত ১৪, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদক, সহ-সম্পাদক, দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

এহসানের জন্য টাকা তুলে বিপাকে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা

এহসানের জন্য টাকা তুলে বিপাকে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা

হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার পিরোজপুরভিত্তিক এমএলএম কোম্পানি এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই। ছবি: নিউজবাংলা

পিরোজপুরের ধর্মীয় নেতাদের দাবি, সুদমুক্ত মুনাফা দেয়ার কথা বলে এহসান প্রতারণা করবেন তা বুঝতেই পারেননি তারা। তবে তাদের কথা মানছেন না হাজার হাজার গ্রাহক। টাকার জন্য এখন তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন অনেক গ্রাহক।

‘শরিয়তসম্মত বিনিয়োগের’ কথা বলে গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে রিমান্ডে রয়েছেন পিরোজপুরভিত্তিক এমএলএম কোম্পানি এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই।

তবে তাদের পক্ষে মাঠ পর্যায় থেকে টাকা তুলে এখন বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জিন এবং মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

এসব ধর্মীয় নেতার দাবি, সুদমুক্ত মুনাফা দেয়ার কথা বলে এহসান প্রতারণা করবেন তা বুঝতেই পারেননি তারা। তবে তাদের কথা মানছেন না হাজার হাজার গ্রাহক। টাকার জন্য এখন তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন অনেক গ্রাহক।

ইসলামি বিনিয়োগকে ব্যবহার এর আগে হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠে এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানের বিরুদ্ধে।

এ অভিযোগে রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই মাওলানা আবুল বাশার, খাইরুল ইসলাম ও মুফতি মাহমুদুল হাসানকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

গত ৯ সেপ্টেম্বর তাদের গ্রেপ্তারের পর টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে নানা আশঙ্কায় রয়েছেন গ্রাহকরা। প্রথমে এহসান গ্রুপের কার্যালয়ে গেলেও এখন তারা ছুটছেন তাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করা স্থানীয় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কাজে।

এর মধ্যে টাকার শোকে ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আজিজ মাঝি নামে ৭০ বছরের ওই বৃদ্ধের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি পাঁচ মেয়ে ও স্ত্রীর কাছ থেকে নিয়ে ৩০ লাখ টাকা এহসান গ্রুপের ফান্ডে জমা করেন। তার সন্তানরা ক্ষুদ্র ব্যবসা এমনকি গৃহপরিচারিকা কাজ করে বাবার বাবার কাছে এ টাকা দেন।

অভিযোগ, এহসান গ্রুপের ব্যবস্থাপক পরিচালক রাগীব আহসান গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর রাতেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় তার।

আজিজ মাঝির কাছ থেকে ওই টাকা নিয়েছিলেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস। আজিজ মাঝির মেয়ে তাসলিমা বেগম বলেন, ‘বাড়ির পাশের মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস আমার বাবাকে ধর্ম ও কোরআনের কথা বলে মন নরম করে আমাদের জমানো ৩০ লাখ টাকা জমা নেয়।

‘কথা ছিল, জমি-জমার ব্যবসা করে সুদমুক্ত লাভ দেবে। তবে কোনো টাকা-পয়সা আমাদের দেন নাই। এরপর টাকার চিন্তায় আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা কয়েকবার রাগীব আহসানের কাছে যাই। চিকিৎসার জন্য হলেও কিছু টাকা ফেরত চাই, কিন্তু তিনি টাকা না দিয়ে ফিরিয়ে দেন। আমার বাবা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং স্ট্রোক করে মারা যান।’

ইন্দুরকানী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে জানা গেছে, ধর্মীয় নেতা ও মসজিদের ইমামদের কথায় বিশ্বাস করে এ এলাকার জেলে, দিনমজুর, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ প্রায় প্রত্যেক পরিবার থেকেই টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এহসান গ্রুপ।

গ্রাহকদের দাবি, পিরোজপুর, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার লক্ষাধিক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন মূলত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা। এহসান গ্রুপের টাকা তুলে এখন তারা পড়েছেন তোপের মুখে। তারা জানান, তাদের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস উঠে গেছে। প্রকাশ্যে চলাফেরা করতেও তারা এখন ভয় পাচ্ছেন।

ইন্দুরকানী উপজেলা থেকেই ৬০০ গ্রাহকের টাকা জমা নিয়েছিলেন ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিনি বলেন, ‘আমরা তো বুঝতেই পারিনি এটা ছিল জনগণকে ধোঁকা দেয়ার ফাঁদ। বারবার বোঝানো সত্ত্বেও রাগীব আহসান আমাদের কথায় কর্ণপাত করেননি।

‘গরীব মানুষরা বিশ্বাস করে আমাদের হাতে টাকা গচ্ছিত রেখেছে। কেউ কেউ ভিটেমাটি বিক্রি করেও টাকা দিয়েছে। নিরুপায় হয়ে আমাদের ১০০ জন মাঠকর্মীর পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।’

