× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
Hani Singhs defense denied his wifes allegations
hear-news
player
google_news print-icon

স্ত্রীর অভিযোগ অস্বীকার করে হানি সিংয়ের সাফাই

স্ত্রীর-অভিযোগ-অস্বীকার-করে-হানি-সিংয়ের-সাফাই-
হানি সিং ও তার স্ত্রী শালিনী তালওয়ার। ছবি: সংগৃহীত
হানি সিং লেখেন, ‘এর আগে আমি কখনও আমার গানের লিরিক, আমার স্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা কিংবা নেতিবাচক মিডিয়া কাভারেজের বিষয়ে এমন বিবৃতি বা প্রেস নোট দেইনি। যাই হোক, আমি এমন একটা সময় এসে আর নীরব থাকতে পারছি না, কারণ এসব অভিযোগ সরাসরি আমার পরিবারের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। আমার বৃদ্ধ মা-বাবা এবং আমার বোনের বিরুদ্ধে; যারা খুব খারাপ সময়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং আমাকে স্বাভাবিক থাকতে দিয়েছে। অভিযোগগুলো নিন্দনীয় ও মানহানিকর।’

জনপ্রিয় গায়ক, র‍্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে স্ত্রী শালিনী তালওয়ারের করা পারিবারিক সহিংসতার মামলা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন হানি সিং।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, অভিযোগ অস্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছেন হানি সিং। তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ বলেও দাবি করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতিতে হানি সিং লেখেন, ‘আমার ২০ বছরের সহচর, আমার স্ত্রী শালিনী তালওয়ার আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগটি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ।

‘এর আগে আমি কখনও আমার গানের লিরিক, আমার স্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা কিংবা নেতিবাচক মিডিয়া কাভারেজের বিষয়ে এমন বিবৃতি বা প্রেস নোট দেইনি। যাই হোক, আমি এমন একটা সময় এসে আর নীরব থাকতে পারছি না, কারণ এসব অভিযোগ সরাসরি আমার পরিবারের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। আমার বৃদ্ধ মা-বাবা এবং আমার বোনের বিরুদ্ধে; যারা খুব খারাপ সময়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং আমাকে স্বাভাবিক থাকতে দিয়েছে। অভিযোগগুলো নিন্দনীয় ও মানহানিকর।’

বিবৃতিতে হানি সিং বলেন, গত ১৫ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে দেশের শিল্পী, কলা-কুশলীদের সঙ্গে তিনি কাজ করছেন।

‘সবাই আমার ও আমার স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে জানেন, সে এক দশকের বেশি সময় ধরে আমার দলের একটা অংশ, আমার শুটিং, ইভেন্ট এবং মিটিং সবকিছুতেই যুক্ত ছিল।’

হানি সিং বলেন, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে চাই অভিযোগগুলো অসত্য, এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কারণ, বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীন। এ দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা করছি শিগগির সত্য বেরিয়ে আসবে।’

ফ্যান ও ফলোয়ারদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে হানি সিং বলেন, ‘বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দয়া করে কেউ আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্তে যাবেন না।’

শালিনী তালওয়ার, র‍্যাপার ও মিউজিক কম্পোজার হারদিশ সিংয়ের স্ত্রী। হারদিশ ইয়ো ইয়ো হানি সিং নামেই পরিচিত ও জনপ্রিয়। তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার হাজারী আদালতে পারিবারিক সহিংসতার মামলা করেন শালিনী তালওয়ার।

আরও পড়ুন:
হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে স্ত্রী শালিনীর মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Only police permission left for BNPs Rajshahi rally

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি সমাবেশ সামনে রেখে আগেই চলে আসা নেতাকর্মীদের জন্য একটি প্যান্ডেল নির্মাণে বাধা দেয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উজ্জিবিত। চলছে প্রস্তুতিও। সমাবেশের মাইকিং চলছে শহরজুড়ে। নেতা-কর্মীদের সমাগম নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে ছোট বড় মিটিং-মিছিল। চলছে লিফলেট বিতরণ।

