পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রীকে আটকের পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় বাহিনীটি।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ব্যাংক হিসাব তলব সাংবাদিকদের মাঝে ‘ভীতি ছড়াতে’

ব্যাংক হিসাব তলব সাংবাদিকদের মাঝে ‘ভীতি ছড়াতে’

ব্যাংক হিসাব তলবে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদ সম্মেলনে আসেন ১১ সাংবাদিক নেতা। ছবি: নিউজবাংলা

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান বলেন, ‘বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কেন, কী কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এতে সারা দেশের সাংবাদিকদের মনে নানা ধরনের আশঙ্কারও সৃষ্টি করেছে। অনেকে বিএফআইইউর এই পদক্ষেপকে সাংবাদিকদের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টির কৌশল বলেও মনে করছেন।’

সাংবাদিকদের মাঝে ভীতি ছড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের সাংবাদিক সংগঠনগুলোর শীর্ষ ১১ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বলে মনে করছেন এসব নেতা।

ব্যাংক হিসাব তলবের নামে সম্মানহানির প্রতিবাদে শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ১১ সাংবাদিক নেতা। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

সারা দেশের সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের নাম ও প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করে ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব তলবে সাংবাদিকদের মনে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তিনি।

মসিউর রহমান বলেন, ‘দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনগুলোর নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের ব্যাংক হিসাব এভাবে তলব করা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এর আগে কোনো দিন এ রকম ঘটনা ঘটেনি। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত হতেই পারে। কিন্তু সাংবাদিকতা পেশায় প্রতিষ্ঠিত সংগঠনগুলোর নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের নামে ঢালাওভাবে এ ধরনের পদক্ষেপ উদ্দেশ্যমূলক বলে আমরা মনে করি।

‘নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সব সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিকতা পেশাকে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কেন, কী কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এতে সারা দেশের সাংবাদিকদের মনে নানা ধরনের আশঙ্কারও সৃষ্টি করেছে। অনেকে বিএফআইইউর এই পদক্ষেপকে সাংবাদিকদের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টির কৌশল বলেও মনে করছে।’

বিষয়টি নিয়ে দেশ-বিদেশে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় দেশের ভাবমূর্তিও বিনষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন মসিউর রহমান। বলেন, ‘কারণ, গোটা বিশ্বে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দেশের সরকার ও সচেতন সমাজ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর কোনো ধরনের বাধার সৃষ্টি কিংবা কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগের কৌশল মেনে নেয় না, নিতে পারে না।’

বিএফআইইউ সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে যে চিঠি দিয়েছে তাতে তথ্য পাওয়ার আগেই তথ্য চাওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ করে দেয়ার উদ্দেশ্যও জানতে চাওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।

মসিউর রহমান বলেন, ‘সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে বিএফআইইউর দেয়া চিঠি গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় সমাজের মানুষের কাছে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তথা সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেই সঙ্গে সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে এ ঘটনার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও প্রতিকার দাবি করছি। কেননা, এতে করে সরকার ও গণমাধ্যমকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়ার প্রয়াস চালানো হয়েছে, যা কারও কাম্য নয়।’

সাংবাদিক সমাজ ও দেশবাসীর সামনে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন বলে জানান মসিউর রহমান।

তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের ভোটে নির্বাচিত। তাই আপনাদের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সে কারণেই বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনাদের কাছে এবং আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করি। সে বিবেচনায় আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি, আমাদের নেতৃবৃন্দের ব্যাংক হিসাবে যদি কোনো অস্বাভাবিক লেনদেন কিংবা কোনো ধরনের মানি লন্ডারিং কিংবা জঙ্গি অর্থায়নের তথ্য উপাত্ত পাওয়া যায় তা যেন গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। আর যদি তা না হয়, তবে সেটাও যেন যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়।’