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান জানান, রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে আসামিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা বলা যাচ্ছে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন (অপরাধ প্রশাসন) বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করি গ্রাহকরা সুবিচার পাবেন।’

শেয়ার করুন

স্তন ক্যান্সারে অ্যাস্ট্রাজেনেকার যুগান্তকারী সাফল্য

স্তন ক্যান্সারে অ্যাস্ট্রাজেনেকার যুগান্তকারী সাফল্য

অ্যাস্ট্রাজেনেকার এনহার্টু ট্রায়ালে এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, ওশেনিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার অন্তত ৫০০ রোগীকে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়।

বিশ্বে প্রতি আট জনে অন্তত একজন নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশেও প্রতি বছর দেড় লাখের বেশি মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।

এবার স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাফল্যের দাবি করেছে গবেষেণা ভিত্তিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের আবিষ্কৃত একটি ওষুধ স্তন ক্যান্সারে প্রচলিত চিকিৎসার পদ্মতির চেয়ে ৭২ শতাংশ বেশি কার্যকর। তাদের ওষুধ রোগীর শরীরে প্রয়োগ করলে মৃত্যুর ঝুঁকি এবং রোগটির ছড়িয়ে পড়া অনেকাংশেই কমে যায়।

ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিটি দাবি করছে, স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তাদের ‘এনহার্টু’ ট্রায়ালে যুগান্তকারী ফলাফল দেখা গেছে। রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য এটি শক্তিশালী প্রমাণ দিয়েছে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানা গেছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই এনহার্টু ট্রায়ালে এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, ওশেনিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার অন্তত ৫০০ রোগীকে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়।

ইন্ডিপেন্ডেন্টের খবর- ট্রায়ালে অংশ নেওয়া রোগীদের মধ্যে ৭৫ শতাংশের শরীরেই স্তন ক্যান্সার আর বাড়তে পারেনি। সেই তুলনায় ট্রাস্টুজুমাব এমটানসাইন (টি-ডিএম১) নামে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্মতিতে মাত্র ৩৪.১ শতাংশের শরীরে এমন সাড়া মিলেছে। এনহার্টু পদ্মতিতে রোগটি না বাড়ার সময়সীমা ৭.২ মাস থেকে ২৫.১ মাসে উন্নীত হয়েছে।

তিন ধাপের এই ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার ১২ মাস পর অ্যাস্ট্রাজেনেকার এনহার্টু গ্রহণ করা রোগীদের মধ্যে ৯৪.১ শতাংশ বেঁচে ছিলেন। আর ট্রাস্টুজুমাব এমটানসাইন গ্রহণ করাদের মধ্যে বেঁচেছিলেন ৮৫.৯ শতাংশ।

ট্রায়ালের ফলাফলের কথা জানিয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার অঙ্কোলজি বিভাগের নির্বাহী উপ-প্রধান সুসান গ্যালব্রেইথ বলেছেন, ‘এই ফল যুগান্তকারী।’

শেয়ার করুন

থাই দূতাবাস ভিসা আবেদন নেবে সোমবার

থাই দূতাবাস ভিসা আবেদন নেবে সোমবার

থাই দূতাবাস জানায়, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই প্রতিটি ভিসার প্রয়োজনীয়তা এবং যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। একইসঙ্গে থাই সরকারের যেসব নিয়মকানুন রয়েছে তা অনুসরণ করতে হবে, যার মধ্যে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনসহ করোনার টিকা নেওয়া থাকতে হবে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদনে দেয়া স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে পূর্ব এশিয়ার অন্যতম পর্যটনের দেশ থাইল্যান্ড।

সোমবার থেকে নন-থাই নাগরিকদের জন্য ভিসা এবং সার্টিফিকেশন অব এন্ট্রি (সিওই) আবেদন নেয়া শুরু করছে বাংলাদেশে দেশটির দূতাবাস। রোববার ঢাকার থাই দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে গত ১০ মে থেকে ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল থাইল্যান্ড।

রোববার বিজ্ঞপ্তিতে থাই দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশে নন-থাই নাগরিকদের জন্য ভিসা এবং সার্টিফিকেশন অব এন্ট্রি (সিওই) আবেদন চালু করার ঘোষণা করছে রয়েল থাই দূতাবাস। সোমবার থেকে দূতাবাস সব ভিসা এবং সিওই আবেদন নেয়া শুরু করবে।

এতে আরও বলা হয়, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই প্রতিটি ভিসার প্রয়োজনীয়তা এবং যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। একইসঙ্গে থাই সরকারের যেসব নিয়মকানুন রয়েছে তা অনুসরণ করতে হবে, যার মধ্যে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনসহ করোনার টিকা নেওয়া থাকতে হবে।

বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি থাইল্যান্ডে যায় পর্যটনের উদ্দেশ্যে। এ ছাড়া শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্যও অনেকে দেশটিতে যান।