কিন্তু সমাবেশস্থল নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি বিএনপির। ৩ ডিসেম্বর সমাবেশ, অথচ মঙ্গলবার পর্যন্ত তারা পুলিশের অনুমতি পায়নি।

তবে জেলা প্রশাসক রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন বিএনপিকে। ১ ডিসেম্বর থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীরা এই মাঠে প্রস্তুতি শুরু করবেন। নেতারা আশাবাদি, শীঘ্রই তারা পুলিশেরও অনুমতি পাবেন।

এদিকে এখনও পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় মাঠের প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগ নেই তাদের। মঞ্চ বানাতে গিয়ে মঙ্গলবার বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় নেতারা। একটি প্যান্ডেল তৈরির সময় পুলিশি বাধার মুখে তা ভেঙে নিতে বাধ্য হন মঞ্চ প্রস্তুতকারীরা।

ইতোমধ্যেই সমাবেশকে সামনে রেখে ১ ডিসেম্বর থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে নেতা-কর্মীদের আগে ভাগেই রাজশাহী আনার কথা ভাবছে বিএনপি নেতারা।

নেতা-কর্মীদের থাকার জন্যই মাদ্রাসা ময়দানের সামনে একটি ফাঁকা জায়গায় সোমবার সকাল থেকে প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সেই প্যান্ডেল ভেঙে নিতে বাধ্য করে।

তবে পুলিশের এমন ভূমিকায় নমনীয় বিএনপি। তারা আশাবাদি, এই মাঠেই তারা সমাবেশ করবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘পুলিশ প্যান্ডেল ভাঙেনি। পুলিশের সঙ্গে আমাদের খুব ভালোভাবেই কথা হচ্ছে। কোনো অসুবিধা নেই। পুলিশ আমাদের মাদ্রাসা ময়দানেই সমাবেশ করার অনুমতি দেবে।’

মিনু আরও বলেন, ‘নানাভাবে সরকার এই সমাবেশ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে এখানে সফল একটি সমাবেশ হবে। জনতার ঢল নামবে মাদ্রাসা মাঠে।’

রাজশাহী নগর পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার মো. আবদুর রকিব বলেন, ‘যে স্কুলের মাঠে বিএনপি সমাবেশ করবে বলছে, সেই স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলছে। বুধবার পরীক্ষা হবে, বৃহস্পতিবার সকালেও একটা পরীক্ষা আছে। তাই এখনও সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

এদিকে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠের নিয়ন্ত্রক জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, ‘মাদ্রাসা মাঠ ঐতিহাসিক মাঠ। তারা সেই মাঠই চান। তাদের অনুরোধের কারণে বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা রয়েছে। পরের দিন ১ ডিসেম্বর থেকে তারা মাঠ ব্যবহার করতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির
ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু

মন্তব্য

বিনোদন
Abbas the former mayor of Katakhali is free on bail

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী এক বছর পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় মঙ্গলবার সকালে আব্বাস আলীকে জামিন দিয়েছেন। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি সন্ধ্যায় মুক্তি পান। কারাফটক থেকে তাকে মোটরসাইকেল শোডাউন করে নিয়ে যান সমর্থকরা।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আব্বাস আলী পর পর দুবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে মেয়র হন। তিনি ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও দলটির জেলা কমিটির সদস্য।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

এ রেকর্ড ছড়িয়ে পড়লে রাজশাহীতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাকে আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ারিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল মমিন। এরপর কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম আরেকটি মামলা করেন কাটাখালী থানায়।

সে বছরের ১ ডিসেম্বর ভোরে র‌্যাব ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আব্বাসকে বরখাস্ত করে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, তিনটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র।

আরও পড়ুন:
মেয়র আব্বাসের রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস: র‍্যাব
মেয়র আব্বাস আটক
মেয়র আব্বাস কোথায়
মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

মন্তব্য

বিনোদন
The people of the country are in fear

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’ জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ক্ষমতার জন্য সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের কারণে দেশের মানুষ আতঙ্কে আছেন। জনগন মুক্তির জন্য তাকিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির দিকে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনের প্রধান অতিথি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।