এ বিষয়ে সাংবাদিক সমাজকে পাশে চেয়ে তিনি বলেন, ‘অতীতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লড়াই-সংগ্রাম, নির্যাতন-নিপীড়ন ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন সংকটে আপনারা আমাদের পাশে থেকেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতেও আমরা আপনাদের পাশে চাই। সাংবাদিকদের সুরক্ষা, স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ধরনের হুমকি-ধমকিতে আমরা অতীতে যেমন পিছপা হইনি, ভবিষ্যতেও হব না।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘ইন্টেলিজেন্স ইউনিট যে কারণে ব্যাংক হিসাব তলব করে তার কিন্তু সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে। যদি কোনো অস্বাভাবিক লেনদেন থাকে বা জঙ্গি অর্থায়নে সাস্পেক্ট করা হয়…তবে আমাদের এমন কোনো অভিযোগের কারণ নেই। আমি সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছে তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। তথ্যমন্ত্রী ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সম্মেলনে এসেছিলেন। ওনাকে জিজ্ঞেসা করেছি। উনিও বলছেন উনি কিছুই জানেন না।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিকে উদ্দেশ্যমূলক উল্লেখ করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, ‘আমরা বিস্মিত যে এভাবেও কোনো চিঠি হয়। তারা ১২ তারিখে চিঠি জারি করেছে। আমরা জেনেছি গণমাধ্যমে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএনপিপন্থি) বিএফইউজে সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএনপিপন্থি) ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী।

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন

বিদেশে চাকরির নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

বিদেশে চাকরির নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করে ডিবি। ছবি: অনির্বাণ বিশ্বাস/নিউজবাংলা

ডিবি জানায়, ‘ড্রিম জবস ইন কানাডা’ নামে কথিত প্রতিষ্ঠানের হয়ে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে তৎপরতা চালিয়ে আসছে। চক্রের একটি গ্রুপ প্রথমে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করে নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। পরে ফেসবুকে বিদেশে চাকরির অফার দিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমেইলে যোগাযোগ করে।

বিদেশে চাকরি দেয়ার নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

রাজধানীর কল্যাণপুর থেকে শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে ডিবির লালবাগ বিভাগের একটি দল।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন কবির হোসেন, শামসুল কবীর ও ইয়াছিন আলী। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫৭টি চেক বই, ২৩৪টি ডেবিট কার্ড, আটটি মোবাইল ও ১১টি সিম জব্দ করা হয়।

ওই তিনজনের নামে কদমতলী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

বিদেশে চাকরির নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

যেভাবে প্রতারণা

তিনজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে শনিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ডিবি।

এতে ডিবির প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার জানান, ‘ড্রিম জবস ইন কানাডা’ নামে কথিত প্রতিষ্ঠানের হয়ে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে তৎপরতা চালিয়ে আসছে। চক্রের একটি গ্রুপ প্রথমে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করে নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। পরে ফেসবুকে বিদেশে চাকরির অফার দিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমেইলে যোগাযোগ করে।

তিনি জানান, চক্রের সদস্যরা চাকরিপ্রত্যাশীদের বিভিন্ন ফির জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিতে বলে। এ ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরও দেয় তারা।

ডিবি জানায়, চক্রের প্রথম গ্রুপের সদস্যরা ফেসবুকে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উপহার পাঠানোর কথা বলে। পরে কাস্টমস কর্মকর্তা সেজে ফোন করে।

দ্বিতীয় গ্রুপের বিষয়ে ডিবি বলে, তাদের কাজ হলো বিভিন্ন নামে ব্যাংক হিসাব খোলা। এসব সদস্য কমিশনের বিনিময়ে নিজের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব খুলতে থাকে। পরে তারা বারবার বাসা ও মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে।

ডিবির কর্মকর্তা হাফিজ জানান, চক্রের তৃতীয় গ্রুপ এসব ব্যাংক হিসাবধারীদের স্বাক্ষরিত চেক বইয়ের পাতা, এটিএম কার্ড এবং কার্ডপিন কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করে।

তিনি জানান, চতুর্থ গ্রুপ প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যক্তির জমাকৃত টাকা চেক বা কার্ডের মাধ্যমে উঠিয়ে একজন ম্যানেজানের হাতে তুলে দেয়। ম্যানেজার এ টাকা তাদের কথিত বসের হাতে পৌঁছায়। এভাবে সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চক্রটি।