শেয়ার করুন

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি: নিউজবাংলা

মফিজুল হকের দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি।

রাজশাহীতে দাঁতের ব্যথার চিকিৎসায় খিচুনির ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ শিশু আবদুর রাফির বাবা আয়নাল হক কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

রোববার রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে করা মামলার আসামি কথিত চিকিৎসক মফিজুল হক। তিনি রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার এমাদপুর মহল্লার বাসিন্দা।

আদালতে মামলাটি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বাবু।

তিনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর এ ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য রাজশাহীর সিভিল সার্জন কাইয়ুম তালুকদারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মফিজুল হকের দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি।

রাফির বাবা আয়নাল হকের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার দালালপাড়া গ্রামে। ১৩ আগস্ট তিনি রাফির সমস্যাযুক্ত একটি দাঁত তোলেন মফিজুলের চেম্বারে। এরপর ব্যথা না কমার কারণে ২৬ আগস্ট আবার তার চেম্বারে যান। তখন মফিজুল একটি সিরাপ দেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘শিশুটিকে যে ওষুধ দেয়া হয়েছিল, সেটা খিঁচুনির। তার খিচুনি ছিল না। দাঁতে ব্যথা ছিল। সে কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একে স্টভেন জনসন সিনড্রম বলে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এখন ইমপ্রুভ করছে।’

চোখ ছাড়া তার শরীরজুড়ে ক্ষত দেখা দিয়েছে। ফোসকা পড়লে যেমন হয়, ঠিক সে রকম ক্ষত। শরীরের কোথাও কোথাও চামড়া উঠে গেছে। ঠোঁটের ওপরে ক্ষতের কারণে সে কিছু খেতে পারছে না। টানা কয়েকদিন কথাও বলতে পারেনি। তার শরীরে মলম লাগিয়ে রাখা হয়েছে।

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি:সংগৃহীত

নিজেকে ডাক্তার দাবি করা মফিজুলের চেম্বার রয়েছে কাটাখালী বাজারে। সেখানে তিনি নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা দেন। ঘটনার পর থেকে চেম্বারটি বন্ধ রয়েছে।

অভিযুক্ত মফিজুলের দাবি, রাজশাহী ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) থেকে ২০০৭ সালে ডেন্টাল বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।

রাজশাহী আইএইচটির অধ্যক্ষ ফারহানা হক বলেছেন, ডেন্টাল বিভাগের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হলেও কেউ রোগী দেখতে পারেন না। তিনি শুধু ডেন্টাল সার্জনকে সহায়তা করতে পারেন।

কাটাখালী বাজারে চেম্বারে প্যাডে ব্যবস্থাপত্র দেন মফিজুল। তার প্যাডে নিজের নামের নিচে পদবি হিসেবে লিখেছেন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল), এফটি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ৭৬৫৩।

নিবন্ধন নম্বরের ব্যাপারে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিব জাহিদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের কোনো নিবন্ধন নম্বর আমরা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের দেই না, যা দিয়ে তারা রোগী দেখতে পারেন। রোগী শুধু এমবিবিএস চিকিৎসক ও ডেন্টাল সার্জনরাই দেখতে পারেন। আর তাদের নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ মেডিক্যাল কাউন্সিল। তাই বলতেই পারি মফিজুলের ওই নিবন্ধন নম্বর ভুয়া।’

শেয়ার করুন

এমপি জাফরকে এলাকায় না থাকতে ইসির চিঠি

এমপি জাফরকে এলাকায় না থাকতে ইসির চিঠি

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম। ছবি: নিউজবাংলা

ইসির চিঠিতে বলা হয়, যেহেতু এমপি জাফর বিধি বহির্ভূতভাবে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তাই তাকে ভোটাধিকার প্রয়োগ ছাড়া কক্সবাজার-১-এর আওতাধীন নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে না দেয়ার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমকে এলাকা ছাড়ার চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

চিঠিতে তাকে ভোট দেয়া ছাড়া নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোববার রাতে ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরে চিঠিটি এমপি জাফর আলমের কাছে পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, এমপি জাফরের বিরুদ্ধে কক্সবাজার-১ আসনের আওতাধীন চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রকাশ্যে এক প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৫-এর ২২ বিধি উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়- সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনি প্রচারে বা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। তবে ভোটার হলে তিনি শুধু ভোট দিয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবেন।

এ ছাড়া ভোটের আগে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচারযন্ত্র, যানবাহন, অন্য কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ এবং সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের ব্যবহার করতে পারবেন না।

চিঠিতে আরও বলা হয়, যেহেতু এমপি জাফর বিধি বহির্ভূতভাবে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তাই তাকে ভোটাধিকার প্রয়োগ ছাড়া কক্সবাজার-১-এর আওতাধীন নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে না দেয়ার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় সোমবার ভোট হবে। নির্বাচনি প্রচার শেষ হওয়ার পর ভোটের আগের রাতে এমপি জাফরকে এ চিঠি পাঠানো হলো।

শেয়ার করুন