‘বিএনপি ১৯৯১-৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় ছিল তখন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের রাস্তায় নামতে দেয়নি। এখন তারাও পারছে না। বাংলাদেশের ৫ কোটি বেকার মানুষ নিয়ে দুই দলের কোন চিন্তা নেই। তাদের চিন্তা ক্ষমতায় থাকা, আর ক্ষমতায় যাওয়া নিয়ে।

জাতীয় পার্টি কোনও জোটে নেই, সে কারণে ৩০০ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান চুন্নু।

সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘গণতন্ত্র চর্চায় জাতীয় পার্টি কাজ করবে। প্রমাণ করবে জাতীয় পার্টি একটি শক্তিশালী দল। জাতীয় পার্টি কাজ করবে মানবকল্যাণে। জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি এগিয়ে যাবে, তা রোধ করা যাবে না।’

জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের পরিচালনায় সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই
বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা
‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের ধারণায় জাপা বিশ্বাস করে না’

মন্তব্য

বিনোদন
Cultural centers are in all upazilas

সংস্কৃতিকেন্দ্র হচ্ছে সব উপজেলায়

সংস্কৃতিকেন্দ্র হচ্ছে সব উপজেলায় সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোমবাতি জ্বেলে লোকনাট্য উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের আগে আগামী অর্থবছর থেকেই শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে সংস্কৃতিকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

দেশের সব উপজেলায় সংস্কৃতিকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের আগে আগামী অর্থবছর থেকেই শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে সংস্কৃতিকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাঁথিয়া থিয়েটারের লোকনাট্য উৎসবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মৌলবাদের উত্থান ও আর্থ সামাজিক বাস্তবতায় আবহমান বাঙালি সংস্কৃতি চর্চায় ছেদ পড়েছে বলে মন্তব্য করেন কে এম খালিদ।

তিনি বলেন, ‘বাউল গান, পথ ও মঞ্চ নাটক, যাত্রাপালা বাঙালি সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। এক সময় প্রতিটি গ্রামে ও পাড়ায় পাড়ায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসবের চর্চা হতো, উৎসব আয়োজন হতো। মৌলবাদী তৎপরতায় এখন তা অনেক কমে গেছে। সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করে সে উৎসবগুলোকে আবারও ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।’

নাট্যচর্চার প্রসারে গ্রাম থিয়েটারের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম থিয়েটার নাটকের মাধ্যমে সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় গ্রাম পর্যায়ে নাট্যচর্চার পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।’

তিন দিনের লোকনাট্য উৎসব উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু।

সাঁথিয়া থিয়েটারের সভাপতি আব্দুদ দাইন সরকার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘বাঙালি সংস্কৃতির চেতনা থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে এদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। পাকিস্তানি ভাবধারার অনুসারী বিএনপি জামায়াত সব সময় বাঙালি সংস্কৃতি চর্চায় বাধা দিয়েছে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই তাদের অশুভ তৎপরতার জবাব দিতে হবে।’

নাসির উদ্দিন ইউসুফ বলেন, ‘বাংলাদেশের নাটকের একটি স্বকীয় ও স্বতন্ত্র ধারা রয়েছে। উপনিবেশিক সংস্কৃতির প্রভাব আমাদের নাটকে আছে এটি সঠিক নয়। আমাদের উচিৎ নিজস্ব ঐতিহ্য ও শেকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে সংস্কৃতিকে আধুনিক করে তোলা। গ্রাম থিয়েটার সে লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাঁথিয়া থিয়েটার ৪০ বছর ধরে গ্রাম পর্যায়ে নাট্য চর্চায় কাজ করছে। মৌলবাদীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তারা সাহসিকতা নিয়ে সংগঠন ধরে রেখেছে।’

আরও পড়ুন:
কমলগঞ্জে শুরু হচ্ছে মণিপুরি মহারাসলীলা
মণিপুরি নাচ যেভাবে ছড়িয়ে গেল সবখানে
সারদা হল উন্মুক্ত হচ্ছে নভেম্বরের মধ্যে
খালেদা স্বামীর কবর ভেবে কাকে শ্রদ্ধা জানান: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি বিনিময়ের বিশ্বমঞ্চে প্রতিমন্ত্রী খালিদ