গ্রেপ্তার কে, কী করতেন

ডিবি জানায়, গ্রেপ্তার কবীর হোসেনের কাজ যাবতীয় অর্থ সংগ্রহ করে ম্যানেজারের হাতে পৌঁছে দেয়া। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করেন ইয়াসিন। আর শামসুল কবীর হলেন ব্যাংক হিসাবধারী।

তারা সবাই মাসিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতনে বিভিন্ন স্তরে কাজ করেন। তারা জানান, অন্য কোনো পেশা নেই তাদের।

ডিবির ভাষ্য, চক্রটিতে জড়িতরা একে অপরকে চেনেন না। ফোনে ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে তাদের মধ্যে যোগাযোগ হয়। অনেকটা কাটআউট পদ্ধতি ব্যবহারে অপকর্ম করছে তারা।

চক্রের হোতা মূলত যোগাযোগ দক্ষতাকে ব্যবহার করছে। এতে করে কাটআউট পদ্ধতিতে ভুক্তভোগীরা যেমন প্রতারণার শিকার হচ্ছে, তেমনি চক্রের অন্য সদস্যদের অপকর্মে জড়ানো সহজ হচ্ছে।

বস অধরা

চক্রটির কথিত বসকে শনাক্ত করা গেছে কি না জানতে চাইলে হাফিজ আক্তার বলেন, ‘আমরা এখনও বসকে শনাক্ত করতে পারিনি, তবে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে চাইছি যাতে নতুন করে আর কেউ প্রতারিত না হোন।’

তিনি বলেন, ‘কারও প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত হওয়ার আগে খোঁজ নিন। চাকরি কখনো এভাবে মেলে না, সেটা আগে বুঝুন। আর কুরিয়ার পার্সেল, উপহার প্রতারণার বিষয়ে ডিবি পুলিশ অনেক অভিযান পরিচালনা করেছে।’

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন

সৌদিগামী যাত্রীর ব্যাগে ১৮ হাজার ইয়াবা

সৌদিগামী যাত্রীর ব্যাগে ১৮ হাজার ইয়াবা

সৌদিগামী যাত্রীর ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা ইয়াবা।

নির্বাহী পরিচালক তৌহিদ-উল আহসান বলেন, ‘শনিবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরে রো ডিতে দায়িত্বে থাকা স্ক্যানার নুরুজ্জামান (আনসার) ও ইউনুস আলী (এএসজি) একজন যাত্রীর ব্যাগ স্ক্যানিং মেশিনে তল্লাশি করতে গিয়ে ইয়াবার সন্ধান পান। ওই যাত্রী বিজি ৪০৪৯ ফ্লাইটে দাম্মাম যাচ্ছিলেন।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৮ হাজার ইয়াবাসহ সৌদি আরবগামী এক যাত্রীকে আটক করেছে বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্স (এভসেক)।

আটক যাত্রীর নাম স্বপন মাতব্বর।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক তৌহিদ-উল আহসান।

তিনি বলেন, ‘শনিবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরে রো ডিতে দায়িত্বে থাকা স্ক্যানার নুরুজ্জামান (আনসার) ও ইউনুস আলী (এএসজি) একজন যাত্রীর ব্যাগ স্ক্যানিং মেশিনে তল্লাশি করতে গিয়ে ইয়াবার সন্ধান পান। ওই যাত্রী বিজি ৪০৪৯ ফ্লাইটে দাম্মাম যাচ্ছিলেন।’

আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন

ইভ্যালির মতো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ডিবি

ইভ্যালির মতো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ডিবি

ইভ্যালির লোগো। ফাইল ছবি

ডিবির প্রধান হাফিজ আক্তার বলেন, ‘ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জসহ এমন আরও প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা প্রতারণা করেছে। বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে পণ্য বিক্রির অফার দিয়ে যারা গ্রাহকদের পণ্য দেয় না, তারা মূলত প্রতারণা করছে।’

ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জের মতো যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার।

ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে শনিবার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

ডিবির প্রধান বলেন, ‘ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জসহ এমন আরও প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা প্রতারণা করেছে। বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে পণ্য বিক্রির অফার দিয়ে যারা গ্রাহকদের পণ্য দেয় না, তারা মূলত প্রতারণা করছে।’

তিনি বলেন, ‘এসব বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ধরনের প্রতারকদের বেশি বেশি ধরা হলে ধীরে ধীরে প্রতারণা কমে আসবে।’