মন্তব্য

বিনোদন
86 gold bars were recovered from underground

মাটির নিচ থেকে ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

মাটির নিচ থেকে ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার উদ্ধার করা বারগুলোর সম্মিলিত ওজন প্রায় ১১ কেজি ৩৯০ গ্রাম। ছবি: নিউজবাংলা
৫৮ বিজিবি মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সিও লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, স্বর্ণ উদ্ধার করা হলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর সীমান্ত থেকে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। বারগুলোর সম্মিলিত ওজন ১১ কেজি ৩৯০ গ্রাম।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার যাদবপুর গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে এসব বার উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলাবার রাতে ৫৮ বিজিবি মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সিও লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যাদবপুর গ্রামের ওই কলাবাগানে স্বর্ণের বারগুলো মাটিতে পুঁতে রাখা আছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে কসটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় মাটির নিচ থেকে ৮৬টি বার বের করে আনা হয়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মুল্যে প্রায় ৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। এগুলো অবৈধভাবে ভারতে পাচারের জন্য পুঁতে রাখা হয়েছিল।

স্বর্ণ উদ্ধার করা হলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণ চোরাচালান: তিন ভারতীয়সহ আটক ১২
শাহজাদপুর সীমান্তে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার
স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল, ভরি ৮৪২১৪ টাকা
স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ২৩৩৩ টাকা
বিমানের সিটে ৬ কেজি স্বর্ণ

মন্তব্য

বিনোদন
Killing on border BSF returns melted body after 17 days

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের ভারত সীমান্তে পড়ে থাকা বাংলাদেশী কৃষকের মরদেহ নিতে আসেন স্ত্রী-সন্তানরা। ছবি: নিউজবাংলা
স্ত্রী মরিয়ম গলিত মরদেহ দেখে বলেন, ‘লাশ দেখে চেনা যাচ্ছে না এটা কে? তারা লাশের সঙ্গেও অমানবিক আচরণ করেছে। লাশটা ঠিকমতো সংরক্ষণ করেনি। আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

ফেনীর পরশুরামে সীমান্তের ওপারে পড়ে থাকা বাংলাদেশী কৃষকের মরদেহ ১৭ দিন পর গলিত অবস্থায় ফেরত দিয়েছে সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ।

বিলোনিয়া ইমিগ্রেশনে চেকপোস্ট দিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিজিবি ও পুলিশের কাছে কৃষক মেজবাহার উদ্দিনের লাশ হস্তান্তর করে ভারতীয় বাহিনীটি।

ফেনীর পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম এসব নিশ্চিত করেছেন।

মেজবাহর বাঁশপদুয়া উত্তরপাড়ার মফিজুর রহমানের ছেলে। গত ১৩ নভেম্বর বাঁশপদুয়া এলাকা থেকে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ তার স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের।

তিনি এর আগে জানিয়েছিলেন, সেদিন বিকেলে সীমান্ত এলাকায় যান মেজবাহার। সেখানে বিএসএফের সদস্যরা তাকে আটক ও মারধর করে বলে স্থানীয় লোকজন দেখতে পান। কিছুক্ষণ পর গুলির আওয়াজ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে মরিয়ম ও তার পরিচিতরা সেখানে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে মেজবাহরকে পাননি। এর তিন দিন পর সকালে গিয়ে কাঁটাতারের ওপারে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

মরদেহ বুঝে নিতে মঙ্গলবার সীমান্তে আসেন মেজবাহারের স্ত্রী, তিন মেয়েসহ অন্য স্বজনরা।

স্ত্রী মরিয়ম গলিত মরদেহ দেখে বলেন, ‘লাশ দেখে চেনা যাচ্ছে না এটা কে? তারা লাশের সঙ্গেও অমানবিক আচরণ করেছে। লাশটা ঠিকমতো সংরক্ষণ করেনি। আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের

লাশ হস্তান্তর করতে আসেন সেদেশের ত্রিপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিতোষ দাস। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দেননি তিনি।

পরিতোষ জানান, লাশের মাথায় আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে বিএসএফের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ভারতীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরশুরাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা লাশ গ্রহণ করেছি। ভারত লাশ উদ্ধারের সময় সেটি নষ্ট হয়ে যায়। যদি মেজবাহারের পরিবার ডিএনএ করার আবেদন করে, তাহলে রাষ্ট্র সেটি করবে।’

পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সাজেল বলেন, ‘নিহত মেজবাহারের পরিবার অত্যন্ত গরীব। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা করা উচিত। এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হওয়া উচিত।’

আরও পড়ুন:
সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল শিগগিরই
বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে
নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ
মৃত মায়ের মুখ মেয়েকে দেখতে দিল বিজিবি-বিএসএফ
শূন্যরেখায় বাংলাদেশি যুুবকের গলিত মরদেহ

মন্তব্য

বিনোদন
Revision of RPO EC receives Ministrys reply

আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি

আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধান সংশোধনের অগ্রগতি জানতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনের দেয়া চিঠির জবাব দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ। বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়ে দীর্ঘ তিন মাস পর অবশেষে এই জবাব পেল ইসি।

আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আসাদুজ্জামান নূর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মঙ্গলবার এ জবাব দেয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক আসাদুজ্জামান আরজু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) খসড়া প্রস্তাবের পর গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে পাঠানো ইসির দুটি চিঠি উপেক্ষা করা হয়। কমিশন সবশেষ চিঠিতে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে সময় বেঁধে দিয়েছিল। অবশেষে সেই চিঠির জবাব মিলেছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যমান আরপিওতে বেশকিছু সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়। ভোট বাতিলে ইসির ক্ষমতা ও ভোট বন্ধে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়ানো, প্রার্থীর এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখালে বা কেন্দ্রে যেতে বাধা দিলে শাস্তির বিধান, সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে শাস্তি, দলের সর্বস্তরের কমিটিতে নারী প্রতিনিধিত্ব রাখতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দেয়া, দায়িত্বে অবহেলায় কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতা বাড়ানো, প্রার্থীদের আয়কর সনদ জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করাসহ বেশকিছু বিষয়ে সংস্কার চায় বর্তমান কমিশন৷

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ‘আরপিও-এর সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নীতিনির্ধারণী বিষয়। সংবিধান ও বিদ্যমান আরপিও-এর বিধানগুলোর সঙ্গে ওইসব প্রস্তাব সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা সে বিষয়সহ সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম চলমান।

‘রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ এবং অ্যালোকেশন অফ বিজনেস অ্যামং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো বিল আকারে প্রস্তুতপূর্বক নীতিগত/চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনসহ জাতীয় সংসদে উত্থাপনের জন্য যাবতীয় কার্যক্রম লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ওপর ন্যস্ত।

‘লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ সরকারের নির্বাহী বিভাগের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে সর্বদা সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছে। ইতিপূর্বে নির্বাচন কমিশন থেকে আরপিওসহ নির্বাচন সংক্রান্ত অন্য যেসব আইন, বিধি, প্রবিধি, প্রজ্ঞাপন ইত্যাদি নতুনভাবে প্রণয়ন বা সংশোধনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে সেসব প্রস্তাব সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সূচারুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।’

আইন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘আরপিও-এর প্রস্তাবিত সংশোধনগুলোর ওইরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া মাত্রই বিল আকারে প্রস্তুতপূর্বক নীতিগত/চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
গাইবান্ধার মতো ভোট রংপুরে চায় না ইসি
ইভিএমে রি-রাইটের সুযোগ নেই: ইসি আলমগীর
বিএনপি নির্বাচনে আসবে: ইসি আনিছুর
নিবন্ধন চেয়ে আবেদন ৮০ নয়, ৯৮ বা তার চেয়ে বেশি
নাকফুল, বাবেস, মুসকিল লীগ, বৈরাবরী পার্টিসহ নিবন্ধন চায় যারা

মন্তব্য

p
উপরে