অর্থ আত্মসাতের মামলায় ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে শুক্রবার তিন দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ।

ওই দিন দুপুরে র‌্যাব সদরদপ্তরে তাদের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়। পরে তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গ্রাহকের করা মামলার পর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন

হেফাজত নেতা মুফতি রিজওয়ান গ্রেপ্তার

হেফাজত নেতা মুফতি রিজওয়ান গ্রেপ্তার

হেফাজতে ইসলামের নেতা মুফতি রেজওয়ান রফিকী। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে ডিবির মতিঝিল বিভাগের একটি দল রিজওয়ানকে গ্রেপ্তার করে। তার নামে নাশকতার মামলা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হেফাজতে ইসলামের নেতা মুফতি রিজওয়ান রফিকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে ডিবির মতিঝিল বিভাগের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিবির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামীম বলেন, হেফাজতের সাম্প্রতিক নাশকতার মামলার আসামি রিজওয়ান রফিকী। তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, মতিঝিল, পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় কয়েকটি মামলা হয়েছে। সেসব মামলায় সংগঠনটির শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন।

তিনি বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন হেফাজত নেতা রিজওয়ান রফিকী। সে কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট ইউটিউবে পরিচিত বক্তা রিজওয়ান রফিকী। শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে হেফাজতের সাবেক আমির শাহ আহমদ শফীসহ কয়েকজনের স্মরণে যে আলোচনা সভা হওয়ার কথা, তার আয়োজকদের একজন ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন

রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু

রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু

ময়নাতদন্তের জন্য রিকশাভ্যান চালকের মৃতদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভ্যানচালকের বড় ভাই আয়নাল সরদার বলেন, ‘আমার ভাই তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার তিব্বত কোহিনুর কেমিক্যালে মালামাল দিয়ে খালি ভ্যান নিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাসায় ফিরছিলেন। পল্টনের জিরোপয়েন্ট মোড় এলাকায় এলে ভ্যান উল্টে ওই ভ্যানের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আমরা খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যালে গেলে মৃত অবস্থায় ভাইকে দেখতে পাই।’

রাজধানীর পল্টনে রিকশাভ্যান উল্টে জয়নাল আবেদীন সরদার নামের এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার রাত একটার দিকে পল্টনের জিরোপয়েন্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে তিনটার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের সহকারি ইনচার্জ (এএসআই) আব্দুল্লাহ খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

ভ্যানচালকের বড় ভাই আয়নাল সরদার বলেন, ‘আমার ভাই তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার তিব্বত কোহিনুর কেমিক্যালে মালামাল দিয়ে খালি ভ্যান নিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাসায় ফিরছিলেন। পল্টনের জিরোপয়েন্ট মোড় এলাকায় এলে ভ্যান উল্টে ওই ভ্যানের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আমরা খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যালে গেলে মৃত অবস্থায় ভাইকে দেখতে পাই।’

ভ্যানচালকের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানার হাসাইল গ্রামে। বর্তমানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আমবাগিচা এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। নিহতের ১২ বছরের রাশেদ নামের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। পাঁচ ভাই তিন বোনের মধ্যে সে তৃতীয়।

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন

যাত্রাবাড়ীর ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার

যাত্রাবাড়ীর ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার

এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী মাছ বাজার এলাকার ফুটপাত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মাছ বাজার এলাকার ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাহিনীটি জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৫০ বছর।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী মাছ বাজার এলাকার ফুটপাত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আশপাশের লোকজনের মুখে জানতে পারি, নিহত ব্যক্তি ওই এলাকায় ভবঘুরে হিসেবে ছিলেন। নিহতের নাম-পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।’

এসআই মনির বলেন, ‘আমরা ক্রাইম সিনকে খবর দিয়েছি, ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার নাম-পরিচয় জানা যাবে। নিহতের গায়ে একটি ময়লা শার্ট ও পরনে একটি ছেঁড়া লুঙ্গি ছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়
বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা
পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করছে র‌্যাব
অনৈতিক কাজের দায় এড়ানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে হচ্ছে একাধিক মামলা

শেয়ার করুন